শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Home Blog Page 69

মিরসরাইয়ে ছেলে রুহেলের জন্য ভোটের মাঠে মা আয়েশা

মিরসরাই প্রতিনিধি
আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১ মিরসরাই আসনে আওয়ামী লীগের মনোনিত প্রার্থী মাহবুব উর রহমান রুহেলের নৌকা প্রতিকে ভোট প্রার্থনায় মাঠে নেমেছেন মা আয়েশা মোশাররফ। প্রতিদিন তিনি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বাড়ি বাড়ি গিয়ে গনসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।

শুক্রবার (২২ ডিসেম্বর) বিকেলে মিরসরাই উপজেলার মঘাদিয়া ইউনিয়নের আবুতোরাব জলদাস পাড়া, মাস্টার পাড়া হিন্দু পাড়া, মঘাদিয়া দাসপাড়ায় গনসংযোগ করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ছিলেন মিরসরাই উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ইসমত আরা ফেন্সী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য হাজী বেলাল, নুরুল গনি, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আরিফ মাঈনুদ্দীন, মঘাদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি তোফায়েল উল্ল্যা চৌধুরী নাজমুল, মঘাদিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীরের সহধর্মিণী রেহানা আক্তার, মঘাদিয়া ইউনিয়নের সদস্য নুর ছাপা, রবিউল রনি, সংরক্ষিত ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য নুর নাহার, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম, বর্তমান সভাপতি আবু নছর রিপন সহ নেতৃবৃন্দ।

আয়েশা মোশাররফ বলেন, আমার স্বামী সাবেক সফল মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এ আসন থেকে সাতবার এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি দীর্ঘ ৫৪ বছর মিরসরাইবাসীর জন্য নিজেকে উজাড় করে দিয়েছেন। আগে স্বামীর জন্য ভোট চেয়েছি। এই প্রথম ছেলের জন্য ভোট চেয়ে আপনাদের দুয়ারে এসেছি। আমার ছেলে এমপি নির্বাচিত হলে তাঁর বাবার পদাংক অনুসরণ করে আপনাদের জন্য কাজ করে যাবেন। তাই আপনার আগামী ৭ জানুয়ারি আমার ছেলেকে নৌকা প্রতিকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করার অনুরোধ করছি।

 

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বিএনপির বিক্ষোভ

মিরসরাই প্রতিনিধি

বিএনপির ডাকে ১২তম দফা অবরোধের প্রথমদিন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে  বিক্ষোভ মিছিল করেছে মিরসরাই উপজেলা বিএনপি। মঙ্গলবার ( ১৯ ডিসেম্বর) ভোরে মিরসরাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক নুরুল আমিন চেয়ারম্যানের নির্দেশে এ কর্মসূচি পালন করেছে নেতা-কর্মীরা।

উপজেলা বিএনপির সদস্য শাহীনুল ইসলাম স্বপন জানান, দলের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে মঙ্গলবার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেছে বিএনপি।
দাবী আদায় না হওয়া পর্যন্ত কেন্দ্রীয় নির্দেশে আন্দোলন সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

মিরসরাই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী গিয়াস উদ্দিনের ২৭ দফা ইশতেহার ঘোষণা

 

মিরসরাই প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হিসেবে লড়ছেন মিরসরাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন। ঈগল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী মাঠে নামা গিয়াস উদ্দিন স্মার্ট, সমৃদ্ধ ও সম্প্রীতির মিরসরাই গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। ২৭ দফা প্রতিশ্রুতি নিয়ে মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় গিয়াস উদ্দিনের মিরসরাই পৌরসদরের লতিফিয়া সড়কের প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে ইশতেহার ঘোষণা করেন।

