শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Home Blog Page 685

বক্তব্যে দাপট থাকলেও চেহারায় ছিল অন্যমনস্কতা ও দুশ্চিন্তার ছাপ’

 


নিজস্ব প্রতিবেদক 

সরকার পতনের মহালগ্ন উপস্থিত হয়েছে জানিয়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, দেশের ভোটারদের ধর্মীয় সম্প্রদায়ের ভিত্তিত্বে ভাগ করে ফায়দা লুটার অভিনব চক্রান্ত শুরু করেছে আওয়ামী মন্ত্রী ও নেতারা। কিন্তু আর কোনো উপায় নেই। সরকারকে ক্ষমতা ছাড়তেই হবে। প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্যে দাপট থাকলেও চেহারায় ছিল অন্যমনস্কতা ও দুঃশ্চিন্তার ছাপ। তবে আমরা সুস্পষ্টভাবে আবার জানিয়ে রাখি, গণদাবি উপক্ষো করলে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হবে।

আজ মঙ্গলবার সকালে নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব বলেন। এসময় বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, মীর সরফত আলী সপু, অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, মো: মুনির হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

দেশব্যাপী আবারো মিথ্যা মামলা দিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের গ্রেফতার ও হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন রিজভী।

‘জাতীয় ঐক্যের নামে সাম্প্রদায়িক চক্রান্ত হচ্ছে, বিএনপি ক্ষমতায় আসলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হবে’ ওবায়দুল কাদেরের এমন বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় রিজভী বলেন, আকস্মিকভাবে সাম্প্রদায়িক বিভাজনের আওয়ামী নেতার বক্তব্য অশুভ চক্রান্তের ইঙ্গিতবাহী। আবহমান বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিকে বিনষ্টকরে সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির মাধ্যমে ঘোলাপানিতে মাছ শিকার করতে নেমে পড়েছেন ওবায়দুল কাদের গং।

রিজভী বলেন, জনসমাজে সাম্প্রদায়িক ঐক্য যখন অটুটবন্ধনে গ্রোথিত, তখন ওবায়দুল কাদেরের আচমকা সাম্প্রদায়িকতা টেনে আনা দেশের মানুষকে পরিকল্পিত বিভাজনের দিকে ঠেলে দেয়ার এক গভীর চক্রান্ত। শান্তি ও সহবস্থানের মধ্য দিয়ে ধর্ম, বর্ণ, ভাষা নির্বিশেষে জণগনের নির্বিঘ্নে বসবাসের ওপর ওবায়দুল কাদের বক্তব্য মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করার শামিল। ক্ষমতার মোহে মশগুল হয়ে আওয়ামী নেতারা মনের বিকারে প্রলাপ বকতে গিয়ে এখন সাম্প্রদায়িকতাকে সামনে নিয়ে আসছে। তারা ক্ষমতায় থাকার জন্য রাষ্ট্র সমাজের স্থিতিকে ভেঙ্গে ফেলতে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।

রিজভী বলেন, ওবায়দুল কাদের সাম্প্রদায়িক হামলার আশঙ্কা করছেন কেনো? তাহলে কি তারাই সাম্প্রদায়িক হামলা করে কোনো রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিল করবেন কিনা এ প্রশ্ন জনগণের মধ্যে দীর্ঘতর হচ্ছে। এখনো বর্তমান সংবিধানে যতটুকু ধর্মীয় সম্প্রদায়ের অধিকার আছে অর্থাৎ সংবিধানের ২৮ অনুচ্ছেদে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার সম্বলিত যে বিধান সংরক্ষিত আছে ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্য সেই অধিকারকেও বিপন্ন করার উস্কানি।

তিনি বলেন, জনবিচ্ছিন্ন সরকার ধর্মীয় উস্কানি দিয়ে সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চাচ্ছেন। কাদের সাহেবকে পরিস্কার বলতে চাই- কোনো প্রকার উস্কানি দিয়ে লাভ হবে না। এদেশের সকল ধর্মীয় সম্প্রদায় অটুট ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে ঐক্যবদ্ধ। বরং শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর থেকে মন্দির গীর্জা ও প্যাগোডায় সবচেয়ে বেশী আক্রমণ হয়েছে। তার আমলেই সংখ্যালঘুরা সবচেয়ে বেশী নির্যাতিত ও নিরাপত্তাহীন। তাদের ব্যক্তিগত, সাংগঠনিক ও ধর্মীয় সম্পত্তির ওপরও আওয়ামী লীগ ও যুবলীগ-ছাত্রলীগের লোকেরা হামলা করেছে। আওয়ামী লীগের লোকেরাই তাদের ঘর-বাড়ি জায়গা জমি দখল করেছে, আগুন দিয়ে মন্দিরসহ তাদের উপাসনালয় জ্বালিয়ে দিয়েছে। আওয়ামী লীগ ধর্মীয়সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর খুন, জখম, ধর্ষণ,অত্যাচারের বর্বরোচিত পৈশাচিকতা আওয়ামী লীগের শাসন আমলেই ঘটে, আওয়ামী লোকজনদের দ্বারাই। আওয়ামী এ আমলেও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার অনেক ঘটনা এখনো রহস্যজনক।

