মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Home Blog Page 106

জনগণ ভয়কে জয় করে ফেলেছে : আমির খসরু

 

 

শুক্রবার দুপুরে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য কমানো, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ গ্রেফতারকৃত সকল নেতাকর্মীর নিঃশর্ত মুক্তি এবং অবৈধ সংসদ বাতিলসহ ১০ দফা দাবিতে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এই সমাবেশের আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (জেটেব)।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, জনগণের ভয়ে সরকার মিথ্যা মামলা, গায়েবি মামলা, গ্রেফতার, হত্যা এগুলো চালিয়ে যাচ্ছে। বিএনপির শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে। কিন্তু বিএনপি শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি থেকে সরে যাচ্ছে না। যত বেশি শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি হচ্ছে তত বেশি জনগণ রাস্তায় নেমে আসছে এবং তাদের (সরকার) ভয়ের মাত্রা তত বেড়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নাকি জনগণের সম্পদ রক্ষায় নেমেছে। আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক দৈনতা এমন জায়গায় এসেছে দাঁড়িয়েছে যে একটি স্বতন্ত্র রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে তারা জনগণকে আকৃষ্ট করতে ব্যর্থ হচ্ছে। ব্যর্থ হয়ে তারা বিএনপির কর্মসূচিকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে।

বিএনপির কর্মসূচিকে বাধাগ্রস্ত করা চলবে না উল্লেখ করে খসরু বলেন, লক্ষ জনতা প্রমাণ করেছে গুলি করে, হত্যা করে, গ্রেফতার করে, মিথ্যা ও গায়েবি মামলা দিয়ে জনগণের গণজোয়ার বন্ধ করা যাবে না। এটা বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশে প্রমাণ হয়ে গেছে। সরকার পরিবহন হরতাল দিয়ে, গায়েবি মামলা দিয়ে, গ্রেফতার করে, হত্যা করে লক্ষ জনতাকে রুখতে পারেনি। আগামীতেও পারার কোনো সুযোগ নেই।

আওয়ামী লীগের নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, যতই শান্তি কর্মসূচি দেন, যতই জনগণের সম্পদ রক্ষার কথা বলেন, আপনারা জনগণের কাছে হাস্যকরভাবে পরিচিত হয়েছেন। জনগণ আপনাদের রাজনৈতিক কর্মসূচি দেখে হাসে। আপনারা রাজনৈতিকভাবে পরাজিত হয়েছেন। রাজনৈতিকভাবে পরাজিত হয়ে পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ও আদালতের আশ্রয় নিচ্ছেন।

রাষ্ট্রের কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খৱা বাহিনীকে ব্যবহার করে, জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে টিকে থাকার কোনো সুযোগ নেই মন্তব্য করে বিএনপির এই নেতা বলেন, কেউ স্বাধীনতা যুদ্ধে পারেনি, ভাষা আন্দোলনে পারেনি, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনেও পারেনি। আজকেও পারবে না।

গত ১৫ বছরে আওয়ামী লীগ সরকার ১০ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই কারণে আজকে কাঁচামাল আমদানির জন্য টেক্সটাইল মিলের মালিকরা এলসি খুলতে পারছেন না। আওয়ামী লীগের লুটেরারা বিদেশে কিভাবে সম্পদ কিনছেন, তার একটি পূর্ণ বিবরণ আজকে গণমাধ্যমে এসেছে। দেশের টাকা বিদেশে পাচার করার কারণে আজকে রিজার্ভ শূন্যের কোটার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, আজকে টেক্সটাইল মিলগুলো গ্যাসের অভাবে পোশাক উৎপাদন করতে পারছে না। তারা তিন শিফটের পরিবর্তে এক শিফটে কাজ করছে। গ্যাসের উচ্চমূল্য দিয়ে টেক্সটাইল মিল চালানো সম্ভব হচ্ছে না। যেই গার্মেন্টস সেক্টরকে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান গড়ে তুলেছিলেন, আজকে সেটা তারা (সরকার) ধ্বংসের পথে ঠেলে দিচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, আজকে মন্দির ভাঙচুর হচ্ছে, খ্রিস্টানদের চার্চে হামলা চলছে। খ্রিস্টানদের চার্চ তারা দখল করছে, বৌদ্ধদের মন্দিরে আগুন লাগানো হচ্ছে। কেউ রক্ষা পাচ্ছে না।

দেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা আজ প্রশ্নবিদ্ধ মন্তব্য করে তিনি বলেন, আজকে বিশ্ব গণমাধ্যমগুলো বাংলাদেশের গণমাধ্যমের অধিকার হরণ নিয়ে প্রতিনিয়ত রিপোর্ট করে যাচ্ছে। বাংলাদেশের মিডিয়ার স্বাধীনতার উপর যে হস্তক্ষেপ চলছে, সেটি পর্যবেক্ষণে রাখার জন্য গণতান্ত্রিক দেশগুলো একটি কমিটি নিযুক্ত করেছে।

তিনি বলেন, একটি দেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, মানবাধিকার, নির্বাচন, বাক স্বাধীনতা, আইনের শাসন কখন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণের অধীনে আসে? যখন সেই দেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, মানবাধিকার, আইনের শাসন, বাক স্বাধীনতা থাকে না, মানুষ ভোট দিতে পারে না। আজকে বাংলাদেশের প্রতিটি বিষয়ে দেশ ও দেশের বাইরে থেকে নিবিড় পর্যবেক্ষণ চলছে।

খসরু বলেন, গণমাধ্যমের উপর যে হস্তক্ষেপ এটি আজকে বিশ্ব নজরে এসেছে। একটি সময় আসবে বাংলাদেশে গণমাধ্যম বলে কিছু থাকবে না। সাংবাদিকদের কোনো ভূমিকা থাকবে না। এর বিরুদ্ধে আমাদের রুখে দাঁড়াতে হবে।

জেটেব সভাপতি মো: ফখরুল আলমের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুস সালাম, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি কাদের গণি চৌধুরী প্রমুখ।

 

চয়েস বাস কি এখন কেউ ‘চয়েস’ করে!

 

মনিরুল হোসেন টিপু »

চয়েস বাস নিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ অনেক প্রতিবাদ, লেখালেখি হচ্ছে কিন্তু অবস্থার কোন পরিবর্তন দেখি না। এটি নিয়ে কার্যকর কোন উদ্যোগও চোখে পড়ে না। চট্টগ্রাম-বারৈয়ারহাট রুটে চয়েস বাস এখন যাতায়াতে কারো মেইন চয়েসে নেই। লক্কর-ঝক্কর ফিটনেসবিহীন গাড়ি, ভাঙা আর অত্যধিক ছোট সিট, যেখানে সেখানে বিরতি, পাম্পে তেল নেয়া আর পথিমধ্যে প্রায়ই গাড়ি বিকল হওয়া; সবমিলিয়ে চয়েস বাসের সার্ভিস নিয়ে এই রুটের যাত্রীরা একেবারেই বিরক্ত।

আর সবচেয়ে বড় ব্যাপার হলো মাত্রাতিরিক্ত ভাড়া। একই রুটে যেখানে লোকাল গাড়ি ভাড়া নেয় ৮০ টাকা; এবং দূরপাল্লার ভালো মানের বাসগুলো ভাড়া নেয় ১০০ টাকা সেখানে চয়েসের ভাড়া ১৩০ টাকা যা সার্ভিসের তুলনায় অনেক গুন বেশি।

এসব বিবেচনায় চয়েসকে বর্জন করাই আমার মনে হয় আসল সমাধান। শুক্রবার ছাড়া চয়েসের যাত্রী এখন খুবই কম। প্রতিদিন যারা এই রুটে অফিসে যাতায়াত করেন তেমন কেউই এখন চয়েসে উঠেন না। আস্তে আস্তে চাহিদা হারিয়ে চয়েস এমনিতেই হারিয়ে যাবে; যদি এর সেবা আর গাড়ির মান উন্নত না করে।

