রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Home Blog Page 81

বারইয়ারহাটে ফ্যামিলি ডেন্টাল কেয়ারের যাত্রা শুরু

মিরসরাই প্রতিনিধি
অত্যাধুনিক ও উন্নত যন্ত্রপাতি নিয়ে উত্তর চট্টগ্রামের বানিজ্যিক কেন্দ্র মিরসরাইয়ের বারইয়ারহাটে ‘ফ্যামিলি ডেন্টাল কেয়ার’ এর যাত্রা শুরু হয়েছে। শুক্রবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে বারইয়ারহাট পুরাতন রোড়ে আবুল খায়ের সিটি সেন্টারের নিচতলায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল এবং ফিতা কেটে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট চিকিৎসক বারইয়ারহাট শেফা ইনসান হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. এস.এ ফারুক। এসময় উপস্থিত ছিলেন রাজনীতিবিদ আব্দুল আউয়াল চৌধুরী, মিরসরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক এস.এম আবুল হোসেন, বারইয়ারহাট পৌরসভার কাউন্সিলর আজিজুল হক মান্না, রতন দত্ত, সাবেক কাউন্সিলর নিজাম উদ্দিন, বারইয়ারহাট পৌর বাজার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক হেদায়েত উল্লাহ, মিরসরাই উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল ভূঁইয়া, ঘোপাল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. আইয়ুব, ইউপি সদস্য জিয়াউদ্দিন শিমুল, মেহেরাজ রিংকু সহ বিভিন্ন শ্রেণীপেশার গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

ফ্যামিলি ডেন্টাল কেয়ারের স্বত্ত্বাধিকারী হাজী মহসিন আলী বলেন, ‘অত্যাধুনিক ও উন্নত যন্ত্রপাতি নিয়ে আমরা যাত্রা শুরু করেছি। ব্যবসা নয়, চিকিৎসা সেবার মানসিকতা নিয়ে এই প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়েছে। প্রতিদিন দুজন চিকিৎসক চিকিৎসাসেবা প্রদান করবেন। স্বল্প ব্যয়ে উন্নত চিকিৎসাই আমাদের মূল লক্ষ্য। এখানে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।’

 

মিরসরাইয়ে দেড় লক্ষ গাছের চারা পেল সকল শ্রেণী পেশার মানুষ

মিরসরাই প্রতিনিধি :::
‘গাছ লাগাই পরিবেশ বাচাই, সবুজে সাজাই মিরসরাই’ এ শ্লোগানে মিরসরাইয়ে দেড়লক্ষ গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকালে জোরারগঞ্জ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি।
ওইদিন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহফুজা জেরিনের সভাপতিত্বে ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির খানের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন, আইটি বিশেষজ্ঞ মাহবুব রহমান রুহেল, জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শ্যামল দেওয়ানজী, জেবি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক সুভাষ সরকার, জোরারগঞ্জ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাইফুল ইসলাম, জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান কামরুল হাসান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, মিরসরাই উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মিজানুর রহমান, চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (মিরসরাই সার্কেল) মো. মনিরুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক একেএম জাহাঙ্গীর ভূঁইয়া প্রমুখ। অনুষ্ঠানের সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন শান্তিনীড় সভাপিত আশরাফ উদ্দিন সোহেল, দুর্বার প্রগতি সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হাসান সাইফ উদ্দিন ও মধ্যম আমবাড়িয়া যুব সংঘের আলতাফ হোসেন।
গাছের চারা নিতে আসা জেবি উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ইমরান খান জিসান বলেন, একসাথে এতোগুলো গাছের মধ্যে থেকে আমরা প্রচন্দ মতো গাছের চারা নিতে পেরে আমি অনেক আনন্দিত। আমাদের মিরসরাই উপজেলা প্রশাসনকে এমন আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
গাছের ছারা নিতে আসা মুমতাহিনা চৌধুরী মিম, প্রাপ্তি ও পূজা বলেন, আমরা সকল সহপাঠিরা মিলে আমাদের প্রচন্দ মতো গাছের চারা নিয়েছি। গাছ আমাদের অক্সিজেন দে, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে। শ^াস নেওয়ার জন্য যা প্রয়োজন তা আমরা গাছ থেকে পাই।
এছাড়াও সৌপ্তি, রনি, অর্পা, সরনাথ, আল সাবাব চৌধুরীসহ একাধিক শিক্ষার্থী গাছের চারা পেয়ে খুবই খুশি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি বলেন, আমাদের ভবিষৎ প্রজন্মকে নিরাপদ রাখতে প্রচুর পরিমাণ গাছ লাগাতে হবে। তাই চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ২৩ লাখ চারা লাগানোর যে উদ্যোগ নিয়েছে আমি তাকে স্বাগত জানাই।

