রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Home Blog Page 88

আফগানিস্তানের কাছে শোচনীয় পরাজয়ের পর যেসব প্রশ্নের

 

চট্টগ্রামে বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচেই সিরিজ জয় নিশ্চিত করেছে আফগানিস্তান। দাপটের সাথেই দলটি প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জিতে নিয়েছে। মঙ্গলবার (১১ জুলাই) তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের শেষটিতে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান।

 

বাংলাদেশের বিপক্ষে আফগানিস্তান ২০১৯ সালে টি-টোয়েন্টি ও টেস্ট সিরিজ জিতেছিল, এবারে ওয়ানডে ফরম্যাটেও জয় পেয়েছে দলটি।

আর তিন মাস পর বিশ্বকাপ শুরু হতে চলেছে। এমন সময়ে এই পারফরম্যানস এখন ভাবনার বিষয় বলছেন বিশ্লেষকরা।

বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে বৃষ্টি আইনে আফগানিস্তানের বিপক্ষে হারের পর, দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচে হেরেছে ১৪২ রানে। এর মাঝে ঘটে গেছে তামিম ইকবালের অবসরে যাওয়া ও পরের দিন প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে ফিরে আসা।

তামিম ইকবাল আপাতত দেড় মাসের ছুটিতে আছেন, তার পরিবর্তে ব্যাট করতে নামা নাইম শেখ দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচে করেছেন ২১ বলে ৯ রান।

বাংলাদেশের ক্রিকেট সাংবাদিক মাজহারুল ইসলাম মনে করেন, ‘এটা একটা রিয়েলিটি চেক, এখনো যে কাজ করার আছে তা টের পাওয়া গেছে।’

তবে কিছু জায়গায় ভাবনা বাড়ছে বলে জানান তিনি।

লিটন দাসের ফর্ম
বাংলাদেশের বর্তমান সময়ের অন্যতম সেরা ব্যাটার লিটন কুমার দাস, তিনি বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়কও। লিটন গত ১০ ম্যাচে তিন বার শূন্য রানে আউট হয়েছেন, দুই ম্যাচে ফিফটি করলেও শেষ পাঁচ ম্যাচে ভালো শুরু করেও ৩০ রানের ঘর পার করেছেন মাত্র একবার।

মাজহারুল ইসলাম মনে করেন, লিটন কম রান পাচ্ছেন এটা আসলে ভাবনার বিষয় না, ভাবনার বিষয় তার চিন্তা।

দ্বিতীয় ওয়ানডেতে মাঠে নামার আগে সংবাদ সম্মেলনে লিটন দাস বলেছেন, ২৫-২৬ গড় খারাপ না।

মাজহারুল ইসলাম প্রশ্ন রেখেছেন, একজন অধিনায়ক যদি এ ধরনের চিন্তা করেন তাহলে দলের অবস্থা কী হতে পারে?

লিটন দাস ওই সংবাদ সম্মেলনে তার ফর্ম নেই কথা মানতে চাননি।

গত দুই বছরের তুলনায় ২০২৩ সালে লিটন দাসের ব্যাটিং গড়ে রীতিমতো ধস নেমেছে, ২০২১ সালের জুলাই থেকে এই প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত লিটন দাসের গড় ৪০।

কিন্তু ২০২৩ সালে খেলা ১১টি ওয়ানডে ম্যাচে লিটন দাসের গড় ২৪।

লিটন দাসের ব্যাটিং সামর্থ্য নিয়ে প্রশ্ন নেই, তবে তার শট সিলেকশন ছিল দুর্বল। এই ১১ ম্যাচে ৮ বারই ক্যাচ তুলে দিয়েছেন তিনি।

চট্টগ্রামে সবশেষ ওয়ানডেতে লিটন ফজল হক ফারুকীর সাধারণ এক বলে মোহাম্মদ নবীর হাতে ক্যাচ তুলে দিয়েছেন।

মাজহারুল ইসলাম বলছেন, বিশ্বকাপের বছরে এই পরিসংখ্যান ও খেলার অবস্থা ভাবনার বিষয় এটা নিয়ে সন্দেহ নেই। কিন্তু লিটন দাস যেভাবে ভাবছেন তাতে এই চিন্তা আরো বেড়ে যায়।

আফিফ হোসেন ব্যর্থ
চন্ডিকা হাথুরুসিংহে কোচের দায়িত্ব নেয়ার পর আফিফ হোসেনকে সময় দেন, তিনি যেন ঘরোয়া ক্রিকেটে পারফর্ম করে ফিরে আসেন। আফিফ ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে ভালো খেলে দলে সুযোগ পেয়েছেন। কিন্তু ব্যাট হাতে সুবিধা করতে পারছেন না।

চট্টগ্রামে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে তিনি গোল্ডেন ডাকে প্যাভিলিয়নে ফিরেছেন রশিদ খানের বলে। মাজহারুল ইসলামের মতে, আফিফের স্পিন খেলার সমস্যা স্পষ্ট এবং তিনি এমন সময় ব্যাট করেন যখন অনেক দলই একজন বা দুজন স্পিনার ব্যবহার করে।

