বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Home Blog Page 636

ভিকারুননিসার বাইরে অরিত্রির বন্ধুদের অবস্থান

নিজস্ব প্রতিবেদক:  

 

শিক্ষার্থী অরিত্রি অধিকারীকে ‘আত্মহত্যায় প্ররোচনা’ দেয়ার প্রতিবাদের দ্বিতীয় দিনের মতো রাস্তায় অবস্থান নিয়েছে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্রীরা। আজ সকাল পৌনে ১০টার দিকে সহপাঠীর আত্মহত্যার প্ররোচনাকারীদের গ্রেপ্তার ও ও বিচার দাবিতে বেইলি রোড শাখার গেটের বাইরে বসে পড়ে তারা।

ভিকারুননিসা ক্যাম্পাস ও বাইরের সড়কে ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিজ’ (ন্যায় বিচার চাই) স্লোগান দিচ্ছে তারা। এছাড়া নানা ধরনের প্রতিবাদী প্ল্যাকার্ড তৈরি করে তা প্রদর্শন করছে শিক্ষার্থীরা। এদিকে গতকাল মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা আজকের পরীক্ষা বর্জনের সিদ্ধান্ত নিলেও এখনো সে বিষয়ে কারও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। দুপুর সাড়ে ১২টায় পরীক্ষা হওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে গত সোমবার দুপুরে রাজধানীর শান্তিনগরের নিজ বাসায় ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেয় অরিত্রি। মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওই ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর পল্টন থানায় ‘আত্মহত্যার প্ররোচনাকারী’ হিসেবে তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন অরিত্রির বাবা। মামলার আসামিরা হলেন- অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌস, প্রভাতী শাখার প্রধান জিনাত আক্তার ও শ্রেণি শিক্ষিকা হাসনা হেনা।

চট্টগ্রাম মিডিয়া ক্লাব কর্তৃক সম্মাননা প্রদান

 

