মিরসরাই প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ একটি কৃষি প্রধান দেশ। এদেশের শতকরা ৭৫ ভাগ মানুষ গ্রামে বাস করে। অনাদিকাল থেকেই এদেশের মানুষ কৃষির উপর নির্ভরশীল। তবে এখনও এদেশের কিছু কৃষক সাধারণত সনাতন পদ্ধতিতে চাষাবাদ করে থাকে। তবে বর্তমানে বেশিরভাগ কৃষক বিভিন্ন আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে পূর্বের তুলনায় ফলন বেশি বাড়াতে সক্ষম হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে ইস্ট-ওয়েস্ট সীড এর বীজ স্বল্প সময়ে বেশি ফলনে প্রান্তিক কৃষকদের স্বপ্ন পূরণে সক্ষম হয়েছে । ইতিমধ্যে ইস্ট ওয়েস্ট সীডের বিভিন্ন ফসল উৎপাদন করে বাজারজাত করে কৃষকদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলছে। রবিবার দুপুরে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার বারৈয়ারঢালা ইউনিয়নের ইস্ট ওয়েস্ট সীডের নিজস্ব ট্রায়াল ফার্মের আয়োজনে উন্মুক্ত মাঠ দিবসে কৃষকরা এসব কথা বলেন। ইস্ট ওয়েস্ট সীডের প্রোডাক্ট ডেভলপমেন্ট ম্যানেজার মেহেদী হাসানের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাবিবুল্লাহ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশে জনসংখ্যার সাথে সাথে বাড়ছে ঘরবাড়ি। যার কারনে কমছে কৃষি জমি। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে আধুনিকতার ছোঁয়ায় কৃষকরাও এখন অনেকটা এগিয়ে। কৃষকদের চিন্তাধারা কিভাবে অল্প সময়ে ভালো ফলন পাওয়া যায়। ইস্ট ওয়েস্ট সীডের প্রদর্শনীতে আগত কৃষকদের ভাষ্যমতে প্রমাণ করে যে, সঠিক দিকনির্দেশনা ও প্রযুক্তি থাকলে বাংলাদেশের কৃষি খাত শুধু দেশের খাদ্য চাহিদা পূরণ করবে না, বরং বিশ্ব বাজারেও প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যাবে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্ট ওয়েস্ট সীডের কান্ট্রি ম্যানেজার মোস্তফা কামাল, প্রোডাক্ট ম্যানেজার মহিবুল্লাহ ইবনে হক ও রিজিওনাল ম্যানেজার জুলফিকার হাবিব।
উন্মুক্ত মাঠ দিবসে ১৫ টি ফসলের ৪৮ টি জাত প্রদর্শিত হয়েছে। ফসলগুলো হল, করলা, লাউ, ঝিঙ্গা, ধুন্দল, মিষ্টি কুমড়া, চালকুমড়া, চিচিংগা, মরিচ, ঢেড়শ, সুইট কর্ন, বরবটি, টমেটো, বেগুন, গাধা ফুল, তরমুজ।