এসময় উপজেলার ১৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মাঝে আম, জাম, জাম্বুরা, কাঁঠাল, লিচু, আমড়া, পেয়ারা, মাল্টাসহ ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের প্রায় এক লাখ গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

প্রসঙ্গত, গত ১ আগস্ট উপজেলার করেরহাট ও হিঙ্গুলী ইউনিয়নের স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মাঝে ৭৫ হাজার গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

পরকালে সবার আগে বিচারকদের জবাবদিহি করতে হবে : মির্জা আব্বাস

 

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, পুলিশের সকল সদস্যই ভালো নেই। একশ্রেণির পুলিশ ভালো আছে। জজ সাহেবরা দলীয় ভাষায় কথা বলছেন। যেটা জনগণ আশা করে না। আমরা যারা মুসলমান, তারা বিশ্বাস করি, পরকালে প্রথম জবাবদিহি করতে হবে বিচারকদের। তারপর আমরা যারা প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রী ছিলাম তাদের। কারণ, আমাদের প্রতিই জনগণের বেশি আস্থা, সে আস্থা আমরা নষ্ট করতে পারি না।

 

তিনি বলেন, মানুষ যখন বিপদে পড়ে তখন মানুষ কোর্টে যায়। আর সেখানে যদি ছায়া না পায়, তাহলে মানুষ কোথায় যাবে?

বুধবার বিকেলে রাজধানীর বৌদ্ধ মন্দির এলাকায় ঢাকা মহানগর ৪ এবং ৫নং ওয়ার্ড বিএনপি আয়োজিত ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য লিফলেট বিতরণ শেষে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুস সালাম।

আব্বাস বলেন, মশা নিধনের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে কোনো উদ্যোগ নেই। আমি যখন মেয়র ছিলাম তখন সিঙ্গাপুর থেকে ভেজালমুক্ত ওষুধ এনেছিলাম। সে ওষুধ নিয়ে মশা নিয়ন্ত্রণ করেছিলাম। মশা ধ্বংস করা সম্ভব নয়, তবে নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। আর আজ মশা নিয়ন্ত্রণ করতে কামান ব্যবহার করা হচ্ছে, শুধু অর্থ লুট করার জন্য।

তিনি বলেন, একসময় বলা হয়েছিলো ভাতে মারবো, পানিতে মারবো। আর এখন বিদ্যুৎ, গ্যাস ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি করে মানুষ মারার পায়তারা চলছে। এ সরকার যতদিন ক্ষমতায় থাকবে ততদিন মানুষ নির্বিঘ্নে ঘুমাতে পারবে না।

তিনি বলেন, ১৯৭২ থেকে ৭৫ সাল পর্যন্ত ২৫ হাজার থেকে ৩০ হাজার যুবককে গুম করা হয়েছে। আমার সামনে আমার বন্ধু বাবুলকে তুলে নেয়া হলো, আর তার হদিস পাওয়া যায়নি। আজকের আওয়ামী লীগও তা করছে। শুধু বিএনপি করার অপরাধে নয়, সরকারের বিরুদ্ধে মুখ খুললেই রেহাই নেই।

বিএনপির এই সিনিয়র নেতা বলেন, আজকে ডিসি (জেলা প্রশাসক) সরাসরি নৌকায় ভোট চাচ্ছেন। সারাদেশেই দলীয় লোকদের প্রশাসনের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এই প্রসাশনের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে না। প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে, সংসদ ভেঙে দিতে হবে, নতুবা এ দেশের মানুষ কোনো নির্বাচন মানবে না।

তিনি বলেন, আজ ক্ষমতাসীনরা মাঠ-ঘাট সব দখল করছে। সকল অনাচার অবিচারের বিরুদ্ধে রূখে দাঁড়াতে হবে। এই দখলবাজ, লুটেরা সরকারকে মানুষ আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব ডা: ফরহাদ হালিম ডোনার, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা: রফিকুল ইসলাম, মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাস, যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন প্রমুখ।

