বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Home Blog Page 635

মিরসরাই আসনে বিএনপির ধানের শীষে লড়বেন নুরুল আমিন

নিজস্ব প্রতিবেদক :

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মিরসরাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিনকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি। শুক্রবার (৭ ডিসেম্বর) গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেন। এরআগে রির্টানিং কর্মকর্তা কর্তৃক তার মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল করে বুধবার (৬ ডিসেম্বর) প্রার্থীতা ফিরে পান তিনি। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগ না করার কারণ দেখিয়ে গত ২ ডিসেম্বর নুরুল আমিনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল। মিরসরাই আসনে নুরুল আমিন ছাড়াও মনোনয়ন দেওয়া হয় আরো ২ জনকে। তারা হলো চট্টগ্রাম চেম্বারের সাবেক সভাপতি কামাল উদ্দিন আহম্মেদ এবং কেন্দ্রীয় মুক্তিযোদ্ধা দলের সহ-সভাপতি মনিরুল ইসলাম ইউসুফ।
চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণার পর অনুভূতি ব্যক্ত করে নুরুল আমিন বলেন, মিরসরাই আসনটি বিএনপির জন্য উর্বর। বিগত সময়গুলোতেও এই আসনে বিপুল ভোটে বিএনপির প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছিল। আমি আশা করছি লেভেল প্লেলিং ফিল্ড যদি থাকে আমি বিপুল ভোটের ব্যবধানে দলকে মিরসরাই আসন উপহার দিতে সক্ষম হবো

পালাতে হলো ‘লিটল মেসি’কেও

বিবিসি:

 

ফুটবল তারকা লিওনেল মেসির ভক্ত হিসেবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শোরগোল ফেলেছিল এক আফগান বালক। কিন্তু শেষপর্যন্ত প্রাণ বাঁচাতে দ্বিতীয়বারের মতো আফগানিস্তান নিজের বাড়ি ছেড়ে পালাতে হয়েছে সাত বছর বয়সী এই বালককে।

প্লাস্টিক ব্যাগ দিয়ে মেসির জার্সি বানিয়ে তা পরিধান করে মুরতাজা আহমাদীর ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিলো ২০১৬ সালে।

পরে কাতারে তার স্বপ্নের নায়কের সাথে সাক্ষাতও হয়েছিলো, যে ঘটনায় রীতিমত তারকা বনে গিয়েছিলো ছোটো মুরতাজা নিজেও। কিন্তু এখন তার পরিবারের সদস্যরা বলছেন তালেবানের ভয়ে ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাতে হয়েছে তাদের।

আফগানিস্তানের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলীয় গজনী প্রদেশে বসবাস করছিলো মুরতাজার পরিবার। কিন্তু পরিস্থিতি এমন হয়েছে যে তারা এখন পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছে কাবুলে। এর আগে ২০১৬ সালেও তারা পাকিস্তানে স্বল্পমেয়াদে শরণার্থী সুবিধা পেতে আবেদন করেছিলো। কিন্তু পরে অর্থ শেষ হয়ে পড়ায় দেশে ফিরে আসে তার পরিবার।

আর এবার পরিস্থিতি কেমন হয় সেটা এখনি কিছু বলা যাচ্ছে না।

আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসির মহাভক্ত এই মুরতাজা।

জার্সি কেনার সামর্থ্য নেই, তাই পলিথিন কেটে জার্সি বানিয়ে তার ওপর মেসির নাম ও জার্সি নাম্বার লিখে পরিধান করেছিলো মাত্র পাঁচ বছর বয়সে।

পরে সেই জার্সি পরা তার ছবি কেউ একজন পোস্ট করে সামাজিক মাধ্যমে। এরপর সেটি ভাইরাল হয়ে পড়ে আর লোকজনও তাকে ‘ছোটো মেসি’ ডাকতে শুরু করে। আর এ খবর পৌঁছায় লিওনেল মেসি পর্যন্ত। ইউনিসেফের মাধ্যমে তিনি নিজের স্বাক্ষর করা জার্সি পাঠান তাকে।

পরে বার্সা তারকা যখন ২০১৬ সালে দোহাতে যান প্রীতি ম্যাচ খেলতে তখন মুরতাজাকে মেসির সাথে সাক্ষাতের জন্য আমন্ত্রণ করা হয়।

সেখানে প্রিয় তারকার সাথে কিছুটা হাঁটার সুযোগও পায় এই বালক।
তালেবান হুমকি

মুরতাজার পরিবার বলছে এই বিখ্যাত হওয়ার কারণেই তালেবানের টার্গেটে পরিণত হয়েছে মুরতাজা।

তার মা শাফিকা বলছেন, “ওরা বলছে তোমরা ধনী হয়ে গেছো। মেসির কাছ থেকে যা টাকা পেয়েছো তা আমাদের দাও। নাইলে তোমার ছেলেকে নিয়ে যাবো”।

তিনি বলছেন বাড়ি থেকে আসার সময় তারা কিছুই সাথে নিতে পারেননি, এমনকি মেসির কাছ থেকে পাওয়া জার্সিটাও।

হঠাৎ প্রকাশ্যে এরশাদ – বাইরে যেতে দেয়া হচ্ছে না

ডেস্ক রিপোর্ট :

 

হাসপাতালের পোশাকেই দলের কার্যালয়ের সামনে হঠাৎ হাজির জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। নিজের গাড়িতে নয়, অন্য একটি গাড়িতে। গাড়ি থেকেই নেতাকর্মীদের উদ্দেশে কথা বললেন। জানালেন তাকে চিকিৎসা করতে দেয়া হচ্ছে না, বিদেশ যেতে দেয়া হচ্ছে না। তিনি বলেন, আমাকে কেউ দমিয়ে রাখতে পারবে না। আমি মৃত্যুকে ভয় পাই না। গতকাল দুপুরে জাতীয় পার্টির বনানী কার্যালয়ে একটি সভা চলছিল। এ সময় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল থেকে বাসায় যাওয়ার পথে এরশাদ থামেন দলীয় কার্যালয়ের সামনে।

