মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Home Blog Page 100

হাসপাতালের পথে খালেদা জিয়া

 

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের উদ্দেশে রওয়ানা দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। সেখানে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে বাসায় ফিরবেন তিনি।

 

আজ শনিবার বিকাল ৫টা ২৫ মিনিটে গুলশানের বাসভবন ফিরোজা থেকে বের হয়ে এভারকেয়ার হাসপাতালের উদ্দেশে রওয়ানা হন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী।

এর আগে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, নজরুল ইসলাম খানসহ দলের কয়েকজন সিনিয়র নেতা খালেদা জিয়ার সাথে দেখা করেন।

সর্বশেষ গত ২৭ ফেব্রুয়ারি স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকায় এভারকেয়ার হাসপাতালে গিয়েছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

খালেদা জিয়া বহু বছর ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, দাঁত ও চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন।

২০২১ সালের এপ্রিলে তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন। নানা শারীরিক জটিলতায় ওই বছরের ২৭ এপ্রিল খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

একপর্যায়ে তাকে সিসিইউতে নেয়া হয়। প্রায় দুই মাস তিনি সিসিইউতে ছিলেন। ১৯ জুন বাসায় ফেরেন। এর মধ্যে করোনার টিকা নেয়ার জন্য খালেদা জিয়া দুই দফায় মহাখালীর শেখ রাসেল ন্যাশনাল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট অ্যান্ড হাসপাতালে যান। ১৯ জুলাই করোনার প্রথম ডোজ টিকা নেয়ার পর ১৮ আগস্ট দ্বিতীয় ডোজ টিকা নেন তিনি।

গত বছর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর তার পরিপাকতন্ত্রে রক্তক্ষরণ এবং লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত হওয়ার কথাও জানান চিকিৎসকরা।

দুর্নীতির এক মামলায় দণ্ড দিয়ে খালেদা জিয়াকে ২০০৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি কারাগারে পাঠানো হয়। করোনা মহামারীর প্রেক্ষাপটে ২০২০ সালের ২৫ মার্চ সরকার শর্তসাপেক্ষে তাকে সাময়িক মুক্তি দেয়। পরে কয়েক দফায় তার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হয়। বর্তমানে তিনি তার গুলশানের বাসায় অবস্থান করছেন।

মিরসরাইয়ে কৃষকের ধান কেটে বাড়ি পৌঁছে দিয়েছে যুবলীগ

মিরসরাই প্রতিনিধি
মিরসরাইয়ে কৃষকের ২৫ শতাংশ জমির ধান কেটে বাড়ি পৌঁছে দিয়েছে যুবলীগের নেতাকর্মীরা। গত শুক্রবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার মিরসরাই সদর ইউনিয়নের কিছমত জাফরাবাদ গ্রামে কৃষক আনোয়ার হোসেনের জমির ধান কেটে কৃষকের বাড়িতে তুলে দেন তারা।
এইসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামী যুবলীগ নেতা আছিফুর রহমান শাহীন, শাহাদাত হোসেন ভূঁইয়া, হাসান হাবীব রনি, ফখরুল ইসলাম মুন্না, মোশাররফ হোসেন, মেজবা উদ্দিন রবিন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সদস্য আরিফুর রহমান, গেন্ডারিয়া থানা ছাত্রলীগের ভাইস প্রেসিডেন্ট ফাহাদ আরেফিন অন্তর, রিফাত হাওলাদার, মিরসরাই ছাত্রলীগ নেতা সাফায়েত হোসেন প্রমুখ।
কৃষক আনোয়ার হোসেন বলেন, শ্রমিকের দাম বেশি হওয়ায় এবং শ্রমিক সংকটের কারণে আমার প্রায় ২৫ শতাংশ জমির ধান নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা নিয়াজ মোর্শেদ এলিট ভাই নেতাকর্মীদের পাঠিয়ে আমার জমির ধান গুলো কেটে ঘরে তুলে দিয়েছেন আমি খুবই খুশি।
যুবলীগ নেতা আছিফুর রহমান শাহীন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহবানে কেন্দ্রীয় আওয়ামী যুবলীগের কর্মসূচি হিসেবে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবলীগের আওতায় এবং কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা নিয়াজ মোর্শেদ এলিটের সার্বিক তত্বাবধানে আমরা মিরসরাই উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের নেতাকর্মীরা ধান কাটা কর্মসূচি পালন করেছি। আমাদের এই মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

 

