শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Home Blog Page 690

গান কবিতা কৌতুক আর হাস্যরসে শান্তিনীড় ঈদ আড্ডা

নিজস্ব প্রতিনিধি

মিরসরাইয়ের স্বেচ্ছাসেবী সমাজ উন্নয়ন সংস্থা শান্তিনীড়ের উদ্যেগে সাহিত্য আড্ডা, সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা ও পৃষ্ঠপোষক সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। বৃহষ্পতিবার (২৩ আগষ্ট) ঈদুল আযহার পরদিন শান্তিনীড় কার্যালয়ে সন্ধ্যার পর ঘরোয়া পরিবেশে এই সাহিত্য আড্ডা, সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা ও পৃষ্ঠপোষক সংবর্ধনা সম্পন্ন হয়।

শান্তিনীড় সভাপতি আশরাফ উদ্দিন সোহেলের সভাপতিত্বে সমবেত জাতীয় সংগীতের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। আড্ডায় গান-কবিতা-কৌতুক-সংলাপ-ধারাভাষ্যসহ বিভিন্ন জমকালো পরিবেশনা দিয়ে মাতিয়ে রাখেন শিল্পী মতিলাল, সাংবাদিক আবু সুফিয়ান,কবি দাউদুল ইসলাম, দেলােয়ার হোসেন, আক্তারুজ্জামান, রুমা চৌধুরী, সাইদুল ইসলাম, নবাব সিরাজুদ্দৌলাসহ উপস্থিত অনেকেই। এছাড়া উপস্থিত শান্তিনীড় উপদেষ্টা, পৃষ্ঠপোষক, সাধারণ সদস্য ও শুভানুধ্যায়ীদের স্ব-স্ব পরিবেশনায় আড্ডার পরিবেশে ভিন্নমাত্রা পায়।

পঞ্চমবারের মত সাহিত্য আড্ডা, সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় উপস্থিত ছিলেন শান্তিনীড় পৃষ্ঠপোষক সদস্য ও কাস্টমস্‌ এক্সাইজ এন্ড ভ্যাট বিভাগ কক্সবাজারের বিভাগীয় কর্মকর্তা মো: কামরুল ইসলাম চৌধুরী, শান্তিনীড় পৃষ্ঠপোষক বারইয়ারহাট পৌর মেয়র নিজাম উদ্দিন ভিপি, মিরসরাই বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ নুরুল আবছার দুলাল, শান্তিনীড় পৃষ্ঠপোষক মীর্জা জসীম উদ্দিন, কক্সবাজারস্থ মিরসরাই এসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও শান্তিনীড় পৃষ্ঠপোষক দেলোয়ার হোসেন, শান্তিনীড় পৃষ্ঠপোষক আল-কোরাইশী ট্রেডিং এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক কুয়েত প্রবাসী আবুল খায়ের সেলিম, শান্তিনীড় পৃষ্ঠপোষক ইউএ প্রবাসী ব্যবসায়ী এম.এ তাহের ভূঁইয়া, পৃষ্ঠপোষক ইউএই প্রবাসী সেন্ড মেরিন রেস্টুরেন্টের ম্যানেজিং পার্টনার জাফর উল্ল্যাহ, পৃষ্ঠপোষক মো: আনোয়ার হোসেন,পৃষ্ঠপোষক আনিছুর রহমান ফরহাদ, ইউএই প্রবাসী আবুরহাট বিজলী ক্লাবের পৃষ্ঠপোষক আলাউদ্দিন আলো, ধুমঘাট হাজী চাঁনমিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নব-নির্বাচিত সভাপতি জাফর উদ্দিন, মিরসরাই পোল্ট্রি এসোসিয়েশনের সভাপতি আলাউদ্দিন, কবি ও চিকিৎসক দাউদুল ইসলাম, কবি ও সাংবাদিক শান্তিনীড় সহ-সভাপতি মুহাম্মদ দিদারুল আলম প্রমুখ।

