মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Home Blog Page 108

মিরসরাইয়ে সাংবাদিক নিজাম উদ্দিনের ইছালে ছাওয়াবের জন্য মাহফিল অনুষ্ঠিত

মিরসরাই প্রতিনিধি
মিরসরাই প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা, মাসিক মিরসরাই ও সাপ্তাহিক বন্দর নগরী পত্রিকার সম্পাদক মরহুম মুহাম্মদ নিজাম উদ্দিনের ইছালে ছাওয়াবের জন্য মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (০২ ফেব্রুয়ারি) বাদে এশার মিরসরাই পৌরসভার নাজির পাড়া সাংবাদিক নিজাম উদ্দিনের বাড়িতে ১৬তম বার্ষিক ওয়াজ ও মরহুম মুহাম্মদ নিজাম উদ্দিনের জন্য ইছালে ছওয়াব মাহফিলে লতিফীয়া দরবার শরিফের পীরে কামেল আল্লামা হাফেজ মো. মেসবাউল ইসলাম লতিফী প্রধান ওয়ায়েজিন হিসেবে তাফসীর করেন।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আলহাজ¦ মোহাম্মাদ সেলিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে মাহফিলে বিশেষ ওয়ায়েজিন হিসাবে ওয়াজ করেন মাদবার হাট সিনিয়র মাদরাসার অধ্যক্ষ আলহাজ¦ আবদুল হালিম হেলালী, গফুর খাঁ জামে মসজিদের খতিব আলহাজ¦ বাকী বিল্লাহ্ সাদেকী, মিঠাছরা ফাজিল মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ আলহাজ¦ নিজামুল হক সাদেকী, বেলুয়ারদিঘী জামে মসজিদের খতিব আলহাজ¦ বেলাল হোসেন তাহেরী, মান্দার বাড়িয়া মহিলা মাদ্রাসার সুপার আলহাজ¦ মো. নুরুন্নবী।
হাফেজ দেলোয়ার হোসেনের সঞ্চালনায় মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন মজহারুল হক চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হেদায়েত উল্ল্যাহ চৌধুরী, পৌরসভার ০৮নং ওয়ার্ড় কাউন্সিলর ইলিয়াছ হোসেন লিটন, মাসিক মিরসরাই পত্রিকার উপ সম্পাদক ওয়াকিল বিন নিজাম, ওমান প্রতিনিধি তাজ উদ্দিন, মো. হারুন সহ এলাকার সামাজিক নেতৃবৃন্দরা।

 

 

ঢাকা একুশে বইমেলায় শাহাদাৎ হোসেন চৌধুরীর উপন্যাস হনন’র মোড়ক উন্মোচন

ঢাকায় একুশে বইমেলায় সাংবাদিক শাহাদাৎ হোসেন চৌধুরীর উপন্যাস হনন’র মোড়ক উম্মোচন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বইমেলা চত্বরে গ্রন্থ উম্মোচন মঞ্চে আনুষ্ঠানিকভাবে মোড়ক উন্মোচন করেন অতিথিবৃন্দ। মোড়ক উম্মোচন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন লেখক ও প্রকাশক মোস্তাক আহমদ, কবি ও উপস্থাপক আসাদ কাজল, কবি মাহবুবা হক রুমা, তুলি আলম, বাংলাদেশ টেলিভিশনের প্রযোজক গোলাম মোর্শেদ, কবি এইচ এম মেহেদী হাসান, আল মায়ামী, এবং হনন গ্রন্থের লেখক সাংবাদিক শাহাদাৎ হেসেন চৌধুরী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন টিমুনী খান রিনো। মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে অতিথিরা বলেন, মাদক সুন্দর সম্ভাবনাময় জীবন, সংসার নিঃশেষ করে দেয়। দিক হারা হয়ে নিমজ্জিত হয় অন্ধকার জগতে। বেছে নেয় আত্মহননের পথ। এমনই এক ট্র্যাজেডি তলে ধরা হয়েছে হনন উপন্যাসে। লেখক ও প্রকাশক মোস্তাক আহমদ বলেন, অমর একুশে বই মেলা ২০২৩ এ প্রথম গ্রন্থ হিসেবে হনন’র মোড়ক উন্মোচিত হলো। এই উপন্যাসে মাদকের বিষয়ে একটি সুন্দর ম্যাসেজ রয়েছে। আশা করছি হনন পাঠকপ্রিয়তা পাবে। ‘হনন’ শাহাদাৎ হোসেন চৌধুরী লেখা চতুর্থ গ্রন্থ উপন্যাস ‘হনন’। বইটি প্রকাশ করছে স্কিম প্রকাশ। ঢাকা বই মেলায় খড়ি মাটির ৫৫৮ নম্বর স্টলে এবং তৃপ্তি প্রকাশ কুঠির ২৫,২৬ নম্বর স্টলে পাওয়া যাচ্ছে বইটি। হনন এর প্রচ্ছদ এঁকেছেন পীযুষ দস্তিদার। ভূমিকা লিখেছেন কবি মনিরুল মনির। হনন উৎসর্গ করা হয়েছে লেখকের দুই সন্তান আবিয়াজ রাইয়ান চৌধুরী এবং আবরার রাইয়ান চৌধুরীকে। বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা প্রয়াত নাট্যকার,নির্দেশক সেলিম নাশিন এবং সাংবাদিক হিমাদ্রী রাহা’র প্রতি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক হলেন মিরসরাইয়ের সাহাব উদ্দীন

