মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Home Blog Page 103

নবজাগরণ সমাজকল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে অসহায়দের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ

মিরসরাই প্রতিনিধি
মিরসরাইয়ের অন্যতম স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন উত্তর আমবাড়িয়া নবজাগরণ সমাজকল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে দরিদ্র ও অসহায় ২২০টি পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে। শুক্রবার ( ৭ এপ্রিল) ঈদ উপহার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিরসরাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহফুজা জেরিন। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন ১২নং খৈইয়াছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহফুজুল হক জুনু, মিরসরাই প্রেস ক্লাবের সভাপতি নুরুল আলম, দূর্গাপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ছলিম উল্যা, সংগঠনের উপদেষ্টা ও প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সুলতান মোহাম্মদ শাহীন, সংগঠনে সভাপতি মাহমুদুল হক চৌধুরী জুয়েল, সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম, এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সংগঠনের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

‘রমজানেও বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতন চালাচ্ছে সরকার’

নিজস্ব প্রতিবেদক

রমজানেও সরকার বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা-হামলা ও নির্যাতন চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএন‌পির আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হো‌সেন। বুধবার (৫ এপ্রিল) চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির কার্যালয় নাসিমন ভবনে এক সভায় এ কথা বলেন তিনি।

ডা. শাহাদাত হো‌সেন বলেন, পাথরঘাটা ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক ও সাবেক কাউন্সিলর ইসমাইল বালিসহ বিএনপি নেতাকর্মীদের অবিলম্বে মুক্তি দিন। উচ্চ আদালত থেকে জামিন থাকলেও নিম্ন আদালত বিএনপি নেতাকর্মীদের জামিন বর্ধিত না করে জেলহাজতে প্রেরণ করছে।

 

 

তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষের স্বাধীনতা নেই, গণতন্ত্র নেই, আছে শুধু দুর্নীতি-দুঃশাসন, নিপীড়ন-নির্যাতন। ১০ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে বিএনপি মাঠে আছে। আগামী দিনে দেশে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত বিএনপি রাজপথে থাকবে।

 

এসময় তিনি নেতাকর্মীদের ৮ এপ্রিল থানায় থানায় অবস্থান কর্মসূচি সফল করতে প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর বলেন, আজ দেশে গণতন্ত্র নেই, মানুষের কথা বলার স্বাধীনতা নেই। কথা বললেই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়। আজকে সাধারণ মানুষ কথা বলতে পারে না, সাংবাদিকরা লিখতে পারে না।

 

প্রস্তুতি সভায় সভাপতিত্ব করেন ডা. শাহাদাত হোসেন। আর সঞ্চালনা করেন আবুল হাশেম বক্কর। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ আজিজ, যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ আজম উদ্দীন, এস এম সাইফুল আলম, এস কে খোদা তোতন প্রমুখ।

মিরসরাইয়ে চুরি হওয়া প্রাইভেটকার উদ্ধার

মিরসরাই প্রতিনিধি
মিরসরাইয়ে চুরি হওয়া একটি প্রাইভেটকার উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ( ৬ এপ্রিল) ভোর সাড়ে ৬টায় মিরসরাই সদরের লায়লা কাননের সামনে রাখা প্রাইভেটকার (নং চট্টমেট্রো গ ১১-৯৫৬০) চুরি করে নিয়ে যায় দুই চোর। এরপর দুপুরে সীতাকুন্ড উপজেলার বাঁশবাড়িয়া এলাকার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশ থেকে গাড়িটি উদ্ধার করা হয়।

প্রাইভেটকার মালিক সৈয়দ জাহিদ হাসান জানান, বৃহস্পতিবার ভোর ৬টায় আমি অফিস শেষ করে (নাইট শিফট) বাসায় ঘুমাতে যাই। ঘুম থেকে উঠে দেখি বাড়ির উঠানে রাখা প্রাইভেটকার নেই। তখন সিসিটিভি ফুটেজে দেখতে পাই দুই যুবক গাড়ির দরজার তালা ভেঙ্গে, জিপিএস ট্রেকার খুলে নিয়ে গেছে। এবিষয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। পরে আমরা খবর পাই সীতাকুন্ডের বাঁশবাড়িয়া এলাকায় সড়কের পাশে গাড়িটি রয়েছে। গিয়ে সেখান থেকে উদ্ধার করে নিয়ে আসি।

