মিরসরাই প্রতিনিধি
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে সড়ক নির্মাণ কাজের বাধা হয়েছে একটি দেয়াল (সীমানা প্রাচির)। উপজেলার মঘাদিয়া ইউনিয়নের কচুয়া এলাকার আব্দুল ওয়াহাব সড়কের নির্মাণ কাজের বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে এনামুল হক কেরানী বাড়ির বাউন্ডারে দেয়ালটি। এতে বন্ধ রয়েছে ১ কোটি ৪৭ লাখ টাকা ব্যায়ে ২ কিলোমিটার নির্মাণ সড়কের কাজ। দেওয়াল সরানোর দাবীতে রবিবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে মানবন্ধন করেছে এলাকাবাসী।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সড়কটি দীর্ঘদিন ভাঙ্গা ছিলো। বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল, মিরসরাই পৌরসদর ও মঘাদিয়া চলাচলের একমাত্র সড়ক এটি। নতুন করে নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। কাজের টেন্ডারের মেয়াদ শেষ হবে ফেব্রুয়ারি মাসে। সড়কের কাজ শেষ হয়েছে মাত্র ৩০ শতাংশ। সড়কের নির্মাণ কাজের জন্য চলাচলও ব্যাহত হচ্ছে।
মানবন্ধনে অংশ নেওয়া আরিফ হোসেন জানান, এই রাস্তার কাজ শুরু হওয়ার পরে রাস্তা পাশে থাকা গাছ, দেয়াল পুরাতন স্থাপনা সব ভেঙ্গে পেলছে রাস্তা নির্মাণের সার্থে। কেরানী বাড়ির বাউন্ডারে দেয়ালটির কারণে রাস্তার কাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। দেওয়াল সরিয়ে ফেললে রাস্তার কাজ দ্রুত শেষ হয়ে যাবে। রাস্তার একদম পাশে দেয়ালটি। ৪ ফুট ভিতরে নিয়ে দেওয়াল করলে কোন সমস্যা হতো না।
স্থানীয় ব্যবসায়ী খোরশেদ আলম জানান, একটি দেয়ালের কারণে সড়কের কাজ বন্ধ রয়েছে। সরকারী কাজ একবার বন্ধ হয়ে গেলে কাজ পুনরায় আসতে অনেক সময় লাগবে। দ্রুত দেয়ালটি ভেঙ্গে সড়কের কাজের জন্য সুযোগ করি দিলে এলাকার মানুষের অনেক উপকার হতো।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. আরিফ হোসেন জানান, সড়কের স্বার্থে সবার কম বেশি ক্ষতি হয়েছে। এ দেয়ালের বিষয়ে এলাকাবাসী অনেকবার বাড়ির মালিককে বুঝিয়ে বলছে। তারা দেয়াল ভাঙ্গছে না। দেয়ালের কারণে সড়কের নির্মাণ কাজ বন্ধ রয়েছে। রাস্তার কাজের প্রশাসনসহ সকলের সহযোগীতা প্রয়োজন।
সড়ক সংস্কারের কাজ পাওয়া ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এম এ কে এন্টারপ্রাইজের স্বত্ত্বাধিকারী আব্দুল কাইয়ুম জানান, রাস্তার ৬ ইঞ্চি পাশে দেয়ালটি। নতুন সড়কের জন্য দুই পাশে ৮ ফিট জায়গার প্রয়োজন হয়। দেয়ালটির কারণে অন্যপাশের জায়গা বেশি নেওয়া হয়েছে। দেয়ালটি সরিয়ে ফেললে কাজ করতে আরো সুবিধা হবে। সড়কের মানও ভালো হবে। আমরা কাজ করতে পারছিনা।
এ বিষয়ে উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী রনি সাহা বলেন,‘সড়কের কাজ বন্ধ হয়নি। দেয়ালের পাশে সড়কের জায়গা না থাকায় সমস্যা হচ্ছে। বাড়ির সীমানা প্রাচির দেওয়া মালিকের সাথে কথা হয়েছে। আশা করি দ্রুত সড়ক নির্মাণের কাজ শেষ হয়ে যাবে।’