কিছু নেতাকর্মী ও সংবাদকর্মী তাকে ঘিরে ধরলে তিনি কথা বলতে শুরু করেন। এরশাদ নিয়মিত যাতায়াত করেন প্রাডো গাড়িতে। গতকাল আসেন কালো রংয়ের অন্য একটি গাড়িতে। সাংবাদিকরা এগিয়ে আসলে তিনি গাড়ির জানালা খুলে কথা বলতে চান। তার পরনে ছিল খাকি রংয়ের হাসপাতালের পোশাক।

এরশাদ সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বললেও তার বক্তব্য ছিল নেতাকর্মীদের উদ্দেশে। তিনি বলেন, জাতীয় পার্টির নেতাকর্মী ভাইবোনেরা। আমরা অনেক অত্যাচার-অবিচার সহ্য করেছি। অনেক অনেক অত্যাচার-অবিচারের মধ্য দিয়েও জাতীয় পার্টি বেঁচে আছে। আজ আমি বলতে এসেছি, আমায় দমিয়ে কেউ রাখতে পারবে না। আমরা এগিয়ে যাবোই যাবো। আমার একটু বয়স হয়েছে। চিকিৎসা করতে দেবে না, বাইরে যেতে দেবে না। কিন্তু আমি মৃত্যুকে ভয় পাই না। আমি মরি আর বাঁচি জাতীয় পার্টি তোমাদের মধ্যে বেঁচে থাকবে- এই আশা করি। ইনশাআল্লাহ আমি মরবো না। আল্লাহ আমাকে সেই মেহেরবানি করবেন। যাতে করে জাতীয় পার্টির নেতৃত্ব আবার আমি দিতে পারি। আমাদের কোনো ভয় নেই। জাতীয় পার্টি চিরকাল নির্বাচন করছে, এবারও করবে। আমাদের নতুন মহাসচিব এসেছেন। পুরনো মহাসচিবকে ভালোবাসতাম। কিন্তু নতুন মহাসচিবকে তোমাদের ভালোবাসতে হবে। তাকে গাইড করতে হবে। উনি নতুন, যাতে করে সঠিক পথে চলতে পারে। আমি বেঁচে আছি, বেঁচে থাকবো ইনশাআল্লাহ। আমি পার্টিকে ভালোবাসি।

কি করি নাই এ পার্টির জন্য। ২৭ বছর ঘুরে বেড়িয়েছি আমি একলা। আমরা লক্ষ লক্ষ মাইল হেঁটেছি। পার্টিকে বাঁচিয়ে রেখেছি। এখন নির্ভর করছে তোমাদের ওপর। পার্টি তোমরা ছাড়বে না। সবাই জাতীয় পার্টিতে থাকবে। আমাকে প্রতিশ্রুতি দাও কেউ পার্টি ছাড়বে না। তোমরা ভালো থেকো, আমি খেতে যাইতেছি বাসায়, আবার ফিরে যাবো। আমার একটু ব্লাড শর্টেজ আছে, কোনো অসুবিধা নেই। তোমরা আমার সন্তান, এই সব আমার সন্তান, তোমরা বেঁচে থাকলে বাপও বেঁচে থাকবে।

পরবর্তীতে বনানী কার্যালয়ে আয়োজিত ‘সংবিধান সংরক্ষণ দিবসে’র আলোচনায় এরশাদ আবার বাসা থেকে ফোনে নেতাকর্মীদের উদ্দেশে কথা বলেন। এসময় তিনি বলেন, আমরা বড় কঠিন সময় পার করছি। সামনে আরো কঠিন সময় আসবে। দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তিনশ’ আসন কেউ পায় না। তিনশ’ আসনে মনোনয়ন না পেলে নিরুৎসাহিত হওয়ার কোনো কারণ নাই। পার্টির জন্য সবাইকে কাজ করতে হবে। জাপা থাকবে, জাপা আছে। আমাদের সুদিন আসবেই। এদিকে বেশকয়েক দিন পর পার্টি চেয়ারম্যান প্রকাশ্যে আসায় নেতাকর্মীরা তাকে ঘিরে স্লোগান দিতে থাকেন। তাকে কেনো চিকিৎসা করতে দেয়া হচ্ছে না- এটা নিয়ে স্লোগান তোলা হয়। এরশাদ পার্টি অফিসের সামনে থেকে প্রেসিডেন্ট পার্কের বাসায় যান। পরে তিনি আবার সিএমএইচে ফিরে যান বলে পার্টি সূত্র জানিয়েছে।

নেতারা বললেন ভিন্ন কথা: এরশাদ তার চিকিৎসায় বাধা আসার কথা জানালেও তার ভাই ও পার্টির কো-চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের তা অস্বীকার করে বলেছেন, উন্নত চিকিৎসায় তার কোনো বাধা নেই। এরশাদের চিকিৎসা নিয়ে ধূম্রজালের কোনো সুযোগ নেই। গতকাল রাজধানীর বনানীতে জাপা চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে ‘সংবিধান সংরক্ষণ দিবস’ উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করে। যেখানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাপার কো-চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের এবং অনুষ্ঠানটির সভাপতি ছিলেন নবনিযুক্ত মহাসচিব মশিউর রহমান রাঙ্গা।