মিরসরাই প্রতিনিধি
বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক পদে পদোন্নতি পেয়েছেন চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার কৃতি সন্তান আবু ছালেহ মুহম্মদ সাহাব উদ্দীন। পদোন্নতির পূর্বে তিনি বৈদেশিক মুদ্রা বিনিয়োগ বিভাগে অতিরিক্ত পরিচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এ বিভাগে কর্মরত অবস্থায় তিনি দেশে বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে নীতিমালা সংস্কার ও উদারীকরণ, নীতিমালা বাস্তবায়য়ে অংশীজনদের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দেশী-বিদেশী বিভিন্ন ফোরাম ও বিদেশী বিনিয়োগকারীদের নিকট বাংলাদেশের আকর্ষণীয় নীতিমালা উপস্থাাপনে অবদান রেখে প্রশংশিত হয়েছেন।
তিনি ১৯৯৯ সালে সহকারী পরিচালক হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকে যোগদান করেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের ব্যাংক পরিদর্শন বিভাগ ও বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগে তাঁর কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। চট্টগ্রামের ব্যাংকারদের নিকট সুপিরিচিত সাহাব উদ্দীন কেন্দ্রীয় ব্যাংকে কর্মজীবনের শুরুতে বাংলাদেশ ব্যাংক, চট্টগ্রাম অফিসে কর্মরত অবস্থায় ব্যাংক পরিদর্শন ও বৈদেশিক মুদ্রা নীতি সংক্রান্ত কাজের সাথে সংশ্লিষ্ট ছিলেন।
তিনি চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয় হতে অর্থনীতি বিষয়ে সম্মানসহ ¯œাতক ও ¯œাতত্তোর ডিগ্রী অর্জন করেন। বাংলাদেশ ব্যাংকে যোগদানের পর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট (বিআইবিএম) হতে ব্যাংক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে ¯œাতত্তোর ডিগ্রী অর্জন করেন এবং কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের জন্য স্বর্ণ পদক প্রাপ্ত হন। ইনস্টিটিউট অব ব্যাংকার্স (আইবিবি) হতে ব্যাংকিং ডিপ্লোমা সম্মন্ন করেন।
মিরসরাই উপজেলার নিজ গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যাপীঠ- রহমতাবাদ সরকারী প্রাথমিক স্কুল- এ তাঁর শিক্ষা জীবনের হাতে খড়ি। অতঃপর একই উপজেলার বামন সুন্দর এফ এ উচ্চ বিদ্যালয় হতে মাধ্যমিক ও মিরসরাই ডিগ্রী কলেজ হতে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন। বামন সুন্দর এফ এ উচ্চ বিদ্যালয় হতে অষ্টম শ্রেণীতে সরকারী বৃত্তি প্রাপ্ত হন।
বাংলাদেশ ব্যাংক প্রশিক্ষণ একাডেমী (বিবিটিএ) হতে বুনিয়াদী প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী এ কেন্দ্রীয় ব্যাংকার দেশী-বিদেশী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কর্তৃক আয়োজিত ব্যাংক, ফাইনান্স ও অর্থনীতি বিষয়ে স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদী প্রশিক্ষণ গ্রহন করেন। তার কর্মাশিয়াল ব্যাংকে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। ৯৮ এর বিআরসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে রূপালী ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার হিসেবে কাজ করেন এবং এমবিএম ডিগ্রীর অংশ হিসেবে ইস্টার্ণ ব্যাংক লিঃ এ ইন্টার্ণশীপ করেন।
শিক্ষা জীবনে ভাল ফলাফল অর্জনকারী এ কর্মকর্তা ব্যাংকিং ক্যারিয়ারের কৃতিত্বের পাশাপাশি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ প্রদানেও পরিচিত লাভ করেন। বাংলাদেশ ব্যাংক প্রশিক্ষণ একাডেমী (বিবিটিএ) ও বাংলাদেশ ইনস্টিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট (বিআইবিএম)সহ বিভিন্ন ব্যাংকের প্রশিক্ষণ সেন্টারে নিয়মিত প্রশিক্ষক হিসেবে পাঠদান করেন। খন্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে তিনি ইনস্টিটিউট অব সাইন্স এন্ড টেকনোলোজি (ইউএসটিসি), চট্টগ্রাম ও আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ^বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম এর সাথে দীর্ঘ দিন সংযুক্ত ছিলেন। তিনি ১৮তম বিসিএস এ শিক্ষা ক্যাডারে জয়পুর হাট হাজী মহসিন কলেজে প্রভাষক হিসেবে, তৎপূর্বে চট্টগ্রামমের ফজলুল হাজেরা কলেজে প্রভাষক হিসেবে শিক্ষা দান করেন।
আইবিবি আয়োজিত চট্টগ্রাম অঞ্চলে ব্যাংকিং ডিপ্লোমা কোচিং এ প্রশিক্ষদাতা ছিলেন এবং বর্তমানে তিনি ব্যাংকিং ডিপ্লোমা এর পরীক্ষক।
শিক্ষা-প্রশিক্ষন, দাপ্তরিক ও ব্যাক্তিগত প্রয়োজনে তিনি সুইজারল্যান্ড, সিংগাপুর, ভারত, পাকিস্থান, শ্রীলংকা, মিয়ানমার, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড, সৌদি আরব সফর করেন।
তিনি মিরসরাই উপজেলার মিঠানালা ইউনিয়নের রহমতাদ গ্রামের একটি মুসলিম পরিবারে জম্ম গ্রহন করেন।
তাঁর পিতা মরহুম মোঃ আবুল বাশার একজন সমাজকর্মী ছিলেন। মাতা মোছাম্মৎ চেমনা আফরোজ একজন গৃহীনি এবং অনেকগুলো সুসন্তানের গর্বিত জননী।
ব্যক্তিগত জীবনে তিনি এক কন্যা সন্তানের জনক। তার স্ত্রী একটি রাষ্ট্রীয় কর্পোরেশনের পদস্ত কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত আছেন এবং একমাত্র কন্যা সাফওয়ানা নাওয়াল রাইকা ইন্টারন্যাশনাল হোপ স্কুল বাংলাদেশ এ অধ্যায়নরত।
তিনি বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি (বিইএ), নিকেতন সোসাইটি, গুলশান এবং চট্টগ্রাম সমিতি, ঢাকা এর আজীবন সদস্য।
নিজ এলাকায় জনগণের নিকট অতীব সজ্জন হিসেবে পরিচিত সাহাব উদ্দীন এলাকার প্রয়োজনে সাধ্যমত সহযোগীতার হাত বাড়ান।

