রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Home Blog Page 75

বিএনপি-জামায়াতের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে এমপি দিদারুল আলমের মোটর শোভাযাত্রা

 

মিরসরাই প্রতিনিধি

বিএনপি-জামায়াতের নৈরাজ্য, আগুন সন্ত্রাসের প্রতিবাদে বিশাল মোটর শোভাযাত্রা করেছেন চট্টগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য দিদারুল আলম। এতে সীতাকুণ্ড উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের কয়েক হাজার নেতাকর্মী মোটর সাইকেল, প্রাইভেটকার নিয়ে অংশ নেন।

আজ বুধবার (১ নভেম্বর) সকাল সাড়ে দশটায় শুরু হয়ে শোভাযাত্রাটি সীতাকুণ্ড পৌরসদরে এসে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।

সীতাকুণ্ড উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শিহাব উদ্দিনের সভাপতিত্বে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য দিদারুল আলম এসময় তিনি বলেন, আবারও হরতাল-অবরোধ ডেকে মানুষের জানমাল নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে বিএনপি- জামায়াত। সীতাকুণ্ডে অতীতে এরা যে অগ্নিসন্ত্রাস ও নৈরাজ্য চালিয়েছিল তা আর হতে দেব না। এদের যেকোনো অপচেষ্টার বিরুদ্ধে দেশের মানুষ এখন ঐক্যবদ্ধ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের অভাবনীয় উন্নয়ন ও শান্তিপুর্ণ পরিবেশকে বিঘ্নিত করে বিএনপি-জামায়াত আগামী নির্বাচনকে বানচাল করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এ দেশের শান্তিপ্রিয় মানুষ তাদের প্রতিহত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নির্বাচন করার জন্য প্রস্তুত।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, সীতাকুণ্ড পৌর মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব বদিউল আলম, সীতাকুণ্ড উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শওকত আলী জাহাঙ্গীর, বারৈয়াঢালা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ রেহান উদ্দিন, ভাটিয়ারী ইউপি চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দিন, সীতাকুন্ড উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জালাল আহমেদ, পৌরসভার প্যানেল মেয়র হারাধন চৌধুরী (বাবু), কাউন্সিলর দিদারুল আলম এ্যাপেলো, উপজেলা আওয়ামী লীগের উপ প্রচার সম্পাদক মোফাক্কর চৌধুরী , মাহবুব মেম্বার, সৈয়দপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হাশেম ভূঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন, বারৈয়াঢালা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহজাহান, সোনাইছড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি বেলাল উদ্দীন, উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি দুলাল দে, উত্তর জেলা কৃষকলীগের সহ সভাপতি শওকতুল আলম, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য সচিব জোবায়ের হোসেন জিকু প্রমুখ।

 

লরিতে পেট্রোলবোমা ছুঁড়ে পালিয়ে গেল দুই মোটরসাইকেল আরোহী

মিরসরাই প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় রড বোঝায় লরিতে পেট্রোলবোমা ছুঁড়ে মারলো দূর্বৃত্তরা। বুধবার ( ১ নভেম্বর) বিকেলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুন্ড পৌরসভার  পন্থিছিলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।  এতে লরি চালক ইসমাইল হোসেন ও সহকারি (অজ্ঞাত) গুরুতর আহত হয়েছেন।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা  জানান, বুধবার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে দুইজন মোটরসাইকেল আরোহী এসে লরিতে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করে দ্রুত পালিয়ে যায়। এরপর দাউ দাউ করে আগুন জ্বলে। খবর দিলে সীতাকুণ্ড ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণ আনে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে এম রফিকুল ইসলাম, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আলাউদ্দিন, সীতাকুণ্ড মডেল থানার (ভারপ্রাপ্ত )ওসি তোফায়েল আহমদ। এ সময় বিপুল পরিমাণ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শী সাইফুল ইসলাম রুবেল বলেন, পৌর সদর থেকে বাড়িতে যাওয়ার পথে হঠাৎ ঢাকা মুখে একটি লরিতে আগুন জ্বলতে দেখি। সাথে সাথে পুলিশকে বিষয়টি জানায়।