মিরসরাইয়ে বাসে তল্লাশি চালিয়ে ৮’শ পিস ইয়াবা উদ্ধার, আটক ১

 

মিরসরাই প্রতিনিধি

মিরসরাইয় থানা পুলিশের অভিযানে বাসে তল্লাসি চালিয়ে ৮’শ পিস ইয়াবাসহ রশিদ আহম্মদ (৩৮ ) নামের এক মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে ।

বৃহ:স্পতিবার (২৭ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় উপজেলার ১৫ নং ওয়াহেদপুর ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড়ের গাছবাড়ীয়া হাদী ফকিরহাট বাজার সংলগ্ন নুর শাহ ফকির বাড়ীর প্রবেশ পথে চট্টগ্রাম টু ঢাকা মহাসড়কের কুমিল্লা গামী সৌদি পরিবহনে তল্লাশি চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত রশিদ আহম্মদ কক্সবাজার জেলার কক্সবাজার সদর থানার ০৭ নং ওয়ার্ডের পাহাড়তলী গ্রামের মৃত সুলতান হাজীর পুত্র।

মিরসরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কবির হোসেন বলেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার ওয়াহেদপুর ইউনিয়নের হাদিফকিরহাট বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে কুমিল্লা গামী সৌদি পরিবহনের যাত্রী হতে ৮’শ পিস ইয়াবাসহ রশিদ আহম্মদ (৩৮) কে গ্রেফতার করা হয়। এই ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মিরসরাই থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ওসি আরও বলেন, শুক্রবার সকালে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক মূল্য ২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা।

মিরসরাইয়ের মঘাদিয়ায় আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

মিরসরাই প্রতিনিধি
দেশব্যাপী জামায়াত-বিএনপির সন্ত্রাস-নৈরাজ্য এবং মিরসরাইয়ের সাংসদ ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও কুৎসা রটানোর প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৮ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার ১১নং মঘাদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ-সংগঠনের উদ্যোগে এসব কর্মসূচি পালন করা হয়। বিক্ষোভ মিছিলটি আবুতোরাব বাজার প্রদক্ষিণ শেষে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি তোফায়েল উল্ল্যা চৌধুরী নাজমুলের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ১১ নং মঘাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসাইন মাষ্টার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মিহির কান্তি নাথ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য হাজী বেলাল উদ্দিন, নুরুল গনি, সাবেক চেয়ারম্যান শাহীনুল কাদের চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আরিফ মাঈনুদ্দীন, মঘাদিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মাসুদ, সাধারণ সম্পাদক নুরুল আবছার, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি আবু নছর রিপন সহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ।

 

নির্যাতন করে সরকার নেতাকর্মীদের দমিয়ে রাখতে পারেনি : রিজভী

 

সদ্য কারামুক্ত বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকে দিনভর ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছে দলটির নেতাকর্মীরা। এ সময় রুহুল কবির রিজভী দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, আমাদের নেতাকর্মীরা আজ অনেক বেশি উজ্জীবিত। এই সরকার নির্যাতন, অত্যাচার করে নেতাকর্মীদের দমিয়ে রাখতে পারিনি।

 

রিজভী বলেন, আজকে যে লড়াই সেটি গণতন্ত্রের জন্য লড়াই, বাকস্বাধীনতার ফিরিয়ে আনার লড়াই। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বে যে আন্দোলন হচ্ছে, তারই প্রতিফলন আজ আমি দেখতে পাচ্ছি। এই লড়াই কোনো ব্যক্তি বা দলের জন্য নয়। এটি দেশ বাঁচানোর লড়াই, একনায়কতন্ত্র থেকে মুক্ত হওয়ার লড়াই।

তিনি আরো বলেন, এই সরকারের হিংস্রতা শুধু রাজপথেই নয়, কারাগারেও। সেখানে রাজবন্দীরা অমানবিক জীবনযাপন করছেন। আমাকে একা একটি প্রিজন ভ্যানে দাঁড়িয়ে আদালতে আনা হতো। আমি শারীরিকভাবে অসুস্থ। গাড়ি ব্রেক করলে আমি পড়ে যেতাম। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে আমার জন্য চেয়ারের ব্যবস্থা করা হয়।

তিনি আক্ষেপ করে বলেন, ঈদের আগে আমি সবকয়টি মামলায় জামিন পেলেও আমাকে মুক্তি দেয়া হয়নি, পরিবার-পরিজনের সাথে ঈদ করতে দেয়া হয়নি।