রিজভী বলেন, কয়েকবছর আগে একটি বেদনাদায়ক ঘটনা ব্লগার অভিজিৎ হত্যাকান্ড। ঢাকা বিশ্বদ্যিালয়ে পুলিশের উপস্থিতির ১০ গজের মধ্যে এ হত্যাকান্ড ঘটে। সে সময় বই মেলা চলায় সারা বিশ্ববিদ্যালয় নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা ছিল। তাহলে কিভাবে অভিজিৎ রায় খুন হলেন। এর দায়তো সরকারের। এবাবে পুরোহিত, গীর্জার ধর্মীয়যাজকসহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ধর্মগুরুদের হত্যা করা হয়েছে-যার রহস্য আজো উদঘাটিত হয়নি। হীনউদ্দেশ্য নিয়েই ওবায়দুল কাদের গং সাম্প্রদায়িক বিভাজনের জিকির তুলছেন।

‘বিএনপি ক্ষমতায় আসলে এক লাখ মানুষকে হত্যা করা হবে’ বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের এই মন্তব্যের জবাবে রিজভী বলেন, এ তথ্য কোন পরিসংখ্যান ব্যুরো থেকে সংগ্রহ করেছেন তোফায়েল আহমেদ-এটি জানতে জানতে চায়। এ তথ্যের উৎস কি হাসানুল হক ইনু, না সজিব ওয়াজেদ জয় ? এক লাখ লোক মারা যাওয়ার আশংকা করছেন কেনো তোফায়েল আহমেদ? আপনাদের কোন অপকর্মের কারণে আপনাদের এ আশঙ্কা করছেন? বিএনপিতো এর আগে অনেকবার ক্ষমতায় এসেছে কিন্তু কোথাওতো রক্ত ক্ষরণের কোনো দৃষ্টান্ত নেই।

রিজভী আরো বলেন, আপনাদের কোন অপরাধের কারণে এত ভয় পাচ্ছেন? আপনাদের এলাকায় বিএনপি নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা ঘরবাড়ি ছেড়ে দোকান পাট, গরু ছাগল বিক্রি করে ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরে মানবেতর জীবন যাপন করছে। বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের দেখামাত্র আওয়ামী লীগ হামলা করে, জখম করে। বিরোধী দল ও মতের যে কোন ব্যক্তিই ভোলা এলাকায় বসবাস করতে পারছে না।

বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, নিজেদের অপকর্মের প্রতিশোধ হতে পারে এ আশঙ্কায় কি তোফায়েল আহমেদরা মানুষ হত্যার কাল্পনিক তথ্য দিচ্ছেন? আসলে ভবিষ্যতে ব্যাপক হত্যার ভীতি ছড়িয়ে জনসমাজে আতঙ্কজনক পরিস্থিতি তৈরি করছেন। বিরোধী দল দমনে আওয়ামী নেতা-কর্মীদের উজ্জীবিত করছেন?

তিনি আরো বলেন, বিএনপি প্রতিহিংসা প্রতিশোধের রাজনীতি করে না। বিএনপির সময়ই মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে পেরেছে। এ ধরণের গুজবের বিষয়ে বাংলাদেশের জনগনকে সতর্ক ও সজাগ।

বিএনপির শীর্ষ এই নেতা অভিযোগ করে বলেন, দেশব্যাপি আবারো নতুন করে বিশেষ ক্ষমতা আইনে অথবা নিজেরাই নাশকতার মতো ঘটনা ঘটিয়ে বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগি সংগঠনের নেতা-কর্মীদের নামে মামলা দিয়ে নির্বাচারে গ্রেফতার করা হচ্ছে। গত কয়েক দিনে প্রায় ৪ শতাধিক নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সরকার আতঙ্কে ভুগছে। গুম. খুন, বিচারবর্হিভূত হত্যা, দুর্নীতি দুঃশাসনের কাদায় আটকে পড়ে এখন বিএনপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও গ্রেফতারের মাধ্যমে মরণ কামড় দিচ্ছে। পুরোনো মামলা চালু করা এবং নাশকতার অভিযোগ এনে দেশব্যাপি মামলা জড়ানো হয়েছে নেতা-কর্মীদের। অভিযোগের ধরণ একই রকম। সুতরাং মামলাগুলি যে পরিকল্পিত সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

রিজভী বলেন, কুষ্টিয়ার দৌলতপুর থানা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুল বারী, প্রভাষক আকরাম হোসেন, মহসীন আলী, খলিসাকুন্ডি ইউনিয়ন বিএনপির মহসীন আলী, যুবদলের প্রভাষক আসাদুল হক, খলিলুর রহমান, স্বেচ্ছাসেবক দলের মোঃ আকতারুল হক মাস্টার, ছাত্রদলের ফজলুল হক রানা, কৃষক দলের সাইদুল হক, ছাত্রদলের সাইফুল হক, আসাদুজ্জামান রুমন, রিজভী আহাম্মেদ, সহ ৫০ জনের অধিক নেতাকর্মীকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

