রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী দর্শনের সুরতহাল

প্রকাশিত :

spot_img

ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান

 

 

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে জিয়াউর রহমানের মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে বীরত্বগাথা ও রাজনীতিবিদ হিসাবে চরিত্র বিনির্মাণ করতে হলে রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধা ও থিয়েটার রোডের মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে দ্বন্দ্বের কারণ ও স্বরূপ, পঁচাত্তরের পরের দিশেহারা রাজনীতির প্রেক্ষাপট অনুসন্ধান ও এর সঠিক উপলব্ধি ও সবিচার বিশ্লেষণ প্রয়োজন।

পেশাদারত্ব তার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের অন্যতম প্রধান একটি দিক। সৈনিক জিয়া ১৯৬৫ সালে পশ্চিম পাকিস্তানে পোস্টিং পাওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই পাক-ভারত যুদ্ধ শুরু হয়। তিনি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ‘আলফা কোম্পানির’ কমান্ডার হিসাবে ‘খেমকারান’ রণাঙ্গনের বেদিয়ান-এ যুদ্ধে সাহসিকতা প্রদর্শন ও পেশাদারত্বের কৃতিত্ব হিসাবে তার কোম্পানির সর্বাধিক বীরত্বসূচক পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৬৯ সালে মেজর জিয়া ঢাকায় পোস্টিংয়ের সুবাদে দেশে ফিরে আসেন। ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অষ্টম ব্যাটালিয়নের দ্বিতীয় প্রধান হিসাবে চট্টগ্রামে দায়িত্ব গ্রহণের এক বছর পার না হতেই পরিস্থিতি বিস্ফোরোণ্মুখ হয়ে উঠতে থাকে। শুরু হয় ২৫ মার্চের কালরাত। বেগম খালেদা জিয়া ও দুই শিশু সন্তানকে চট্টগ্রামে অরক্ষিত অবস্থায় রেখেই মেজর জিয়া স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন। শ্বাসরুদ্ধকর এ অবস্থার অবসান হয় ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে।

পরাজিত হলে নিশ্চিত মৃত্যু জেনেও জিয়া স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। যা তাকে অসীম সাহসী দেশপ্রেমিক হিসাবে অসামান্য উচ্চতা দান করেছে। জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণায় দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি উজ্জীবিত ও উদ্দীপ্ত হয়ে তাদের লেখায় তার প্রশংসা করেছেন। জিয়াই হলেন বাংলাদেশের একমাত্র মুক্তিযোদ্ধা, রণাঙ্গনে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসাবে যার ছবি কলকাতার ফোর্ট উইলিয়াম মিউজিয়ামে অমর কীর্তি হিসাবে সংরক্ষণ করে রাখা আছে। রণাঙ্গনে অবদানের স্বীকৃতি হিসাবে ১৯৭২ সালে তাকে যুদ্ধফেরত মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বোচ্চ বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। এটি সন্দেহাতীতভাবেই তৎকালীন সরকারের পক্ষ থেকে গৃহীত একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ।

১৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পেছনে জিয়াউর রহমানকে অনেকেই অনুমাননির্ভর মূল্যায়ন করে থাকেন। দুটি ঘটনা উল্লেখ করে বলা যায়, যেখানে পটপরিবর্তনের কর্মকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততা ছিল না মর্মে যৌক্তিক সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যায়। প্রথম ঘটনাটি হলো, ঢাকার ৪৬ ব্রিগেড কমান্ডার কর্নেল সাফায়াত জামিল ১৫ আগস্টের ট্র্যাজেডির পর ওই বিষয়ে অবহিত করার পরও জিয়ার মধ্যে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করার কোনো ধরনের লক্ষণ কিংবা আগ্রহ পরিলক্ষিত হয়নি বরং অতি সংক্ষেপে বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনার পক্ষেই তিনি মতপ্রকাশ করেন। দ্বিতীয় ঘটনাটি ঘটে জিয়াউর রহমান সেনাপ্রধান হওয়ার পর। ১৫ আগস্ট ১৯৭৫, সাফায়াত জামিল জিয়ার কক্ষে বসে আছেন। এমন সময় সদ্য পদোন্নতি পাওয়া এবং সরকারি আদেশে দিল্লিতে অবস্থানরত মেজর জেনারেল এরশাদ সেনাবাহিনী প্রধান জিয়াউর রহমানের কক্ষে প্রবেশ করেন। এরশাদকে দেখে জিয়াউর রহমান রেগে গিয়ে উচ্চৈঃস্বরে বলেন, ‘আপনি অনুমতি ছাড়া কেন দেশে ফিরে এসেছেন?’ জবাবে এরশাদ বলেন, ‘আমার স্ত্রীর জন্য গৃহভৃত্য নিতে এসেছি।’ ততোধিক রেগে গিয়ে জিয়াউর রহমান বলেন, ‘আপনার মতো সিনিয়র অফিসারদের এ ধরনের লাগামহীন আচরণের জন্যই জুনিয়র অফিসাররা রাষ্ট্রপ্রধানকে হত্যা করে দেশের ক্ষমতা দখলের মতো কাজ করতে পেরেছে।’ একই সঙ্গে তিনি এরশাদকে বঙ্গভবনে যেতে নিষেধ করেন এবং পরের ফ্লাইটেই দিল্লি যেতে নির্দেশ প্রদান করেন।