সীতাকুণ্ড ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সিনিয়র কর্মকর্তা নুরুল আলম দুলাল জাগো নিউজকে বলেন, পেট্রোল বোমা নিক্ষেপে একটি লরিতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা স্থানীয়রা জানালে সাথে সাথে এসে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হয়েছি। চালক ও চালকের সহকারী আহত হয়েছেন। তাদেরকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

সীতাকুণ্ড মডেল থানার (ভারপ্রাপ্ত) ওসি তোফায়েল আহমেদ জাগো নিউজকে বলেন, স্থানীয়দের মুখে শুনেছি দুইজন মোটরসাইকেল আরোহী লরিতে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করে দ্রুত পালিয়ে যায়। তিনি আরো বলেন,অবরোধকারী জামাত-বিএনপির লোকজন এই ঘটনা ঘটিয়েছে। এই ঘটনা যারা ঘটিয়েছে তাদেরকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। ঘটনার পর থেকে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

মিরসরাইয়ে মহাসড়কে টায়ার পুড়ে বিএনপির পিকেটিং ও মিছিল

মিরসরাই প্রতিনিধি
বিএনপির ডাকা অবরোধের দ্বিতীয় দিনে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে পিকেটিং ও মিছিল করেছে বিএনপি। বুধবার ( ১ নভেম্বর) ভোরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তাঁরা অবরোধের সমর্থনে মিছিল বের করে। মিছিল শেষে সড়কে টায়ার জ¦ালিয়ে পিকেটিং করে এ কর্মসূচি পালন করেন।

উপজেলা যুবদলের সাবেক আহবায়ক শাহীনুল ইসলাম স্বপন বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সহ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে পুলিশ ও বিজিবির কয়েকটি টিমের টহলকে উপেক্ষা করে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১ মিরসরাই সংসদীয় আসনের বিএনপির মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী নুরুল আমিন চেয়ারম্যানের নির্দেশে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বিএনপির নেতা কর্মীরা রাজপথে অবস্থান অবরোধের সমর্থনে কর্মসূচি পালন করেছে। এসরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত দলের কেন্দ্র ঘোষিত আন্দোলন সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

এদিকে বিএনপি-জামায়াতের ডাকে টানা তিনদিনের অবরোধের দ্বিতীয় দিন চলছে মিরসরাইয়ে। সকাল থেকে দূর পাল্লার কোন গণপরিবহন চলাচল করতে দেখা যায়নি। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্ন স্পটে পুলিশ, বিজিবিকে টহল দিতে দেখা গেছে। উপজেলার বিভিন্ন স্পটে অবস্থান নিয়েছে আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কর্মীরা।

মিরসরাই উপজেলা সহকারি কমিশনার(ভূমি) মিজানুর রহমান বলেন, আমরা বিজিবি সহ মহাসড়কের মিরসরাইয়ের পুরো এলাকা টহল দিয়েছি। কোথাও কিছু দেখলাম না। শুধু বারইয়ারহাট কমফোর্ট হাসপাতালের সামনে সড়কে কিছু ময়লা দেখলাম। বিএনপি হয়তো আগের তোলা ছবি ফেসবুকে দিয়ে মিথ্যাচার করছে। তিনি আরো বলেন, মিরসরাইয়ে প্রশাসন নাশকতা রোধে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

 

বিএনপি-জামায়াতের অবরোধের বিরুদ্ধে মিরসরাইয়ে যুবলীগের বিক্ষোভ

 