এছাড়া ৫৫ জনকে আসামী করে দুইটি মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। ঢাকা মহানগরীর কদমতলী থানায় সাবেক এমপি সালাহউদ্দিন আহমেদ, তানভীর আহমেদ রবিন, আনোয়ার হোসেন মজুমদার, আবু নাসের ফকির, জাফর আহমেদ বাবুল তালুকদার, সুমন আহমেদ, রাকি সরদারসহ ৬০/৬৫ জনের নামে মামলা হয়েছে। শ্যামপুর থানায় তানভীর আহমেদ রবিন, মোঃ শাহ আলম, হাফিজুর রহমান, মোঃ শওকত, মোঃ জুয়েল, মোজাম্মেল হকসহ ৯৮ জনের নামে মিথ্যা মামলা দিয়েছে পুলিশ।

ডেমরা থানায় মোফাজ্জল হোসেন, হাফেজ মাহবুব, মো: হানিফ, আজিজুর রহমান, হেলাল মেম্বার, আহাদুল্লাহ মিয়াসহ ১০৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। ওয়ারী থানায়ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার, বিএনপি নেতা লিয়াকত আলী মুক্তাসহ ২২৫ জনের নামে মামলা দিয়েছে পুলিশ। সুত্রাপুরের বিএনপি নেতা মন্টু আজিজ, আক্তারসহ ১৩ জনের নামে মামলা দিয়েছে পুলিশ। যাত্রাবাড়িতেও বিএনপি নেতা নবী উল্লাহ নবীসহ ৯৯ জনের নামে মামলা হয়েছে। তেজগাঁওয়ে যুবদল সভাপতি সাইফুল ইসলাম নীরব, থানা বিএনপির রুহুল আমিন ভূঁইয়া জাহাঙ্গীর, মোঃ হুমায়ুন কবির, মোঃ সোলেমান, মোঃ মনিরুজ্জামান মনির ও ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ সাখাওয়াত হোসেনসহ ৩০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।

এছাড়া বগুড়া জেলায় যুবদলের সভাপতি সিপার আল বখতিয়ার, শাহজাহানপুর উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আবুল বাশারসহ ৩৩ জনের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। বাগেরহাটের ফকিরহাট, ময়মনসিংহের ভালুকায় ১৫৫ জনের বিরুদ্ধে নাশকতামূলক মামলা দায়ের করেছে।

ময়মনসিংহ বিভাগে এ পর্যন্ত ২৮০০’র অধিক নেতাকর্মীদের নামে মিথ্যা ও বানোয়াট মামলা দায়ের করেছে। পাশাপাশি নেত্রকোনা জেলা, নড়াইল জেলা, রাজশাহী জেলা, নওগাঁ জেলা, ঝিনাইদহ জেলা, নারায়ণগঞ্জ জেলা, পিরোজপুর জেলা, সুনামগঞ্জ জেলার বিভিন্ন থানায় বিএনপির অসংখ্য নেতাকর্মীর নামে মিথ্যা মামলা দেয়া হয়েছে বলে রিজভী জানান।

সূত্র নয়া দিগন্ত

শেখ হাসিনার জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পেয়েছে : জরিপ

বাসস..

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনপ্রিয়তা উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশের ৬৬ শতাংশ নাগরিক প্রধানমন্ত্রীর প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি ৬৪ শতাংশ নাগরিক আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে।

ওয়াশিংটনভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইন্সটিটিউট (আইআরআই) পরিচালিত এক জরিপের ফলাফলে এ কথা বলা হয়। এবছরের ১০ এপ্রিল থেকে ২১ মে’র মধ্যে এই জরিপ পরিচালিত হয়। জরিপের প্রতিবেদনের একটি কপি গতকাল সোমবার বাসস পেয়েছে।

এতে বলা হয়, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের অর্থনীতি আশানুরূপভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। ৬২ শতাংশ নাগরিক মনে করেন অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় দেশ সঠিক পথে আছে। অর্থনৈতিক উন্নয়নে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন ৬৯ ভাগ নাগরিক। আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর ইনসাইট অ্যান্ড সার্ভের এক গবেষণা প্রতিবেদনে ৩০ আগস্ট এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনপ্রিয়তা বেড়েছে। ৬৬ ভাগ নাগরিকের কাছে জনপ্রিয় শেখ হাসিনা। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের প্রতি ৬৪ ভাগ নাগরিকের সমর্থন রয়েছে।

গবেষণা প্রতিবেদনের নোটে বলা হয়েছে, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বর্তমান সরকার। আর সে কারণেই ৬৮ ভাগ নাগরিক জননিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে সন্তুষ্ট। এর মধ্যে ৫৭ ভাগ মনে করছেন, সামনে জননিরাপত্তা ব্যবস্থার আরো উন্নতি হবে।

