মিরসরাই প্রতিনিধি
আগামী ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনের জন্য মনোনয়নপত্র যাচাই বাচাইয়ের শেষ দিন রবিবার (২ ডিসেম্বর) ৭ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছে চট্টগ্রাম জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা। ৩ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল ও বিএনপির মনোনিত প্রার্থীর মনোনয়ন স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।
মনোনয়ন যাদের বৈধ হয়েছে আওয়ামীলীগের প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। বিএনপির কামাল উদ্দিন আহাম্মেদ, মনিরুল ইসলাম ইউসুফ, ইসালামিক ফ্রন্ট এর প্রার্থী আব্দুল মন্নান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর প্রার্থী মোঃ সামসুদ্দীন, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের শেখ জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী, গণ ফেরামের প্রার্থী নুর উদ্দিন আহমেদ। মনোনয়ন স্থগিত হয়েছে বিএনপির মনোননিত প্রার্থী নুরুল আমিনের। প্রার্থীতা বাতিল হওয়া স্বতন্ত্র প্রার্থীরা হলেন বিএনপি নেতা শাহীদুল ইসলাম চৌধুরী, স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করিম ও মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন।
মিরসরাই উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা রাকিব উজ্জামান বলেন, যাচাই বাচাইয়ের শেষ দিন রবিবার চট্টগ্রাম-১ মিরসরাই আসনে ৭ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। ৩ জনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া নুরুল আমিন নামের ওই প্রার্থী উপজেলা চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগের মন্ত্রনালয় প্রেরিত কোন চিঠি দেখাতে না পারায় তার মনোনয়নপত্র আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। মন্ত্রনালয়ে আলোচনা করে সে বিষয়ে সীদ্ধান্ত নেয়া হবে।
এম মাঈন উদ্দিন, মিরসরাই ০১৮১৫৫০০৭০৫।
চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনে আওয়ামীলীগের ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ সহ ৭ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ, ৩ স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল
মনোনয়ন বাতিল হলো আলোচিত যেই প্রার্থীদের
নিজস্ব প্রতিনিধি
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য দাখিলকরা মনোনয়ন পত্র যাচাই বাছাইয়ের দিন ছিলো রোববার। এদিন বিভিন্ন কারণে বাতিল করা হয়েছে বেশ কয়েকজন আলোচিত প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র।
খালেদা জিয়া
বিবিসি বাংলা সার্ভিস জানায়, দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মনোনয়ন পত্র বাতিল করা হয়েছে ফেনী-১ আসনে। বগুড়া-৬ এবং বগুড়া-৭ আসনে খালেদা জিয়ার মনোনয়ন পত্রও বাতিল হয়েছে।
গোলাম মাওলা রনি
পটুয়াখালী-৩ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী গোলাম মাওলা রনির মনোনয়ন পত্র বাতিল করেছেন রিটার্নিং অফিসার। পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার মতিউল ইসলাম চৌধুরী জানান, ‘হলফনামায় প্রার্থীর স্বাক্ষরে একজন আইনজীবির প্রত্যয়ন দরকার হয়। তার হলফনামায় স্বাক্ষরও ছিল না এবং যেই আইনজীবির নাম উল্লেখিত ছিল তাকে যোগাযোগ করে পাওয়া যায়নি।’
রেজা কিবরিয়া
