বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Home Blog Page 59

জয়পুর পূর্ব জোয়ার ফ্রেন্ডস জোন কতৃক দিবারাত্রি মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল

 

মিরসরাই প্রতিনিধি

মিরসরাই উপজেলা করেরহাট ইউনিয়নের জয়পুর পূর্ব জোয়ার ফ্রেন্ডস জোন কতৃক দিবারাত্রি মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্ট সম্পন্ন হয়েছে। রবিবার (২৮ এপ্রিল) জয়পুর পূর্ব জোয়ার কালী পুকুর সংলগ্ন মাঠে জাঁকজমকপূর্ণ ভাবে উদ্বোধনী ও ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। টুর্নামেন্টে অংশ নেয় ৮টি দল। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে অগ্রযাত্রা ক্লাবকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন শিরোপা জিতে পশ্চিম জোয়ার জুনিয়র একাদশ। ম্যান আব দা ফাইনাল নির্বাচিত হত পশ্চিম জোয়ার জুনিয়র একাদশের খেলোয়াড় সাজিদ।

এর আগে গত শুক্রবার বিকালে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন ফেনী উপত্যকা কাঠ ব্যবসায়ী বহুমুখী সমবায় সমিতির সভাপতি তৌহিদুল হক। করেরহাট ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল মন্নান জানুর সভাপতিত্বে ও টুনামেন্ট পরিচালনা কমিটির সদস্য আবদুল্লাহ আল মারুফের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিরসরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক কামরুল হোসেন। প্রধান বক্তা হিসেবে ছিলেন করেরহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য তাইফ উদ্দিন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা শ্রমিক লীগের সহ সভাপতি আবদুল কুদ্দুস, করেরহাট ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের ইপি সদস্য ও করেরহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক আশরাফ উদ্দিন ফারুক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মাহাফুজুর রহমান, ২ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মাঈন উদ্দিন , বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ মিরসরাই উপজেলা শাখার সহ সভাপতি আশিষ দাশ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শহাদাত হোসেন , আওয়ামী লীগ নেতা সরোয়ার। সাবেক ছাত্র নেতা মিজানুর রহমান ,যুবলীগ নেতা ইকবাল হোসেন প্রমুখ।

 

মিরসরাইয়ে এসএসসি ‘৯৭ ব্যাচের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

মিরসরাই সমিতি ওমানের উদ্যোগে ২ শতাধিক পরিবার পেল ঈদ উপহার

 

নিজস্ব প্রতিনিধি

মিরসরাই সমিতি ওমানের উদ্যোগে ২ শতাধিক পরিবার পেয়েছে ঈদ উপহার। রবিবার উপজেলার জোরারগঞ্জ ও মিঠানালা ইউনিয়নের হতদরিদ্র ২ শতাধিক পরিবার এই ঈদ উপহার পান। দুপুরে জোরারগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ঈদ উপহার বিতরনী অনুষ্ঠান মিরসরাই সমিতি ওমানের সভাপতি আবু নাছের রিয়াদ সিআইপির সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আতাউর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শ্যামল দেওয়ানজী। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মিরসরাই সমিতি ওমানের সহ-সভাপতি ইউনুছ আলী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন রনি।
এর আগে সকালে মিঠানালা ইউনিয়নের রহমতাবাদ গ্রামের রবিউল হোসেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ঈদ উপহার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মিঠানালা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এসএম আবু তাহের ভূঁইয়া, মিঠানালা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন প্রমুখ।
মিরসরাই সমিতি ওমানের সভাপতি আবু নাছের রিয়াদ সিআইপি বলেন, ২০১৭ সালে মিরসরাই সমিতি ওমান প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে নানা সামাজিক কর্মকান্ড অব্যাহত রেখেছে। তারই ধারাবাহিকতায় জোরারগঞ্জ ও মিঠানালা ইউনিয়নের ২ শতাধিক দরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে। আগামী দিনগুলোতেও এর ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।

 

এক মসজিদে ৫০ বছর খতমে তারাবির ইমামতি করছেন হাফেজ মাহফুজ

 

