রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Home Blog Page 85

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির শ্রমিকদের কর্মবিরতি ঘোষণা,আরইবি ভবনে মানববন্ধন

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশের ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির প্রায় ৪ হাজার বিদ্যুৎ কর্মী অনির্দিষ্টকালের কালের জন্য একযোগে কর্মবিরতি ঘোষণা করেছে। তাদের দাবী আদায় না হওয়া পর্যন্ত এ কর্মবিরতি পালনের ঘোষণা দিয়েছে লাইনক্রু চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রাপ্ত শ্রমিকরা।
জানাগেছে, পল্লী বিদ্যুৎ বিভাগের সারা দেশে ৮০ টি পল্লী বিদ্যুত সমিতির প্রায় ৪ হাজার চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রাপ্ত লাইনক্রু ১৫ দপা দাবিতে এ কর্মবিরতি ঘোষণা দিয়েছেন। শনিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড আর ই বি ভবনের সামনে চাকুরী স্থায়ী করনের দাবিতে তারা অবস্থান কর্মসূচী ও মানববন্ধন করেন । পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির লাইন ক্রু লেভেল ১ এর এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, সারা বাংলাদেশের ৮০ টি সমিতিতে গত ৪ বছরে এই নিয়ে তিনবার লাইন ক্রু লেভেল ১পদে চুক্তিভিত্তিক ভাবে নিয়োগ দিয়েছে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড। যেখানে একই পদে একই নিয়োগ পদ্ধতিতে একই কাজে নিয়মিত লাইন ম্যান নিয়োগ দিয়েছিলো আর ই বি। নিয়মিত নিয়োগ আর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের মধ্যে সুযোগ সুবিধা আকাশ পাতাল পার্থক্য। এই বৈষম্য দুর করে আমাদের নিয়মিত করার জন্য কর্তৃপক্ষের সাথে বিভিন্ন সময় যোগাযোগ করলেও তারা কোনো পদক্ষেপ গ্রহন করেনি। কিছু দিন পূর্বে জরুরি ভাবে নিয়মিত লাইন ক্রু নিয়োগের কথা বলে পুনরায় তৃতীয় বারের মতো এই বৈষম্যমূলক নিয়োগ প্রদান করে আর ই বি। বর্তমানে দুই দফা নিয়োগে আমরা প্রায় ৪ হাজার নিরর্বিচ্ছন্ন বিদ্যুৎ কর্মী সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে নিয়মিত লাইনম্যানদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। এমত্বাবস্থায় চুক্তি সরিয়ে নিয়মিত করার লক্ষ্যে সারা বাংলাদেশের ৮০টি সমিতির সব ক্রু গণ কর্ম বিরতি ঘোষণা করে স্ব স্ব সমিতিতে স্বারকলিপি প্রদান কর্ম বিরতি পালন করছি। আমরা আমাদের যৌক্তিক দাবি পুরনে জন্য কতৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানাই।
আন্দোলন বিষয়ে কর্মীদের জিজ্ঞাসা করলে তারা বলেন,আমাদের পথচলা, ১দিনের নয়।আমরা ৪টি বছর ধরে অমানবিক বৈষম্যের শিকার হয়েছি। বারবার চিঠি প্রেরণ করে উর্ধবতন কর্মকর্তার মাধ্যমে বাপবিবো (বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎতায়ন বোর্ড) যোগাযোগ করেছি। কোন রকম সদুত্তর না পাওয়ায়,হতাশা নিয়েই দিনের পর দিন নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছি।কর্মক্ষেত্রে ঝুঁকি নিয়ে একের পর এক সহযোদ্ধা দের হারিয়েছি। নানান ভাবে দূর্ঘটনার শিকার হয়ে প্রতিনিয়ত না ফেরার দেশে চলে যাওয়ার সংখ্যাটা দিন দিন বেড়েই চলেছে। দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছে আমাদের। একই পদে একই কাজ করে পাহাড় বৈষম্য ৪ হাজার শ্রমিকের প্রতি। বাপবিবো’র চেয়ারম্যানকে ৮০টি শাখা পবিস থেকে একযোগে চিঠি প্রেরণ করেছি। বিদ্যুৎ, খনিজ সম্পদ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয় এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সহ বিদ্যুৎ সম্পর্কিত অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে অনুলিপি পাঠিয়েছি। চেয়ারম্যান বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছি। পুনরায় সকল উপজেলার জিএম জেনারেল ম্যানেজার বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছি। দায়িত্বশীলদের কোন উদ্যোগ না দেখে ১২ আগস্ট থেকে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি ১৩ আগস্ট আরইবি ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি ও মানববন্ধনের ঘোষনা করেছি। পরবর্তীতে আরো কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