অনুভুতি প্রকাশ করতে গিয়ে সাহাব উদ্দীন বলেন, আলহামদুলিল্লাহ। বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আমাকে পরিচালক পদে উন্নীত করায় আনন্দিত। অবিরাম সমর্থনের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ও সকলের প্রতি আমি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ।

 

প্রকাশিত হয়েছে শাহাদাৎ হোসেন চৌধুরীর উপন্যাস ‘হনন’

নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা অমর একুশে বই মেলায় প্রকাশিত হয়েছে সাংবাদিক শাহাদাৎ হোসেন চৌধুরী লেখা চতুর্থ গ্রন্থ উপন্যাস ‘হনন’। বইটি প্রকাশ করছে স্কিম প্রকাশ। ঢাকা বই মেলায় খড়ি মাটির ৫৫৮ নম্বর স্টলে এবং তৃপ্তি প্রকাশ কুঠির ২৫,২৬ নম্বর স্টলে পাওয়া যাবে বইটি। এছাড়া চট্টগ্রামের একুশে বই মেলায় হনন পাওয়া যাবে খড়ি মাটির স্টলে। হনন এর প্রচ্ছদ এঁকেছেন পীযুষ দস্তিদার। ভূমিকা লিখেছেন কবি মনিরুল মনির।

