বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Home Blog Page 637

আওয়ামীলীগের দন্ডপ্রাপ্ত প্রার্থী বৈধ, বিএনপির কেন নয় : দুলু

নিজস্ব প্রতিবেদক :  

 

হাজী সেলিম, পঙ্কজ দেবনাথ সাজাপ্রাপ্ত আসামী আওয়ামীলীগের প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন পায়। তারা যদি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারে তাহলে বিএনপি প্রার্থীরা কেন করতে পারবো না এমন প্রশ্ন রেখেছেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু। তিনি নাটোর-২ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিলেও, তারা মামলা সংক্রান্ত জটিলতা থাকার কারণে রিটার্নিং কর্মকর্তা সেটি বাতিল করেন।
আজ মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনে রাজশাহী বিভাগের দায়িত্বে থাকা নির্বাচনী কর্মকর্তার কাছে মনোনয়ন ফিরে পেতে আপিল করতে এসে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান দুলু।
তিনি বলেন, হাজী সেলিম সাহেব ১৩ বছরের জেল নিয়ে যদি নির্বাচন করতে পারে, পঙ্কজ দেবনাথ আমার সঙ্গে দুদকের মামলায় প্রায় দুই, আড়াই বছর জেলে ছিলেন। দুদকের মামলায় তারও ১২ বছরের জেল আছে। তাহলে পঙ্কজ দেবনাথ, হাজী সেলিম যদি নির্বাচন করতে পারে। রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, ইকবাল হাসান টুকুসহ বিএনপি নেতারা কেনো নির্বাচন করতে পারবেন না?
দুলু বলেন, বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে এই রকম ষড়যন্ত্র হবে ধারনা করেই। বিএনপির এক আসেন একাধিক প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। পূর্ব পরিকল্পিতভাবে বিএনপির অনেকেরই মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। গণমাধ্যমে দেখলাম আওয়ামী লীগ ঘরানার একজন প্রত্রিকার সম্পাদক বলেছেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বাধীনতার পরে একসঙ্গে এতোগুলো মনোনয়নপত্র কখনো বাতিল হয়নি।

এবারই প্রথম নারী ব্যালন ডি’অর পুরস্কার, জয়ী হেগেরবার্গ

অনলাইন ডেস্ক :

এবারই প্রথম ফুটবলে নারীদের বর্ষসেরার পুরস্কার ব্যালন ডি’অর দেওয়া হলো। আর এই পুরস্কারটি জিতে ইতিহাস গড়ছেন অলিম্পি লিঁওর নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকার আদা হেগেরবার্গ।

স্থানীয় সময় গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় প্যারিসে এক অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে ২০১৮ সালের ব্যালন ডি’অর পুরস্কার দেওয়া হয়। এ সময় নারী ক্যাটাগরিতে হেগেরবার্গকে নারী ব্যালন ডি’অর পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।

গত মৌসুমটি দারুণ কাটিয়েছেন লিঁওর স্ট্রাইকার হেগেরবার্গ। কারণ ফ্রেঞ্চ টাইটেল দলকে জেতাতে অসাধারণ ভূমিকা রাখেন তিনি। এছাড়া চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ী দলটির হয়ে ফাইনালে গোলও করেন ২৩ বছর বয়সী এই তরুণী।

এমপি হওয়ার পর অনার্স-মাস্টার্স পাশ করেছেন উপমন্ত্রী জ্যাকব

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

ভোলা-০৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা) আসনের সংসদ সদস্য এবং পরিবেশ ও বন উপমন্ত্রী আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব ২০০৮ সালে এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর অনার্স ও মাস্টার্স কোর্স সম্পন্ন করেছেন। নির্বাচন কমিশনে তার দেয়া তিনটি সংসদ নির্বাচনের পৃথক হলফনামা বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

২০০৮ সালের ডিসেম্বর মাসে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব তার হলফনামায় শিক্ষাগত যোগ্যতা লিখেছিলেন এইচএসসি পাশ। এরপর ২০১৪ সালের ০৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনের হলফনামায় (যা সবমিট করা হয়েছে ২০১৩ সালের ডিসেম্বর মাসে) তার শিক্ষাগত যোগ্যতা দেখিয়েছেন এমএসএস।

