রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Home Blog Page 80

মিরসরাইয়ের ধুম ব্যবসায়ী কল্যান সমিতির দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

মিরসরাই প্রতিনিধি
মিরসরাইয়ের বারইয়ারহাট পৌরবাজারে অবস্থিত ধুম ব্যবসায়ী কল্যান সমিতির দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভা সম্পন্ন হয়েছে। রবিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে আরশিনগর ফিউচার পার্কের হলরুমে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন সমিতির সভাপতি মো. দিদারুল আলম। সমিতির সাবেক কোষাধ্যক্ষ শাহাদাত হোসেন সাদেকের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সমিতির উপদেষ্টা ও এম.এ হায়দার বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা আলী হয়দার টিপু, সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. শামসুদ্দিন, কোষাধ্যক্ষ মো. আনোয়ার হোসেন, কার্যকরী কমিটির সদস্য নুরুল আলম চৌধুরী রূপম, সিরাজুল ইসলাম, সাইফ উল্লাহ শাহীন, সোহেল রানা লিটন প্রমুখ।

আলোচনা সভা শেষে সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে আগামী দুই বছরের জন্য পুনরায় মো. দিদারুল আলমকে সভাপতি ও মো. শামসুদ্দিনকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়।


উল্লেখ্য, বারইয়ারহাট পৌর বাজারে অবস্থিত ধুম ইউনিয়নের ব্যবসায়িদের নিয়ে ২০১৪ সালে একটি সমিতি যাত্রা শুরু করে।

 

মিরসরাইয়ে ২৮৫ জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দিল শান্তিনীড়