ইশতেহারে তিনি যেসব বিষয়কে প্রাধান্য দিয়েছেন সেগুলো হলো মিরসরাইকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, কিশোরগ্যাং, দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত করে স্মার্ট, সমৃদ্ধ ও সম্প্রীতির মিরসরাই গড়ে তোলা, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগরে মিরসরাইবাসীকে অগ্রাধিকারভিত্তিতে চাকুরির ব্যবস্থার জন্য শিল্পমালিকদের দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে নির্দেশনা দিয়েছেন সেই নির্দেশনা বাস্তবায়নে কাজ করা এবং যোগ্যতা অনুযায়ী কর্মসংস্থান নিশ্চিতে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সকল নাগরিক সুবিধাসমূহ নিশ্চিত করা এবং অরক্ষিত গণকবর চিহ্নিত করে সংরক্ষণের উদ্যোগ, শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষাঙ্গনে দক্ষ পরিচালনা পরিষদ গঠন ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে সর্বোচ্চ ভ‍‍ূমিকা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সহশিক্ষা কার্যক্রম জোরদারের পাশাপাশি শিক্ষকদের নিয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে মতবিনিময়ের ব্যবস্থা এবং যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আইসিটি ল্যাব, লাইব্রেরী, শহীদ মিনার ডিজিটাল বিজ্ঞানাগার নেই সেসব প্রতিষ্ঠানে সেগুলো গড়ে তোলা, মিরসরাইবাসীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কমিউনিটি ক্লিনিক, ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের সেবার মান তদারকি, তরুণ প্রজন্মকে মেধাবী হিসেবে গড়ে তুলতে পড়াশোনার পাশাপাশি ক্রীড়াঙ্গনে মনযোগী করতে মিরসরাই উপজেলা স্টেডিয়ামসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠগুলোকে সবসময় খেলাধুলার উপযোগী রাখার চেষ্টা এবং স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণসহ বড় পরিসরে টুর্ণামেন্ট আয়োজন, দেশের লাইফলাইনখ্যাত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মিরসরাই অংশের ৩০ কিলোমিটারে প্রতিনিয়তই দুর্ঘটনায় অনেকেই প্রাণ হারাচ্ছেন আবার অনেকেই সুচিকিৎসার অভাবে অকালেই পঙ্গু হচ্ছেন তাই দুর্ঘটনায় আহতদের দ্রুত সেবা নিশ্চিতকরণে ট্রমা সেন্টার স্থাপনে উদ্যোগ, মিরসরাইয়ের পাহাড়ে অসংখ্য ঝর্ণা রয়েছে সেগুলোকে পর্যটকদের জন্য নিরাপদ করে গড়ে তুলে সরকারী রাজস্ব আয়ে উদ্যোগ এবং দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম কৃত্রিম লেক মহামায়া ও দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সেচ প্রকল্প মুহুরী প্রজেক্টকে আরো কিভাবে পর্যটকবান্ধব করা যায় সেজন্য ব্যবস্থা, শিশুপার্ক গড়ে তোলা, মিরসরাইবাসীর বিভিন্ন সমস্যা জানতে এবং সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে মাসিক উন্মুক্ত মতবিনিময় সভার আয়োজন, মিরসরাই বিসিক শিল্পনগরীতে এখনো যেসব প্লট পতিত ও পরিত্যক্ত অবস্থায় আছে সেসব প্লটে শিল্প ইউনিট স্থাপনের জন্য শিল্পোদ্যোক্তাদের আগ্রহী করার পদক্ষেপ গ্রহণ, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও ভেজালরোধে মোবাইল কোর্ট এবং খাদ্যদ্রব্যের মান নিয়ন্ত্রনে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন, সবুজ মিরসরাই গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রতি বছর বিনামূল্যে বৃক্ষরোপনের উদ্যোগ ও বৃক্ষরোপনে উদ্বুদ্ধকরণ সভা-সেমিনারের আয়োজন এবং বৃক্ষনিধনে জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা, প্রতিবন্ধীদের সুশিক্ষিত জাতি হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিদ্যাপীঠ গড়ে তোলা এবং সরকার প্রদত্ত সকল সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা, বেকার যুবকদের কর্মমুখী করে গড়ে তুলতে কারিগরি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, কৃষকদের উৎপাদিত ফসল সংরক্ষণের জন্য হিমাগার স্থাপন, বিজয় দিবসকে স্মরণীয় করে রাখতে এবং তার তাৎপর্য তরুণদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে বিজয় মেলাসহ নানা আয়োজন এবং মাতৃভাষা দিবসের গুরুত্ব সবার মাঝে তুলে ধরতে বই মেলার আয়োজনসহ নানা উদ্যোগ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সর্বদা স্বাভাবিক রাখতে পর্যাপ্ত পরিবহনের ব্যবস্থা, মিরসরাইয়ের অধিকাংশ খাল ও চরা পানি ধারণক্ষমতার অনুপোযোগী হয়ে পড়েছে সেসব খাল ও চরা খনন করে তিন মৌসুমে ফসল উৎপাদন নিশ্চিতে উদ্যোগ, ভূমি অফিসে সাধারণ জনগণের দুর্ভোগ লাগবে উদ্যোগ, মিরসরাইয়ের অসংখ্য গ্রামীণ সড়কের বেহাল দশা বিরাজ করছে। বিশেষ করে জোরারগঞ্জ-টেকেরহাট সড়ক ও জোরারগঞ্জ-আবুরহাট সড়কে প্রতিনিয়ত মানুষের চরম দুর্ভোগ নিরসনে দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ এবং যেসব সড়কে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি সেসব সড়ক সংস্কারের যথাযথ ব্যবস্থা, নারীদের স্বাবলম্বী করে তুলতে নানামুখী উদ্যোগ, যুব সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে নানামুখী উদ্যোগ ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে ঢেলে সাজানো, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগরসহ মিরসরাইয়ে গড়ে উঠা বিভিন্ন শিল্পকারখানার বর্জ্য ব্যবস্থাপনার প্রতি নজরদারি এবং শিল্পকারখানায় যেন ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবহার না করে ভূ-পৃষ্ঠীয় পানি ব্যবহার করে সেইক্ষেত্রে ভূমিকা রাখা, জোরারগঞ্জ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রুপান্তরে উদ্যোগ, সনাতনী সম্প্রদায়ের জন্য কেন্দ্রীয় মডেল মহাশশ্মশান গড়ে তোলাসহ মডেল মন্দির নির্মাণ, বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের জন্য মডেল বৌদ্ধ মন্দির নির্মাণসহ সকল বৌদ্ধ উপসনালয়ের উন্নয়নে ভূমিকা রাখা।

