বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাস কবলিত বিপর্যস্ত অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের প্রত্যাশায় ২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।
বৃহস্পতিবার বিকাল তিনটার দিকে জাতীয় সংসদে দেশের ৪৯তম এবং অর্থমন্ত্রী হিসেবে তার দ্বিতীয় এই বাজেট উপস্থাপন করেন মুস্তফা কামাল।
সংকটকালের এই বাজেটে বিদায়ী অর্থবছরের মতো ৮ দশমিক ২ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধির বড় লক্ষ্য ধরা হয়েছে। আসুন দেখে নিই প্রস্তাবিত বাজেটে কোন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ কত কোটি টাকা বরাদ্দ পেল।
রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ২৭ কোটি টাকা;
জাতীয় সংসদ ৩৩৫ কোটি টাকা;
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ৩ হাজার ৮৩৯ কোটি টাকা;
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, ২৫৮ কোটি টাকা;
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট ২২২ কোটি টাকা;
নির্বাচন কমিশন সচিবালয় ১ হাজার ৭১৭ কোটি টাকা;
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ৩ হাজার ৩৩০ কোটি টাকা,
বাংলাদেশ কর্মকমিশন ১০৪ কোটি টাকা,
অর্থবিভাগ ১ লাখ ৫৬ হাজার ৭৮ কোটি টাকা;
বাংলাদেশের মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় ২৬৫ কোটি টাকা।
অভ্যন্তরণীণ সম্পদ বিভাগ ৩ হাজার ৯৪ কোটি টাকা;
আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ২ হাজার ৩৭৯ কোটি টাকা,
অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ ৫ হাজার ৮৭৬ কোটি টাকা;
পরিকল্পনা বিভাগ ১ হাজার ২৪৮ কোটি টাকা,
বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ ১৪৮ কোটি টাকা।
পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ ৩৮৩ কোটি টাকা;
জননিরাপত্তা বিভাগ ২২ হাজার ৬৫৮ কোটি টাকা;
লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ ৪০ কোটি টাকা;
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ২৪ হাজার ৯৩৭ কোটি টাকা;
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ ৩৩ হাজার ১১৮ কোটি টাকা;
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ১৭ হাজার ৯৪৬ কোটি টাকা;
স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ ২২ হাজার ৮৮৩ কোটি টাকা;
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ ১ হাজার ৪১৫ কোটি টাকা;
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ৭ হাজার ৯১৯ কোটি টাকা।
মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় ৩ হাজার ৮৬০ কোটি টাকা ;
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ৩৫০ কোটি টাকা ;
গৃহায়ন ও গণপূর্ত ৬৯৩৬,তথ্য মন্ত্রণালয় ১০৩৯ কোটি টাকা ;
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ৫৭৯ কোটি টাকা;
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ১৬৯৩ কোটি টাকা;
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ১৪৭৪ কোটি টাকা;
স্থানীয় সরকার বিভাগ ৩৬ হাজার ১০৩ কোটি টাকা;
পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ ২২৩৫ কোটি টাকা ;
শিল্প মন্ত্রণালয় ১৬১৪ কোটি টাকা ,
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ৬৪২ কোটি টাকা;
বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় ৭১৪ কোটি টাকা ।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ ১৯০৫, কৃষিমন্ত্রণালয় ১৫ হাজার ৪৪২ কোটি টাকা;
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ৩ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা ;
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় ১ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা;
ভূমি মন্ত্রণালয় ২০১৪ কোটি টাকা;
পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ৮০৮৯ কোটি টাকা;
খাদ্য মন্ত্রণালয় ৬০৪৮ কোটি টাকা;
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রণালয় ৯৮৩৬ কোটি টাকা;
সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ ২৯ হাজার ৪৪২ কোটি টাকা,
রেলপথ মন্ত্রণালয় ১৬ হাজার ৩৩৮ কোটি টাকা।
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ৪ হাজার কোটি টাকা;
বেসামরিক বিমান ও পরিবহন মন্ত্রণালয় ৩ ৬৮৮ কোটি টাকা,
ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ ৩ হাজার ১৪০ কোটি টাকা;
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ১২৩৫ কোটি টাকা;
বিদ্যুত বিভাগ ২৮ হাজার ৮৫৩ কোটি টাকা;
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ৪ হাজার ৫০৫ কোটি টাকা;
দুর্নীতি দমন কমিশন ১৫০ কোটি টাকা;
সেতু বিভাগ ৭ হাজার ৯৭৯ কোটি টাকা;
কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ ৮ হাজার ৩৪৫ কোটি টাকা;
সুরক্ষা সেবা বিভাগ ৩ হাজার ৮৫৮ কোটি টাকা;
স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ ৬ হাজার ৩৬২ কোটি টাকা।
সর্বমোট ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকা।
২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য ৫ লাখ ৬৮ হাজার ১৯০ কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করেছেন অর্থমন্ত্রী। এটি দেশের ৪৯তম আর অর্থমন্ত্রী হিসেবে মুস্তফা কামালের দ্বিতীয় বাজেট।
করোনা মহামারীর বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে মানুষের জীবন ও জীবিকা রক্ষার চ্যালেঞ্জ সামনে নিয়ে নতুন অর্থবছরের প্রস্তাবিত এই ব্যয় বিদায়ী অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের চেয়ে ১৩ দশমিক ২৪ শতাংশ বেশি। টাকার ওই অংক বাংলাদেশের মোট জিডিপির ১৭ দশমিক ৯ শতাংশের সমান।
বিদায়ী অর্থবছরে বাজেটের আকার ছিল ২০১৮-১৯ অর্থবছরে সংশোধিত বাজেটের ১৮ শতাংশ বেশি এবং জিডিপির ১৮ দশমিক ৩ শতাংশের সমান।