অনুষ্ঠানের মধ্যবর্তী সময়ে শান্তিনীড়ের নবাগত ৫ প্রবাসী পৃষ্ঠপোষক সদস্যকে শান্তিনীড় পৃষ্ঠপোষক সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিনের উপস্থাপনায় আড্ডায় আরো উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের শিক্ষা সম্পাদক মৃদুল দাশ, শান্তিনীড় সদস্য সাইদুল ইসলাম, ইসমাঈল হোসেন খোকন, আবু বক্বর ছিদ্দিক রিশাত, আলী জাবের, মো: ইউসুফ, জামাল উদ্দিন শাহিন, মো: সাইদুল ইসলাম, মো: ইদ্রিস, মো: ইলিয়াছ, হারুন অর রশিদ, আবদুর রহিম বিশ্বাস, রিপন, আজিম, আহসানুল করিম, মো: নুরুল আজিমসহ অন্যান্য শুভানুধ্যায়ীরা।

মিরসরাইয়ের জামালপুরে মন্দিরের জায়গা বিরোধ নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত-৬

 


নিজস্ব প্রতিনিধি
মিরসরাইয়ে মন্দিরের জায়গা বিরোধ নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ৬ জন আহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ আগষ্ট) রাত সাড়ে ৯টায় উপজেলার জোরারগঞ্জ থানাধীন জামালপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। হামলার ঘটনায় জোরারগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে। আহতরা হলো: অসিদ দে (২২), অনিক দাশ (২০), সুমন সেন (৩৬), অন্তু রায় (১৮), সংকু দে (১৮), উজ্বল সেন (৪০)।

আহত অনিক দাশের পিতা অশোক কুমার দাশ জানান, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টায় তার ছেলে অনিক দাশ বারইয়ারহাট বাজার থেকে বাড়ি যাওয়ার সময় জামালপুর গ্রামের সিন্ধু ও বিঞ্চুর দোকানের সামনে পথ রোধ করে উজ্জল সেন। এসময় উজ্জ্বল সেনের সাথে থাকা সাঙ্গপাঙ্গরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অনিকের উপর হামলা করে। হামলার শিকার হয়ে অনিক আত্মচিৎকারে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করতে আসে। এসময় উজ্জল সেন ও তার সাঙ্গপাঙ্গের হামলায় অসিদ দে, সুমন সেনসহ ৬ জন আহত। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জামালপুর গ্রামের এক বৃদ্ধ জানান, জামালপুর কালী মন্দিরকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে ওই গ্রামে হামলা, মামলার ঘটনা ঘটে আসছে।

স্থানীয় প্রদীপ কুমার দে জানান, প্রায় ৩শ বছরের পুরোনো জামালপুর কালী মন্দিরের জায়গায় ইস্কনদের স্থান দেয়ায় এসব হামলার ঘটনা ঘটছে।

জোরারগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক বিপুল চন্দ্র দেবনাথ জানান, হামলার ঘটনায় জোরারগঞ্জ থানায় উভয় পক্ষ লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

 

মিরসরাই জাতীয়তাবাদী ফোরাম সংযুক্ত আরব আমিরাতের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী ও খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবীতে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি

মিরসরাই জাতীয়তাবাদী ফোরাম সংযুক্ত আরব আমিরাত’র উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবীতে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২২ আগষ্ট আল-আইন সুপার রেষ্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত প্রোগ্রামে সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ নুরনবী করিম বাবলুর সভাপতিত্বে ও সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হারুনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সংযুক্ত আরব আমিরাত বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার জাহাঙ্গীর আলম রুপু। প্রধান বক্তা ছিলেন আমিরাত বিএনপির মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা সামসুর নাহার স্বপ্না।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন আল আইন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান আতা, আল আইন শ্রমিক দলের সভাপতি হোসাইন মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, আল আইন যুবদলের সভাপতি মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন। এসময় আরো বক্তব্য রাখেন শেখ খোরশেদ আলম, এম মোর্শেদ, আবদুল করিম, জাহাঙ্গীর আলম, মোহাম্মদ নুর উদ্দিন, কামরুজ্জামান ইমরান, আলমগীর হোসেন মন্টু সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া, আবদুল করিম ভূঁইয়া, ওমর ফারুক, আসাদুল ইসলাম সানি প্রমুখ।

প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন, বর্তমান অবৈধ সরকার অন্যায়ভাবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে বন্দী রেখেছে। কিন্তু আর বেশিদিন বন্দী করে রাখতে পারবেনা। জনগন জেগে উঠলে তারা পালানোর পথও পাবে না। আগামীর আন্দোলন সংগ্রামে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহবান জানান।