মিরসরাই প্রতিনিধি

বিএনপি-জামায়াতের ডাকে টানা তিনদিনের অবরোধের দ্বিতীয় দিন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বিক্ষোভ মিছিল করেছে মিরসরাই উপজেলা যুবলীগ। বুধবার ( ১ নভেম্বর) বিকেলে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মাইনুর ইসলাম রানা ও সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল ভূঁইয়ার নেতৃত্বে মিছিলটি সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। এরপর সমাবেশে উপজেলা ও ১৬ ইউনিয়ন ইউনিয়ন এবং দুই পৌর যুবলীগের নেতৃৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল ভূঁইয়া বলেন, বিএনপি জামায়াত দেশে আবারো অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চায়। তারা গাড়ি পুড়িয়ে, মানুষ মেরে ক্ষমতায় আমার স্বপ্ন দেখছে। এদেশের জনগন উন্নয়নের পক্ষে, শেখ হাসিনার পক্ষে। সুতারাং ক্ষমতায় আসার স্বপ্ন দেখে লাভ নেই। কেউ যদি শান্ত মিরসরাইকে অশান্ত করতে চায় তাহলে আমাদের প্রিয় অভিবাবক ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি ও আগামী এমপি মাহবুব রহমানের রুহেল ভাইয়ের নির্দেশে তাদের প্রতিহত করা হবে।

 

 

আবুতোরাব বাজারে নেতা-কর্মীদের নিয়ে অবরোধের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন জাহাঙ্গীর মাষ্টার

নিজস্ব প্রতিনিধি
বিএনপি-জামায়াতের সরকার পতনের এক দফা কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশব্যাপী তিনদিন ব্যাপী অবরোধের প্রথমদিন উপজেলার আবুতোরাব বাজারে অবস্থান নিয়েছে মঘাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসেনের নেতৃত্বে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা৷

উপজেলার আবুতোরাব বাজারে বিভিন্ন পয়েন্টে আজ মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর) অবরোধ বিরোধী শোডাউন করেছে নেতাকর্মীরা৷

এসময় চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, বিএনপি-জামায়াত অবরোধ কর্মসূচির নামে যাতে কোনো নাশকতা করতে না পারে তার জন্য আমার ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে তিনদিন পাহারায় থাকবে আওয়ামী লীগ,যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

তিনি আরো বলেন, মিরসরাইয়ের কোথাও অবরোধকে কেন্দ্র করে কোনো নাশকতা করতে দেওয়া হবে না। যেখানে সহিংসতা সেখানেই প্রতিরোধ। তাদের আর কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

কিশোরগঞ্জে বিএনপির মিছিলে গুলি, নিহত ২

 

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে অবরোধের সমর্থনে বিএনপির মিছিলে গুলি চালানো হয়। এতে দু’জন নিহত হয়েছেন।

আজ মঙ্গলবার সকালে এই ঘটনা ঘটে।

বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফুল আলম ঘটনাস্থল থেকে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহতরা হলেন ছয়সুতি ইউনিয়নের কাওসারের ছেলে ছাত্রদল নেতা শেফায়েত উল্লাহ (২০) ও একই ইউনিয়নের কৃষক দল সভাপতি বিল্লাল মিয়া (৩০)।

যুবলীগ নেতা মিটুর নেতৃত্বে মহাসড়কে অবস্থান নিয়েছে ছাত্রলীগ-যুবলীগ

 

নিজস্ব প্রতিবেদক :::
বিএনপি-জামায়াতের ডাকে সারাদেশে তিনদিন অবরোধের প্রথম দিন মঙ্গলবার ভোর থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অবস্থান নিয়েছে ছাত্রলীগ, যুবলীগ, শ্রমিক লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা-কর্মীরা। উপজেলার ছোট কমলদহ এলাকায় উপজেলা যুবলীগের সহসভাপতি আশরাফুল কামাল মিটুর নেতৃত্বে তারা অবস্থান নেয়।

আশরাফুল কামাল মিটু বলেন, দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার জন্য বিএনপি-জামায়াত গতকাল হামলা চালিয়েছে। তাদের জন্মটাই এভাবে হয়েছে। মানুষ হত্যা করেই ওদের পার্টির জন্ম। কাজেই তারা এটি করবে, আমরা তা প্রতিহত করার জন্য সকাল থেকে বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করছি। আমরা জনগণকে নিয়ে বিএনপি-জামায়াতকে প্রতিহত করবো। যাতে জনগণের জানমাল ও দেশের সম্পদ রক্ষা করা যায়।

তিনি আরও বলেন, এখানে কেউ নাশকতা করতে চাইলে তা শক্তভাবে প্রতিহত করা হবে। প্রিয় নেতা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি ও আগামীর এমপি মাহবুব রহমান রুহেল ভাইয়ের নির্দেশে আমরা সকাল থেকে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে তৎপর রয়েছি।