৭৫-এর নভেম্বরে জিয়াউর রহমানের ক্ষমতা গ্রহণ ছিল সময়ের দাবি। সংকট, সন্দেহ, পারস্পরিক দোষারোপ, ক্যু ও পালটা ক্যুর অগ্নিঝরা নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে সিপাহি-জনতা অবরুদ্ধ জিয়াকে মুক্ত করে কীভাবে দেশ পরিচালনার গুরুদায়িত্ব প্রদান করেছেন, সে সম্পর্কে ইতিহাস সচেতন দেশবাসী অবগত আছেন। জিয়ার দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে শুধু শাসক পরিবর্তন হয়েছে তা নয়, বরং বাংলাদেশ রাষ্ট্র কেমন হবে; এর দার্শনিক ভিত্তি কী হবে, এর একটি সুনির্দিষ্ট ও প্রায়োগিক রূপরেখা পাওয়া গেছে। জিয়া প্রতিশোধপরায়ণ ছিলেন না। বহুবার বৈষম্য ও অবজ্ঞার শিকার হয়েও শত্রু চিহ্নিত করে নির্মূল করার পথে না হেঁটে বাংলাদেশকে একটি কার্যকর রাষ্ট্র হিসাবে গঠন করার নিমিত্তে জিয়া সর্বস্তরের জ্ঞানীগুণী মানুষের সম্মিলন ঘটিয়েছেন। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দার্শনিক ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দল-বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) গঠন করেছেন, যা পর্যায়ক্রমে ধর্ম, বর্ণ, গোত্র নির্বিশেষে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ মানুষের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে।

১৯৭৮ সালের ৩১ আগস্ট এই দল গঠন করা হয়। সাধারণত ক্ষমতার বৃত্তের বাইরে থেকে, রাজপথে কিংবা আলোচনার টেবিলে এ দেশের প্রায় সব রাজনৈতিক দল গঠিত হয়েছে। সে বিবেচনায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ব্যতিক্রম। কারণ এটি ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা জিয়াউর রহমানের মস্তিষ্কজাত রাজনৈতিক মতাদর্শ। সংগত কারণে অনেকের মধ্যে সংশয় ছিল, এটি কি রাজনৈতিক দল নাকি একটি ‘প্রবণতা’। কিন্তু সমালোচকদের ভুল প্রমাণ করে এ দলটি শুধু জনগণের সমর্থন আদায় করে প্রভাবশালী দল হিসাবেই স্থায়িত্ব অর্জন করেনি বরং জিয়া পরবর্তী সময়ে তিনবার গ্রহণযোগ্য অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে বিজয় লাভ করে দেশ শাসন করেছে। জিয়াউর রহমানের বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শন দেশব্যাপী বুদ্ধিজীবী সমাজে ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়েছে। অধ্যাপক আহমদ শরীফ এ রাষ্ট্র দর্শনের তাৎপর্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেন, ‘রাষ্ট্রীয় জাতীয়তাবাদে প্রান্তিক আদিবাসীরাও গোত্র, ভাষা, সংস্কৃতি নির্বিশেষে সবাই সমমর্যাদা ও সমঅধিকারের স্বীকৃতি পায়, জিম্মি থাকে না।

