রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Home Blog Page 76

বাধা দিলে সরকারকেই সব দায়িত্ব নিতে হবে

 

বিএনপি মহাসমাবেশ আগামীকাল নয়াপল্টনেই হবে, বাধা দিলে এর সম্পূর্ণ দায় দায়িত্ব সরকারকেই নিতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শুক্রবার সকালে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় নয়াপল্টনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তিনি এসব কথা বলেন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, পুলিশের অনুমতি দেয়ার কিছু নাই, সমাবেশ করা আমাদের সাংবিধানিক অধিকার। আমরা আমাদের অধিকার প্রয়োগ করবো। আমাদের সমাবেশ হবে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ।

মির্জা ফখরুল বলেন, শনিবারের সমাবেশের মধ্যে দিয়ে আমরা সরকারকে একটি বার্তা দিতে চাই, চাপ প্রয়োগ করে দাবি আদায় করতে চাই। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি মেনে নিতে সরকারকে বাধ্য করা হবে। দেশ ও জাতিকে রক্ষায় সরকারকে সরে আসার আহ্বান জানান তিনি।

‘আমরা এখনো ডিএমপি কমিশন থেকে থেকে চিঠি পাইনি, আমরা আশা করি তারা শনিবারের মহাসমাবেশে বাধা দিবে না। তারা আমাদের সহযোগিতা করবে‘ বলেও আশা প্রকাশ করেন মির্জা ফখরুল।

বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশন নিজেই বলেছে দেশে নির্বাচনের পরিবেশ নেই। অথচ অবৈধ প্রধানমন্ত্রী ব্রাসেলসে বসে বক্তৃতা দিচ্ছে, বলছে, দেশের সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ রয়েছে। অথচ বিএনপি নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করে ২০১৪ ও ২০১৮ সালের মতো আবারো একতরফা নির্বাচন করতে চাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন বিএনপি মহাসচিব।

বর্তমান সরকারকে ভয়াবহ ফ্যাসিস্ট অবৈধ আখ্যা দিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, এ সরকার অবৈধভাবে ক্ষমতায় বসে আছে। অসাংবিধানিকভাবে ক্ষমতায় বসে আছে। এই সরকার যদি ক্ষমতায় থাকে তাহলে কখনো এদেশে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না, দেশের মানুষ পছন্দমতো ভোট দিতে পারবে না। তাই, এ সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে, সংসদ বিলুপ্ত করতে হবে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে মেনে নিতে হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেগম সেলিমা রহমান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম প্রমুখ।

মিরসরাইয়ের জোরারগঞ্জে আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

মিরসরাই প্রতিনিধি
বিএনপি জামাতের সহিংসতা ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে মিরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার ( ২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টায় ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ যুবলীগ ছাত্রলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের উদ্যেগে বিক্ষোভ মিছিল বাজার প্রদক্ষিণ করে দলীয় কার্যালয়ের সামনে শেষ হয়। মিছিল পরবর্তি সমাবেশে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শ্যামল দেওয়ানজি ও জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ রেজাউল করিম মাষ্টার। এসময় উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দিন অপু, বিধান কর, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক ইউপি সদস্য ফারুক মালুম, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জাহিদুল ইসলাম সুজন, যুবলীগ নেতা রিয়াজ উদ্দিন সহ ৯ ওয়ার্ডের সভাপতি সম্পাদক, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও শ্রমিক লীগ নেতৃবৃন্দ।

চেয়ারম্যান রেজাউল করিম মাষ্টার তাঁর বক্তব্যে বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ অনেক দূর এগিয়ে গেছে। আগামীতেও তিনি প্রধানমন্ত্রী ছাড়া কোন বিকল্প নেই। যথা সময়ে শেখ হাসিনার অধিনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। বিএনপি-জামায়াতের লোকজন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। যদি কোন ধরনের নাশকতা, জ¦ালাও পোড়াও এর চেষ্টা করেন তাহলে পরিনতি ভালো হবে না। শান্ত জোরারগঞ্জকে অশান্ত করার অপচেষ্টা করবেন না। যদি অশান্ত করা পাঁয়তারা করে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ছাত্রলীগ তা শক্ত হাতে প্রতিহত করতে প্রস্তুত রয়েছে।

 

