মিরসরাইয়ে ফণী’র ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় প্রস্তুত প্রশাসন

225

মিরসরাই প্রতিনিধি

ঘূর্ণিঝড় ফণী’র আতঙ্কে মিরসরাই উপজেলা প্রশাসন সব ধরণের প্রস্তুুতি সম্পন্ন করেছে। প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৮৮টি আশ্রয়কেন্দ্র। শুক্রবার সকাল থেকে মিরসরাইয়ে রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়া বিরাজ করছে। ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় সিপিপির ১২শ সেচ্ছাসেবক, ১৯টি মেডিকেল ক্যাম্প, পর্যাপ্ত ওষুধ, ৩ বস্তা চিড়া, মণখানেক গুড়, পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি ও ফায়ারসার্ভিসের ৩টি ইউনিট প্রস্তুত রেখেছে মিরসরাই উপজেলা প্রশাসন। মিরসরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রুহুল আমিন বলেন, ঘূর্ণিঝড় ফণী আতঙ্কে উপজেলা প্রশাসন থেকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সকাল থেকে উপকূলীয় এলাকা ১৬নং সাহেরখালী, ৬নং ইছাখালী, ৫নং ওসমানপুর ও ১১ নং মঘাদিয়ায় লোকজনকে সরিয়ে নিতে সকাল থেকে মাইকিং করা হচ্ছে। খুলে দেওয়া হয়েছে আশ্রয়কেন্দ্রগুলো। ফায়ার সার্ভিস, উপজেলা সিপিপি ও সামাজিক সংগঠনগুলো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করবে। তিনি আরও জানান, গতকাল রাতেও অনেকেই আশ্রয়কেন্দ্রে উঠেছিলো। আজ সকালে ঘূর্ণিঝড়ের প্রকোপ না দেখায় সবাই চলে গেছে। তবে বিকালে আবার আশ্রয়কেন্দ্রে ফিরে আসবে। বিশেষ করে ইছাখালী ও সাহেরখালী ইউনিয়নের সমুদ্রের তীরবর্তী হওয়ায় ঝুকিঁপূর্ণ তালিকায় রেখেছে।

উপজেলা ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতির (সিপিপি) টিম লিডার সাইফুল্লাহ দিদার জানান, জনসাধারণকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্য গতকাল থেকে মাইকিং ও প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছেন সিপিপি’র প্রায় ১২শ স্বেচ্ছাসেবী। এছাড়াও দুর্যোগ পরবর্তী উদ্ধার কাজে অংশ নিতে প্রস্তুতি রয়েছে সিপিপি’র। সেচ্ছাসেবী সংগঠন দুর্বারের আশীষ দাস বলেন, আমরা উপজেলা প্রশাসন, সিপিপি টিম ও ইউনিয়ন পরিষদের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছি। মাইকিং করে সবাইকে নিরাপদে থাকার জন্য বলা হয়েছে এবং যেকোনো পরিস্থিতি সহযোগিতার জন্য দুর্বার প্রগতি সংগঠনের সকল সদস্যরা প্রস্তুত আছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here