অর্থাৎ পাঁচ বছরের মাথায় তিনি অনার্স ও মাস্টার্স কোর্স সম্পন্ন করলেন। নির্বাচন কমিশনের কাছে দেয়া হলফনামার কপিতে তিনি তার অ্যাকাডেমিক সার্টিফিকেট সংযুক্ত করার কথা বললেও ইসির ওয়েবসাইটে তার অনার্স মাস্টার্স কোর্সের সেইসব সার্টিফিকেটের কপি পাওয়া যায়নি।

বিশ্বস্ত একাধিক সূত্র জানিয়েছে, তিনি রাজধানী ঢাকার পিপলস্ ইউনিভার্সিটি থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে অনার্স ও মাস্টার্স কোর্স সম্পন্ন করেছেন। এমপি হওয়ার পর তিনি কিভাবে অনার্স-মাস্টার্স কোর্স সম্পন্ন করলেন তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নাজিম উদ্দিন আলম।

তিনি বলেন, বিষয়টি সম্পূর্ণ রহস্যজনক। যে ইউনিভার্সিটি থেকে তিনি (জ্যাকব) অনার্স ও মাস্টার্সের সার্টিফিকেট সংগ্রহ করেছেন সেই ইউনিভার্সিটির বিরুদ্ধে ‘সার্টিফিকেট বাণিজ্য’র একাধিক রিপোর্ট বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।

বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন জানাচ্ছেন নাজিম উদ্দিন আলম। একই সাথে আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকবের সম্পদ বিবরণীতেও প্রকৃত সব তথ্য দেয়া হয়নি বলে অভিযোগ তৈরী করছেন নাজিম উদ্দিন আলম।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চরফ্যাশন উপজেলার একজন বিএনপি নেতা জানান, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের নিয়মানুযায়ী একজন শিক্ষার্থীকে ৫০ ভাগেরও বেশি ক্লাশে উপস্থিত থেকে এবং পরীক্ষা দিয়ে পাশ করে সার্টিফিকেট অর্জন করতে হয়।

কিন্তু চরফ্যাশনের উপমন্ত্রী আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব এমপি হওয়ার পর কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাশ করেছেন কিংবা পরীক্ষা দিয়েছেন এমন কোন তথ্য আমাদের কারো জানা নেই, তাহলে তিনি সার্টিফিকেট অর্জন করলেন কিভাবে? বিষয়টি সম্পূর্ণ রহস্যজনক।

পাবনায় আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে ২ জন নিহত

 

নিজস্ব প্রতিবেদক :

পাবনায় জেলার সদর উপজেলার ভাড়ারা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের দু’ গ্রুপের সংঘর্ষে ২ জন নিহত, আহত হয়েছেন ১০ জন। সোমবার রাতের দিকে ভাড়ারা কদমতলা স্লুইচ গেট এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

নিহত দুজন হলেন আওরঙ্গবাদ এলাকার মৃত আহেদ আল শেখের ছেলে আব্দুল মালেক শেখ (৫০) ও একই এলাকার বহের খানের ছেলে লস্কর খান (৬৫)।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষের সময় দুপক্ষই আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে। এ সময় এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এলাকায় গ্রামবাসীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে ১০ জন গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন এবং আহতদের সবাই পুলিশী ঝামেলা এড়াতে অজ্ঞাত স্থানে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।

এ দিকে ভাড়ারা ইউপি চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা আবু সাইদ খান জানান, আক্কাস গ্রুপের লোকজন আওয়ামী লীগ সমর্থক হলেও সুলতান ও তার লোকজন কখনোই আওয়ামী লীগ করেনি। তারা জাসদ করে। সুতরাং সংঘর্ষে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপ বলা যাবে না।

এ দিকে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সোহেল হাসান শাহিন জানান, আক্কাস ভাড়ারা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এবং সুলতান কিছুদিন আগে আওয়ামী লীগে তার কর্মী সমর্থকদের নিয়ে যোগদান করেছেন।