প্রিমিয়ার ব্যাংক শান্তিরহাট বাজার উপ-শাখায় বর্ষপূর্তি উদযাপন

মিরসরাই প্রতিনিধি

দেশের অন্যতম শীর্ষস্হানীয় তফসিলিভূক্ত ব্যাংক দি প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসি’র ২৪ তম বর্ষেপূর্তি উদযাপন করেছেন শান্তিরহাট বাজার উপ-শাখা ।

বৃহস্পতিবার (২৬ অক্টোবর) শান্তিরহাট বাজার উপ-শাখার ইনচার্জ মো: শরফু উদ্দীনের সার্বিক ব্যবস্হাপনায় শাখার গ্রাহক, শুভানুধ্যায়ী ও ব্যাংক অফিসারদের নিয়ে কেক কেটে উক্ত বর্ষপূর্তি উদযাপন করা হয়।

এসময় উপস্থিত ব্যবসায়ী, শুভানুধ্যায়ী সবাই প্রিমিয়ার ব্যাংকের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করেন ও অতীতের ন্যায় সফলতার সহিত ভবিষ্যতেও এগিয়ে যাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তাছাড়া প্রিমিয়ার ব্যাংক শান্তিরহাট বাজার উপ-শাখার ইনচার্জ  ব্যাংকের অতীত গৌরবের সফলতা তুলে ধরে সকল গ্রাহক ও শুভানিধ্যায়ীদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

 

মিরসরাইয়ে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা!

মিরসরাই প্রতিনিধি
মিরসরাইয়ে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে জয়ন্ত সূত্রধর (২৫) নামে এক যুবক আত্মহত্যা করেছে। বুধবার (২৫ অক্টোবর) বিকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইনের চট্টগ্রামমুখী (ডাউন লাইন) অংশের মিরসরাই সদর ইউনিয়নের আবুনগর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে সীতাকু- রেলওয়ে (জিআরপি) পুলিশ জয়ন্ত’র দ্বি-খন্ডিত লাশ উদ্ধার করেন। লাশের সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) প্রেরণ করেছে।
জয়ন্ত সূত্রধর উপজেলার ৪নং ধুম ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের ধুম গ্রাম এলাকার দীলিপ কুমার সূত্রধরের একমাত্র ছেলে। তারা বর্তমানে মিরসরাই পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের মৌমিনটোলা এলাকায় থাকেন। জয়ন্ত সূত্রধর বিসিএস পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিলো বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।
জানা গেছে, জয়ন্ত সূত্রধরের একটি মেয়ের সাথে প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। বিয়ে নিয়ে বুধবার মিরসরাই সদর আবুনগর এলাকায় রেললাইনে বসে মেয়েটির সাথে মোবাইলে ঝগড়া করছিলো। ঝগড়ার এক পর্যায়ে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা অজ্ঞাত একটি ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করে।
রেলওয়ে পুলিশ সীতাকুন্ড ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) আমজাদ হোসেন বলেন, আত্মহত্যার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে জয়ন্ত সূত্রধরের দ্বিÑখন্ডিত লাশের সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতলে প্রেরণ করা হয়েছে। পরিবারের সাথে কথা বলে জানা গেছে প্রেমঘটিত কারণে জয়ন্ত ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে সে আত্মহত্যা করেছে। ধারণা করা হচ্ছে মহানগর প্রভাতী ট্রেনের ধাক্কায় সে কাটা পড়েছে। এঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হবে।

 

মিরসরাইয়ে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ চারজন গ্রেফতার

মিরসরাই প্রতিনিধি
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মিরসরাইয়ে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে চারজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৭। মঙ্গলবার (২৪ অক্টোবর) দিবাগত রাত ২টায় উপজেলার জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের সোনাপাহাড় এলাকার বিএসআরএম গেইটের বিপরিত দিক থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন মিরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের মধ্যম সোনাপাহাড় টুরিটিলা এলাকার নুর নবীর ছেলে মোঃ ফরহাদ (১৮), নাছির উদ্দিনের ছেলে মমিন উদ্দিন (২৩), আলা উদ্দিনের দুই ছেলে রেজাউল করিম (২৪) ও মোঃ ফজল করিম (২১)। এসময় তাদের কাছ থেকে ৩ টি দেশীয় তৈরি ধারালো রামদা সদৃশ বড় ছোরা, ২ বোতল বিদেশী মদ ও ১ কেজি গাঁজা জব্দ করা হয়।