ঢাকার হাসপাতালে ভর্তি দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী

 

কারাবন্দী জামায়াত নেতা মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী অসুস্থ হয়ে যাওয়ায় তাকে ঢাকা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ভর্তি করা হয়েছে।

 

রোববার (১৩ আগস্ট) রাত সোয়া ১০টার দিকে তাকে বিএসএমএমইউ-এর ব্লক ডি কার্ডিয়াক সেন্টারে ভর্তি করানো হয়। এর আগে বিকেল ৫টার দিকে কাশিমপুর কারাগারে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে কারা হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখান থেকে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সন্ধ্যায় ঢাকায় পাঠায় কাশিমপুর কারাগার কর্তৃপক্ষ।

কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১ এর সিনিয়র জেল সুপার শাহজাহান আহমদ জানান, কারাগারে বন্দী মানবতাবিরোধী অপরাধে আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি জামায়াত নেতা মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী আজ বিকেলে হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করে অসুস্থ্য হয়ে পড়েন। তাকে তাৎক্ষণিক কারা হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বিকেল ৫টা ২০ মিনিটের দিকে চিকিৎসার জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেখান থেকে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠানো হয়।

দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে মাসুদ সাঈদী বলেন, ‘আপনারা জানেন যে আমার বাবার হার্টে পাঁচটি রিং পরানো ছিল। কারাগারে তিনি অসুস্থ হলে কারা কর্তৃপক্ষ তাকে গাজীপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানকার দায়িত্ব চিকিৎসকরা তাকে ঢাকাতে রেফার্ড করেন। উনাকে এখন এই পিজি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। উনি চিকিৎসকের তত্ত্বাবধান আছেন। তবে চিকিৎসকরা এখনো অফিসিয়ালভাবে আমাদের কিছু জানায়নি। আন-অফিসিয়ালিভাবে জানতে পেরেছি তিনি মাইন্ড স্ট্রোক করেছেন।’

 

মিরসরাইয়ে গর্ভবতী মায়েদের মাঝে মাতৃত্বকালীন ভাতা বিতরণ

মিরসরাই প্রতিনিধি
মিরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের ১১৭ জন দরিদ্র ও অসহায় গর্ভবতী মায়েদের মাঝে মাতৃত্বকালীন ভাতা ও গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে। রবিবার (১৩ আগস্ট) সকালে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব রেজাউল করিম মাষ্টার এ ভাতা বিতরণ করেন।

এসময় জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শ্যামল দেওয়ানজি, যুগ্ম সম্পাদক নাজিম উদ্দীন অপু, ১ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ইকবাল হোসেন, ২ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলাম, ৩ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ফারুক মালুম, ৪ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মইন উদ্দিন, ৯ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য কামরুল হাসান প্রমুখ।

চেয়ারম্যান রেজাউল করিম মাষ্টার বলেন, এ ইউনিয়ন পরিষদে মাতৃত্বকালীন ভাতা ছাড়াও সরকারের চলমান কর্মসূচীর আওতায় ৬ হাজারের অধিক মানুষ বিভিন্ন ভাতা পেয়ে থাকে বলে জানান তিনি।

মিরসরাইয়ে সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা ও ২২ শিক্ষককে বিদায়ী সংবর্ধনা

