শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Home Blog Page 71

সাংবাদিকদের সাথে এমপি প্রার্থী রুহেলের মতবিনিময়

 

মিরসরাই প্রতিনিধি

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১ মিরসরাই আসনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মাহবুব উর রহমান রুহেল মিরসরাইয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেছে। মতবিনিময় সভায় তিনি পরিবেশ সুরক্ষা ও মাদক নির্মূল প্রধান চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ভবিষ্যতে স্মার্ট মিরসরাই গড়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেন। শনিবার (২ ডিসেম্বর) সন্ধায় চট্টগ্রাম হোটেল পেনিনসুলায় এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ১১ নং মঘাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসাইন মাষ্টার ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তানভীর হোসেন তপুর সার্বিক তত্ত্বাবধানে সভায় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মাহবুব উর রহমান রুহেল নিজের স্মার্ট মিরসরাই গড়তে তার পরিকল্পনা তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, আমার বাবা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন দীর্ঘ ৫৪ বছর মিরসরাইবাসীর জন্য নিজেকে উজাড় করে দিয়েছেন। তার পদাংক অনুসরণ করে আমার রাজনীতিতে আসা। ২০ বছর ধরে আমি মিরসরাইয়ের আনাচে-কানাচে ঘুরে মানুষের সাথে মিশে মাদকবিরোধী জনসচেতনতা ও পরিবেশ সুরক্ষায় যুবসমাজের মাধ্যমে কাজ করেছি। সামাজিক দায়বদ্ধতার কারনে মিরসরাই বাসির দুঃখ দূর্দশা অনুধাবন করে সমাধানের জন্য বাবার মাধ্যমে চেষ্টা করেছি। আমরা ৪ ভাই বোন কখনো রাজনীতি করবো এমপি হবো এ রকম কোন পারিবারিক সিদ্ধান্ত ছিলো না। এই ৫৪ বছরে আমার বাবা অনেক উন্নয়ন কাজ করেছেন। মিরসরাইয়ের জনগণ বাবাকে ৭ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত করে অনেক সম্মান দিয়েছেন। এখন তিনি বাধ্যক্যে এসে নির্বাচন না করার ঘোষণায় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ইচ্ছায় স্মার্ট মিরসরাই গড়ার জন্য আমাকে উপযুক্ত মনে করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছেন।

উন্নয়নের ধারাবাহিতা ধরে রাখতে আশা করছি আগামী ৭ জানুয়ারি জনগন নৌকা প্রতিকে ভোট দিয়ে আমাকে জয়ী করবে। তিনি আরো বলেন, যদি আমি এমপি নির্বাচিত হই মাদকের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিবো। কারণ মাদক যুব সমাজকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। মাদকের প্রশ্নে আমার দলের লোক হলেও কোন ছাড় নেই। তিনি বলেন, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব আমরা লক্ষ্য করছি। চারিদিকে পরিবেশ ধ্বংস করে বনাঞ্চল উজাড়, পাহাড় কাটাার ফলে জীববৈচিত্র বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। অবৈধ বালু উত্তোলনের ফলে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হচ্ছে । এদের লাগাম টানা না গেলে জিও পলিটিক্স এর কারনে মিরসরাইয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প নগরে বিশ্বের অন্যতম বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলো আসার যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে তা বাধাগ্রস্থ হবে। আমি অর্থনৈতিক অঞ্চলের বিনিয়োগ ফোরামের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে অনেক গভীরের বিষয়ে অবগত আছি। এটি নিয়ে অনেক পরিকল্পনা রয়েছে আমার। প্রথমে গুরুত্ব দিবো মিরসরাইয়ের শিক্ষিত দক্ষ যুবকদের কর্মসংস্থানের জন্য। আগামী দিনে মিরসরাইয়ের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে সুপেয় পানির চাহিদা পুরন করা। এটি নিয়ে কাজ করবো। এ ছাড়া তরুণদের মেধা বিকাশে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাংস্কৃতিক ও বিনোদন ক্রীড়া বন্ধব পরিবেশ গড়ে তুলবো।

