সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Home Blog Page 91

মিরসরাইয়ে ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত চট্টগ্রাম উত্তর জেলা শ্রমিকলীগ নেতারা

মিরসরাই প্রতিনিধি :::
মিরসরাইয়ে নেতা-কর্মীদের ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত হয়েছেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা শ্রমিক লীগের নবগঠিত কমিটিতে স্থান পাওয়া মিরসরাই’র নেতৃবৃন্দ। শুক্রবার (২৩ জুন) সকালে
বড়দারোগাহাট থেকে গাড়ি বহর নিয়ে সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন দিদার, সহ-সভাপতি জাবেদ ইকবাল, যুগ্ম সম্পাদক মোঃ আবু তাহের ও আলমগীর আজাদকে বরণ করে নেয়া হয়।
পরে উত্তর জেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন দিদারের বাড়িতে সংবর্ধনার আয়োজন করেন জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ¦ রেজাউল করিম মাষ্টারের সভাপতিত্বে ও ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জাহেদুল ইসলাম সুজনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, মিরসরাই পৌরসভার মেয়র মোঃ গিয়াস উদ্দিন, করেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এনায়েত হোসেন নয়ন, ধুম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি জহির উদ্দিন ইরান, জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শ্যামল দেওয়ানজী, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবলীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মোশাররফ হোসেন মান্না, জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক নাজিম উদ্দিন অপু, সাংগঠনিক সম্পাদক মানারাত বাবু,  উত্তর জেলা ছাত্রলীগের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক আমজাদ হোসেন ইমন, জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি শাহিদ বিন কামাল, সাধারণ সম্পাদক শেফায়েত হোসেনসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের বিভিন্ন ইউনিয়ন ওয়ার্ড কমিটির সভাপতি-সম্পাদকরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নাসির উদ্দিন দিদার বলেন, উত্তর জেলার আওতাধীন সকল উপজেলার নেতৃবৃন্দকে একসাথে নিয়ে আগামী ২০২৪ সালের দ্বাদশ নির্বাচনে রাজপথে থেকে সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে শেখ হাসিনাকে আবারও ক্ষমতায় নিয়ে আসতে কাজ করে যাবো আমরা।

লিও ক্লাব অব চিটাগাং হিলভিউর সভাপতি নকিব, সম্পাদক আসিফ

মিরসরাই প্রতিনিধি :::
বিশ্বের সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক সেবা সংগঠন লায়ন্স ক্লাবের যুব সংগঠন লিও ক্লাব অব চিটাগং হিলভিউর পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। যেটি স্পন্সর করেছে বাংলাদেশের লায়ন্স অঙ্গনের সেবামূলক কাজে অন্যতম ‘লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগং খুলশী’ জেলা ৩১৫, বি৪ বাংলাদেশ।
মঙ্গলবার (২০ জুন) লিও ক্লাব অব চিটাগং হিলভিউ ক্লাবের এডভাইজর লায়ন জিনাত কমর রিটা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।
এতে লিও সাজিদ হাসান নকিব সভাপতি, লিও তানভীর হোসেন আসিফ সাধারণ সম্পাদক ও লিও সজীব দেব নাথকে কোষাধ্যক্ষ করে ২০২৩-২৪ সেবা বর্ষের জন্য ১৭ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত অন্যরা হলেন, আই.পি.পি লিও মোঃ আল মামুন জিসান, ভাইস প্রেসিডেন্ট লিও রাশেদুল ইসলাম ইভন, ভাইস প্রেসিডেন্ট লিও আবিদ ভূঁইয়া, জয়েন্ট সেক্রেটারি (এডমিন) লিও শাহ ইফরাত চৌধুরী, জয়েন্ট সেক্রেটারি (প্রজেক্ট) লিও মাইশা মালিহা, জয়েন্ট ট্রেজারার (এডমিন) লিও হৃদয় ভূঁইয়া, জয়েন্ট ট্রেজারার (প্রজেক্ট) লিও ইবনাত সূচী, জয়েন্ট ট্রেজারার লিও ইমতিয়াজ জাওয়াদ, টেমার লিও জুনায়েদ হোসেন, টেইল টুইস্টার লিও মিফতাহুল হোসেন।
এছাড়া দায়িত্বে রয়েছেন কালচারাল কো-অর্ডিনেটর লিও অন্তর দে, জয়েন্ট কালচারাল কো-অর্ডিনেটর লিও অমিত দাশ, মেম্বারশিপ চেয়ারপার্সন লিও কামরুল হাসান এবং মিডিয়া কো-অর্ডিনেটর লিও সাজিদ উল্যাহ।
নবীন দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্যরা সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবেন এমনটাই প্রত্যাশা ক্লাব এডভাইজর ও ডিরেক্টরদের।