 

 

এবারের ঈদের ছুটিতে ঘুরে আসুন মিরসরাইয়ের ৬টি পর্যটন স্পট

বিশেষ প্রতিনিধি
ভ্রমন পিপাসু পর্যটকদের হাতছানি দিয়ে ডাকছে সৌন্দর্যের অপররূপ লীলাভূমি মিরসরাই। ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের বরণ করতে প্রস্তুত রয়েছে পর্যটন স্পটগুলো। এখানে রয়েছে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম কৃত্রিম লেক মহামায়া সেচ প্রকল্প, দেশের ৬ষ্ঠ সেচ ও প্রথম বায়ু বিদ্যুৎ প্রকল্প মুহুরী পজেক্ট, আট স্তর বিশিষ্ট জলপ্রভাত খৈয়াছড়া ঝর্ণা ও বাওয়াছড়া প্রকল্প। ঈদের ছুটিতে প্রকৃতির অতি কাছাকাছি যে যেতেই হবে। অপার সৌন্দর্যমন্ডিত প্রকৃতির সঙ্গে এবার ঈদে তাই এখানকার মুখরিত জনপদ হয়ে উঠবে আরও মুখর। প্রাণের টানে ঘর থেকে বেরিয়ে পড়া প্রকৃতিপ্রেমীদের আমন্ত্রণ মহামায়া, খৈয়াছড়া, বাওয়াছড়া ও মুহুরীর পক্ষ থেকে।

মহামায়ার প্রকৃতিতে রঙের ছড়াছড়ি :ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মিরসরাই উপজেলার ঠাকুর দীঘি বাজারের এক কিলোমিটার পূর্বে। ছায়াঘেরা সড়ক। দেশেরে যে কোন স্থান থেকে এসে লেকে যেতে রাস্তায় প্রস্তুত আছে সিএনজি অটোরিক্সা। কিছুদূর পর দেখা মিলবে রেলপথ। রেল লাইন পেরুলেই কাছে টানবে মহামায়া। প্রাণের টানে ছুটে আসা পথ যেন ক্রমশই বন্ধুর হতে চাইবে মনের কোণে জাগা মৃদু উত্তেজনায়। দূর থেকে দেখা যায় প্রায় পাহাড়সম বাঁধ। উভয় পাশে শুধু পাহাড় আর পাহাড়। বাঁধের ধারে অপেক্ষমান সারি সারি ডিঙি নৌকো আর ইঞ্জিনচালিত বোট। ১১ বর্গকিলোমিটার আয়তনের লেক কেবল সুভা ছড়ায়। পাহাড়ের কোল ঘেঁষে স্বচ্ছ পানিতে তাকাতেই দেখা যায় নীলাকাশ। পূর্ব-দিগন্তের সারি পাহাড়ের বুক চিরে যেতে যেতে একসময় হারিয়ে যেতেও মন চাইবে কল্পনায়। সঙ্গের সাথী পাশে নিয়ে গেলে তো কথাই নেই। পরিবার-পরিজন নিয়ে গেলেও কোন বারণ নেই। কিছুদূরেই দেখা যাবে পাহাড়ের কান্না। অঝোরে কাঁদছে। অথচ তার কান্না দেখে নিজের কাঁদতে ইচ্ছে হবে না। উপরন্তু কান্নার জলে গা ভাসাতে মন চাইবে। তারও পূর্বে যেখানে লেকের শেষ প্রান্ত, সেখানেও বইছে ঝর্ণাধারা। কি নীল, কি সবুজ, সব রঙের ছড়াছড়ি যেন ঢেলে দেওয়া হয়েছে মহামায়ার প্রকৃতিতে। এর সঙ্গে মিশতে গিয়ে মন এতটাই বদলে যাবে, যেন মন বারবার ঘুরে আসতে চাইবে ফেলে আসা স্মৃতিতে।