মতবিনিময় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক চেয়ারম্যান এনায়েত হোসেন নয়ন, সাংবাদিক নুরুল আলম, শারফুদ্দীন কাশ্মীর, বিপুল দাশ, এনায়েত হোসেন মিঠু, আজহার মাহমুদ, এম মাঈন উদ্দিন, নাছির উদ্দিন, মোহাম্মদ ইউসুফ, রনজিত ধর, রাজিব মজুমদার, ইমাম হোসেন, বাবলু দে, কামরুল হোসেন, দিদারুল আলম, অজয় দাস, রবি করিম, শিহাব উদ্দিন শিবলু প্রমুখ।

 

মিরসরাইয়ে শিক্ষকদের বিদায়ী সংবর্ধনা

মিরসরাই প্রতিনিধি :
মিরসরাইয়ে বদলী জনিত দুই শিক্ষা কর্মকর্তা, ৭ জন অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও ১৭ জন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত সহকারি শিক্ষকদের বিদায়ী সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে মিঠাছরা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে রঘুনাথপুর ক্লাস্টারের আয়োজনে কিছমত জাফরাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও ক্লাস্টার সচিব রাশেদা বানুর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার এ.কে.এম ফজলুল হক।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপজেলা শিক্ষা অফিসের ইউ.আর.সি ইন্সট্রাক্টর জিল্লুর রহমান ও সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার আবু তোয়াব মজুমদার এবং ৭জন প্রধান শিক্ষক ও ১৭জন সহকারি শিক্ষককে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মুহাম্মদ ফারুক হোসাইনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলার ৮নং দুর্গাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস.এম. আবু সুফিয়ান, মিরসরাই সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শাসছুল আলম দিদার, ইউ.আর.সি ইন্সট্রাক্টর সহিদুল আমিন ভূঁইয়া, সহকারি উপজেলা শিক্ষা অফিসার বশির আহম্মদ সরকার, মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন, মো. রেজাউল ইসলাম, মিঠাছরা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জামশেদ আলম।
অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন সংবর্ধিত অতিথি কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলা শিক্ষা অফিসের ইউ.আর.সি ইন্সট্রাক্টর জিল্লুর রহমান, ফেনী জেলার ছাগলনাইয়া উপজেলার সহকারী শিক্ষা অফিসার আবু তোয়াব মজুমদার, বিদায়ী প্রধান শিক্ষক ও বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. মনজুর কাদের চৌধুরী, পূর্ব তেতৈয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও ঝুলনপুল ক্লাস্টারের সচিব আজিজুল হক নিজামী, সহকারী শিক্ষক মো. মাইনুল হাছান, গোপী কুমার দাশ। আলোচনা সভা শেষে বিদায়ী শিক্ষা কর্মকর্তা ও শিক্ষকদের ক্রেস্ট, মানপত্র দিয়ে সংবর্ধিত করা হয়।

 

শান্তিনীড় শিক্ষোন্নয়ন বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিলো দুই সহ্রাধিক শিক্ষার্থী

মিরসরাই প্রতিনিধি :

বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা ও শৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে মিরসরাইয়ের স্বেচ্ছাসেবী সমাজ উন্নয়ন সংস্থা শান্তিনীড়ের ১৫তম শিক্ষোন্নয়ন বৃত্তি সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার (১ ডিসেম্বর) একযোগে ৬টি কেন্দ্রে ২ হাজার ৯১ জন শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে সকাল ১০ঘটিকা থেকে উক্ত মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। মিরসরাই, সীতাকুন্ড ও ছাগলনাইয়া উপজেলার ২৭৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এতে অংশগ্রহণ করে।
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মিরসরাই কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ নুরুল আফছার এবং শান্তিনীড় সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন সোহেলের সার্বিক তত্ত্বাবধায়নে প্রতিটি কেন্দ্রে আলাদা কেন্দ্র সচিব ও সহকারী কেন্দ্র সচিব, ৮৮জন হল পরিদর্শক এবং সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের শতাধিক সদস্য উক্ত কর্মকান্ডের যাবতীয় দায়িত্ব পালন করেন।