মিরসরাই প্রতিনিধি
মিরসরাই উপজেলা সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আরিফুলের হককে বদলীজনিত ও অবসরপ্রাপ্ত ২২জন শিক্ষককে বিদায়ী সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। রবিবার ( ১৩ আগস্ট) সকালে উপজেলার পূর্ব তেতৈয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে ঝুলনপোল ক্লাস্টারের উদ্যোগে এই সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মিরসরাই উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা একেএম ফজলুল হক। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক নিজামীর সভাপতিত্বে ও মাষ্টার নুরেছাপার সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা মো. বশির আহাম্মদ সরকার, আবু তোয়াব মজুমদার, মোহাম্মদ মাঈন উদ্দিন, মো. রেজাউল করিম, মুহাম্মদ ফারুক হোসাইন। আরো বক্তব্য রাখেন আবুরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম, সরকারহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাছিমা আক্তার, উত্তর কাটাছরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক ইকবাল হোসেন চৌধুরী। বিদায়ী শিক্ষকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন শিক্ষক নুর মোহাম্মদ, মো. আব্দুল হাই প্রমুখ।বিদায়ী শিক্ষকদের ফুল, ক্রেস্ট, মানপত্র, ছাতা, জায়নামাজ ও মগ উপহার দেওয়া হয়েছে।

আগের মতোই আছেন খালেদা জিয়া

 

নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার করতে এভার কেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। গত বুধবার (৯ আগস্ট) রাতে অসুস্থতাজনিত কারণে তাকে চিকিৎসকদের পরামর্শে ভর্তি করানো হয়।

 

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য বিষয়ে জানতে চাইলে দলটির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে জানান, ম্যাডাম আগের মতোই আছেন। তার স্বাস্থ্যের কোনো উন্নতি বা অবনতি হয়নি। চিকিৎসা বোর্ডের পরামর্শে চিকিৎসা চলছে।

বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য বিষয়ে বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) চিকিৎসকদের পরামর্শে তার চিকিৎসা চলছে। লিভার জটিলতা বেশি দেখার কারণে ও অন্য অন্য সিনড্রোম অস্বাভাবিক হওয়ায় তাকে বেশ কয়েকদিন হাসপাতালে ভর্তি থাকতে হতে পারে।

তিনি আরো বলেন, ম্যাডামের যখন এই লিভার সিরোসিস জটিলতা সৃষ্টি হয়েছিল। সেই সময়ে যদি চিকিৎসা করা যেতে তাহলে এটি থাকত না। ঠিক সময়ে চিকিৎসা না হওয়ায় আজ এমন ভুগতে হচ্ছে ম্যাডামকে।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (৯ আগস্ট) নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার করতে এভার কেয়ার হাসপাতালে যান বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেখানে তাকে ভর্তি করানো হয়। এর আগে গত ১৩ জুন রাতে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। বেশ কয়েকদিন হাসপাতালে ছিলেন তিনি।

আপনারা নিশ্চিন্ত থাকুন, পরিবর্তন আসছে : মির্জা ফখরুল

 

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আপনারা নিশ্চিন্ত থাকুন, পরিবর্তন আসছে। জনগণের জয় হবে ইনশা আল্লাহ।

 

আজ রোববার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক আলোচনায় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর ৫৪তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ ক্রীড়া উন্নয়ন পরিষদ। এ আলোচনা সভার সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম।

 

মির্জা ফখরুল বলেন, আরাফাত রহমান কোকো একজন দুর্ভাগ্যবান মানুষ। তিনি স্বাধীনতা ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারকারী বেগম খালেদা জিয়া কনিষ্ঠ পুত্র। তিনি রাজনৈতিক কারণেই বেশি প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন। যদি তাদের সন্তান না হতেন তবে তিনি হয়ত এমন নির্যাতনের শিকার হতেন না। হয়ত একটু কম হতেন।