এদিকে সকাল থেকে মহাসড়কে দূরপাল্লার তেমন কোনো যাত্রীবাহী বাস দেখা না গেলেও লেগুনা ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলতে দেখা গেছে। এতে করে দূরের যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েছেন।

বিএনপির মহাসমাবেশে নৃশংস হামলার কৌশলটি ছিল পূর্বপরিকল্পিত : ড. মঈন খান

 

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, নয়াপল্টনে বিএনপির সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ মহাসমাবেশ নিয়ে আওয়ামী লীগ সরকার নৃশংস খেলা খেলেছে। পুরো কৌশলটি ছিল পূর্বপরিকল্পিত।

তিনি বলেন, তারা মহাসমাবেশের অনুমতিটিকে অস্বীকার করার পরিবর্তে এই বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়েই সভার অনুমতি দিয়েছিল, যাতে তারা গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের জন্য বিরোধী দলের ন্যায়সঙ্গত শান্তিপূর্ণ দাবিকে নস্যাৎ করতে পুলিশের ওপর হামলার অজুহাত ব্যবহার করে ঠান্ডা মাথায় নৃশংস হামলা চালাতে পারে।

‘আওয়ামী লীগ সরকার এটা কৌশলে বিরোধীদলের ন্যায্য দাবিকে বাতিল করার জন্য তৈরি করেছে। এর ফলে এক দিনেই বাংলাদেশের পুরো রাজনৈতিক দৃশ্যপট ব্যাপকভাবে বদলে গেছে।’

ঢাকায় বিএনপি নেতৃত্বাধীন বিরোধী দল ও জোটসমূহের মহাসমাবেশে হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় তিনি সোমবার (৩০ অক্টোবর) গণমাধ্যমকে এসব কথা বলেন।

ড. মঈন খান বলেন, নয়াপল্টনে বিএনপির সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ মহাসমাবেশ নিয়ে আওয়ামী লীগ সরকার যে নৃশংস খেলা খেলেছে তাতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। বিএনপিকে এই শান্তিপূর্ণ মহাসমাবেশের অনুমতি দেয়ার বিষয়ে সরকার উদাসীন ছিল। তারপরও আগের রাতে প্রয়োজনীয় অনুমতি প্রদান করা হয়। মহাসমাবেশের পশ্চিম প্রান্ত থেকে কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়া শুরুর আগ পর্যন্ত মহাসমাবেশ পুরোপুরি সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণভাবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা চলতে থাকে। তারপর আক্রমণের তীব্রতা বেড়ে যায় এবং বিস্ফোরণ ও গুলির শব্দসহ সহিংস আক্রমণ পুরো জায়গাটিকে একটি যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত করে। এটা স্পষ্ট যে, পুরো কৌশলটি ছিল পূর্বপরিকল্পিত।

তিনি বলেন, সরকার এটা বাংলাদেশের মানুষের মৌলিক অধিকার হরণের জন্যে করছে।

মঈন খান বলেন, সরকার ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে সংগঠিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের দায় বিএনপির ওপর চাপানোর চেষ্টা করছে, তার গোমর ইতোমধ্যেই ফাঁক হয়ে গেছে। যেখানেই সরকার বাসে আগুন অথবা গ্রেনেড বিস্ফোরণের দায় বিএনপির ওপর চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেছে সেখানেই প্রত্যক্ষদর্শীরা বলে দিয়েছে যে সরকারের লোকেরাই এসব ঘটনা ঘটিয়েছে। কাজেই সরকারের ২০১৪ সালের ধোঁকাবাজি যে ১০ বছর পরে আর চলবে না, সেটা সরকার বুঝতে পারেনি। আজ এটা দিবালোকে মতো স্পষ্ট হয়ে গেছে যে এভাবে মিথ্যাচার আর জুলুমবাজি দিয়ে বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী মানুষকে আর দমিয়ে রাখা যাবে না।

 