যেকোনো পেশা বা কাজে অর্ধশত বৎসর অতিক্রান্ত করা বিশেষ কিছু! এ মহেন্দ্রক্ষণকে উদযাপন করা হয় জাকজমকভাবে। তবে একই মসজিদে টানা অর্ধশত বৎসর খতমে তারাবি পড়ানোর এক ব্যতিক্রম ও অনন্য নজির গড়েছেন হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার একতিয়ারপুর গ্রামের হাফেজ মো: মাহফুজুর রহমান। আর এ মহেন্দ্রক্ষণকে তিনি উদযাপন করছেন আল্লাহর শুকরিয়া আদায়ের মাধ্যমে তাহাজ্জুদের নামাজে ১০ খতম কোরআন তেলাওয়াতের উদ্যোগ নিয়ে।

ব্যতিক্রম ঘটনাটি ঘটেছে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার শাহজীবাজার বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র মসজিদে।

হাফেজ মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘আমি সাত-আট বছর বয়সেই হাফেজ হই। মাধবপুর উপজেলার হরষপুর মাদরাসার হাফেজ নুরুজ্জামানের কাছে মাত্র দুই বছরে হিফজ শেষ করি। ওই সময় আমার মতো এত কম বয়সে কেউ হাফেজ হতে পারেননি। ৫০ বছর আগে শাহজিবাজার বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা খতমে তারাবি পড়ানোর জন্য হাফেজ নিয়োগের জন্য আমার মাদরাসায় আসেন। তখন আমিও সেখানে আবেদন করি। পরে প্রতিযোগিতা হলে আমার তেলাওয়াত শুনে সবাই আমাকে মনোনয়ন করেন তারাবি পড়ানোর জন্য।’

তিনি আরো বলেন, ‘ওই সময় খুব বেশি হাফেজ পাওয়া যেত না বলে মাত্র নয় বছর বয়সে খতমে তারাবি পড়ানোর জন্য চলে আসি বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড মসজিদে। তখন জেলা শহরের কয়েকটি মসজিদেই শুধু খতমে তারাবি হতো। হাফেজের সংখ্যা খুব বেশি না থাকায় অনেক উপজেলা সদরেও খতমে তারাবি হতো না। সেখানে বিচ্ছিন্ন এক এলাকায় খতমে তারাবি পড়ানো হবে শুনে আশপাশের শাহজিবাজার গ্যাস ফিল্ড, রাবার বাগান, বনবিভাগ ও লাল চান্দ চা বাগানের কর্মকর্তারাও ছুটে আসেন এই মসজিদে। টিনের তৈরি মসজিদে মুসল্লিদের তিল ধারণের ঠাঁই থাকত না। এখন সেখানে হয়েছে পাকা বিল্ডিং। এসিরও ব্যবস্থা আছে। আমি যে বয়সে খতমে তারাবি পড়ানো শুরু করি, তখন বয়স কম থাকায় নিয়মিত রোজা রাখাও সম্ভব হতো না। প্রথম বছর আমার তেলাওয়াত শুনে সবাই মুগ্ধ হন। পরে আর আমাকে কোনো ইন্টারভিউ দিতে হয়নি। অন্য অনেক মসজিদ থেকে আমন্ত্রণ এলেও এ মসজিদের সাথে যারাই জড়িত ছিলেন তারা আমাকে অন্য কোথাও যাওয়ার সুযোগ দিতেন না। অনেক কর্মকর্তা আর কর্মচারীরা বদলি হয়েছেন। কিন্তু আমাকে কেউ পরিবর্তন করার কথা চিন্তা করেননি। বরং এক বছর তারাবি শেষ হওয়ার সাথে সাথেই পরের বছরের জন্য নিশ্চিত করা হতো আমাকে।’

হাফেজ মাহফুজ বলেন, ‘টানা ৫০ বছর সুস্থ থেকে তারাবি পড়ানো আল্লাহর বিশেষ নিয়ামত। এই সময়ে আমাকে নিয়ে কেউ কোনো কথাও বলেনি। একবার এক মুসল্লি আমার বদলে অন্য হাফেজ নিয়োগের কথা বললে সেখানে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া হয়। পরে ওই মুসল্লিকে এখান থেকে বদলী করা হয়েছিল।’