হাথুরুসিংহে তার ওপর কত দিন ভরসা রাখবেন ওই প্রশ্ন উঠছে এখন।

বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইন আপের সাত নম্বর জায়গা নিয়ে অনেক দিন ধরেই প্রশ্ন ছিল। এখনো ওই প্রশ্নের উত্তর মেলেনি।

চলতি বছর পাঁচ ম্যাচে সুযোগ পেয়ে আফিফ করেছেন ৫১ রান। চলতি বছরে আফিফের চেয়ে ফাস্ট বোলার তাসকিন আহমেদের রান বেশি।

সাত নম্বরে ব্যাট করতেন বাংলাদেশের সিনিয়র ক্রিকেটার মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। গত কয়েক সিরিজের স্কোয়াড বলছে, রিয়াদ বিশ্বকাপের ভাবনায় নেই। কিন্তু তার জায়গায় যারা এখন পর্যন্ত সুযোগ পেয়েছেন, কেউই কাজে লাগাতে পারেনি।

গত দুই বছর ইয়াসির রাবি নয় ম্যাচ সুযোগ পেয়ে মাত্র ১০২ রান তুলেছেন।

মাজহারুল ইসলাম বলেন, ‘মিডল অর্ডারে একটা শূন্যতা দেখা যাচ্ছে এখন। রিয়াদের জায়গায় আসলে কেউই তেমন ভালো খেলছে না।’

ব্যাটিং নিয়ে দুশ্চিন্তা ও ভাবনা হয়ত সময়ের ব্যাপার। লিটন দাস যদি ফর্মে ফিরেন, তবে দলের স্কোরকার্ড আরেকটু ভালো দেখাবে। কিন্তু বাংলাদেশ দল এখন বোলিং দুর্বলতায়ও ভুগছে। তাসকিন আহমেদ চোট পেয়ে দ্বিতীয় ওয়ানডে খেলতে পারেননি, ইবাদত হোসেন পুরো সিরিজ থেকেই ছিটকে গেছেন।

আফগানিস্তানের দুই ওপেনার চট্টগ্রামে বাংলাদেশের বিপক্ষে ২৫৬ রানের জুটি গড়েছেন। ওই সময় বাংলাদেশ বলার মতো সুযোগও তৈরি করতে পারেনি।

বাংলাদেশের অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ এই পরিস্থিতিকে সুযোগ হিসেবে দেখছেন। তিনি মনে করেন, এই এক সিরিজ বাংলাদেশ দলকে খারাপ বলতে যথেষ্ট নয়। তবে উন্নতির জায়গা অনেক, সেগুলো নিয়ে কাজ করতে হবে।

বাংলাদেশের জন্য এখন সবচেয়ে আশার ব্যাপার ব্যাট হাতে মুশফিকুর রহিম, নাজমুল হোসেন শান্ত, সাকিব আল হাসান ও তৌহিদ হৃদয়ের ফর্ম। কিন্তু এই চারজনও আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ জেতানোর মতো পারফর্ম করতে পারেননি।
সূত্র : বিবিসি

 

মিরসরাই ট্রাজেডির স্মৃতিস্তম্ভ অন্তিম’র জঙ্গল পরিস্কার

 

নিজস্ব প্রতিনিধি

মিরসরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের অর্থ সম্পাদক আবুল হোসেন বাবুল ও মায়ানী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি নুরের ছাপা নয়নের নেতৃত্বে ১১ জুলাই মিরসরাই ট্র্যাজেডির স্মৃতিস্তম্ব ‍‍‍অন্তিমের ঝোপঝাড় কাঁদা মাটি পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা করা হয়। রবিবার (৯ জুলাই) দুপুরে মায়ানী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা এই ঝোপঝাড় কাঁদা মাটি পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা করেন। এতে ছাত্রলীগ নেতা ফাহাদ, বাদশা, রাকিব, রিয়াজ, শাহীন, অপু সাজ্জাদ, মোহাম্মদ হোসেন, সোহাগ, সাঈদ প্রমুখ।

মিরসরাইয়ের আ’লীগ নেতা সাইফ উদ্দিন চৌধুরী রুপমের মানবিকতায় অসহায় বৃদ্ধ খুঁজে পেলো পরিবার

 