মিরসরাইয়ে সন্ত্রাস জঙ্গিবাদ ও সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী আলোচনা সভা

নিজস্ব প্রতিবেদক
মিরসরাই উপজেলা ইসলামী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সন্ত্রাস জঙ্গিবাদ ও সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ জুন) সকালে উপজেলা মডেল মসজিদ ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র কনফারেন্স রুমে ‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা, সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ প্রতিরোধ এবং সামাজিক সমস্যা নিরসনে ইমাম ও আলেমদের করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহফুজা জেরিন।

মাওলানা মোহাম্মদ ইব্রাহিমের পরিচালনায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন মিরসরাই উপজেলার ফিল্ড সুপারভাইজার সৈয়দ মোকাম্মেল হকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিরসরাই লতিফিয়া কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ একরামুল হক, মিরসরাই প্রেসক্লাবের সভাপতি নুরুল আলম, মাওলানা মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম, মাওলানা আব্দুল আজিজ, মাওলানা মোহাম্মদ আলমগীর প্রমুখ। এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন মসজিদের ইমাম, মসজিদ ভিত্তিক গন শিক্ষার শতাধিক শিক্ষক ও আলেম ওলামা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভা শেষে দোয়া ও মুনাজাত পরিচালনা করেন উপজেলা মডেল মসজিদের খতিব মাওলানা মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহফুজা জেরিন বলেন, দেশকে ভালোবাসা ঈমানের অঙ্গ। উন্নয়নশীল দেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে হলে সকল পেশার মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। এ ক্ষেত্রে মসজিদের ইমাম ও আলেম ওলামাদেও ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনারা মসজিদ ভিত্তিক মুসল্লীদের মাঝে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ, সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টি করতে পারেন। ইসলামের অপ ব্যাখ্যা করে যাতে কোন যুবক বিপথগামী হতে না পারে। ইসলাম কখনো চরমপন্থায় বিশ্বাসী নয়। ইসলাম প্রকৃত শান্তির ধর্ম। ইসলামের অমিয় বানী সকলের কাছে পৌঁছে দিতে পারেন একমাত্র ইমাম ও আলেম ওলামারা। আমরা অসাম্প্রদায়িক সমাজ নির্মাণ করলে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে পারবো। সবাইকে এ লক্ষে কাজ করতে হবে।

 