এ সময় তিনি আটকের সময় তার পরিবারের প্রতি খোঁজ-খবর রাখার জন্য ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলসহ সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এদিকে, তিনি গতকাল বিকেলে মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই তার বাসভবনে গিয়ে দলের অসংখ্য নেতাকর্মী তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। বুধবার সকাল থেকেই ঢাকা মহানগর বিএনপির উত্তর-দক্ষিণ, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, শ্রমিকদলসহ অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের হাজারো নেতাকর্মী তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এছাড়াও বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী তার আদাবরের বাসায় গিয়ে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

এ সময় রিজভীর স্ত্রী আরজুমান আরা বেগমসহ বিএনপি নেতা শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস,
হাবিব উন নবী খান সোহেল, খায়রুল কবির খোকন, ফজলুল হক মিলন, আব্দুস সালাম আজাদ, ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন, আমিনুল হক, মীর সরাফত আলী সপু, অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, ডা. রফিকুল ইসলাম, মীর নেওয়াজ আলী নেওয়াজ, অধ্যক্ষ সেলিম ভুইয়া, অধ্যাপক ড. মো: মোর্শেদ হাসান খান, আমিনুল ইসলাম, তারিকুল আলম তেনজিং, ঢাকা জেলার সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক, সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী, তানভীর আহমেদ রবিন, ছাত্রদলের সভাপতি কাজী রওনাকুল ইসলাম শ্রাবণ, সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল, বিএনপি নেতা মঞ্জুরুল করিম রনি, আসাদুল করিম শাহীন, শাখায়াত হোসেন সবুজ, কাজী সাইফুল আলম বাবুল, মুজিবুর রহমান, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতা কাদের গনি চৌধুরী, রাশেদুল হক, বাছির জামাল, পেশাজীবী নেতা ডা. শামীমুর রহমান, ডা. রফিকুল ইসলাম, ডা. আউয়াল, মৎস্যজীবী দলের মো. আবদুর রহিম, ওমর ফারুক পাটোয়ারী, ফজলে কাদের সোহেল, কেএম সোহেল রানা, এম সায়েম উদ্দিন সিয়াম, স্বেচ্ছাসেবক দলের ডা. জাহেদুল কবির জাহিদ, আরিফুর রহমান তুষার, যুবদলের মেহবুব মাসুম শান্ত, সোহেল আহমদ, ছাত্রদলের সাবেক নেতা ওমর ফারুক কাওসার, ঢাবি ছাত্রদলের রাজু আহমেদসহ অসংখ্য নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, প্রায় পাঁচ মাস তথা ১৪০ দিন পর কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে ঢাকার কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বেরিয়ে আসেন তিনি। ঈদের আগেই ৫০ মামলার সবকটিতেই জামিন পেয়েছিলেন রিজভী।

সর্বশেষ মানহানির অভিযোগে গোপালগঞ্জে করা এক মামলায় গত ১৮ এপ্রিল জামিন পেলেও জামিননামার মূল কপি কারাগারে না পৌঁছানোর কারণে ঈদের আগে তাকে মুক্তি দেয়া হয়নি।

২০২২ সালের ১০ ডিসেম্বর বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশকে ঘিরে ৭ ডিসেম্বর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দলের নেতাকর্মীদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। পরে ওই রাতে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে প্রায় সাড়ে চার শতাধিক নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ওই সময় রুহুল কবির রিজভীকে আটক করা হয়। পরদিন পল্টন, মতিঝিল, রমনা ও শাহজাহানপুর থানায় পৃথক চারটি মামলা করে পুলিশ।

পল্টন ও মতিঝিল থানার মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে রুহুল কবির রিজভীকে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে আরো বিভিন্ন মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।

 

হিজাব আন্দোলনের সেই তাবাসসুম দ্বাদশের পরীক্ষায় কর্নাটকে প্রথম

 

ভারতের কর্ণাটক রাজ্যে হিজাব আন্দোলনের সেই তাবাসসুম দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষায় কলা বিভাগে প্রথম হয়েছেন। মোট ৬০০ নম্বরের পরীক্ষায় তিনি ৫৯৩ নম্বর পেয়ে প্রথম হয়েছেন। হিন্দি, সমাজবিজ্ঞান ও মনোবিজ্ঞানে তিনি ১০০ থেকে ১০০ পেয়েছেন। তবাসসুমের ইচ্ছা, তিনি ‘ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি’ নিয়ে বিদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়বেন।