 

মিরসরাইয়ে ছাত্রদল নেতাকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করলো ছাত্রলীগ

মিরসরাই প্রতিনিধি
মিরসরাইয়ে মো. নাজিম উদ্দিন (২৮) নামে এক ছাত্রদল নেতাকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে। বুধবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে উপজেলার ইছাখালী ইউনিয়নের পূর্ব ইছাখালী এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। আহত নাজিমকে উদ্ধার করে প্রথমে বারইয়ারহাট আল নূর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। এরপর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (চমেকে) প্রেরণ করা হয়েছে। নাজিম ইছাখালী ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামের আবুল বশরের পুত্র। সে নিজামপুর সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের আহবায়কের (ভারপ্রাপ্ত) দায়িত্ব পালন করছেন।

চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান জানান, বুধবার রাতে মিরসরাই সদরে ব্যক্তিগত কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে ইছাখালী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক বাদশার নেতৃত্ব শাহাদাত, আশরাফ, শাকিব, ইকবাল, মাহিন,তুহিন সহ ১৫ থেকে ২০জন পূর্ব ইছাখালী এলাকায় তার সিএনজির গতি রোধ করে নামিয়ে রড, লাঠি দিয়ে মেরে রক্তাক্ত করে। এসময় তাঁর সাথে থাকা ২০ হাজার টাকা, ব্যবহত মোবাইল সেট ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে গেছে। পরে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে তারা পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বারইয়ারহাট আল নূর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে বৃহস্পতিবার সকালে চমেকে প্রেরণ করা হয়েছে।

এদিকে নাজিমের উপর হামলার প্রতিবাদ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন মিরসরাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক নুরুল আমিন, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক শাহীদুল ইসলাম চৌধুরী, সদস্য সচিব গাজী নিজাম উদ্দিন, বারইয়ারহাট পৌর বিএনপির আহবায়ক দিদারুল আলম মিয়াজী, মিরসরাই পৌর বিএনপির আহবায়ক জাহিদ হুসাইন, ইছাখালী ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব মঞ্জুরুল হক মঞ্জু, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী, মিরসরাই উপজেলা যুবদলের আহবায়ক কামাল উদ্দিন, জোরারগঞ্জ থানা যুবদলের আহবায়ক সিরাজুল ইসলাম ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান।
এ বিষয়ে ইছাখালী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রিয়াদ হোসেন বাদশা হামলায় নেতৃত্ব দেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ‘হামলার বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা। হয়তো তাদের মধ্যে দলীয় গ্রুপিংয়ের কারণে নাজিমের উপর হামলার ঘটনা ঘটতে পারে।’

এ বিষয়ে জোরারগঞ্জ থানার ডিউটি অফিসার (দায়িত্বরত কর্মকর্তা) এসআই সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘ইছাখালীতে হামলার বিষয়ে অবগত নই। কেউ এ ব্যাপারে থানায় কোন অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ দিলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

মিরসরাইয়ে অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীর উপহার ‘বীর নিবাস’

মিরসরাই প্রতিনিধি
মিরসরাইয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপহার ‘বীর নিবাস’ পাচ্ছেন ২৭০জন অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা। মুজিব বর্ষ উপলক্ষে গরীব ও অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের এসব ঘর দেয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে প্রথম পর্যায়ের ২২১টি ঘরের কাজ অব্যাহত রয়েছে। দ্বিতীয় পর্যায়ের বাকি ৪৯টি ঘরের কাজ শীঘ্রই শুরু হবে। প্রথম পর্যায়ের ২২১টি ঘরের মধ্যে কাজ শেষে বুধবার (১৩ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত ২৭টি ঘর উদ্বোধন করা হয়েছে। আরো ৩০টি ঘরের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। প্রতিটি ঘরের ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১৪ লাখ ৮৪ হাজার টাকা।

উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সূত্রে জানা গেছে, মুজিববর্ষ উপলক্ষে সারা দেশে অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের ঘর নির্মাণ করে দেয়ার উদ্যোগ নেয় সরকার। তারই ধারাবাহিকতায় মিরসরাইয়ের ১৬টি ইউনিয়ন ও ২টি পৌরসভার ২৭০জন অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাকে ঘর দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এগুলোর মধ্যে প্রথম পর্যায়ে ২১১টি ও দ্বিতীয় পর্যায়ে ৪৯টি ঘর দেয়া হবে। প্রতিটি ঘরের ব্যয় ধরা হয় প্রায় ১৪ লাখ ৮৪ হাজার টাকা। ৭ কক্ষ বিশিষ্ট বীর নিবাসে রয়েছে আধুনিক সব সুযোগ সুবিধা। বুধবার সকালে দুর্গাপুর ইউনিয়নের মুক্তিযোদ্ধা শামসুল আলম, ভগবান মাষ্টার, মো. আলমগীর ও আবুল কাশেমকে এবং হিঙ্গুলী ইউনিয়ন বীর মুক্তিযোদ্ধা আমজাদ হোসেনকে ঘর বুঝিয়ে দেয়া হয়। এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহফুজা জেরিন, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার কবির আহম্মদ, দুর্গাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ফরিদ আহম্মেদ আরজু, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান রাফিয়া এন্টার প্রাইজের সত্ত্বাধিকারী নুরুল হুদা রুবায়েত প্রমুখ।

প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পাওয়া দুর্গাপুর ইউনিয়নের অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা শামসুল আলম বলেন, দীর্ঘ দিনের স্বপ্ন ছিল পাকা ঘরে ঘুমাবো। কিন্তু স্বাদ থাকলেও সাধ্য না থাকায় পাকা দালান গড়তে পারিনি। অবশেষে প্রধানমন্ত্রী আমার সেই স্বপ্ন পূরণ করেছে। আমি বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

জানতে চাইলে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার কবির আহম্মদ বলেন, মিরসরাইয়ে ২৭০ জন অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা ‘বীর নিবাস’ পাবে। ইতিমধ্যে প্রথম পর্যায়ের ২২১টি ঘরের কাজ নির্মাণ শুরু হয়েছে। এ পর্যন্ত কাজ শেষে ২৭টি ঘর বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। আরো প্রায় ৩০টি ঘরের কাজ শেষ পর্যায়ে হয়েছে।

এবিষয়ে মিরসরাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহফুজা জেরিন বলেন, নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ায় ২৭জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে ঘর বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। অন্য ঘরগুলোর কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। পর্যাক্রমে সবগুলো ঘর কাজ শেষে মুক্তিযোদ্ধাদের বুঝিয়ে দেয়া হবে।

 

উত্তরাধিকার সূত্রে পেলেও ছাড়তে হবে ৬০ বিঘার অতিরিক্ত কৃষিজমি

 

কোনো ব্যক্তি ৬০ বিঘার অতিরিক্ত কৃষিজমি রাখতে পারবেন না। এমনকী উত্তরাধিকার সূত্রে পেলেও পছন্দমতো ৬০ বিঘা রেখে অতিরিক্ত জমি সরকারকে ছেড়ে দিতে হবে। সরকার ক্ষতিপূরণ দিয়ে অতিরিক্ত জমি নিতে খাস করতে পারবে বলে জানিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী।

বুধবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব তথ্য জানান ভূমিমন্ত্রী। জাতীয় সংসদে উত্থাপিত ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন ২০২৩ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় নিয়ে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

ভূমিমন্ত্রী বলেন, জাতীয় সংসদে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৩’ পাস হয়েছে। আপাতত এই আইন অনুসারে কেউ ৬০ বিঘার বেশি কৃষি জমির মালিক হতে পারবেন না। বঙ্গবন্ধুর আমলে এটা ছিল ১০০ বিঘা। এরশাদ এসে ৬০ বিঘা করেছেন। কিন্তু অধ্যাদেশের আলোকে বিধিমালা না হওয়ায় এতদিনেও এটি বাস্তবায়ন হয়নি। এখন নতুন আইন করে সরকার তা বাস্তবায়ন করতে চাচ্ছে। কিন্তু অনুমতি নিয়ে কোনো কোম্পানি ৫০০ কিংবা এক হাজার বিঘা জমি নিতে পারবে।

সাইফুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ‘আইনের পাঁচ নম্বরে বলা আছে, উত্তরাধিকার সূত্রে অর্জিত জমি ৬০ বিঘার বেশি হলে ভূমির মালিক তার পছন্দ অনুসারে ৬০ বিঘা জমি রাখতে পারবেন। অবশিষ্ট জমি সরকারি বিধির মাধ্যমে ক্ষতিপূরণের বিনিময়ে খাস করতে পারবেন। ৬০ বিঘার বেশি থাকলে সেটি কেউ বিক্রিও করে দিতে পারেন।

এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, কার কার ৬০ বিঘার বেশি জমি আছে আমাদের কাছে এ সংক্রান্ত ডাটাবেজ আসছে। তখন সব পরিষ্কার হয়ে যাবে। দেশের যেকোনো জায়গায় জমি থাক না কেন, তা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই ডাটাবেজ দেখে বলা যাবে। এমন না যে আপনি চট্টগ্রামে কিছু কিনলেন, আবার রংপুরে কিনলেন, এভাবে ফাঁকি দিলেন। তা পারবেন না, ডাটাবেজে সব চলে আসবে।

নতুন আইনে বলা আছে, কোনো ব্যক্তি একক নামে ৬০ বিঘার (এক বিঘা সমান ৩৩ শতাংশ) বেশি জমির মালিক হতে পারবেন না। কারও নামে ৬০ বিঘার বেশি জমি থাকলে অতিরিক্ত জমি সরকার অধিগ্রহণ করতে পারবে। তবে কিছু ব্যতিক্রমের কথাও আছে আইনে। যেমন সমবায় সমিতি চা, কফি, রাবার ও ফলের বাগানমালিক শিল্প কারখানার কাঁচামাল উৎপাদন হয়, এমন জমির মালিক রফতানিমুখী শিল্প ও কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতের কাজে ব্যবহার হওয়া জমির মালিক ওয়াকফ ও ধর্মীয় ট্রাস্টের ক্ষেত্রে এ নিয়ম প্রযোজ্য হবে না।

বিএনপির তিন সংগঠনের ‘তারুণ্যের রোডমার্চ’ কর্মসূচি ঘোষণা

 

 

সরকার পতনে একদফা দাবিতে বিএনপির তিন সহযোগী সংগঠন ২ দিনের তারুণ্যের রোডমার্চ কর্মসূচির ঘোষণা করেছে।

 

আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর রংপুর থেকে সৈয়দপুর দশমাইল হয়ে দিনাজপুর, ১৭ সেপ্টেম্বর বগুড়া থেকে সান্তাহার-নওগাঁ হয়ে রাজশাহী পর্যন্ত রোডমার্চ করবে বিএনপির সহযোগী সংগঠন জাতীয়তাবাদী যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল।

জাতীয়তাবাদী যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দীন টুকু এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

বুধবার দুপুরে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় নয়াপল্টনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন।

 

সুলতান সালাউদ্দীন টুকু বলেন, এ তারুণ্য রোডমার্চে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন।

যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দীন টুকু বলেন, বিগত ১৫ বছর এদেশের প্রায় ৪ কোটি তরুণ ভোটার ভোট দিতে পারেনি, ২০১৪ও ২০১৮ সালে এ সরকার ভোট ডাকাতির মাধ্যমে তারুণের ভোটাধিকার হরণ করা হয়েছে। ৫০ লাখ বিএনপি নেতাকর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে এ সরকার।

তিনি বলেন, দেশের সাবেক তিন বারের প্রধানমন্ত্রীকে দেশের বাইরে নিয়ে চিকিৎসা করতে দিচ্ছে না, অথচ সরকারের শীর্ষ সন্ত্রাসী পুরান ঢাকার হাজী সেলিম মামলায় থাকা অবস্থায়ও বিদেশে চিকিৎসা করছেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিতি ছিলেন- স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী, ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রাশেদ ইকবাল খান।

এছাড়া যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম মিল্টন, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল, যুবদলের যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন মামুন প্রমুখ।

শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক বন্দরটিলা শাখার বৃক্ষরোপণ

 

শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক বন্দরটিলা শাখার উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সকালে বেপজা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচি পালিত হয়।

