গত তিনদিনে ভয়াবহ সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন ৭ জন। এদের মধ্যে দু’জন বাংলাদেশি।বাংলাদেশি দুই যুবক হচ্ছেন নুরুল হুদা ও আবুল বশর। নুরুল হুদা মাইক্রোচালক ও বশর তার সহকারী।
দু’জনের বাড়িই টেকনাফর হ্নীলা এলাকায়। অপর দু’জন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী মুন্না বাহিনীর প্রধান মুন্নার আপন ভাই গিয়াস উদ্দিন ও ফারুক।
এদিকে সোমবার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনায় ৯ রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীকে টেকনাফের চাকমারকুল এলাকা থেকে দেশি চারটি অস্ত্র, ২০ রাউন্ড কার্তুজ, ধারালো কিরিচ, লোহার রডসহ আটক করেছে র্যাব। পরদিন মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) সন্ধ্যার পরে আবারো ভয়াবহ সংঘর্ষে নিহত হন চারজন।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যার পরে সংঘর্ষের সময় সন্ত্রাসী মুন্নার পরিবারের কিছু সদস্য একটি মাইক্রোবাসে করে পালিয়ে যাওয়া চেষ্টা করে। তখন প্রতিপক্ষরা ওই গাড়িতে হামলা চালায়। এসময় গাড়িতে থাকা চালক ও তার সহকারী রোহিঙ্গাদের হামলার শিকার হন।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রফিকুল ইসলাম জানান, রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় ভোরে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ঘটনার পর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী, র্যাব, এপিবিএন সদস্যরা কাজ করছেন।





.gif)