মিরসরাইয়ে বিএনপির ১৭ নেতা-কর্মী গ্রেফতার

মিরসরাই প্রতিনিধি
মিরসরাই ও জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে বিএনপির ১৭ নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করেছে। শনিবার রাত থেকে রোববার দুপুর পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। আটককৃত সবাইকে দুপুরে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। মিরসরাই থানায় গ্রেফতারকৃত হলেন মঘাদিয়া ইউনিয়নের উত্তর কচুয়া এলাকার রেজাউল করিম (৪২), তালবাড়িয়া এলাকার মো. ইউনুছ (৩১), পশ্চিম মলিয়াইশ এলাকার ওসানুল হাসান (৩০) ও একই এলাকার নাজমুল হোসেন (২৫)। জোরারগঞ্জ থানায় আটককৃতরা হলেন মিঠানালা এলাকার মোহাম্মদ রফিক উদ্দিন (৫৫), ধুম ইউনিয়নের মো. মামুন (২৫), ওসমানপুর ইউনিয়নের কামাল উদ্দিন (৫০), মোহাম্মদ জাফর (৫০), নজরুল ইসলাম নাঈম (২৫), জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের সাকিল হোসেন সাকিব (২৫), ফারুক হোসেন (৩৫), মো. তারেক হোসেন (৩২), দুর্গাপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন (৫০)। বাকিদের নাম পাওয়া যায়নি।

উপজেলা যুবদলের সাবেক আহবায়ক শাহীনুল ইসলাম স্বপন অভিযোগ করেন, কোন ধরনের মামলা ছাড়া পুলিশ গ্রামে গ্রামে গিয়ে বিএনপি নিরীহ সমর্থকদের গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে অনেক বৃদ্ধ লোক রয়েছে। তাদের মিথ্যা মামলায় আটক দেখিয়ে কোর্টে প্রেরণ করা হচ্ছে। তিনি আরো অভিযোগ করেন, রোববার বিকেলে উপজেলা বিএনপি সদস্য সচিব গাজী নিজাম উদ্দিন এর বাড়িতে জোরারগঞ্জ থানা পুলিশের এস আই আরিফের নেতৃত্ব তল্লাশির নামে ঘরের বিতর তান্ডব চালায়।

জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদ হোসেন বলেন, শনিবার রাত থেকে থানার বিভিন্ন ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে বিএনপি ১৩ নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আটককৃত সবাই বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত এবং নাশকতা মামলার আসামী। রোববার দুপুরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

মিরসরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন বলেন, বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে চার বিএনপি কর্মীকে আটক করা হয়েছে। তাঁরা বিভিন্ন মামলার আসামী। রোববার তাদের আদালতে প্রেরণ করেছি। যে কোন ধরনের নাশকতা মূলক কর্মকান্ড এড়াতে পুলিশের গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

 

মিরসরাইয়ে অনির্বাণ যুব ক্লাবের মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

 