মিরসরাই থানার অফিসার ইনচার্জ মো. কবির হোসেন জানান, থানায় গাড়ি চুরির লিখিত অভিযোগ পেয়ে দ্রুত প্রদক্ষেপ নিলে সীতাকুন্ডের বাঁশবাড়িয়া এলাকায় গাড়িটি পাওয়া যায়। এরপর মালিককে গাড়ি বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। গাড়ি চুরির সাথে জড়িতদের সনাক্তের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে পুলিশ।

 

 

অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে মজা করেছে সরকার: আব্বাস

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বঙ্গবাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে সরকার মজা করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।

বুধবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে বঙ্গবাজারে পুড়ে যাওয়া মার্কেট পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

 

তিনি বলেন, বঙ্গবাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ব্যবসায়ীদের যে ক্ষতি হয়েছে তা পূরণ করা সম্ভব নয়। ব্যবসায়ীদের লাখ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। সরকার ক্ষতিগ্রস্তদের ১৫ হাজার টাকা করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এর মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে মজা করা হয়েছে।

বলেন, সরকার ১৫ হাজার টাকা কাকে দেবে? একটা দোকানের কর্মচারী আছেন, মালিক আছেন ও মালিকের পরিবার আছে। ১৫ হাজার টাকা অপ্রতুল। এটাকে আরও বেশি করা উচিত। এখানে যতগুলো মালিক ও কর্মচারী আছেন, তাদের প্রত্যেককে সহযোগিতা দেওয়া উচিত।

তিনি বলেন, আমরা দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দেখেছি। সব দোকান পুড়ে গেছে। এটা একটা অ্যাক্সিডেন্ট। এর মাধ্যমে ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ব্যবসায়ীদের এ ক্ষতি পূরণ করা সম্ভব নয়। আমরা চেষ্টা করবো ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা করার জন্য।

এসময় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুস সালাম, সদস্যসচিব রফিকুল আলম মজনু, বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

দ্রব্যমূল্য বেড়েছে এটা আমরা স্বীকার করি: বাহাউদ্দিন নাছিম

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম। তিনি বলেন, দ্রব্যমূল্য বেড়েছে এটা আমরা স্বীকার করি। এজন্য কিছু মানুষ কষ্টে আছে, আমরা তাদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছি। আমাদের নেত্রীর নির্দেশে আমরা সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি। কিন্তু বিএনপি আন্দোলনের নামে মানুষকে কষ্ট দিচ্ছে।

মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ আয়োজিত মিরপুর-১০ নম্বরে অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন বাহাউদ্দিন নাছিম।

 

আরও পড়ুন: গণতন্ত্রের ওপর আঘাতকারীদের প্রতিহত করা হবে: নাছিম

তিনি বলেন, অনেক জিনিসেরই দাম কমে এসেছে। আরও কমানোর জন্য চেষ্টা করছি। যেসব ব্যবসায়ী পণ্যের দাম বাড়িয়েছে তাদের সিন্ডিকেটদের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি ব্যবস্থা নিচ্ছেন।

 

বক্তব্যের শুরুতে বঙ্গবাজারে ভয়াবহ আগুনের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেন স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বাহাউদ্দিন নাছিম। এজন্য তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত সবার প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করেন।

বিএনপির সমালোচনা করে বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, রমজান মাস হলো সংযমের মাস। বাংলাদেশের ইতিহাসে রমজান মাসে কোনো রাজনৈতিক দল আন্দোলন করে মানুষের ভোগান্তি সৃষ্টি করেছে এমন নজির নেই। অথচ বিএনপি ও তাদের সহযোগীরা যারা ধর্মের নামে রাজনীতি করে, অথচ ধর্মের কোনো শিক্ষা তাদের নেই। তারা আন্দোলনের নামে কর্মসূচি পালন করে দুর্ভোগ ও ভোগান্তি সৃষ্টি করছে। মানুষের কষ্ট লাঘবের কোনো চেষ্টাই তাদের নেই। তারা আন্দোলনের নামে মানুষের কষ্ট বাড়ানোর পাঁয়তারা করছে।