তিনি বলেন, ‘একটানা ৪৮ বছর আমি একাই নামাজ পড়িয়েছি। এখনো একাই নামাজ পড়াতে সক্ষম। দু’বছর যাবত আমার সাথে আমার এক ছাত্রও নামাজ পড়াচ্ছেন। টানা ৫০তম খতমে তারাবি পড়াতে গিয়ে অনেক মানুষের সাথে পরিচয় হয়েছে। অনেক বড় বড় কর্মকর্তা এখানে নামাজ পড়েছেন। আমাকে সবচেয়ে বেশি মুগ্ধ করে, এই মসজিদে আমি তিন প্রজন্মকে তিলাওয়াত শুনাতে পেড়েছি। তাজুল ইসলাম নামে এক মুসল্লি শুরুর দিকে এখানে তারাবি পড়তেন। পরে তার ছেলে নজরুল ইসলামও এখানে নিয়মিত তারাবি পড়েন। এখন নজরুল ইসলামের ছেলে ফুয়াদও আসে তারাবিতে। তিন প্রজন্মকে মুসল্লি পাওয়া অত্যন্ত সৌভাগ্যের বিষয়। এখানকার মানুষ ও মুসল্লিরা আমাকে অনেক সম্মান করে। তাই আমি বার বার এখানে চলে আসি তারাবির নামাজ পড়ানোর জন্য। যত দিন তারা আমাকে বলবে, আল্লাহ আমাকে সুস্থ রাখলে এই মসজিদেই তারাবি পড়াব। অনেক বড় বড় মসজিদে আমাকে তারাবি পড়ানোর জন্য আমন্ত্রণ জানালেও এই মসজিদে প্রতি যে মায়া তার জন্য আমি সকল আমন্ত্রণ বিনয়ের সাথে প্রত্যাখ্যান করি। করোনার মহামারিতেও খতমে তারাবি অক্ষুন্ন রাখতে পাড়ায় আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞতার শেষ নেই।’

হাফেজ মাহফুজুর রহমান হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার একতিয়ারপুর গ্রামের মরহুম মকসুদ আলী মোল্লার ছেলে। তার চার ছেলে ও দুই মেয়ে। সবাই লেখাপড়া করছেন। তিনি ১৯৮২ সালে প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে সিলেট অঞ্চলের শ্রেষ্ঠ হাফেজ হন। ১৯৮৩ সালে জাতীয় পর্যায়েও পুরস্কৃত হন। যে মাদরাসা থেকে তিনি হাফেজ হয়েছেন সেই হরষপুর মাদরাসায় শিক্ষকতার মাধ্যমে তিনি কর্মজীবন শুরু করেন। এরপর মৌলভীবাজারের জামেয়া দ্বীনিয়া মাদরাসায় শিক্ষকতা করেন। পরে ঢাকার মনিপুরী পাড়া, নিকুঞ্জ ও যাত্রাবাড়ীতে বিভিন্ন মাদরাসায় শিক্ষকতা করেন। বর্তমানে তিনি ব্রাক্ষণবাড়িয়ার নবীগনর দারুছুন্নাহ মাদরাসায় হিফজ বিভাগের প্রধান হিসেবে কর্মরত আছেন।

হাফেজ মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘রমজান মাসে শুধু খতমে তারাবি পড়াই না। ৫০ বছর ধরে তাহাজ্জুদের নামাজে আরো তিন খতম করে খতম দিয়ে আসছি। এবার ৫০ বছরের শুকরিয়া আদায়ের জন্য তাহাজ্জুদে ১০ খতম দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছি। ইতোমধ্যে চার খতম শেষ হয়েছে। আল্লাহর রহমতে আমি কোনো প্রস্তুতি ছাড়াই যেকোনো মুহূর্তে এক বসায় নির্ভুলভাবে ৩০ পাড়া কুরআন মুখস্ত বলতে পারি। গত বছর রমজানের আগে আটজন হাফেজের সামনে এক বসায় ৩০ পাড়া পড়েছি। কেউ কোনো লুকমা দিতে পারেনি। বাংলাদেশে আমিই একমাত্র হাফেজ যে ওস্তাদের কাছে কুরআন শরীফের প্রথম আয়াত থেকে শেষ আয়াত শুনানোর পাশাপাশি শেষ আয়াত থেকে শুরু করে প্রথম আয়াত শুনাতে পেরেছি। যেকোনো দিক থেকেই আমি কুরআন খতম করতে পারি। আমি হাফেজ হওয়ার পর শিক্ষকতায় এসে শতাধিক হাফেজ সৃষ্টি করতে পেরেছি। আমার হাত দিয়ে সৃষ্টি হওয়া অনেক হাফেজ আজ দেশ বিদেশে সুনামের সাথে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। কোরআনের খেদমতের মাধ্যমেই বাকি জীবন অতিবাহিত করতে চাই।’