হবিগঞ্জ-১ আসন থেকে গণফোরাম মনোনীত প্রার্থী ছিলেন আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়ার ছেলে রেজা কিবরিয়া; তার মনোনয়ন পত্রও বাতিল হয়েছে। ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডের পাওনা বাকি থাকায় মনোনয়ন পত্র বাতিল হয়েছে মি. কিবরিয়ার।
কাদের সিদ্দিকী
টাঙ্গাইলে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। ঋণ খেলাপির অভিযোগে একাদশ সংসদ নির্বাচনের টাঙ্গাইলের রিটার্নিং কর্মকতা ও জেলা প্রশাসক শহীদুল ইসলাম তার মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। কাদের সিদ্দিকী টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) ও টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল সখীপুর) আসন থেকে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।
এম মোর্শেদ খান
চট্টগ্রাম-৮ আসনে বিএনপির প্রার্থী এম মোরশেদ খানের মনোননয়ন পত্র বাতিল করা হয়েছে।
গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী
মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসি কার্যকর হওয়া বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ভাই ও ভাতিজার মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) ও চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসন থেকে সাকা চৌধুরীর ভাই গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী ও তাঁর ছেলে সামির কাদের চৌধুরী চট্টগ্রাম ৬ (রাউজান) আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। ঋণ খেলাপির অভিযোগে তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়।
মীর নাছির
বিএনপি নেতা ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী মীর মো. নাছির উদ্দিন ও তাঁর ছেলে মীর মো. হেলাল উদ্দিনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। তারা চট্টগ্রাম-৫ আসন থেকে মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছিলেন। মামলা রয়েছে উল্লেখ করে ওই দুজনের মনোনয়নপত্র বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল মান্নান।
ব্যারিস্টার আমিনুল হক
রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনে বিএনপির প্রার্থী ও সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হকের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। মামলাসংক্রান্ত সার্টিফাইড কপি না থাকায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল করে দেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।
টেস্ট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জয় পেল বাংলাদেশ
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ঢাকা টেস্টে অনেক রেকর্ড গড়ে জিতল বাংলাদেশ। রোববার ইনিংস ও ১৮৪ রানে ক্যারিবীয়দের হারাল টাইগাররা। বাংলাদেশের ইতিহাসে এটিই সবচেয়ে বড় জয়।
ফলে দুই টেস্টের সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হোয়াইটওয়াশ করল সাকিবরা। এর আগে প্রথম টেস্টে ৬৪ রানে জিতে বাংলাদেশ।
আজ ম্যাচের তৃতীয় দিনে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে প্রথম ইনিংসে ১১৩ রানে অল আউট করে দেয় টাইগাররা। এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজ অল আউট হয় ২১১ রানে। বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে করেছিল ৫০৮ রান।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ আজ তাদের প্রথম শুরু করেছিল ৫ উইকেটে ৭৫ রান নিয়ে। কিন্তু বেশিক্ষণ তারা ক্রিজে থাকতে পারেনি। মধ্যাহ্ন বিরতির অনেক আগেই তারা গুঁড়িয়ে যায়। তারা প্রথম ইনিংসে খেলেছে মাত্র ৩৬.৪ ওভার।