জরিপের ফলাফলে বলা হয়, সরকারি বিভিন্ন সেবা প্রদানের ক্ষেত্রেও জন সন্তুষ্টির পরিমাণ বেড়েছে। জনস্বাস্থ্য খাতে সরকারি সেবায় সন্তুষ্ট ৬৭ ভাগ মানুষ এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার বিষয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন ৬৪ ভাগ নাগরিক। এ ছাড়া সড়ক ও ব্রিজের উন্নয়নের প্রভাব নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন ৬১ ভাগ নাগরিক।

দেশের বর্তমান গণতান্ত্রিক আবহ নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন ৫১ ভাগ নাগরিক। পার্লামেন্টের কার্যক্রমের ওপর তাদের আস্থা রয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়। নাগরিকদের কাছে ভোট অধিকার প্রয়োগের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে ৮১ ভাগ জানায়, আগামী নির্বাচনে তারা ভোট প্রদান করবে যার মধ্যে ৫১ ভাগ দেশের বর্তমান গণতান্ত্রিক আবহের পক্ষে মত প্রদান করেন।

চলতি বছরের এপ্রিলের ১০ তারিখ থেকে ২১ মে পর্যন্ত এই পরিসংখ্যান চালানো হয়। সেখানে দেশের মোট জনসংখ্যাকে কিছু স্তরে ভাগ করে কয়েকটি পর্বে বাছাই করা হয় (মাল্টি স্টেজ স্ট্রেটিফাইড প্রবাবিলিটি স্যাম্পল) এবং তাদের সঙ্গে সরাসরি অথবা বাসায় (ইন পারসন/ইন হোম) ফোন করে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। গবেষণার জন্য স্তরগুলো দেশের বিভাগ ও জেলা এবং গ্রাম ও শহর হিসেবে ভাগ করে নেয়া হয়। এই গবেষণার জন্য ৫ হাজার মানুষের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয় যাদের বয়স ১৮ বা তার বেশি এবং আগামী নির্বাচনে ভোট দেয়ার অধিকার রাখেন।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিক ইন্সটিটিউট (আইআরআই)-এর গবেষণা প্রতিবেদনেও কাছাকাছি ফল পাওয়া যায়। ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে প্রকাশিত গবেষণা সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়, ৬৪ ভাগ নাগরিক মনে করে দেশ সঠিক পথে এগিয়ে যাচ্ছে।

২০১৫ সালে ব্রিটিশ কাউন্সিল, অ্যাকশন এইড বাংলাদেশ এবং ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের (ইউল্যাব) যৌথ আয়োজনে পরিসংখ্যানেও একই কথা বলা হয়।

প্রতিবেদন জানানো হয়, ৭৫ ভাগ তরুণের মতে বাংলাদেশ আগামী ১৫ বছরে আরো উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হবে এবং তাদের মধ্যে ৬০ ভাগ তরুণ মনে করেন দেশ সঠিক পথে এগিয়ে যাচ্ছে। এই গবেষণা প্রতিবেদনে আরো জানানো হয়, দেশের সবচাইতে জনপ্রিয় ও বিশ্বস্ত নেতা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে ৭২ দশমিক ৩ ভাগ নাগরিক দেশ পরিচালনায় শেখ হাসিনার পক্ষে ‘ভালো মত’ প্রকাশ করেন। এই প্রতিবেদনেই ২৬ দশমিক ৬ ভাগ নাগরিক দেশ পরিচালনায় খালেদা জিয়ার পক্ষে ‘ভালো মত’ প্রকাশ করেন।

২০১৫ সালে আইআরআই প্রকাশিত অপর এক জরিপ অনুসারে, ৬৭ ভাগ নাগরিক দেশ পরিচালনায় শেখ হাসিনার নেতৃত্বের ওপর আস্থা রাখেন।

কারাগারে বসবে বেগম জিয়ার মামলার আদালত

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

আলিয়া মাদ্রসার পরিবর্তে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার বিশেষ আদালত বুধবার বসবে পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে। কারণ এখানে বিএনপি চেয়ারপর্সন বেগম খালেদা জিয়া বন্দী আছেন। মঙ্গলবার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তবে একে ‘আইন পরিপন্থী’ বলেছেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া।

চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় মোট আসামি চারজন। খালেদা জিয়া ছাড়া অভিযুক্ত অপর তিন আসামি হলেন—খালেদা জিয়ার তৎকালীন রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছ চৌধুরীর তৎকালীন একান্ত সচিব জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান। এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে সাক্ষ্য দিয়েছেন মোট ৩২ জন।

২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা করা হয়।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় মামলাটি দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক হারুন-অর-রশীদ সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

এর আগে গত ৮ ফেব্রুয়ারি দুদকের দায়ের করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক ড. আখতারুজ্জামান। এ মামলায় খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমানসহ অন্য আসামিদের ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এ ছাড়া অর্থদণ্ডও করা হয়। রায়ের পর খালেদা জিয়া রাজধানীর নাজিমুদ্দিন রোডের পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারে সাজা ভোগ করছেন।

জাবালে নূরের বাস চাপায় দুই শিক্ষার্থী নিহতে এ সপ্তাহে চার্জশিট

নিউজ ডেস্ক..

শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার ঘটনায় জাবালে নূর বাসের মালিক সহ ছয়জনকে আসামি করে এ সপ্তাহে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দেয়া হবে। আজ সোমবার দুপুরে মিন্টো রোডে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের পুলিশের গোয়েন্দা শাখা ডিবির যুগ্ম কমিশনার আবদুল বাতেন সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

আসামিরা হলেন এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত তিন বাসের চালক মাসুম বিল্লাহ, জুবায়ের ও সোহাগ, দুই বাসচালকের সহকারী এনায়েত ও রিপন এবং দু্ই শিক্ষার্থীকে চাপা দেয়া বাসের মালিক শাহাদাত হোসেন।

গত ২৯ জুলাই দুপুরে রাজধানীর হোটেল র‍্যাডিসনের বিপরীত পাশের জিল্লুর রহমান উড়ালসড়কের ঢালের সামনের রাস্তার ওপর জাবালে নূর পরিবহনের তিনটি বাস রেষারেষি করতে গিয়ে একটি বাস রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা লোকজনের ওপর উঠে পড়ে। এতে দুই শিক্ষার্থী নিহত ও নয়জন আহত হয়। নিহত দুই শিক্ষার্থী হলো শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র আবদুল করিম ওরফে রাজীব (১৭) ও একাদশ শ্রেণির ছাত্রী দিয়া খানম মিম (১৬)।

তারেক রহমান আওয়ামী সরকারের আক্রোশের শিকার : ফখরুল

 

নিজস্ব প্রতিবেদক
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আওয়ামী লীগ সরকারের আক্রোশের শিকার বলে মন্তব্য করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, মামলার সম্পূরক চার্জশিটে নির্দোষ তারেক রহমানের নাম দেয়া সরকারের প্রতিহিংসার চরিতার্থেরই নামান্তর।

আজ সোমবার তারেক রহমানের ১১তম কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এমন মন্তব্য করেন ফখরুল।

ফখরুল বলেন, ১/১১ সরকারের হস্তান্তরের ক্ষমতা ধারণ করার পর থেকে তারেক রহমানের ওপর নানাভাবে নিপীড়ণ-নির্যাতনের বহুমাত্রার অভিনব প্রয়োগ দেশবাসী প্রত্যক্ষ করছে। ১/১১ সরকার যে মামলায় তারেক রহমানের নাম অভিযোগপত্রে দিতে পারেনি, আওয়ামী লীগ ক্ষমতাসীন হওয়ার পর সেই মামলায় সম্পূরক চার্জশীট দিয়ে তারেক রহমানের নাম দেয়া হয়েছে। সুতরাং এই নাম দেয়া সরকারের প্রতিহিংসা চরিতার্থেরই নামান্তর।

তিনি বলেন, আজ ৩ সেপ্টেম্বর বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানে ১১তম কারামুক্তি দিবস। ১১/১ মঈনুদ্দিন-ফকরুদ্দিনের অসাংবিধানিক সরকারের নির্দেশে ২০০৭ সালে ৭ মার্চ জনাব তারেক রহমানকে গ্রেফতার করা হয়। আটকের পরে তার বিরুদ্ধে চালানো হয় অপপ্রচারের ধারাবর্ষণ। ফকরুদ্দিন-মঈনুদ্দিনের কর্তৃত্ববাদী সরকার গণতন্ত্র ও ভিন্নমত প্রকাশের স্বাধীনতাকে বাধা দিয়ে তারেক রহমানকে ঘিরে বিছাতে থাকে নানা চক্রান্তজাল। মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দিয়ে তারেক রহমানকে হেয় করার জন্য রাষ্ট্রশক্তিকে ব্যবহার করা হয়। অথচ দেশের কোথাও তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ বা মামলা ছিল না। দিনের পর দিন রিমান্ডের নামে নিষ্ঠুর নির্যাতন করা হয়। পৈশাচিক, শারিরীক অত্যাচারে তাকে গুরুতর জখম করা হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে নির্মম অত্যাচারে জনাব তারেক রহমান মুক্তির পরও হাসপাতালের বিছানা থেকে উঠতে পারেননি।

ফখরুল বলেন, জননেতা তারেক রহমানের ওপর নির্দয়-নির্যাতন দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রকারীদের প্রতিহিংসার প্রকাশ। জাতীয়তাবাদী শক্তিকে নেতৃত্বশূন্য ও সামগ্রিকভাবে বিরাজনীতিকরণের ব্লু-প্রিন্ট বাস্তবায়নের জন্যই সে সময় বিএনপি চেয়ারপারসনকে মিথ্যা ও কাল্পনিক মামলায় গ্রেফতার এবং চক্রান্তমূলক বানোয়াট মামলায় আটক করে তারেক রহমানকে শারীরিকভাবে ক্ষতবিক্ষত করা হয়েছে। যে অভিযোগগুলো তার বিরুদ্ধে করা হয়েছিল সেগুলো পরবর্তীতে বানোয়াট ও বানানো গল্প হিসেবে প্রমাণ হতে থাকে। আর সেজন্য জনগণ বিশ্বাস করে, তারেক রহমানের বিরুদ্ধে যে মামলা ও সাজা দেয়া হয়েছে তা গভীর ষড়যন্ত্রমূলক।