এরশাদের অসুস্থতা নিয়ে গোলাম মোহাম্মদ কাদের বলেন, এরশাদ সাহেব একজন বয়স্ক রাজনীতিবিদ, ওনার বয়স হয়েছে। এই বয়সে স্বাভাবিক কারণেই শারীরিক অনেক সমস্যা দেখা যায়। ওনার সমস্যা হচ্ছে। তবে ডাক্তাররা যতটুকু মনে করেন দৌড়ঝাঁপ করা উচিত, তার চেয়ে বেশি করেন, যেটা ওনার শরীরের জন্য ক্ষতিকারক হতে পারে। ডাক্তাররা ওনাকে বাধানিষেধ দেন-এখানে যেতে পারবেন না, ওখানে যেতে পারবেন না। বসে থাকতে হবে, ঘুমাতে হবে। এমন বাধা তো আমরা থাকলেও আমাদের বলতেন চিকিৎসকরা। আবার তিনি এও বলেন, তার চিকিৎসায় বাধা আছে বা তিনি ভীষণ খারাপ অবস্থার মধ্যে আছেন, তাও কিন্তু নয়। তবে ওনি যে সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন, তাও নয়। এদিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এরশাদের সিঙ্গাপুর যাওয়া নিয়ে দল উৎকণ্ঠিত নয় বলেও উল্লেখ করেন জাপা কো-চেয়ারম্যান। তিনি জানান, ডাক্তাররা যদি বলেন, এখানে উন্নত চিকিৎসার সুযোগ রয়েছে, তাহলে কেন তাকে নিয়ে যাবো? তবে তারা যদি মনে করেন, চিকিৎসা তার যথেষ্ট নয়, ওনাকে সিঙ্গাপুরে নিয়ে যেতে হবে।

এরশাদের ঠিক কি কি রোগ রয়েছে, তা জানতে চাইলে গোলাম মোহাম্মদ কাদের বলেন, অসুখের ব্যাপার হলো পারসোনাল ব্যাপার। অসুখের ইনফরমেশন দিতে আমি বাধ্য নই। এটা আমি দেবো না। এটা কোনো দেশে কোনো হসপিটালে চাইলেও পাবেন না। এরশাদের সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা, তিনি যতটুকু সুস্থ থাকার কথা, ততটুকু আছেন।

তবে সম্পূর্ণ সুস্থ এটা বলা বোধহয় ঠিক হবে না। তবে এরশাদ দলীয় সব রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সংশ্লিষ্ট আছেন জানিয়ে জি এম কাদের বলেন, ওনার নির্দেশমতো পার্টি চলছে। পার্টি এখনো তার সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রাধীনে আছে। নির্বাচনের আগে কোনো মহলের নানা বিধিনিষেধ রয়েছে জানতে চাইলে এমন গুঞ্জনের জবাবও দেন এরশাদের ছোট ভাই কো-চেয়ারম্যান কাদের। তিনি বলেন, ক’দিন আগে দলে বড় রদবদল হয়েছে। তিনি দল পরিচালনা করছেন। তিনি নিয়ন্ত্রণে আছে, এটার কোনো কারণ নেই। এরকম একটা আশঙ্কা করতে পারেন, কারণ গতবার এমন একটা কথা রটেছিল।

এবার বিভ্রান্তির তেমন কোনো সুযোগ নেই। বিধিনিষেধ যদি থাকতো, তাহলে দলের রদবদল তো হলো, সেটা আর সম্ভব হতো না। এরশাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে যেতে পারেন, তবে তা ১০ তারিখের আগে নয় বলে জানিয়েছিলেন নতুন মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা। তবে গতকাল তিনি বলেন, নমিনেশন পেপার প্রত্যাহার হচ্ছে ৯ তারিখে। আমরাই ওনাকে বলছি, স্যার ৯ তারিখের পরে যান। অসুবিধার তো তেমন কিছু নাই। পার্টির প্রধান দেশের বাইরে থাকলে তো আমাদেরও খারাপ লাগে। যুব সংহতির মহাসচিব ফখরুল আহসান শাহজাদা বলেন, প্রতিটি নির্বাচন আসলে এরশাদকে থাকতে হয় ‘সিএমএইচে না হয় বাসায় অবরুদ্ধ’। দেশে আজ গণতন্ত্র নেই। বাকশালী শাসন যেখানে কায়েম হচ্ছে। সেখানে সাংবাদিকরাও কথা বলতে পারছে না। এ অবস্থার আমরা অবসান চাই। তিনি এরশাদকে স্বৈরাচার বলা নিয়ে গর্ববোধ করেন। বলেন, এখন যা হচ্ছে তাহলে এরশাদকে কীভাবে এটা বলি।

আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন- পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য নূর-ই হাসনা লিলি চৌধুরী, সুনীল শুভ রায়, এস.এম ফয়সল চিশতী, উপদেষ্টা- অ্যাড. রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ইকবাল হোসেন রাজু, যুগ্ম মহাসচিব গোলাম মোহাম্মদ রাজু, স্বেচ্ছাসেবক পার্টির সদস্য সচিব মো. বেলাল হোসেন, শ্রমিক পার্টির সভাপতি একেএম আশরাফুজ্জামান খান, ছাত্রসমাজের আহ্বায়ক মোড়ল জিয়া।

প্রার্থীতা ফিরে পেলেন বিএনপির যেসব প্রার্থী

ডেস্ক রির্পোট: 

রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করে বিএনপির মনোনয়নপ্রাপ্ত ৩৮ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।

নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল শুনানির প্রথম দিন বৃহস্পতিবার প্রার্থিতা ফিরে পান তারা।