পাবনা সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইবনে মিজান জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক।

পাবনা সদর থানার এএসআই আজিজুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সন্ধ্যা ৬টা ও সন্ধ্যা ৭টায় পৃথক দুটি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। তিনি আরও জানান, ভাড়ারা কদমতলা স্লুইচ গেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আপিল করবেন বিএনপির প্রার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক  :

নির্বাচন কমিশন যাচাই-বাছাইয়ে মনোনয়নপত্র বাতিল হলেও প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশনে আপিল করবেন বিএনপির প্রার্থীরা। কাল মঙ্গলবার তাঁরা আবেদন করতে পারেন। এ জন্য আজ সোমবার রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করেছেন তাঁরা। তবে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আবদুল্লাহ আল বাকের ভূঁইয়া আপিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেননি।

গতকাল রোববার মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে চট্টগ্রামের ১৬ আসনে ৪৬ প্রার্থীর ৪৭টি মনোনয়নপত্র বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। এর মধ্যে ৯ আসনে বিএনপির ১২ প্রার্থীর ১৩টি মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়। বাকি প্রার্থীরা স্বতন্ত্র ও অন্যান্য দলের। চট্টগ্রামের আসনগুলোতে মোট ১৮০ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। যাচাই-বাছাইয়ের পর ১৩৩টি মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীরা ৩-৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনে আবেদন করতে পারবেন। ইসি ৬-৮ ডিসেম্বর আপিলগুলোর শুনানি করে রায় দেবে।

সাজার কারণে চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসনে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন ও তাঁর ছেলে মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়ে যায়। দুজনই প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার জন্য আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিনের ব্যক্তিগত সহকারী নুরুল আমিন।

ঋণ খেলাপের দায়ে চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও কারাগারে থাকা আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। তবে এর বিরুদ্ধে নির্বাচনে কমিশনে মঙ্গলবার আপিল করা হবে বলে জানান তাঁর ভাই ও বিএনপির আরেক প্রার্থী ইছহাক চৌধুরী।

চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও) আসনে বিএনপির প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ প্রথম আলোকে বলেন, ছোট্ট একটি কারণে তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তাই তিনি আপিল করবেন।

মনোনয়নপত্রের বৈধতা ফিরে পাওয়ার জন্য মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনে আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনে বিএনপির প্রার্থী ও উপজেলা পরিষদের বরখাস্ত হওয়া চেয়ারম্যান নুরুল আমিন। তিনি সাংবাদিকদের  বলেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানকে লাভজনক পদ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। পদত্যাগপত্র দিলেও তা গ্রহণ করেননি রিটার্নিং কর্মকর্তা। তাই কমিশনে আপিল করবেন।

তবে মনোনয়নপত্র বাতিল হলেও আপিলের বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেননি বলে জানান চট্টগ্রাম-৪ আসনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আবদুল্লাহ আল বাকের ভূঁইয়া। তিনি বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় যাচাই-বাছাই করে নাকি এর সত্যতা পায়নি। কিন্তু ঠিক তথ্য দিয়েছিলেন তিনি।

রোববার বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এম মোরশেদ খান, গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী ও তাঁর ছেলে সামির কাদের চৌধুরী, সন্দ্বীপের সাবেক সাংসদ মোস্তফা কামাল পাশা, বিএনপির নেতা সামসুল আলম, আবু আহমেদ হাসনাত ও আবদুল আলিমের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

 

‘তারুণ্যের ইশতেহার’ নিয়ে বিএনপি অফিসে কোটা আন্দোলনকারী নেতারা

নিজস্ব প্রতিবেদক  :

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ‘তারুণ্যের ইশতেহার’ নামে একটি প্রস্তাবনা নিয়ে বিএনপির অফিসে গেছেন  বহুল আলোচিত কোটা আন্দোলনের নেতাদের একটি প্রতিনিধি দল। আজ সোমবার দুপুরে আড়াইটার দিকে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যান এ প্রতিনিধি দল। ১৮ সদস্যদের  প্রতিনিধি দলে নেতৃত্ব দিচ্ছেন কোটা আন্দোলনকারীর নেতা ও সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহবায়ক ফারুক হাসান।

