চট্টগ্রামে ‘ঘরে ঘরে জ্বরের রোগী’, করোনা শনাক্তে বড় লাফ

50

 

চট্টগ্রামে সংক্রমণ ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়ছে। ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টে সংক্রমণে গতি পেয়েছে। প্রতিদিনই শনাক্তের হার বাড়ছে। শিথিল বিধিনিষেধের কারণে সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে বলে শঙ্কা জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের। একই সঙ্গে মৃত্যুও বাড়বে।
চট্টগ্রামে প্রায় পরিবারে জ্বরের উপসর্গ দেখা দিচ্ছে। একজন জ্বরে আক্রান্ত হলে পরিবারের অন্য সদস্যরা জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছে। চিকিৎসকরা বলছেন ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট বেশি সংক্রামক। এর প্রভাব দেখা যাচ্ছে। মানুষের অসতর্ক চলাফেরায় সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। যারা টেস্ট করাচ্ছেন তাদের বেশিরভাগ করোনা পজিটিভ হচ্ছেন।

ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট সবচেয়ে বেশি সংক্রামক। শিশুরাও আক্রান্ত হচ্ছে। সতর্কতার বিকল্প নেই। মাস্ক পরিধান ও স্বাস্থ্যবিধি মানার বিকল্প নেই বলছেন চিকিৎসকরা। নতুন ভ্যারিয়েন্ট মৃদু বলে অবহেলার সুযোগ নেই। যদিও সুস্থতার হার বেশি, তবুও স্বাস্থ্যবিধি মানার পরামর্শ চিকিৎসকদের।

নতুন বছরের শুরু থেকে ঝড়োগতিতে এগোচ্ছে করোনা। জানুয়ারি মাসের প্রথম ২৫ দিনে শনাক্ত ১১ হাজারের কাছাকাছি।অথচ এর আগের তিন মাসে এক হাজার রোগীও শনাক্ত হয়নি।

এত দ্রুত রোগী বাড়তে আগে কখনও দেখা যায়নি। অনেক রোগী টেস্টের বাইরে রয়েছে। চিকিৎসকরা বলছেন, যতো সংখ্যাক মানুষ আক্রান্ত তার চেয়ে অনেক কম সংখ্যাক রোগী করোনা টেস্ট করছেন। করোনা টেস্ট সহজলভ্য না হওয়ায় অনেকেই টেস্ট করাচ্ছেন না।

চট্টগ্রামে রোগী শনাক্তে ১৩৪৮ জন

গত ২৪ ঘণ্টায় ৩ হাজার ৬৮৯টি নমুনা পরীক্ষা করে ১ হাজার ৩৪৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। সংক্রমণের হার ৩৬ দশমিক ৫৪ শতাংশ। করোনায় মারা গেছেন ৩ জন।

জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে এ তথ্য জানা গেছে। ১২টি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা করা হয়।নতুন আক্রান্ত ৯১৯ জন নগরের ও ৪২৯ জন উপজেলার বাসিন্দা। এখন পর্যন্ত চট্টগ্রামে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৬০ জন।এর মধ্যে নগর এলাকায় ৮২ হাজার ৭৮০ জন এবং উপজেলায় ৩০ হাজার ৬৮০ জন। এছাড়া মোট মৃত্যুবরণ করা ১ হাজার ৩৪৬ জনের মধ্যে ৭২৮ জন নগরের এবং ৬১৮ জন উপজেলার বাসিন্দা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here