জিয়াউর রহমান সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহ’ সংযুক্ত করার মাধ্যমে মূলত রাজনৈতিক দূরদর্শিতার পরিচয় দিয়েছেন। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ প্রবর্তনের মাধ্যমে তিনি একদিকে যেমন অমুসলিম নাগরিকদের জাতীয় পরিচয় সমুন্নত রেখেছেন, অন্যদিকে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের মানসিক অধিকার ও স্বাধীনতা চর্চার প্রতি আন্তরিক সমর্থনের নিদর্শন হিসাবে সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহ’ যুক্ত করেছেন।

তার এ সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক বিচক্ষণতার পরিচয় বহন করে। বাংলাদেশে বুদ্ধিবৃত্তির চর্চা ও নির্মোহ অকপট ভাবনার অতুলনীয় পণ্ডিত আহমদ ছফার একটি উক্তিতে তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ছফা বলেন ‘ইসলামের সম্ভাবনা ও ঐতিহ্যের সঙ্গে যোগহীন রাজনীতির কোনো ভবিষ্যৎ এ দেশে নেই।’

আগেই উল্লেখ করা হয়েছে, জাতীয়তাবাদী দলের জনপ্রিয়তার পেছনে অন্য কারণ হলো-জিয়াউর রহমানের ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি। এ ভাবমূর্তি তৈরির পেছনে রয়েছে ব্যক্তিগত জীবনে ব্যতিক্রমহীনভাবে সদগুণাবলীর চর্চা। এ বিষয়ে অসংখ্য উদাহরণ রয়েছে। একটি উদাহরণ দিয়ে আলোচনাটি শেষ করতে চাই। কাফি খান ছিলেন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রেস সচিব। যিনি এক সময় ভয়েস অব আমেরিকার সংবাদ পাঠক ছিলেন। খুব কাছ থেকে তিনি জিয়াউর রহমানকে দেখেছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ‘আত্মীয়স্বজনদের কেউ কোনো তদবিরের জন্য বঙ্গভবনে বা তার বাসায় আসার সাহস পায়নি। তার স্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে একমাত্র দেখা যেত রাষ্ট্রপতি জিয়া কোনো রাষ্ট্রীয় সফরে বিদেশে গেলে সফরসঙ্গী হিসাবে। তা-ও সব সফরে নয়।… তিন-চার হাজার টাকার মতো বেতন পেতেন। সেখান থেকে ১৫০ টাকা রাষ্ট্রপতির রিলিফ ফান্ডে জমা দিতেন। বাকি টাকা দিয়ে সংসার চালাতেন।

একই ধরনের মূল্যায়ন করেছেন মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী। তিনি বলেছেন, ‘রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মতো স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতিমুক্ত এত কঠোর রাষ্ট্রনায়ক আমি আগে কখনো দেখিনি (ভাসানীমঞ্চ, একটি অরাজনৈতিক সংগঠন)।’

এ দলের গ্রহণযোগ্যতার পেছনে আরেকটি কারণ হলো-কার্যকর সাংগঠনিক পদক্ষেপ এবং উন্নয়নমূলক সামাজিক ও অর্থনৈতিক কর্মসূচি গ্রহণ। বিষয়টি যথাযথভাবে ব্যাখ্যার জন্য বিস্তারিত আলোচনা প্রয়োজন। যা একটি স্বতন্ত্র প্রবন্ধ রচনার দাবি রাখে।

যে কথা বলে শেষ করতে চাই-জিয়ার জাতীয়তাবাদী দর্শনের মর্মকথা হলো, শুধু ক্ষমতার পালাবদলের মাধ্যমেই স্বাধীনতা অর্জনের কাক্সিক্ষত লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব নয়। এজন্য প্রয়োজন বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শনের ওপর প্রতিষ্ঠিত জাতীয়তাবাদী দলের মতাদর্শের সঠিক উপলব্ধি ও এর বাস্তবায়ন। এ লক্ষ্য অর্জনে জিয়ার উজ্জ্বল ভাবমূর্তি ভূমিকা রাখবে, তাতে সন্দেহ নেই।