এসময় পরীক্ষার হল পরিদর্শন করেন মিরসরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কবির হোসেন, করেরহাট কেএম উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি শাখাওয়াত উল্লাহ রিপন, মিরসরাই প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. নুরুল আলম, শান্তিনীড় পৃষ্ঠপোষক ও উপদেষ্টা মীর্জা জসীম উদ্দিন, মারূফ মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাজিম উদ্দিন, পৃষ্ঠপোষক নুরনবী ভূইয়া, নারী উদ্যোক্তা রুহি মোস্তফা, ইঞ্জিনিয়ার হামিদুল ইসলাম, কাউন্সিলর আরিফ উদ্দিন মাসুদ, পৃষ্ঠপোষক শাহাদাৎ হোসেন, মিরসরাই প্রেসক্লাবের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক এম মাঈন উদ্দিন, উদয়ন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মকছুদ আলম শাহীন, অভিযান ক্লাবের সভাপতি মো. শওকত হোসেন, নির্বাণ যুব সংঘের সভাপতি তানভীর আহমদ, মধ্যম আমবাড়ীয়া যুব সংঘের সভাপতি আলতাফ হোসেন, অদম্য যুব সংঘের সভাপতি নিয়াজ মুহাম্মদ সাজেদ, আদর্শ বন্ধু ফোরামের সভাপতি দীন মোহাম্মদ সহ সংগঠনের বিভিন্ন সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে অন্যান্য চলমান সামাজিক কার্যক্রমের পাশাপাশি ২০০৭ সাল থেকে শান্তিনীড় শিক্ষোন্নয়ন বৃত্তি কার্যক্রম টানা ১৫বছর অত্যন্ত দক্ষতা, সুনাম ও সফলতার সহিত সম্পন্ন হয়ে আসছে। সংগঠনের নিজস্ব সফটওয়ারের মাধ্যমে ডিজিটাল পযুক্তিতে বৃত্তি পরীক্ষার নিবন্ধন ও ফলাফল প্রকাশিত হয়।

আগুনে পুড়ে যাওয়া পরিবারের মাঝে বস্ত্র বিতরণ করে পায়রা ইয়ুথ সোসাইটি

 

ছাগলনাইয়া উপজেলার ১০ নং ঘোপাল ইউনিয়নের সিংহনগর গ্রামের মুহুরী বাড়ীতে ভয়াবহ আগুনে পুড়ে নিঃস্ব হয়েছে কয়েকটি পরিবার। পায়রা ইয়ুথ সোসাইটির পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার সকালে দেখতে যান এবং পরিবারের গুলোর মাঝে থ্রি-পিস ও লুঙ্গি বিতরণ করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন পায়রা ইয়ুথ সোসাইটির উপদেষ্টা ও ৯নং ইউপি সদস্য, নিজাম উদ্দিন মিল্টন, সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক আবু সাঈদ মোহাম্মদ সায়েম, পরিচালক অর্থ জনাব জিয়াউল হক মিলন, পরিচালক ট্রেনিং ও কর্মসংস্থান জনাব রাকিবুল হাসান রিকুসহ এলাকার গন্যমান্য বক্তিবর্গ।
মঙ্গলবার রাত পৌনে ১২ টার দিকে দুর্গাপুর সিংহনগর গ্রামের মুহুরী বাড়িতে এ অগ্নীকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে মাওলানা অলি উল্যাহ, মোবাশ্বের হোসেন ও রোকেয়া বেগমের বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। অগ্নিকাণ্ডে পরিবার গুলোর প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্তদের।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

বিএনপি নেতাকর্মীকে না পেয়ে তার স্ত্রীকে ধরে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ : রিজভী

 

গোয়েন্দা পুলিশ বিএনপির নেতাকর্মীকে না পেয়ে তার স্ত্রীকে ধরে নিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বলেছেন, ‘শিশু বর্ষা ও নুরী চিৎকার করে কাঁদছে তার মায়ের মুক্তির জন্য। গোয়েন্দা পুলিশ শিশুদের বাবাকে না পেয়ে তার মাকে ধরে নিয়ে গেছে। এমনিভাবে ছয় বছরের শিশু সিয়াম বুকফাটা আর্তনাদ করছে তার কারাবন্দী বাবা আবুল কালামের জন্য।’