তিনি আরও বলেন, একদিকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, অন্যদিকে করোনা মহামারির কারণে অর্থনৈতিক সংকট। বিশ্ব এসব সংকটের ভেতর দিয়ে অতিবাহিত হলেও শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা সংকট কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়েছি।

 

বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, দেশের এই অবস্থাতেও বিএনপি-জামায়াত ফাইভ স্টার হোটেলে রাজকীয়ভাবে ইফতারের আয়োজন করে। অথচ আমরা ইফতারের আনুষ্ঠানিকতা বাদ দিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি। অসহায় মানুষের জন্য আমরা কাজ করার চেষ্টা করছি। ধর্মের মূল্যবোধের প্রতি আমাদের রয়েছে শ্রদ্ধা। আমরা মানুষের জন্য রাজনীতি করি।

গণতন্ত্র ও সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে যে কোনো অপশক্তিকে প্রতিহত করতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন দেখলে দুর্নীতিবাজদের গায়ে জ্বালা ধরে যায়। এরা মানুষের উন্নয়নের জন্য কাজ করে না। বাংলাদেশের অগ্রগতিকে থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টায় লিপ্ত থাকে। এদের বিষয়ে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।

 

ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহে আলম মিন্টুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আনিছুর রহমান নাঈমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, কার্যনির্বাহী সদস্য নির্মল কুমার চ্যাটার্জী, স্বেচ্ছাসেবক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গাজী মেজবাউল হোসেন সাচ্চু ও সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবু, সহ-সভাপতি ম. আব্দুর রাজ্জাক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোবাশ্বের চৌধুরী, খায়রুল হাসান জুয়েল, সাংগঠনিক সম্পাদক কৃষিবিদ মাহবুবুল হাসান, দপ্তর সম্পাদক আজিজুল হক আজিজ, গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক মনোয়ারুল ইসলাম বিপুলসহ স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতারা।

# সূত্র জাগো নিউজ

মিরসরাইয়ে রমজানে মাদরাসা-এতিমখানায় ইঞ্জি. মোশাররফ হোসেনের আর্থিক অনুদান

 

নিজস্ব প্রতিনিধি
পবিত্র রমজান উপলক্ষ্যে মিরসরাই উপজেলার ৩৭ টি কওমি মাদরাসা ও এতিমখানায় ৭ লাখ টাকা আর্থিক অনুদান দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি। তাঁর পক্ষে মঙ্গলবার ( ৪ এপ্রিল) দিনব্যাপী বিভিন্ন মাদরাসা প্রধানদের হাতে নগদ অর্থ হস্তান্তর করেন উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ।
মিরসরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী বলেন, ‘প্রিয় নেতা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন দীর্ঘ ৫২ বছর ধরে কওমি মাদরাসায় আর্থিক অনুদান দিয়ে আসছেন। উনার পিতা এস রহমানও এভাবে অনুদান দিয়ে এসেছেন। তারই ধারাবাহিকতায় এবারও ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের পক্ষ থেকে উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ সহ ৩৭টি মাদরাসা ও এতিমখানায় গিয়ে আর্থিক অনুদান হস্তান্তর করেছি। প্রিয় নেতা আলেম ওলামাদের ভালোবাসেন এবং সব সময় তাদের পাশে রয়েছেন।’
এসময় মিরসরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, সাধারণ সম্পাদক একেএম জাহাঙ্গীর ভূঁইয়া, সহ-সভাপতি শাখাওয়াত উল্লাহ রিপন, সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন ইমন, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল ভূঁইয়া, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক ফাহিম উল হুদা, সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হোসেন।

 

‘চারটা দোকান শ্যাষ আমগো, নিঃস্ব হয়ে গেছি’

নিজস্ব প্রতিবেদক

‘চারটা দোকান শ্যাষ আমগো।নিঃস্ব হয়ে গেছি আমরা। আল মক্কা গার্মেন্টস, নামকরা দোকান আছিল আমগো। চারটা দোকানে কয়েক কোটি টাকার মাল। সব তছনছ হয়ে গেছে। ভোর ৫টায় (৬টা ১০ মিনিটে) আগুন লাগছে। ৭টায় আইছি, ভাবছিলাম ক্যাশ থেকে খাতাটা নেবো। অনেকের লগে দেনা- পাওনা আছে, বাকির খাতা। ঢুকতে দেয় নাই, পরে মাইরা ঢুকছি। এমন সময় ঢুকছি এসি আমার চোখের সামনে ব্রাস্ট (বিস্ফোরণ) হয়ে গেছে। আল্লাহ আমাকে রক্ষা করছে।’