তিনি বলেন, ম্যাডাম খালেদার জিয়ার চিকিৎসা এদেশে আর সম্ভব নয়। ডাক্তাররা এ বিষয়ে উদ্বিগ্ন। তারা বলছেন, উনাকে দেশের বাইরে নেয়া দরকার তাড়াতাড়ি।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, দেশের যে একটা আত্মা থাকে, আওয়ামী লীগ সেটাও নষ্ট করেছে। আমি মনে করি দেশের যতগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি আছেন, কারো কোনো যোগ্যতা নেই। শুধু ক্রীড়া অঙ্গন নয়, দেশের সব নষ্ট করে ফেলেছে এরা।

তিনি বলেন, ‘যখন আন্দোলন উঠতে থাকে তখনই জঙ্গি নাটক করতে থাকে এই আওয়ামী লীগ। এখন জনগণের চোখকে অন্যদিকে প্রবাহিত করতে থাকবে। পশ্চিমা দেশগুলোকে বুঝাবে আমরা না থাকলে জঙ্গির উত্থান ঘটবে। কী নাটক! এই নাটক করে এরা দেশটাকে গিলে ফেলেছে।’

‘আজ এই রাষ্ট্র দখল হয়ে গেছে। কেউ নিজেদের পৈতৃক সম্পত্তি মনে করে ধরে রেখেছে।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের কাজই লুট, চুরি করা। এরা এটাতে সফলও হয়েছে। তবে একটা কথা ধর্মের কল বাতাসে নড়ে। তাই নড়তে শুরু করেছে। এ দেশের মানুষ জেগে উঠেছে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে আন্দোলনের জন্য।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার যদি ফিরে আসে তবে আওয়ামী লীগ ১০টি আসনও পাবে না। এটা আওয়ামী লীগ ভালো করে জানে।

তিনি বলেন, বিএনপি বিশ্বাস করে জনগণকে। আমরা অত্যন্ত আশাবাদী। অনেকে বলেন, আপনার মুখে হাসি দেখি কেন সব সময়? আমি পরিষ্কার দেখতে পারছি, ফ্যাসিস্ট পাথর জনগণের ঘাড় থেকে সরে যাচ্ছে। জনগণ মুক্তি পাচ্ছে একটি ভয়াল থাবা থেকে!

 

মহামায়া লেক থেকে ৩ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ, পুড়িয়ে ধ্বংস

মিরসরাই প্রতিনিধি
দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম কৃত্রিম লেক চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের মহামায়া লেক থেকে অবৈধভাবে মাছ ধরার জন্য ব্যবহত ৩ হাজার মিটার কারেন্ট ও ডুব জাল জব্ধ করা হয়েছে। শনিবার ( ১২ আগস্ট) জব্দকৃত জালগুলো পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

জানা গেছে, এক শ্রেণীর অসাধু প্রায় সময় প্রতি রাতে অবৈধভাবে লেকের মাছ ধরে নিয়ে যায়। ২০২৩-২০২৪ অর্থ বছরে মহামায়া প্রকল্প ১ কোটি ৭০ লাখ টাকায় ইজারা দেয় বনবিভাগ। ইজারা পায় এ.আর এন্টারপ্রাইজ।

জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করার সময় উপস্থিত ছিলেন ইজারাদার ও মিরসরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক একেএম জাহাঙ্গীর ভূঁইয়া, করেরহাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এনায়েত হোসেন নয়ন, দুর্গাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবু সুফিয়ান বিপ্লব, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি এরাদুল হক নিজামী ভুট্টু, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক সাইফুল্লাহ দিদার।

 

 

মিরসরাইয়ে ভাষা সৈনিক সাংবাদিক নুরুল ইসলামের নবম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