র‌্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) নুরুল আবছার জানান, গোপন সংবাদের প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার রাত ২টায় মহাসড়কের সোনাপাহাড় এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এসময় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে একটি সিএনজি-অটোরিক্সা সহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। তারা সংঘবদ্ধভাবে দীর্ঘদিন যাবৎ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চলাচলরত প্রাইভেটকার টার্গেট করে দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে সর্বস্ব ছিনিয়ে নিত। এছাড়াও তারা মাদকদ্রব্য (বিদেশী মদ ও গাঁজা) চট্টগ্রাম ও ফেনী জেলার বিভিন্ন মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট ক্রয়- বিক্রয় করে আসছে বলে স্বীকার করে। গ্র্রেফতারকৃত আসামি এবং জব্দকৃত আলামত সংক্রান্তে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জোরারগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাহিদ হোসেন বলেন, ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রেফতারকৃত চারজনকে র‌্যাব থানায় হস্তান্তর করেছে। তাদের বিরুদ্ধে র‌্যাবের এক সদস্য বাদী হয়ে মামলা করেছেন। গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

নয়াপল্টনেই মহাসমাবেশ হবে: রিজভী

 

আগামী ২৮ অক্টোবর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনেই বিএনপির মহাসমাবেশ হবে বলে জানিয়েছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বলেন, ‘শনিবার ঢাকায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে মহাসমাবেশের সব প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন। এটাই উপযুক্ত জায়গা। এখানে আমরা একাধিকবার শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করেছি। এই মহাসমাবেশ হবে নজিরবিহীন, ঐতিহাসিক। সারা দেশের গণতন্ত্রহারা বঞ্চিত মানুষ ঢাকার দিকে ছুটে আসার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়েছে। যদিও সরকারি জুলুম-নির্যাতন, দমন-পীড়নের কোনো কমতি নেই। অব্যাহত গণগ্রেফতারের মধ্যেও দীপ্ত অঙ্গীকারে তারা ঢাকার দিকে ছুটে আসছে।’

বুধবার (২৫ অক্টোবর) নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

মহাসমাবেশ নিয়ে পুলিশ কর্মকর্তাদের বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করে রিজভী বলেন, ‘মহানগর পুলিশের কর্মকর্তারা বলছেন, যেখানেই অনুমতি দেওয়া হবে সেখানেই বিএনপিকে সমাবেশ করতে হবে। পুলিশ কর্মকর্তাদের এ রকমের বক্তব্যে এটাই প্রমাণিত হয় যে, বাংলাদেশের জনগণ এখন পরাধীন। বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলের কর্মকাণ্ড, মত প্রকাশ- সবকিছুই এখন পুলিশের ছাড়পত্রের ওপর নির্ভর করবে!’

তিনি বলেন, ‘বিএনপিসহ বিরোধীদলের প্রতি প্রধানমন্ত্রী ও পুলিশের ক্রোধ একই রকমভাবে প্রকাশ পাচ্ছে। তারা মনে করেন আওয়ামী লীগ ছাড়া আর সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দল দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক। পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আক্ষরিক অর্থেই লাঠিয়াল বাহিনী হিসেবে কাজ করছে। সরকারের মন্ত্রীদের সুরে সুর মিলিয়ে পুলিশ কর্মকর্তাদের হুমকির মাত্রা তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে। আওয়ামী মন্ত্রী ও নেতাদের হুমকি, নির্মূলের হুমকি, হেফাজতকে দমনের মতো করে বিএনপির সমাবেশ নিয়ে হুমকি এক উপসংহারহীন পরিণতির সৃষ্টিরই ইঙ্গিত করা হচ্ছে।’

বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, ‘পুলিশ কর্মকর্তারা তো প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী, তারা তো মালিক নন। তারা কীভাবে নির্ধারণ করে দেয় রাজনৈতিক দলের সভা-সমাবেশ কোথায় হবে? বিএনপি একটি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দল, যাদের কয়েকবার দেশ পরিচালনার অভিজ্ঞতা রয়েছে। এই দলটি কি জানে না যে, সমাবেশ কোথায় করতে হয়? পুলিশ কর্মকর্তাদের এ ধরনের বক্তব্য রাজনৈতিক দলের সভা-সমাবেশে বাধা দান ও সরাসরি হস্তক্ষেপ।’