নান্দনিক সৌন্দয্যের আরেক নাম খৈয়াছড়া ঝর্ণা
প্রকৃতির নান্দনিক তুলিতে আঁকা সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হচ্ছে দেশের ভ্রমণ পিয়াসী মানুষ। অনেকে রাতের বেলায় চাঁদের আলোয় ঝরনার অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করতে পাহাড়ের পাদদেশে তাবু টাঙ্গিয়ে অবস্থান করছে। প্রকৃতির অপরূপ সৃষ্টি সেতুবন্ধন করে, সবুজের চাদরে ঢাকা বনানী রূপের আগুন ঝরায়, যেখানে প্রকৃতি খেলা করে আপন মনে, ঝুম ঝুম শব্দে বয়ে চলা ঝরনাধারায় গা ভিজিয়ে মানুষ যান্ত্রিক জীবনের অবসাদ থেকে নিজেকে ধুয়ে সজীব করে তুলছে খৈয়াছরা ঝরনায়। গ্রামের সবুজ শ্যামল আঁকা বাঁকা মেঠো পথ পেরিয়ে শরীরটা একটু হলেও ভিজিয়ে নেয়া যায় নিঃসন্দেহে। আট স্তরের ঝরনা দেখতে দেশি বিদেশি পর্যটকের ভিড় পড়েছে। দেশের অন্যতম বড় প্রাকৃতিক ঝরনাটি দেখতে প্রতিদিন ছুটে যাচ্ছে হাজার হাজার দেশি বিদেশি পর্যটক। উপজেলার খৈয়াছরা ইউনিয়নের বড়তাকিয়া বাজারের উত্তর পাশে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ৪.২ কিলোমিটার পূর্বে ঝরনার অবস্থান। এরমধ্যে ১ কিলোমিটার পথ গাড়িতে বাকি পথ হেঁটে যেতে হবে।
বাওয়াছড়ার অপরূপ দৃশ্য পর্যটকদের নজর কাড়ে

উপজেলার ওয়াহেদপুর ইউনিয়নের মধ্যম ওয়াহেদপুর বাওয়াছড়া পাহাড়ীয়া এলাকায় যুগ যুগ ধরে ঝর্ণা প্রবাহিত হচ্ছে। সবুজ শ্যামল পাহাড়ীয়া লেকে পাখিদের কলতানে আবাল, বৃদ্ধ, বণিতা সকলের প্রান জুড়িয়ে যাবে। প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এ স্থানে ছুটে আসে শত শত পর্যটক। এবার আরো পর্যটক বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন বাওয়াছড়া প্রকল্পের উদ্যোক্তা সালাহ উদ্দিন সেলিম।
লোকেশন : ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বড় কমলদহ বাজার থেকে থেকে দেড় কিলোমিটার পূর্ব দিকে এটি অবস্থিত।
মুহুরীর চরে জল আর রোদের খেলা :

 


প্রকৃতির আরেক নাম মুহুরী। যেখানে আছে আলো-আঁধারির খেলা। আছে জীবন-জীবিকার নানা চিত্র। মুহুরীর চর, যেন মিরসরাইয়ের ভেতর আরেক মিরসরাই। অন্তহীন চরে ছোট ছোট প্রকল্প। এপারে মিরসরাই, ওপারে সোনাগাজী। ৪০ দরজার রেগুলেটরের শোঁ শোঁ আওয়াজ শোনা যায় দূর থেকে। পশ্চিমে মৎস্য আহরণের খেলা, আর পূর্বে মন কাড়ানিয়া প্রকৃতি। নুয়ে পড়া মনোবল জেগে উঠবে পূবের জেগে ওঠা চরে। ডিঙি নৌকায় ভর করে কিছুদূর যেতেই দেখা মিলবে সাদা সাদা বক। এখানে ভিড় করে সুদূরের বিদেশী পাখি, অতিথি পাখি বলেই অত্যধিক পরিচিত এরা। চিকচিকে বালিতে জল আর রোদের খেলা চলে সারাক্ষণ। সামনে পেছনে, ডানে-বামে কেবল সৌন্দর্য আর সুন্দরের ছড়াছড়ি। এ অবস্থায় মন আঁধারে ঢেকে যেতে পারে, যদি ক্যামেরা সঙ্গে না থাকে। মুহুরীর প্রকৃতির ছোঁয়ায় উদ্ভাসিত স্মৃতিরা যেন হারিয়ে যাওয়ার নয়। এসব ক্যামেরার ফিল্মে আটকে রাখার মত হাজার বছর ধরে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের (পুরাতন) জোরারগঞ্জ বাজারে নেমে ধরতে হবে সংযোগ সড়কের পথ। জোরারগন্জ-মুহুরী প্রজেক্ট সড়ক নামে এ সড়কে দেখা মিলবে হরেক রকমের মোটরযানের। ভাঙাচোরা আঁকাবাঁকা আধাপাকা সড়ক পাড়ি দিতে হবে প্রায় আট কিলোমিটার। এরপর মুহুরী প্রকল্পের বাঁধ। যেতে যেতে দুই কিলোমিটার পরই দেখা মিলবে আসল সৌন্দর্য।