তিনি বলেন, সমকালীন রাজনীতির সবচেয়ে জনপ্রিয় জননেতা জনাব তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবস এবারে যথাযথভাবে পালন করতে পারিনি। কারণ দেশে এখন অন্ধকার শ্বাসরোধী পরিবেশ। তারেক রহমানের ওপর সরকারের ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রের ধারা এখনো বয়ে চলেছে। নানাভাবে তাকে বিপর্যস্ত-বিপন্ন করার জন্য সরকার কূটচাল চেলেই যাচ্ছে। তথাকথিত আইনী প্রক্রিয়ার নামে মিথ্যা মামলা ও অন্যায় সাজা দিয়ে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে প্রতিহিংসাপূরণের গতি অব্যাহত আছে।

দেশের বিপুল জনপ্রিয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া অন্যায় বিচারে কারাবন্দী বলে উল্লেখ করে ফখরুল বলেন, প্রতিহিংসা চরিতার্থের নেশায় উন্মাদ সরকার দেশনেত্রীকে হয়রানী ও হেনস্তা করার জন্য বানোয়াট মামলা এবং পরিকল্পিত আইনীপ্রক্রিয়ার নামে তাকে সাজা দেয়া হয়েছে। এক ব্যক্তির অদম্য ক্রোধ ও হিংসার চরম বহিঃপ্রকাশ ঘটছে জাতীয়তাবাদী শক্তির প্রতীক দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ওপর। এক ভয়াঙ্কর রাজনৈতিক অস্থিরতা দেশে বিরাজমান। গুম-খুন, লুট-পাট, আত্মসাৎ ও দখলের মহাসমারোহে গণতন্ত্রকে বন্দী করা হয়েছে। বন্দী করা হয়েছে গণতন্ত্র-স্বীকৃত বিরোধী দলের অধিকার, কথা বলা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতাকে। সারাদেশ আজ বন্দীশালায় পরিণত হয়েছে। দুঃশাসনের বিষাক্ত বলয়ে বন্দী দেশবাসী। এমতাবস্থায় আমরা সকলে জননেতা তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবস স্মরণ করছি। আমরা তার দীর্ঘায়ু কামনা করছি। দুঃশাসনের অবসানে তার অতিদ্রুত দেশে ফেরার জন্য দেশবাসীসহ সকলে প্রতীক্ষা করছি।

সূত্র নয়া দিগন্ত

নিজামপুর কলেজ সরকারী করণ করায় ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল

 

মিরসরাইয়ের নিজামপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজকে সরকারী করণ করায় নিজামপুর সরকারী কলেজ ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

সকাল ১১টায় কলেজ ক্যাম্পাস থেকে শুরু হওয়া এই মিছিল ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে কলেজ ক্যাম্পাসে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্যে দিয়ে শেষ হয়।

উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক,শাখাওয়াত হোসেনের সঞ্চালনায় সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন নিজামপুর সরকারী কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তাজুল ইসলাম আরিয়ান।

কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তাজুল ইসলাম(আরিয়ান)বলেন,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার দেশকে উন্নয়নের মহাসড়কে নিয়ে গেছে।দেশের সর্বএ এখন উন্নয়নের ছোঁয়া।তারাই ধারাবাহিকতায় নিজামপুর কলেজকে সরকারী করন করে জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাদের ছাএ সমাজকে সোনার মূকুট উপহার দিয়েছেন।ছাত্র সমাজের দীর্ঘ দিনের দাবির প্রেক্ষিতে নিজামপুর কলেজকে সরকারী করন করায় মিরসরাই মাননীয় সাংসদ গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ হোসেন এবং জননেএী শেখ হাসিনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

এসময় মিছিল পরর্বতী সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন ১৫ নং ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি আমজাদ হোসেন আয়েছ,ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদুল হাসান রুপম, মিরসরাই উপজেলা ছাত্রলীগের সদস্য রবিউল হোসেন রায়হান,নিজামপুর কলেজ ছাএলীগের ক্রীড়া সম্পাদক ইমরান,নিজামপুর কলেজ ছাএলীগের সহ-প্রচার সম্পাদক আবব্দুর রব বাপ্পি,কলেজ দপ্তর সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন রাহাত, ইউনিয়ন ছাএলীগের সহ-সভাপতি জাবেদ হোসেন শাওন, ছাত্রনেতা ওমর ফারুখ,ছাত্রনেতা আদনান রাব্বি,সাইফুল,তানভীর,ইমন,সাফায়েত।

চট্টগ্রামস্থ মিরসরাই জাতীয়তাবাদী ফোরামের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান শহরের বুকে যেন একখন্ড মিরসরাই বিএনপি