লোকাল বাসে যেতে চাইলে সকালে যারা অফিসে যান, সিডিএম ১৫ মিনিট পর পর গাড়ি ছাড়ে৷ ৮০ টাকায় বারৈয়ারহাট, ৭০ টাকায় মিরসরাই যাওয়া যায়। তবে সিডিএম থেকে এখন ভালো সার্ভিস দেয় ব্রাহ্মণবাড়িয়া রুটের গাড়িগুলো। শাপলা, শাহ আমানত এই দুইটা গাড়ি বেশ ভালো, দ্রুত যায়। হিলশা গাড়িও বেশ ভালোই টানে, যেটি একে খান সাড়ে আটটার আগে পরে পাওয়া যায়। আরো দ্রুত যেতে চাইলে প্রান্তিক, জোনাকি, সৌদিয়া, এস আলমে যেতে পারেন। গ্রাম বাংলা, তিশা প্লাস আর স্টার লাইনে উঠবেন খুব বেশি লেইট হয়ে গেলে; এরা ১৩০-১৭০ টাকার মধ্যে ভাড়া নেয়। হানিফ, শ্যামলি, এনা বাঁধন এরা বিভিন্ন কাউন্টারে দেরি করে সকালে।

বিকেলে অফিস শেষ করার পথে একটু চালাক হলে আরামসে ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে শহরে যাওয়া যায়। স্টেশন এর একটু সামনে বা পেছনে থাকলে উঠা যায়। তবে ওরা চেকারকে এভয়েড করতে চায়, তাই স্টেশনে থামে না।ঐ সময়টায় সিডিএমে না উঠা ভালো, অনেক সময় সিট পাওয়া যায়না৷ নিউ মুক্তা, শাপলা, দিগন্ত, খাজা বৈশাখী গাড়িগুলো কদমতলী যায়৷ জোনাকি, শাহী বড়পোল যায়। বিআরটিসির এসি বাসও এসময়টায় পাওয়া যায়।
তবে একটা জিনিস খারাপ লাগে, মাঝে মাঝে যাত্রীরা ভীষণ ক্ষেপে যায় বাসের স্টাফদের সাথে। তখন নিজের কাছে লজ্জা লাগে, কিন্তু কিছুই করার নেই। সময় সাশ্রয় আর আরামের জার্নির জন্য উঠতে হয়।

চয়েস বাসে এখন মানুষ উঠে ঠেকায় পড়ে, যদি অন্য গাড়ি না পায়। আর নয়তো যদি অতিরিক্ত গাট্টি গোট্টা থাকে। এটা হয়ে গেছে মালবাহী কাম যাত্রীবাহী বাস।

চয়েসের বিকল্প আমার মতো অসংখ্য মানুষ তৈরি করে নিয়েছে, সামনেও অনেকেই বিকল্প তৈরি করে নেবে।এই রুটে যাত্রী ক্রমেই বাড়ছে কিন্তু চয়েসের যাত্রী ক্রমান্বয়ে কমছে। এভাবে চলতে থাকলে চয়েসের চাহিদা হারাতে হারাতে একেবারেই হারিয়ে যাবে। চয়েসের বরং নিজেদের অস্তিত্ব টিকেয়ে রাখার জন্য ভাড়া কমানো আর ভালো সার্ভিস দেয়া জরুরি।