এভাবেই বঙ্গবাজার মার্কেটে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত আল মক্কা গার্মেন্টসের কর্মচারী ও তেজগাঁও কলেজের বিবিএ’র শিক্ষার্থী আবু রাহাত অসহায়ত্ব প্রকাশ করেন।

 

তিনি বলেন, ‘ফায়ার সার্ভিস তো অনেক চেষ্টা করছে, আগুন নিভাইতে পারে নাই। কেমনে পারবো, ওগো কাছে কোনো যন্ত্রপাতি আছে? একটা পানির ট্যাংক আর দুইডা পাইপ আছে। বাইরের দেশে দেহেন কত সুন্দর যন্ত্রপাতি, আগুন লাগলে নিভায়া ফালায়। আগুনে বেলুন নিক্ষেপ করে, আর আমগো এইহানে কিছু নাই। ওগো দোষ দিয়া লাভ নাই। তাগো অবস্থাও যায় যায়। তারাও রোজা রাখছে, আমিও রোজা রাখছি। ওগো কাছে যন্ত্রপাতি থাকলে আজকে আগুন নিভাইতে পারতো।’

রাহাত বলেন, ‘পুলিশ হেডকোয়ার্টারে আগুন লাগছে, নিভা গেছে। বঙ্গমার্কেটে আগুন লাগছে সেটা কেন নেভে নাই? বঙ্গমার্কেট রাতে বন্ধ হয় ১০টায়, খোলে সকালে ৮টা বাজে। সেসময় কাট-আউট চালু করলে পুরো মার্কেটে বিদ্যুতের লাইন চলে। তার আগে তো কারেন্টের কোনো কাজ নাই। কারেন্টের কাজ না থাকলে আগুন ধরে কেমনে? এটা পরিকল্পিত। এইটা পরিকল্পনা করে ঘটানো হয়েছে।’

 

এর আগে এদিন ভোর ৬টা ১০ মিনিটে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার রাফি আল ফারুক আগুন লাগার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, ভোর ৬টা ১০ মিনিটে বঙ্গবাজার মার্কেটে আগুন লাগার খবর পাওয়া যায়। সংবাদ পাওয়ার পর ফায়ার সার্ভিসের প্রথম ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ৬টা ১২ মিনিটে। পর্যায়ক্রমে একের পর এক ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ৫০টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে যোগ দেয়।

এদিকে বঙ্গবাজারের আগুন ছড়িয়ে পড়ে মহানগর শপিং কমপ্লেক্সে। সেই আগুনে পুড়েছে হেড কোয়ার্টারের ভেতরের চারতলা পুলিশ ব্যারাক ভবন।

 

সেসময় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম কমিশনার (অপারেশন) বিপ্লব কুমার জানান, পুলিশ হেড কোয়ার্টারের ভেতর পুলিশ ব্যারাকের চারতলা ভবনে আগুন লেগেছে। এতে ওই ভবনের সবকটি কক্ষ পুড়ে গেছে। ১১টা ১৫ মিনিটে জলকামান এসেছে। ফায়ার সার্ভিস পানি দিচ্ছে। ভবনটি মহানগর শপিং কমপ্লেক্স লাগোয়া।

পরে প্রায় সাড়ে ৬ ঘণ্টা জ্বলে, কয়েকটি মার্কেটের কয়েকশ দোকান পুড়িয়ে অবশেষে নিয়ন্ত্রণে আসে বঙ্গবাজার মার্কেটের আগুন।

 

স্মরণকালের ভয়াবহ আগুন বঙ্গবাজারে

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর বঙ্গবাজারে স্মরণকালের ভয়াবহ আগুনে পুড়ছে। এর আগে এত বড় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেনি। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের ৫০টি ইউনিট।

 

মঙ্গলবার ভোর ৬টা ১০ মিনিটে বঙ্গবাজার মার্কেটে আগুন লাগার খবর পাওয়া যায়। সংবাদ পাওয়ার পর ফায়ার সার্ভিসের প্রথম ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ৬টা ১২ মিনিটে। পর্যায়ক্রমে একের পর এক ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ৫০টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে যোগ দিয়েছে।