হনন উৎসর্গ করা হয়েছে লেখকের দুই সন্তান আবিয়াজ রাইয়ান চৌধুরী এবং আবরার রাইয়ান চৌধুরীকে। বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা প্রয়াত নাট্যকার,নির্দেশক সেলিম নাশিন এবং সাংবাদিক হিমাদ্রী রাহা’র প্রতি। বইয়ের মুল্য ধরা হয়েছে ২৫০ টাকা।

হনন উপন্যাসের ভূমিকায় কবি মনিরুল মনির উল্লেখ করেন, শাহাদাৎ হোসেন চৌধুরীর উপন্যাসের গতি মনে হবে বিচ্ছিন্ন দ্বীপে মানুষের পৃথক হবার উপায়। মানুষ একা হতে হতে ভেঙে-চুরে নিয়ে যায় উৎকণ্ঠিত অনন্ততৃষার সভায়। কোনো সুরাহা নেই, আশা-ভরসাই বেঁচে থাকে। তাও নেই। স্বপ্নাক্রান্ত মানুষের কাছে বেঁচে থাকার কোনো তাড়না নেই।
উদ্বোধিত হয় জৈব-মানসিক রূপান্তর। তাতেও পরাজিত। নিজের সুরকে আলাদা করতে চাওয়াও অনন্তকালের যাত্রা।

হনন উপন্যাসের লেখক নিজের দেখা তরঙ্গভঙ্গকে সহজ ও সাবলীল করে তুলে ধরতে চেয়েছেন। তার প্রয়াস জীবনের নতুনতর চিন্তার সৌন্দর্য মনে হয়েছে। কেননা প্রতিদিনকার ধ্যান-অভিব্যক্তি ও প্রাণময় সারবত্তাগুলো আশার দীপ জ্বালালেও অন্তে অনুসন্ধান থেকে যায়। এই অনুসন্ধান হনন হতে পারে কী? পাঠক আপনার পাঠে এই হৃদয়স্পর্শী সময়ের উন্মোচন হবে।

‘হনন ’ সম্পর্কে শাহাদাৎ হোসেন চৌধুরী বলেন, ভালোবাসা, বন্ধুত্ব জীবনের অন্যতম অনুসঙ্গ। এসব নিয়েই মানুষের পথচলা, জীবনযাপন। জীবনের অভিযাত্রায় এসব সম্পর্ক কখনো হয়ে উঠে রঙিন। কখনোবা বিরানভূমি। ইউনিভার্সিটির আট বন্ধুর জীবনযাপনের গল্প এই উপন্যাসের উপজীব্য। দম্ভ, অহমিকার কাছে ভালোবাসা, সম্পর্কের সমাধি হওয়ার ঘটনা অহরহ। মাদকের নীল ছোবলে সুন্দর, সাজানো-গোছানো কত সংসার তছনছ হয়ে যায়। সময়ের ব্যবধানে সম্পর্কগুলো রং বদলায়। সুখের সংসারে রচিত হয় শোকের মহাকাব্য, নিদারুণ ট্র্যাজেডি। হনন উপন্যাসে এমনই গল্প তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।

শাহাদাৎ হোসেন চৌধুরী’র জন্ম চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে। ২০০০ সাল থেকে সাংবাদিকতার সাথে যুক্ত শাহাদাৎ হোসেন চৌধুরী বর্তমানে কাজ করছেন দেশের অন্যতম পাঠকপ্রিয় ইংরেজি গণমাধ্যম ‘দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড’-এ। এর আগে বিভিন্ন সময়ে যুক্ত ছিলেন- দৈনিক ইত্তেফাক, মানবজমিন, সুপ্রভাত বাংলাদেশ, চট্টগ্রাম প্রতিদিন, সিভয়েস ডট কম সহ বিভিন্ন পাঠক সমাদৃত গণমাধ্যমে। সম্পাদনা করেছেন সাহিত্যের ছোট কাগজ, আঞ্চলিক সংবাদপত্র।

উপন্যাস ‘হনন’ তার চতুর্থ গ্রন্থ। এর আগে ২০০৬ সালে উপন্যাস ‘অশ্রু’, ২০১২ সালে উপন্যাস ‘বিষ্ময় বালিকা’, ২০১৮ সালে কাব্যগ্রন্থ ‘বিবর্ণ’ প্রকাশিত হয়।