মিরসরাইয়ের অন্যতম সেচ্ছাসেবী সমাজ উন্নয়ন সংস্থা অনির্বাণ যুব ক্লাবের আয়োজনে ১ম অনির্বাণ যুব ক্লাবের মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (২৭ অক্টোবর) সকালে উপজেলার করেরহাট ইউনিয়নের গেড়ামারা ফরেস্ট অফিস বাজারস্থ সংগঠনের আয়োজনে উক্ত মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত মেধাবৃত্তি পরীক্ষায় দ্বিতীয় শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত মিরসরাই উপজেলা’র ১নং করেরহাট, ২নং হিঙ্গুলী ইউনিয়ন এবং বারইয়ারহাট পৌরসভার প্রাথমিক, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কিন্ডারগার্টেন ও মাদ্রাসা’র ৩৮ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৮০৫ জন শিক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে। সকাল দশটা থেকে সাড়ে এগারোটা পর্যন্ত করেরহাট কামিনী মজুমদার উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত বৃত্তি পরীক্ষায় ১২ টি হলরুমে সংগঠনের সদস্য ও ১ জন শিক্ষক সহ ০২ জন করে ২৫ জন পর্যবেক্ষক দায়িত্ব পালন করে।
পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শন করেন মিরসরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সাখাওয়াত উল্যাহ রিপন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক কামরুল হোসেন, করেরহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান গিয়াসউদ্দিন জসিম, সাধারণ সম্পাদক শেখ সেলিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, মহিউদ্দিন কিরণ, সাংগঠনিক সম্পাদক ডাক্তার জামাল উদ্দিন চৌধুরী, প্রচার সম্পাদক ডাক্তার মুহিন উদ্দিন, করেরহাট কামিনী মজুমদার উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাহার উদ্দিন ভূঁঞা, শান্তি নীড় সভাপতি আশরাফ উদ্দিন সোহেল, উদয়ন ক্লাবের সভাপতি আব্দুর রহিম, সাধারণ সম্পাদক মাকছুদ আলম শাহীন, জাগ্রত প্রতিভার সভাপতি শফিউল আজম মিলন, উত্তরা ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী সাইফুল ইসলাম, একরাম পোল্ট্রি’র সত্ত্বাধিকারী একরামুল হক, হিঙ্গুলী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সাইফুদ্দীন মাসুক, সাংবাদিক এম আনোয়ার হোসেন, কামরুল ইসলাম, দুর্বার প্রগতি সংগঠনের আজীবন সদস্য মোহাম্মদ আকতার হোসেন, গেড়ামারা (ফরেস্ট অফিস) সাদেক কোম্পানি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কফিল উদ্দিন, পশ্চিম জোয়ার অভিযান ক্লাবের সাবেক সভাপতি সোলাইমান উদ্দিন বাদশা, যুবলীগ নেতা সাইফুল ইসলাম।
চলতি বছরের অক্টোবর মাসের প্রথম সপ্তাহে শুরু হয়ে ১৭ অক্টোবর তারিখে অনির্বাণ যুব ক্লাবের মেধাবৃত্তি পরীক্ষার নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। উক্ত মেধাবৃত্তি পরীক্ষায় সংগঠনের উপদেষ্টা দীন মোহাম্মদ দিলু পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, সংগঠনের কার্যকরী সদস্য বেলাল হোসেন বৃত্তি সচিব এবং সংগঠনের কার্যকরী সদস্য মাষ্টার আজিজুল হক কেন্দ্র প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে।
অনির্বাণ যুব ক্লাবের সভাপতি সরোয়ার উদ্দিন, সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শামীম ওসমান, সহসাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন, ইকবাল হোসেন রাসেল, সাংগঠনিক সম্পাদক তৌহিদুল হক তুহিন, অর্থ সম্পাদক মোহাম্মদ তারেক, প্রচার সম্পাদক নজরুল ইসলাম তারেক, দপ্তর সম্পাদক এমদাদুল হক মামুন, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম মামুন, শিক্ষা ও বৃত্তি বিষয়ক সম্পাদক আশ্রাফুল হক রাকিব, সমাজকল্যাণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, কার্যকরী সদস্য বিশ্বজিৎ সাহা, মোজাফফর হোসেন সোহাগ, ক্লাবের সদস্য দেদি আল ফরহাদ শাকিল, জিয়াউল আসিফ সহ সকল সদস্যবৃন্দ দায়িত্ব পালন ও সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেন।
অনির্বাণ যুব ক্লাবের সভাপতি সরোয়ার উদ্দিন, জানান, ২০১৯ সালের ১ জানুয়ারি মাত্র ১২ জন সদস্য নিয়ে করেরহাট ইউনিয়নের গেড়ামারা (ফরেস্ট অফিস) এলাকা থেকে উক্ত সংগঠন যাত্রা শুরু করে। যাত্রা শুরুর পর থেকে করোনা কালীন সময়ে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ, সামাজিক কবরস্থান পরিষ্কারকরণ, ইফতার সামগ্রী বিতরণ, জাতীয় দিবস পালন, বার্ষিক ক্রীড়া ও টুর্নামেন্টের আয়োজন, গরীবের মেয়ের বিয়ের জন্য অনুদান প্রদান, বাড়ি বাড়ি গিয়ে শিক্ষার্থী সংগ্রহ সহ বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম সম্পন্ন করে আসছে। তারই আলোকে এই প্রথম বারের মতো মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।