বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারীর অঢেল সম্পদ!

প্রকাশিত :

spot_img

 

জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের তৃতীয় শ্রেণীর এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে ঘুষ-দুর্নীতি আর অনিয়মের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার মালিক বনে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মাস্টার রোলে পাম্প অপারেটর হিসেবে কাজ শুরু করলেও বিভিন্ন প্রভাব খাটিয়ে নানা অনিয়মের মাধ্যমে এখন দেলোয়ার হোসেন নামের ওই কর্মচারী উচ্চমান সহকারী হিসেবে কাজ করছেন। একই সাথে তিনি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদকও। অভিযোগ রয়েছে, দেলোয়ার হোসেন এখন নামে-বেনামে কোটি কোটি টাকার মালিক। ঢাকা, খুলনাসহ বিভিন্ন এলাকায় একাধিক বাড়ি, ফ্ল্যাট ও প্লট রয়েছে তার। শুধু দেশের মধ্যেই নয়, অস্ট্রেলিয়াতেও তিনি গড়ে তুলেছেন বাড়ি ও নানা ব্যবসার কার্যক্রম। বর্তমানে একটি ডেভেলপার কোম্পানির মালিকও।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রথম দিকে দেলোয়ার হোসেন বর্তমানে ঢাকা সিটি করপোরেশনের ৩২ ওয়ার্ড কাউন্সিলর র‌্যাবের হাতে আটক হাবিবুর রহমান মিজানের মোহাম্মদপুর এলাকায় ডিশ ব্যবসার বিল কালেক্টর হিসেবে কাজ করতেন। এরপর ২০০৬ সালে কাউন্সিলরের সুপারিশে তিনি মাস্টার রোলে গৃহায়ন কর্তৃপক্ষে পাম্প অপারেটর হিসেবে চাকরি নেন। সেই থেকে আর পেছনে তাকাতে হয়নি তাকে। মিজানের সুপারিশে নানা প্রভাব খাটিয়ে বর্তমানে তিনি উচ্চমান সহকারী। দেলোয়ার হোসেনের নানা অপকর্মের কারণে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন খোদ তারই সহকর্মীরা। কিন্তু কেউ ভয়ে তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে পারেন না।

চাকরি জীবনে তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী হলেও তার রয়েছে অঢেল সম্পদ। দেলোয়ার হোসেন তার মায়ের নামে টাংগালি হাউজিং এস্টেট থেকে একটি প্লট কেনেন। কিন্তু সেটা বেশি সময় রাখেননি। দ্রুতই বিক্রি করে দেন। এরপর স্ত্রীর নামে খুলনার বয়রা হাউজিং এস্টেটে শিল্পী/সাহিত্যিক কোটায় বরাদ্দ নিলেও বেতার বা টেলিভিশনের কোনো সনদ সেখানে দাখিল করতে পারেননি। পরে প্লটটি বিক্রি করে দেন। কুষ্টিয়া হাউজিং এস্টেটে তার নিজের নামে ৩.৫০ কাঠা জমি দুই কিস্তিতে ১৪ লাখ টাকায় বরাদ্দ নেন। পরে ৪০ লাখ টাকায় সেটিও বিক্রি করে দেন।

অভিযোগ রয়েছে, মোহাম্মদপুরের এক হুন্ডি ব্যবসায়ীর মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়ায় তার শ্যালকের কাছে কোটি কোটি টাকা পাচার করেছেন। এ ছাড়াও লালমাটিয়ায় নামে-বেনামে তিনটি, মোহাম্মদপুরসহ বেশ কয়েকটি স্থানে আরো ৮-১০টি ফ্ল্যাট রয়েছে তার। তবে তিনি লালমাটিয়ার একটি ডুপলেক্স ভাড়া বাসায় বসবাস করেন। চড়েন কয়েকটি বিলাসবহুল গাড়িতে। দেলোয়ার হোসেন গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের তৃতীয় শ্রেণীর একজন কর্মচারী হয়ে এত সম্পদের মালিক কিভাবে হলেন, তার হিসাব কারো জানা নেই। এর আগে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক অনুসন্ধান করে দেলোয়ারের বিপুল সম্পদের সন্ধান পেলেও রহস্যজনক কারণে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে দেলোয়ার হোসেন বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সব মিথ্যা ও বানোয়াট। তিনি বলেন, আমার অফিসের একটি গ্রুপ আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য মিথ্যা অভিযোগ করছে। দেশের নাগরিক হিসেবে আমার সম্পদ থাকতেই পারে। তবে সম্পদ সম্পর্কে যেসব মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, তা সঠিক নয়। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো বলেন, হাবিবুর রহমান মিজান আমার এলাকার কমিশনার। আমি ছোট থেকে মোহাম্মদপুর এলাকায় বেড়ে উঠেছি। একজন জনপ্রতিনিধির সাথে যে ধরনের সম্পর্ক থাকার কথা, মিজান কমিশনারের সাথে আমার ততটুকুই সম্পর্ক রয়েছে। এর বেশি নয়।

সর্বশেষ

Casino Mallorca tragaperras: registro paso a paso y guía práctica

¿Qué es Casino Mallorca y por qué enfocarse en sus tragaperras?Registro paso a paso...

Best Non-GamStop Casinos in the UK

Best Non-GamStop Casinos in the UK ...

भारत में 1 X Bet – मोबाइल गेमिंग और उपयोगकर्ता अनुभव

भारत में 1 X Bet - मोबाइल गेमिंग और उपयोगकर्ता अनुभव ...

Mostbet लॉगिन – भारत में सुरक्षित अकाउंट एक्सेस और प्रबंधन

Mostbet लॉगिन - भारत में सुरक्षित अकाउंट एक्सेस और प्रबंधन ...

আরও পড়ুন

‘খালেদা জিয়ার আগে মারা যাওয়ার দাবিটি গুজব- ডা. মারুফ রায়হান খান

ডেস্ক রিপোর্ট বাংলাদেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া আজ...

গৃহবধূ থেকে প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া

ডেস্ক রিপোর্ট বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। ১৯৮১ সালের মে মাসে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা এবং রাষ্ট্রপতি জিয়াউর...

শোকাহত বাংলাদেশ

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজ সকাল ৬টায় ফজরের ঠিক...