নিজস্ব প্রতিনিধি

উপমশের দেশের কাকাবাবুর শহরে ,স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শহরে,স্বাধীনতা ঘোষণার শহরে ব্রিটিশ বিরোধী বিপ্লবের শহরে আমাদের দেশ আমাদের ভাষা আমাদের সংস্কৃতি আমাদের অহংকার এই গৌরবে হোটেল ল্যান্ডমার্কে জালাল ভূঁইয়া ফাউন্ডেশন এর সহযোগিতায় চট্টগ্রাম মিডিয়া ক্লাবের আয়োজনে আনজুডিস ক্রিয়েশন এন্ড কমিউনিকেশন এর তত্ত্বাবধানে এ কে এম সামশুজ্জামান ভূঁইয়া সোহেলের সভাপতিত্বে মডেল ও অভিনেত্রী আইরিন তানি র উপস্থাপনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেশের অন্যতম কৃতিসন্তান লেফটেন্যান্ট জেল (অবঃ) ড. চৌধুরী হাসান সরোয়ার্দি বীরবিক্রম SBP ,PSB ,ndc ,PSc উদ্বোধক হিসেবে ছিলেন তিন প্রজম্মের নাট্যসংগঠক ও নাট্যকার রবিউল আলম l
অনুষ্ঠানে সন্দ্বীপের কৃতিসন্তান হিসেবে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সংস্কৃতির সকল শাখার সকলে মিলে লেঃ জেঃ (অবঃ) ড.চৌধুরী হাসান সরোয়ার্দি বীরবিক্রম SBP ,PSB ,ndc PSc, কে নাগরিক সংবর্ধনা প্রদান করেন উপমহাদেশে প্রথম মূলধারার সংস্কৃতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই অ্যাওয়ার্ড যথারীতি অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে এবার অ্যাওয়ার্ড পেলেন মুজফফর আহমদ ( মরণোত্তর ) শ্রেষ্ঠ সংগঠক হিসেবে তার পরিবারের সদস্য মোশারফ হোসেন এটি গ্রহণ করেন , সেরা সংগঠন হিসেবে ভাষা শহীদ আব্দুস সালাম স্মৃতি পরিষদ এর পক্ষে গ্রহণ করেন সংগঠনটির সভাপতি ফেনী জেলার শীর্ষ পত্রিকা দৈনিক ফেনীর সময় পত্রিকারাদক ও প্রকাশক শাহাদাত হোসাইন , সেরা উন্নয়ন সংগঠক হিসেবে ফারজানা ব্রাউনিয়া , সেরা বাচিক শিল্পী হিসেবে বদরুল আহসান খান , সেরা নৃত্য শিল্পী হিসেবে শারমিন হুসেন , সেরা বিনোদন সাংবাদিক হিসেবে হামিদ মোহাম্মদ জসিম , সেরা সৃজনশীল সাংবাদিক হিসেবে রিমন মাহফুজ , সেরা মূকাভিনয় শিল্পী ও নির্দেশক হিসেবে নাদেজদা ফারজানা , সেরা নাট্য পরিচালক (মচ ) শিশির দত্ত তার পক্ষে গ্রহণ করেন মিসেস শিশির দত্ত , সেরা সংগীত শিল্পী ,গীতিকার হিসেবে সান্তনু বিশ্বাস তার পক্ষে গ্রহণ করেন তার মিসেস শুভ্রা বিশ্বাস , সেরা চলচ্চিত্র পরিচালক ( মরণোত্তর ) মোস্তফা মেহমুদ এর পক্ষে পরিবারের পক্ষে কাইয়ুম , সেরা নাট্য পরিচালক ( টিভি ) শাখাওয়াত শিবলী , সেরা সাংস্কৃতিক সংগঠক ও নাট্যকার কানাই চক্রবর্তী , সেরা আলোকচিত্র শিল্পী হিসেবে মউদুদুল আলম
সেরা ভাষা বিজ্ঞানী ও নাট্যকার ড.রাজীব হুমায়ুন , সেরা শিক্ষক হিসেবে জসিম উদ্দিন সরকার এবং চট্টগ্রাম মিডিয়া ক্লাব প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড দিদারুল আলম প্রকাশ গায়ক রফিক তার পক্ষে বড় সন্তান বিপ্লব গ্রহণ করেন
অনুষ্ঠানে নৃত্য পরিবেশন করেন রিয়া দাস চায়নার দল নৃত্য নিকেতন , আবৃত্তি করেন ত্রিতরঙ্গের কর্ণধার দেবাশীষ রুদ্র , সংগীত পরিবেশন করেন রাহাত , ফারজানা ব্রাউনিয়া , হাসান সারোয়ার্দি ও মামুন
মনোচিকিৎসায় মঞ্চ নাটকের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন নাট্যধার প্রধান মোস্তফা কামাল যাত্রা , নৃত্যের চট্টগ্রাম নিয়ে কথা বলেন চট্টগ্রাম নৃত্য শিল্পী সংস্থার সাধারণ সম্পাদক সঞ্চিতা দত্ত , কবি ইমরোজ সোহেলের লিখা কবিতা আবৃত্তি করেন বদরুল আহসান খান , উপস্থিত ছিলেন বাউল শিল্পী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ( অবঃ) শাহিদুল আলম , প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার পাইলট প্রকল্প ক্যাপিটাল ড্রেজিং সংশ্লিষ্ট কোম্পানি এশিয়ান ড্রেজার এর পরামর্শক সত্তর দশকের কবি ইমরোজ সোহেল , মেজর (,অব:) আব্দুল শাহিদ কায়সার , প্রফেসর ডা. কাজী রফিকুল হক পিএইচডি , সাবেক উপসচিব সুলেখক আব্দুর রহিম , সাবেক এআইজি শাহনেওয়াজ আলম, সহকারী এটর্নি জেনারেল শামীম আহসান , চট্টগ্রামস্থ বৃহত্তর ফরিদপুর জনকল্যাণ সমিতির সভাপতি বেলায়েত হোসেন , ঝিনাইদেহ লেখক পরিষদ সভাপতি আকরাম হোসেন ,চট্টগ্রাম গ্রূপ থিয়েটার ফোরাম সভাপতি খালেদ হেলাল , বরিশাল ব্যবসায়ী কল্যাণ সভাপতি সাহেদুর করিম , চট্টগ্রাম সৃজনশীল প্রকাশনা পরিষদ সভাপতি ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সিনেট সদস্য শাহ আলম নিপু , চট্টগ্রাম শিল্পকলা একাডেমির সহ সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির , থিয়েটার ওয়ার্কশপ সভাপতি তাপস শেখর , বিস্তার ট্রাস্টি আলম খোরশেদ , নৃত্যশিল্পী গার্গী মজুমদার , স্বপন বড়ুয়া , স্বপন দাস , শাওন , গরীবে নেওয়াজ উচ্চ বিদ্যালয়ে র প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম , গভর্নিং বডির পক্ষে সফিকুল আলম , ফ্যাশন ডিজাইনার আইভি হাসান , ওমেন চেম্বার সিনিয়র এক্সেকিউটিভ মেম্বার , সরকারি উর্ধতন কর্মকর্তা , লেখক মোহাম্মদ আলী মনসুর , মুজফফর লালমোহন সেন ট্রাস্ট এর চেয়ারম্যান মাস্টার ফিরোজ এবং চট্টগ্রামের সিনিয়র সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব l ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দৃঢ় অনলাইন এক্টিভিস্ট তরুণ মাইনুল ইসলাম ডিউক ও কে ফোর্স অফিসিয়াল এর উদ্যোমী তরুণ
প্রত্যেকেই গর্ব করে বলেন আমাদের দেশ আমাদের ভাষা আমাদের সংস্কৃতি আমাদের অহংকার

এবারের নির্বাচনে সর্বকনিষ্ঠ প্রার্থী বিএনপির সানসিলা

নিজস্ব প্রতিবেদক :

 

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সর্বকনিষ্ঠ প্রার্থী হয়েছেন শেরপুর-১ (সদর) আসনে। এই আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ডা. সানসিলা জেবরিন।

তিনি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হযরত আলীর মেয়ে।
এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নির্বাচন সংক্রান্ত কাগজপত্র পর্যবেক্ষণ করে জানা যায়, ডা. সানসিলার জন্ম ১৯৯৩ সালের ২২ জুন। সে হিসেবে তার বয়স ২৫ বছর। এবারের নির্বাচনে বয়সের দিক থেকে তিনিই সর্বকনিষ্ঠ।

ডা. সানসিলা ২০০৮ সালে এসএসসি পাশ করেন। এইচএসসি পাশ করেন ২০১০ সালে। আর এমবিবিএস পাশ করেন ২০১৬ সালে।