নিজস্ব প্রতিনিধি

মিরসরাই উপজেলার বারইয়ারহাট বাজারের অলংকার হোটেলের পাশে নোমান ব্রাদার্সের সামনে অসুস্থ অবস্থায় গত ৩-৪ দিন পড়ে ছিলেন অসহায় বৃদ্ধ আব্দুল করিম। তিনি কুমিল্লা জেলার লাকসাম থানার মুজাফফরগঞ্জের চিতলিয়া গ্রামের সৈয়দ আলী হাজীর পুত্র। গতকাল অসুস্থ বৃদ্ধের পড়ে থাকার বিষয়টি মিরসরাইয়ের ধুম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য ও বাংলাদেশ জাতীয় শ্রমিক লীগ মিরসরাই উপজেলা শাখার সদস্য সাইফ উদ্দীন চৌধুরী রুপমের নজরে আসে। এরপর তিনি বৃদ্ধের এলাকার সংশ্লিষ্ট লোকজনের সাথে যোগাযোগ করে পরিচয় নিশ্চিত করে শেষ বিদায়ের বন্ধুর এ্যাম্বুলেন্সযোগে গতরাতেই বৃদ্ধের পরিবারের কাছে লাকসাম থানায় গিয়ে তাকে তুলে দেন।
ধুম ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং ধুম ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি সাইফ উদ্দীন চৌধুরী রুপম জানান, বৃদ্ধ লোকটিকে তার পরিবারের কাছে পৌঁছে দিতে পেরে নিজের কাছে খুবই ভালো লাগছে। আমি জোরারগঞ্জ থানার ওসি জাহিদ হোসেনের দিকনির্দেশনায় এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন শেষ বিদায়ের বন্ধুর স্বপ্নদ্রষ্টা সাংবাদিক নুরুল আলম, সাবেক কাস্টমস কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম চৌধুরী এবং পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি চট্টগ্রাম-৩ এর সাবেক সভাপতি আলী আহছানের আন্তরিক সহযোগিতায় বৃদ্ধটিকে তার স্বজনের নিকট পৌঁছে দিতে পেরে সত্যিই আনন্দিত।
আমি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি লাকসাম থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মাহফুজ এবং মুজাফফরগঞ্জের বিট অফিসার এসআই আশরাফুল ইসলামের প্রতি। উনাদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় আমার ক্ষুদ্র প্রচেষ্টার সফলতা অর্জন।

টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবলীগের শ্রদ্ধা

 

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবলীগের নেতারা।

শনিবার (৮ জুলাই) বিকেল ৫টায় উত্তর জেলা যুবলীগের সভাপতি এসএম রাশেদুল আলম ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহজাহানের নেতৃত্বে যুবলীগ নেতাকর্মীরা বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা নিয়াজ মোর্শেদ এলিট।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তারা বঙ্গবন্ধুসহ পরিবারের সকল শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন তারা। এরপর পরিদর্শন বইতে সাক্ষর করেন কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য নিয়াজ মোর্শেদ এলিট, উত্তর জেলা যুবলীগের সভাপতি রাশেদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজাহান।

এর আগে সকালে নেতৃবৃন্দ বনানী কবরস্থানে পঁচাত্তরের আগস্টে নিহত বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ও যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শেখ ফজলুল হক মনিসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের কবর জিয়ারত করেন।

এসময় কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা নিয়াজ মোর্শেদ এলিট বলেন, সামনে নির্বাচন ঘিরে আন্দোলনের নামে বিএনপি-জামায়াত আবারও ষড়যন্ত্র, আগুন-সন্ত্রাস, তাণ্ডবের রাজনীতি কায়েম করতে চায়। যুবলীগ নেতাকর্মীরা সবসময় বিএনপির আগুন-সন্ত্রাসের রাজনীতির বিরুদ্ধে সচেষ্ট। তারাই জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।

উত্তর জেলা যুবলীগের সভাপতি এস এম রাশেদুল ইসলাম বলেন, উত্তর জেলা যুবলীগের নেতাকর্মীরা যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশের নির্দেশে সজাগ আছে। বিএনপির আগুন-সন্ত্রাসের রাজনীতি সবাই মিলে রুখে দিবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উত্তর জেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট দীপক কান্তি দত্ত, মো. মিজানুর রহমান, মো. শহীদুল আলম, মো. নাছির হায়দার করিম বাবুল, মো. মোশাররফ হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো.এরশাদ হোসেন, মো.আব্দুল করিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আবুল বশর, অ্যাডভোকেট মো. ফোরকান, এম.এ.খালেদ চৌধুরী, অর্থ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. শাহজাহান, শিক্ষা প্রশিক্ষণ ও পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক জয়নাল আবেদীন, আইন বিষয়ক সম্পাদক বিমল চন্দ্র নাথ, ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক মো. সাহেদ সরোয়ার, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মো. ওসমান চৌধুরী, পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার হাসান মুরাদ, শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মো. আবু ছৈয়দ, সদস্য- অ্যাডভোকেট এস.এম অহিদুল্লাহ, মো. বাবলু, হাটহাজারী উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মো. আক্তার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক নাজমুল হুদা মনি, সীতাকুণ্ড উপজেলা যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক বদিউল আলম জসীম, রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু তালেব চৌধুরী সানি, হাটহাজারী পৌরসভার যুগ্ম আহবায়ক আইয়ুব খান লিটন, উপজেলার সদস্য আনোয়ার মেহেদী, মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আকতার হোসেন খান সুমন, চবি বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল এন্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক মো. শফিউল আজম, মো. হানিফ, উপজেলা যুবলীগের সদস্য নজরুল ইসলাম, ফটিকছড়ি উপজেলা যুবলীগের সদস্য মো. মোরশেদুল আলম, মো.শাহজালাল জনি, মিরশরাই উপজেলা যুবলীগ নেতা আসিফুর রহমান শাহীন, মো. ইমতিয়াজ হোসেন অভি, সীতাকুণ্ড যুবলীগ নেতা এস এম নজরুল ইসলাম, শরীফুল আলম শরীফ, শাহরিয়ার রাশেদ, শাহ আজাদ, আমিনুল ইসলাম বাহারসহ চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী যুবলীগ ও এর আওতাধীন বিভিন্ন উপজেলার অসংখ্য নেতৃবৃন্দ।

