নিজস্ব প্রতিবেদক
চট্টগ্রামে নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ২৩০ জনের। মৃত্যু হয়েছে ৭ জনের। শনাক্তের হার ১২ শতাংশের বেশি। অথচ জুলাই মাস ও আগস্টের প্রথম এক সপ্তাহে সংক্রমণ হার ৩০ থেকে ৩৬ শতাংশে পৌঁছেছিল। গত এক সপ্তাহ ধরে কমছে সঙ্গে সংক্রমণ হার। প্রায় দেড় মাস পর শনাক্তের হার এতো নিচে নামলো।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন লকডাউন, গণটিকাদানের কারণে সংক্রমণ কমছে। এছাড়া করোনায় শনাক্ত ও মৃত্যু বাড়ায় অনেকেই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছেন। সেকারণেও কমছে সংক্রমণ। চিকিৎসকরা বলছেন টিকা নিলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। এদিকে লকাডাউন তুলে দিলেও স্বাস্থ্যবিধি মানাতে প্রশাসনকে নজরদারির কথা বলছেন সংশ্লিষ্টরা। না হলে আবারও বাড়বে সংক্রমণ।
চট্টগ্রামে এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ৯৫ হাজার ৪৪ জন। শনাক্তের মধ্যে নগরে ৬৯ হাজার ৭৭৫ জন। উপজেলায় ২৫ হাজার ২৬৯ জন। নতুন ৭ মৃত্যুর মধ্যে ২ জন নগরে, ৫ জন উপজেলার। এ পর্যন্ত মোট ১১২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৬৪৯ জন নগরের। উপজেলায় মারা গেছেন ৪৭৯ জন। সোমবার ১৬ আগস্ট চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে এ তথ্য জানা গেছে। ১৭৮৩ জনের নমুনা পরীক্ষায় ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে নগরে ১৬৩ জন। উপজেলায় ৬৭ জন।
চিকিৎসকরা বলছেন ভারতীয় ধরনে (ডেল্টা প্রজাতি) চট্টগ্রামে সংক্রমণ হার বেড়েছিল। করোনার সংক্রমণ বাড়লে মানুষ মাস্ক পরতে উদাসীন। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্বাস্থ্যবিধি মানার বিকল্প নেই। মাস্ক পরতে হবে। হাত ধোয়ার অভ্যাস থাকতে হবে। ভিড় এড়িয়ে চলতে হবে।
উপজেলায় সর্বোচ্চ শনাক্ত হয়েছে বোয়ালখালী ২১, লোহাগাড়া ১, সাতকানিয়া ৪, আনোয়ারা ২, চন্দনাইশ ১১, পটিয়া ৪, রাঙ্গুনিয়া ১, রাউজান ১, ফটিকছড়ি ১৭, হাটহাজারীতে ২, মিরসরাই ২ ও সন্দ্বীপে ১ জন।
এদিকে বিআইটিআইডি ল্যাবে ৬৬ জন, চমেক ল্যাবে ৭৫ জন, শেভরন ল্যাবে ১ জন, মা ও শিশু হাসপাতাল ল্যাবে ৮ জন, ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল ল্যাবে ২৫ জন, মেডিকেল সেন্টার হাসপাতালে ১১ জন ও ইপিক হেলথ কেয়ার ল্যাবে ৪০ জনের করোনা শনাক্ত হয়। ১৮টি অ্যান্টিজেন টেস্টে ৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।