এ আসনে গত ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত বিএনপি থেকে চারজনের মনোনয়নপত্র দাখিল করা হলেও তিনজনেরই বাতিল হয়েছে।

জেলা রিটার্নিং অফিসারের মিডিয়া সেল থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হযরত আলী বাংলাদেশ ব্যাংকের সিআইবি প্রতিবেদনে ঋণখেলাপি এবং অপর দুই প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মাসুদ ও ফজলুল কাদের দলীয় মনোনয়ন না থাকায় বিএনপি থেকে প্রার্থী হতে পারবেন না।

এদিকে হযরত আলী কারাগারে থাকায় তফসিল ঘোষণার পর থেকেই মাঠে সরব হয়েছে হযরত আলীর পরিবার ও তার দল বিএনপি।
১৪টি ইউনিয়নের বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাদের সাথে চলছে নিয়মিত আলোচনা। জোটের স্বার্থে বিগত চারটি জাতীয় নির্বাচনে শেরপুর-১ আসনটি জামায়াতকে ছেড়ে দিলেও জয়ের মুখ দেখেনি। যে কারণে ধানের শীষ প্রতীকে গত ২২ বছরে কোনো প্রার্থী দেয়নি বিএনপি। কিন্তু জামায়াত নেতা কামারুজ্জামানের মানবতাবিরোধী অপরাধে ফাঁসি কার্যকরের পর সদর আসনে নতুন করে সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরু করে বিএনপি।

জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হযরত আলী সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করলেও ঋণখেলাপি থাকায় তার প্রার্থিতা বাতিল হয়ে যায়।

আমাদের ফেজবুক পেজ লিঙ্কঃ
https://www.facebook.com/bmnews24/

লড়াইয়ের মাঠ ছাড়ছি না : মান্না

নিজস্ব প্রতিবেদক
নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, দীর্ঘ দশ বছর দেশে একটি অংশগ্রহণ মুলক নির্বাচন হচ্ছে না; এ নির্বাচনটিও আদৌ নূন্যতম গ্রহণযোগ্য হবে কিনা সেটা নিয়ে গুরুতর সন্দেহ রয়েছে।

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন চোখ কানা করে একদিকে তাকিয়ে দেখলে তো নির্বাচন করা যাবে না। তবে তারা ও সরকার মিলে যা-ই করুক না কেনো নির্বাচনে লড়াইয়ের মাঠ ছাড়ছি না। কারণ নির্বাচনকে তো জাতীয় ঐক্যফ্রসহ গণতন্ত্র রক্ষার একটি লড়াইয়ের অংশ হিসাবে নিয়েছি। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, নির্বাচনী প্রচারণার মাঠে সব চক্রান্ত হুমকি ভেসে যাবে। মঙ্গলবার বিকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।

মাহমুদুর রহমান মান্না তার লিখিত বক্তব্যে দেশের সর্বশেষ নির্বাচনী পরিস্থিতি এবং নির্বাচনী এলাকা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন । সংবাদ সম্মেলনে বগুড়া বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক শাহে আলমসহ মতিয়ুর রহমান, শহীদুল্লাহ কায়সার, কবিরুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে মান্না অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকার এবং নির্বাচন কমিশনের আচরণ আমাদের সমাজে এই সন্দেহ প্রতিদিন আরও শক্তিশালী করছে। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর বিরোধী দলের জন্য পরিস্থিতির কিছুটা হলেও উন্নতি হবার প্রত্যাশাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে প্রতিদিন নতুন করে পরিস্থিতি আগের চাইতে আরো বেশি খারাপ করা হচ্ছে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের একাকার হয়ে যাওয়া জনগণের মনে এই শঙ্কা তৈরি করছে যে, সরকার একটি নীল-নকশার নির্বাচনের মাধ্যমে আবার ক্ষমতায় থেকে যেতে চাইছে।

সংবাদ সম্মেলন থেকে মান্না তার নির্বাচনী এলাকারও বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরেন। এতে তিনি জানান মামলার হয়রানির মাধ্যমে বিরোধী দলের কর্মীদের নিপীড়নের ধারা চলছে তার নির্বাচনী এলাকায়ও। তিনি জানান, তার নির্বাচনী এলাকা বগুড়া-২ এর অন্যতম নেতা, শিবগঞ্জ উপজেলার বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক, পৌর বিএনপি’র সাবেক সভাপতি এবং বারবার নির্বাচিত শিবগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মতিয়ার রহমান মতিনকে মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয়েছে। জয়পুররহাট জেলার কালাই এর স্থানীয় কর্মকারদের তৈরি হাসুয়া উদ্ধার মামলায় স্থানীয় কতিপয় ব্যক্তির মদদে মতিনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ নির্বাচনী এলাকার কর্মীদের মধ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মানুষ মতিনের বিরুদ্ধে এই রকম হয়রানিমূলক মামলা স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে প্রশাসন আমার নির্বাচনী কাজে বাধা সৃষ্টি করতে চাইছে। তিনি জানান, এলাকার অন্যান্য কর্মীদের মধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় মতিনকে এমন মামলায় জড়িত করা কর্মীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। তিনি সংবাদ সম্মেলন থেকে অবিলম্বে মতিনকে এই মামলা থেকে মুক্তি দেয়ার দাবি জানান।