তিনি বলেন, তারুণ্যের ইশতেহার আমরা সকল রাজনৈতিক দলের কাছে হস্তান্তর করবো। এখন (দুপুর আড়াইটা) বিএনপি  অফিসে এসেছি। এরপর ঐক্যফ্রন্ট কার্যালয়ের যাব। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রধান ড. কামাল হোসেনের সঙ্গে দেখা করব। আমরা ইশতেহারে আমাদের দাবিগুলো তুলে ধরব।

নুরুল আমিন চেয়ারম্যানের নমিনেশন বৈধ ঘোষণা

আগামী ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনের জন্য মনোনয়নপত্র যাচাই বাচাইয়ের শেষ দিন রবিবার (২ ডিসেম্বর) বিএনপির ৩  প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছে চট্টগ্রাম জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা।

চট্টগ্রাম ১ মিরসরাই আসনে নুরুল আমিন চেয়ারম্যানসহ ৩ জনের মনোনয়ন পত্র বৈধ ঘোষণা। বিএনপির প্রধান প্রার্থী নুরুল আমিন চেয়ারম্যানের উপজেলা পরিষদ থেকে পদত্যাগ পত্রের কপি জমা দিতে বলেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা  । বিএনপি’র  ৩জন বৈধ প্রার্থী যথাক্রমে নুরুল আমিন চেয়ারম্যান, কামাল আহম্মেদ ও মনিরুল ইসলাম ইউসুফের মনোনয়ন পত্র বৈধ হিসেবে বহাল রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিল হওয়াদের বড় অংশ বিএনপির মূল প্রার্থী

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে বিএনপির বাতিল হওয়া বেশির ভাগই হেভিওয়েট প্রার্থী। যাদের মধ্যে রয়েছেন- দলের কারাবন্দি চেয়ারপারসনসহ কেন্দ্রীয় নেতা ও বেশ কয়েকজন সাবেক এমপি-মন্ত্রী। মামলা  সাজা, ঋণখেলাপি, মনোনয়নপত্রের স্বাক্ষর নিয়ে সন্দেহ ও উপজেলা চেয়ারম্যান এবং পৌর মেয়র পদের পদত্যাগপত্র গৃহীত না হওয়ার অভিযোগেই বাতিল করা হয়েছে বেশির ভাগ মনোনয়নপত্র। এ ছাড়া নথি থেকে কাগজ হারিয়ে যাওয়া, স্বাক্ষর জটিলতাসহ নানা কারণে বাতিল করা হয় বহু প্রার্থীর মনোনয়নপত্র। তবে মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীরা রিটার্নিং কর্মকর্তার ‘বাতিলের’ সিদ্ধান্তের সার্টিফাইড কপিসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ৭ সেটের সমন্বয়ে আগামী তিনদিনের মধ্যে ইসি সচিবের বরাবর প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিল করতে পারবেন।

তিনটি আসনেই বিএনপি চেয়ারপারসন কারাবন্দি খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন। আসন তিনটি হচ্ছে- ফেনী-১, বগুড়া-৬ (সদর) ও বগুড়া-৭। এর মধ্যে বগুড়া-৭ আসনে খালেদা জিয়ার বিকল্প প্রার্থী মোরশেদ মিল্টনের মনোনয়নপত্রও বাতিল করা হয়েছে।

বগুড়া-৬ আসনে বগুড়া পৌরসভার মেয়রের পদ থেকে পদত্যাগ না করায় চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা একেএম মাহবুবুর রহমানের মনোনয়নপত্রও বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে দুটি মামলায় সাজার কথা উল্লেখ করে ফেনী-১ আসনে খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এই আসনে বিএনপির আরেক প্রার্থী ছাগলনাইয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি নূর আহম্মদ মজুমদারের মনোনয়নপত্রও বাতিল হয়েছে। একইভাবে মামলায় সাজার বিষয়টি উল্লেখ করে বাতিল করা হয়েছে বগুড়া-৬ ও ৭ আসনে খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র।