মিরসরাই বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন

মিরসরাই প্রতিনিধি ::
মিরসরাই বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়ালেখার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সুপ্ত মেধা বিকাশের লক্ষ্যে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আয়োজন করেছে দুদিনব্যাপী ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা
বুধবার (৮ জানুয়ারি) শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজিম উদ্দিন ভুইয়ার সভাপতিত্বে এবং বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা দিল আফরোজ বেগমের সঞ্চালনায় উদ্বোধক হিসেবে ছিলেন মিরসরাই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির খান।
বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) ২য় দিন স্কুল প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী বিভিন্ন ইভেন্টে স্কুল শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। রাত ৮টায় শুরু হয় পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান। এ সময় বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা বিলকিছ আক্তারের সঞ্চালনায় ও বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি মো: সেলিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে ছিলেন মিরসরাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহফুজা জেরিন, মিরসরাই পৌরসভা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাফর উদ্দিন, বিদ্যালয়ের অভিভাবক সদস্য জহুরাল নাথ, লিটন পাল, মো: আলমগীর, নুরুল হুদা ও মনোয়ারা বেগম।

সর্বশেষ ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় ৩৭ টি ইভেন্টে অংশগ্রহনকারী বিজয়ীদের হাতে পুরষ্কার তুলে দেন অতিথিবৃন্দ। এছাড়া নৃত্য প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী সকল প্রতিযোগিদের বিশেষ পুরষ্কার দেয়ার ঘোষণা দেন বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি আলহাজ¦ মো: সেলিম উদ্দিন।

বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি মো: সেলিম উদ্দিন বলেন, শিক্ষার্থীদের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক চর্চায় সুপ্ত বিকাশের লক্ষ্যে এটি বাৎসরিক ধারাবাহিক কার্যক্রম। অভিভাবকদের উদ্দেশ্য তিনি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ব্যাপারে আরো দায়িত্বশীল হওয়ার আহবান জানান।

 

মিরসরাইয়ে ৩ মাদক ব্যবসায়ি গ্রেফতার

মিরসরাই প্রতিনিধি :::
মিরসরাইয়ে দুই হাজার ১’শ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক ব্যবসায়িকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০ টায় উপজেলার ওয়াহেদপুর ইউনিয়নের হাদি ফকিরহাট বাজার এলাকায় ঢাকামুখী একটি যাত্রীবাহী বাসে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এইসময় তাদের সাথে থাকা ব্যাগে অভিযান চালিয়ে দুই হাজার ১’শ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত ইয়াবা ব্যবসায়ীরা হলেন, কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানার মুন্ডার ডেইল এলাকার ফজল আহমদের পুত্র মো. ছৈয়দ হোছাইন (৪৪), কুতুবুনিয়া এলাকার ৭ নং ওয়ার্ডের মতিউর রহমানের পুত্র মো. হোসাইন (২৮) ও সাবরাং এলাকার খুইল্লা মিয়ার পুত্র মো. শামছুল আলম(৪৪)।

মিরসরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কবির হোসেন বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার হাদি ফকির এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুই হাজার ১’শ পিস ইয়াবাসহ তিনজন ইয়াবা ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক মূল্য ৬ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা। একইদিন বিকালে আদালতের মাধ্যমে তাদের জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

ওসি আরও বলেন, গ্রেফতার তিনজন ইয়াবা ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম শহরের সিএমপির বায়েজিদ বোস্তামি থানা, বাঁশখালী ও সীতাকুণ্ড মডেল থানায় একাধিক মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রয়েছে। তারা কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাপ এলাকা থেকে ইয়াবা নিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম শহরে বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করতো বলে জানা গেছে।

সাগর-রুনি হত্যার প্রতিবেদন দ্রুত দিতে র‌্যাবকে নির্দেশ দেওয়া হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন দ্রুত দিতে র‌্যাবকে নির্দেশনা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

দ্রুত সাগর-রুনি হত্যার বিচারের দাবিতে বৃহস্পতিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে স্মারকলিপি দেন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) নেতারা। স্মারকলিপি গ্রহণের পর সচিবালয়ে নিজ কক্ষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান মন্ত্রী।

 

