মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে পরিকল্পিত ভাবে প্রকল্পের পাড় ধসিয়ে মাছ মেরে ফেলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে প্রায় ২০ লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন ভুক্তভোগী কুতুব উদ্দিনের পক্ষে তার শ্যালক রবি করিম। রবি করিম উপজেলার বারইয়ারহাটের একটি রেস্তোরায় প্রকল্প মালিক সংবাদ সম্মেলনে এফআইকে প্রপার্টিজের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ করেন।
লিখিত বক্তব্যে রবি করিম জানান, সাত মাস আগে বারইয়ারহাট পৌরবাজার এলাকায় আমার ভগ্নিপতি কুতুব উদ্দিনের মালিকানাধীন দেড় একরের মৎস প্রকল্পে রেনু ও চারা পোনা মিলিয়ে ৫০ হাজার তেলাপিয়া মাছের চাষ শুরু করি। তখন প্রকল্প রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আমাদের জায়গায় একটি অস্থায়ী ঘর নির্মাণ করতে গেলে প্রকল্পের পার্শ্ববর্তী জমির মালিক ফখরুল ইসলাম খানের লোকজন নানাভাবে বাধা দেয়ার চেষ্টা করে। পরবর্তীতে শুক্রবার রাতে আমাদের মৎস্য প্রকল্পের পাড় কেটে ও স্থায়ী দেয়াল ভেঙে রাতের আধারে পাশের একটি গভীর ভাবে খনন করা পুকুরে পানি ফেলে বিক্রি উপযোগী মাছ লুট করে নিয়ে গেছে। খবর পেয়ে প্রকল্প এলাকায় গেলে ফখরুল ইসলাম খানের পক্ষে মুজিব ও দীন মোহাম্মদ নামে এফআইকে প্রোপার্টিদের কর্মকর্তারা সমঝোতার কথা বলেন। তখন আমরা আমাদের চাষকৃত মাছের বাজার ম‚ল্য দাবি করলে ফখরুল ইসলাম খানের প্রতিনিধি পরিচয় দেয়া মুজিব ও দীন মোহাম্মদ কয়েক দফা ফোনে মালিকের সাথে কথা বলেও কোন সমাধান দেয় নি। এই ঘটনায় আমরা থানায় লিখিত অভিযোগ করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব। মূলত মৎস্য প্রকল্প এলাকার জায়গাটি ফখরুল ইসলাম খান আমাদের কাছ থেকে কিনতে চেয়েছিল। দামে বনিবনা হওয়ায় জায়গা কিনতে না পেরে তারা এখন মৎস্য প্রকল্পের লুটপাট করছে।
সরেজমিনে ওই মৎস্য খামারে গিয়ে দেখা যায়, প্রকল্পের পানি চলে যাওয়ায় অসংখ্য মাছ মরে ভেসে উঠেছে। কিছু মাছ প্রকল্পের প‚র্ব পাশে গর্ত দিয়ে পাশের গর্তে চলে গেছে। স্থানীয়রা মাছ ধরতে পাড়ে পাশে অবস্থান করছে।
এবিষয়ে জানতে চাইলে ফখরুল ইসলাম খানের পক্ষে এফআইকে প্রপার্টিজের তত্ত¡াবাবধায়ক দীন মোহাম্মদ বলেন, আমাদের কোম্পানির মালিকানাধীন একটি পুকুর খনন করতে গিয়ে পার্শ্ববর্তী একটি মাছের খামারের পাদদেশে কিছু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আমরা ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তিদের ডেকে ন্যায্য ক্ষতিপূরণ দেয়ার প্রস্তাব করেছি। কিন্তু তারা ক্ষতিপূরণের অন্যায্য দাবী করায় বিষয়টি এখনও সুরাহা হয়নি।
এম মাঈন উদ্দিন, মিরসরাই
০১৮১৫৫০০৭০৫।