এ ছাড়া চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব কারাবন্দি লায়ন আসলাম চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৫ আসনে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মীর মো. নাছিরউদ্দিন ও তার ছেলে ব্যারিস্টার মীর হেলাল, চট্টগ্রাম-৬ আসনে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দীন কাদের চৌধুরী ও তার ছেলে সামির কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৮ আসনে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এম মোরশেদ খান, চট্টগ্রাম-৩ আসনে সাবেক এমপি মোস্তফা কামাল পাশাসহ ৮ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন নির্বাচন কমিশন।  সিরাজগঞ্জ-২ আসনের বিএনপির  ভাইস চেয়ারম্যান ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে সাবেক এমপি মেজর (অব.) মঞ্জুর কাদেরের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। মানিকগঞ্জ-২ আসনে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইঞ্জিনিয়ার মইনুল ইসলাম খান শান্তুর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। মনোনয়নপত্রে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের স্বাক্ষরে গরমিল থাকার অজুহাতে বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন। মনোনয়নপত্রে মির্জা ফখরুলের স্বাক্ষর জাল সন্দেহে মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয় মেহেরপুর-১ আসনের প্রার্থী আব্দুর রহমানের মনোনয়নপত্র।

ঝিনাইদহ-২ আসনে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক এমপি মসিউর রহমান ও আব্দুল মজিদ এবং ঝিনাইদহ-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী সাবেক এমপি আব্দুল ওহাবের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। মামলায় সাজা হওয়ার কারণে নাটোর-২ আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা বিএনপির সভাপতি রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। দুর্নীতি মামলায় সাজা পাওয়ায় ঢাকা-২ আসনে বিএনপি নেতা আমান উল্লাহ আমানের মনোনয়ন বাতিল করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। ঢাকা-৯ আসনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের স্ত্রী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাসের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। ঋণ খেলাপির অভিযোগ এনে তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়।

এর আগে রিটার্নিং কর্মকর্তা দুই ঘণ্টা সময় দেয়। এই সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক কোনো রেসপন্স না করার পাশাপাশি বিএনপির প্রার্থী আফরোজা আব্বাসের পক্ষ থেকে কোনো ডকুমেন্ট দাখিল না করার কারণে এ মনোনয়ন বাতিল করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিপক্ষে গোপালগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী এসএম জিলানীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। রাজশাহী-১ সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হকের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। মামলা সংক্রান্ত সার্টিফাইড কপি না থাকায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল করে দেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। কিশোরগঞ্জ-২ আসনে সাবেক এমপি মেজর (অব.) মো. আখতারুজ্জামান রঞ্জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে রিটার্নিং কর্মকর্তা। আদালতে দণ্ডিত হওয়ায় খাগড়াছড়িতে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জেলা বিএনপির সভাপতি ওয়াদুদ ভূঁইয়ার মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।

এ ছাড়া মানিকগঞ্জ-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী দৌলতপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান তোজাম্মেল হকের অনলাইন আবেদন যথাযথভাবে না হওয়া ও চেয়ারম্যানের পদত্যাগপত্র গৃহীত না হওয়ায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। উপজেলা চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগপত্র গৃহীত না হওয়া বা এ সংক্রান্ত জটিলতায় মানিকগঞ্জ-২ আসনে সিংগাইর উপজেলা চেয়ারম্যান আবিদুর রহমান রোমান, মানিকগঞ্জ-৩ আসনে ?সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউর রহমান আতা, জয়পুরহাট জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান ও সুনামগঞ্জ-১ আসনে কামরুজ্জামান কামরুল নামের বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

পৌরসভার মেয়র পদ থেকে পদত্যাগ সংক্রান্ত জটিলতায় পঞ্চগড়-১ আসনে তৌহিদুল ইসলাম, নওগাঁ-৫ আসনে নওগাঁ সদর পৌরসভার বর্তমান মেয়র নজমুল হক সনির মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে রিটার্নিং কর্মকর্তা।