গ্রিক দার্শনিক ও মানবজাতির অন্যতম শিক্ষক হিসাবে খ্যাত মনীষী অ্যারিস্টটল বলেছিলেন, নৈতিকভাবে আলোকিত সমাজ কিংবা রাষ্ট্রীয় জীবনের জন্য প্রয়োজন সদগুণচর্চা, যা নৈতিকভাবে অনুকরণযোগ্য নেতৃস্থানীয় পূর্বসূরিদের অনুসরণ করে করতে হয়। যেমন-সততা, মহত্ব, সাহস, বন্ধুত্ব ইত্যাদি। সদগুণচর্চার ক্ষেত্রে সেসব আলোকিত পূর্বসূরিদের অনুসরণ করতে হবে, যারা শত বাধা-বিপত্তি সত্ত্বেও অন্যায়ের কাছে মাথানত না করে নীতি-নৈতিকতা ও আদর্শচর্চায় অটল ছিলেন। ব্যক্তি পর্যায়ে কিংবা সামগ্রিকভাবে সামাজিক কল্যাণ নিশ্চিত করতে চাইলে সবাইকে এ আত্মজিজ্ঞাসার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতেই হবে এবং এক্ষেত্রে উত্তীর্ণ হওয়ার কোনো বিকল্প নেই। এখন প্রয়োজন জিয়ার গুণাবলীতে অনুপ্রাণিত ও আলোকিত নেতাকর্মী ও সমর্থক। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী দর্শন উপলব্ধি, চর্চা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে যেসব নেতাকর্মী ও সমর্থক জড়িত, তাদের জন্য আত্মজিজ্ঞাসার মাধ্যমে আত্মশুদ্ধির এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা অসম্ভব কিছু নয়, কারণ বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী দর্শনের প্রবক্তা জিয়াউর রহমান স্বয়ং এক্ষেত্রে অনুকরণযোগ্য ব্যক্তিত্ব।

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান : উপাচার্য, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

সর্বশেষ

মস্তান নগর ক্রীড়া সংঘের লং পিচ ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট অনুষ্ঠিত

মস্তান নগর ক্রীড়া সংঘের লং পিচ ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট অনুষ্ঠিত উক্ত খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত...

মিরসরাইয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্যোগে নবনির্বাচিত এমপি নুরুল আমিনকে সংবর্ধনা

মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি মিরসরাই মুক্তিযোদ্ধা সংসদের উদ্যোগে নবনির্বাচিত সংসদ সংসদ নুরুল আমিনকে সংবর্ধনা, ইফতার ও...

মিরসরাইয়ের জোরারগঞ্জে বিএনপির দোয়া ও ইফতার মাহফিল

মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি চট্টগ্রাম-১ মিরসরাই সংসদীয় আসনের নবনির্বাচিত এমপি নুরুল আমিন নির্দেশনায়, ৩ নং জোরারগঞ্জ...

মিরসরাইয়ে অপরাধমূলক কর্মকান্ড বন্ধে এমপি নুরুল আমিনে কঠোর হুশিয়ারি

  নিজস্ব প্রতিনিধি মিরসরাই উপজেলায় মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও অবৈধ চোরাকারবার বন্ধে কঠোর হুশিয়ারি দিয়েছেন নবনির্বাচিত...

আরও পড়ুন

মিরসরাইয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্যোগে নবনির্বাচিত এমপি নুরুল আমিনকে সংবর্ধনা

মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি মিরসরাই মুক্তিযোদ্ধা সংসদের উদ্যোগে নবনির্বাচিত সংসদ সংসদ নুরুল আমিনকে সংবর্ধনা, ইফতার ও...

মিরসরাইয়ে অপরাধমূলক কর্মকান্ড বন্ধে এমপি নুরুল আমিনে কঠোর হুশিয়ারি

  নিজস্ব প্রতিনিধি মিরসরাই উপজেলায় মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও অবৈধ চোরাকারবার বন্ধে কঠোর হুশিয়ারি দিয়েছেন নবনির্বাচিত...

মিরসরাই প্রেস ক্লাবের ইফতার ও সুধী সমাবেশ

মিরসরাই প্রতিনিধি ::: মিরসরাই প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৮...