হজ করতে পায়ে হেঁটে মক্কার উদ্দেশে কুমিল্লার আলিফ

 

পবিত্র হজ পালন প্রতিটি মুসলমানেরই আজন্ম লালিত স্বপ্ন। সেই স্বপ্নকে রঙিন করতেই ভিন্নরকম একটি পদ্ধতি বেছে নিলেন কুমিল্লার এক যুবক। পায়ে হেঁটে আগামী ২০২৪ সালে অনুষ্ঠেয় হজ পালনের উদ্দেশ্যে তিনি তার গ্রাম থেকে রওনা হয়েছেন।

 

শনিবার (৮ জুলাই) দুপুর ১২টায় কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার নিজ গ্রাম বাতাবাড়িয়া থেকে রওনা হয়েছেন তিনি।

ওই যুবকের নাম আলিফ মাহমুদ আদিব। বয়স ২৫ বছর। তার বাবার নাম মরহুম আব্দুল মালেক।

এ বিষয়ে জানতে আলিফ মাহমুদ আদিবের সাথে যোগাযোগ করে নয়া দিগন্ত। এ সময় তিনি জানান, এখনো তিনি তার উপজেলায় অবস্থান করছেন। পদ্মা সেতু হয়ে বেনাপোল বর্ডার দিয়ে দেশ ছাড়ার ইচ্ছে তার। তিনি আশা করছেন- সরকার পদ্মা সেতুর ওপর দিয়ে হেঁটে যেতে তাকে সহযোগিতা করবে।

আলিফ মাহমুদ এই সফরে বাংলাদেশ ছাড়াও আরো অন্তত ছয়টি দেশের মাটিতে হাঁটবেন। সেগুলো হলো- ভারত, পাকিস্তান, ইরান, ইরাক, কুয়েত ও সৌদি আরব। সফরের দূরত্ব ৭ হাজার ৮ শ’ ১০ কিলোমিটার কিংবা আরো একটু বেশি। স্পন্সর দুলাল কাজী গ্রুপ।

কিন্তু আধুনিক যোগাযোগব্যবস্থার যুগে দীর্ঘ এ পথে কেন তিনি পায়ে হেঁটে হজে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন- এমন প্রশ্নের জবাবে আলিফ মাহমুদ বললেন, ‘আমি আসলে একজন ভ্রমণপ্রেমী মানুষ। ভ্রমণ পছন্দ করি। আমি এর আগে সাইকেলে চড়ে দেশের ৬৪টি জেলাতেই ভ্রমণ করেছি। তখন থেকেই আমার এভাবে হজে যাওয়ার পরিকল্পনা।’

তিনি আরো বলেন, ‘তবে শুরুতে সাইকেলে চড়ে হজ করার ইচ্ছে থাকলেও সেটি পরিবর্তন করি এবং পায়ে হেঁটে মক্কায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। আর এটি আমার কাছে সম্ভবই মনে হয়েছে। কারণ, হাজার বছর আগে ইসলাম ধর্ম প্রচার, ব্যবসা-বাণিজ্য ইত্যাদির জন্য মানুষ পায়ে হেঁটে দূর-দূরান্তে সফর করতেন।’

আলিফ মাহমুদ মনে করছেন এই দীর্ঘ পথে মহাসাগর-মরুভূমি তিনি সহজেই পাড়ি দিতে পারবেন। কারণ, তার বিশ্বাস- এই সফরে আল্লাহ তাকে পরিপূর্ণ সাহায্য করবেন।

পবিত্র এ সফরে তার কোনো সঙ্গী আছেন কিনা- জানতে চাইলে আলিফ মাহমুদ বলেন, ‘আমি একাই। শুরুতে কয়েকজনের সাথে বিষয়টি শেয়ার করেছিলাম কিন্তু তারা সাহস করেননি। পরে এক বছর ধরে চিন্তা-ভাবনার পর আমি একাই মক্কার উদ্দেশে বের হওয়ার সিদ্ধান্ত নিই।’

 

বছরের সর্বোচ্চ ৮২০ ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে, দুইজনের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক

ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৭ জনে। অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮২০ ডেঙ্গুরোগী। যা চলতি বছরে একদিনে সর্বোচ্চ। এর আগে গত ৪ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ৬৭৮ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে ভর্তি হন।

শনিবার (৮ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের ইনচার্জ ডা. মো. জাহিদুল ইসলামের সই করা ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, শুক্রবার (৭ জুলাই) সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮২০ জন রোগী। তাদের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা ৬০৩ জন ও ঢাকার বাইরের ২১৭ জন।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৮ জুলাই পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১১ হাজার ১১৮ জন। তাদের মধ্যে রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮ হাজার ৫৭৪ জন। আর ঢাকার বাইরের হাসপাতালগুলোতে ভর্তি হয়েছেন ৩ হাজার ৫৪৪ জন। একই সময়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৯ হাজার ৫৪৯ জন। তাদের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা ৬ হাজার ৭৫০ জন এবং ঢাকার বাইরের ২ হাজার ৭৯৯ জন।