তারা মোট ৩৯৭ রানে পিছিয়ে ছিল। এবার তাদেরকে ফলোঅনে ফেলে বাংলাদেশ। ইতিহাসে এই প্রথম কোনো দলকে ফলো অনে ফেলল বাংলাদেশ।
আর তাতেও বাজিমাত। দ্বিতীয় ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজ অল আউট হয় ২১৩ রানে।
দুই ইনিংসেই সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। প্রথম ইনিংসে তিনি নিয়েছিলেন ৭ উইকেট। আর দ্বিতীয় ইনিংসে নিয়েছেন ৫ উইকেট।
একটা সময় ছিল যখন টানা দুইবার ব্যাট করতে হতো বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের। অর্থাৎ প্রতিপক্ষের প্রথম ইনিংসের সংগ্রহের কাছাকাছি যেতে কমপক্ষে দুই ইনিংস ব্যাট করতে হতো। তবে সেই ধারা অনেকটাই বদলে গেছে, টেস্ট ক্রিকেটে গত কয়েক বছরে অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ডের মতো বড় দলকে হারানোর কৃতিত্ব অর্জন করেছে বাংলাদেশ।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে জয়ের পর দ্বিতীয় ম্যাচে বেশ কয়েকটি নতুন রেকর্ড গড়েছে বাংলাদেশ।
ইনিংস ব্যবধানে
বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ইনিংস ব্যবধানে জিতেছে বাংলাদেশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ৫০৮ রান করে সাকিবরা।
পাহাড় সমান রানের সামনে প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নামে ১১১ রানে গুটিয়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ফলোঅনে পড়ে দ্বিতীয় ইনিংসে রানে শেষ হয় ইনিংস।
প্রতিপক্ষকে প্রথমবার ফলোঅনে পাঠানো
চলতি ঢাকা টেস্টে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো কোনো দলকে টানা দুই ইনিংসে ব্যাট করতে পাঠিয়েছে।
সম্প্রতি জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টেও বাংলাদেশর সামনে সুযোগ ছিল জিম্বাবুয়েকে ফলোঅনে দ্বিতীয়বার ব্যাট করানোর। কিন্তু ওই ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে ফলোঅনে না পাঠিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ।
প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ ৫০৮ রান তোলে, অর্থাৎ ফলোঅন এড়াতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কমপক্ষে ৩০৮ রান তোলা প্রয়োজন ছিল।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ তাদের প্রথম ইনিংসে ১১১ রানে গুটিয়ে যায়।
এরপর ফের ব্যাট করতে নামে ক্যারিবিয়ানরা।
প্রত্যেক ব্যাটসম্যান দুই অঙ্কের ঘরে রান
টেস্ট ইতিহাসে কোনো ইনিংসে একটি দলের প্রতিটি ব্যাটসম্যান দুই অঙ্কের রান করেছে ১৪ বার। মানে ১১ জন ব্যাটসম্যানই কমপক্ষে ১০ রান তুলেছে।
এই ঘটনা ক্রিকেট ইতিহাসে বাংলাদেশ করেছে গতকালই প্রথম।
বাংলাদেশ মোট ৫০৮ রান তোলে। যেখানে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ সেঞ্চুরি করেন এবং সাদমান ইসলাম অনিক, সাকিব আল হাসান ও লিটন দাস করেন ফিফটি।
বাকিরা সবাই কমপক্ষে১০ রান তোলেন।
সবশেষ ২০১৬ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকার সব ব্যাটসম্যান দুই অঙ্কের ঘরে রান করেন।
প্রথম পাঁচ ব্যাটসম্যান বোল্ড আউট
ঢাকা টেস্টের প্রথম ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম পাঁচ ব্যাটসম্যানকে বোল্ড আউট করেন বাংলাদেশের স্পিনাররা। সাকিব আল হাসান দুটি ও মেহেদি মিরাজ তিনটি উইকেট নেন।
প্রথম পাঁচজন ব্যাটসম্যানেরই বোল্ড হওয়া টেস্ট ক্রিকেট এর আগে দেখেছিল ১২৮ বছর আগে, ১৮৯০ সালে।