প্রার্থীতা ফিরে পাওয়া বিএনপির প্রার্থীরা হলেন;
বগুড়া-৭ আসনের মোরশেদ মিল্টন, ঝিনাইদহ-১ আসনের মো. আব্দুল ওয়াহাব, ঢাকা-২০ আসনের তমিজ উদ্দিন, কিশোরগঞ্জ-২ আসনের আখতারুজ্জামান, পটুয়াখালী-৩ আসনের গোলাম মওলা রনি, ঝিনাইদহ-২ আসনের আব্দুল মজিদ, ঢাকা-১ আসনের খন্দকার আবু আশফাক, দিনাজপুর-৩ আসনের সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, জামালপুর-৪ আসনের ফরিদুল কবীর তালুকদার শামীম, পটুয়াখালী-৩ আসনের মো. শাহজাহান, সিলেট-৩ আসনের আব্দুল কাইয়ুম, জয়পুরহাট-১ আসনের ফজলুর রহমান, পাবনা-৩ আসনের মো. হাসাদুল ইসলাম, মানিকগঞ্জ-২ আসনের আবিদুর রহমান খান, সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের মো. আইনাল হক, খুলনা-৬ আসনের এসএ শফিকুল আলম, ময়মনসিংহ-৭ আসনের মো. জয়নাল আবেদীন, শেরপুর-২ আসনের একেএম মুখলেছুর রহমান, চট্টগ্রাম-১ আসনের নুরুল আমিন চেয়ারম্যান , কুমিল্লা-৫ আসনের মোহাম্মদ ইউনুস, চট্টগ্রাম-৩ আসনের মোস্তফা কামাল পাশা, গাইবান্ধা-৩ আসনের মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, ঢাকা-৫ আসনের মো. সেলিম ভূঁইয়া, কুমিল্লা-৩ আসনের মুজিবুল হক, মানিকগঞ্জ-১ আসনের মোহাম্মদ তোজাম্মেল হক, ময়মনসিংহ-৩ আসনের আহাম্মদ তায়েবুর রহমান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের আবু আসিফ, পঞ্চগড়-২ আসনের ফরহাদ হোসেন আজাদ, মানিকগঞ্জ-৩ আসনের মো. আতাউর রহমান, ঢাকা-১৪ আসনের সৈয়দ আবু বকর সিদ্দিক, কুড়িগ্রাম-৩ আসনের আব্দুল খালেক, রাজশাহী-১ আসনের মো. আমিনুল হক, দিনাজপুর-১ আসনের মো. হানিফ, চট্টগ্রাম-৮ আসনের এরশাদ উল্লাহ, সিরাজগঞ্জ-৫ আসনের আব্দুল্লাহ আল মামুন, নাটোর-৪ আসনের আব্দুল আজিজ, সিরাজগঞ্জ-৬ আসনের এমএ মুহিত ও সিরাজগঞ্জ-৫ আসনের মেজর(অব.) মঞ্জুর কাদের।

সরকারের সঙ্গে সখ্য, হেফাজতে অসন্তোষ

 

নিউজ ডেস্ক..

হেফাজতে ইসলামের আমিরসহ কেন্দ্রীয় নেতাদের একাংশের সঙ্গে সরকার ও আওয়ামী লীগের সখ্যকে কেন্দ্র করে কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক সংগঠনটির মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। সংগঠনের একটি অংশ সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতাকে পছন্দ করছে না। এ নিয়ে সাধারণ কর্মীদের ভেতরেও নানা প্রশ্ন ও ক্ষোভ রয়েছে।

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে হেফাজতের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ঘুরে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সংগঠনের ভেতরে অসন্তোষ তৈরি হলেও বিক্ষুব্ধ অংশ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এবং প্রচারপত্র ছেড়ে অরাজনৈতিক সংগঠন হেফাজতকে রক্ষার আহ্বান জানাচ্ছে। এরই মধ্যে পদত্যাগ করেছেন জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির মহিবুল্লাহ বাবুনগরী।

হেফাজতের কেন্দ্রীয় কমিটি ১৫১ সদস্যের। সংগঠনের আমির শাহ আহমদ শফী। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তাঁর সঙ্গে থাকা নেতাদের মধ্যে অন্যতম হলেন সংগঠনের প্রচার সম্পাদক আনাস মাদানী (আমিরের ছেলে), যুগ্ম মহাসচিব মঈনুদ্দীন রুহী ও মুফতি ফয়জুল্লাহ এবং ঢাকা মহানগর সেক্রেটারি আবুল হাসনাত আমিনী। তাঁদের সঙ্গে সংগঠনের বড় একটি অংশের নেতা–কর্মীদের দূরত্ব তৈরি হয়েছে।

ভেতরে-ভেতরে দুই পক্ষ আলাদাভাবে কাজ করলেও প্রবীণ আলেম আহমদ শফী সবার মুরব্বি হওয়ায় এখনো কেউ প্রকাশ্যে কিছু বলছেন না। এই অংশের অন্যতম নেতা নূর হোসাইন কাসেমী জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মহাসচিব। তাঁর দল বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০-দলীয় জোটের শরিক।

ফয়জুল্লাহ, আবুল হাসনাত আমিনী ও মঈনুদ্দীন রুহী প্রয়াত ফজলুল হক আমিনীর দল ইসলামী ঐক্যজোটের নেতা। তাঁরা আসন্ন সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আসন সমঝোতার চেষ্টা করেছিলেন। তিনজনই চট্টগ্রাম ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে নির্বাচন করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আসন নিয়ে বনিবনা হয়নি।

হেফাজতে ইসলামের পাঁচজন শীর্ষস্থানীয় নেতার সঙ্গে কথা হয় এই প্রতিবেদকের। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এসব নেতা বলেন, হেফাজতে ইসলামের সাধারণ নেতা-কর্মীরা চান, হেফাজত অরাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে থাকবে। তাঁদের ১৩ দফা দাবি বাস্তবায়ন না হলেও দুই বছর ধরে সংগঠনের কোনো কর্মসূচি নেই। উল্টো আওয়ামী লীগের সঙ্গে সখ্য গড়েছে নেতাদের একটা অংশ। এর বিনিময়ে হেফাজতের আমিরের ছেলে আনাস মাদানীসহ কয়েকজন নেতা সরকারের কাছ থেকে নানা ধরনের সহযোগিতা নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীরা বলছেন, বার্ধক্যজনিত কারণে হেফাজতের আমির ছেলে আনাসের ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। ঢাকায় শুকরানা মাহফিল না করার জন্য আমিরকে অনুরোধ করা হলেও আনাস মাদানীসহ অন্যরা সেটি আয়োজন করেন সরকারের সহযোগিতা নিয়ে। এ কারণে সংগঠনে বিভক্তি দেখা দিয়েছে।

এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন আনাস মাদানী। তিনি বলেন, হেফাজতে কোনো বিভক্তি নেই। সব অপপ্রচার। শুকরানা মাহফিলের পরে অনেক মাহফিলে আলেম-উলামারা ঐক্যবদ্ধ থাকার কথা জানিয়েছেন। বিরোধ থাকলে এটি হতো না।