মিরসরাই প্রতিনিধি
স্বেচ্ছাসেবী সমাজ উন্নয়ন সংস্থা শান্তিনীড়ের ১৪তম শিক্ষোন্নয়ন বৃত্তির সনদ ও পুরষ্কার বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার ( ৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মিরসরাই জেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। সংস্থার সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন সোহেলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন লায়ন্স জেলা ৩১৫ বি৪ এর জেলা গভর্ণর লায়ন এমডি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী। সংগঠনের সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোহাম্মদ আরিফের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কেন্দ্রীয় কমিটির প্রিসিডিয়াম সদস্য আইটি বিশেষজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ার মাহবুব রহমান রুহেল।
সংগঠনের সহ-সাধারণ সম্পাদক শেখ কামরুল হাসান নিজামী পলাশের কোরআন তিলওয়াত ও কোষাধ্যক্ষ সবুজ কুমার সেনের গীতা পাঠের পর বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মিরসরাই পৌরসভার মেয়র গিয়াস উদ্দিন, মিরসরাই কলেজের অধ্যক্ষ নুরুল আফছার, নিজামপুর সরকারী কলেজের আয়ন ব্যয়ন কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন, শান্তিনীড় পৃষ্ঠপোষক টেকনাফ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন, মিরসরাই সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মহিউদ্দিন, শান্তিনীড় উপদেষ্ঠা মির্জা জসীম উদ্দিন, শান্তিনীড় পৃষ্ঠপোষক মো. শাহাদাৎ হোসেন, ছলিম উল্যাহ, বৃত্তির আহবায়ক একরামুল হক, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মৃদুল দাশ প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন লায়ন জেলা ৩১৫ বি৪ এর জয়েন কেবিনেট সেক্রেটারী লায়ন এ.জেড এম সাইফুল ইসলাম টুটুল, আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান মিরসরাই উপজেলা শাখার সভাপতি নয়ন কান্তি ধুম, দুর্বার প্রগতি সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হাসান সাইফ উদ্দিন, উদয়ন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাকছুদ আলম শাহীন, আদর্শ বন্ধু ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি দীন মোহাম্মদ, অদম্য যুব সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি নিয়াজ মুহাম্মদ সাজেদ, মধ্যম আমবাড়ীয়া যুব সংঘের সভাপতি আলতাফ হোসাইন, শিক্ষক হোসাইন সবুজ, জামশেদ আলম তপু, নাজমুল হোসেন, সাংবাদিক আবু সুফিয়ান, দিদার হোসেন, কামরুল ইসলাম প্রমুখ।
এসময় ১৪তম শান্তিনীড় শিক্ষোন্নয়ন বৃত্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ মিরসরাই, সীতাকুন্ড ও ছাগলনাইয়া উপজেলার ১ম থেকে ১০ম শ্রেণির ২৮৫ জন মেধাবী শিক্ষার্থীর হাতে প্লাটিনাম, গোল্ড, সিলভার ও ব্রোঞ্জ চার ক্যাটাগরিতে সনদ, ক্রেষ্ট, নগদ প্রাইজ বন্ড তুলে দেন অতিথিরা। এছাড়াও শান্তিনীড়ের প্রতি বছরের ধারাবাহিকতায় ২০২২ সালে নুর এ জাহেদ এবং ২০২৩ সালে ফজলুল করিমকে শ্রেষ্ঠ সংগঠক ক্রেস্ট প্রদান করা হয় এবং নবাগত পৃষ্ঠপোষক সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত অশোক কুমার রায়, রেজাউল করিম সোহেল, মিজানুর রহমান, শাখাওয়াত হোসেন, শহিদুল ইসলাম রিপন, জাহিদুল ইসলাম ভূইয়া, শরিফুল ইসলাম কে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
এসময় সংগঠনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন শান্তিনীড় সিনিয়র সহ-সভাপতি নিজাম উদ্দিন, সহ-সভাপতি মুহাম্মদ দিদারুল আলম, যুগ্ম সম্পাদক মেহেদী হাসান চৌধুরী, দুস্থ ও ত্রাণ সম্পাদক রায়হান চৌধুরী, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মো. শওকত হোসেন, প্রচার ও দপ্তর সম্পাদক মো. আজিম উদ্দিন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক রাজিয়া সুলতানা, কার্যনির্বাহি সদস্য রাজু কুমার দে, বৃত্তির সদস্য সচিব মোহাম্মদ আবু সায়েদ, শান্তিনীড় সদস্য মো. মঈন উদ্দিন, খন্দকার মিলাদুল ইসলাম, জিয়া উদ্দিন, আবু বক্কর রিশাত, ইসমাঈল হোসেন খোকন, আকতার হোসেন, রফিকুল ইসলাম, শায়েস্তা খান পিয়ান, মো. জাকির হোসেন, মো. আবু ফয়সাল, আবদুল আজিজ, সরোয়ার মাহবুব রাব্বী, বদরুদ্দৌজা রুবেল, মেহেদী হাসান, এমরান হোসেন রাসেল, মো. নাজমুল হোসেন, মো. সাগর, আবু সাবের নিজামী ফাওয়াজ, নুর সালমান লিমন, মাসুম সোহান, আহনাফ তাসদিদ, আওসাফ বিন আশরাফ প্রমুখ।
উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ১১ নভেম্বর একযোগে ১৪টি কেন্দ্রে ১৪তম শান্তিনীড় শিক্ষোন্নয়ন বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। মিরসরাই, সীতাকুন্ড ও ছাগলনাইয়া উপজেলার ২৭১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১ম থেকে ১০ম শ্রেণির সর্বমোট ৫৭৪০ জন ছাত্র-ছাত্রী উক্ত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল। ২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে অন্যান্য চলমান সামাজিক কার্যক্রমের পাশাপাশি ২০০৭ সাল থেকে শান্তিনীড় শিক্ষোন্নয়ন বৃত্তি কার্যক্রম টানা ১৪বছর অত্যন্ত দক্ষতা ও সফলতার সাথে সম্পন্ন হয়ে আসছে।

 

