মিরসরাইয়ের করেরহাট আওয়ামীলীগের সম্পাদক হতে চান কামরুল

279

মিরসরাই প্রতিনিধি
মিরসরাই উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল চলছে। ইতমধ্যে প্রতিটি ইউনিয়নের কয়েকটি ওয়ার্ডে সভাপতি-সম্পাদক নির্বাচন করা হয়েছে। আগামী ৫ অক্টোবর থেকে ইউনিয়ন পর্যায়ে ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন শুরু হবে। উপজেলার মধ্যে অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ন ইউনিয়ন উত্তর মিরসরাইয়ে অবস্থিত করেরহাট ইউনিয়ন।
করেরহাট ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের কাউন্সিল নিয়ে পুরো উপজেলাজুড়ে আলোচনা চলছে। সম্পাদক কে হচ্ছে? নতুন মুখ আসছে নাকি পুরনো থেকে যাচ্ছে। তবে এই সময়ে আলোচনার কেন্দবিন্দুতে সাবেক ছাত্রনেতা তরুণ উদিয়মান আওয়ামীলীগ নেতা কামরুল হোসেন। সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হতে তিনি মরিয়া হয়ে উঠেছেন। তাঁর দাবী ইউনিয়ন কাউন্সিল যেন ভোটাভুটির মাধ্যমে হয়। যদি ভোটাভুটির মাধ্যমে কাউন্সিলর হয় তাহলে তার বিজয় সুনিশ্চিত।
কামরুল হোসেন বলেন, ছাত্র জীবন থেকে রাজনীতির সাথে জড়িত রয়েছে। দলের দুর্দিনে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছি। অনেক হামলা, মামলা হয়েছে তারপরও কখনো দমিয়ে রাখতে পারেনি। তৃণমুলের নেতা-কর্মীদের জন্য নিজেকে উজাড় করে দিয়েছি সব সময়। তৃণমুলের নেতা-কর্মী ও সাধারণ জনগনই আমার শক্তি। মিরসরাইয়ের অভিববাক প্রিয় নেতা সাবেক সফল মন্ত্রী শ্রদ্ধেয় ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের নির্দেশে দলের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। আমি আশা করবো সাংগঠনিক কাঠামো মেনে গনতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় যেনে ভোটাভুটির মাধ্যমে সম্মেলন হয়।
জানা গেছে, গরীব অসহায় মানুষের প্রাণের বন্ধু কামরুলের কাছে এসে কেউ কোনদিন খালি হাতে ফিরেনি। মানুষের বিপদে ঝাঁপিয়ে পড়েন তিনি। তারপরও বৃহৎ পরিসরে মানুষের সেবা করতে হলে একটা অবস্থান প্রয়োজন। তাই ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েছি।
উপজেলার রাজনৈতিক অঙ্গনের সর্বজন পরিচিত তরুণ তুর্কি ১১৯৭৯ সালের ৩ জুন করেরহাট ইউনিয়নের ভালুকিয়া গ্রামের সৈয়দ ভূঁইয়া বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা উপজেলা বিআরডিবির সাবেক ৪ বারের সফল চেয়ারম্যান ও একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধা মরহুম তোবারক হোসেন। প্রাথমিক শিক্ষার গন্ডি পেরিয়ে ১৯৯৪ সালে মিঠানালা রামদয়াল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাশ করেন। ১৯৯৬ সালে মিরসরাই কলেজ থেকে এইসএসসি পাশ করেন। পরবর্তীতে বারইয়ারহাট কলেজ থেকে বিএ পাস করেন। স্কুল জীবন থেকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে ছাত্রলীগের সাথে জড়িয়ে পড়েন আর ১৯৯৩ সালে মিঠানালা উচ্চ বিদ্যালয় শাখার সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ছাত্র রাজনীতির উত্তাল দিনগুলোতে ১৯৯৭ সালে বারইয়ারহাট কলেজ ছাত্রলীগের জিএস, ১৯৯৮ সালে উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ২০০৩ সালে উপজেলা ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন তিনি। ২০০৫ সালে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সহ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন ২০০৭ সালে করেরহাট ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ও উপজেলা যুবলীগের অন্যতম সদস্যের দায়িত্ব¡ পালন করেন। বর্তমানে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত রয়েছেন তিনি। ব্যবসায়িক পরিমন্ডলে তিনি ফেনী উপত্যাকা বৃহত্তর কাঠ ব্যবসায়ী সমিতির সদস্য ও রামগড়-করেরহাট ট্রাক মালিক সমিতির সদস্য হিসেবে ব্যবসায়ীদের পাশে থেকে অবদান রাখছেন। তারই করেরহাট বাজার উন্নয়ন কমিটির নির্বাচনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ার পর বাজার উন্নয়নের ব্যাপক কাজ করেন। সমাজকর্মে তিনি উদয়ন ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here