সম্প্রতি হাটহাজারীতে সরেজমিনে গেলে হেফাজতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সংলগ্ন দোকানের সামনে শুন শহীদের ডাক শিরোনামে একটি প্রচারপত্র পাওয়া যায়। সেখানে বলা হয়েছে, ‘১৩ দফার কথা কেন বলা হয় না? হেফাজতের বিদ্রোহীদের না খুঁজে বিদ্রোহের কারণ খোঁজেন। কেন শুরার মাধ্যমে আমির নির্বাচন করা হচ্ছে না। কেন ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে আমিরের সখ্য। পাঁচ বছর আগে নেওয়া মহাসচিবের পাসপোর্ট কেন ফেরত দেওয়া হচ্ছে না।’ প্রচারপত্রের নিচে লেখা ‘৫ মে শহীদ পরিবার’। সেখানে আমিরের ছেলে আনাস মাদানীসহ কয়েকজন নেতাকে দোষারোপ করে হেফাজতকে রক্ষার আহ্বান জানানো হয়।

হেফাজতের নায়েবে আমির মুফতি ইজাহারুল ইসলাম চৌধুরী গত ২৪ নভেম্বর বলেন, আদর্শ থেকে সরে দাঁড়ানোয় হেফাজতে বিভক্তি তৈরি হয়েছে। তিনি আনাস মাদানী ও যুগ্ম মহাসচিব মঈনুদ্দীন রুহীসহ অনেকের বিরুদ্ধে সরকারের কাছ থেকে সুবিধা গ্রহণের অভিযোগ করেন।

এই বিষয়ে মঈনুদ্দীন রুহী বলেন, আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের সঙ্গে হেফাজতের আঁতাত হয়েছে, এমন অভিযোগ তাঁদের কানেও আসে। কিন্তু এসবের কোনো ভিত্তি নেই। তিনি দাবি করেন, হেফাজতের মধে৵ কোনো বিভক্তি নেই।

গত ১৯ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে কওমি মাদ্রাসার সর্বোচ্চ স্তর দাওরায়ে হাদিসকে স্নাতকোত্তর সমান স্বীকৃতি দিয়ে আইন পাস হয়। এরপর ১ অক্টোবর হাটহাজারী মাদ্রাসায় আল হাইয়াতুল উলইয়া লিল জামিয়াতুল কওমিয়া বাংলাদেশের ২০১৮ সালে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। ওই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে হেফাজতের আমির আহমদ শফী বলেছিলেন, ‘উনি (শেখ হাসিনা) এটা আমাকে এমনি মহব্বত করে দিয়েছেন। আমি আওয়ামী লীগ হই নাই। আপনাদের এ রকম কথাবার্তা ভুল। কথাবার্তা বলার সময় সত্য-মিথ্যা যাচাই-বাছাই করে বলবেন। কী করে বলেন, আমি আওয়ামী লীগ হয়ে গেছি। আমি আওয়ামী হলেও কোনো আপত্তি নেই। এ দলে এমন অনেক মানুষ আছেন, যাঁরা দীনকে ভালোবাসেন, আমাদের মাদ্রাসায় সাহায্য করেন।’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আহমদ শফীর এই বক্তব্য ছড়িয়ে পড়লে বিভ্রান্তিতে পড়েন হেফাজতের অনেক নেতা। নেতা-কর্মীদের অনেকে অনিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও ৪ নভেম্বর ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সংবর্ধনা (কওমি সনদের স্বীকৃতি দেওয়ায়) দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় হেফাজত। কিন্তু এই আয়োজন না করতে হেফাজতে ইসলামের ৬৮ জন নেতার সই করা একটি চিঠি গত অক্টোবরের শেষ দিকে আমিরকে দেওয়া হয়েছিল। সেখানে বলা হয়, সংবর্ধনা দিলে কওমি আলেমরা রাজনৈতিক দলের লেজুড়বৃত্তি হয়ে যাবেন। ক্ষুব্ধ হবে সাধারণ মানুষ। পরে সংবর্ধনার নাম পাল্টে ‘শুকরানা মাহফিল’ নামে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করা হয়।

শুকরানা মাহফিলে যাননি হেফাজতের মহাসচিব জুনাইদ বাবুনগরী, নায়েবে আমির নূর হোসাইন কাসেমী, মুফতি ইজাহারুল ইসলাম চৌধুরী ও তাজুল ইসলাম, যুগ্ম মহাসচিব ছলিম উল্লাহ ও মো. ইদ্রিস এবং সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক ইসলামাবাদীসহ অনেক শীর্ষস্থানীয় নেতা। ২ অক্টোবর সংগঠন থেকে পদত্যাগ করেন নায়েবে আমির মহিবুল্লাহ বাবুনগরী। পদত্যাগের কারণ জানতে চাইলে মহিবুল্লাহ বাবুনগরী বলেন, ‘যে উদ্দেশ্য নিয়ে হেফাজত গঠন করা হয়েছিল, তা থেকে দূরে সরে থাকার কারণে পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছি।’

২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাজধানীর শাহবাগে গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলন চলাকালে কথিত নাস্তিক ব্লগারদের শাস্তিসহ ১৩ দফা দাবিতে হঠাৎ সক্রিয় হয়ে ওঠে হেফাজতে ইসলাম। ওই বছরের ৫ মে ঢাকার ছয়টি প্রবেশমুখে অবরোধ কর্মসূচি শেষে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে অবস্থান নেন হেফাজতের বিপুলসংখ্যক কর্মী-সমর্থক। ওই দিন রাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানের মুখে হেফাজতের নেতা-কর্মীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। এ ঘটনায় রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে হেফাজতের ২২ কর্মীসহ ৩৯ জন নিহত হন বলে পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র জানায়। এ ঘটনায় পাঁচ জেলায় মোট ৮৩টি মামলা হয়। হেফাজতের আমির শাহ আহমদ শফীকে কোনো মামলাতেই আসামি করা হয়নি। মামলার আসামি হয়ে কারাগারে ছিলেন মহাসচিব জুনাইদ বাবুনগরী।

