যে স্লোগানটি নেতা-কর্মীদের নজর কেড়েছে

326


নিউজ ডেস্ক..
ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের জনসভাস্থল ইতোমধ্যে নেতা-কর্মীর উপস্থিতিতে পরিপূর্ণ হয়ে গেছে। এছাড়া ঢাকা ও তার আশে-পাশের জেলাগুলো থেকে নেতা-কর্মীরা বিশাল মিছিল নিয়ে সোহরাওয়ার্দীতে আসছেন। রঙ বেরঙের ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন।

স্লোগানে স্লোগানে নেতা-কর্মীরা তাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি জানাচ্ছেন। ‘আমার নেত্রী আমার মা, জেলে থাকতে দিব না’, ‘বন্দি আছে আমার মা, ঘরে ফিরে যাবো না’, ‘হামলা করে আন্দোলন- বন্ধ করা যাবে না’- ইত্যাদি স্লোগান দিচ্ছেন। তবে একটি স্লোগান সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

সেটি হলো ‘জেলে নিলে আমায় নে, আমার মাকে ছেড়ে দে’ বুকে সাদা অক্ষরে লেখা এই স্লোগানটি নেতা-কর্মীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। এছাড়া মাথায় কাপড়ের ব্যান্ডে ও স্লোগান লেখা রয়েছে। এরকম ব্যতিক্রমি স্লোগানধারী জনসভার মঞ্চের সামনেই অবস্থান করছেন।

১৯৯০ সালে ১০ নভেম্বর ঢাকার গুলিস্তানে জিপিও এর সামনে নূর হোসেন তার বুকে পিঠে ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক’ স্লোগান লিখে মিছিল করেন। পরে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন। নূর হোসেনের শহীদ হওয়ার পরেই স্বৈরাচারী এরশাদের পতনের সূচনা হয়।

ঠিক ২৮ বছর পর এই নভেম্বর মাসেই আবারো সে রকম একটি স্লোগান নিয়ে জনসভায় হাজির হওয়ায় উপস্থিত নেতা-কর্মী ও মিডিয়ার নজর কেড়েছে এই স্লোগানটি।

এদিকে জনসভা শুরু হওয়ার কথা দুপুর দুই টায়। কিন্তু সকাল থেকেই জনসভায় আসতে শুরু করেছেন নেতাকর্মীরা। এরই মধ্যে জনসভাস্থল প্রায় পরিপূর্ণ।

সকাল ১০টা থেকেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অবস্থান নেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতাকর্মীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে নেতাকর্মী-সমর্থকদের ভিড়।

দুপুর সাড়ে বারো টার দিকে দেখা যায়, মঞ্চের সামনের জায়গা বিএনপির নেতাকর্মীতে পরিপূর্ণ। তাঁদের উজ্জীবিত রাখতে সংগীত পরিবেশন করছেন জাসাসের শিল্পীরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here