মিরসরাইয়ে চোরাই সেগুন কাঠভর্তি ট্রাকসহ ইউপি সদস্য আটক

মিরসরাই প্রতিনিধি 

মিরসরাইয়ে চোরাই সেগুন কাঠভর্তি ট্রাকসহ আবদুল্লাহ আল মামুন নামে এক ইউপি সদস্যকে আটক করেছে বনবিভাগ। শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ভোরে মিরসরাই সদর ইউনিয়নের মধ্যম তালবাড়িয়ার ষ্টেশন এলাকা থেকে বনবিভাগ ও পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। আবদুল্লাহ আল মামুন মিরসরাই সদর (৯ নং) ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন বলে জানা গেছে। মামুন মধ্যম তালবাড়িয়া গ্রামের আবু তাহেরের ছেলে।
মিরসরাই বিটের রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. শাহানশাহ নওশাদ জানান, দীর্ঘদিন মামুনের বিরুদ্ধে সংরক্ষিত বন থেকে অবৈধ ভাবে গাছ কেটে পাচারের অভিযোগ ছিল। কিন্তু হাতেনাতে ধরা যাচ্ছিল না। শনিবার ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তালবাড়িয়া ষ্টেশন এলাকায় একটি ট্রাকে চোরাই সেগুন কাঠ লোড দেয়ার সময় তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়। এবিষয়ে তাকে আসামি করে বন আইনের ২৬ ধারায় মিরসরাই থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ট্রাক থেকে ১৮ ঘনফুট চোরাই সেগুন কাঠ উদ্ধার করা হয়।
মিরসরাই সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শামসুল আলম দিদার বলেন, সরকার পাহাড়ে সবুজ বনায়নের জন্য প্রতিবছর লাখ লাখ টাকা বিনিয়োগ করছে। একশ্রেণীর অসাধু কাঠ পাচারকারী গাছ কেটে বন ধ্বংস করছে। ইউপি সদস্য আবদুল্লাহ আল মামুনকে যেহেতু বন বিভাগের কর্মকর্তারা কাঠসহ আটক করেছে তার বিরুদ্ধে আইনগত ভাবে যে ব্যবস্থা নেওয়া হবে তাতে আমাদের কোন অভিযোগ নেই।
মিরসরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কবির হোসেন জানান, মিরসরাই বিটের রেঞ্জ কর্মকর্তা শাহানশাহ নওশাদ বাদি হয়ে আবদুল্লাহ আল মামুন নামে একজনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন। রবিবার বনবিভাগের কর্মকর্তারা তাকে আদালতে নিয়ে যাবেন।

সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানের বাড়িতে হামলা-অগ্নিসংযোগের অভিযোগ

 

মিরসরাই প্রতিনিধি:::
মিরসরাইয়ে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় বিএনপির ৫ নেতা-কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। ঘটনার পর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। তবে আটককৃতদের নাম প্রকাশে অনিহা প্রকাশ করেছেন জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ। শুক্রবার রাত ৮টার দিকে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক নুরুল আমিনের বাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, আগামী ৫ অক্টোবর বিএনপির ১৫ দিনের কর্মসূচির মধ্যে কুমিল্লা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে রোডমার্চ উপলক্ষ্যে মিরসরাইয়ে একটি পথসভা করার কথা রয়েছে। তারই প্রস্তুতি হিসেবে শুক্রবার (২৯ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম উত্তরজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল আমিন চেয়ারম্যান উপজেলার ৫ নম্বর ওচমানপুর ইউনিয়ন এলাকায় একটি সভা শেষে সবাই বাড়ি ফিরে যাচ্ছিলেন। এসময় আজমপুর এলাকায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের লোকজন তাদের ওপর হামলা করে বলে বিএনপির তরফ থেকে দাবি করা হয়েছে। এতে তাদের ১৫ জন নেতাকর্মী আহত হওয়ার দাবি করে বিএনপি। তবে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের দাবি শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে স্থানীয় ওচমানপুর ইউনিয়ন এলাকার আজমপুর বাজারে বিএনপির লোকজন ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এসময় ওচমানপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মোহাম্মদ হাসান, মিরাজ, আরেফিন, সাঈদ খান দুখু ও রাফিসহ ৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছে।

এদিকে উপজেলা নিহত জাহিদ হোসেন রুমনের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে টানাটানি শুরু হয়েছে। ছাত্রলীগের দাবী সে ছাত্রলীগের কর্মী। বিএনপির দাবী সে কোন রাজনীতির সাথে জড়িত নয়।

উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক মাসুদ করিম রানা নিহত জাহিদুল ইসলাম রুমনকে ছাত্রলীগের কর্মী দাবী করে বলেন, বিএনপির নেতা-কর্মীরা রুমনকে পিটিয়ে হত্যা করেছে। তাকে পিটিয়ে পুকুরের ফেলে দেওয়া হয়। রুমন ওচমপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী।