 

অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ফায়ার সার্ভিসের তিন সদস্য আহত হয়েছেন। তারা হলেন মো. আতিকুর রহমান রাজন (৩৫), মো. রবিউল ইসলাম অন্তর (৩৮) ও মো. মেহেদী হাসান (৩৫)।

 

ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি বাংলাদেশ সেনা ও বিমানবাহিনীর সাহায্যকারী দল, নৌবাহিনীর সম্মিলিত দল ও একটি হেলিকপ্টার আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

বাজার নিয়ন্ত্রণ ও যানজট নিরসনে কঠোর মেয়র খোকন

মিরসরাই প্রতিনিধি
মিরসরাইয়ের বারইয়ারহাট পৌরসভার মেয়র রেজাউল করিম খোকন পবিত্র রমজানে বাজারদর ও যানজট নিরসনে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন।
পৌর প্রশাসনকে সাথে নিয়ে নিয়মিত বাজার মনিটরিং এর মাধ্যমে তিনি ছুটে চলছেন পৌর বাজার ও আবাসিক এলাকার অলিগলি। সোমবার (৩ এপ্রিল) সরেজমিন পৌর বাজার এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, কাঁচা বাজার লেনে পণ্যের মূল্য তালিকায় রয়েছে নানা গরমিল। এসময় মেয়র রেজাউল করিম খোকন ও পৌর প্রশাসনের কর্মকর্তারা গরু মংস ও পোল্ট্রি মুরগির ক্ষেত্রে সরকার ঘোষিত দর রাখার কঠোর নির্দেশ দেন। এছাড় পৌর এলাকার বিভিন্ন সড়কে যানজট নিরসনে ফুটপাত দখলকারিদের অন্যত্র সরিয়ে নেয়া হয়।
বারইয়ারহাট পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা সমর কান্তি চাকমা জানান, প্রথম রমজান থেকে নিয়মিত বাজার মনিটরিং এবং পৌরসভার সকল সড়ক যানজটমুক্ত রাখতে মেয়র মহোদয় কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। এখানে কোন সিন্ডিকেট বাজার অস্থিতিশীল করতে পারবে না। যত্রতত্র বাজার বসানো এবং ফুটপাত দখলেরও সুযোগ থাকছে না।
মেয়র রেজাউল করিম খোকন বলেন, ‘শুধু রমজান মাস নয়। পুরো বছরজুড়ে বাজার দর স্থিতিশীল রাখা, ফুটপাত দখলমুক্ত রাখা এবং যানজট নিরসনে অস্থায়ী জনবল নিয়োজিত থাকবে। আমরা নিজেরাও নিয়মিত মনিটরিং করবো।’

 

মিরসরাইয়ে নিয়মিত বাজার মনিটরিং করছে ওসি কবির হোসন

 

মিরসরাই প্রতিনিধি

মিরসরাইয়ে রমজান মাস উপলক্ষে সকল প্রকার দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি প্রতিরোধে বাজার মনিটরিং করেছেন মিরসরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কবির হোসেন।

রবিবার (০২ এপ্রিল ) বিকালে উপজেলার হাদিফকিরহাট বাজারে বাজারে দ্রব্যের দোকানগুলোতে এই মনিটরিং করা হয়।

এসময় প্রতিটা মুদি দোকান, শাক-সবজি, মাছ-মাংস, বিভিন্ন জাতের মুরগির দোকান মনিটরিং সহ সঠিক ওজন দেয়া, মেয়াদ উত্তির্ন দ্রব্য বিক্রি না করা এবং দ্রব্যের দৈনিক মূল্য তালিকা রাখার পাশাপাশি কেহ যেন দ্রব্য মূল্য নিয়ে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে সেবিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়।

মিরসরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কবির হোসেন বলেন, রমজান মাস উপলক্ষে মাননীয় পুলিশ সুপার চট্টগ্রাম মহোদয়ের নির্দেশে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি প্রতিরোধে দ্রব্যের দোকানগুলোতে মনিটরিং ও মাইকিং সহ বিভিন্ন নির্দেশনা প্রদান করা হয়। অন্যথায় আইনি নির্দেশনা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেয়া হবে। পুরো রমজান মাসব্যাপী মিরসরাই থানা পুলিশের এই মনিটরিং কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।