 

 

মিরসরাইয়ে রিদোয়ান কবির মেমোরিয়াল ট্রাস্টের ঈদ উপহার পেলো ১৪শ’ পরিবার

মিরসরাই প্রতিনিধি::
মিরসরাইয়ে এম রিদোয়ান কবির মেমোরিয়াল ট্রাস্টের ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে। রবিবার (৭ এপ্রিল) সদর ইউনিয়নের মিয়া সাবের বাড়িতে ১৪শ’ অসহায়-দুঃস্থ পরিবারের মাঝে এই ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়।

সকাল থেকে এম রিদোয়ান কবির মিয়াসাবের পিতা আলহাজ্ব মাস্টার শামছুল আলম, মরহুমের স্ত্রী ও সমাজসেবীকা রাশেদা আক্তার মুন্নী, মরহুমের ভাই মিরসরাই সদর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এমরান উদ্দিন, মিরসরাই সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলামের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়।

২০০৯ সালের ২ রমজান (২৪ আগষ্ট) সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান সমাজ সেবক, রাজনীতিবিদ মোহাম্মদ রিদোয়ান কবির মিয়াসাব। পরবর্তীতে তাঁর স্মৃতি রক্ষার্তে পরিবারের পক্ষ থেকে এম রিদোয়ান কবির মেমোরিয়াল ট্রাস্ট গঠন করা হয়। বছরব্যাপী বিশেষ দিনগুলোতে অসহায়-দুঃস্থ মানুষের মাঝে নগদ অর্থ, ইফতার সামগ্রী, ত্রান ও বিশেষ অনুদান দিয়ে থাকে এম রিদোয়ান কবির মেমোরিয়াল ট্রাস্ট।

ঈদ উপহার নিতে আসা খোরশেদ আলম বলেন, অনেক কষ্ট করে পরিবার নিয়ে বেচে আছি। এই বয়সে এসে কোনা কাজও করতে পারি না। সবসময় মিয়াসাবের বাড়ির বিভিন্ন উপহার নিয়ে চলি। তারা অর্থ দিয়েও সহযোগিতা করে।

উত্তর তালবাড়িয়া গ্রামের নুর জাহান বলেন, আমরা গরিব মানুষ কেউ আমাদের খবর রাখেনা। রিদোয়ান ভাইয়ের পরিবার সবসময় আমার খোঁজ খবর রাখে। তাদের জন্য আল্লাহর কাছে দুহাত ভরে দোয়া করি।

 

 

মিরসরাইয়ে নয়দুয়ারিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার ইফতার ও দোয়া মাহফিল

নিজস্ব প্রতিবেদক

মিরসরাইয়ের মসজিদিয়া ইউনুছিয়া ইসলামিয়া নয়দুয়ারিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার উদ্দ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৫ এপ্রিল) উপজেলার ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষা নয়দুয়ারিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার প্রাঙ্গণে এ ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজিত আলোচনা সভায় নুরানি কিন্ডারগার্টেন এর প্রধান শিক্ষক মাওলানা আবদুল ওহাবের সঞ্চালনায় ও মসজিদিয়া ইউনুছিয়া ইসলামিয়া নয়দুয়ারিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার মোতাওয়াল্লী আলহাজ্ব মনিরুল ইসলাম ইউসুফের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, এস্টেটের প্রধান উপদেষ্টা সাবেদুর রহমান সমু, বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ওয়াকফ প্রশাসন চট্টগ্রাম জোন এর পরিদর্শক , ডিএম খালিদ।  এতে এলাকার গণ্যমান্য  ব্যক্তি বর্গরা ও স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মিরসরাইয়ে আওয়ামী লীগ নেতা রুবেলের ঈদ উপহার বিতরণ

মিরসরাই প্রতিনিধি
মিরসরাইয়ে দলীয় নেতা-কর্মীসহ সবার মাঝে ঈদ উপহার হিসেবে পাঞ্জাবী বিতরণ করেছেন মিরসরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোজাম্মেল হোসেন রুবেল। শুক্রবার (৫ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার মিঠানালা ইউনিয়নে এসব ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে। ঈদ উপলক্ষে নতুন পাঞ্জাবী পেয়ে খুশী দলীয় নেতা-কর্মীরা।