মিরসরাই প্রতিনিধি
ভাষা সৈনিক, সাংবাদিক মরহুম নুরুল ইসলামের নবম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে। শনিবার ( ১২ আগস্ট) পরিবারের পক্ষ থেকে কোরআন খতম, মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়। মিরসরাই প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ উনার কবর জেয়ারত করেন।
জানা গেছে, ভাষা সৈনিক সাংবাদিক নুরুল ইসলাম ১৯২৬ সালে মিরসরাই উপজেলার ওয়াহেদপুর ইউনিয়নের গাছবাড়িয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ও তাঁর বন্ধুরা একুশের সংগ্রামের অংশ হিসেবে ছাত্র হত্যার প্রতিবাদে বড়তাকিয়া রেল ষ্টেশনে ট্রেন অবরোধ করেন। ছাত্র থাকা অবস্থায় ১৯৫২ সালে ফেনীতে ভাষা আন্দোলনে যুক্ত হন তিনি। এ জন্য পুলিশের হাতে লাঞ্ছিত হন। পুলিশী মামলা ও হুলিয়া নিয়ে সংগ্রামী জীবন কাটান তিনি। কিন্তু ভাষা আন্দোলন এবং পরবর্তীকালের অন্যান্য আন্দোলন থেকে তিনি কখনো পিছিয়ে আসেননি। তিনি চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ছিলেন। ১৯৭৩ সাল থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত অবিভক্ত সিইউজের সভাপতি ছিলেন। ২০১৪ সালের ১২ আগস্ট এই ভাষা সৈনিক মৃত্যুবরণ করেন।
কবর জেয়ারতের সময় উপস্থিত ছিলেন মিরসরাই উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ফেরদৌস হোসেন আরিফ, মরহুমের ছেলে জসীম উদ্দিন ভিপি, নাজিম উদ্দিন, মিরসরাই প্রেসক্লাবের সভাপতি নুরুল আলম, সাবেক সভাপতি শারফুদ্দীন কাশ্মীর, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক এম মাঈন উদ্দিন, নির্বাহী সদস্য আবু সাঈদ ভূঁইয়া, অর্থ সম্পাদক মোহাম্মদ ইউসুফ, সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজ আজহার, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সাদমান সময় ও সংবাদকর্মী মেহেরাজ।

 

মিরসরাইয়ে বেদে পল্লী পরিদর্শনে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি হাবিব

মিরসরাই প্রতিনিধি
মিরসরাইয়ের জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের সোনাপাহাড় বেদে পল্লী পরিদর্শন করেছেন পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি (টুরিষ্ট পুলিশের প্রধান) হাবিবুর রহমান। বুধবার ( ২ আগস্ট) সকালে বেড়ে পল্লীতে এ উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ¦ রেজাউল করিম মাষ্টারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি নুরে আলম মিনা, চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার (এসপি) এস এম শফিউল্লাহ, করেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এনায়েত হোসেন নয়ন প্রমুখ।

এসময় অতিরিক্ত আইজিপি হাবিবুর রহমান বেদে পাড়ার বাসিন্দাদের মুখ থেকে আবাসন, ড্রেনেজ, মসজিদ সহ বিভিন্ন সমস্যার কথা শোনেন এবং সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেন।

জানা গেছে, অতিরিক্ত আইজিপি পদমর্যাদার কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান বর্তমানে ট্যুরিস্ট পুলিশের প্রধান। এমন গুরুদায়িত্বের পাশাপাশি সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্যও সর্বদা নিবেদিত প্রাণ তিনি। দীর্ঘদিন ধরে সমাজের অবহেলিত ও সুবিধাবঞ্চিত প্রান্তিক মানুষকে তাদের সঠিক মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করতে কাজ করছেন। বিশেষ করে অসহায়, দরিদ্র, বেদে জনগৌষ্ঠী, হিজড়াদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে নানা ভূমিকা রেখে চলেছেন। সেই মানবিক কর্মকান্ডের অংশ হিসেবে জোরারগঞ্জ বেদে পল্লী পরিদর্শন করেন।

তারেকের ৯ ও জুবাইদার ৩ বছরের কারাদণ্ড

 

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। এতে তারেক রহমানকে নয় বছরের এবং তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানকে তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

 