গিয়াস উদ্দিনের প্রধান নির্বাচনী সমন্বয়কারী ও কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য নিয়াজ মোর্শেদ এলিট বলেন, মফস্বলের সাংবাদিকরা সাংবাদিকতার প্রাণ। তাদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় তৃনমূলের খবরাখবর দেশবাসী জানতে পারেন। আমাদের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী গিয়াস উদ্দিনও তৃণমূল থেকে উঠে আসা নেতা। আপনাদের প্রতি আহবান থাকবে এই তৃনমূলের নেতার পাশে আপনারা নির্বাচন প্রক্রিয়ার শেষ পর্যন্ত পাশে থেকে সহযোগিতা করবেন।

এসময় নেতাকর্মীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গিয়াস উদ্দিনের প্রধান নির্বাচনী সমন্বয়কারী ও কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য নিয়াজ মোর্শেদ এলিট, মিরসরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক ও নির্বাচন সমন্বয়ক নুরুল হুদা, নির্বাচন সমন্বয়ক ও সাবেক ছাত্রনেতা কামরুল হাসান শাহীন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক নুরুল আলম, বারইয়ারহাট পৌরসভার সাবেক কমিশনার ইমাম হোসেন, খৈয়াছড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জাহেদ ইকবাল চৌধুরী, মিরসরাই সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি বরিউল হোসেন রবি, মায়ানী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক এসএম গোলাম সরওয়ার, জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি নিজাম উদ্দিন, আওয়ামী লীগ নেতা ফিরোজ উদ্দিন বাদল, নিজামপুর সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ইমাম উদ্দিন, মিরসরাই কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক এসএম সেলিম, মিরসরাই উপজেলা যুবলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি শেখ আবদুল আউয়াল তুহিন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য মাইনুল ইসলাম মিল্টন, কেন্দ্রীয় বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলার দপ্তর সম্পাদক আছিফুর রহমান শাহীন প্রমুখ।

 

সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও ভূমিদস্যুমুক্ত স্মার্ট মিরসরাই গড়ে তুলবো-গিয়াস উদ্দিন

 

মিরসরাই প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন প্রতীক পাওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন। মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০ টায় বড় দারোগারহাট বাজার থেকে প্রচারনা শুরু হয়ে দুপুর ২ টায় শেষ হয় মিরসরাই পৌরসদরের প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে গিয়ে। এসময় ঈগল প্রতীক নিয়ে লড়া গিয়াস উদ্দিন ১২ টি বাজারে গনসংযোগ করেন এবং দুইটি স্থানে পথসভা করেন।