 

এর আগে ২০২২ সালে ডেঙ্গুতে দেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ ২৮১ জন মারা যান। ওই বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরে ডেঙ্গুতে ২৭ জনের মৃত্যু হয়। একই সঙ্গে আলোচ্য বছরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ৬২ হাজার ৩৮২ জন।

২০২০ সালে করোনা মহামারিকালে ডেঙ্গু সংক্রমণ তেমন একটা দেখা না গেলেও ২০২১ সালে সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হন ২৮ হাজার ৪২৯ জন। একই বছর দেশব্যাপী ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১০৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

শতাধিক মসজিদ ভ্রমণ করে জার্মান তরুণের স্বপ্ন পূরণ

 

আধ্যাত্মিক উন্নতি অর্জন ও মুসলিম সংস্কৃতি সম্পর্কে গভীর জ্ঞান লাভের লক্ষ্যে শতাধিক মসজিদ ভ্রমণ করেছেন জার্মান তরুণ বিলাল হিগো। এজন্য তিনি অন্তত ১৯টি দেশ ভ্রমণ করেছেন।

 

টিআরটি ওয়ার্ল্ডের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, গবেষণার কাজে বিলাল হিগো এই সফর করেছেন। সফরকালে নামাজের পাশাপাশি মসজিদকেন্দ্রিক পড়াশোনা, গবেষণা ও অন্যান্য কাজে বড় একটি সময় পার করেন তিনি। ফলে তার স্বাভাবিক জীবনযাপনে এর ব্যাপক প্রভাব পড়েছে।

সংবাদমাধ্যমটি আরো জানায়, কিন্তু করোনাকালে মসজিদ বন্ধ হওয়ায় অনেক মুসলিমের মতো তারও মানসিক যাতনা তৈরি হয়। মুসলিম পরিচয়ের বৈচিত্র্য অনুসন্ধান করে নিজের বিশ্বাসকে নতুন করে আবিষ্কারের চেষ্টা করেন। এ ক্ষেত্রে তার অনুপ্রেরণার উৎস ছিল মহানবী সা:-এর একটি হাদিস। একদিন রাসূল সা: ইবনে উমর রা:-এর কাঁধে হাত রেখে বলেছিলেন, ‘তুমি পৃথিবীতে মুসাফির বা পথিকের মতো বসবাস কোরো।’ (বুখারি, হাদিস : ৬৪১৬)

বিলাল ইংল্যান্ডের লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকসে সাংস্কৃতিক ও সামাজিক মনোবিজ্ঞান বিষয়ে অধ্যয়ন করেন। এরপর ২০২১ সালে তিনি ‘জার্মানির মুসলিমদের মধ্যে সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় পরিচয় সঙ্কট’ বিষয়ক গবেষণার কাজ সম্পন্ন করেন। এ বিষয়ে গবেষণার কাজে তাকে উল্লেখযোগ্য সময় মসজিদে ব্যয় করতে হয়। বর্তমানে তিনি একজন কাউন্সেলিং থেরাপিস্ট ও কালচারাল সাইকোলজিস্ট রিসার্চার হিসেবে কাজ করছেন। শিগগিরই তিনি ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট হিসেবে কাজ শুরু করবেন।

বিলালের মতে সারা বিশ্বের মুসলিম সম্প্রদায়ের বৈচিত্র্য উপলব্ধি ও তা গ্রহণের ক্ষেত্রে এ ধরনের পবিত্র স্থানগুলোর ভ্রমণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গত দুই বছর তিনি তুরস্ক, দক্ষিণ আফ্রিকা, বসনিয়া, তাজিকিস্তান, কিরগিজস্তান, উজবেকিস্তান, মিসর ও সৌদি আরবসহ বিশ্বের ১৯টি দেশ ভ্রমণ করেছেন। এসব দেশের অনেক মসজিদ ভ্রমণ করে সেখানকার সংস্কৃতি সম্পর্কে জানেন এবং মুসলিমদের বৈচিত্র্যপূর্ণ বৈশিষ্ট্য উপলব্ধির চেষ্টা করেন। অতঃপর ২০২০ সালের ডিসেম্বরে আধ্যাত্মিক ভ্রমণের অংশ হিসেবে তিন সপ্তাহের জন্য জার্মানির মিউনিখ থেকে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে যান বিলাল।

বিমানে উঠে এই ভ্রমণের সব নামাজ বিভিন্ন মসজিদে আদায়ের কথা ভাবছিলেন তিনি। বিলাল বলেন, আমি যদি ২১ দিনের নামাজগুলো ভিন্ন ভিন্ন মসজিদে একসাথে আদায় করি তাহলে মোট ১০৫টি মসজিদে নামাজ পড়া হবে। এমন ভাবনার পরপরই অন্য ফ্লাইটে থাকা আমার বন্ধু করিমকে বিষয়টি অবহিত করি।’ এরপর শুরু হয় উভয়ের ১০০ মসজিদ ভ্রমণের পর্ব।