নিজস্ব প্রতিনিধি
চট্টগ্রামস্থ মিরসরাই জাতীয়তাবাদী ফোরামের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান সকলের মিলনমেলায় পরিনত হয়েছে। যেন ইট পাথরের নগরীতে একখন্ড মিরসরাই। চট্টগ্রাম শহরে বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত ফোরামের সকল সদস্য একসঙ্গে মিলিত হয়েছেন অনেকদিন পর। গল্প, আড্ডায় মেতে উঠেছেন সবাই। রবিবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মিরসরাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান (সাময়িক বরখাস্তকৃত) নুরুল আমিন।

ফোরামের সভাপতি মঞ্জুরুল হক মঞ্জুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শরফু উদ্দীন, অর্থ সম্পাদক গোলাম মাওলা বাবলুর যৌথ সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মিরসরাই উপজেলা যুবদলের আহবায়ক শাহীনুল ইসলাম স্বপন।

এসময় আরো বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আলম মেম্বার, সহ-সভাপতি আজিজুল হক, হিঙ্গুলী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, বিএনপি নেতা একরামুল হক বিল্পব, দিদারুল আলম মিলন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক নাজমুল হক সোহাগ, চট্টগ্রামস্থ মিরসরাই জাতীয়তাবাদী ফোরামের সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম, পৃষ্টপোষক জিয়া উদ্দিন আহমেদ ফরহাদ, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি শাহ মোঃ ফোরকান উদ্দিন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম স্বপন, উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সেলিম উদ্দিন, বারইয়ারহাট কলেজ ছাত্রদল সভাপতি মিনহাজ উদ্দিন টিটু, সাধারণ সম্পাদক মোহন দে, মিরসরাই পৌরসভা ছাত্রদল সভাপতি ফরহাদ হোসেন তুহিন প্রমুখ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বারইয়ারহাট পৌর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক নজরুল ইসলাম লিটন, মীর মোঃ জহির উদ্দিন, আব্দুল মান্নান বাবুল, কামরান সরোয়ার্দী, নুরুল আফছার মিয়াজী, মিরসরাই পৌর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মোঃ আলমগীর, বিএনপি নেতা তারেক মেম্বার, ইয়াছিন মিজান, উপজেলা যুবদল নেতা মোবারক হোসেন, মোতাহের হোসেন রাশেল, ফজলুল মুরাদ মোমিন উদ্দিন, আব্দুল মতিন, মমতাজ উদ্দিন, মোঃ ফারুক,

এরাদুল হক ভূঁইয়া, জসীম উদ্দিন, আলমগীর, সুমন, ফোরামের দপ্তর সম্পাদক আলাউদ্দিন আলো, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক আবুল ছালেক, ছাত্রদল নেতা সালমান হায়দার,উপজেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি শেখ রাশেল, যুগ্ম সম্পাদক মোঃ মাসুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক দাউদুল ইসলাম, মিরসরাই পৌরসভা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ইনজামামুল হক ইমন, ছাত্রদল নেতা আবু রুম্মন, আব্দুল্লাহ আল নোমান,শাহদাত হোসেন, জাহিদ চৌধুরী, নাজিম উদ্দিন, মোঃ পারভেজ, আবু হাসনাত।

মিরসরাইয়ে ভগবান শ্রী কৃষ্ণের জম্মাষ্টমীর বর্ণাঢ্য শোভা যাত্রা অনুষ্ঠীত

মিরসরাই প্রতিনিধি
মিরসরাইয়ে ভগবান শ্রী কৃষ্ণের জম্মাষ্টমী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভা যাত্রা বের করা হয়েছে। উপজেলা জম্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত উপজেলা কেন্দ্রীয় জগদ্বীশ্বরী কালী বাড়ি প্রাঙ্গনে শোভা যাত্রার উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম পূজা পরিষদের সাবেক সভাপতি দিলীপ কুমার মজুমদার। এসময় কালী বাড়ি কমিটির সভাপতি সুদর্শন রায়ের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ইয়াছমিন আক্তার কাকলী, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সদস্য শেখ আতাউর রহমান,

চট্টগ্রাম ছাত্র যুব ঐক্য পরিষদের আহবায়ক উত্তর শর্মা, উপজেলা জম্মাষ্টমী পরিষদের সভাপতি সুবাস সরকার প্রমুখ। আলোচনা সভা শেষে জগদ্বীশ্বরী কালী বাড়ি, মসজিদিয়া দূর্গা মন্দির, মধ্যম তালবাড়িয়া শিব মন্দির, করেরহাট ইউনিয় পূজা পরিষদসহ প্রায় উপজেলার ৫০টির বেশি মন্দির থেকে আসা প্রায় ৩ হাজার সনাতনী ভক্তবৃন্দের অংশ গ্রহনের বিশাল মঙ্গল শোভা যাত্রা বের করে। এছাড়া উপজেলার বিভিন্ন মন্দিরে মন্দিরে গীতা পাঠ, হরিনাম সংর্কীতনসহ শ্রী কৃষ্ণ পূজার আয়োজন করা হয়েছে।