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘ডিআরইউর স্মারকলিপি আমি র‌্যাবের ডিজিকে এখনই পাঠিয়ে দিচ্ছি। তাড়াতাড়ি একটা কিছু যেন তারা জানান, সেই নির্দেশনা তাদের দেওয়া হবে। আমরা চেষ্টা করছি, রহস্য উদঘাটনের। সাংবাদিক নেতাদেরও বলেছি, আপনাদের কাছেও যদি কোনো তথ্য থাকে, সেগুলো আমাদের জানালে আমরা সেটিও দেখবো।’

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সাগর-রুনি হত্যার বিচারের দাবিতে ডিআরইউ আমাকে স্মারকলিপি দিয়েছে। বিচার তো আমরা করতে পারবো না, আমরা তদন্ত রিপোর্ট দিতে পারবো। চেষ্টা করছি, অনেক বছর তো হয়ে গেছে। আমরাও চাই এ রহস্য উন্মোচিত হোক। উদীয়মান দুই সাংবাদিক, যাদের অনেক প্রতিভা ছিল, তারা দেশকে অনেক কিছু দিতে পারতেন। তারা আমাদের মধ্য থেকে চলে গেছেন। আমরাও চাই কেন এ হত্যাকাণ্ড হয়েছে, সেটি উদঘাটন করতে।’

 

এদিকে, মন্ত্রীকে দেওয়া ডিআরইউ-এর স্মারকলিপিতে বলা হয়, ক্ষোভ ও দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সদস্য মাছরাঙা টেলিভিশনের সাবেক বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার ও এটিএন বাংলার সিনিয়র রিপোর্টার মেহেরুন রুনি হত্যাকাণ্ডের এক দশক পেরিয়ে গেলেও হত্যাকারীদের এখনো শনাক্ত ও গ্রেফতার করা হয়নি। ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ভোরে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে নিজ বাসায় তাদের শিশুসন্তানের সামনে নির্মমভাবে খুন হন এ সাংবাদিক দম্পতি।

‘তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে খুনিদের গ্রেফতার করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় ১১ বছর পেরিয়ে গেলেও তদন্তে কোনো ধরনের অগ্রগতি নেই। এমনকি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আদালত থেকে ৯৫ বার সময় নেওয়া হয়েছে। বিচার না পেয়ে সাগর-রুনির পরিবারে ও গোটা সাংবাদিক সমাজে তৈরি হয়েছে ক্ষোভ ও হতাশা। কিছুদিন আগে পরলোকগমন করেছেন মেহেরুন রুনির মা নুরুন্নাহার মির্জা। এখনো বিচারের আশা ছাড়েননি সাগর সরওয়ারের বয়োবৃদ্ধ মা সালেহা মুনির এবং এ দম্পতির একমাত্র ছেলে মাহির সরওয়ার মেঘ।’

এতে আরও বলা হয়, ‘যে কোনো হত্যার বিচার পাওয়া নাগরিকের অধিকার। রাষ্ট্রের দায়িত্ব নাগরিকের সেই অধিকার নিশ্চিত করা। আমরা দেখেছি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বড় বড় হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন করেছে। অপরাধীদের বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে। সাগর-রুনি হত্যার কোনো কূলকিনারা তারা করতে পারবেন না- এটা আমরা বিশ্বাস করি না। তাই আর কালক্ষেপণ না করে দ্রুততম সময়ে সাগর-রুনি হত্যা মামলার সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রকৃত খুনিদের মুখোশ উন্মোচনের জন্য ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির পক্ষ থেকে জোর দাবি জানাচ্ছি। অন্যথায় আমরা আবারও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবো। এ হত্যার বিচার না পাওয়া পর্যন্ত ডিআরইউ দাবি থেকে সরে যাবে না।’

 

এসময় ডিআরইউ-এর সভাপতি মুরসালিন নোমানী, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল, দপ্তর সম্পাদক কাওসার আজম ও কার্যনির্বাহী সদস্য ইসমাইল হোসাইন রাসেল উপস্থিত ছিলেন।