পথসভায় বক্তব্য প্রদানকালে তিনি বলেন, ‘আমি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও ভূমিদস্যুমুক্ত স্মার্ট মিরসরাই গড়ে তুলবো। আমি আশাবাদী নির্বাচন শতভাগ সুষ্ঠ হবে। মানুষ যদি সুন্দরভাবে ভোট দিতে পারে আমি ৬০ শতাংশ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবো। সুষ্ঠ পরিবেশে আগামী ৭ জানুয়ারি আমার প্রিয় মিরসরাইবাসী যে রায় দিবেন তা আমি মাথা পেতে নেবো। দেশরতœ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চেয়েছেন উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন হবে। আজ সেটাই প্রমান হয়েছে। আমি যখন নির্বাচনী প্রচারণায় বের হয়েছি জনগনের স্বতস্ফূর্ত সাড়া পাচ্ছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘মিরসরাইয়ে দক্ষিণ এশিয়ার স্মার্ট সিটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর হচ্ছে। এই শিল্পশহরের পরিবেশ যদি চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসমুক্ত না হয় তাহলে বিনিয়োগকারীরা এখানে আসবে না। আমি শিল্পশহরে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করবো। আমি অতীতেও আপনাদের সাথে ছিলাম। যতদিন বেঁচে থাকবো আপনাদের সাথে থাকবো। আমি আপনাদেরই লোক।’

ঈগল প্রতীকের প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন মঙ্গলবার সকাল থেকে গনসংযোগ করেন বড় দারোগারহাট, নিজামপুর সরকারি কলেজ বাজার, হাদিফকিরহাট, বড়তাকিয়া, মিরসরাই সদর, মিঠাছরা, ঠাকুরদিঘী, মস্তাননগর বিশ^রোড়, জোরারগঞ্জ, বারইয়ারহাট, করেরহাট ও ছদরমাদিঘী এলাকায়। এসময় বারইয়ারহাট পৌরবাজার ও করেরহাট বাজারে পথসভা করেন। পথসভা ও গনসংযোগে স্থানীয় নেতাকর্মীরা অংশগ্রহন নেন।

এসময় নেতাকর্মীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গিয়াস উদ্দিনের প্রধান নির্বাচনী সমন্বয়কারী ও কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য নিয়াজ মোর্শেদ এলিট, মিরসরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক ও নির্বাচন সমন্বয়ক নুরুল হুদা, নির্বাচন সমন্বয়ক ও সাবেক ছাত্রনেতা কামরুল হাসান শাহীন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক নুরুল আলম, বারইয়ারহাট পৌরসভার সাবেক কমিশনার ইমাম হোসেন, ওচমানপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক, খৈয়াছড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জাহেদ ইকবাল চৌধুরী, মিরসরাই সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি বরিউল হোসেন রবি, মায়ানী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক এসএম গোলাম সরওয়ার, জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি নিজাম উদ্দিন, আওয়ামী লীগ নেতা ফিরোজ উদ্দিন বাদল, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোশাররফ হোসেন, মিরসরাই উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আলা উদ্দিন, নিজামপুর সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ইমাম উদ্দিন, মিঠানালা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি হাসান রেজা রুমি, মিরসরাই উপজেলা যুবলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি শেখ আবদুল আউয়াল তুহিন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য মাইনুল ইসলাম মিল্টন, কেন্দ্রীয় বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলার দপ্তর সম্পাদক আছিফুর রহমান শাহীন, সাবেক ছাত্রনেতা হাসান হাবিব রনি প্রমুখ।

 

আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী রুহেলের ২২ দফা ইশতেহার ঘোষণা

মিরসরাই প্রতিনিধি ::
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১ মিরসরাই আসনে ২২ দফা প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মাহবুব উর রহমান রুহেল। ‘স্মার্ট বাংলাদেশের মডেল হবে মিরসরাই’ শিরোনামে এই ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতির মধ্যে রয়েছে সবুজ পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব মিরসরাই গড়ার প্রত্যয়। নির্বাচিত হলে তিন মাসের মধ্যে চাঁদাবাজি ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। সোমবার (১৮ ডিসেম্বর) মিরসরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে মাহবুব উর রহমান রুহেল তার ২২ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন।
এ সময় চট্টগ্রাম উত্তরজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আতাউর রহমান, মিরসরাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন, মিরসরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক একে এম জাহাঙ্গীর ভুঁইয়া,মিরসরাই পৌরসভার মেয়র গিয়াস উদ্দিন, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ফেরদৌস হোসেন আরিফ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শাখাওয়াত উল্লাহ রিপন, ভিপি নিজাম উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন মনছুর, মিরসরাই পৌরসভা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাফর উদ্দিন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তানভীর হোসেন চৌধুরী তপুসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাচনী ইশতেহারে আছে পরিকল্পিত আবাসন, পরিকল্পিত মডেল উপজেলা গঠন, সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক (আইটি পার্ক) নির্মাণ, দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা, পর্যটন স্পটগুলোকে ইকো ট্যুরিজম হাব, নিরাপদ গ্রীণ মিরসরাই প্রতিষ্ঠা, দুই ও তিন ফসলী কৃষিজমি রক্ষা, বিদেশগমনকারীদের টেকসই চাকুরির নিশ্চয়তা প্রদান করতে প্রশিক্ষণ প্রদান, নারী সমাজকে আধুনিক শিক্ষা ও সামাজিক নিরাপত্তা প্রদান, সম্প্রীতির মিরসরাই, সন্ত্রাস ও মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন, খেলার মাঠ তৈরির উদ্যোগ, সাধারণ মানুষের দৌড় গড়ায় সকল সেবা প্রদান, পশ্চাৎপদ জনগোষ্ঠীর জীবন-মান উন্নয়ন, বঙ্গবন্ধু শিল্প নগরে স্থানীয় বেকার যুবকদের জন্য কোটা সংরক্ষণ করে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা, সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য সেবার নিশ্চয়তার প্রদান, ভূমি ও গৃহহীন মানুষের আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বীর নিবাস বৃদ্ধি করা, জেলে সম্প্রদায়ের জীবন মান উন্নয়ন ও তাদের পূণর্বাসন, উৎপাদিত ফসলাদি সংরক্ষণের জন্য হিমাগার নির্মাণ, মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত স্থান সমূহ সংরক্ষণ, বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সরকারি-সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করা।