জানা গেছে, তরুন রাজনীতিবিদ রুবেল দীর্ঘদিন ধরে মিঠানালা ইউনিয়নে সমাজকর্ম করে যাচ্ছেন। প্রচারবিমুখ এই মানুষটি অনেক অসহায় দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন।

মোজাম্মেল হোসেন রুবেল জানান, আমার প্রিয় নেতা সাবেক সফল মন্ত্রী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন ও মিরসরাইয়ের এমপি মাহবুব উর রহমান রুহেল ভাইয়ের পক্ষ থেকে আমার ইউনিয়নের দলীয় নেতা-কর্মী ও বিভিন্ন মানুষের মাঝে প্রায় ৪০০ ঈদ উপহার হিসেবে পাঞ্জাবী বিতরণ করেছি। আমার সামর্থ অনুযায়ী সব সময় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করছি। প্রিয় নেতার নির্দেশে ভবিষ্যতেও এমন কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।

 

 

মিরসরাইয়ে আওয়ামী লীগ নেতা সেলিমের উদ্যোগে অসহায়দের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

 

নিজস্ব প্রতিনিধি

মিরসরাই পৌর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ও পৌরবাজার কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক নুরুল আবছার সেলিমের উদ্যোগে দুস্থ, হতদরিদ্র, অসহায় ও প্রতিবন্ধি তিন শতাধিক মানুষের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে মিরসরাই পৌরসদরে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এসব ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তানভীর হোসেন চৌধুরী তপু। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন নুরুল আবছার সেলিম, সাংবাদিক মাহবুবুর রহমান পলাশ, সাংবাদিক এম মাঈন উদ্দিন।

ইফতার সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে চাউল ৫ কেজি, আলু ১ কেজি, পেঁয়াজ ৫০০ গ্রাম, লবণ ১ কেজি, চিরা ১ কেজি, ডাল ১ কেজি, চনাবুট ১ কেজি, তেল ৫শ গ্রাম ও মুড়ি ৫শ গ্রাম।

নুরুল আবছার সেলিম বলেন, প্রতি বছরের ন্যায় এবারও আমি পৌরসভা এলাকায় ব্যক্তিগত তহবিল থেকে আমার সামর্থ অনুযায়ী তিন শতাধিক হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছি। পর্যায়ক্রমে আরো ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হবে।

 

জোরারগঞ্জে জরিপ মোহাম্মদ সড়কের সংস্কার কাজের উদ্বোধন

 

নিজস্ব প্রতিনিধি

মিরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডে জরিপ মোহাম্মদ সড়কের চৌধুরীহাট থেকে চেয়ারম্যার রোড় পর্যন্ত সংস্কার কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার ( ১ এপ্রিল) কাজের শুভ উদ্বোধন করেন জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব রেজাউল করিম মাস্টার। এসময় উপস্থিত ছিলেন মিরসরাই উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক নাছির উদ্দিন দিদার, উপজেলা সহকারি প্রকৌশলী আমিনুল ইসলাম, ইউপি সদস্য ফারুক মালুম, মাঈন উদ্দিন ও শাহীনুর হোসেন শাহীন।

 

দুবাইয়ে মিরসরাই ইয়ুথ ফোরামের ইফতার ও দোয়া মাহফিল

মিরসরাই প্রতিনিধি
দুবাইয়ে মিরসরাইয়ের সন্তানদের নিয়ে গঠিত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মিরসরাই ইয়ুথ ফোরামের আয়োজনে এবং মোহাম্মদ জিয়া উদ্দিন সিআইপির পৃষ্টপোষকতায় ইফতার ও দোয়া মাহফিল রুচি রেস্টুরেন্টে সম্পন্ন হয়েছে। রোববার (৩১মার্চ) অনুষ্ঠিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ জিয়া উদ্দিন সিআইপি, মিরসরাই ইয়ুথ ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আরশাদ নূর, সহ সভাপতি সালা উদ্দিন, যুগ্ম সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম শামীম, সমাজ কল্যায়ন সম্পাদক হুমায়ন কবির, শাহপরান, মোহাম্মদ আলী, অর্থ সম্পাদক রেজাউল করিমসহ ফোরামের সদস্যগণ। ইফতার মাহফিলে মিরসরাই প্রবাসী সহযোদ্ধারা দুবাই, আল আইন, আবুধাবি, শারজাহ, আজমান রেক শহর থেকে এসে অংশগ্রহণ করেন।