আপিলেও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির অভিযোগ বিএনপির

 

নিউজ ডেস্ক..
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বাছাইয়ে দলগত প্রার্থীদের ক্ষেত্রে বিএনপির প্রার্থীরাই বেশি বাদ পড়েছেন। দলটির মোট ১৪১জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বালিত হয়েছে। নির্বাচন কমিশন এই প্রার্থীদের আপিল করার সুযোগ দিয়েছিল তিনদিন। এই ক্ষেত্রেও সরকার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে বলে অভিযোগ বিএনপির।

দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, রাজশাহীতে বিএনপির প্রার্থী ব্যারিস্টার আমিনুল হক ও নাদিম মোস্তফার মনোনয়নপত্র বাতিলের সার্টিফায়েড কপি এখনো দেওয়া হয়নি। অথচ আপিলের জন্য বুধবারই শেষ দিন।

‘তার অর্থ হচ্ছে, সরকারের নির্দেশনায় একেবারে পরিকল্পিতভাবে রিটার্নিং অফিসাররা বিএনপির হেভিওয়েট নেতাদের নির্বাচন থেকে দূরে রাখার জন্য এই পাঁয়তারা করছে। রিটার্নিং অফিসাররা সরকারের নির্দেশেই বিএনপি নেতাদের মনোনয়নপত্র তুচ্ছ কারণে বাতিল করছে।’

বিভিন্ন জেলায় রিটর্নিং অফিসাররা মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীদের কথা বলারও সুযোগ দিচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব।

আইনের দুই রকমের প্রয়োগ হচ্ছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের স্বার্থে আইন এক ধরনের, আর বিএনপির ক্ষেত্রে আরেক ধরনের। বিএনপির পাঁচ নেতার আবেদন হাই কোর্টে নাকচ হওয়ার পর অ্যাটর্নি জেনারেল বলেছিলেন, কারো দণ্ড হলে আপিল বিচারাধীন থাকলে তো চলবেই না, এমনকি আপিলে মুক্তি পেলেও নিস্তার নেই। কারণ দণ্ডিত ব্যক্তিকে মুক্তিলাভের পর ৫ বছর অপেক্ষা করতে হবে।’

‘এখন আমাদের প্রশ্ন, অ্যাটর্নি জেনারেলের এই ব্যাখ্যা যদি বিবেচনায় নেওয়া হয়, তাহলে মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া এবং কক্সবাজারের সাংসদ আব্দুর রহমান বদির সংসদ সদস্য পদ কী অবৈধ নয়?’

অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম সরকারপ্রধানকে খুশি করার জন্য ‘নিজের মনের মাধুরি মিশিয়ে’ সংবিধান ও আইনের ব্যাখ্যা দিচ্ছেন বলে মন্তব্য করেন রিজভী।

রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তার ভূমিকার সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘আদালত প্রাঙ্গণে রাসপুতিনের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল। বিরোধী দলকে শূন্য করতে সরকারের এজেন্ডা এখন অ্যাটর্নি জেনারেল বাস্তবায়ন করছেন আদালতকে ভয় দেখিয়ে।’

মহীউদ্দিন খান আলমগীর, হাজী সেলিম দণ্ডিত হওয়ার পরও তাদের মনোনয়নপত্র কীভাবে বৈধ হয়- সে প্রশ্নও তোলেন রিজভী।

নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলনে সোমবার দেশের বিভিন্ন স্থানে গ্রেপ্তার হওয়া নেতা-কর্মীদের তালিকা তুলে ধরে রিজভী বলেন, ‘নির্বাচনী মাঠ সমতল হওয়ার থেকে অনেক দূরে অবস্থান করছে। তফসিল ঘোষণার পরে পুলিশ প্রতিনিয়ত নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে বন্যর স্রোতের মতো মামলা দিচ্ছে, নির্বিচারে গ্রেপ্তার করছে। এটা তফসিল ঘোষণার পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পারে না।’

তিনি বলেন, ‘এখন যা কিছু হচ্ছে তার জন্য দায়ী নির্বাচন কমিশন। অর্থাৎ সরকারের যে মনোভাব, সেই মনোভাব কমিশন আন্তরিকতার সাথে পালন করছেন। শুধমাত্র বিএনপির নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার করতে হবে, এলাকা জনশূন্য করতে হবে… এটা করলে পরেই সরকারের স্বার্থ রক্ষা করা হবে। নির্বাচন কমিশন সেই স্বার্থ রক্ষায় ব্যতিব্যস্ত হয়ে আছেন।’

অন্যদের মধ্যে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আতাউর রহমান ঢালী, মামুন আহমেদ, কেন্দ্রীয় নেতা মুনির হোসেন ও মাশুকুর রহমান সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

মিরসরাইয়ে দুই হাজার ইয়াবাসহ গ্রেফতার ২


মিরসরাই প্রতিনিধি
মিরসরাইয়ের বারইয়ারহাটে ২ হাজার পিচ ইয়াবাসহ দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ। সোমবার (৩ডিসেম্বর) রাত সাড়ে নয়টায় বারইয়ারহাট উত্তর পৌরবাজারের ইউটার্ন এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত হলেন ঢাকার বাড্ডা থানার চান্দের টেক এলাকার মো. সোলায়মান (৩৫) ও একই এলাকার মো. রাসেল (২৭)। এসময় তাদেরকে বহনকারী হাইচ মাইক্রেবাসটিও জব্দ করেছে পুলিশ।