মিরসরাইয়ে পাকিস্তানের জার্সি গায়ে শহীদ মিনার ভাংচুর, যুবক আটক

মিরসরাই প্রতিনিধি :::
মিরসরাইয়ে পাকিস্তানের জার্সি গায়ে শহীদ মিনার ভাংচুরের অভিযোগে মো. আব্দুর রহিম প্রকাশ হৃদয় (২২) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। রবিবার (১৭ ডিসেম্বর) বিকালে বামনসুন্দর বাজারে অভিযান চালিয়ে আটক করে জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ। আটক আব্দুর রহিম কাটাছরা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের বামন সুন্দর এলাকার ইমন আলী বলি বাড়ির অলি উল্ল্যাহ প্রকাশ শাহাব মিয়ার পুত্র।

জানা গেছে, শনিবার (১৬ ডিসেম্বর) মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বামন সুন্দর এফএ উচ্চ বিদ্যালয় শহীদ মিনারে বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। দুপুরে যখন সবাই ছিলো না তখন আব্দুর রহিম প্রকাশ হৃদয় পাকিস্তানের জার্সি গায়ে দিয়ে এবং জুতা পরে পরে শহীদ মিনারে উঠে ফুলগুলো ফেলে দে এবং হাতে থাকা একটি কাঠ দিয়ে শহীদ মিনার ভাংচুর করে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপু ইসলাম নামে এক যুবক তার ফেসবুকে শেয়ার করা ভিডিওতে দেখা যায় আটক মো. আব্দুর রহিম প্রকাশ হৃদয় (২২) পাকিস্তানের গায়ে জার্সি এবং জুতা পরে শহীদ মিনার ভাংচুর করে। তখন অজ্ঞাতনামা এক যুবক বলে তোমার এ দেশে থাকার অধিকার নাই। তখন হৃদয় বলে আমার জন্ম নিবন্ধন আছে, আইডি কার্ড আছে, অবশ্যই আমার এ দেশে থাকার অধিকার আছে। এটা আমার ব্যক্তি স্বাধীনতা। সরকার হস্তক্ষেপ করলে করুক। আমার স্বাধীনতা আছে বলে আমি পাকিস্তানের জার্সি গায়ে দিতেছি। তুমি ৭২ সংবিধান মেনে থাকলে ওই সংবিধানে বিজয় দিবসে পাকিস্তানের জার্সি গায়ে দেওয়া যাবে না এমন কোন রেফারেন্স আছে কিনা? আমি আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ কর্মী বুঝি না, আমি স্বাধীনতার কর্মী। আমার কথা হচ্ছে দেশ এবং ক্রীড়া আলাদা। আমি পাকিস্তানের ক্রিকেটকে ভালোবাসি তাই এই জার্সি গায়ে দিয়েছি। আজকে ১৬ ডিসেম্বর ওটা আমার মাথায় ছিলো না।

আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কাটাছড়া ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক নাফিজ মোহাম্মদ রুবাইয়াত বলেন, শনিবার বামনসুন্দর এফএ উচ্চ বিদ্যালয় শহীদ মিনারে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস উপলক্ষে শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। দুপুরে সবাই চলে যাওয়ার পর মো. আব্দুর রহিম প্রকাশ হৃদয় (২২) পাকিস্তানের জার্সি গায়ে এবং পায়ে জুতা পরে শহীদ মিনারে উঠে ফুল গুলো ভেঙ্গে ফেলে এবং শহীদ মিনার ভাংচুর করে। এ ঘটনায় আমি বাদি থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছি।