 

গত বছরের জানুয়ারিতে কর্নাটকের এক স্কুলে হঠাৎ হিজাব নিষিদ্ধ করা হয়। কর্তৃপক্ষ নির্দেশনা জারি করে, ‘হিজাব বা কোনো ধর্মীয় পোশাক পরে ক্লাস অংশ নেয়া যাবে না। বোরকা বা হিজাব পরে প্রতিষ্ঠানে এলেও শ্রেণিকক্ষে তা খুলে ফেলতে হবে। সেখানে স্কুল ইউনিফর্মই একমাত্র পোশাক।’

এরপর ক্রমেই রাজ্যের অন্যত্র এমন নির্দেশনা দিতে থাকে নানা প্রতিষ্ঠান। পরে এ নিয়ে ধর্মীয় উত্তেজনা তৈরি হয়। রাজধানী বেঙ্গালুরুতেও সেই ঢেউ আছড়ে পড়ে। ফলে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। মুসলিম ছাত্রীরা ওই নির্দেশনা বিরুদ্ধে কর্নাটক হাইকোর্টে মামলা করেন। কিন্তু কর্নাটক হাইকোর্ট জানিয়ে দেন, হিজাব ইসলামের অপরিহার্য অঙ্গ নয়। স্কুলের ইউনিফর্মই শেষ কথা। ওই মামলা এখনো সুপ্রিম কোর্টে বিবেচনাধীন রয়েছে।

রাজ্যে হিজাব বিতর্ক যখন তুঙ্গে, তখন তাবাসসুম ও তার অন্য পাঁচ বান্ধবী বেঙ্গালুরুর স্কুলে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। অনেক দিন বাড়ি বসে ছিলেন। এরপর পরিবারের পরামর্শে তিনি সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন।

দ্য টেলিগ্রাফকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তাবাসসুম বলেন, ‘বাবার কথায় আমি সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করি। বাবা বলেছিলেন, দেশের আইন মানা জরুরি। তেমনই জরুরি নারীর শিক্ষালাভ। আজ আমাদের নারীরা যদি শিক্ষা লাভ না করে, তবে আমাদের জাতি আরো পিছিয়ে যাবে।’

তাবাসসুম বলেন, ‘কোনো ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রে পোশাকের ওপর সরকারি বিধি-নিষেধ থাকা উচিত নয়। শিক্ষাগ্রহণ ও ধর্মাচরণ দু’টিই আমার অধিকার। এটা খুবই অযৌক্তিক যে শিক্ষা অর্জনের জন্য আমাকে হিজাব পরিত্যাগ করতে হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘বাবা, মা ও বড় ভাইয়ের পরামর্শে স্কুলে ফেরার সিদ্ধান্ত নেই। পাঁচ বছর বয়স থেকে হিজাব পরে আসছি। হিজাব পরতে আমার ভালোও লাগে। পোশাকটির প্রতি একটা অধিকারবোধ জন্মে গিয়েছিল।’

তাবাসসুম বলেন, ‘অনেকে টিটকিরি দিয়েছে। কিন্তু সব সহ্য করেছি। মা-বাবা-বড় ভাইয়ের কথা সব সময় মাথায় রাখতাম। তারা বলতেন, প্রতিবাদের নামে পড়াশোনা ছেড়ে দিলে যারা চায় না মেয়েরা শিক্ষা পাক, তাদের উদ্দেশ্যই সফল হবে।’

স্কুলের পোশাকবিধি কলেজে নেই। ফলে তাবাসসুম হিজাব পরেই কলেজে ক্লাস করতে পারবেন। তবুও রাজনীতির গতি- প্রকৃতিতে কিছুটা সন্দিহান তিনি। ভবিষ্যতে নতুন কোনো ফরমান জারি হবে কিনা, সে বিষয়ে তাবাসসুম নিশ্চিত নন।

সূত্র : দ্য টেলিগ্রাফ/সিয়াসত ডেইলি

মিরসরাইয়ে জায়গা-জমির বিরোধের জেরে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে জখম