স্কুল শিক্ষার্থী আরমান হত্যা-খুনিদের শাস্তির দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিনিধি
মিরসরাইয়ে খৈয়াছড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেনীর শিক্ষার্থী আরমান হোসেন রুবেল হত্যার প্রতিবাদ ও খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবিতে মানববন্ধন করেছে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার (২২ জুন) দুপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের খৈয়াছড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গরা অংশ নেন।
সহকারি শিক্ষক প্রবাল ভৌমিকের সঞ্চালনায় এসময় বক্তব্য রাখেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ হোসেন, সহকারি প্রধান শিক্ষক আবুল হোসেন, দৈনিক সমকালের মিরসরাই প্রতিনিধি বিপুল দাশ, বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র ও ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি নাহিদুল হাসান রাবিব, ১০ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী জান্নাতুল ইসলাম পায়েল প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, আরমান হোসেন রুবেল একটি শান্তশিষ্ট ছেলে ছিল। তার এভাবে চলে যাওয়া মেনে নেয়া যায় না। যারা এই নৃশংস হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত তাদের দ্রুত চিহিৃত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে তার সহপাঠিরা।
উল্লেখ্য: গত ১১ জুন দিবাগত রাত সাড়ে ৮টার নাগাদ আরমান হোসেন রুবেল উপজেলার মিঠানালা ইউনিয়নের সুফিয়া বাজার এলাকা থেকে নিখোঁজ হন। নিখোঁজের ৭ দিন পর গত ১৭ জুন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প নগরের মিরসরাই অংশের সুপারডাইক এলাকায় থেকে হাতবাঁধা অবস্থায় খৈয়াছরা উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী আরমান হোসেন রুবেলের কঙ্গাল মরদেহ উদ্ধার করেছে চট্টগ্রামের কুমিরা নৌ পুলিশ।

 

মিরসরাইয়ের মঘাদিয়ায় ৯ লাখ টাকায় বিক্রির জন্য প্রস্তুত দুটি গরু

মিরসরাই প্রতিনিধি
মিরসরাইয়ের মঘাদিয়া ইউনিয়নের তিনঘোরিয়াটোলা এলাকায় কোরবানীর জন্য দুটি গরু মোটাতাজা করা হয়েছে। একটি গরুর ওজন ৯ মন, দাম হাঁকা হয়েছে ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা। আরেকটি গরু ৬মন, দাম হাঁকা হয়েছে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

জানা গেছে, মঘাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য জয়নাল আবেদীন প্রতি বছরের মতো এবারও দুটি গরু বড় করেছেন। মঘাদিয়া ইউনিয়নের তিনঘোরিয়াটোলা এলাকার ফয়েজ আহম্মদ বাড়ির সামনে গোয়ালঘরে গরুগুলো রাখা হয়েছে। এছাড়া আরো ১০টি গরু রয়েছে তার কাছে।
জয়নাল আবেদীনের ছেলে মো. শাহাদাত হোসেন জানান, একটি বলদ ও একটি ষাড় বড় করেছি। সম্পুন্ন প্রাকৃতিক উপায়ে নিজস্ব জমিতে চাষ করা ঘাস ও ভুট্টা চাষ করে খাওয়ানো হয়েছে। পরম যতেœ এসব গরুগুলোকে লালন-পালন করা হয়। যে কেউ আমাদের বাড়িতে এসে পছন্দ করে গরু ক্রয় করতে পারবে। এছাড়া আবুতোরাব বাজারে অবস্থিত মঘাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সামনে আল্লার দান টাইলসে যোগাযোগ করতে পারবে। মোবাইল নং ০১৮১৩৮২০৪৯২।

 

মিরসরাইয়ে পারিবারিক বিরোধে অপপ্রচার ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানীর অভিযোগ

মিরসরাই প্রতিনিধি
মিরসরাইয়ে পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানীর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে তাইফ উদ্দিন নামে এক আওয়ামী লীগ নেতা। বৃহস্পতিবার (২২ জুন) সকালে উপজেলার পশ্চিম জোয়ার গ্রামে নিজ বাড়িতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন ১নং করেরহাট ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তাইফ উদ্দিন।