হামলার ঘটনায় যুবলীগ-ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের মধ্যে আহতরা হলেন- ওচমানপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মোহাম্মদ হাসান (২৮), মিজানুর রহমান (৩২), ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা শহীদ খান দুখু (৩৫), আব্দুল্লাহ্ আল মামুন (২৮), মাহেদুল আলম রাকিব (২৫)। আহতদের মধ্যে মোহাম্মদ হাসানের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আহত বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে রয়েছেন- হানিফ, জিয়াউদ্দিন জিয়া, সালাউদ্দিন বাবু, নুর হোসেন বাদশা, মিঠু, আরিফ মাইনুদ্দিন, রানা, মোজাম্মেল হোসেন, মাসুদ কালা, মোহাম্মদ তারেক, রাজু, রাকিব হোসেন, মোহাম্মদ নাসির সাইফুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম, জিলানী মিঝি, জামশেদ আলম।

মিরসরাই উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শাহিনুল ইসলাম স্বপন বলেন, শুক্রবার বিকেলে হামলার পর রাত ৮টার দিকে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক নুরুল আমিনের বাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগ করে সবকিছু তছনছ করে ফেলে। এলাকায় আতংক বিরাজ করছে। তিনি আরো বলেন, নিহত রুমন কোন রাজনৈতিক দলের সাথে জড়িত নয়। আওয়ামী লীগের লোকজন লাশ নিয়ে অপরাজনীতি করছে।

নিহত জাহিদ হোসেন রুমনের মামা ইউনুছ নবী প্রকাশ হোনা, আমার ভাগিনা নানার বাড়িতে থেকে ক্লাস সেভেন পর্যন্ত পড়াশোনা করেছে। এরপর আর পড়াশোনা করেনি। শুক্রবার দুপক্ষের সংঘেের্ষর সময় তাকে মেরে পানিতে ফেলে দেয়। সে কোন দলের রাজনীতির সাথে জড়িত কিনা সে বিষয়ে তিনি সঠিক জানেন না।

মিরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে দায়িত্বরত ডাক্তার খোন্দকার নোমান সায়েরী বলেন, আহত ৫জনকে উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্সে আনা হয়েছে। জাহিদ হোসেন রুম (১৬) নামের একজনকে মৃত অবস্থায় নিয়ে আসা হয়। তাঁর মাথায় রক্তক্ষরণ হয়েছে এবং পানিতে ডুবে মারা গেছে বলে মনে হচ্ছে। আহতদের মধ্যে হাসান নামের একজনের অবস্থা আশংকাজনক। তাকে চমেকে প্রেরণ করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের সহকারি পুলিশ সুপার (মিরসরাই সার্কেল) মনিরুল ইসলাম বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় একজন নিহত ও একাধিক আহত হয়েছে। হামলার সাথে জড়িত সন্দেহে বিএনপির ৫জন নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে। ওই এলাকায় অভিযান চলছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। তবে বিএনপি নেতা নুরুল আমিনের বাড়িতে হামলার বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না।

 

পরিস্থিতি ভয়াবহ হওয়ার আগেই পদত্যাগ করুন : সরকারকে রিজভী

 

দেশের পরিস্থিতি ভয়াবহ হওয়ার আগেই সরকারকে পদত্যাগ করার পরামর্শ দিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

 

সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ‘সময় থাকতে পদত্যাগ করুন। আগামী তিন মাস নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করুন। অনেকবার পার পেয়েছেন। এবার আর পার পাবেন না। দেয়ালে পিঠ ঠেকা মানুষ ওবায়দুল কাদের, আনিসুল হক ও হাছান মাহমুদদেরকে চিনবেন না। তাই পরিস্থিতি ভয়াবহ হওয়ার আগেই পদত্যাগ করুন।

বৃহস্পতিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির উদ্যোগে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, ‘জনগণের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। যাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে যায়, কে কত অস্ত্র নিয়ে এলো, ওইটা তারা দেখে না। জনগণের যে উত্তাল আন্দোলনের ঢেউ ওই ঢেউয়ের কাঝছে কোনো আগ্নেয়াস্ত্র টিকতে পারে না। সরকারের তৈরি করা কোনো প্রাইভেট বাহিনীও টিকতে পারবে না।

