সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা বলেছেন, ‘এমপি নিজাম ও একরাম চৌধুরীর অস্ত্র আমার বিরুদ্ধে ব্যবহার হচ্ছে। তারপরে গতকাল রাতে একরাম চৌধুরীর বাড়িতে নিজাম হাজারী আর একরাম চৌধুরীর নির্দেশে আমাকে হত্যা করার জন্য বৈঠক করে এবং আমার এখানে আবারো হামলা করার তারা একটা প্রক্রিয়া করছে।’
শনিবার সকাল ১১টায় বসুরহাট পৌরসভায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, যতক্ষণ আমার এক বিন্দু রক্ত আছে, আমি এখান থেকে সরব না। আমি এটাতে আছি। আমি অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলব। আমি অন্যায়, অবিচার ও জুলুমের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করব। এটা কার বিপক্ষে যায়, কার বিরুদ্ধে যায়, এটা আমার জানার বিষয় নয়। গতকাল থেকে আবার নতুন করে আমার অনুসারী নেতাকর্মীদের মামলা, হামলা গ্রেফতার এগুলো সব হচ্ছে। সারারাত আমার প্রত্যেকটা নেতাকর্মীর বাড়িতে পুলিশ ও আরো সরকারি প্রশাসনের বিভিন্ন লোকজন হামলা করেছে। অনেক পরিবারকেও লাঞ্চিত করেছে।
আবদুল কাদের মির্জা বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে আমার আবেদন, আপনি দলীয়ভাবে এখানে জেলা কমিটিকে তদন্তভার দিয়েছেন। এদেরতো কমিটিটাও অনুমোদন হয়নি। এরা একপেশে, তাদের থেকে সঠিক তথ্য দল পাবে? সেজন্য আমি প্রস্তাব করছি, আমাদের তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ ও আমাদের এ অঞ্চলের নেতা সুজিত রায় নন্দী এ দু’জনসহ যাদেরকে দেন ওনারা তদন্ত করে যদি আমি দোষী হই, আমার দলের নেতাকর্মী দোষী হয়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হোক।
তিনি বলেন, ঘটে যাওয়া সকল ঘটনার জন্য ঢাকা থেকে বিচার বিভাগীয় তদন্তের ব্যবস্থা করতে হবে। যদি নোয়াখালী থেকে করে তাহলে প্রভাবিত হবে। আর না হলে এনএসআই, ডিজিএফআই আছে তাদেরকে দিয়ে তদন্ত করে যদি আমি এবং আমার অনুসারী যারা আছে অপরাধারের সাথে জড়িত থাকে তাহলে আমার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক।
তিনি আরো বলেন, আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি না, আমি আল্লাহর ওপর নির্ভরশীল তবে আমার অনুসারী নেতাকর্মীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।
কাদের মির্জা তার অনুসারী আট নেতাকে গ্রেফতারের অভিযোগ তুলে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন।