 

ঘূর্ণিঝড় ‘হামুন’ : উপকূলজুড়ে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত

 

উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘হামুন’ উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে বর্তমানে একই এলাকায় (১৯.৭ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮.৭ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশ) অবস্থান করছে। এজন্য উপকূলীয় জেলাসমূহকে সাত নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রের আবহাওয়ার বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এটি আজ (২৪ অক্টোবর ২০২৩) সকাল ৯টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৪৪৫ কিমি পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৪১০ কিমি পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৩২৫ কিমি দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৩১০ কিমি দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরো উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে আগামীকাল (২৫ অক্টোবর ২০২৩) সকাল থেকে দুপুর নাগাদ ভোলার নিকট দিয়ে বরিশাল-চট্টগ্রাম উপকূল ঘূর্ণিঝড় হিসেবে অতিক্রম করতে পারে।

প্রবল ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৬৪ কিমি -এর মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৯০ কিমি যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১১০ কিমি পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রবল ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটে সাগর বিক্ষুব্ধ রয়েছে।

পায়রা ও চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরসমূহকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারী সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারী সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

মোংলা সমুদ্রবন্দরকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারী সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ৫ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

উপকূলীয় জেলা পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা, চট্টগ্রাম, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, ভোলা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ৭ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।

ঘূর্ণিঝড়টির অগ্রবর্তী অংশের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকতে পারে।

প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, নোয়াখালী, লক্ষীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৩-৫ ফুট অধিক উচ্চতার বায়ু তাড়িত জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।

 

মহাসমাবেশের অনুমতি চাইনি, পুলিশকে অবহিত করেছি : মির্জা ফখরুল

 

নয়াপল্টনে সমাবেশের অনুমতি চাওয়া নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এখানে অনুমিত চাওয়ার কিছু নেই। তাদের অবহিত করতে হয়, সেটাই করেছি। তারা কী করবে এটা তাদের বিষয়।

আজ মঙ্গলবার বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। কুমিল্লায় হিন্দু ও বৌদ্ধ সম্প্রদায় পরিষদের মিছিলে হামলার ঘটনায় বিএনপির তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন জানাতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে দলটি।

প্রেস ব্রিফিংয়ের শুরুতে মির্জা ফখরুল দল, দলের চেয়ারপারসনের ও দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিজয়া দশমীর শুভেচ্ছা এবং ভৈরবে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় প্রাণহানিতে শোক প্রকাশ করেন।

সেইসাথে সরকারের অব্যবস্থাপনা ও জবাদিহিতা না থাকার কারণে সড়ক দুর্ঘটনায় হাজার প্রাণহানি ঘটেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। সেই সাথে ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের ক্ষতি পূরণের দাবি জানান মির্জা ফখরুল।

তিনি বলেন, হিন্দু ও বৌদ্ধ সম্প্রদায় পরিষদের মিছিলে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়েছিল। এর ফলে সারাদেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ খুব উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার মধ্যে ছিল। এ ধরনের ঘটনাকে আমরা নিন্দা করি।

মির্জা ফখরুল বলেন, বর্তমান শাসক গোষ্ঠী আওয়ামী লীগ নিজেরা সমস্যা তৈরি করে এ সমস্যাগুলো নিয়ে তারা বিরোধীদলকে দায়ী করে। এইটা তাদের একটা অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। ‘উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে’ সবসময় তারা চালাতে চায়।

কুমিল্লায় হিন্দু সম্প্রদায়ের মিছিলে হামলার ঘটনায় বিএনপির তদন্ত কমিটির প্রধান দলটির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু। তিনি তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনটি তুলে ধরেন।

মির্জা ফখরুল অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহারের নির্দেশনায় এই হামলা চালিয়েছে তার আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের সন্ত্রাসীরা। বার বার সন্ত্রাস করে ক্ষমতায় আসা আর থাকা তাদের মজ্জাগত ক্যারেক্টার। সারাদেশে তারা একটা ত্রাসের রাজত্ব করছে। এখন থেকে বিরোধী দল বা ভোটারা যাতে ভোট দিতে না যায় তারা সেই ব্যবস্থা করে ফেলেছে। আর কিভাবে ভোটের বাক্স ভরে রাখা যায় সে ব্যবস্থা তারা করে যাচ্ছে। সামনের সংসদ নির্বাচন তারা সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আবার ক্ষমতায় আসবে এই পরিকল্পনা হাতে নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