এর আগে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের আগামীকালের সমাবেশ উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে রিজভী বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের হচ্ছে গুন্ডাদের নেতা, সন্ত্রাসীদের নেতা। সারা বাংলাদেশে তারা সন্ত্রাসকেই এখন পরিপালন করছে। তাদেরকেই তোষণ করছে।

বিএনপিকে ওবায়দুল কাদেরের ৩৬ দিনের আল্টিমেটাম প্রসঙ্গে দলটির এই মুখপাত্র বলেন, ওবায়দুল কাদেরের এই কথার মধ্যে আছে মানবতাহীন আক্রমণাত্মক দূরবেরিত সন্ত্রাসীদের কথা। বিরোধী দলের কি সভা সমাবেশ করার অধিকার নেই? ওবায়দুল কাদেরের কথা তো গেস্টাপো বাহিনীর কথা। তার কথা তো নাৎসিদের কথা। এই ৩৬ দিন পর উনি কী করবেন? তারপর কি উনি উনার দলীয় সন্ত্রাসীদেরকে লেলিয়ে দেবেন বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে? এটাই তো বোঝা যায় কাদেরের বক্তব্যের মধ্য দিয়ে।

আইনমন্ত্রীর কঠোর সমালোচনা করে রিজভী বলেন, ‘এই মানুষটি ১/১১ তে যখন মাইনাস ফর্মুলার প্রচেষ্টা চলেছে ও সকল প্রতিষ্ঠান ভাঙার প্রচেষ্টা চলেছে, তখন এই মানুষটি দুদকের আইনজীবী হিসেবে রাজনীতিবিদদের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি কাজ করেছেন। তাকে শেখ হাসিনা পছন্দ করেছেন। কারণ এই লোকটা সুচারুভাবে মানুষের ভাবমূর্তি নষ্ট করাটা ভালো করে জানেন।

‘দেশে প্রচলিত আইন অনুযায়ী কোনো কাজ হচ্ছে না’ মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘আমি আগেও বলেছি যে দেশে এখন বাকশালী আইন চলছে। নৌকা মার্কা আইন চলছে। বর্তমান আইনের সাথে প্রচলিত আইনের, ন্যায় বিচারের আইনের কোনো মিল নেই।

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন ধরনের সভা সমাবেশে বলেছি বাংলাদেশের ও পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের উদাহরণ দিয়ে বিরোধী কোনো নেতা অসুস্থ হয়ে পড়লে দেশের বাইরে চিকিৎসা নেয়ার কথা। পুতিন সরকার তাদের একজন বিরোধী নেতাকে চিকিৎসার জন্য জার্মানিতে পাঠিয়েছিলেন। শেখ হাসিনা তো তিনি নিজেই প্রমাণ। তিনি অভিযুক্ত থেকে প্যারোলে মুক্তি নিয়ে তার মামলা যখন চলছিল তখন তিনি দেশের বাইরে চিকিৎসার জন্য গিয়েছিলেন। নাসিম সাহেব গেছেন। মায়া গেছেন। শেখ সেলিম গেছেন।

এ সময় জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস, সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হেলেন জেরিন খান, সাবেক এমপি শাম্মী আক্তার ও নিলুফা ইয়াসমিন মনি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 

কুইজ প্রতিযোগিতায় সারাদেশে দ্বিতীয় হয়েছেন মিরসরাইয়ের মুমু

মিরসরাই প্রতিনিধি
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশ গ্রহণে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৩ এ কুইজ প্রতিযোগিতায় (গণিত) জাতীয়ভাবে দ্বিতীয় হয়েছেন মিরসরাইয়ের মুনতিশা জান্নাত (মুমু)। সে উপজেলার মায়ানী ইউনিয়নের পশ্চিম মায়ানী হাজীপাড়া নূরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির ছাত্রী।

জানা গেছে, ২০২৩ সালে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কুইজ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে সে ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রথম হয়। এরপর উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে প্রথম স্থান অর্জন করেন। পরবর্তিতে জাতীয় পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে সে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে রৌপ্য পদক অর্জন করেছেন।

