মারামারি করতে গিয়ে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় সন্ত্রাসী অমিত মুহুরী খুন হয়েছেন।
কারাগারে মারামারি করার সময় ইটের আঘাতে মাথায় আঘাত পেয়ে অমিত মারা গেছেন বলে বুধবার দিবাগত রাত দেড়টায় নিশ্চিত করেছেন জেলার নাছির আহমেদ।
কারাগার সূত্র জানায়, ৩২ নম্বর সেলে রিপন নাথ নামের আরেক বন্দির সাথে মারামারি করার সময় রিপনের ‘ইটের’ আঘাতে মাথায় গুরুতর আহত হন অমিত।এরপর তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক অমিতকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনা নিয়ে কারাগারে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
নিহত অমিত যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির উপ-অর্থবিষয়ক সম্পাদক হেলাল আকবর চৌধুরী ওরফে বাবরের অনুসারী।
জানা গেছে, অমিত মুহুরীর বন্ধু এবং যুবলীগ কর্মী ইমরানুল করিম হত্যা মামলায় যুবলীগ নেতা অমিত মুহুরী দীর্ঘদিন ধরেই কারাগারে রয়েছে।২০১৭ সালের ১৩ আগস্ট চট্টগ্রাম নগরের এনায়েতবাজার এলাকার রানীরদিঘি এলাকা থেকে একটি ড্রাম উদ্ধার করে পুলিশ। প্রথমে বোমা রয়েছে ভাবা হলেও ড্রাম কেটে ভেতরে লাশ উদ্ধার করা হয়। লাশ গলে যাওয়ায় তখন পরিচয় বের করা যায়নি। পরে এ ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে ৩১ আগস্ট ইমাম হোসেন ও শফিকুর রহমান নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা পুলিশকে বলেন, ড্রামের ভেতরে পাওয়া লাশটি অমিতের বন্ধু নগর যুবলীগের কর্মী ইমরানুল করিমের। ৯ আগস্ট নগরের নন্দনকানন হরিশ দত্ত লেনের নিজের বাসায় ইমরানুলকে ডেকে নেন অমিত। এরপর বাসার ভেতরেই তাঁকে হত্যা করা হয়।
এ ঘটনায় ২০১৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর অমিতকে কুমিল্লা থেকে গোয়েন্দা পুলিশ গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ জানায়, অমিতের বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র ও চাঁদাবাজির ১৫টি মামলা রয়েছে। পূর্বাঞ্চল রেলের কোটি টাকার দরপত্র নিয়ে জোড়া খুনের মামলার আসামিও ছিলেন অমিত মুহুরী।