১৬১৬ সালে নির্মিত তুরস্কের ঐতিহাসিক ব্লু মসজিদ ভ্রমণের মাধ্যমে বিলাল ও করিমের ভ্রমণ শুরু হয়। এরপর তারা বিলেসিক, আফিয়ন, আকসারে ও জোংগুলডাক প্রদেশ ভ্রমণ করেন। এসব স্থানে পর্যটকদের তেমন যাতায়াত না থাকলেও স্থানীয় অনেক মসজিদ তারা পরিদর্শন করেন। বসনিয়ার সারাজেভোতে উমর বিন খাত্তাব মসজিদে নামাজ পড়ার মাধ্যমে তাদের ১০০ মসজিদ ভ্রমণের চ্যালেঞ্জ সম্পন্ন হয়। তুরস্কের আকসারায় প্রদেশের আনাতোলিয়ান শহরে অবস্থিত একটি ছোট্ট মসজিদ খুবই ভালো লেগেছে বলে জানান বিলাল। কেয়া কামি নামক গুহায় শক্ত পাথর খোদাই করে তা তৈরি করা হয়।

বিলাল বলেন, গুগল করে একটি মসজিদের অনুসন্ধান করতে গিয়ে পাথরে খোদাই করা এই মসজিদের সন্ধান পাই। খুবই সাধারণ অনাড়ম্বর ও বিনম্র এ মসজিদের কথা আমি কখনো ভুলব না। তা আমাকে পবিত্র কুরআনে সুরা রহমানের কথা মনে করিয়ে দিয়েছে। কারণ এতে মুমিনদের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সম্পর্কে সচেতন হওয়ার ব্যাপারে উৎসাহ দেয়া হয়েছে। করিম সেখানে আজান দেয়ার পর আমরা একসাথে নামাজ পড়ি। দক্ষিণ আফ্রিকা ভ্রমণকালে কেপটাউনের রবেন দ্বীপের একটি মসজিদে নামাজ পড়ার কথাও জানান বিলাল। কারণ সেখানে নেলসন ম্যান্ডেলা তার ২৭ বছরের কারাবাসের শেষ ১৮ বছর কাটিয়েছিলেন।

যেকোনো দেশে গেলে মসজিদের মুসল্লিরা বিলালকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। বিলাল মসজিদে জামাতে নামাজ পড়ে স্থানীয়দের সাথে আলাপ করেন এবং তাদের ইসলামচর্চার নানা দিক অনুভবের চেষ্টা করেন। তিনি বলেন, আমি মসজিদে নামাজ পড়লে সবাই আমার দিকে তাকিয়ে থাকে। মানুষ আমাকে ডলারের অধিকারী বা পর্যটক হিসেবে মনে করে না। বরং তারা আমাকে তাদেরই একজন মনে করে। বাহ্যিকভাবে মানুষের মধ্যে অনেক পার্থক্য দেখা যায়। তবে কারো মনে আস্থা ও বিশ্বাস তৈরি করতে পারলে সে আপনাকে তার ঘরে নিয়ে যাবে। এর মাধ্যমে আপনার জানার জগতের নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে।

মসজিদ ভ্রমণের মূল শিক্ষা প্রসঙ্গে বিলাল বলেন, মুসলিম সমাজে গায়ের রং বা জাতীয়তাবাদ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। মুসলিম হলেই সবার মধ্যে ভ্রাতৃত্ব ও সহমর্মিতা দেখা যায়। তাই কুরআনের সূরা হুজরাতে বলা হয়েছে, ‘হে মানুষ, আমি তোমাকে পুরুষ ও নারী থেকে সৃষ্টি করেছি এবং তোমাদের জাতি ও গোষ্ঠীতে রেখেছি যেন তোমরা পরস্পরকে চিনতে পার।’ তাই জাতি, গোষ্ঠী, রং সব কিছু পারস্পরিক পরিচয়ের একেকটি সূত্র।

সরকার দেশকে রোল মডেল নয়, গোল মডেল বানিয়েছে : মির্জা ফখরুল

 

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের সাথে সমঝোতার কোনো সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

 

তিনি বলেন, তাদের বিশ্বাস করে আগেও সংলাপ করেছি, প্রতারিত হয়েছি। এখন প্রশ্নই আসে না। স্যাংশন, ভিসানীতিসহ আরো নানা কারণে বাংলাদেশের সামগ্রিক ভাবমূর্তি এখন তলানিতে। দেশকে রোল মডেল নয়, গোল মডেল বানিয়েছে। দেশকে ফতুর করে দিয়েছে সরকার।

শনিবার দুপুরে ডিআরইউ’তে ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি)র ১৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও সমসাময়িক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, সরকার নতুন নতুন প্লট তৈরি করে জনগণকে বোকা বানিয়ে ক্ষমতায় আসতে চায়। আবারো জনগণকে প্রতারিত করে ক্ষমতা দখল করতে চায় আওয়ামী লীগ। কিন্তু জনগণ ভোট দিতে পারলে আওয়ামী লীগ রাজনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। তারা স্বাধীনতার পরই গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে।