 

জোরারগঞ্জ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের অনুষ্ঠানে করিম মাষ্টার- ‌বাংলাদেশ এখন বিশ্বের বুকে রোল মডেল

মিরসরাই প্রতিনিধি
শতবর্ষী বিদ্যাপীঠ মিরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে । ৭ ও ৮ ফেব্রুয়ারি দুইদিন ব্যাপী বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের প্রথম দিন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় ৩৬টি ইভেন্ট ও দ্বিতীয় দিন ২৪টি ইভেন্টে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টায় বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সাইফুল আলমের সভাপতিত্বে ও শিক্ষিকা কেয়া চক্রবর্ত্তী, শিক্ষক নিতাই চন্দ্র দাশ ও ফজলুল করিমের যৌথ সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ¦ রেজাউল করিম মাষ্টার ।

প্রধান অতিথি রেজাউল করিম মাষ্টার তার বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশ এখন বিশে^র মধ্যে রোল মডেল। প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে সরকার মেয়েদের উপবৃত্তি চালু রেখেছে। মিরসরাই উপজেলা সহ সারাদেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বড় বড় একাডেমিক ভবন নির্মাণ করেছে। শুধু শিক্ষাক্ষেত্রে নয়, সামগ্রীকভাবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ব্যাপক উন্নয়ন কর্মযজ্ঞ চলছে। কিন্তু বিএনপি-জামায়াত এসব উন্নয়ন চোখে দেখেনা। তারা শুধু সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার নিয়ে ব্যস্ত। তাই আগামী নির্বাচনেও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকতে নৌকা প্রতিকে ভোট দেওয়ার জন্য সকলকের প্রতি আহবান জানান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি শ্যামল দেওয়ানজী, জোরারগঞ্জ মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মাঈন উদ্দিন, মিরসরাই উপজেলা আওয়ামীলীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আবু তাহের, জোরারগঞ্জ বৌদ্ধ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক সুভাষ সরকার, জোরারগঞ্জ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সামশুল হক, নবনির্বাচিত সদস্য মেজবা উল আলম বাবুল, হারুনুর রশীদ, বিপুল তফাদার, শহীদুল ইসলাম, প্রিয়াংকা হাজারী, সাবেক সদস্য নাজিম উদ্দিন ভূঁইয়া, জিয়াউল হক টিপু, দিদারুল আলম, বংশী চন্দ্র নাথ প্রমুখ ।

অনুষ্ঠানে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় ৬০টি ইভেন্টে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ, সেরা শিক্ষক হিসেবে ২০১৮ সালে নিতাই চন্দ্র দাশ, ২০১৯ সালে তারেক নিজামী ও বিউটি আক্তার এবং ২০২২ সালের সেরা শিক্ষক হিসেবে মোঃ মাসুদকে ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সাবেক ও বর্তমান সভাপতি, পরিচালনা কমিটির সদস্যবৃন্দকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয় ।

 

 