পাঁচ বছরের মাথায় হেফাজতের সঙ্গে সরকারের সুসম্পর্ক গড়ে ওঠা এবং সংগঠনে বিভক্তির বিষয়ে হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব জুনাইদ বাবুনগরী কিছু বলতে রাজি হননি। তিনি বলেন, ‘আমি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছি না।’

সূত্র প্রথম আলো

প্রার্থীতা ফিরে পেলেন বিএনপির নুরুল আমিন, উজ্জীবিত নেতা-কর্মীরা

মিরসরাই প্রতিনিধি
মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল করে প্রার্থীতা ফিরে পেয়েছেন মিরসরাই উপজেলা পরিষদের সদ্য পদত্যাগ করা চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থী নুরুল আমিন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদার নেতৃত্বাধীন কমিশন রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশন ভবনের দশম তলায় স্থাপিত এজলাসে আপিল শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার দেড়টায় তাঁর প্রার্থীতা বৈধ ঘোষণা করেছেন। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগ না করার কারণ দেখিয়ে গত ২ ডিসেম্বর নুরুল আমিনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল।
এদিকে নুরুল আমিন চেয়ারম্যানের মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ায় বিএনপি নেতা-কর্মীরা হতাশ হলেও প্রার্থীরা ফিরে পাওয়ায় পুনরায় উজ্জীবিত হয়েছে। তাদের দাবী বিএনপির দূর্দিনে মাঠে ছিলেন নুরুল আমিন চেয়ারম্যান। তাঁর জনপ্রিয়তার পাশপাশি বিশাল কর্মী বাহিনী রয়েছে। তিনি ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফের সাথে ফাইট করতে পারবেন। অন্য প্রার্থীদের গত দশ বছরে মাঠে দেখা যায়নি। তারা নেতা-কর্মীদের ভালো করে চেনেন না। তাদেরও তৃণমূলের অনেকে চেনেন না।
উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক গাজী নিজাম উদ্দিন বলেন, ২৭ নভেম্বর উপজেলা চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগের নির্দেশ আসার পর নুরুল আমিন পদত্যাগের জন্য জেলা রিটানিং কর্মকর্তা ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়ে আবেদন করেছেন। তাঁর রিসিভ কপি আমরা দেখিয়েছে। কিন্তু মন্ত্রনালয় থেকে কোন চিঠি না দেখাতে পারার অজুহাতে মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনে আপিল করার পর প্রার্থীতা ফিরে পাওয়ায় আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি।

বিচারকদের মাহবুব তালুকদার কালো নির্বাচন নয়, স্বচ্ছ, সাদা নির্বাচন করতে চাই

 

ডেস্ক রিপোর্ট :

নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার বলেছেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার একমাত্র উপায় অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। নির্বাচন আইনানুগ না হলে সে নির্বাচন কালো নির্বাচন। আমরা কালো নির্বাচন নয়, স্বচ্ছ, সাদা নির্বাচন করতে চাই। গতকাল ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি কমিটির সদস্যদের উদ্দেশ্যে এসব কথা বলেন তিনি। মাহবুব তালুকদার বলেন, সবার প্রতি সমআচরণ করতে হবে। আইনের চোখে যেন সবাই সমান থাকে। সবাই সমান অধিকার ভোগ করছে কিনা সেটাই বিবেচনার বিষয়।

সকল আইন প্রয়োগ হচ্ছে কিনা আপনারা সেটা খেয়াল রাখবেন।

নির্বাচনের অনিয়ম রোধে ও আইনসিদ্ধ করার ব্যাপারে বিচারকরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা নিতে গেলে সতর্কতা থাকতে হবে। সর্বোচ্চ সাজার বিষয়ে লিগ্যাল মাইন্ডকে প্রাধান্য দিয়ে বিবেচনায় রাখতে হবে, কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন সাজা না পায়। স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সবার সঙ্গে সমন্বয় করে নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করার আহ্বান জানান মাহবুব তালুকদার। বলেন, আমরা ভাগ্যবান যে, আমরা একটি অংশমূলক নির্বাচন করতে যাচ্ছি। অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনে সাধারণত নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হয়।

প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনে এক পক্ষের আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা সফল হয় না। আমি মনে করি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনে পক্ষে-বিপক্ষে ভারসাম্য থাকে। কমিশন ও সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সোনালী ইতিহাস রচিত হতে যাচ্ছে। নিরপেক্ষ, পক্ষপাতমুক্ত নির্বাচন গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। গণতন্ত্র নিত্যদিনের অনুপ্রেরণা। মাঠ পর্যায়ের অনিয়ম ও আচরণবিধি লঙ্ঘন রোধে এবং নির্বাচনী কর্তব্য পালনে সদা সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তিনি। মাহবুব তালুকদার বলেন, আপনারা বিচারকরা আমাদের নির্বাচন কমিশনের শপথের অংশীদার। কমিশনারদের শপথ আপনাদের মাঝে সঞ্চারিত হয়েছে। পুরো জাতির প্রত্যাশা পূরণে দায়িত্ব পালনে অগ্রণী ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও ৩০ লাখ শহীদের কথা স্মরণ করে মাহবুব তালুকদার বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে একটি সুখী ও সুন্দর বাংলাদেশের স্বপ্ন পূরণ হবে। তাই আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও সবার প্রতি সমান প্রয়োগের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় শহীদদের রক্তের ঋণ পরিশোধে বিচারকদের প্রতি আহ্বান জানান মাহবুব তালুকদার।