এসময় তাইফ উদ্দিন লিখিত বক্তব্যে বলেন, তার আপন প্রবাসী ছোট ভাইয়ের স্ত্রীর বেপরোয়া জীবন যাপনে তারা পারিবারি সম্মানহানি হচ্ছে। এর জন্য আমার ভাইয়ের কাছে একাধিকবার জানিয়েও কোন প্রতিকার পায়নি। বরং সে তার স্ত্রীর পক্ষ নিয়ে কথা বলে। বিভিন্ন সময় তার এই বেপরোয়া আচরণের জন্য তাকে পারিবারিক ভাবে সতর্ক করা হলেও সে কোন তোয়াক্কা করেনি। ৪ জুন রাত অনুমান সাড়ে ১১ টার সময় তাদের ঘরের পেছনে এসে মোবাইলে তাদের পারবারিক কথা রেকর্ডিং করার সময় হাতে নাতে ধরা পড়ে। এসময় এঘটনার প্রতিবাদ করলে তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। পরে দৌড়ে পালিয়ে যায়ওয়ার সময় আহত হয়। এই আহত হওয়াকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন স্থানে আমাদের সম্মানহানির লক্ষে অপপ্রচার চালাতে থাকে। এতেও সে ক্ষান্ত না হয়ে আদালতে আমাদের নামে মামলা দায়ের করেছে।

তাইফ উদ্দিন বলেন, আমরা ৪ ভাই ও ৩ বোন। বাবার মৃত্যুর পর ভাইয়েরা পৃথকভাবে পরিবার নিয়ে বসবাস করে আসছি। বোনেরা স্বামীর বাড়িতে থাকেন। আমার ছোট ভাই মাহাতাব উদ্দিন প্রবাসে থাকায় তার স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌসকে আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা অসৎ প্রলোভন দিয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা করিয়ে আমাদের হয়রানী করাচ্ছে। আমরা বর্তমানে জামিনে আসছি। জান্নাতুল ফেরদৌস তার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে গেছে। কিন্তু সে বিভিন্ন জায়গায় অপপ্রচার করে বেড়াচ্ছে আমাদের ভয়ে স্বামীর বাড়িতে থাকতে পারছেনা। সে তার স্বামীর ঘরে থাকলে আমাদের কোন আপত্তি বা অসুবিধা তো নেই। সে ষড়যন্ত্র করছে। যেকোন সময় সে কোন অঘটন ঘটিয়ে আমার ক্ষতি করার জন্য চেষ্টা করছে। আমি আমার জানমাল ও আত্মসম্মান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছি।

সংবাদ সম্মেলনে তাইফ উদ্দিনের পরিবারের সদস্য গিয়াস উদ্দিন, খায়ের উদ্দিন, শিরিনা বেগম, শরিফা, সেতেরা বেগম, ঝর্ণা, নাজিম উদ্দিন, বিবি মরিয়ম সহ এলাকার বাসিন্দা জাকারিয়া, গোলাম মর্তুজা, আব্দুল হান্নান, কাদের, বশর উপস্থিত ছিলেন।

 

জামিন পেলেন মিরসরাইয়ের ছাত্রদল নেত্রী নাদিয়া নুসরাত

মিরসরাই প্রতিনিধি
অবশেষে জামিন পেয়েছেন মিরসরাই উপজেলা ছাত্রদল নেত্রী নাদিয়া নুসরাত। মঙ্গলবার ( ২০ জুন) চট্টগ্রাম সিনিয়র জুডিশিয়াল-২ আদালতের বিচারক জিহান সানজিদা শুনানি শেষে তার জামিন মঞ্জুর করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আসামী পক্ষের আইনজীবি এ্যাডভোকেট নুরুল করিম ইরফান।

মিরসরাই উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব গাজী নিজাম উদ্দিন জানান, গত ১৪ জুন চট্টগ্রামে বিএনপির তারুন্যেরে সমাবেশ শেষ করে বাড়ি ফিরতে রাত হয়ে যায়। জুনিয়র দুই ছাত্রদল কর্মীর সহায়তায় সিএনজি যোগে যাওয়ার পথে সাহজী বাজারে ছাত্রলীগ কর্মীরা তাদের পথ রোধ করে। তাকে গভীর রাত পর্যন্ত প্রথমে সিএনজিতে ও পরে পরিত্যক্ত ঘরে আটকে রেখে নুসরাতের ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালায়। মেয়েটি বার বার বাঁচার জন্য থানা পুলিশকে ফোন দিলেও জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ কোন সহযোগিতা করেনি। পরে ছাত্রলীগের কর্মীরা তাকে জোরারগঞ্জ থানায় সোপর্দ করে। থানার অফিসার ইনচার্জের সামনে এই লোমহর্ষক ঘটনার বিবরণ দিলেও পুলিশ মিথ্যা বিস্ফোরক মামলায় নুসরাতকে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে। অবশেষে মঙ্গলবার সে ওই মামলায় জামিন পেয়েছে।