জাতীয় পর্যায়ে দ্বিতীয় হওয়ায় মুমুকে আবুতোরাব বিসমিল্লাহ এন্টারপ্রাইজের পক্ষ থেকে উপহার সামগ্রী তুলে দিয়েছেন প্রতিষ্ঠানের স্বত্ত্বাধিকারী আবুল হোসেন বাবুল।

মুমু মায়ানী ইউনিয়নের হাজীপাড়া আব্দুল জব্বার হাজী বাড়ির চট্টগ্রাম বন্দরে চাকরীজীবি মীর হোসেন ও গৃহিণী আনোয়ার বেগমের একমাত্র সন্তান।

হাজীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরুল আনোয়ার বলেন, মুমু খুব মেধাবী। সে প্রথম শ্রেণি থেকে ভালো ফলাফল করে আসছে। ৫ম শ্রেণিতে তাঁর রোল-১। সে আমাদের গর্ব, ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে কুইজ প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়ে সারা দেশের শত শত শিক্ষার্থীর মাঝে জাতীয় পর্যায়ে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে।

শিক্ষানুরাগী ও আবুতোরাব বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আবুল হোসেন বাবুল বলেন, ‘ মুমু শুধু আসাদের স্কুল নয়, পুরো মিরসরাইকে গর্বিত করেছেন। ভবিষ্যতে সে আরো ভালো কিছু করতে বলে আমি আশাবাদী।’

মিরসরাই উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এ.কে.এম ফজলুল হক বলেন, ‘প্রত্যন্ত অঞ্চলের একটি স্কুলের শিক্ষার্থী জাতীয় পর্যায়ে কুইজ প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় হওয়া গর্বের বিষয়। আমি ওই স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর পরিবারকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। এ বছর মিরসরাই উপজেলা থেকে একাধিক শিক্ষার্থী জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় ভালো করেছেন। আমি আশা করবো আগামীতে মুমুকে দেখে অন্যান্য ছাত্রছাত্রীরাও প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে আগ্রহী হবে এবং স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে তাঁরা বড় অবদান রাখবে।’

 

 

সরকার দেউলিয়া হয়ে বিএনপি ভাঙার চেষ্টা করছে : মির্জা ফখরুল

 

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকার এখন বিএনপি ভাঙার চেষ্টা করছে। এটা কখন করে? দেউলিয়া হলে। সরকার দেউলিয়া হয়ে এখন বিএনপি ভাঙার চেষ্টা করছে। এগুলো করে কোনো লাভ নেই।

 

তিনি বলেন, আমাদের সিনিয়র নেতারা কেউ বাকি নেই যার মামলা শেষ পর্যায়ে নিয়ে এসেছে। এ জন্য বিশেষ সেল করা হয়েছে। সিরাজগঞ্জের সরকারি কমকর্তা এদের বিরুদ্ধে কথা বলায় মারাই গেল। আজকে সত্য লিখলেই জেলে যেতে হচ্ছে। এই দেশ আমরা কেউ চাইনি।

বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম হলে সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্রি. জে. আ স ম হান্নান শাহ’র সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এক স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ বলে, বিএনপি বিপদে আছে। আরে বিএনপি কোনো বিপদে নেই, বিএনপি আন্দোলনের মাধ্যমে আরো শক্তিশালী হয়েছে। বিপদে আছে জনগণ। সরকার দেশের মূল সত্ত্বাকে ধ্বংস করে দিয়েছে। আমরা শুধু ভূখণ্ডের জন্য যুদ্ধ করিনি। একটি রাষ্ট্র কাঠামোর জন্য, গণতন্ত্রের জন্য, স্বাধীনভাবে কথা বলার জন্য যুদ্ধ করেছি।

তিনি বলেন, আজকে রেস্টুরেন্টে কথা বলা যাবে না, বিয়ে বাড়িডে গিয়ে সাবধানে কথা বলতে হয়। কথা বলার ওপর নিরাপত্তা নির্ভর করে। টকশোতে যাওয়ার আগে সাবধান করে দেয়া হয়। এমনকি ছেলে-মেয়ে তুলে নিয়ে হত্যার হুমকিও দেয়া হয়। কার বাসায় যাবো, কার সাথে বসব, কোন অনুষ্ঠানে যাব- সবজায়গাই নজরদারি।