এই বিষয়ে জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল্লাহ আল হারুন বলেন, এ ঘটনায় রবিবার বিকালে কাটাছরা ইউনিয়নের বামনসুন্দর বাজারে অভিযান চালিয়ে মো. আব্দুর রহিম প্রকাশ হৃদয় (২২) আটক করা হয়েছে। তারা বিরুদ্ধে থানায় বিশেষ ক্ষমতায় আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। সোমবার সকালে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হবে।

 

অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

 

ডাগআউটের সামনে পতাকা নিয়ে প্রস্তুত হয়েই ছিল একাদশের বাইরে থাকা বাকি ক্রিকেটাররা। গ্যালারিতেও হাজার পাঁচেক দর্শকের উল্লাস দেখে মনে হচ্ছিলো ম্যাচটা বুঝি মিরপুরেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তারাও প্রস্তুত ক্রিকেটারদের বিজয়ী ল্যাপ অব অনারের জবাব দিতে।

শেখ পারভেজ জীবনের করা ২৫তম ওভারের পঞ্চম বলে ওমিদ রেহমান যখনই ক্যাচটা তুলে দিলেন মোহাম্মদ শিহাবের হাতে, ওমনি পতাকা নিয়ে দৌড়ে মাঠে প্রবেশ করলেন ডাগআউটে প্রস্তুত থাকা ক্রিকেটাররা। গ্যালারিতে চলছে তখন উল্লাসের ঢেউ। ১৯৫ রানের বিশাল ব্যবধানে স্বাগতিক আরব আমিরাতকে হারিয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপের চ্যাম্পিয়ন হয়ে গেলো যে বাংলাদেশ!

২৮২ রানের বিশাল স্কোর গড়ার পরই বোঝা গিয়েছিলো, আরও একটি ম্যাচ জিততে যাচ্ছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দল। শুধু জয়ই নয়, যুবাদের এশিয়ান ক্রিকেটেও চ্যাম্পিয়ন হতে যাচ্ছে জুনিয়র টাইগাররা।

কাজটা বাকি ছিল শুধু বোলারদের। মারুফ মৃধা, ইকবাল হোসেন ইমন, রোহানাত দৌলা বর্ষণ এবং শেখ পারভেজ জীবনরা সেই কাজটা খুব সহজেই শেষ করে দিলেন। স্বাগতিক আরব আমিরাতকে ২৪.৫ ওভারে অলআউট করে দিলেন মাত্র ৮৭ রানে। অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপের ফাইনালে স্বাগতিকদের ১৯৫ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হলো বাংলাদেশ।

 

সেমিফাইনালে পাকিস্তানকে হারিয়ে ফাইনালে নাম লিখেই চমক দেখিয়ে দিয়েছিলো আরব আমিরাত। ফাইনালে উঠে আসা যে কোনো দলই সমীহ পাওয়ার যোগ্য। গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশ এই আরব আমিরাতকে হারালেও ফাইনালের কঠিন পরীক্ষায় স্নায়ুর চাপে কে এগিয়ে থাকবে, কে পিছিয়ে থাকবে- সেটাই ছিল গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

কিন্তু আরব আমিরাতের ক্রিকেটাররা যে এমন অসহায় আত্মসমর্পন করবে, তা হয়তো ঘূর্ণাক্ষরেও কেউ ভাবতে পারেনি। প্রথমে আশিকুর রহমান শিবলির দুর্দান্ত সেঞ্চুরি, এরপর মারুফ মৃধা, রোহানাত দৌলা বর্ষণ, ইকবাল হোসেন ইমন এবং শেখ পারভেজ জীবনদের নিয়ন্ত্রিন এবং বিধ্বংসী বোলিংয়ে এশিয়ার সেরার মুটুক উঠলো বাংলাদেশ দলের মাথায়।

আকবর হোসেনের নেতৃত্বে তানজিদ তামিম, তানজিম সাকিব, শরিফুল, তাওহিদ হৃদয়রা জয় করেছিলো বিশ্বকাপ। এবার মাহফুজুর রহমান রাব্বির নেতৃত্বে আশিক, জিসান, রিজওয়ান, মৃধা, আহরার এবং জীবনরা জিতলো এশিয়ার স্রেষ্ঠত্বের মুকুট।