আনসার বিলকে আতঙ্কের বিষয় উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, গোটা রাষ্ট্রব্যবস্থাকে এই আওয়ামী লীগ কিভাবে ধ্বংস করে দিচ্ছে? এরা জুডিশিয়ালকে পর্যন্ত ধ্বংস করে দিয়েছে। সারা পৃথিবীতে পুলিশই একমাত্র একটি প্রতিষ্ঠান যাদের গ্রেফতার করার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। এখন এখানে আনসারকে গ্রেফতার করার ক্ষমতা দেয়া হচ্ছে। যাদের বেসিক কোনো ট্রেনিং নেই। এ বিলে তীব্র নিন্দা জানিয়ে যেন এটি পাশ না করা হয় সে ব্যাপারে দাবি করেন তিনি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ যদি ক্ষমতায় থাকে তবে প্রত্যেকটি পদক্ষেপই ঝুঁকিপূর্ণ হবে। ওই ঝুঁকি নিয়ে তো এখন আর চিন্তা করে লাভ নেই। মানুষ জেগে উঠেছে। তারা তাদের দাবি আদায়ের বদ্ধপরিকর।

তিনি পরিষ্কারভাবে বলেন, কোন কিছুতেই তারা আটকাতে পারবে না। গ্রেফতার, হয়রানি, নির্যাতন করে কাউকে দমাতে পারবে না। এবারের আন্দোলন একটা চূড়ান্ত পরিণতির দিকে যাচ্ছে, এখানে জনগণের বিজয় অনিবার্য।

 

গ্রেফতার আতঙ্কে মায়ের জানাজা পড়তে পারলেন না গাজী নিজাম

মিরসরাই প্রতিনিধি
মিরসরাইয়ে গ্রেফতার আতঙ্কে মায়ের জানাজা পড়তে পারেননি উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব গাজি নিজাম উদ্দিন। সাদা পোশাকে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মায়ের জানাজা না পড়ে চলে যেতে বাধ্য হন তিনি।

জানা গেছে, দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর শুক্রবার রাতে গাজি নিজাম উদ্দিনের মা মাহমুদা খানম (৭৩) মারা যান। শনিবার (২১ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টায় নিজ বাড়িতে তার জানাজার আয়োজন করা হয়। নেতাকর্মীদের সাথে জানাজার ২০ মিনিট আগে বাড়িতে উপস্থিত হন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব গাজি নিজাম উদ্দিন। তার উপস্থিতির কথা জানতে পেরে জোরারগঞ্জ থানার বেশ কয়েকজন সদস্য সাদা পোশাকে অবস্থান নেন জানাজার মাঠে।

জানাজার পর গ্রেফতার করা হতে পারে এমন আশঙ্কা থেকে মায়ের জানাজা না পড়ে স্থান ত্যাগ করেন গাজি নিজাম। এসময় কয়েক শ’ নেতাকর্মী মানবঢাল তৈরি করে তাকে নিরাপত্তা দিয়ে এলাকা পার করে দেন।

এদিকে বিএনপি নেতার মায়ের জানাজার মাঠে পুলিশের উপস্থিতির সমালোচনা করেছেন দলীয় নেতাকর্মীরা।

মিরসরাই উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কামাল উদ্দিন বলেন, পুলিশের গ্রেফতার আতঙ্কে মায়ের জানাজা পড়তে পারেননি মিরসরাই উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব গাজি নিজাম উদ্দিন। এর থেকে দুঃখের বিষয় আর কী হতে পারে! গ্রেফতার করার জন্য কেন জানাজাকে বেছে নিতে হবে? আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই।

মিরসরাই উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক শাহীদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, গাজি নিজাম উদ্দিন মায়ের জানাজা পড়তে উপস্থিত হওয়ার পর পুলিশ সাদা পোশাকে অবস্থান নিলে তিনি গ্রেফতার এড়াতে সটকে পড়েন।