তিনি আরো বলেন, বিসিএস-এ মেধাবী ছেলেরা লিখিত পরিক্ষায় পাশ করলেও যদি তার পরিবার বিএনপি করে তাহলে তাকে ভাইভায় পাশ করানো হয় না। আর যদি কেউ পাশ করেও তার চাকরি মিলে না। যদি বিএনপির সাথে কারো নূন্যতম সম্পর্ক থাকলে তার আর প্রমোশন হয় না।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, উন্নয়ন নিয়ে জনগণের সাথে সরকার ছলচাতুরি করেছে। সব করেছে ঋণ করে। ঋণের বোঝা জনগণের কাঁধে চাপিয়ে দিয়ে আজকে সরকার বাহবা নিতে চায়। ঋণ করে পোলাও মাংস খাওয়ার ভিতরে কোনো কৃতিত্ব নেই।

তিনি বলেন, এর আগে র‌্যাবসহ নয়জনের ওপর স্যাংশন হয়েছিল। এবার ভিসা নীতি। ভিসা নীতি কাদের বিরুদ্ধে হয়। যারা গণতন্ত্র হত্যাকারী ও দুর্নীতিবাজ। এই ভিসা নীতিতে সাংবাদিক, বিচারপতি, আমলা, রাজনীতিবিদ, সেনাবাহিনী, প্রশাসনের কর্মকর্তা.. তাহলে বাদ পড়বে কে? এটি খুশির কথা নয়, লজ্জার। এর জন্য দায়ী এই কর্তৃত্ববাদী সরকার।

ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ বলে খালেদা জিয়া দণ্ডিত। কিসের দণ্ড? কিসের মামলা? যে দুই কোটির আত্মসাতের কথা বলা হয়েছে, তা এখন নয় কোটি টাকায় রূপান্তরিত হয়েছে। আসলে খালেদা জিয়াকে রাজনীতিতে রাখা যাবে না। তাকে বাইরে রাখা যাবে না। জিয়া পরিবারের কথা শুনলেই এরা ভয় পায়। তারপরও এরা বলবে দেশে আইনের শাসন আছে। আবার বলে এর অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। এদের কথা শুনলে পাগলও হাসে।

প্রয়াত হান্নান শাহ’র স্মৃতিচারণ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ১/১১তে যখন খালেদা জিয়া, তারেক রহমানসহ বিএনপির সিনিয়র নেতাদের জেলে নেয়া হলো তখন তিনি নিজের জীবনবাজি রেখে যে ভূমিকা রেখেছেন জাতি তা আজীবন কৃতজ্ঞতা সাথে স্মরণ করবে। হান্নান শাহ যে গণতন্ত্রের স্বপ্ন দেখেছিলেন, তা পুনরুদ্ধার করতে পারলেই পরপারে থেকেও তিনি শান্তি পাবেন।

আ স ম হান্নান স্মৃতি সংসদের সভাপতি ও গাজীপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ফজলুল হক মিলনের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমানের সঞ্চালনায় এতে আরো বক্তব্য রাখেন দলের ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, শাহ রিয়াজুল হান্নান, সহ সাংগঠনিক বেনজির আহমেদ টিটু, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক কর্নেল অব. জয়লান আবেদীন প্রমুখ।

 

পাঁচ ম্যাচের বেশি খেলতে পারব না কখনো বলিনি : তামিম

 

বিশ্বকাপে পাঁচ ম্যাচের বেশি খেলতে পারব না এমন কথা কাউকে বলিনি বলে জানালেন তামিম ইকবাল।

 

আজ বুধবার বিকেলে এক ভিডিও বার্তায় এ কথা বলেন তিনি।

তামিম বলেন, আমি কোনো সময়, কোনো মুহূর্তে কাউকেও বলিনি যে আমি পাঁচ ম্যাচের বেশি খেলতে পারব না। এই কথাটা কোনো সময় হয়নি। এটা একটা মিথ্যা কথা, ভুল কথা। আমি জানি না, কে বা কারা মিডিয়াকে কথাটা বলছে।

তিনি বলেন, আপনারা জানেন আমি অবসরে যাই। অবসরে যাওয়ারও কারণ ছিল। প্রধানমন্ত্রীর কারণেই আমি আবার অবসর থেকে ফিরি। এই দুই মাস আমি প্রচণ্ড পরিমান কষ্ট করে নিজেকে ফিট করার চেষ্টা করি।