জোরারগঞ্জ থানার জেষ্ঠ্য উপ-পরিদর্শক আবেদ আলী জানান, ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের বারইয়ারহাট এলাকায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার অভিযান চলাকালে গোপন সংবাদের ভিক্তিতে এসআই মাহফুজের নেতৃত্বে ঢাকামুখী একটি হাইচ মাইক্রো (ঢাকামেট্রো চ-১৬-১৯৬১) তল্লাশি চালায় পুলিশ। এসময় কালো রংয়ের জিপারযুক্ত চশমার প্যাকেটের ভিতর থেকে ২০০০পিচ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ওই দুই যুবককে আটক করা হয়েছে। তারা কক্সবাজার থেকে ওই ইয়াবা ঢাকায় নিয়ে যাচ্ছিলো বলে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে জানায়। তাদের বিরুদ্ধে জোরারগঞ্জ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ছবির ক্যাপসনঃ মিরসরাইয়ের জোরারগঞ্জ থানা পুলিশের হাতে ইয়াবাসহ আটক দুই যুবক।
এম মাঈন উদ্দিন, মিরসরাই ০১৮১৫৫০০৭০৫।

বিএনপির নুরুল আমিন প্রার্থীতা ফিরে পাবেন আশা তৃণমূল নেতা-কর্মীদের

মিরসরাই প্রতিনিধি
আগামী ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রার্থী গৃহায়ন ও গনপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। অন্যদিকে বিএনপির প্রার্থী কে হচ্ছেন? ধানের শীষ কার হাতে যাচ্ছে? এই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে বিএনপি নেতা-কর্মী সহ সাধারণ মানুষের মনে। অফিসপাড়া থেকে চায়ের দোকানে চলছে আলোচনা-সমালোচনা আর চুলছেড়া বিশ্লেষণ।
এই আসনে বিএনপি মিরসরাই উপজেলা পরিষষদের চেয়ারম্যান (সাময়িক বরখাস্তকৃত ও সদ্য পদত্যাগ করা ) ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক নুরুল আমিনকে দলীয় প্রার্থীর মনোনয়ন দেন। বিকল্প প্রার্থী হিসেবে চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্সের সাবেক সভাপতি কামাল উদ্দিন আহাম্মেদ ও ব্যবসায়ী লায়ন মনিরুল ইসলাম ইউসুফকে রাখা হয়েছে।

গত ২ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র যাচাই বাচাইয়ের শেষে বৈধ ঘোষনা করা হয়েছে লায়ন মনিরুল ইসলাম ইউসুফ ও কামাল উদ্দিন আহম্মেদ এর মনোনয়নপত্র। বিএনপির মনোনীত অন্য প্রার্থী নুরুল আমিনের মনোনয়নপত্র প্রথমে স্থগিত ও পরে বাতিল ঘোষণা করেছেন চট্টগ্রাম জেলা রিটানিং কর্মকর্তা। উপজেলা চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগের মন্ত্রণালয় প্রেরিত কোন চিঠি দেখাতে না পারায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কর্মকর্তা রাকিব উজ্জামান।
এদিকে নুরুল আমিন চেয়ারম্যানের মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ায় হতাশ বিএনপি নেতা-কর্মীরা। তাদের দাবী বিএনপির দূর্দিনে মাঠে ছিলেন নুরুল আমিন চেয়ারম্যান। তাঁর জনপ্রিয়তার পাশপাশি বিশাল কর্মী বাহিনী রয়েছে। তিনি ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফের সাথে ফাইট করতে পারবেন। অন্য প্রার্থীদের গত দশ বছরে মাঠে দেখা যায়নি। তারা নেতা-কর্মীদের ভালো করে চেনেন না। তাদেরও তৃণমূলের অনেকে চেনেন না। নেতা-কর্মীদের আশা নির্বাচন কমিশনের আপিল করে প্রার্থীতা ফিরে পাবেন তিনি।
প্রার্থীতা ফিরে পেতে আজ বুধবার নির্বাচন কমিশনের নিকট আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন নুরুল আমিন।
জানা গেছে, শুধু নুরুল আমিন নয় সারা দেশে ২৫ জন উপজেলা চেয়ারম্যানের মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। কারণ দেখানো হয়েছে তারা উপজেলা চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগের মন্ত্রনালয় স্বাক্ষরিত কোন চিঠি দেখাতে পারেনি।
উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক গাজী নিজাম উদ্দিন বলেন, ২৭ নভেম্বর উপজেলা চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগের নির্দেশ আসার পর নুরুল আমিন পদত্যাগের জন্য জেলা রিটানিং কর্মকর্তা ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়ে আবেদন করেছেন। তাঁর রিসিভ কপি আমরা দেখিয়েছে। কিন্তু মন্ত্রনালয় থেকে কোন চিঠি না দেখাতে পারার অজুহাতে মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। আশা করছি নির্বাচন কমিশনে আপিল করার পর প্রার্থীতা ফিরে পাবেন নুরুল আমিন।

ভোটারদের উদ্দেশ্য কারাগার থেকে বিএনপি নেতা ডা. শাহাদাতের চিঠি

 

নিজস্ব  প্রতিবেদক:

কারাগারে থাকা চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালি) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন সেলিম তার নির্বাচনী এলাকার সাধারণ মানুষের কাছে নিজ হাতে লেখা ৭ পৃষ্ঠার একটি আবেগি চিঠি দিয়েছেন, যা ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

বিএনপির চট্টগ্রাম মহানগরীর সভাপতি ডা. সেলিম তার পিএস (একান্ত সচিব) মারুফুল হক চৌধুরীর মাধ্যমে ভোটারদের উদ্দেশ্যে এই চিঠি দিয়েছেন। ‘আমি জেল থেকে বলছি’ শিরোনামে লেখা চিঠিতে ডা. শাহাদাত তার নির্বাচনী এলাকার মানুষদের কাছে নির্বাচনের আগমুহূর্তে নিজের গ্রেফতার ও কারাগারে থাকার নানা ঘটনা জানিয়ে ভোটের মাধ্যমে সব ‘রাজবন্দিকে’ মুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

চিঠিতে ডা. শাহাদাত হোসেন লিখেন, ‘আমি ডা. শাহাদাত হোসেন (বাকলিয়া-কোতোয়ালি-চকবাজার) চট্টগ্রাম-৯ সংসদীয় আসনের প্রার্থী। চট্টগ্রাম কারাগারের নির্জন সেল থেকে আপনাদের কাছে আমি আমার কিছু কথা তুলে ধরছি।’

‘গত ৭ নভেম্বর ঢাকায় গ্রেফতার চট্টগ্রাম মহানগরীর কিছু নেতাকর্মীকে ঢাকার সিএমএম কোর্টে দেখতে গেলে ডিবি (গোয়েন্দা পুলিশ) পুলিশ আমাকে গ্রেফতার করে। পরে ঢাকার মিন্টো রোডে গোয়েন্দা কার্যালয়ে নিয়ে যায়। এমন একটা সময়ে আমাকে গ্রেফতার করা হলো যখন বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্ট আওয়ামী লীগ মহাজোটের সঙ্গে ঐতিহাসিক সংলাপ শেষে ওবায়দুল কাদের সাহেব ঘোষণা করলেন বিরোধীদলের আর কোনো নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হবে না। কারও বিরুদ্ধে কোনো গায়েবি মিথ্যা মামলা দেয়া হবে না। অথচ এর ঠিক দুই ঘণ্টার মধ্যে ৭ নভেম্বর বিকেল ৪টায় আমাকে গ্রেফতার করা হয় বিনা পরোয়ানায়। ডিবি অফিসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আমাকে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে আমি জিজ্ঞেস করলাম আমাকে গ্রেফতার করা হলো কেন? আমার অপরাধ কী?,’- চিঠিতে লিখেছেন ডা. শাহাদাত হোসেন।

তিনি আরো লিখেন, ‘উত্তরে বলা হলো, আপনি নির্বাচন করবেন এটাই আপনার অপরাধ। আপনি জনপ্রিয় এটাই আপনার অপরাধ। এরপর ৫৪ ধারায় একটি মামলা দেখিয়ে ঢাকার কেরানীগঞ্জ কারাগারে একদিন ও কাশিমপুর কারাগারে প্রায় ১৫ দিন রেখে চট্টগ্রাম কারাগারে আমাকে পাঠানো হয়। ইতোমধ্যে আমি ঢাকা থাকা অবস্থায়ই চট্টগ্রামে আমার বিরুদ্ধে ১০টি গায়েবি মামলা করা হয়। ২৬ নভেম্বর চট্টগ্রাম কোর্টে আমাকে হাজির করা হয়। আমার জামিন না-মঞ্জুর হয়। আমাকে কোর্ট থেকে কারাগারে ডিভিশনের আদেশ দিলেও যথারীতি আমাকে নির্জন সেলে রাখা হয়। যেখানে ফাঁসির আসামিরা থাকে।’

বিএনপির এ নেতা লিখেছেন, ‘চট্টগ্রাম কারাগারে আসার পর গত ১০ দিনেও আমার মায়ের সঙ্গে এখনও পর্যন্ত দেখা করতে দেয়া হয়নি। মিথ্যা গায়েবি মামলায় হাজার হাজার বিএনপির নেতাকর্মীকে কারাগারে বন্দি রাখা হয়েছে। দেশে আজ দুর্নীতি, দুঃশাসন, গণতন্ত্রের নামে স্বৈরতন্ত্র চলছে। গুম, গুপ্তহত্যা, নির্যাতন, মামলা, হামলা, বিচারবহির্ভূত হত্যার মাধ্যমে বিরোধী দল ও মতকে নিশ্চিহ্ন করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত সরকার। গত ১০ মাস ধরে তিন বারের প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে বন্দি রাখা হয়েছে।’

নিজ এলাকার ভোটারদের উদ্দ্যেশ্যে তিনি লিখেন, ‘এমতাবস্থায় বাকলিয়া কোতোয়ালি চকবাজারসহ ৯ সংসদীয় আসনের সর্বস্তরের জনসাধারণের কাছে একান্ত অনুরোধ, গত ৩২ বছরের রাজনৈতিক জীবনে একজন রাজনীতিবিদ, পাশাপাশি একজন চিকিৎসক হিসেবে আপনাদের সুখ-দুঃখের সাথী হওয়ার চেষ্টা করেছি। ওয়ার্ডে-ওয়ার্ডে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দিয়ে, কখনও অগ্নিদুর্গত এলাকায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে, বন্যাদুর্গত এলাকায় কিংবা পাহাড়ধসে অসহায় পরিবারদের পাশে দাঁড়িয়েছি।’