মিরসরাই প্রতিনিধি :::
মিরসরাইয়ে জায়গা জমির বিরোধে আনোয়ার হোসেন লিটন (৪১) নামে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের উপর। মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) সকালে উপজেলার মিঠানালা ইউনিয়নের পশ্চিম মিঠানালা এলাকার আমজাদ ভূঁইয়া বাড়ির সামনে এই ঘটনা ঘটে।
আহত অবস্থায় পরিবারের স্বজনরা তাকে উদ্ধার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মাস্তানগর হাসপাতালে ভর্তি করায়। তার অবস্থা গুরত্বর হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। আহত লিটন ইউনিয়নের আমজাদ ভূঁইয়া বাড়ির আবুল বশরের ছেলে। এই ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছি।

লিটনের আত্মীয় মো. রাসেল নিজাম জানান, দীর্ঘদিন ধরে একই এলাকার আবুল হাসেমের ছেলে নিজাম উদ্দিননের পরিবারের সাথে জায়গা জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিলো। এই ঘটনায় একাধিক সালিশি বৈঠক হয়েছে। ঘটনার দিন সকালে আনোয়ার হোসেন লিটন পারিবারিক কাজে দোকানে যাচ্ছিলো। এইসময় আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা নিজাম উদ্দিন ও তার অপরাঅপর ভাইয়ের তার উপর চুরি ও লাঠি দিয়ে অতির্কিতভাবে হামলা চালাই। তারা চুরি দিয়ে তার মাথায় কুপিয়ে জখম করে। ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে আহত হয়েছেন লিটনের বাবা আবুল বশর। তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে আছেন।
মিরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত চিকিৎসক তন্ময় জামশেদ আলম বলেন, সকালে আনোয়ার হোসেন লিটন নামে আহত এক ব্যক্তি এসেছিলো। অবস্থায় গুরুত্বর হওয়ার তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। তার মাথায় এবং কানে আঘাতের চিহৃ রয়েছে।
মিরসরাই থানার ডিউটি অফিসার এসআই মাঈন উদ্দিন বলেন, এই ঘটনায় থানায় কেউ অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন রিজভী

নিজস্ব প্রতিবেদক

সাড়ে চার মাসেরও বেশি সময় কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পেলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

 

মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) বিকেল ৪টার দিকে কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান।

ঈদের আগেই ৫০ মামলার সবকটিতেই জামিন পেয়েছিলেন তিনি। সর্বশেষ মানহানির অভিযোগে গোপালগঞ্জে করা এক মামলায় গত ১৮ এপ্রিল জামিন পেলেও জামিননামার মূল কপি কারাগারে না পৌঁছানোর কারণে ঈদের আগে তাকে মুক্তি দেয়া হয়নি। মঙ্গলবার জামিননামার মূল কপি হাতে হাতে কারা কর্তৃপক্ষের কাছে দেয়া হলে আনুষঙ্গিক প্রক্রিয়া শেষে বিএনপির এই শীর্ষ নেতাকে মুক্তি দেয়া হয়।

মুক্তির পর কারাফটকের সামনে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। এ সময় রিজভীর স্ত্রী আরজুমান আরা বেগম ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, কেন্দ্রীয় নেতা অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, ডা: রফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক মোর্শেদ হাসান খান, অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম, ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক, সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী প্রমুখ।

তার আইনজীবী সৈয়দ জয়নাল আবেদীন মেজবাহ জানান, রুহুল কবির রিজভী গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে ৫০টি মামলায় জামিন পান। গত বছরের ৭ ডিসেম্বর পল্টন থানার মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর সুপ্রিম কোর্ট, ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালত, ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং কুমিল্লার আদালত থেকে এসব মামলায় জামিন পান। তার বিরুদ্ধে দায়ের করা বেশিরভাগ মামলায় নাশকতার অভিযোগ আনা হয়। সর্বশেষ মানহানির মামলায় গোপালগঞ্জের আদালত থেকে জামিন পান তিনি।

ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশকে কেন্দ্র করে গত ৭ ডিসেম্বর রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পুলিশের সাথে দলটির নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষ হয়। পরে পুলিশ বিএনপির নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে রুহুল কবির রিজভীসহ চার শতাধিক নেতা-কর্মীকে আটক করে। পরদিন পল্টন, মতিঝিল, রমনা ও শাহজাহানপুর থানায় পৃথক চারটি মামলা করে পুলিশ। পল্টন ও মতিঝিল থানার মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে রুহুল কবির রিজভীকে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে আরো বিভিন্ন মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।