এছাড়াও রয়েছে উপজেলার নয়দুয়ারিয়া পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত নাপিত্তাছড়া ঝর্ণা ও বড়কমলদহ রূপসী ঝর্ণা।
রূপসী ঝর্ণায় যাবেন কিভাবে?
দেশের বিভিন্ন স্থান হতে যে কোন বাস যোগে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বড়দারোগাহাট বাজাওে নামবেন। এরপর সিএনজি অটোরিক্সা যোগে বাজারের উত্তর পাশের ব্রিকফিল্ড সড়ক দিয়ে পাহাড়ের পাদদেশ পর্যন্ত যাবে। এরপর পায়ে হেঁটে ঝর্নায় যাওয়া যাবেন। অথবা যে কোন বাস থেকে ব্রিকফিল্ড সড়কের মাথায় নেমে অটোরিক্সা ছাড়া আধা কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে যেতে পারবেন।

থাকা ও খাওয়াঃ
বড়দারোগাহাট, বড়কমলদহ ও কমলদহ বাজারে খাওয়ার হোটেল রয়েছে। তবে ঈদের ছুটিতে সেগুলো বন্ধ থাকবে। দুর-দুরান্ত থেকে আসা পর্যটকরা থাকা ও খাওয়ার জন্য যেতে পারেন মিরসরাইয়ের বিভিন্ন পর্যটন স্পট থেকে গাড়ি যোগে মাত্র ৪০-৫০ মিনিটের পথ চট্টগ্রাম শহরের প্রবেশ মুখে একেখান ও অলংকারে কুটুম্ববাড়ি রেস্তোরায়। থাকার জন্য একেখানে মায়ানী রিসোর্ট ও অলংকারে রোজ ভিও হোটেলে। ঈদেও ২৪ ঘন্টা খোলা থাকবে রেষ্টুরেন্ট ও আবাসিক এই হোটেল দুটি।

লাব্বাইক ধ্বনিতে মুখর আরাফাতের ময়দান

নিউজ ডেস্ক..
‘লাব্বাইক, আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইক, লা শারিকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হামদা ওয়ান নি’মাতা লাকা ওয়ালমুলক, লা শারিকা লাক’- অর্থাৎ আমি হাজির, হে আল্লাহ আমি হাজির, আমি হাজির, তোমার কোনো শরিক নেই, সব প্রশংসা ও নিয়ামত শুধু তোমারই, সব সাম্রাজ্যও তোমার, তোমার কোনো শরিক নেই- এই ধ্বনিতে মুখরিত আরাফাতের ময়দান। পুরুষেরা শ্বেতশুভ্র সেলাইবিহীন ইহরামের দুই খণ্ড কাপড় পরে আর নারীরা স্বাভাবিক কাপড়ে তালবিয়া পাঠ করে এবং পাপমুক্তি ও আখেরাতের চিরশান্তির আকুল বাসনায় মহান আল্লাহর কাছে হৃদয় উজাড় করে সব আবেগ ও আবেদন পেশ করছেন।
আজ অবশ্য ধূলিঝড় ও প্রবল বৃষ্টিপাতের কারণে কিছুটা সমস্যা হয়। তবে তা কেটে গেলে স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু হয় আবার।

লাখ লাখ হাজী আজ মক্কা নগরীর মিনা তাঁবু থেকে আরাফাতের ময়দানে সমবেত হয়েছেন। ৯ জিলহজ দ্বিপ্রহর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত তারা আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করাই নিয়ম। কিন্তু লাখ লাখ হাজীকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পৌঁছে দেয়ার জন্য আগের রাত থেকেই তাদের নেয়া শুরু হয়।

