আইসিসি বর্ষসেরা টি-টোয়েন্টি একাদশে ঠাঁই মিলেছিল বাংলাদেশের কেবল একজনের। তবে বর্ষসেরা ওয়ানডে একাদশে স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশের সর্বোচ্চ তিনজন। এছাড়া পাকিস্তানের দুজন স্থান পেলেও স্থান মেলেনি ভারত বা অস্ট্রেলিয়ার কোনো খেলোয়াড়ের।
এ স্কোয়াডে বাংলাদেশ থেকে স্থান পাওয়া তিন তারকা হলেন- সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম ও মোস্তাফিজুর রহমান।
এর আগে আইসিসি বর্ষসেরা টি-টোয়েন্টি একাদশে ঠাঁই পেয়েছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান। ওয়ানডে দলেও জায়গা পেলেন তিনি। আর সঙ্গি হিসেবে রয়েছেন সাকিব ও মুশফিক।
২০২১ সালে ওয়ানডেতে বিশ্বের যে কোনো দলের চেয়ে বেশি ওয়ানডে জয়ের রেকর্ড গড়েছিল বাংলাদেশ। সেই দলের তিন তারকা বর্ষসেরা ওয়ানডে একাদশে জায়গা পাবেন, তাতে অবশ্য অবাক হওয়ার কিছু নেই।
গত বছরে ওয়ানডেতে ৯ ম্যাচে ৩৯.৫৭ গড়ে সাকিবের রান ২৭৭, আছে দুটি হাফ সেঞ্চুরি। আর বোলিংয়ে নেন ১৭ উইকেট, ১৭.৫২ গড়ে।
মুশফিকও গত বছর খেলেছেন ৯ ম্যাচ। মোট রান করেছেন ৪০৭, ৫৮.১৪ গড়ে।
অন্যদিকে মোস্তাফিজুর ১০ ম্যাচে নিয়েছেন ১৮ উইকেট, ২১.৫৫ গড়ে। তার নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ব্যাটসম্যানদের রান নিতে ধুঁকতে হয়েছে। ওভারপ্রতি রান দিয়েছেন ৫.০৩।
টি-টোয়েন্টি দলের মতো আইসিসি বর্ষসেরা ওয়ানডে একাদশেরও নেতৃত্ব দেয়া হয়েছে পাকিস্তানের বাবর আজমের ঘাড়ে। তার সাথে ঠাঁই মিলেছে পাকিস্তানের ফাখর জামানেরও।
বাংলাদেশের তিনজন, দুজন করে ঠাঁই মিলেছে পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, দক্ষিণ আফ্রিকা ও আয়ারল্যান্ডের। ভারত, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ কিংবা নিউজিল্যান্ডের কারোরই ঠাঁই হয়নি এই একাদশে।
আইসিসির বর্ষসেরা ওয়ানডে একাদশ
পল স্টার্লিং (আয়ারল্যান্ড), জানেমান মালান (দক্ষিণ আফ্রিকা), বাবর আজম (অধিনায়ক, পাকিস্তান), ফাখর জামান (পাকিস্তান), রাসি ফন ডার ডুসেন (দক্ষিণ আফ্রিকা), সাকিব আল হাসান (বাংলাদেশ), মুশফিকুর রহিম (বাংলাদেশ, উইকেটরক্ষক), ওয়ানিদু হাসারাঙ্গা (শ্রীলঙ্কা), মোস্তাফিজুর রহমান (বাংলাদেশ), সিমি সিং (আয়ারল্যান্ড) ও দুশমন্তে চামিরা (শ্রীলঙ্কা)।



