মিরসরাই প্রতিনিধি
বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, গত বছরের জুলাই-আগস্টে ছাত্র জনতার যে গণঅভ্যুত্থান হয়েছিল, সেটাকে আমরা ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থান না বলে কেন আমরা ৩৬ জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান বলছি, এই প্রশ্ন আমি করতে চাই। এর পেছনে কোন সাইকোলজি কাজ করেছে, এটা উন্মোচন করতে হবে।
মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে ঢাকাস্থ মিরসরাই জাতীয়তাবাদী ফোরাম কর্তৃক ‘গণঅভ্যুত্থান, গণপ্রত্যাশা এবং রাষ্ট্র সংস্কার’ বিষয়ক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমরা আবেগের কারণে আমরা ৩৬ জুলাই বলেছি, সেটা আমি বিশ্বাস করি না। এর পেছনে কোন রাজনৈতিক বিশ্লেষণ রয়েছে; সেটা বিশ্বাস করি না। আমি এটা বিশ্বাস করি, যেকোনো কারণে তারা আগস্ট নামটি উচ্চারণ করতে চায়নি। সে কারণে তারা এটাকে ৩৬ জুলাই বলছে। আগস্টের নামটা যাতে তুলতে না হয়, তবে সেই কারণটি সেটা ব্যাখ্যা দেওয়ার প্রয়োজন নাই।
সরকারের কাঁধে অনেক কাজ উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, এই সরকারের ওপর আমাদের অনেক আস্থা। তাদেরকে শক্ত হাতে একটি কাজ করতে হবে, দ্রুততম সময়ে স্বৈরতন্ত্রের যে অধ্যায় ছিলো, সেখান থেকে গণতন্ত্রের অধ্যায়ে রূপান্তর করতে হবে; একটি সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে। স্বৈরতন্ত্রের পতন হলেও এখনো গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুল লতিফ মাসুম। এতে আরও বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, মুক্ত চিন্তা বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আবুল কাসেম হায়দার প্রমুখ। এসময় ঢাকাস্থ মিরসরাই জাতীয়তাবাদী ফোরামের প্রধান উপদেষ্ট আ.ক.ম জান্নাতুল করিম খোকন,আহবায়ক আইয়ুব খাঁন, সদস্য সচিব এডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম সহ নেতৃবৃন্দ।



