জিম্বাবুয়ের জাতীয় নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন প্রেসিডেন্ট এমারসন নানগাগবা। জিম্বাবুয়ের নির্বাচন কমিশনের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানায় আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমগুলো। ৩০ জুলাই অনুষ্ঠিত ভোটের সব
কয়টি প্রদেশের ফলাফল ঘোষণার পর নানগাগবা ৫০.৮ শতাংশ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী নেলসন চামিসা পেয়েছেন ৪৪.৩ শতাংশ ভোট।
ফল ঘোষণার পর প্রেসিডেন্ট নানগাগবা টুইটারে এই নির্বাচনকে একটি ‘নতুন
সূচনা’ আখ্যা দিয়ে বলেন, চলুন সবাই একসঙ্গে শান্তি, একতা ও ভালোবাসা নিয়ে একটি নতুন জিম্বাবুয়ের সূচনা করি।
রবার্ট মুগাবের টানা শাসনের প্রায় চার দশক পর সোমবার (৩০ জুলাই) জিম্বাবুয়ের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ভোটে খুব অল্প ব্যবধানে জয়ের পরও ৫০ শতাংশের বেশি ভোট লাভ করায় চামিসার সঙ্গে দ্বিতীয় দফায় নির্বাচনে লড়তে হচ্ছে না ৭৫ বছর বয়সী নানগাগবাকে।
এদিকে নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছে চামিসার এমডিসি জোট। তারা বলছে ভোট গণনার বিষয়টি কলুষিত করা হয়েছে যা অনুমোদন করা উচিত নয়। তবে জিম্বাবুয়ের ইলেক্টরাল কমিশন (জেক) বলছে, নির্বাচনে কোনো প্রকার ছলচাতুরীর ঘটনা ঘটেনি।
দেশটিতে ৩৭ বছর ধরে ক্ষমতায় ছিলেন ৯৪ বছর বয়সী রবার্ট মুগাবে। এরপর সামরিক বাহিনীর হস্তক্ষেপে ২০১৭ সালের নভেম্বর পদত্যাগ করতে বাধ্য হন তিনি। তার পদত্যাগের পর দেশটির প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব বর্তায় ৭৫ বছর বয়সী ভাইস প্রেসিডেন্ট এমারসন নানগাগবার ওপর। এই নানগাগবাই ফের গড়তে চলেছেন নতুন সরকার।
এদিকে নির্বাচনের ফলাফলকে কেন্দ্র করে বুধবার (১ আগস্ট) রাজধানী হারারের রাস্তায় বিরোধী দলের নেতাকর্মীরা ‘হাঙ্গামা বাঁধানোর চেষ্টা’ করায় তাদের লক্ষ্য করে নির্বিচারে গুলি ছোড়ে সেনাবাহিনী। এতে এমডিসি জোটের তিন সমর্থক নিহত হন।