১৮৯০ সালে ওভাল টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংসে প্রথম ৫ ব্যাটসম্যানকে বোল্ড করেছিলেন দুই ইংলিশ পেসার ফ্রেড মার্টিন ও জর্জ লোম্যান।
এর আগে টেস্ট ইতিহাসের তৃতীয় টেস্টে মেলবোর্নে ইংল্যান্ডের প্রথম সাতজন ব্যাটসম্যানকে বোল্ড করেছিল অস্ট্রেলিয়া।
অভিষেকে সবচেয়ে বেশি বল খেলা ওপেনিং ব্যাটসম্যান
এই টেস্টে অভিষেক হয়েছে সাদমান ইসলাম অনিকের। অভিষেক ইনিংসে রান করেছেন ৭৬। খেলেছেন ১৯৯ বল। অভিষেক ইনিংসে বাংলাদেশের হয়ে এতা বল খেলেননি কোনো অভিষিক্ত ওপেনিং ব্যাটসম্যান।
টেস্ট ক্রিকেটে এর আগে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি বল খেলা ওপেনিং ব্যাটসম্যান ছিলেন নাজিমউদ্দিন। ২০১১ সালে চট্টগ্রামে পাকিস্তানের সাথে ১৮৬ বল খেলে ৭৮ রান করেন এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান। তবে অভিষেক টেস্ট হলেও ওই ইনিংসটি ছিল নাজিউদ্দিনের দ্বিতীয় ইনিংস।
এই ইনিংস খেলতে সাদমান ২২০ মিনিট টিকে ছিলেন।
চট্টগ্রামে যাদের মনোনয়ন বাতিল হলো
নিজস্ব প্রতিনিধি
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আজ থেকে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শুরু হয়েছে। সব হিসাব-নিকাশ শেষে চূড়ান্ত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হবে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন ৯ ডিসেম্বরে।
চট্টগ্রামে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে যাদের মনোনয়ন বাতিল হলো-
(চট্টগ্রাম-১) মিরসরাই আসনে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহীদুল ইসলাম চৌধুরী, দুই স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করিম ও মোশারফ হোসেন। (চট্টগ্রাম-২) ফটিকছড়ি আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা গিয়াস উদ্দীন কাদের চৌধুরী ও জাকের পার্টির আবদুল হাই। (চট্টগ্রাম-৩) সন্দ্বীপ আসনে বিএনপির প্রার্থী সাবেক সাংসদ মোস্তাফা কামাল পাশা ও জাসদ (ইনু) আবুল কাশেম। (চট্টগ্রাম-৬) রাউজান আসনে বিএনপির সামির কাদের চৌধুরী।
(চট্টগ্রাম-৮) আসনে সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম মোর্শেদ খান ও এরশাদ উল্লাহ। (চট্টগ্রাম-১৩) পটিয়া আসনে এলডিপির প্রার্থী কেন্দ্রীয় এলডিপির শিল্প-বাণিজ্য সম্পাদক এম ইয়াকুব আলী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু তালেব বেলালী। (চট্টগ্রাম-৭) রাঙ্গুনিয়া অাসনে বিএনপির তিন প্রার্থী গিয়াস উদ্দীন কাদের চৌধুরী, আবু আহমেদ হাসনাত ও আবদুল আলীম। (চট্টগ্রাম-১৫) সাতকানিয়া-লোহাগড়া আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমীর জাফর সাদেক ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুর জব্বার। (চট্টগ্রাম-১৩) আনোয়ারা-কর্ণফুলী আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী কর্ণফুলী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি সৈয়দ জামাল আহমদ, বিএনএফ প্রার্থী নারায়ন রক্ষিত ও গণফোরামের উজ্জল ভৌমিক। (চট্টগ্রাম-১৪) চন্দনাইশ আসনে তরিকত ফেডারেশনের প্রার্থী মোহাম্মদ আলী ফারুকী, স্বতন্ত্র মনিরুল ইসলাম, মো. শাহজাহান ও জসিম উদ্দীন।
চট্টগ্রাম জেলা রির্টানিং কার্যলয়ের থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
চট্টগ্রামে ভোট হবে ১ হাজার ৮৯৯ কেন্দ্র ও ১০ হাজার ৬৯২ কক্ষে : কেন্দ্র বেড়েছে ৫৯টি
নিউজ ডেস্ক..
