চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট নগরীর ষোলশহরে পুলিশ বক্সে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা তদন্ত করতে গিয়ে নিষিদ্ধ জঙ্গি দল নব্য জেএমবির আরও ৬ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে । গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, মহিদুল আলম (২৪), জহির উদ্দিন (২৮), মঈন উদ্দিন (২০), আবু সাদেক (১৯), রহমত উল্লাহ আকিব (২৪) ও মো. আলা উদ্দিন (২৩)। তাদের সবার বাড়ি চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায়।
গতকাল মঙ্গলবার থেকে আজ বুধবার ভোররাত পর্যন্ত বান্দরবান, সাতকানিয়া ও লোহাগাড়ায় টানা অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
সিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার আসিফ মহিউদ্দীন গনমাধ্যমকে বলেন, লোহাগাড়া, কেরানিহাট ও বান্দরবান এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুই নম্বর গেইটে ট্রাফিক পুলিশ বক্সে বিষ্ফোরণের ঘটনায় আরও ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা নব্য জেএমবির সদস্য।
প্রসঙ্গত, ২৮ ফেব্রুয়ারি রাতে ষোলশহর ২ নম্বর গেইট ট্রাফিক বক্সের ওই বিস্ফোরণে দুই ট্রাফিক পুলিশ সদস্যসহ পাঁচজন আহত হন। বিস্ফোরণে ট্রাফিক বক্সটিতে থাকা সিগন্যাল বাতি নিয়ন্ত্রণের সুইচ বোর্ড ধ্বংস হয়। ঘটনার একদিন পর হামলার সঙ্গে আইএস যুক্ত বলে জঙ্গিবাদ পর্যবেক্ষণকারী সাইট ইন্টেলিজেন্স গ্রুপ দাবি করে।
ওই ঘটনায় পাঁচলাইশ থানায় করা মামলার তদন্ত করছে নগর পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীসহ এ পর্যন্ত ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে তারা। সর্বশেষ গ্রেপ্তার ৬ জনের মধ্যে মহিদুল জহিরকে গত মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে বান্দরবান সদরের কলাবাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পাশ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মঈন, সাদেক ও রহমতকে গতকাল মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সাতকানিয়ার কেরানিহাট কাঁচা বাজার এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরপর আজ বুধবার ভোররাতে লোহাগাড়ার দরগামুড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে আলা উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, সর্বশেষ গ্রেপ্তার ৬ জনই নিষিদ্ধ জঙ্গি দল নব্য জেএমবির সদস্য। তারা বোমা তৈরির সঙ্গে জড়িত।