বুধবার বিকেলে ভার্চুয়াল এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।

রিজভী বলেন, ‘আব্দুল হাইয়ের তিন সন্তানকে কারান্তরীণ করা হয়েছে। এদের মধ্যে এক ছেলের হয়েছে ১০ বছর সাজা। আরেক ছেলেকে না পেয়ে তার স্ত্রীকে গ্রেফতার করে তিন দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘সারাদেশে চলছে বিএনপি নেতাকর্মীদের বাড়িতে বাড়িতে মাতম আর মর্সিয়া। কান্নার আহাজারিতে এক বিষন্ন গুমোট অবস্থা বিরাজ করছে জন-সমাজে। হাতিরঝিলের বাসা থেকে বের হওয়ার সময় ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সভাপতি ফজলুর রহমান খোকনকে বর্বোরচিত আক্রমণ করে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী ক্যাডাররা। প্রচণ্ড মারধরের পর রক্তাক্ত খোকনকে পুলিশের হাতে ধরিয়ে দেয়। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা আর সশস্ত্র আওয়ামী ক্যাডাররা একই দলে পরিণত হয়েছে। এদের কাজ শুধুমাত্র সরকারের আক্রোশ বাস্তবায়ন করা।’

বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, ‘এ ধরনের ঘটনার বর্ণনা দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হবে। বিএনপির নেতাকর্মীরা এক কঠিন সময় পার করছে। অনেকটা দেশ ছাড়া উদ্বাস্তুর মতো। সহায় সম্বলহীন নিঃস্ব তারা। বিগত ১৫ বছরে অনেককে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে, চাকুরি থাকলেও কোনো পদোন্নতি পায়নি, ব্যবসা-বাণিজ্য কেড়ে নেয়া হয়েছে, দোকান-পাট, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ভেঙে ফেলা হয়েছে। এর ওপর এখন ঘর ছাড়া, বাড়ি ছাড়া, এলাকা ছাড়া নেতাকর্মীদের ধান ক্ষেতে মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দৃশ্য দেশবাসী দেখেছে, সুপারির বাগান, ফলের বাগান এবং রান্না ঘরের লাকড়ি রাখার স্তুপের মধ্যে কোনোরকমে জায়গা করে রাত পার করছে বিএনপির নেতাকর্মীরা। রাষ্ট্র এখন তার নাগরিকদের জীবন আর সম্পদের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দেয় না। বিএনপির নেতাকর্মীদের যেন মানবাধিকার থাকতে নেই। সংবিধানে যতটুকু মানবাধিকার আছে ওই অধিকার প্রয়োগেরও অধিকার নেই বিএনপির নেতাকর্মীদের। হত্যা, লুণ্ঠন ও বন্দী হওয়াই যেন তাদের ভাগ্যের লিখন। সরকারের নীতিই যেন হয় আমাকে সমর্থন করো, না হলে নিশ্চুপ থাকো। আওয়ামী শাসকগোষ্ঠীর উগ্র-প্রচারের বিরুদ্ধে টু-শব্দ করতে পারবে না। লুণ্ঠন আর হত্যা যেন কোনো অমানবিক কাজ নয় ক্ষমতাসীনদের কাছে। সরকার লেলিয়ে দিয়েছে তার পেটোয়া বাহিনীকে, যারা মনে করে লুটপাট, সহিংসতা ও হত্যা যেন তাদের দলীয় কর্তব্য। যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা যে সহিংস আক্রমণের দৃষ্টান্ত দেখিয়ে আসছে সে কারণেই তাদেরকে ধন-সম্পত্তি আর লুটপাটের সুযোগ করে দেয়াটা যেন প্রত্যক্ষ পারিতোষিক।’