এ বিষয়ে জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদ হোসেন রোববার সকালে বলেন, বিএনপি নেতার মায়ের জানাজার বিষয়টি আমার জানা ছিল না। ওটা শুনেছি রাতে। দুর্গাপূজা উপলক্ষে থানাজুড়ে পুলিশ ডিউটি করেছে। তিনি যেহেতু হত্যা মামলার আসামি হয়তো ভয় কাজ করেছে। তবে জানাজায় উপস্থিত থাকলে গ্রেফতারও হতে পারতেন, যেহেতু তিনি আসামি।

উল্লেখ্য, মিরসরাই উপজেলার ওসমানপুরে বিএনপি-আওয়ামী লীগের মধ্যে সংঘর্ষে রায়হান হোসেন রুমন নামে এক তরুণ নিহতের ঘটনায় গত ৩০ সেপ্টেম্বর জোরারগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়। ওই মামলায় অন্যদের সাথে গাজি নিজাম উদ্দিনকে আসামি করা হয়। একই ঘটনায় গত ১ অক্টোবর জোরারগঞ্জ থানায় একটি মারামারির মামলায়ও তাকে আসামি করা হয়েছে।

 

মিরসরাই বিএনপির সদস্য সচিব গাজী নিজামের মায়ের ইন্তেকাল: দাফন সম্পন্ন

মিরসরাই প্রতিনিধি :
মিরসরাই উপজেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব গাজী নিজাম উদ্দিনের মমতাময়ী মা মাহমুদা খাতুন (৭০) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজেউন)। তিনি গত ২৭ জুলাই ব্রেন স্ট্রোক করে দীর্ঘদিন শয্যাশায়ী ছিলেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২১ অক্টোবর রাত ২:৪৫ টায় তিনি নিজ বাড়িতে ইন্তেকাল করেন।

শনিবার সকাল ১১টায় সিদ্দিকিয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

মরহুমা মাহমুদা খাতুনের স্বামী আবুল বাশার বারইয়ারহাট বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ছিলেন। তিনি ২০২২ সালের ২৩ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন।

৬ ছেলে ২ মেয়ের মধ্যে গাজী নিজাম উদ্দিন সবার বড়। মরহুমা মাহমুদা খাতুনের সন্তান গাজী বেলাল বর্তমানে প্রবাসে অবস্থান করছেন। তিনি জানান, আমার মা সন্তানদের ন্যায়ের পথে চলার নির্দেশ দিতেন।

আমাদের সকলের বড় ভাই গাজী নিজাম উদ্দিন বাবার পাশাপাশি পরিবারের একজন অভিভাবক হিসেবে ভাই বোন সবাইকে আগলে রেখেছেন। গাজী ভাইয়ের সুদীর্ঘ রাজনৈতিক পদ চলায় আম্মার অনুপ্রেরণা ও অবদান অপরিসীম‌। আজকের এই গাজী নিজাম তৈরি হওয়ার পেছনে আম্মার ত্যাগ প্রচুর। সবসময় ভাইয়াকে মা রাজনীতি এবং সমাজের সকলের প্রতি উদার ও মানবিক হতে নির্দেশ দিতন।

গাজী নিজাম উদ্দিনের মা মাহমুদা খাতুনের মৃত্যুতে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও নাগরিক সমাজের নেতৃবৃন্দ।

শোক জানিয়েছেন চট্টগ্রাম উত্তরজেলা বিএনপির আহবায়ক গোলাম আকবর খন্দকার, চট্টগ্রাম উত্তরজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক চেয়ারম্যান নুরুল আমিন, আব্দুল আউয়াল চৌধুরী, উত্তরজেলা বিএনপির সদস্য চেয়ারম্যান সালাহ উদ্দিন সেলিম, মিরসরাই উপজেলা বিএনপির আহবায়ক শাহীদুল ইসলাম চৌধুরী, বারইয়ারহাট পৌরসভা বিএনপির আহবায়ক দিদারুল আলম মিয়াজী, সদস্য সচিব নিজাম উদ্দিন কমিশনার,
মিরসরাই প্রেসক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক নুরুল আলম, চট্টগ্রাম উত্তরজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক সরোয়ার উদ্দিন সেলিম, মিরসরাই পৌরসভা বিএনপির সদস্য সচিব মোঃ জাহিদ হোসাইন, মিরসরাই থাকা যুবদলের আহবায়ক মোঃ কামাল উদ্দিন, জোরারগঞ্জ থানা যুবদলের আহবায়ক মো. সিরাজুল ইসলাম , চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান প্রমূখ।