আওয়ামী লীগ দেশে ভয়াবহ লুটপাট করছে মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ভয়াবহ লুটপাটের কারণে মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী এই আওয়ামী লীগের নাম দিয়েছিলেন নিখিল বাংলা লুটপাট সমিতি। এরা এখনো ভয়াবহ লুটপাট করছে। গণতন্ত্রকে ধ্বংস করছে।

সারাদেশের সর্বস্তরের মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, গণতন্ত্র ও দেশকে বাঁচাতে এই ভয়াবহ দানব সরকারকে সরানোর জন্য কোনো দ্বন্দ্ব, দ্বিধা বা কালবিলম্ব না করে এখনই সবাইকে রাস্তায় নেমে পড়তে হবে। শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে একটি সত্যিকারের জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

এনপিপির চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদের সভাপতিত্বে এতে আরো বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, গণদলের চেয়ারম্যান এটিএম গোলাম মাওলা চৌধুরী, আয়োজক সংগঠনের মহাসচিব মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।

 

সারাদেশে উৎসবমুখর পরিবেশে জাতীয় নিরাপদ বয়লার দিবস উদযাপন

 

নিজস্ব প্রতিনিধি

বাংলাদেশ বয়লার পরিচারক কল্যান এসোসিয়েশন এর উদ্যোগে সারাদেশে জেলা উপজেলায় জাতীয় নিরাপদ বয়লার দিবস ও ৬ষ্ট বর্ষপূর্তি উদযাপন করা হয়েছে। শুক্রবার ৭ জুলাই এ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও কেক কাটা হয় কেন্দ্রীয় কার্যলয়, মিরসরাই প্রেসক্লাব, ঢাকা, চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ গাজীপুর, নরসিংদী, ময়মনসিংহ ও কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ে। বিভিন্ন জেলা উপজেলায় উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত জাতীয় নিরাপদ বয়লার দিবস ও ৬ষ্ট বর্ষপূর্তি উদযাপনে প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর। কেন্দ্রীয় কার্যালয়: বিজ্ঞাপন কেন্দ্রীয় কার্যলয় সভাপতি রেজাউল করিম এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ নুরুন্নবীর সঞ্চালনায় আলোচনা ও কেক কেটে উৎসবমুখর পরিবেশে দিবসটি উদযাপন করা হয়েছে। আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলা উদ্দিন আলমগীর, মোঃ ফয়সাল এছাড়াও প্রতিষ্ঠাতা কমিটি ও নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন । ঢাকা জেলা: বিজ্ঞাপন ঢাকা জেলার উদ্যেগে জাতীয় নিরাপদ বয়লার দিবস ও ৬ষ্ঠ বার্ষিকী উদযাপন করা হয় । ঢাকা জেলার সভাপতি নুর আলম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলার সিঃ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী নজরুল ইসলাম, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল আবছার, সমাজ কল্যান সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক সুবর্ন বিশ্বাস, সহ-বয়লার প্রশিক্ষন বিষয়ক সম্পাদক আরিফুল ইসলাম, ভাষা ও সাহিত্য সম্পাদক মুজানুল হক, সদস্য আবুল কালাম ও আসিফ গাজিপুর জেলা: গাজীপুর জেলার সভাপতি নাসির উদ্দীন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির ধর্ম বিষয় সম্পাদক – নুর নবী, গাজীপুর জেলার সিঃ-সহ সভাপতি আলাউদ্দিন, গাজীপুর জেলার উপদেষ্টা হারুন, গাজীপুর জেলার দপ্তর সম্পাদক ফরহাদ হোসেন, গাজীপুর জেলার অর্থ সম্পাদক-সালাউদ্দিন, গাজীপুর জেলার সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আলতাফ হোসেন, গাজীপুর জেলার সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন, গাজীপুর জেলার সদস্য জাহেদ ,সাবউদ্দিন ,মাসুদ , নোমান, হারুন প্রমুখ। মিরসরাই: বিকাল ৫ টায় মিরসরাই প্রেসক্লাব মিলনায়তনে বর্ষপূর্তি ৬ষ্ঠ বর্ষপূর্তি ও জাতীয় নিরাপদ বয়লার দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বয়লার পরিচারকদের জন্য ঐতিহাসিক ৭ জুলাই আন্দোলনের প্রধান উদ্যোক্তা ও জাতীয় নিরাপদ বয়লার দিবসের ঘোষক ও মিরসরাই প্রেসক্লাবের সভাপতি নুরুল আলম। অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক চেয়ারম্যান ৭ জুলাই আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা নুরুল আনোয়ার সবুজ। কেন্দ্রীয় কমিটি সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ নুর ইসলাম এর সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় কমিটির সিঃ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইকবাল শামীম সায়েম এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠিতা কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোসলেহ উদ্দীন মসলু, চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সভাপতি সালা উদ্দিন রাসেল, চট্টগ্রাম জেলা কমিটির প্রচার সম্পাদক মোঃরাকিব, চট্টগ্রাম জেলা কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃমেজবাহ্ উদ্দিন মাসুম,ঢাকা জেলা কমিটির প্রচার সম্পাদক মোঃকামরুল ইসলাম,ঢাকা জেলা কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃশাখাওয়াত হোসেন,চট্টগ্রাম জেলা কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃশরীয়ত উল্যাহ,চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোঃইউছুপ, চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ ইউনুস প্রমূখ। প্রধান অতিথি বলেন, বয়লার পরিচারকদের জন্য ৭ জুলাই আন্দোলন ঐতিহাসিক দিন। সালাম, আরশাদ, মনসুর সহ গাজীপুরে বয়লার বিস্ফোরণে নিহতদের রক্ত সারাদেশে গঠিত এ সংগঠনের মুল শক্তি। আমরা তাদের আজীবন স্বরণ রাখবো। অতীত ইতিহাস ধারন করে এগিয়ে গেলে কোন শক্তি এ সংগঠনকে তার লক্ষ অর্জন থেকে সরাতে পারবেনা। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ বয়লার পরিচারক কল্যান এসোসিয়েশন সুশৃঙ্খল নেতৃত্বের মাধ্যমে একদিন সারাদেশে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছবে। মাথা উঁচু করে সম্মানের সাথে কর্মস্থলে কাজ করবে। প্রধান আলোচক নুরুল আনোয়ার সবুজ বলেন, অনেক প্রতিকূল পরিবেশ মোকাবিলা করে ৭ জুলাই আন্দোলন সফলতা লাভ করেছে। আন্দোলন বন্ধ করার জন্য সাংবাদিক নুরুল আলম সহ আমাদের বিরুদ্ধে মালিক পক্ষ পুলিশ দিয়ে অনেক হয়রানি করেছে। সেদিন শক্ত হাতে অধিকার আদায়ের আন্দোলন এবং সর্বস্তরের মানুষ সাড়া না দিলে মালিক পক্ষের ক্ষমতার কাছে পরাজিত হতো মানবতা। আজকে সংগঠনের ব্যানারে এতো সুন্দর আয়োজন করা হয়তো সম্ভব হতোনা। নেতৃবৃন্দ ৩ জুলাই নিহত মরহুম সালাম আরশাদ ও মনসুর এর আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

