মিরসরাই প্রতিনিধি
সারা দেশের ন্যায় মিরসরাইতেও শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে শুরু হয়েছে ১৪ দিনের কঠোর ‘লকডাউন’। সকাল থেকেই থেমে থেমে চলছে গুটি গুটি বৃষ্টি। লকডাউন আর বৃষ্টিতে ঘরের বাইরে মানুষের চলাচল খুব একটা দেখা যায়নি। বিনা প্রয়োজনে যারা বাইরে বের হচ্ছে তাঁদের প্রশাসনের জবাবদিহির মুখোমুখি হতে হয়েছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ছিল অন্যরূপে। দুএকটি ট্রাক ছাড়া কোন ধরেনর পরিবহন চলাচল করতে দেখা যায় নি। দেশের ব্যস্ততম এই সড়ক ছিল অনেকটা শুনসান ও কোলাহল মুক্ত।
শুক্রবার (২৩ জুলাই) দুপুর ১২টায় সরেজমিন আবুতোরাব ও বড়তাকিয়া বাজারে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় ও লকডাউন অমান্য করে দোকান খোলা রাখার দায়ে ৪জনকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ৭০০ টাকা জরিমানা করা হয়। এদিকে শুক্রবার সারাদিন উপজেলার বিভিন্ন বাজার তদারকি করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ মিনহাজুর রহমান।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুবল চাকমার সমন্বয়ে এই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, মিরসরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মজিবুর রহমান, মঘাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসাইন মাস্টার।
এদিকে সকাল ১০টা থেকে বৃষ্টি উপেক্ষা করে মাঠে রয়েছে মঘাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসাইন মাস্টার। আবুতোরাব বাজারে বৃহস্পতিবার রাতে ব্যবসায়ীদের সাথে লকডাউন কার্যকরে মতবিনিময় করেন তিনি।
মঘাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসাইন মাস্টার বলেন, ‘মিরসরাইয়ে করোনা আক্রান্তের হার বেড়েই চলেছে। সচেতনতা ছাড়া বাঁচার কোন উপায় নেই। করোনা মহামারির এ কঠিন সময়ে জরুরী প্রয়োজনে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে মাস্ক নিশ্চিত করে মানুষ যেন ঘরের বাইরে আসতে না পারে আমরা সে বিষয়ে সচেতনতা মূলক কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছি।’
উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) সুবল চাকমা বলেন, স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করায় আবুতোরাব ও বড়তাকিয়া বাজারে ৪জনকে ৭০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পাশাপাশি খুব বেশি জরুরী প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে না যেতে পরামর্শ দেয়ার পাশাপাশি সচেতন করা হয়।