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামে ভোটকেন্দ্র বেড়েছে ৫৯টি। পাশাপাশি ভোটকক্ষ ও ভোটার সংখ্যাও বেড়েছে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামে ১ হাজার ৮৯৯ কেন্দ্র ও ১০ হাজার ৬৯২ কক্ষে ভোট হবে।
দশম সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম জেলায় ভোটকেন্দ্র ছিল ১৮৪০টি, ভোটকক্ষ ৯ হাজার ৮৬৭টি।ইতোমধ্যে তালিকা চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য নির্বাচন কমিশনে (ইসি) পাঠিয়েছে জেলা নির্বাচন অফিস।
তালিকা অনুযায়ী, মিরসরাই আসনে ১০৪, সদ্বীপে ৭৯, ফটিকছড়িতে ১৩৬, সীতাকুণ্ডে ১০৮, হাটহাজারীতে ১৪০, রাউজানে ৮৪, রাঙ্গুনিয়ায় ৯৬, বোয়ালখালীতে ১৭০, কোতোয়ালীতে ১৪৪, বন্দরে ১১৭, পাহাড়তলীতে ১৪৩, পটিয়ায় ১১১, আনোয়ারায় ১০৬, চন্দনাইশে ১০৪, সাতকানিয়ায় ১৪৭ ও বাঁশখালী আসনে ১১০টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে।
চট্টগ্রামে সংসদীয় আসন ১৬টি। মহানগর ও উপজেলা নিয়ে এসব আসন গঠিত। ইতোমধ্যে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লড়তে আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
১৬ আসনে মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে ১৮০টি। এর মধ্যে বোয়ালখালীতে সর্বোচ্চ ১৫টি এবং রাউজানে সর্বনিম্ন ৪টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে। রোববার (২ ডিসেম্বর) মনোনয়ন যাচাই-বাছাই হবে।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য তৈরি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা অনুযায়ী, চট্টগ্রাম জেলায় ভোটার সংখ্যা ৫৬ লাখ ৩৬ হাজার ২৫৪ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ২৯ লাখ ১১ হাজার ২১৬ ও মহিলা ভোটার ২৭ লাখ ২৫ হাজার ৩৮ জন।
দশম সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম জেলায় ভোটার সংখ্যা ছিল ৪৯ লাখ ২২ হাজার ৪৭৭ জন। পুরুষ ভোটার ২৫ লাখ ১৪ হাজার ৫৭৫ ও মহিলা ভোটার ২৪ লাখ ৭ হাজার ৯০২ জন।
জেলা নির্বাচন অফিসার মো. মুনীর হোসাইন খান বলেন,‘ভোটকেন্দ্র ও কক্ষের তালিকা চূড়ান্ত করে অনুমোদনের জন্য ইসিতে পাঠানো হয়েছে।’
‘পাঁচ বছরের ব্যবধানে চট্টগ্রামে ভোটার বেড়েছে ৭ লাখ। এছাড়া অনেক কেন্দ্রের অবকাঠামো পরিবর্তন হয়েছে। তাই ভোটকেন্দ্র বাড়াতে হয়েছে।’ যোগ করেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা।
হিরো আলমের মনোনয়ন পত্র বাতিল
ডেস্ক
আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসন থেকে জাতীয় পার্টির মনোনয়ন সংগ্রহ করেও না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া আশরাফুল ইসলাম আলম ওরফে হিরো আলমের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।
রোববার (২ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে যাচাই-বাছাই শেষে জেলা রিটার্নিং অফিসার ফয়েজ আহাম্মদ মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন।
নির্বাচনী এলাকার মোট ভোটারের ১ শতাংশের স্বাক্ষর লাগে স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে। হিরো আলম ৩ হাজার ৫শ’ ভোটারদের স্বাক্ষর-সম্বলিত তালিকা জমা দিয়েছিলেন। তার মধ্যে থেকে ১০ জনের তালিকা যাচাইকালে তিনজনের ভোটারের তালিকা ভুয়া পাওয়া যায়। এ কারণে তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। জাতীয় পার্টি থেকে মনোনয়নের ফরম সংগ্রহ করেন হিরো আলম। তবে দলটির মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন হিরো আলম। গত ২৮ নভেম্বর বগুড়া-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নন্দীগ্রাম উপজেলার সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ইউএনও মোছা. শারমিন আখতারের কাছে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন তিনি।