 

মিরসরাইয়ে পাগলা কুকুরের কামড়ে আহত-১৫

মিরসরাই প্রতিনিধি
মিরসরাই উপজেলার ওয়াহেদপুর ইউনিয়নে পাগলা কুকুরের কামড়ে নারী-পুরুষসহ ১৫ জন আহত হয়েছে। এছাড়াও ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকও আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৭ জুলাই) সকালে ইউনিয়নের ৪ ও ৫ নং ওয়ার্ড এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। রক্ষা পায়নি গরু-ছাগল। আহতরা চট্টগ্রাম মেডিকেল ও ফৌজদারহাট বিআইটিআইডি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। ঘটনার পরপরই এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে কুকুরটিকে মেরে ফেলেছে।
পাগলা কুকুরের কামড়ে আহতরা হলেন, ওয়াহেদপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান রনি, মানসিক প্রতিবন্ধি মন্নান, রহিম, রফিক, বিবি ফাতেমা, ফকির, হালিমা, বাবুল, মিয়া। এছাড়াও তাহমিনার ছাগল, মিয়ার গরুও পাগলা কুকুরের কামড় থেকে রক্ষা পায়নি। আহত বাকিদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
ওয়াহেদপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে নারী-পুরুষ, গরুÑছাগলের অজ্ঞাত একটি পাগলা কুকুর কামড় দেয়। পরবর্তীতে এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে কুকুরটি মেরে ফেলা হয়েছে। এদিকে হাসপাতালে রোগীদের দেখতে ছুটে গেছেন মিরসরাই উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি ও ওয়াহেদপুর ইউনিয়ন যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল কামাল মিটু।
মিরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মিনহাজ উদ্দিন বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে পাগলা কুকুরের কামড়ে আহত দুইজন হাসপাতেল এসেছে। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে মেডিকেলে প্রেরণ করা হয়েছে। সাধারণত কুকুর কামড় কিংবা শরীরের কোন অংশে আচড় দিলে ৫টি ইনজেকশন পুশ করতে হয়। কামড়ের সাথে সাথে একটি, পরে ক্রমান্বয়ে বাকি ইনজেকশন নিতে হয়।
ফৌজদারহাট বিআইটিআইডি হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. মামুনুর রশিদ বলেন, পাগলা কুকুরের কামড়ে আহত ৮ জন হাসপাতালে এসেছেন। তাদের মধ্যে ৬ জন চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছেন। কামরুল হাসান রনি এবং বিবি ফাতেমা হাসপাতে ভর্তি আছেন। তবে বিবি ফাতেমার অবস্থা খুবই গুরুত্বর।

উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. জাকিরুল ফরিদ বলেন, পাগলা কুকুরের কামড়ে আহত গরু এবং ছাগলকে চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।