‘বারবার রাজপথে আন্দোলন করেছি, আপনাদের যৌক্তিক হোল্ডিং ট্যাক্স কমানোর দাবি নিয়ে কিংবা বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস সরবরাহের দাবি নিয়ে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে কিংবা জলবদ্ধতা নিরসনের দাবি নিয়ে। আজকে যারা আমাকে কিছু গায়েবি মামলা দিয়ে কারাগারে বন্দী রেখে খোলা মাঠে গোল দিতে চায়, হয়তোবা দেখা যাবে এরা এ সংসদীয় আসনের ভোটারও না। তাদের এই অমানবিকতার বিরুদ্ধে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপনারা একজন নিজেকে বেগম খালেদা জিয়া কিংবা ডা. শাহাদাত হোসেন মনে করে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি দুর্নীতিমুক্ত সমদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ার সংগ্রামে ঐক্যবদ্ধ হউন।’

তিনি আরও লিখেন, ‘যে বাংলাদেশ হবে নিরাপদ, যেখানে আমার ছাত্র-ছাত্রী ভাইবোনদের যৌক্তিক কোটা সাংস্কারের দাবি পূরণ হবে, ৪ কোটি বেকার তাদের কর্মসংস্থানের উপায় খুঁজে পাবে, দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষা পাবে, মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত চেতনা ও সাম্য-মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা পাবে।’

ডা. শাহাদাত হোসেন আরও লিখেন, ‘৯ সংসদীয় আসনের সংগ্রামী এলাকাবাসী, আপনাদের প্রতি দেশের এই চরম ক্রান্তিকালে অনুরোধ থাকবে, আগামী ৩০ ডিসেম্বর আপনারা আপনাদের সাংবিধানিক অধিকার, ভোটের অধিকার, স্ব স্ব ভোট সেন্টারে গিয়ে প্রতিষ্ঠা করুন। ধানের শীষ প্রতীকে আপনার একটি মূল্যবান ভোট অন্ধকার কারাগারে থেকে আমাদের দেশমাতা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করবে। আমিসহ হাজার হাজার নেতাকর্মী গায়েবি মামলার শিকার হয়ে অন্যায়ভাবে কারাগারে বন্দি আছি- তাদের মুক্তির পথ দেখাবে। আল্লাহ আমাদের সহায় হোক। ইনশাআল্লাহ বিজয় আমাদের সুনিশ্চিত। গণতন্ত্র মুক্তি পাক, বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।’

 

মেসি-রোনালদোকে পেছনে ফেলে ব্যালন ডি’অর জিতলেন মডরিচ

অনলাইন ডেস্ক :

লিওনেল মেসি ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে পেছনে ফেলে ২০১৮ সালের ব্যালন ডি’অর জিতে নিয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের ক্রোয়াট মিডফিল্ডার লুকা মডরিচ।

প্যারিসে সোমবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় এক অনুষ্ঠানে বর্ষসেরা ফুটবলারের এই পুরস্কারের বিজয়ী হিসেবে মডরিচের নাম ঘোষণা করা হয়।

পাঁচবার করে এই পুরস্কার জিতে গত ১০ বছরে ব্যালন ডি’অর প্রায় নিজেদের করে ফেলেছিলেন লিওনেল মেসি ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। মেসি-রোনালদোর আধিপত্যের অবসান ঘটিয়ে এবার এই পুরস্কার জিতলেন মডরিচ।

গতবারের ব্যালন ডি’অর বিজয়ী রোনালদো এবার হয়েছেন দ্বিতীয়। তৃতীয় হয়েছেন আন্তোনিও গ্রিজম্যান।

এবার সেরা তিনেও জায়গা পাননি লিওনেল মেসি। বিশ্বকাপের বাজে পারফরম্যান্সে পঞ্চম হয়েছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। চতুর্থ হয়েছেন এমবাপে। নেইমার হয়েছেন ১২তম।

রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে চমৎকার বছর কাটানো লুকা মডরিচ জিতেছেন চ্যাম্পিয়নস লিগের মুকুটও। এরপর বিশ্বকাপে নিজ দেশকে নেতৃত্ব দিয়ে নিয়ে যান ফাইনালে। এটাই তাকে এগিয়ে দিয়েছে।

বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারও জিতেছেন মডরিচ। তার আগে উয়েফার বর্ষসেরা খেতাবও উঠেছে এই মিডফিল্ডারের হাতে। কয়েকদিন আগে রোনালদো ও মোহামেদ সালাহকে হারিয়ে ফিফার বর্ষসেরা পদকও লুফে নেন মডরিচ।

সোয়া ১ কোটি টাকা ঋণ পরিশোধ না করার অভিযোগ সত্ত্বেও মাহি বৈধ

নিজস্ব প্রতিবেদক  :