রিজভী বলেন, ‘আজ সকাল ৬টা থেকে অবরোধ কর্মসূচি শুরু হয়েছে, যা আগামীকাল ভোর ৬টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে এবং আগামীকাল সকাল-সন্ধ্যা হরতাল পালন করা হবে। বিএনপিসহ সমমনা দলগুলো দূর্জয় গতিতে জীবন বাজি রেখে এই শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিগুলো পালন করছে। সরকারের রক্তচক্ষু, চোখ রাঙানী, গ্রেফতার অভিযান, নিষ্ঠুর দমন-পীড়নের মধ্যেও অকুতোভয়ে নেতা-কর্মীরা তাদের দুরন্ত মিছিল অব্যাহত রেখেছে।’

সরকারের পদত্যাগসহ অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে, আপসহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে প্রেরণ এবং বিএনপির মহাসচিবসহ সকল নেতাকর্মীর মুক্তির দাবিতে চলমান অবরোধ ও হরতাল কর্মসূচি সফল করতে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান রিজভীর।

 

নেতাকর্মীদের ভালোবাসায় সিক্ত নৌকার প্রার্থী রুহেল

মিরসরাই প্রতিনিধি :::

দীর্ঘ ৫৪ বছর পর চট্টগ্রাম-১ মিরসরাই আসনের নতুন মুখ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থী মাহবুব উর রহমান রুহেল। তিনি আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও মিরসরাই আসন থেকে সাতবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের মেঝ সন্তান। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার সাক্ষরিত দলীয় মনোনয়ন নিয়ে ঢাকা থেকে ফিরে চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমান বন্দরে হাজারো নেতাকর্মীদের ভালোবাসায় সিক্ত হন রুহেল। এসময় হাজারো আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। পরবর্তীতে চট্টগ্রাম নগরীর দ্যা পেনিনসুলায় একটি সংক্ষিপ্ত স্বাগত অনুষ্ঠানের শুরুতে মিরসরাই উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। স্বাগত অনুষ্ঠানে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক একেএম জাহাঙ্গীর ভূঁইয়ার সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মাহবুব উর রহমান রুহেল, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আতাউর রহমান, মিরসরাই পৌরসভার মেয়র মো. গিয়াস উদ্দিন, করেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এনায়েত হোসেন নয়ন, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ফেরদৌস হোসেন আরিফ, মিরসরাই উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মাইনুর ইসলাম রানা, সহ-সভাপতি আশরাফুল কামাল মিটু, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তানভীর হোসেন চৌধুরী তপু।

বুধবার (২৯ নভেম্বর) বিকালে মাহবুব উর রহমান রুহেল চট্টগ্রাম থেকে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা সহকারে উপজেলার বড়দারোগারহাটে পৌছালে হাত নেড়ে অপেক্ষমান বিপুল সংখ্যক উৎসুক ভক্ত সমর্থকদের শুভেচ্ছা জানান। একই সময় নেতাকর্মীরা তাদের পচন্দের প্রার্থী রুহেলকে আনন্দ উল্লাসে রুহেল রুহেল শ্লোগানে বরণ করে নেন। গাড়িবহর নিয়ে নিজ বাড়িতে গিয়ে নিজের পিতা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের সাথে ফুলেল শুভেচছা বিনিময় করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা, উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের বিভিন্ন নেতাকর্মীরা।

মাহবুব উর রহমান রুহেল বলেন, ‘বাবার দেখানো পথেই আমি হাঁটতে চাই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন কর্মকান্ডের সহযোগী হতে চাই। আমার বাবা সুদীর্ঘ সময় মিরসরাই উপজেলার উন্নয়নে কাজ করেছেন। মিরসরাই আসনে নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত। ইনশাআল্লাহ।’

তিনি আরও বলেন, আমার বাবার অসমাপ্ত কাজগুলোর পাশাপাশি মিরসরাইকে মাদক ও সন্ত্রাস মুক্ত হিসেবে গড়ে তুলবো। মিরসরাইকে গ্রীন মিরসরাই হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করে যাবো।

 

পুনরায় হাবিলদারবাসা উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি হলেন চেয়ারম্যান নয়ন