বাংলাদেশসহ বিশ্বের ১৮৮টির বেশি দেশ থেকে এবার প্রায় ২৩ লাখ হাজী হজ আদায় করছেন। বাংলাদেশ থেকে হজে গেছেন ১ লাখ ২৭ হাজার ২৯৭ জন। তাদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় সাত হাজার এবং বাকিরা গেছেন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায়।
রোববার মিনায় হাজীদের জড়ো হওয়ার মধ্য দিয়ে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। স্থানীয় তারিখ অনুযায়ী ৮ জিলহজ মিনায় উপস্থিত হওয়ার নিয়ম হলেও ভিড় এড়াতে গত শনিবার বিকেল থেকে মিনার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন তারা।

মিনা থেকে ১০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত আরাফাতের ময়দান। আজ আরাফাতের ময়দানে সৌদি গ্র্যান্ড মুফতির খুতবার পর জোহর ও আসরের নামাজ আদায় করবেন হাজীরা। তারা সূর্যাস্ত পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করে পরে মুজদালিফায় গিয়ে মাগরিব ও এশার নামাজ আদায় করবেন। আজ রাতে সেখানে খোলা মাঠে অবস্থান করবেন। এ সময় তারা সেখানে প্রয়োজনীয় পাথর সংগ্রহ করবেন শয়তানের (প্রতীকী) প্রতি নিক্ষেপের জন্য।
আগামীকাল মঙ্গলবার মুজদালিফায় ফজরের নামাজ আদায় করে হাজীরা মিনায় যাবেন। মিনায় বড় শয়তানকে সাতটি পাথর নিক্ষেপের পর পশু কোরবানি দিয়ে পুরুষেরা মাথা মুণ্ডন করে গোসল করবেন। ইহরাম বদল করে স্বাভাবিক পোশাক পরে মিনা থেকে মক্কায় গিয়ে পবিত্র কাবা শরিফ সাতবার তাওয়াফ (তাওয়াফে জিয়ারত)করবেন। এটি হজের আরেক ফরজ। তারপর তারা কাবার সামনের দুই পাহাড় সাফা ও মারওয়ায় সাতবার সাঈ (দৌড়াবেন) করবেন। সেখান থেকে তারা আবার মিনায় তাঁবুতে ফিরে যাবেন। এরপর বুধ ও বৃহস্পতিবার জামারায় নির্দিষ্ট সময়ে যথাক্রমে বড়, মধ্যম শয়তান ও ছোট শয়তানকে উদ্দেশ করে সাতটি করে পাথর নিক্ষেপ করবেন। মিনার কাজ শেষে আবার মক্কায় বিদায়ী তাওয়াফ করার পর নিজ নিজ দেশে ফিরবেন হাজিরা। তবে যারা হজের আগে মদিনায় যাননি, তারা মদিনায় যাবেন। এভাবে সম্পন্ন হবে হজের পুরো আনুষ্ঠানিকতা।

বারইয়ারহাট পৌর বিএনপির আহবায়ক দিদার মিয়াজীর বাড়িতে হামলার প্রতিবাদে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিনিধি

মিরসরাইয়ের বারইয়ারহাট পৌরসভা বিএনপির আহবায়ক দিদারুল আলম মিয়াজীর বাড়িতে ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা-কর্মীরা। সোমবার (২০ আগষ্ট) সকালে মিরসরাই উপজেলা, মিরসরাই পৌরসভা ও বারইয়ারহাট পৌরসভা স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এই মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন বারইয়ারহাট পৌরসভা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মদ রাজু, সাইফুল ইসলাম, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য আবুল কালাম, মোঃ হানিফ মিঝি, জামসেদ খাঁন, বারইয়ারহাট পৌরসভা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য জাবেদ হোসেন, মোহাম্মদ সাকিল, ইমাম হোসেন আব্দুল মতিন, সাদ্দাম হোসেন প্রমুখ।

 

প্রসঙ্গত, গত ১৭ আগষ্ট সন্ধ্যায় বারইয়ারহাট পৌরসভা বিএনপির আহবায়ক দিদারুল আলম মিয়াজী ও বারইয়ারহাট কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক আব্দুল্লাহ আল মাসুদের বাড়িতে হামলা করে ছাত্রলীগ।

 

ফেনীতে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২

নিজস্ব প্রতিনিধি

ফেনী শহরতলীর বিসিক শিল্পনগরী এলাকায় আজ সোমবার ভোরে র‌্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে দুই যুবক নিহত হয়েছে। র‌্যাবের দাবি, নিহতরা মাদক ব্যবসায়ী।