প্রশিক্ষণে আরেক কমিশনার রফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা একটি আইনানুগ নির্বাচন করতে চাই। নির্বাচনী তদন্ত কমিটির সদস্যদের সকলের সক্রিয় অংশগ্রহণ অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনে কাজটি সহজ করে দেবে। কমিশনার কবিতা খানম বলেন, নির্বাচনের সুষ্ঠু ও আস্থার পরিবেশ তৈরিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসন শুধু নয়, নির্বাচনী তদন্ত কমিটির সদস্যদেরও ভূমিকা রাখতে হবে। দৃশ্যমানভাবে দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট থাকবেন। সব ধরনের রাগ অনুরাগের ঊর্ধ্বে উঠে, বিচারিক দায়িত্ব পালনের মতো করেই সুষ্ঠু-অবাধ নির্বাচন অনুষ্ঠান আপনাদের দায়িত্ব।

কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী বলেন, এবারের নির্বাচন বৈচিত্র্যপূর্ণ নির্বাচন। সংসদ বহাল রেখে, সরকার অপরিবর্তনীয় আছে এমন অবস্থায়ই নির্বাচন হতে যাচ্ছে। যেহেতু এ নির্বাচন সকল দলের অংশগ্রহণে হতে যাচ্ছে, আগের যেকোনো সময়ের নির্বাচনের চেয়ে আইনের বিষয়ে অধিক গুরুত্ব দিতে হবে। নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ জানান, ১০ই ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের প্রচারণা শুরু হবে। ওই দিন থেকে নির্বাচনী তদন্ত কমিটির সদস্যদের আরো সক্রিয় ভূমিকা পালনের নির্দেশ দেন তিনি। ইভিএমের বিষয়ে বিশদ ধারণা নিতে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করা বিচারকদের পরামর্শ দেন নির্বাচন কমিশন সচিব। নির্বাচনী তদন্ত কমিটির প্রশিক্ষণ শেষে ১০-১১ই ডিসেম্বর ৬৪০ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।

ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে লড়বে ১১ নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল

ডেস্ক রিপোট :

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে লড়বে ১১টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল।

বুধবার বিকালে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিএনপি।

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলালের নেতৃত্বে আজ দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত ওই চিঠি ইসিতে পৌঁছে দেওয়া হয়।

চিঠিতে ইসিকে উদ্দেশ্য করে লেখা হয়, গত ১১ নভেম্বর দেওয়া চিঠিতে মোট ৮টি দল ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করবে বলে আপনাদের জানানো হয়েছিল। তবে ইতিমধ্যে আরও তিনটি দল এই ৮ দলের সঙ্গে যৌথভাবে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করবে বলে সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বিষয়টি আপনাদের (ইসি) অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো।

চিঠিতে দলীয় নিবন্ধন নম্বরসহ এই ১১টি দলের তালিকা উল্লেখ করা হয়। তালিকায় বিএনপির পরে গণফোরাম, জেএসডি, বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি- বিজেপি, খেলাফত মজলিস, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি, জাগপা, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ-এর নাম উল্লেখ করা হয়।

১৫০ আসনে বিএনপির একক প্রার্থী তালিকায় থাকছেন যারা

নিউজ ডেস্ক :

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৫০ আসনে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে বিএনপি। তাদের আজ থেকে অনানুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দেয়া হতে পারে।

২০-দলীয় জোট ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে বিএনপির আসন বণ্টন চূড়ান্ত হওয়ার পর বাকিদের চিঠি দেয়া হবে।

৯ ডিসেম্বর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন হওয়ায় ৮ তারিখের মধ্যেই বিএনপিকে ৩০০ আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করতে হবে। ৮ তারিখের মধ্যেই চূড়ান্ত প্রার্থীদের আনুষ্ঠানিক চিঠি দেবে বিএনপি।

রাজধানীর গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে চূড়ান্ত হওয়া ১৫০ আসনে বিএনপির প্রার্থীদের চিঠি দেয়া হবে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক সদস্য মঙ্গলবার রাতে যুগান্তরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, অন্তত ১৫০ আসনে একক প্রার্থীর তালিকা করা হয়েছে। ২০ দল ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শরিকরা যেসব আসন চেয়েছে, এ তালিকায় সেসব আসন নেই।

একাদশ সংসদ নির্বাচনে একক প্রার্থীকে মনোনয়ন না দিয়ে অধিকাংশ আসনেই একাধিক মনোনয়নপত্র দেয় বিএনপি।কোনো কোনো আসনে ৩ থেকে ৪জনও রয়েছেন।সর্বোচ্চ ৯জনকেও একটি আসনে মনোনয়ন দেয় বিএনপি।

‘কৌশলগত কারণে’ প্রায় প্রতিটি আসনে বিকল্প প্রার্থী দেয় বিএনপি।

মামলা, ঋণখেলাপি ও তথ্যগত জটিলতার কারণে অনেকের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়ে গেছে।

যাচাই বাছাইয়ের পর এখনও বিএনপির ৫৫৫ জন প্রার্থী রয়েছেন।রয়েছেন ২০ দল ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীও।

এমতাবস্থায় বিএনপির নীতিনির্ধারকরা প্রার্থী যাচাই-বাছাই করে অন্তত ১৫০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে। লন্ডনে চিকিৎসাধীন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সিদ্ধান্তেই এগুলো চূড়ান্ত করা হয়।

এদিকে মনোনয়ন বাতিল হওয়া নেতারা প্রার্থিতা ফিরে পেতে ইতিমধ্যে ইসিতে আপিলও করেছেন।

মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীরা নির্বাচন কমিশনে উত্তীর্ণ হওয়ার পর জনপ্রিয় ও যোগ্যতা বিবেচনায় বাকি দেড়শ’ আসনে ৮ ডিসেম্বর একক প্রার্থীকে চিঠি দেবে বিএনপি।

এ ছাড়া ২০-দলীয় জোটের শরিকদের আসন বণ্টন মোটামুটি চূড়ান্ত হয়েছে। তবে আরেক জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শরিকদের সঙ্গে এখনও আসন বণ্টন চূড়ান্ত করতে পারেনি দলটি।