মিরসরাই প্রতিনিধি
মিরসরাই উপজেলার করেরহাট ইউনিয়নের হাবিলদারবাসা জয়পুর পূর্বজোয়ার অঙ্কুরের নেছা ওবায়দুল হক উচ্চ বিদ্যালয় পরিচলনা পরিষদের পুনরায় সভাপতি হয়েছেন এনায়েত হোসেন নয়ন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অমৃত রঞ্জন দেবনাথ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগেও তিনি একাধিকবার অত্র বিদ্যালয়ের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি করেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান-প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক, মিরসরাই প্রেসক্লাবের রয়েল ডোনার সদস্য ও মিরসরাই উপজেলা নাগরিক কমিটির মহাসচিব হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন। এছাড়া তিনি মিরসরাই উপজেলার একাধিক ক্রীড়া ও সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

এনায়েত হোসেন নয়ন বলেন, ‘একাধিকবার অত্র বিদ্যালয়ের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছি। এর আগে একাধিকার করেরহাট গনিয়াতুল উলুম হোসাইনীয়া আলিম মাদরাসার সভাপতির দায়িত্বে ছিলাম। জয়পুর পূর্বজোয়ার উচ্চ বিদ্যালয়ের অভিভাবক সদস্যবৃন্দ এবং টিআর সদস্য বৃন্দ আমাকে সভাপতি মনোনীত করায় তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। পূর্বেও বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়নের কাজ করেছি আগামীতেও এর ধারাবাহিতা অব্যাহত থাকবে।’

মিরসরাইয়ে যুবদলের আহবায়ক ও ছাত্রদলের সদস্য সচিব গ্রেফতার

মিরসরাই প্রতিনিধি
মিরসরাইয়ে জোরারগঞ্জ থানা যুবদলের আহবায়ক মো. সিরাজুল ইসলাম (৩৮) ও উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব ফরহাদ হোসেনকে গ্রেফতার করেছে মিরসরাই থানা পুলিশ। মঙ্গলবার ( ২৭ নভেম্বর) রাতে চট্টগ্রাম শহরে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। সিরাজ জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের মধ্যম সোনাপাহাড় এলাকার মৃত জামশেদ আলমের পুত্র। ফরহাদ মিরসরাই পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মৃত নুরুল আবছারের পুত্র।

তাদের গ্রেফতারের প্রতিবাদ জানিয়েছেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক নুরুল আমিন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক নুরুল আমিন চেয়ারম্যান, মিরসরাই উপজেলা বিএনপির আহবায়ক শাহীদুল ইসলাম চৌধুরী, সদস্য সচিব গাজী নিজাম উদ্দিন, বারইয়ারহাট পৌর বিএনপির আহবায়ক দিদারুল আলম মিয়াজী, উপজেলা যুবদলের সাবেক আহবায়ক শাহীনুল ইসলাম স্বপন, মিরসরাই উপজেলা যুবদলের আহবায়ক কামাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান।

মিরসরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন জানান, সিরাজ ও ফরহাদকে মঙ্গলবার রাতে চট্টগ্রাম শহরে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে থানায় একাধিক নাশকতার মামলা রয়েছে। বুধবার ( ২৮ নভেম্বর) দুপুরে দুইজনকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়।

 