এর আগে ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে তামিম লেখেন, আজকে বাংলাদেশ জাতীয় দল ভারতের উদ্দেশে রওনা দেয়ার পর একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে আমি সবাইকে বিগত কয়েক দিনের ঘটে যাওয়া ব্যাপারে কিছু কথা বলব। গত কয়েক দিন অনেক কথাই গণ মাধ্যমগুলোতে এসেছে। আমি মনে করি বাংলাদেশ দলের এবং আমার ভক্ত-সমর্থক সবারই পরিষ্কারভাবে সব কিছু জানার অধিকার রাখে।

মিরসরাইয়ে মুক্তিযোদ্ধা তোবারক হোসেনের মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল

মিরসরাই প্রতিনিধি
বীর মুক্তিযোদ্ধা, মিরসরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সাকে সাংগঠনিক সম্পাদক, উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক কামরুল হোসেনের পিতা মরহুম তোবারক হোসেনের ৪র্থ মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে দোয়া, মিলাদ মাহফিল ও কবর জেয়ারত করেছেন আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতৃবৃন্দ। শুক্রবার ( ১৫ সেপ্টেম্বর) উপজেলার করেরহাট কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে দোয়া মিলাদ মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন করেরহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান গিয়াস উদ্দিন জসীম, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক এস.এম আবুল হোসেন, করেরহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. জামাল উদ্দিন চৌধুরী, ২ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তাইফ উদ্দিন, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সদস্য আলা উদ্দিন আলো, মোহাম্মদ মিজান, উপজেলা যুবলীগ নেতা সাইফুল ইসলাম, করেরহাট ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগ সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক নঈম উদ্দিন, যুগ্ম আহবায়ক অহিদুর নবী শোভন, সাইদুজ্জামান জুয়েল, ইমাম হোসেন, শ্রমিক লীগ নেতা আলী হোসেন জাহাঙ্গীর, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মোহাম্মদ হারুন, যুবলীগ নেতা ফারুক, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের উপ-অর্থ সম্পাদক শামীম, ছাত্রলীগ নেতা ইকবাল সুমন, উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সদস্য ইয়ামিন।

 

সরকার জুতা মেরে গরু দানের কর্মসূচি হাতে নিয়েছে : মির্জা আব্বাস

 

বিএনপির স্থায়ী কমিটির কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, সরকার ‘জুতা মেরে গরু দান’ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। সরকার দ্রব্যমূল্যে নিয়ন্ত্রণ না করে গরু-ছাগল বিতরণ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। মানুষ চায় তাদের ভোটাধিকার ফিরিয়ে পেতে। আর আমরা সেই ভোটাধিকার ফিরিয়ে নিতে আন্দোলন করছি।

 

শুক্রবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপি আয়োজিত ‘আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস’ উপলক্ষে বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

সরকারের পদত্যাগসহ এক দফা দাবিতে এবং নেতা-কর্মীদের মিথ্যা মামলায় সাজা দেয়ার প্রতিবাদে এই সমাবেশ করছে বিএনপি।

মির্জা আব্বাস বলেন, ‘অত্যাচার-নির্যাতন করে কোনো ফ্যাসিস্ট সরকার দীর্ঘদিন ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারে না। আমরা ইতিহাস থেকে সেটাই জেনেছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘শুধু এই সরকার নয় একইসাথে এসব প্রশাসনের অধীনেও কোনো নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। অর্থাৎ প্রশাসনের সকল স্তরে আওয়ামী লীগ খুঁটি গেড়ে বসেছে। ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আওয়ামী লীগের লোকেরাই প্রশাসনে রয়েছে। সুতরাং তাদের অধীনে কোনো নির্বাচন হবে না, হতে দেব না। আর এ কারণেই সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি মানতে হবে।’

‘তাই বলবো, বেশি বাড়াবাড়ি করবেন না। সময় থাকতেই জনগণের হাতে ক্ষমতা ছেড়ে দিন। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি মেনে নিন,’ বলেন মির্জা আব্বাস।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আবদুস সালামের সভাপতিত্বে ও উত্তরের সদস্য সচিব আমিনুল হকের সঞ্চালনায় সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।