জানা গেছে, ছাত্রদল নেত্রী নাদিয়া নুসরাতকে হেনস্থা ও গ্রেফতারের প্রতিবাদে সারাদেশে নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় উঠে। দেশব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল। দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় নয়াপল্টনের সামনে তার মুক্তির দাবীবে কর্মসূচি পালন করা হয়।

আসামী পক্ষের আইনজীবি এ্যাডভোকেট নুরুল করিম ইরফান জানান, সোমবার আদালতে নাদিয়া নুসরাতের জামিন আবেদন করেছিলাম। বিচারক আজ (মঙ্গলবার) আসামীর উপস্থিতিতে শুনানীর দিন ধার্য্য করেন। আজ শুনানী শেষে বিজ্ঞ বিচারক তার জামিন মঞ্জুর করেছেন। তিনি আরো বলেন, জামিনের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আজ অথবা কাল সে কারাগার থেকে বের হবে।

 

মুক্তিযুদ্ধের সম্মুখভাগে ছিলো গেরিলা যোদ্ধারা

 

মিরসরাই প্রতিনিধি:::
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে পৃথক দুইটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি। এসময় বাঙালীর মহান মুক্তিসংগ্রামে সশস্ত্র বাহিনী থেকেও বেশি অবদান গেরিলা যোদ্ধাদের উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সময় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের থেকেও সাধারণ গেরিলা যোদ্ধারা বেশি ঝুঁকি নিয়েছিলো।’ সোমবার (১৯ জুন) বেলা ১২টার দিকে মিরসরাই পৌর সদরে ৪তলা বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় তিনি মুক্তিযুদ্ধকালীন চট্টগ্রাম এক নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার মেজর জিয়াউর রহমানের সমালোচনা করে বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সময় জিয়ার সাথে আমি ছিলাম। সে ছিলো ভীতু, অথচ তাকে দেয়া হয়েছে বীর উত্তম খেতাব। আর আমরা ফ্রন্টফাইটার হয়েও খেতাব পাইনি।’
আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান মিরসরাই কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবু জাফরের সঞ্চালনায় ও মিরসরাই উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার কবির আহম্মেদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অথিতি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম উত্তরজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মাহবুবুর রহমান রুহেল। বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমিটির সভাপতি নয়ন কান্তি ধূম।
উপস্থিত ছিলেন, মিরসরাই উপজেলা চেয়ারম্যান মো. জসিম উদ্দিন, মিরসরাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহফুজা জেরিন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিজানুর রহমান, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান এম আলা উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী, মিরসরাই পৌরসভার মেয়র মো. গিয়াস উদ্দিন, করেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এনায়েত হোসেন নয়ন, দুর্গাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু সুফিয়ান বিপ্লব, জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম মাষ্টার, উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. কামরুল হোসেন প্রমুখ।
আওয়ামী লীগের প্রবীণ এ নেতা এর আগে সকাল ১০টার দিকে উপজেলার নিজামপুর সরকারি কলেজে নির্মিত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ও কলেজের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা তাঁর বাবা সৈয়দুর রহমানের প্রতিকৃতি ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে উদ্বোধন করেন।

 

 

ছাত্রদল নেত্রী নুসরাতকে নির্যাতনের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার ও জোরারগঞ্জ থানার ওসির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি

মিরসরাই প্রতিনিধিঃ

মিরসরাই উপজেলা ছাত্রদল নেত্রী নাদিয়া নুসরাতকে চট্টগ্রামে তারুণ্যের সমাবেশে থেকে বাড়ি ফেরার পথে রাতের অন্ধকারে তুলে নিয়ে দূর্বৃত্তরা নির্যাতন চালানোর পর জোরারগঞ্জ থানার পুলিশের হাতে তুলে দেন। নির্যাতনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে পুলিশ উল্টো মিথ্যা মামলায় চালান করে নাদিয়া নুসরাত কে। এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছে বিএনপি, ছাত্রদল সহ বিভিন্ন সংগঠন।

জানা গেছে, গত ১৪ জুন বুধবার, চট্টগ্রাম কাজীর দেউরী চত্বরে বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে তারুণ্যের মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে সিএনজি যোগে বাড়ি ফেরার পথে মিরসরাই উপজেলা ছাত্রদল নেত্রী নাদিয়া নুসরাত”কে মিরসরাই ইছাখালী শাহাজী বাজার এলাকা থেকে রাত ৯ টার দিকে অজ্ঞাত স্থানে তুলে নিয়ে অমানুষিক নির্যাতন করে প্রায় ৩/৪ ঘন্টা পর জোরারগঞ্জ থানায় সোপার্দ করে। পরদিন জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ বিস্ফোরক আইনে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সাংসদ থেকে নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দেন। ১৮ জুন সকালে নির্যাতনের সাথে জড়িত সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবিতে চট্টগ্রাম কাজীর দেউরী নসিমন ভবনে সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ পেশাজীবী পরিষদ চট্টগ্রাম মহানগরের পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। মিরসরাই উপজেলা সদরে সকালে বিক্ষোভ মিছিল করে চট্টগ্রাম উত্তরজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক নুরুল আমিন চেয়ারম্যান সমর্থিত উপজেলা ছাত্রদল, যুবদল। সকালে নাদিয়া নুসরাতের বাড়িতে গিয়ে তার মাকে শান্তনা জানিয়ে বিচার আদায়ের প্রতিশ্রুতি জানান চট্টগ্রাম উত্তরজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক নুরুল আমিন চেয়ারম্যান, মিরসরাই উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব গাজী নিজাম উদ্দিন, বারইয়ারহাট পৌরসভা বিএনপির আহবায়ক দিদারুল আলম মিয়াজি। তারা এ ঘটনায় জোরারগঞ্জ পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহিদ হোসেন বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, কিভাবে একজন পুলিশ অফিসার রাতের অন্ধকারে তুলে নিয়ে একজন নারীকে নির্যাতনের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নিয়ে বিস্ফোরক মামলা দিয়ে একজন নিরীহ তরুণীকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। আমরা এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে উক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দেশের আইনজীবী সমাজ, নারী সমাজ ও সুশীল সমাজের প্রতি জোরালো আবেদন জানাই। এছাড়া বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ এ জঘন্য অপরাধের বিচার দাবি করে প্রধান বিচারপ্রতির হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে চট্টগ্রামের ডিআইজিকে ঘটনার ফুটেজ তদন্ত করে জোরারগঞ্জ পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। নারী ও শিশু অধিকার ফোরাম চট্টগ্রামের আহ্বায়ক সাংবাদিক জাহিদুল করিম কচি ও সদস্য সচিব ডা. বেলায়েত হোসেন ঢালী এ ঘটনায় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা, বাংলাদেশ মানবাধিকার সংস্থা কে এ ব্যাপারে জরুরিভিত্তিতে তদন্ত করে জড়িতদের খুঁজে বের করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ও জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন ।

চট্টগ্রাম উত্তরজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক নুরুল আমিন চেয়ারম্যান জানান, ছাত্রদল নেত্রী নাদিয়া নুসরাত এর উপর হামলা ও নির্যাতনের সাথে জড়িত আওয়ামী সন্ত্রাসীদের প্রেফতার এবং মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারসহ নিঃশর্ত মুক্তি দাবি জানাই। এই ঘটনায় পুলিশের ন্যাক্কারজনক ভুমিকার তীব্র নিন্দা জানাই।

জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাহিদ হোসেন জানান, নুসরাতের বাড়ি মিঠানালা গ্রামে। তাকে রাত ১১ টায় কাটাছড়া শাহজী বাজার দুজন ছাত্রদল কর্মী সহ দেখে স্থানীয় লোকজন জিজ্ঞাসাবাদ করে আটকে রাখে। পরে পুলিশ গিয়ে মেয়েটিকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে সে ছাত্রদল নেত্রী পরিচয় দিলে। তার বিরুদ্ধে বারইয়ারহাট বাজারে একটি রাজনৈতিক মামলার তথ্য প্রমান পাওয়া যায়। সে মামলায় তাকে চালান দেওয়া হয়েছে।

মিরসরাইয়ে আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

মিরসরাইপ্রতিনিধি
মিরসরাইয়ে ১১নং মঘাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসাইন মাষ্টার ও ছাত্রলীগ কর্মীদের উপর সন্ত্রাসী হামলা, গুলিবর্ষনের ঘটনায় বিক্ষোভ মিছিল- প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১৮ জুন) বিকেলে মঘাদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের উদ্যোগে আবুতোরাব বাজারে এসব কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
প্রতিবাদ সমাবেশে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপির নেতৃত্বে মিরসরাইয়ের আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ঐক্যবদ্ধ। বর্তমান সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম প্রচারের জন্য আমরাই যথেষ্ট। এখানে রাজনীতি করতে হলে দলীয় গঠনতন্ত্র মেনে করতে হবে। যুবলীগ আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠন। সম্প্রতি যুবলীগের কেন্দ্রীয় সদস্যের নাম দিয়ে মিরসরাইতে এলিট অপরাজনীতির চেষ্টা করছে। তার নেতৃত্বে শনিবার বিকেলে উপজেলার মিয়াপাড়া এলাকায় আওয়ামী লীগ নেতা ও মঘাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসাইন মাস্টার সহ ছাত্রলীগ কর্মীদের উপর হামলার ঘটনা ঘটে। এসময় ৫-৬ জন ছাত্রলীগের কর্মী আহত হয়েছে। কয়েকটি গাড়ি ভাংচুর করা হয়েছে। এলিট প্রকাশ্যে আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ কর্মীদের উপর গুলি ছুঁড়ে। গুলি জব্দ করে তাকে গ্রেপ্তারের জন্য দাবী জানাচ্ছি। আগামীতে এলিট যেখানে কর্মসূচী করতে যাবে সেখানে তাকে প্রতিহত করা হবে। তাকে আর ছাড় দেওয়া হবে না।
মঘাদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি তোফায়েল উল্ল্যা চৌধুরী নাজমুলের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন চৌধুরী, যুগ্ম সম্পাদক নাছির উদ্দিন মিলনের যৌথ সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক সম্পাদক একেএম জাহাঙ্গীর ভূঁইয়া, মিরসরাই পৌরসভা মেয়র গিয়াস উদ্দিন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক, করেরহাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এনায়েত হোসেন নয়ন, মায়ানী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কবির আহমেদ নিজামী, খৈয়াছরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাফজুলুল হক জুনু, ইছাখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুরুল মোস্তফা, সাহেরখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কামরুল হায়দার চৌধুরী, জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম মাষ্টার, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মাইনুর ইসলাম রানা, সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল ভূঁইয়া, মিঠানালা ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি আবু নোমান, মঘাদিয়া যুবলীগের সভাপতি তোফাজ্জেল হোসেন চৌধুরী মাসুদ, উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক মাসুদ করিম রানা প্রমুখ। কর্মসূচিতে জনপ্রতিনিধি, উপজেলা ১৬ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলা, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রতিবাদ সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।