র‌্যাবের ভাষ্য মতে, রাতে বিসিক এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাসি চালায় র‌্যাব । রাত ৪টার দিকে মোটরসাইকেলে করে ওই এলাকা দিয়ে যাচ্ছিল মামুন মোর্শেদ ও আল আমিন নামের দুই যুবক। র‌্যাব সদস্যদের দেখে তারা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। সন্দেহ হলে র‌্যাব সদস্যরা ধাওয়া করে । যুবকরা র‌্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়ে।

আত্মরক্ষার্থে র‌্যাব সদস্যরাও পাল্টা গুলি ছুড়লে মামুন মোর্শেদ ও আল আমিন নিহত হয়। ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, ৫ রাউন্ড গুলি ও মোটরসাইকেল তল্লাশি করে ২৪ হাজার ৭শ’পিস ইয়াবা পাওয়া যায়। নিহত মামুন গাজীপুরের টঙ্গী থানার আবুল কালামের ছেলে ও আল আমিন রাজধাণীর উত্তরা এলাকার ইউসুফ আলীর ছেলে বলে জানা গেছে।

র‌্যাব-৭ এর অধিনায়ক শাফায়াত জামিল ফাহিম জানান, নিহতদের লাশ উদ্ধার করে ফেনী আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে নেওয়া হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর নিহতদের স্বজনদের ডেকে লাশ হস্তান্তর করা হবে।

বারইয়ারহাট পৌরসভা বিএনপির আহবায়কের বাড়িতে ছাত্রলীগের হামলা

মিরসরাই ( চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা বারইয়ারহাট পৌরসভা বিএনপির আহবায়ক দিদারুল আলম মিয়াজীর বাড়িতে হামলা অভিযোগ পাওয়া গেছে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (১৭ আগষ্ট) সন্ধ্যায় এই হামলার ঘটনা ঘটেছে।

দিদারুল আলম মিয়াজী অভিযোগ করেন, আমি মাগরিবের নামাজের পর কয়েকজনকে নিয়ে ঘরে বসে চা পান করছিলাম। এসময় জয়বাংলা স্লোগান দিয়ে আমার ঘরের দরজা ভেঙ্গে পেলে। এসময় অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে চলে যায়। পরে বারইয়ারহাট কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক আব্দুল্লাহ আল মাসুদের ঘরেও হামলা করে।

এদিকে হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন মিরসরাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান (সাময়িক বরখাস্তকৃত) নুরুল আমিন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মোঃ আলমগীর, গাজী নিজাম উদ্দিন, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক শাহীনুল ইসলাম স্বপন, উপজেলা ছাত্রদল সভাপতি আনোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সেলিম উদ্দিন।

তবে ছাত্রলীগের হামলার বিষয়টি অস্বীকার করে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রাশেল ইকবাল চৌধুরী বলেন, ছাত্রলীগ এই হামলার জন্য জড়িত নয়। বিএনপির গ্রুপিংয়ে হয়তো হামলা হতে পারে।

M/M/U

পাঁচ রাজাকারের ফাঁসির রায় পটুয়াখালীর

বিচারপতি শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সোমবার এ মামলার রায় ঘোষণা করে।

আদালত রায় ঘোষণার সময় এ মামলার পাঁচ আসামি ইসহাক সিকদার, আব্দুল গণি হাওলাদার, আব্দুল আওয়াল ওরফে মৌলভী আওয়াল, আব্দুস সাত্তার প্যাদা ও সোলায়মান মৃধা কাঠগড়ায় উপস্থিতে ছিলেন।

রায়ে বলা হয়, আসামিদের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের আনা দুটি অভিযোগই প্রমাণিত হয়েছে।

এর মধ্যে পটুয়াখালীর ইটাবাড়িয়া গ্রামে লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, অপহরণ, আটকে রেখে নির্যাতন, ১৭ জনকে হত্যার ঘটনায় আসামিদের সবাইকে মৃত্যদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আর ওই গ্রামের অন্তত ১৫ নারীকে ধর্ষণের ঘটনাতেও একই সাজার রায় দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল।

মৃত্যু পর্যন্ত ফাঁসির দড়িতে ঝুলিয়ে পাঁচ যুদ্ধাপরাধীর সাজা কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রায়ে।