কুমিল্লা-৩ আসনে বিএনপির কেএম মুজিবুল হকের মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় দেয়া আয়করের নথি (কাগজপত্র) গায়েব করার মাধ্যমে তার মনোনয়নপত্র বাতিল করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। পটুয়াখালী-৩ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী গোলাম মাওলা রনির হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকায় মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে জেলা রিটার্নিং অফিসার। বরগুনা-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী সাবেক এমপি মতিউর রহমান তালুকদারের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। একটি মামলায় সাজার কথা উল্লেখ করে বরগুনা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. কবীর মাহমুদ গতকাল জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বরগুনা-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মতিয়ার রহমান তালুকদারের মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। ঋণ খেলাপি হওয়ার অভিযোগে ভোলা-১ আসনে জেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম নবী আলমগীর, মো. শাহজাহান খান, টাঙ্গাইল-১ ফকির মাহাবুব আনাম স্বপন  ও টাঙ্গাইল ৬ নুর মোহাম্মদ খান, শেরপুর-১ (সদর) আসনে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. হযরত আলী, ঢাকা-১৪ আসনে সৈয়দ আবু বকর সিদ্দিক, ঢাকা-১৬ আসনে এ কে মোয়াজ্জেম হোসেন, ঢাকা-১৭ আসনে শওকত আজীজের মনোনয়নপত্র।

এ ছাড়া নানা অভিযোগে কুড়িগ্রাম-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী ঈমান আলী ও শাসসুল হক মৌলভী, নীলফামারী-৪ আসনে মো. আমজাদ হোসেন সরকার, লালমনিরহাট-২ আসনে মো. জাহাঙ্গীর আলম, মাগুরা-২ আসনে বিএনপির খন্দকার মেহেদী আল মাসুদ, পঞ্চগড়-২ আসনে ফরহাদ হোসেন আজাদ, গাইবান্ধা-৩ আসনে রফিকুল ইসলাম, সিলেট-৩ আসনে সাবেক অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমানের পিএস কাইয়ূম চৌধুরী, কিশোরগঞ্জ-১  আসনে খালেদ সাইফুল্লাহ ভিপি সোহেল ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শরীফুল ইসলাম শরীফ, কিশোরগঞ্জ-৩ সাইফুল ইসলাম ভিপি সুমন, কিশোরগঞ্জ-৪ সুরঞ্জিত ঘোষ, চাঁদপুর-৪ আসনে সাবেক এমপি লায়ন হারুনুর রশীদ, রংপুর-৪ আসনে আমিনুল ইসলাম রাঙ্গা, রংপুর-৫ আসনে ডা. মমতাজ হোসেন, সিরাজগঞ্জ-৪ আসনে রায়গঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ভিপি আইনুল হক, নোয়াখালী-৪ আসনে শাহীনুর বেগম, ঢাকা-২০ আসনে সুলতানা আহম্মেদ ও মো. তমিজুদ্দিন, শেরপুর-১ আসনে জেলা যুবদল সভাপতি শফিকুল ইসলাম মাসুদ ও সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ফজলুল কাদেরের মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

 

স্থগিতাদেশ এবং বাদপড়াদের আপিল ৩ হতে ৫ ডিসেম্বর, নিষ্পত্তি ৬ হতে ৮ ডিসেম্বর

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে বাদ পড়া প্রার্থীরা আপিল করতে পারবেন। ৩ হতে ৫ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশনে রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তারা আপিল করতে পারবে। ৬ হতে ৮ ডিসেম্বর আপিল নিস্পত্তি করবে কমিশন। ইসির নির্বাচন পরিচালনা শাখার যুগ্ম সচিব ফরহাদ আহাম্মদ খান বলেন, রিটার্নিং কর্মকর্তারা বাছাইয়ের পর যাদের আবেদন অবৈধ বা বাতিল হয়েছে, তারা নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন।

এছাড়া যাদের মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধেও সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তিরা আবেদন করতে পারবেন। আগামী ৩, ৪ ও ৫ ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে হবে। আর নির্বাচন কমিশন সেই অভিযোগ আমলে নিয়ে ৬, ৭ ও ৮ ডিসেম্বর শুনানি করে সিদ্ধান্ত দেবেন। এক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনই আপিল কর্তৃপক্ষের ভূমিকা পালন করবেন।

নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ দিয়েও কেউ আশানুরুপ ফল না পেলে আদালতেও যেতে পারবেন। এক্ষেত্রে কেউ নির্বাচিত হওয়ার পরও অভিযোগ প্রমাণ হলে সংশ্লিষ্ট বিজয়ী প্রার্থীর প্রার্থীতা বাতিল হতে পারে। প্রসঙ্গত, একাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী আগামী ৯ ডিসেম্বর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময়।

১০ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দ হবে। আর ৩০ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য ঢাকা বিভাগে ৭০৮ জন, চট্টগ্রামে ৬৮৮ জন, রংপুরে ৩৬১ জন, রাজশাহীতে ৩৫৩ জন, খুলনায় ৩৫১ জন, বরিশালে ১৮২ জন, ময়মনসিংহে ২৩৬ জন এবং সিলেট ১৭৭ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন।

মিরসরাই পশ্চিম জোয়ার ক্রীড়া সংস্থার ওয়েবসাইট উদ্বোধন ও প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

মিরসরাই প্রতিনিধি

পশ্চিম জোয়ার ক্রীড়া সংস্থার নিজস্ব ওয়েবসাইট উদ্বোধন ও ১৯ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। করেরহাট ইউনিয়নের পশ্চিম জোয়ারে অবস্থিত সংস্থার কার্যালয়ে শুক্রবার রাত ৮টায় অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও সমাজ সেবক স্বপন চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন করেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এনায়েত হোসেন নয়ন, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও ক্রীড়ানুরাগী মার্শাল কবির পান্নু, ইউপি সদস্য শহীদ উল্লাহ ও সমাজসেবক শেখ আখতার হোসেন। একই অনুষ্ঠানে সংস্থার সদস্যদের নিয়ে আয়োজিত আন্তঃক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ করা হয়।


স্বপন চৌধুরী বলেন, ‘পশ্চিম জোয়ার ক্রীড়া সংস্থা প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ভাল ভাল কাজ করে আসছে। শিক্ষা, ক্রীড়া ও সমাজ উন্নয়নে যেসকল কর্মসূচী পালন ও বাস্তবায়ন করছে তা অনেক রাজনীতিবিদ বা সমাজসেবকের পক্ষেও করা সম্ভব হয়না। আগামীতে সংস্থার সকল কাজে আমার সব ধরণের সহযোগিতা থাকবে।’
এনায়েত হোসেন নয়ন বলেন, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের অন্যতম একটি অনুসঙ্গ তথ্যপ্রযুক্তি। পশ্চিম জোয়ার ক্রীড়া সংস্থা ওয়েবসাইট উদ্বোধনের মাধ্যমে এ পথে অনেক দূর এগিয়ে গেল।’
সংক্ষিপ্ত আলোচনা পর্ব শেষে প্রথমে কম্পিউটারে ক্লিক করার মাধ্যমে ওয়েবসাইট (www.pjksbd.org) উদ্বোধন করেন অতিথিবৃন্দ। পরে কেক কেটে সংস্থার ১৯ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন করা হয়।
সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক ইমনের সঞ্চালনা ও সভাপতি তোফায়েল আমিন মাসুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন সংস্থার সহসভাপতি শরীফুল ইসলাম ঈশান, মিজানুর রহমান রুবেল, নাজিম উদ্দিন রিপন, সিনিয়র সদস্য রফিকুল ইসলাম রাশেদ, শহীদ উল্লাহ, আসাদুজ্জামান সজীব, ইমরান হোসেন পিনু, সহ-সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক এমরান হোসেন, অর্থ সম্পাদক আরিফুর রহমান, ক্রীড়া সম্পাদক রাকিবুল হাসান, অফিস সম্পাদক মারিফুল ইসলাম মুহিন, প্রচার সম্পাদক মোহাম্মদ নাঈমসহ প্রায় শতাধিক সদস্য, শুধানুধ্যায়ী ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।