ছাত্রদল নেতা আকবরের মৃত্যুতে নুরুল আমিন চেয়ারম্যানের শোক

নিজস্ব প্রতিনিধি
ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত মিরসরাই উপজেলা ছাত্রদল নেতা মোঃ আকবরের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন মিরসরাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আগামী ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১ মিরসরাই আসনে বিএনপির দলীয় প্রার্থী নুরুল আমিন। রবিবার সকালে তাঁর জানাযার পূর্বে উপস্থিত হয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন।
নুরুল আমিন বলেন, আমরা একজন নিবেদিত ছাত্রদল নেতাকে হারিয়েছি। যে শোক ভূলার মত নয়, তারপরও সকলকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। তিনি উপস্থিত সকলের কাছে তাঁর জন্য দোয়া কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

জানা গেছে, গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় মিরসরাই উপজেলার বারইয়ারহাটে ট্রেনে কাটা পড়ে আকবর হোসেন (৩৫) নামে ছাত্রদলের সাবেক নেতা মৃত্যু হয়েছে। সে উপজেলার ৮ নং দুর্গাপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক ছিলেন। আকবর দূর্গাপুর ইউনিয়নের পূর্ব দূর্গাপুর গ্রামের গণি আহম্মদের পুত্র।
রবিবার সকাল ১০টায় জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
শেখ হাসিনা হারলে কারো পিঠের চামড়া থাকবে না : জেনারেল মাসুদ উদ্দিন
নিউজ ডেস্ক..
সোনাগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় করেছেন ফেনী-৩ (সোনাগাজী-দাগনভূঞা) আসনে মহাজোট মনোনীত প্রার্থী জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য লে. জে. (অব:) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো: রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক, পৌর মেয়র অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম খোকনের সঞ্চালনায় বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন ফেনী জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি নাজমা আক্তার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এম এ মজিদ ভুলু মিয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জহিরুল আলম জহির, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক আহ্বায়ক মফিজুল হক, উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি হাজী আবু মো: সুফিয়ান, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি সেলিম পাটোয়ারী, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মো: ফারুক হোসেন, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আজিজুল হক হিরণ, চরচান্দিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন মিলন, চরমজলিসপুর ইউপি চেয়ারম্যান এম এ হোসেন, মঙ্গলকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন বাদল, বগাদানা ইউপি চেয়ারম্যান ইসহাক খোকন, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম ভুট্ট, মতিগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান রবিউজ্জামান বাবু, মহিলা আওযামী লীগের সাধারণ সম্পাদিকা খোদেজা খানম শাহীন, মুক্তিযোদ্ধা মো: ইসমাঈল, পৌর কাউন্সিলর নূরনবী লিটন ও শেখ মামুন প্রমুখ।