বিকল্পধারার যুগ্ম মহাসচিব মাহী বি. চৌধুরীর মনোনয়নের বৈধতা নিয়ে রহস্য তৈরি হয়েছে। একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রায় সোয়া ১ কোটি টাকা ঋণ পরিশোধ না করার অভিযোগ থাকার পরও তার মনোনয়ন বৈধতা পেয়েছে! মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাইকালে মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সামনে সশরীরে উপস্থিত হয়ে ওই প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা ঋণ আদায় না হওয়া সংক্রান্ত অভিযোগ তুলে আনুষ্ঠানিক আপত্তি জানিয়েছিলেন। তার আগে বাংলাদেশ ব্যাংককেও লিখিতভাবে তারা তাদের আপত্তির কথা জানান। কিন্তু রহস্যজনক কারণে এসব অভিযোগ-আপত্তি আমলে নেয়া হয়নি। বরং আর্থিক প্রতিষ্ঠানটির ঋণ ফেরৎ না পাওয়ার অভিযোগ আমলে না নিয়েই মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে বিকল্পধারা তথা যুক্তফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী মাহী বি. চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার সায়লা ফারজানা মাহীর মনোনয়নপত্র চ্যালেঞ্জ হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন। ডিসি বলেন, প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাইকালে একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি দাঁড়িয়ে আপত্তি করেছিলেন। কিন্তু তারা ওই প্রার্থীকে কত টাকা ঋণ দিয়েছেন, কত পরিশোধ হয়েছে এবং কত টাকা পাওনা? তাৎক্ষণিক তার কিছুই জানাতে পারেন নি।

উল্লেখ্য, সাবেক প্রেসিডেন্ট ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরী তনয় মাহী বি. চৌধুরী শ্রীনগর ও সিরাজদিখান উপজেলা নিয়ে গঠিত মুন্সীগঞ্জ-১ আসন থেকে নির্বাচন করছেন। তিনি এর আগেও মুন্সীগঞ্জে তার পিতার ছেড়ে দেয়া আসনে (উপনির্বাচনে) এমপি হয়েছিলেন। সূত্র মতে, মেসার্স এন্টারটেইনমেন্ট রিপাবলিক নামে একটি প্রতিষ্ঠানের স্বত্ত্বাধিকারী মাহী বি চৌধুরী। ওই প্রতিষ্ঠানের জন্য ২০০৮ সালের ৩০শে ডিসেম্বর আর্থিক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি লিমিটেড (বিআইএফসি) থেকে তিনি ৩৬ মাস মেয়াদে ৩০ লাখ টাকার ঋণ নেন। কিন্তু সেটি সময়মতো পরিশোধ করতে পারেন নি।

ঋণ পরিশোধের সময় দেড় বছর বাকি থাকতেই (২০১০ সালের জুনে) ঋণটি পুনঃতফসিলের (রি-শিডিউল) জন্য তিনি প্রতিষ্ঠান বরাবর আবেদন করেন। তার আবেদনের প্রেক্ষিতে সেই সময়ের পরিচালনা পর্ষদ (বিকল্পধারা মহাসচিব শিল্পপতি মেজর (অব.) আবদুল মান্নানের নেতৃত্বাধীন) ঋণটি পুনঃতফসিলের অনুমোদন দেয়। ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে ঋণ আদায়ের স্বাভাবিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে গ্রহীতাকে ৬৫ লাখ ১৪ হাজার ৫শ’ ৬২ টাকা পরিশোধের অনুরোধ জানিয়ে চিঠি পাঠায় বিআইএফসি।

প্রায় তিন মাস পর (২০১৫ সালের ২৯শে মার্চ) ৩০ লাখ টাকা পরিশোধ করেন মাহী। সেই সময়ে তার কাছে ঋণের বকেয়া ছিল ৭৯ লাখ ৯ হাজার ৩শ’ ২০ টাকা। ওই সময়ে বাকি টাকা পরিশোধ না করায় ২০১৫ সালের ৩১শে ডিসেম্বর সিএল ব্যালেন্স দাঁড়ায় ৪৪ লাখ ১৮ হাজার ৮শ’ নব্বই টাকা। ২০১৭ সালের মার্চে ঋণ গ্রহীতাকে বাকি টাকা পরিশোধের অনুরোধ করে ফের চিঠি পাঠায় প্রতিষ্ঠানটি। ওই চিঠির জবাবে মাহী বি. চৌধুরী একটি এনওসি’র কপি প্রেরণ করেন। ওই এনওসি কীভাবে মাহী পেলেন তার কোনো রেকর্ড সংরক্ষিত না থাকায় সেই সময়ের এমডি ইনামুর রহমানকে শোকজ করা হয়। সাবেক ওই ব্যবস্থাপনা পরিচালককে এ নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির তরফে দু’দফা চিঠি দেয়া হলেও তিনি আজ অবধি এর কোনো জবাব দেননি। মাহী বি. চৌধুরীর ওই ঋণটিকে ‘মন্দ ও ক্ষতিজনক’ পর্যায়ে রেখেছে বিআইএফসি। সর্বশেষ হিসাব জানিয়ে (২৫শে নভেম্বর ২০১৮ পর্যন্ত) বিআইএফসি মাহীর কাছে ১ কোটি ১৪ লাখ ৬০ হাজার ৩৪ টাকা ৬৫ পয়সা পায় বলে বাংলাদেশ ব্যাংকে চিঠি পাঠিয়েছে। এ সম্পর্কে মাহী বি. চৌধুরী বলেন, এটা সেটেল ম্যাটার। এটা এখন বলা হচ্ছে কেন?