এইচএসসিতে পাশের হার ৭৩.৮৪%, আলিমে ৯৭.৯২%-মিরসরাইয়ে সেরা মহাজনহাট এফ আর কলেজ

মিরসরাই প্রতিনিধি
২০২২ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় মিরসরাই উপজেলায় পাসের হার ৭৩.৮৪% শতাংশ এবং আলিম পরীক্ষায় পাসের হার ৯৭.৯২% শতাংশ। উপজেলায় এইচএসসিতে জিপিএ ৫ পেয়েছে ২৯৬ জন ও আলিমে জিপিএ ৫ পেয়েছে ১৮ জন।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে উপজেলায় প্রথম হয়েছে মহাজনহাট ফজলুর রহমান স্কুল এন্ড কলেজ। এই কলেজ থেকে ৫৬৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাশ করেছে ৫৬৫ জন। পাশের হার শতকরা ৯৯.৬৫%। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৭৪ জন। দ্বিতীয় হয়েছে প্রফেসর কামাল উদ্দিন চৌধুরী কলেজ। এই কলেজ থেকে ২৪০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাশ করেছে ২৩৫ জন। পাশের হার শতকরা ৯৭.৯২%। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৫ জন।
এদিকে আলিম পরীক্ষায় উপজেলা পর্যায়ে সেরা হয়েছেন আবুতোরাব ফাজিল মাদরাসা। এই প্রতিষ্ঠান থেকে ৬০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাশ করেছে শতভাগ। জিপিএ-৫ পেয়েছে-২ জন। দ্বিতীয় হয়েছে সুফিয়া নূরিয়া ফাজিল মাদরাসা। এই প্রতিষ্ঠান থেকে ৩৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাশ করেছে ৩৯ জন। পাশের হার শতকরা ১০০%। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ জন।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির খান বলেন, এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় পাশের হার শতকরা ৭৩.৮৪% এবং সমমান পরীক্ষায় (আলিম) পাশের হার শতকরা ৯৭.৯২%। এইচএসসিতে ২ হাজার ৬’শ ২৭ জন শিক্ষার্থী পরিক্ষায় অংশ নিয়ে পাশ করেছে ১ হাজার ৯’শ ৪০ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৯৬ জন। সর্বোচ্চ মহাজনহাট ফজলুর রহমান স্কুল এন্ড কলেজ। এই কলেজ থেকে ১৭৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। এছাড়া সমমান (আলিম) পরিক্ষায় ৩’শ ৩৭ শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাশ করেছে ৩’শ ৩০ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৮।

 

মিরসরাইয়ে দারুল হুদা মহিলা মাদরাসা উদ্বোধন

মিরসরাই প্রতিনিধি
মিরসরাইয়ে দারুল হুদা মহিলা মাদরাসার উদ্বোধন করা হয়েছে। মাদরাসা হল রুমে দোয়া মোনাজাতের মধ্যদিয়ে মাদরাসা উদ্বোধন করেন ফেনী জামেয়া রশিদিয়া মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মাওলানা মুফতি শহীদুল্লাহ। এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দারুল হুদা মহিলা মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ¦ জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আবুতোরাব ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ শফিকুল ইসলাম নিজামী, জামালপুর আজিজিয়া হাফেজুল উলুম মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা মকসুদ আহম্মদ, আবুরহাট মুনিরুল ইসলাম মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা শহীদুল ইসলাম, মসজিদিয়া ইউনুছিয়া ইসলামিয়া নয়দুয়ারিয়া মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা জাফর উল্লাহ, পূর্ব মায়ানী মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা আব্দুল হালিম, মোবারকঘোনা মাদরাসার মুহাতামিম মাওলানা ওলি উল্লাহ, বায়তুন নূর মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা আবুল কালাম, তালিমুল কোরআন মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা সাইফুল ইসলাম, মস্তাননগর মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা নুরুল আলম, সমাজসেবক গিয়াস উদ্দিন প্রমুখ।

উল্লেখ্য, মিরসরাই উপজেলার ৯ নং মিরসরাই সদর ইউনিয়নের তালবাড়ীয়া ওয়ার্লেস বিসিক শিল্পনগরী এলাকায় উদ্বোধন হওয়া এই মাদরাসায় হিফজ, নাজেরা, নুরানী ও কিতাব বিভাগ চালু রয়েছে। কিতাব বিভাগে ৪র্থ শ্রেণী থেকে পর্যায়ক্রমে দাওয়ারে হাদিস পর্যন্ত চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে মাদরাসা কর্তৃপক্ষের। এছাড়া ভবিষ্যতে বয়স্ক মহিলাদের কোরআন ও কারিগরি শিক্ষা চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে।

 

 

তুরস্ক-সিরিয়ায় নিহতের সংখ্যা ৫ হাজারের কাছাকাছি

 

 

