চট্টগ্রাম নগরীর চান্দগাঁও আবাসিক কল্যাণ সমিতির সভাপতি ও কাশেম-নুর ফাউন্ডেশনের কো-চেয়ারম্যান শিল্পপতি মানবতর বন্ধু হিসেবে খ্যাত আলহাজ্ব হাসান মাহমুদ চৌধুরী আর নেই।
আজ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে রাজধানী ঢাকার আনোয়ার খান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন)
হাসান মাহমুদ চৌধুরী চান্দগাঁও আবাসিক এলাকা কল্যাণ সমিতির সভাপতি,ল্যাটিন আমেরিকা বাংলাদেশ চেম্বারের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও থাই চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক হিসেবেও বেশ সুনামের সঙ্গে দায়িত্বপালন করছেন। হাসান ভাইয়ের বড় ভাই সাবেক ডাকসু জিএস ও মন্ত্রী, জাতীয়পার্টির মহসচিব জিয়াউদ্দিন বাবলু।
হাসান মাহমুদ চৌধুরী করোনার শুরু থেকে দেশে-বিদেশে মানবিক সহায়তার তদারকি করছিলেন।
মানবতর ফেরিওলা হয়ে জাতীয় শোক দিবসে চান্দগাঁও আবাসিক কল্যাণ সমিতির আলোচনা সভা, রক্তদান কর্মসূচি ও গরিবদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণে অংশ নিতে তিনি ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে আসেন। এসময় বিভিন্ন সেবামূলক কাজে অংশগ্রহণ করার এক পর্যায়ে হঠাৎ অসুস্থতা অনুভব করায় তাঁকে ২৭ আগস্ট ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। ওইদিন করোনার নমুনা সংগ্র হ করা হয়। পরের দিন (২৮ আগস্ট) করোনা পরীক্ষার রিপোর্টে পজিটিভ পাওয়া যায়।
গত ৭ সেপ্টেম্বর ঢাকায় নিজ বাসায় চিকিৎসাধীন থাকা হাসান মাহমুদের শারীরিক অবনতি হলে তাকে আনোয়ার খান মেডিকেল কলেজে ভর্তি করানো হয়। এরপর তাকে আইসিইউ বেডে হস্তান্ত্র করে হাই ফ্লু অক্সিজেন সেবা দেওয়া হয়।
চট্টগ্রামে অবস্থানকালে তিনি করোনা আইসোলেশন সেন্টার চট্টগ্রামের জন্য ৫ লক্ষ টাকা, সেবকদের নতুন পোশাকের জন্য ২০ লক্ষ টাকাসহ চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে ২২ লক্ষ টাকার অনুদান দেন। এছাড়াও হাসান মাহমুদ চৌধুরী দেশে করোনা মহামারিতে নগরী ছাড়ও বোয়ালখলী, রাউজান, রাঙ্গুনিয়ায় অন্তত দেড় লক্ষ মানুষকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছেন। এর মধ্যে চট্টগ্রামে প্রায় ৫০ হাজার মানুষের ঘরে পোঁছে দিয়েছেন খাদ্য সহায়তা। তিনি রমজন মাস সহ সারবছর রাউজান, রাগুনিয়া, বোয়ালখালী নগরীর বিভিন্ন এলাকায় শ্রমজীবি মেহনতি মানুষের দু:খ দুরদশ লাঘবে আর্থিক সহযোগিতা ছিল নজর কাড়া । মসজিদ মাদরসার জন্য ছিল উদার দানবীর
চট্টগ্রামে অবস্থানকালে তিনি করোনা আইসোলেশন সেন্টার চট্টগ্রামের জন্য ৫ লক্ষ টাকা, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন সেবকদের নতুন পোশাকের জন্য ২০ লক্ষ টাকা এব পাহাড়াতলী অগ্নিদূগতদের জন্য ২লক্ষ টকাসহ সিটি কর্পোরেশন কে নগদ ২২ লক্ষ টাকার অনুদান দেন।
তার নিজ বাড়ী রাউজানের কদলপুর। হাসান মাহমুদ চৌধুরীর পিতাও একজন দানবীর ও সমাজ সেবক ছিলেন।
হাসান মাহমুদ চৌধুরী স্ত্রী, ৩ছেলে ও ১মেয়েসহ অসখ্য আত্মীয় স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন
আজ বাদে এশা গুলশান আজাদ মসজিদে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে এবং মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হবে।