বুধবার (২ আগস্ট) বেলা ৪টার দিকে ঢাকা মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো: আসাদুজ্জামানের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মোশাররফ হোসেন কাজল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে রায় ঘিরে আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। সকাল থেকেই ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানার তদারকি অফিসার পুলিশ পরিদর্শক ফারুকুল ইসলাম বলেছেন, ‘আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। রায় ঘিরে যেকোনো বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে আছে।’

এর আগে গত ২৭ জুলাই যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার এ দিন ধার্য করেন আদালত।

দুদক আইনজীবীদের মতে তারা আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে পেরেছেন।

তবে বিএনপি সমর্থক আইনজীবী ও তারেক-জুবাইদার পক্ষে আইনি লড়াই করতে আবেদন জমা দেয়া আইনজীবীদের দাবি, এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ হয়েছে নজিরবিহীন দ্রুততম সময়ে। সাক্ষ্য গ্রহণ রাত ৮টা পর্যন্তও হয়েছে। কোর্ট পরিচালনার একটি সময়সূচি দেয়া আছে।
আদালতের সময় সূচির বাইরে কোর্ট পরিচালনা করতে হলে নোটিশ দিতে হয়। এমন কোনো নোটিশ তারা কখনো পাননি। এমনকি এই মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের দিন তাদের আইনজীবীরা যাতে এজলাসে থাকতে না পারে- এজন্য পিপির নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সমর্থক আইনজীবীরা মারধর করে বের করে দিয়েছে।

তবে বিএনপি সমর্থক আইনজীবীদের অভিযোগ অসত্য বলে মন্তব্য করেছেন মহানগর দায়রা জজ আদালতের প্রধান পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আবু। তিনি বলেন, যথাযথ বিধিবিধান অনুসরণ করেই মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে। এক্ষেত্রে আইনের কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি।

এজলাসে তাদের আইনজীবীদের থাকতে না দেয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই মামলার শুনানিতে তাদের অনেক আইনজীবীই পর্যবেক্ষক হিসেবে এজলাসে উপস্থিত ছিলেন। আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের পক্ষে আইনি লড়াই করতে পারেননি। আমরা এই মামলার অভিযোগ প্রমাণে সক্ষম হয়েছি। আমরা আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি প্রত্যাশা করছি।

এ বিষয়ে বিএনপির আইন সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, বর্তমান এই ফ্যাসিস্ট সরকার তারেক রহমানের কাছে রাজনৈতিকভাবে পরাজিত হয়ে আদালতের মাধ্যমে তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে। ২০০৭ সালের মামলা ২০২৩ সালে এসে রায় দিচ্ছে, কেন? কারণ বিএনপির নেতাকর্মীরা তারেক রহমানের নেতেৃতে সংগঠিত হয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন-সংগ্রামে রাস্তায় নেমে এসেছে। এই অবস্থায় রাজননৈতিকভাবে তারেক রহমানকে আরেকটু প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য এই মামলাটা এনে হাজির করা হয়েছে। অত্যন্ত তড়িঘড়ি করে মামলাটির বিচার শেষ করা হয়েছে। এমনকি রাত ৮টা-৯টা পর্যন্ত এই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ হয়েছে। সাক্ষ্যগ্রহণের সময় পর্যবেক্ষক হিসেবেও আমাদের আইনজীবীদের থাকতে দেয়নি।

এ বিষয়ে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের ঢাকা ইউনিটের সভাপতি ও তারেক-জুবাইদার পক্ষে আইনি লড়াই করতে আবেদন জমা দেয়া আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার বলেন, এ মামলায় মোট ৫৭ জন সাক্ষী ছিল। মাত্র ১৬ কার্য দিবসে ৪২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেছেন আদালত। যা আদালত অঙ্গনে নজিরবিহীন।

তিনি বলেন, উচ্চ আদালত এই মামলা থেকে ডা. জোবাইদা রহমানের মা’কে খালাস দিয়েছেন। আমরা মনে করি বিচারিক আদালত জুবাইদা রহমানকেও খালাস দেবেন। কারণ এই মামলায় জুবাইদা রহমান ও তার মায়ের বিরুদ্ধে একই অভিযোগ করা হয়েছে।

