মিরসরাই প্রতিনিধি
মিরসরাইয়ে সওজ’এর (সড়ক ও জনপথ) জায়গায় নির্মিত ছাত্রী ছাউনী রাতের আঁধারে গুড়িয়ে দিয়ে ভবন নির্মাণের পাঁয়তারা করছে সেলিম উদ্দিন নামে এক প্রভাবশালী। উপজেলার জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডে চৈতন্যারহাট এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম পুরাতন মহাসড়কের পাশে এ ঘটনা ঘটেছে।
সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, যাত্রী ছাউনিটি গুড়িয়ে ফেলে তা সরিয়ে ও সওজ’র কিছু জায়গা দখল করে একটি বহুতল ভবন নির্মাণের প্রস্তুতি চলছে। কৌশলে রাতের আঁধারে স্কেভেটর দিয়ে যাত্রী ছাউনী ভেঙে ফেলার অভিযোগ করেন স্থানীয়রা। এছাড়া যাত্রী ছাউনীর দক্ষিণ পাশে সওজ’র জায়গা দখল করে টিন দিয়ে সীমানা নির্মাণ করেছে ওই প্রভাবশালী। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মাসিক সমন্বয় সভায় বিষয়টি তুলে ধরেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান রেজাউল করিম মাষ্টার।
এ বিষয়ে ভবন নির্মাণকারী নির্মানের সমন্বয়ক মো. নুর নবী রেদোয়ান বলেন, স্থাপনা নির্মাণের জায়গাটি জৈনক সেলিম উদ্দিনের পৈত্তিক সম্পত্তি। এখানে স্থাপনার কাজ করতে গিয়ে স্কেভেটর লেগে যাত্রী ছাউনির একটি খুঁটি ভেঙে গেছে।
এই বিষয়ে জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম মাষ্টার বলেন, এখানে ভবন নির্মাণের জন্য ইউনিয়ন পরিষদ থেকে কোন ধরনের অনুমতি নেয়া হয়নি। মহাসড়কের দু’পাশে অধিগ্রহণ অংশসহ ৩০ ফুট পর্যন্ত উন্মুক্ত রাখার বিধান রয়েছে যা সড়ক বিভাগের দেখার এখতিয়ার। এভাবে রাতের আঁধারে কেউ সরকারি স্থাপনা ভেঙ্গে দিতে পারে না।
মিরসরাই উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মিজানুর রহমান বলেন, এভাবে কাজ করা বেআইনি। মহাসড়ক ও যাত্রীছাউনি ভেঙে দখলের বিষয়টি তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এই বিষয়ে সড়ক ও জনপথের চট্টগ্রাম নির্বাহী প্রকৌশলী পিন্টু চাকমা জানান, মিরসরাইয়ের চৈতন্যারহাট এলাকায় যাত্রী ছাউনী ভাঙ্গার বিষয়টা জেনেই ভবন নির্মাণের কাজ আমরা বন্ধ করে দিয়েছি। যদি আবার ভবন নির্মাণের চেষ্টা করে তাহলে আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।