তুরস্ক ও সিরিয়ায় ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৮০০ জনে। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েব এরদোয়ান ৭ দিনের শোক পালনের ঘোষণা দিয়েছেন। অপরদিকে, যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়া এবার জাতিসংঘের কাছে ভূমিকম্পের জন্য সহায়তা চাইছে।

সোমবার ভোরে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার ভূ-কম্পন, তারপর ৭ দশমিক ৬ মাত্রার এবং বেশ কয়েকটি আফটারশকে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে সিরিয়ার একটি অঞ্চল। ১২ বছরের গৃহযুদ্ধের শিকার সিরিয়ায় আবারও দেখা দিয়েছে মানবিক বিপর্যয়। এখনও ধ্বংসস্তূপে চলছে উদ্ধার কাজ। নিখোঁজ স্বজনদের খোঁজে স্বজনদের আহাজারি যেন থামছেই না।

 

তীব্র ঠান্ডার মধ্যে উদ্ধারকারীরা মঙ্গলবারও অনুসন্ধান চালাচ্ছে তুরস্কের বিধ্বস্ত অন্তত ১০টি শহরে। আটকে পড়া লোকজনদের অনেকে ধ্বংসস্তূপের পাহাড়ের নীচে থেকে সাহায্যের জন্য চিৎকার করছে, এমন খবরও মিলছে।

 

তুরস্কের দুর্যোগ ও জরুরি ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (এএফএডি) এক কর্মকর্তা ওরহান তাতার মঙ্গলবার সকালে মৃতের সংখ্যা ৩ হাজার ৩৮১ বলে জানান। তিনি আরও জানান, আহত হয়েছেন আরও ২০ হাজার ৪২৬ জন। তাতার জানান, পাঁচ হাজার ৭০০টিরও বেশি ভবন ধ্বংস হয়েছে।

সিরিয়ায় এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ১ হাজার চারশ ৪৪ জন। আহত হয়েছেন আরও ৩ হাজার ৫০০ জন। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও উদ্ধারকারী হোয়াইট হেলমেট টিম জানিয়েছে এ তথ্য।

 

শীতকালীন আবহাওয়া ও বিধ্বস্ত অঞ্চলে তুষারপাতের কারণে ভূমিকম্পে আহত ও গৃহহীন হয়ে পড়া হাজার হাজার মানুষের দুর্দশা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে উদ্ধার কার্যক্রম।

সোমবার স্থানীয় সময় ৪টা ১৭ মিনিটে এ ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হানে, যখন দেশটির প্রায় সব মানুষ গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। মার্কিন ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা বলছে, তুরস্ক, সিরিয়া, সাইপ্রাস, লেবানন, ইসরায়েল ও মিশরেও অনুভূত হয় ভূমিকম্প। ৭ দশমিক ৫ মাত্রার কম্পনসহ শতাধিক আফটারশক আঘাত হানে তুরস্কে। এসব আফটারশকের ধারাবাহিকতা ২০ বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ ছিল।

 

মিরসরাইয়ে অস্ত্র মামলার আসামি গ্রেফতার

 

মিরসরাই প্রতিনিধিঃ

মিরসরাইয়ে অস্ত্র মামলার পরোয়ানা ভুক্ত আসামি মো: সবুজকে গ্রেফতার করেছে থানার পুলিশ। গত রবিবার দিবাগত রাতে উপজেলার মিরসরাই সদর ইউনিয়ন থেকে এএসআই মাসুদুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে তাকে আটক করা হয়।

সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে আসামিকে চট্টগ্রাম আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। সে উপজেলার সদর ইউনিয়নের শ্রীপুর গ্রামের আবু তাহের এর পুত্র।

বিষয়টি নিশ্চিত করে মিরসরাই থানার অফিসার ইনচার্জ কবির হোসেন জানান, আটক সবুজ ২০০৭ সালের অস্ত্র মামলার পরোয়ানা ভুক্ত আসামি। চলতি বছর তার ১০ বছরের সাজা হয়।