এই আইনজীবী বলেন, সরকার দুদককে ব্যবহার করে এই মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে আসামি করেছে। এই মামলায় তার যেহেতু কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই, সেহেতু তিনিও এই মামলা থেকে খালাস পাবেন।

তিনি বলেন, এখানে তারেক রহমানকে রাজনৈতিক কারণে আসামি করা হয়েছে। কারণ আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে উনাকে দূরে রাখতে এবং দেশের মানুষের মধ্যে তার সম্পর্কে খারাপ ধারণা সৃষ্টি করার জন্য তড়িঘড়ি করে এ মামলার বিচার সম্পন্ন করা হয়েছে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, দ্রুত এই মামলা শেষ করতে সরকারের হস্তক্ষেপে ছিল। দুই দিন সাক্ষ্যগ্রহণ করেছে রাত ৭টা পর্যন্ত। কোর্ট অফিসার হিসেবে মামলার শুনানিতে আইনজীবীদের থাকার আইনগত অধিকার রয়েছে। কিন্তু এই মামলায় আমাদের আইনজীবীদেরকে এজলাসের ভেতরে পিপির নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সমর্থক আইনজীবীরা মারধর করে বের করে দিয়েছে। এমনকি এজলাসের সামনেও থাকতে দেয়নি। এরপরেও আদালত এ বিষয়ে ব্যাবস্থা নেয়নি। উল্টো আমাদের আমাদের বিরুদ্ধে কোর্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২৮ জনের নাম উল্লেখ করে ১০০ থেকে ১৫০ আইনজীবীর নামে থানায় জিডি করা হয়।

অপরদিকে, দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন, সম্পদ বিবরণী দাখিলের পর তারা আইনের আশ্রয় গ্রহণ করেননি। জনগণ, দেশ ও জাতি কেউ এটা আশা করেনি। কারণ তার উচিত ছিল আদালতে উপস্থিত হয়ে এই মামলাটাকে ফেস করা এবং আইনের আশ্রয় নেয়া। গ্রেফতারি পরোয়ানা ও আদালতে উপস্থিত হওয়ার জন্য নোটিশ দেয়া হয়েছে। সেটার জন্য গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশন অত্যন্ত নিরপেক্ষভাবে মামলাটি তদন্ত করেছে। মামলাটি শুরু হয়েছে চার কোটি ৮১ লাখ টাকা দিয়ে কিন্তু পরবর্তীতে সকল পর্যালোচনা করে সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে ১৮টা এক্সিবিটের মাধ্যমে আমরা প্রমাণ করতে পেরেছি দুই কোটি ২৩ লাখ টাকা তার অবৈধ উপার্জন এবং ৫৮ লাখ টাকার তথ্য গোপন করেছেন।

তিনি আরো বলেন, নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে দুদক আইনের ২৬(২) ও ২৭(১) ধারায় অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি আমরা। ২৬(২) ধারায় সর্বোচ্চ শাস্তি তিন বছরের কারাদণ্ড ও ২৭(১) ধারায় সর্বোচ্চ শাস্তি ১০ বছরের সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, আমরা ৪২জন সাক্ষী দিয়েছি। সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে আমরা এই অপরাধ প্রমাণ করতে পেরেছি। আমরা তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানের সর্বোচ্চ শাস্তি ১৩ বছরের কারাদণ্ডের প্রত্যাশা করছি।

গত ২৪ জুলাই সর্বশেষ সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেন দুদকের উপ-পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম। তার সাক্ষ্য শেষে ২৭ জুলাই মামলার যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায়ের দিন ধার্য করা হয়।

আইনজীবীরা জানান, সম্পদের তথ্য গোপন ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০০৭ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর তারেক রহমান, জোবায়দা রহমান ও তার মা সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানুর বিরুদ্ধে রাজধানীর কাফরুল থানায় মামলা করে দুদক। পরের বছর তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।