মিরসরাইয়ে কলেজে পাশের হার ৯২.৪৬%, মাদরাসায় শতভাগ

মিরসরাই প্রতিনিধি
মিরসরাইয়ে এইচএসসি পরীক্ষায় পাশের হার ৯২.৪৬%। আলিম পরীক্ষায় পাশের হার শতভাগ। উপজেলার ৭টি কলেজের মধ্যে ভালো ফলাফল অর্জন করেছে আবুতোরাব প্রফেসর কামাল উদ্দিন চৌধুরী কলেজ ও মহাজনহাট এফ রহমান স্কুল এন্ড কলেজ। সর্বোচ্চ ৬৬ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে মহাজনহাট এফ রহমান স্কুল এন্ড কলেজের পরীক্ষার্থীরা। উপজেলার ৮টি মাদরাসায় পাশের হার শতভাগ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৯ জন পরীক্ষার্থী।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, আবুতোরাব প্রফেসর কামাল উদ্দিন চৌধুরী কলেজের পরীক্ষার্থী সংখ্যা ২শত ৮৪ জন। পাশ করেছে ২৮২জন। পাশের হার ৯৯.৩০%। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৪ জন। মহাজনহাট এফ রহমান স্কুল এন্ড কলেজের মোট পরীক্ষার্থী সংখ্যা ৬শ জন। এদের মধ্যে পাশের করেছে ৫৯৮জন। পাশের হার ৯৯%। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৬ জন শিক্ষার্থী। নিজামপুর সরকারি কলেজের মোট পরীক্ষার্থী ৯শ জন। পাশ করেছে ৮৩৬জন। পাশের হার ৯২.৮৯%। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩০ জন। মিরসরাই কলেজের মোট পরীক্ষার্থী ৩শত ৮৩জন। পাশ করেছে ৩৬৪ জন। পাশের হার ৯৫.০৪ %। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১জন। বারইয়ারহাট কলেজের মোট পরীক্ষার্থী ২শত ২৫জন। পাশ করেছে ১৭৭ জন। পাশের হার ৭৮.৬৭%। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ জন। বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর মোস্তফা কলেজের মোট পরীক্ষার্থী ২৯ জন। পাশ করেছে ২৮জন। পাশের হার ৯৬.৫৫%। জোরারগঞ্জ মহিলা কলেজের মোট পরীক্ষার্থী ১শত ২৮জন। পাশ করেছে ৭৬জন। পাশের হার ৫৯.৩৮%।
লতিফীয়া কামিল মাদরাসায় পাশের হার শতভাগ। জিপিএ-৫ ৬জন। আবুতোরাব ফাজিল মাদরাসায় পাশের হার শতভাগ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯জন। সুফিয়া নূরীয়া ফাজিল মাদরাসায় পাশের হার শতভাগ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন। করেরহাট গনিয়াতুল উলুম হোসাইনীয়া আলিম মাদরাসায় পাশের হার শতাভাগ। জিপিএ-৫ পেয়েছে একজন। মাদবরহাট ফাজিল মাদরাসায় পাশের হার শতভাগ। শান্তিরহাট আলিম মাদরাসায় পাশের হার শতভাগ, মিঠাছরা ফাজিল মাদরাসায় পাশের হার শতভাগ। জিপিএ-৫ একজন। জামেয়া রহমানিয়া ফাজিল মাদরাসায় পাশের হার শতভাগ।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির খান বলেন, এবার মিরসরাইয়ে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ২৫৪৯জন শিক্ষার্থী। পাশ করেছেন ২৩৫৭ জন শিক্ষার্থী। পাশের হার ৯৯.৪৬%। আলিম পরীক্ষায় ২৮৫জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে সবাই পাশ করেছে। আলিমের পাশের হার শতভাগ। উপজেলায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৭৬জন পরীক্ষার্থী।

 

রুহেল আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়ায় ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল

মিরসরাই প্রতিনিধি
আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১ মিরসরাই আসনে মাহবুব রহমান রুহেল আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়ায় মিরসরাইয়ে আনন্দ মিছিল করেছে ছাত্রলীগ। রবিবার (২৬ নভেম্বর) বিকেলে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের প্রার্থী তালিকায় রুহেলের নাম ঘোষণার সাথে সাথে আনন্দ মিছিল শুরু হয়। উপজেলার ১১নং মঘাদিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের উদ্যোগে আয়োজিত মিছিলটি আবুতোরাব বাজার প্রদক্ষিণ করে শেষ হয়। মিছিল শেষে বক্তব্য রাখেন মঘাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসাইন মাষ্টার।

ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি আবু নছর রিপনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক তৌহিদ আনোয়ার বাপ্পীর সঞ্চালনায় এসময় আরো বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য হাজী বেলাল আহম্মদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক আরিফ মাঈনুদ্দীন, মঘাদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ডা. তমল কৃঞ্চ দে, সাবেক ইউপি সদস্য মীর হোসেন মিরণ, ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আবছার লিটন ও ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আবদুল কাইয়ুম।