বেলা ১১টায় ক্যাম্পাসে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বেপজা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের সহকারি অধ্যাপক (চলতি দায়িত্ব-অধ্যক্ষ) মো. আবদুল মোমেন, সহকারি অধ্যাপক অনিমেষ পাল, সৈয়দ মাহফুজুল আলম, মো. জিয়াউর রহমান, শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক বন্দরটিলা শাখার ম্যানেজার ও এসভিপি মোহাম্মদ নওশাদ আব্বাস, শাখার বিনিয়োগ প্রধান সেলিম উদ্দিন, নাইমুল ইসলাম ফারুকী, কলেজের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা।

এসময় ক্যাম্পাসে ফলজ ও বনজ গাছের চারা রোপন করা হয় এবং শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করা হয়। সংক্ষিপ্ত আলোচনায় প্রধান অতিথি বলেন, পরিবেশ রক্ষায় শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের এ উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আগামীতেও এ ধরনের মহতি উদ্যোগ নেয়ার জন্য তিনি অনুরোধ জানান। পাশাপাশি বিগত বছরগুলোদে অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে অভিন্ন কর্মসূচি পালন করায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান আলোচকরা।

কর্মসূচিতে কলেজ প্রাঙ্গনে ফলজ ও বনজ গাছের চারা রোপন করা হয় এবং শিক্ষার্থীদের মাঝে দুই শতাধিক চারা বিতরণ করা হয়। বিজ্ঞপ্তি

ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সঙ্গে বিএনপি নেতাদের বৈঠক

 

ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুকের সঙ্গে বিএনপির প্রতিনিধি দলের বৈঠক হয়েছে।

সোমবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর বারিধারায় হাইকমিশনারের বাসায় এ বৈঠক হয়।

বিজ্ঞাপন

এতে বিএনপির প্রতিনিধি দলে ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটির চেয়ারম্যান আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও দলটির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ।

বৈঠকে ব্রিটিশ হাইকমিশনের পলিটিক্যাল কাউন্সিলরও উপস্থিত ছিলেন।

আন্তঃস্কুল মাদরাসা ফুটবল টুর্নামেন্টে মারুফ মডেল চ্যাম্পিয়ন

মিরসরাই প্রতিনিধি
৫০তম স্কুল, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত গ্রীষ্মকালীন ফুটবল টুর্ণামেন্টে মারুফ মডেল উচ্চ বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
সোমবার (১১ সেপ্টেম্বর) মিঠাছড়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচে করের উপজেলা পর্যায়ে খেলায় টাইব্রেকারে ৪-২ গোলের ব্যবধানে করেরহাট কামিনী মজুমদার উচ্চ বিদ্যালয়কে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। খেলায় সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছে বিজয়ী দলের গোল রক্ষক মোহাম্মদ আজমির হোসেন। খেলায় রেফারির দায়িত্বে ছিলেন দিদারুল আলম, সহকারী হিসেবে ছিলেন হুজ্জাতুল ইসলাম ও নইমুল ইসলাম।

খেলা শেষে পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মিরসরাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মিরসরাই উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিজানুর রহমান, চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (মিরসরাই) মনিরুল ইসলাম, মিরসরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একেএম জাহাঙ্গীর ভূইয়া, মিরসরাই উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান এম আলাউদ্দিন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ইসমত আরা ফেন্সী, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির খান, করেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এনায়েত হোসেন নয়ন, দুর্গাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু সুফিয়ান বিপ্লব, মিরসরাই সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান এমরান উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শাখাওয়াত উল্লাহ রিপন, মিঠাছড়া উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি এম সাইফুল্লাহ দিদার, মিরসরাই প্রেসক্লাবের সভাপতি নুরুল আলম, মিরসরাই ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এনায়েত হোসেন মিঠু, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক এম মাঈন উদ্দিন প্রমুখ।

মিরসরাই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির জানান, উপজেলা মাধ্যমিক পর্যায়ে সকল স্কুল মাদরাসার শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহনে এবারের গ্রীষ্মকালীন ৫০তম ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আন্তঃস্কুল মাদরাসা টুর্নামেন্ট অত্যন্ত সুন্দরভাবে শেষ হয়েছে। টুর্নামেন্টে ৩৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অংশ গ্রহণ করেছেন। মিরসরাই উপজেলা চ্যাম্পিয়ন দল আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর জেলা পর্যায়ে রাউজান উপজেলার সাথে প্রতিদ্বন্ধিতা করবে।