 

মিরসরাইয়ে গেটম্যানের অবহেলায় দুর্ঘটনা, তদন্ত কমিটি

 


নিজস্ব প্রতিনিধি
ঢাকা-চট্টগ্রাম রেল পথের বারইয়ারহাট রেল ক্রসিংয়ে দায়িত্বরত গেইটম্যান আরিফের অবহেলায় একের পর এক ঘটছে দুর্ঘটনা। গত এক বছরে প্রায় ৪টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে হতাহত হয়েছে অনেক মানুষ। বর্সশেষ রবিবার ভোরে ঢাকা থেকে গাগড়াছড়িগামী এস আলম পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসকে ধাক্কা দেয় ময়মংসিংহ থেকে চট্টগ্রাম গামী বিজয় এক্সপ্রেস। এতে ২ যাত্রী নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেলেও একজনের পরিচয় মিলেছে। আহত হয়ে হাসপাতালে রয়েছে। তাদেও মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশংকাজনক। দ্রæতগামী ট্রেনের ধাক্কায় বাসটি প্রায় ৫শ গজ দুরে নিয়ে গেছে। বাসের অবস্থা দেখে একজন যাত্রীও বেঁচে থাকার কথা নয়। কিন্তু আল্লাহর অশেষ রহমতে অনেক যাত্রী আহত হলেও প্রাণে বেঁচে গেছে। দুর্ঘটনা এতোটাই ভয়াবহ যে, দেখলেই আঁতকে ওঠতে হয়। স্থানীয়রা বলেন, রেলওয়ের এ অংশে যে গেটম্যান রয়েছেন, তার অবহেলার কারণেই এমন দুর্ঘটনা ঘটে।
বারইয়ারহাট মৎস্য আড়তের ব্যবসায়ী দিদারুল আলম বলেন, প্রায় সময় ক্রসিংয়ের গেটম্যান ঘুমে থাকেন, তার অবহেলার কারণে অতীতেও দুর্ঘটনা ঘটে। আজও তিনি ঘুমে ছিলেন। সিগনাল না দেয়ায় এবং গেট না ফেলায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মিরসরাই ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা রবিউল হোসেন জানান, এ ঘটনায় ২৫ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন। গুরুতর আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
রেলওয়ের ওই ক্রসিংয়ে গিয়ে অভিযুক্ত গেটম্যান মো. আরিফকে পাওয়া যায়নি। দুর্ঘটনা কবলিত এস আলম পরিবহনের যাত্রী এক বিজিবি কর্মকর্তা জানান, বাসটি ঢাকার কমলাপুর থেকে ছেড়ে আসে। যাত্রী ছিল ৩০ জনের মতো।
চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা ফিরোজ ইফতেখার বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। গেটম্যানের অবহেলার কথা আমরাও শুনেছি। বাকিটা তদন্ত করে দেখা হবে।
এম মাঈন উদ্দিন, মিরসরাই ০১৮১৫৫০০৭০৫।

আশার আলো সংঘ’কে অনুদান দিল মিরসরাই সমিতি সংযুক্ত আরব আমিরাত

নিজস্ব প্রতিনিধি

‘শিক্ষার থেকে হোক জয়, মাদকের হোক ক্ষয়’- এ শ্লোগানে সমাজ সচেতনাতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে। তরুণ রাজনীতিবদ ও সংগঠক রিয়াজ বিন আলীর প্রতিষ্ঠিত সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন আশার আলো সংঘ’র উদ্যোগে জোরারগঞ্জে উক্ত অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে মিরসরাই সমিতি সংযুক্ত আরব আমিরাতের পক্ষ থেকে আশার আলো সংঘ’র নেতৃবৃন্দকে অনুদান প্রদান করা হয়।

সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন আশার আলোর সংঘ’র প্রতিষ্ঠাতা রিয়াজ বিন আলী। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মিরসরাই সমিতি সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ আজম। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক তাহের ভূঁইয়া, সমিতির বর্তমান কমিটির যুগ্ম সম্পাদক শরীফুল ইসলাম খোকন, স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা মোঃ রাশেদ, মৌলভী নজির আহম্মদ মাদ্রাসা পরিচালনা পরিষদের অভিভাবক সদস্য স্থানীয় সমাজকর্মী মেজবাউল আলম বাবুল, চলমান মিরসরাই পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক মাঈন উদ্দিন, নব জাগরণ পত্রিকার সম্পাদক ইলিয়াছ রিপন।

প্রসঙ্গত : মিরসরাই সমিতি সংযুক্ত আরব আমিরাতের সভাপতি ফখরুল ইসলাম খান, সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ আজম, যুগ্ম সম্পাদক শরীফুল ইসলাম খোকনের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় আশার আলো সংঘ’র মাঝে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়। ভবিষ্যতেও সংগঠনটির পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন সমিতির নেতৃবৃন্দ।