চট্টগ্রামের জিয়া জাদুঘরের নামফলকে কালি লেপন ছাত্রলীগের

269

 

চট্টগ্রামে জিয়া স্মৃতি জাদুঘরের নামফলক থেকে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাম কালি দিয়ে মুছে দিয়েছে ছাত্রলীগ নেতারা।

মঙ্গলবার সকাল ১১টা থেকে বেলা সোয়া ১২টা পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের ছাত্র ফোরাম নামের একটি সংগঠনের মানববন্ধন ও সমাবেশ চলাকালে তারা নামফলক থেকে জিয়াউর রহমানের নাম মুছে দেয়।

জিয়া স্মৃতি জাদুঘরকে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি জাদুঘরে রূপান্তরিত করার দাবিতে এ কর্মসূচি পালিত হয়।

কর্মসূচির বিষয়ে ফোরামের সাধারণ সম্পাদক রাহুল দাশ বলেন, আমরা চাই না মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত এ স্থানে জিয়ার নাম থাকুক তা আমরা চাই না। আগামী ২৬ মার্চের আগেই যেন এটিকে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি জাদুঘর নামকরণ করে সবার জন্য উন্মুক্ত করা হয়।

তিনি বলেন, এখানে জিয়াউর রহমানের কোনো স্মৃতি নেই। ১৯৭১ সালের ১৭ ডিসেম্বর চট্টগ্রামে এ স্থানেই স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়। মুক্তিযুদ্ধের সময় এখানে অনেক মুক্তিযোদ্ধাকে আটকে রেখে নির্যাতন করা হতো। তাই এর নাম মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি জাদুঘর হওয়াই যুক্তিযুক্ত।

মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের ছাত্র ফোরামের সভাপতি ও ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সাবেক কার্যকরী সদস্য আব্দুর রহিম শামীম। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোজাফফর আহমদ, মুক্তিযুদ্ধের সন্তান কমান্ডের সারোয়ার জাহান মনি, কামরুল হুদা পাভেল ও সরোয়ার জাহান, নগর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি একরামুল হক রাসেল ও মোসরাফুল হক পাভেল, দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী সুমন এবং সাংগঠনিক সম্পাদক শাহদাত হোসেন মানিক।

এরআগে সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে চট্টগ্রাম-৯ আসনের সাংসদ মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল জিয়া স্মৃতি জাদুঘরের নাম পাল্টে ‘মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি জাদুঘর’ করার প্রস্তাব করেন।

প্রস্তাবের পক্ষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক এবং পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বৈঠকে বক্তব্য রাখেন।

চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে ১৯৮১ সালের ৩০ মে রাতে নিহত হন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। ১৯৯১ সালে বিএনপি ক্ষমতাসীন হলে এখানে জিয়া স্মৃতি জাদুঘর করা হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here