২৮৩ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশের বোলারদের সামনে ন্যুনতম প্রতিরোধও গড়তে পারেনি আরব আমিরাতের ব্যাটাররা। সর্বোচ্চ ২৫ রান (অপরাজিত) করেন ধ্রুব পারাসার। অক্ষত রাই করেন ১১ রান। আর কোনো ব্যাটারই দুই অংকের ঘর স্পর্শ করতে পারেননি।

মারুফ মৃধা এবং রোহানাত দৌলা বর্ষণ নেন ৩টি কর উইকেট। ২টি করে উইকেট নেন ইকবাল হোসেন ইমন এবং শেখ পারভেজ জীবন।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে আরব আমিরাতের সামনে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৮২ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। ওপেনার আশিকুর রহমান শিবলি খেলেছেন ১২৯ রানের অনবদ্য একটি ইনিংস।

এবারের এশিয়া কাপে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছেন আশিকুর রহমান শিবলি। এ নিয়ে দুটি সেঞ্চুরি করেছেন তিনি। এর আগে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলেছেন অপরাজিত ১১৬ রানের ইনিংস। জাপানের বিপক্ষে খেলেছেন অপরাজিত ৫৫ এবং আরব আমিরাতের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে খেলেছেন ৭১ রানের ইনিংস।

টস হেরে ব্যাট করতে নামার পর শুরুতেই ওপেনার জিশান আহমেদের উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যুব টাইগাররা। কিন্তু দ্রুতই সামলে নেন আশিকুর রহমান শিবলি এবং চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান।

দু’জনের ১২৫ রানের অনবদ্য জুটি গড়ে তোলেন এই দু’জন। ৭১ বলে ৬০ রান করে রিজওয়ান আউট হলেও আশিকুর রহমান সেঞ্চুরির পথে এগিয়ে যান। তার সঙ্গে ব্যাট করতে নেমে ঝড় তোলেন আরিফুল ইসলাম। ৪০ বলে ৫০ রান করে আউট হন তিনি।

শেষ দিকে নিয়মিত বিরতিতে বেশ কয়েকটি উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এমনকি ইনিংস শেষ হওয়ার এক বল আগে আউট হয়ে যান আশিকুর রহমান শিবলিও। ১৪৯ বলে ১২ বাউন্ডারি এবং ১ ছক্কায় ১২৯ রান করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৮২ রান।

আরব আমিরাতের হয়ে আয়মান আহমেদ নেন ৫২ রানে ৪ উইকেট। ২ উইকেট নেন ওমিদ রেহমান, ১টি করে উইকেট নেন হার্দিক পাই এবং আম্মার বাদামি।

মিরসরাইয়ে এসএসসি-১৬ ব্যাচের বন্ধুদের পুনর্মিলনী

মিরসরাই প্রতিনিধি ::
মিরসরাই উপজেলার এসএসসি-১৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ৪র্থ তম পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৬ ডিসেম্বর) বিজয় দিবসে দিনব্যাপী এই আয়োজনে সকাল সকাল উপজেলা ১৬ ব্যাচের বন্ধুদের পদচারণে মুখর হয়ে ওঠে উপজেলার সদর ইউনিয়নে বিসিক শিল্প নগরী এলাকায়। পুনর্মিলনী উৎসবে ‘১৬ ব্যাচের প্রায় ৫০০ বন্ধুরা মেতে উঠেছিলেন আনন্দে, যেন খুঁজে পেয়েছিলো নিজেদের শৈশব।

পুরনো বন্ধুদের আবার একসঙ্গে পেয়ে যেন সব ক্লান্তি দূর হয়ে গিয়েছিল তাদের। পুরোনো সতীর্থদের নিয়ে নতুন করে স্মৃতি জমাতে ক্যামেরাবন্দী করে রাখতে ছিল অনেক কসরত। মধুর মিলনে সতীর্থরা একে অপরের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও কোলাকুলির মাধ্যমে বন্ধুত্বের নতুন বন্ধন তৈরি করেন। সব ভেদাভেদ ভুলে সবাই একই মিশেলে মিলিত হন।
১৬ ব্যাচের পুনর্মিলনীর আয়োজকরা জানান, বন্ধুত্বের টানে শৈশবের মধুর স্মৃতিচারণায় স্বাধীনতার ৫২ বছরের বিজয় দিবসে ব্যতিক্রমধর্মী মিলনমেলার আয়োজন করেছে। ব্যাচের সদস্যদের অনেকেই দেশ ও দেশের বাইরের বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত। একে অপরকে পেয়ে সেলফি তোলা, গল্প, আড্ডা, স্কুল জীবনের স্মৃতি আওড়ানো, বর্তমান ব্যস্ততা সব মিলিয়ে একটা প্রাণবন্ত উৎসবে মেতে ওঠেন সবাই। সবার গায়ে ছিল একই রঙের টি-শার্ট। পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে হারিয়ে যাওয়া বন্ধুদের মধ্যে নতুন করে মেলবন্ধন রচিত হয়। সুখ-দুঃখের রোমন্থন করার সুযোগ ঘটে। এর মাধ্যমে পরস্পরের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব ও সৌহার্দ্যের বন্ধন আরও সুদৃঢ় হয়। মিলনমেলায় ছিল, একসাথে ভোজন আয়োজন ও ডিজে গানের পরিবেশনায় বিসিক মাঠে মেতেছে সবাই। পরিচয় সবার যেন এক, সেটা হলো ‘আমরা বুন্ধু’।