অবশ্য নিয়ম অনুযায়ী, এই রায়ের এক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ আদালতে আপিল করার সুযোগ পাবেন আসামিরা।

রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেছে, “আসামিরা ধর্ষণকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছে, যা তাজা একটি বুলেটের চেয়েও ভয়ঙ্কর এবং শক্তিশালী। যিনি বা যারা এর শিকার হয়েছেন, সারা জীবন তাদের এই ভয়ঙ্কর যন্ত্রণা বহন করতে হবে।

“মহান মুক্তিযুদ্ধে যেসব মা-বোনরা ধর্ষণের শিকার হয়েছেন, প্রকৃতপক্ষে তারা আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের নায়ক (ওয়ার হিরো)। সময় এসেছে তাদের ওয়ার হিরো হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার।”

মামলার নথিতে বলা হয়, পাঁচ আসামির সবাই একাত্তরে ছিলেন মুসলিম লীগ সমর্থক। আর ২০১৫ সালে গ্রেপ্তার হওয়ার সময় তারা স্থানীয় বিএনপির রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতায় দাঁড়িয়ে একাত্তরে রাজাকার বাহিনীর সদস্য হিসেবে তারা বিভিন্ন মানবতাবিরোধী অপরাধ ঘটান।

২০ আগস্ট পবিত্র হজ্ব, চাঁদ দেখা গেছে সৌদি আরবে

সৌদি আরবে পবিত্র জিলহজ্ব মাসের চাঁদ দেখা গেছে। আগামী ২০ আগস্ট পবিত্র হজ্ব। গতকাল সৌদি আরবের সুপ্রিম কোর্ট ঘোষণা করেছে, আজ রবিবার ১২ আগস্ট আরব দেশগুলোতে শুরু হবে জিলহজ্ব মাস। এ তথ্য জানায় আরব নিউজ।

আগামী ২১ আগস্ট সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে পালিত হবে পবিত্র ঈদুল আজহা। বাংলাদেশে ২২ আগস্ট ঈদ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে, হজ্বের অংশ হিসেবে হাজীরা ১৮ আগস্ট সন্ধ্যার পর মক্কা থেকে মিনা’র উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবেন। ১৯ আগস্ট সারাদিন মিনাতে অবস্থান করে সেদিন রাতে আরাফাতের ময়দানের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন। ২০ আগস্ট আরাফাতের ময়দানে অবস্থিত মসজিদে নামিরা থেকে হজের খুতবা দেওয়া হবে। এ দিনটিকে বলা হয় আরাফার দিন।

হজ্বের খুতবা শেষে জোহর এবং আসরের নামাজ একত্রে আদায় করবেন হাজীরা। সেদিন সূর্যাস্তের পর আরাফা থেকে মুজদালিফায় যাবেন। সেখানে গিয়ে হাজিরা মাগরিব এবং এশার নামাজ আদায় করবেন। মুজদালিফায় খোলা আকাশের নিচে সারারাত অবস্থান করবেন এবং শয়তানের প্রতীকী স্তম্ভে কঙ্কর নিক্ষেপের জন্য তা সংগ্রহ করবেন।

ফজরের নামাজ শেষে বড় জামারায় (প্রতীকী বড় শয়তানকে) পাথর নিক্ষেপ করতে মিনায় যাবেন। পাথর নিক্ষেপ শেষে পশু কোরবানি দিবেন হাজীরা।

উল্লেখ্য, এ বছর বাংলাদেশ থেকে ১ লাখ ২৭ হাজারসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ১৮ লক্ষাধিক ধর্মপ্রাণ মুসলমান হজ্বে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

এদিকে গত ২৭ দিনে ২শ ৯৬টি ফ্লাইটে এক লাখ ৩শ ৮৪ জন বাংলাদেশী হজ্বযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ১শ ৪৫টি ফ্লাইটে ৫১ হাজার ৬শ ৯০ জন এবং সৌদি এয়ারলাইন্সের ১শ ৫১টি ফ্লাইটে ৪৮ হাজার ৬শ ৯৪ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে যান।

এদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৬ হাজার ৭শ ৬৭ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৯৩ হাজার ৬শ ১৭ জন হজ্বে গেছেন। বাংলাদেশ থেকে যাওয়া হাজীরা বর্তমানে পবিত্র মক্কা এবং মদিনায় অবস্থান করছেন।