কারাগারে থাকাকালীন কয়েকবার অসুস্থ হয়ে পড়েন রুহুল কবির রিজভী। সর্বশেষ গত ১৩ এপ্রিল দুপুরে পুরান ঢাকার সিএমএম আদালত থেকে তাকে প্রিজনভ্যানে করে কেরাণীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারে নেয়ার পথেই অসুস্থ হন। তার অসুস্থতায় চিন্তিত ছিল তার পরিবার। তাকে নিঃশর্ত মুক্তি দিয়ে উন্নত ও সুচিকিৎসার দাবি জানিয়েছিলেন তার স্ত্রী আরজুমান আরা বেগম। অসুস্থতার কথা শুনে কারাগারে ও আদালতে রিজভীর সাথে দেখা করতে বাধার সম্মুখীন হয়েছিলেন বলেও অভিযোগ করেছিলেন তিনি।

মিরসরাই সমিতি ওমানের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

 

নিজস্ব প্রতিনিধি

আনন্দ ও উৎসবের মধ্য দিয়ে ওমানের রাজধানী মাস্কটে অনুষ্ঠিত হয়েছে মিরসরাই সমিতি ওমানের ঈদ পুনর্মিলনী। পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ইদের দ্বিতীয় দিনে ‘আল-কুরুম সমুদ্রের তীরে’ আয়োজিত এই মিলনমেলা মিরসরাই প্রবাসীদের পর্দাপণে মুখরিত হয়ে উঠে। উক্ত মিলনমেলায় ওমানের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মিরসরাই প্রবাসীরা যোগদান করেন।

পুনর্মিলনীতে মধ্যাহ্ন ভোজে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহি মেজবানির আয়োজন করা হয় এবং সমুদ্রের তীরে ফুটবল খেলা এবং সমুদ্র স্নান এর মাধ্যমে ঈদ এর আনন্দে মেতে উঠে আগত মিরসরাই প্রবাসীরা। উক্ত অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনা করেন মিরসরাই সমিতি ওমানের সভাপতি আবু নছর রিয়াদ (সিআইপি) এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ফাহাদ। তাছাড়া এতে আরো উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টা এবং কার্যকরী পরিষদের সদস্য বৃন্দ। এছাড়া ও মিরসরাই সমিতি ওমানের নেতৃবৃন্দ গন বক্তব্য রাখেন। বক্তারা বলেন, মিরসরাই সমিতি একটি অরাজনৈতিক সংগঠন এবং ওমান মিরসরাই প্রবাসীরা যে কোনো বিপদে-আপদে মিরসরাই সমিতিকে সবসময় সাথে পাবেন।

ঈদের পর কাফনের কাপড় পরে রাজপথে নামবো: ইশরাক

 

আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটাতে ঈদের পর কাফনের কাপড় পরে রাজপথে নামবেন বলে জানিয়েছেন বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক কমিটির সদস্য ইশরাক হোসেন।

বৃহস্পতিবার (২০ এপ্রিল) রাজধানীর গোপীবাগে প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকার বাসভবনে নিজ দলের নেতাকর্মী এবং দুস্থদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণের সময় এ কথা জানান তিনি।

 

ইশরাক হোসেন বলেন, সরকারের দেওয়া সব অত্যাচার-অবিচার, জেল-জুলুম আমাদের পাথরের ন্যায় কঠিন করে তুলেছে। এখন সময় জবাব দেওয়ার। ঈদের পর আমরা কাফনের কাপড় পরে রাজপথে নামবো। এ সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরে যাবো না।

অর্থের অভাবে দেশের মানুষ ভালো নেই, তাদের কোনো ঈদের আনন্দ নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের শাসনামলে গরিব আরও গরিব হয়। আর দলীয় নেতাকর্মীরা আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়ে যায়।

 

 

বিএনপির এই নেতা বলেন, একেতো দেশের গণতন্ত্র ও বাকস্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছে এই সরকার। তার ওপর দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে দেশবাসী আজ দিশেহারা। সাধারণ মানুষ পেটভরে দুমুঠো ভাতই খেতে পারছে না। অর্থের অভাবে মানুষ আজ ভালো নেই। নেই কোনো ঈদের আনন্দ।

 

সূত্রাপুর থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ শাহেদ মন্টুর সভাপতিত্বে ঈদ সামগ্রী বিতরণী অনুষ্ঠানে আরও ছিলেন সূত্রাপুর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুল ইসলাম আজিজ, থানা নেতা দেলোয়ার হোসেন মোল্লা, যুবদল নেতা মোহাম্মদ সোহেল, ছাত্রদল নেতা হিমেল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা নাদিম আহমেদ প্রমুখ।