তবে ৮ ডিসেম্বরের মধ্যেই দল, জোট ও ফ্রন্টের ধানের শীষের একক প্রার্থী তালিকার চিঠি দেয়া হবে। তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ৯ ডিসেম্বর।

বিধি অনুযায়ী বিএনপি রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে চিঠি দিয়ে যাকে দলীয় প্রতীক বরাদ্দ দেয়ার কথা বলবে, সেই হবে বিএনপি বা জোটের প্রার্থী।

বাকিরা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই নির্বাচন করা থেকে বাদ পড়বেন। ১০ ডিসেম্বর সারা দেশে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে।

সূত্র জানায়, দলের একক প্রার্থী ঘোষণা করতে গত দুদিন বিএনপির নীতিনির্ধারকরা গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বৈঠক করেন।

বৈঠকে কোন কোন আসনে একক প্রার্থী ঘোষণা করা যায়, তার তালিকা চূড়ান্ত করা হয়। আজ থেকে চূড়ান্ত হওয়া একক প্রার্থীদের অনানুষ্ঠানিক চিঠি দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

যেসব আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত

বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, কিছু কিছু আসনে বিএনপি একক প্রার্থীকেই মনোনয়ন দিয়েছে।যেসব আসনে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য রয়েছেন সেগুলোর বেশিরভাগেই একক প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি।ওই সব আসন প্রার্থী চূড়ান্ত।

এছাড়া দলের বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট নেতা রয়েছেন যারা নির্বাচনে জয়ী হওয়ার বিষয়ে হাইকমান্ড আশাবাদী তাদেরকেও চূড়ান্ত তালিকায় রাখা হয়েছে।

কোনো কোনো আসনে বিএনপির প্রার্থী টানা কয়েকবার জয়ী হয়েছেন। এখনও প্রার্থী ইমেজ অক্ষুন্ন রেখেছেন তাদেরকে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে।

বিএনপি সূত্রে জানা গেছে একক প্রার্থী চূড়ান্তের তালিকায় থাকছেন- ঠাকুরগাঁও-১ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, কুমিল্লা-২ ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, নোয়াখালী-৫ ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, নরসিংদী-২ ড. আবদুল মঈন খান, ঢাকা-৩ গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ঢাকা-৮ মির্জা আব্বাস, চট্টগ্রাম-১১ আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১০ আবদুল্লাহ আল নোমান, সিরাজগঞ্জ-২ ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু/ রুমানা মাহমুদ, ভোলা-৩ মেজর (অব.) এম হাফিজউদ্দিন আহমেদ, ঢাকা-২ ইরফান আমান, নোয়াখালী-৩ বরকতউল্লাহ বুলু, নোয়াখালী-৪ মো. শাহজাহান, লক্ষ্মীপুর-৩ শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, কক্সবাজার-১ হাসিনা আহমেদ, মুন্সীগঞ্জ-১ শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, মুন্সীগঞ্জ-২ মিজানুর রহমান সিনহা, নরসিংদী-১ খায়রুল কবির খোকন, বরিশাল-৫ মজিবর রহমান সারোয়ার প্রমুখ।

একক প্রার্থী হিসেবে আরও যারা থাকছেন-নোয়াখালী-১ আসনে ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, নোয়াখালী-২ জয়নুল আবদীন ফারুক, নোয়াখালী-৬ ফজলুল আজিম, লক্ষ্মীপুর-২ আবুল খায়ের ভূঁইয়া, লক্ষ্মীপুর-৩ শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, চট্টগ্রাম-৯ ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম-১৬ জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, কক্সবাজার-১ হাসিনা আহমেদ, মৌলভীবাজার-৩ নাসের রহমান, সিলেট-২ তাহমিনা রুশদীর লুনা, পঞ্চগড়-১ ব্যারিস্টার নওশাদ জমির, লালমনিরহাট-৩ আসাদুল হাবিব দুলু, রাজশাহী-২ মিজানুর রহমান মিনু, নাটোর-২ সাবিনা ইয়াসমিন ছবি, ঝালকাঠি-১ ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, ময়মনসিংহ-১ এমরান সালেহ প্রিন্স, মেহেরপুর-১ মাসুদ অরুণ, চুয়াডাঙ্গা-১ শামসুজ্জামান দুদু, যশোর-৩ অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, মাগুরা-২ নিতাই রায় চৌধুরী, কিশোরগঞ্জ-৬ শরীফুল আলম, খুলনা- ২ নজরুল ইসলাম মঞ্জু, খুলনা-৪ আজিজুল বারী হেলাল, পটুয়াখালী-১ আলতাফ হোসেন চৌধুরী, পটুয়াখালী-৪ এবিএম মোশাররফ হোসেন, গাজীপুর-৫ ফজলুল হক মিলন, গাজীপুর-১ চৌধুরী তানভীর আহমেদ সিদ্দিকী, ফরিদপুর-২ শ্যামা ওবায়েদ, ফরিদপুর-৩ চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ প্রমুখ।

বৃটিশ নাগরিকদের বাংলাদেশ ভ্রমণে সতর্কতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: 

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১০ই ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিক ক্যাম্পেইন শুরুর দিনকে সামনে রেখে বৃটিশ নাগরিকদের বাংলাদেশ ভ্রমণে সতর্ক করেছে বৃটেন। বৃটিশ ফরেন অফিসের জারি করা এক সতর্কবার্তায় (৪ঠা ডিসেম্বর) বলা হয়েছে, বাংলাদেশে আগামী ৩০শে ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ঘোষিত তফসিল মতে, ১০ই ডিসেম্বর থেকে আনুষ্ঠানিক ক্যাম্পেইন শুরু হবে। ওই সময়ে রাজনৈতিক সভা-সমাবেশ থেকে যে কোন ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়ারসমূহ আশঙ্কা রয়েছে। এই অবস্থায় বাংলাদেশে ভ্রমণকারী বৃটিশ নাগরিকদের রাজনৈতিক সভা-সমাবেশ এবং বড় জনসমাগম এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।