এ সময় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে কাজ করে যাচ্ছি। ফেনী-৩ আসনে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আমি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছি। তিনি মান অভিমান ভুলে আগামী ৩০ ডিসেম্বর মহাজোটের সব নেতাকর্মী ঐক্যবদ্ধ হয়ে লাঙল প্রতীকে ভোট দিয়ে তাকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান। মহাজোটের প্রার্থী হারলে শেখ হাসিনা হারবেন। আর শেখ হাসিনা হারলে কারো পীঠের চামড়া থাকবে না। দলের বিদ্রোহী প্রার্থীদের ব্যাপারে তিনি বলেন, তাদের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
মিরসরাইয়ে ট্রেনের ধাক্কায় সাবেক ছাত্রদল নেতা নিহত, জানাযা শেষে দাফন সম্পন্ন

মিরসরাই প্রতিনিধি
মিরসরাইয়ে ট্রেনে কাটা পড়ে আকবর হোসেন (৩৫) নামে ছাত্রদলের সাবেক এক নেতার মৃত্যু হয়েছে। সে উপজেলার ৮ নং দুর্গাপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক ছিলেন। আকবর দূর্গাপুর ইউনিয়নের পূর্ব দূর্গাপুর গ্রামের গণি আহম্মদের পুত্র। শনিবার (১ ডিসেম্বের) সন্ধ্যায় বারইয়ারহাট পৌরসভার রেল গেইট এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার সন্ধ্যায় ব্যবসায়িক কাজে বারইয়ারহাট বাজারে যায় আকবর হোসেন। এসময় সে বারইয়ারহাট রেল গেইট এলাকায় সড়ক পারাপারের সময় একটি চলন্ত ট্রেন তাকে ধাক্কা দেয়। ট্রেনের ধাক্কায় সে ঘটনাস্থলে মৃত্যুবরণ করে।
রবিবার সকাল ১০টায় জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। জানাযায় উপস্থিত ছিলেন আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মিরসরাই আসনে বিএনপির দলীয় প্রার্থী নুরুল আমিন চেয়ারম্যান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাঈন উদ্দিন মাহমুদ ও উপজেলা জাসাসের আহবায়ক প্রফেসর এসএম সেলিম নিজামীসহ রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।

এবিষয়ে জোরারগঞ্জ থানার সেকেন্ড অফিসার আবেদ আলী জানান, এটি জিআরপি পুলিশের বিষয়। তবু জোরারগঞ্জ থানা পুলিশের একটি ট্রিম ঘটনাস্থলে পৌছে। তবে পুলিশ পৌছার পূর্বে নিহতের স্বজনরা লাশ নিয়ে গেছে।
দাপট চলল স্পিনারদেরই, এক সেশনে ৯ উইকেট
নিজস্ব প্রতিনিধি
ঢাকা টেস্টের তৃতীয় দিনে দুর্দান্ত একটি সেশন শেষ করলো টাইগাররা। স্পিনাররা ক্যারিবীয় শিবিরে ত্রাস সৃষ্টি করে শিকার করে নিয়েছেন নয়টি উইকেট। তিন স্পিনার সাকিব আল হাসান, মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলামই দাপট দেখিয়ে চলেছেন।
সকালে ৫ উইকেটে ৭৫ রান নিয়ে ক্রিজে আসেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের দুই ব্যাটসম্যান সিমরন হেটমিয়ার ও শন ডোরিচ। কাল ৪৬ রানের পার্টনারশিপ গড়ে দিন শেষ করেছিলেন এই জুটি। কিন্তু আজ এই জুটির ভাঙন ধরান মিরাজ। শুরুতেই সাজঘরে ফেরান হেটমিয়ারকে। এরপর ত্রাস সৃষ্টি করে আরো তিনটি উইকেট শিকার করে নেন এই তরুণ স্পিনার। ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংসে কফিনে পেরেক ঠুকেন সাকিব। ১১১ রানেই গুটিয়ে যায় ক্যারিবীয়রা।
প্রথম ইনিংসের উইকেট ভাগাভাগি করে নেন সাকিব আর মিরাজ। একাই সাতটি উইকেট শিকার করেন মিরাজ। আর তিনটি সাকিব।
ফলোঅনে পড়ে আবার দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কিন্তু স্পিনারদের দাপট তখনো অব্যাহত। ক্রিজে টিকে থাকাটাই মুশকিল হয়ে উঠে ক্যারিবীয় ব্যাটসম্যানদের। প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও প্রথম ওভারের শেষ বলে আঘাত হানেন সাকিব। সাজঘরে ফেরান ওপেনার ক্রেইগ ব্রেথওয়েটকে।
এর পর দ্বিতীয় উইকেটটি শিকার করেন মিরাজ। বিদায় করেন আরেক ওপেনার কাইরন পাওয়েলকে।
এই দুই স্পিনারের রাজত্বে ভাগ বসাতে আসেন তাইজুল ইসলাম। জোড়া আঘাত হেনে সাজঘরে ফেরান সুনিল অ্যামব্রিস ও রস্টোন চেজ।
এখন মধ্যাহ্নের বিরতি চলছে। ক্যারিবীয়দের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ৪৬ রান।