পুর্নমিলনী আয়োজন কমিটির সমন্বয়ক হোসাইন রিয়াদ জানান, ভবিষ্যতে সব বন্ধু মিলে আমাদের এই ব্যাচকে সাংগঠনিক রূপ দেওয়ার মাধ্যমে আর্থিকভাবে যারা পিছিয়ে আছেন, কিংবা মেধাবী সন্তানদের পড়াশোনায় সহায়তা, বন্ধুদের যেকোনও বিপদে ও আনন্দে পাশে থাকবো। আমাদের এত বড় আয়োজনে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করেছেন আমাদের ব্যাচের প্রবাসী বন্ধুরা।

মিরসরাইয়ে ইয়াবাসহ কারবারি আটক

 

মিরসরাই প্রতিনিধি

মিরসরাইয়ে ১৪০০পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৬ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে মিরসরাই থানার সামনে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বাসে তল্লাশী চালিয়ে ইয়াবাগুলো জব্দ করা হয়।

এসময় ফেনী জেলার পরশুরাম থানার চিতলীয় ইউনিয়নের উত্তর শ্রীপুরা এলাকার পিন্টু মিয়ার পুত্র সাইফুল ইসলামকে (২৫) আটক করা হয়েছে।

মিরসরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সহিদুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে ঢাকামুখী একটি যাত্রীবাহী বাসের গতিরোধ করে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় সাইফুল নামে এক যাত্রীকে সন্দেহ হলে জিজ্ঞাসাবাদে তার কাছ থেকে ১৪০০ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, ইয়াবাগুলো চট্টগ্রাস থেকে রাজধানী ঢাকায় নেয়া হচ্ছিল। এ ঘটনায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

 

 

চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ওলামা লীগের সদস্য সচিব হলেন কাজী ফারুক

 

মিরসরাই প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগের সদস্য সচিব নির্বাচিত হয়েছেন মিরসরাইয়ের আলহাজ্ব কাজী করিমুল হক চৌধুরী (ফারুক)। চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী ওলামালীগ আহবায়ক কমিটির অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় কমিটি।

জানা গেছে,দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক, চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা নুর মোহাম্মদ ও দলীয় নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে চট্টগ্রাম উওর জেলা আওয়ামী ওলামা লীগের আহবায়ক কমিটি ঘোষনা করা হয়।

এসময় হারুন শাহ মোজাদ্দেদীকে আহবায়ক ও আলহাজ্ব কাজী করিমুল হক চৌধুরী ফারুককে সদস্য সচিব মনোনীত হয়। কেন্দ্রীয় সভাপতি- ড.কে.এম.আব্দুল মমিন সিরাজী ও সাধারণ সম্পাদক-মো.আমিনুল হক স্বাক্ষরিত আহবায়ক কমিটির তালিকা প্রকাশ করা হয়।

আলহাজ্ব কাজী করিমুল হক চৌধুরী ফারুক মিরসরাই উপজেলার ২ নং হিঙ্গুলী ইউনিয়নের কৃতি সন্তান। হিঙ্গুলী চিনকীরহাট রাসেল স্মৃতি সংসদের প্রতিষ্ঠাতা ও উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সাবেক সদস্য, বারইয়ারহাট কলেজের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা, পূর্ব হিংগুলী বাইতুলবারী জামে মসজিদের ও পূর্ব হিংগুলী মোহম্মদপুর ইসলামী একাডেমির সাধারণ সম্পাদক। বাংলাদেশ কাজী কল্যান সমিতি মিরসরাই উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও চিনকিরহাট চৌধুরী কমিউনিটি সেন্টারের পরিচালক । তিনি রাজনীতির পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও উন্নয়ন কাজে জড়িত রয়েছেন।