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে মধ্যবিত্ত আরও গরিব হয়েছে: ডা. শাহাদাত

 

চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, টেন্ডারবাজি এবং দেশের টাকা বিদেশে পাচার করে সরকার অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, এই সরকারের কারণে আজ আমদানিকরাকরা এলসি খুলতে পারেন না। তার জন্য আজ দেশে দুর্ভিক্ষ অবস্থা।

এই বিএনপি নেতা বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে গরিব মানুষ না খেয়ে থাকছে, মধ্যবিত্ত আরও গরিব হয়ে গেছে। এই সরকারের দুর্নীতি ও অর্থনীতি ধ্বংসের কারণে দেশে দারিদ্র্য বেড়ে গেছে।

 

বুধবার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নগরীর নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয়ে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় বিএনপিঘোষিত চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে কোতোয়ালী থানা বিএনপির প্রস্তুতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

 

ডা. শাহাদাত বিএনপির ১০ দফা দাবি আদায়ে সমাবেশ সফল করতে সর্বস্তরের নেতাকর্মীকে প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান।

কোতোয়ালী থানা বিএনপির সভাপতি মনজুর রহমান চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ জাকির হোসেনের পরিচালনায় প্রস্তুতি সভায় প্রধান হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগাম মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব আবুল হাশেম বক্কর।

 

তিনি বলেন, গণবিরোধী সরকার গত ১৪ বছরে ১১ বার বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে। সরকারের ব্যর্থতা, দুর্নীতি, লুটপাট, অব্যবস্থাপনার কারণে এমনিতেই জনগণ চরম দুর্ভোগে রয়েছে। এর মধ্যে দফায় দফায় বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি সরকারের গণবিরোধী ও অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত। বিদ্যুতের এই মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানান তিনি। ৪ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাবেশ সফল করতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বানও জানান তিনি।

সমাবেশে রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আবদুল মান্নানসহ অন্যরা বক্তব্য রাখেন।

উপ-নির্বাচনে সুষ্ঠু ভোটের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্রের বিজয় হয়েছে: কাদের

 

 

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপির ছেড়ে দেওয়া ছয় আসনে উপ-নির্বাচনে আজকের ভোট অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে দেশে আবারও গণতন্ত্রের বিজয় হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে কে জিতলো, কে হারলো, সেটা মূল বিষয় নয়। নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে। উপ-নির্বাচনে সব আসনেই ঘোমটা পরা প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। জাতীয় সংসদ থেকে পদত্যাগ করে বিএনপি কত বড় ভুল করেছে, যতই দিন যাবে ততই অনুধাবন করতে পারবে।’

 

বুধবার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তায় শহীদ শেখ রাসেল পার্কের সামনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত শান্তি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, নৈরাজ্য, অপরাজনীতি ও অব্যাহত দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে এ শান্তি সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

বিএনপির আন্দোলনের দৈর্ঘ্য কম, প্রস্থ বেড়ে যাচ্ছে মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপির আন্দোলন জোয়ার থেকে ভাটার দিকে যাচ্ছে। ভুয়া জোট গঠন করা বিএনপিও ভুয়া। জনগণ তাদের বিশ্বাস করে না।’

 

গণঅভ্যুত্থান, লাল কার্ড আর সরকার পতনের আন্দোলন থেকে বিএনপি কেন অন্তিম পদযাত্রায় প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ভয় পায় না, ভয় পাচ্ছে বিএনপি। কর্মসূচি নরম হচ্ছে, ছোট হয়ে যাচ্ছে তাদের পৃথিবী।’

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের সমালোচনা করে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির রাজনীতি ঘোমটা পরা রাজনীতি। ষড়যন্ত্রের রাজনীতি। বিএনপির আন্দোলনে সরকার ভয় পায়নি, উল্টো বিএনপিই ভয় পেয়েছে। বিএনপির ষড়যন্ত্রমূলক সমাবেশ প্রতিরোধ নয়, সতর্ক থাকবে আওয়ামী লীগ। আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগে পর্যন্ত আওয়ামী লীগ শান্তি সমাবেশ করবে।’

তিনি আরও বলেন, বিএনপি এখন পথহারা পথিকের মতো দিশেহারা। মাত্র সূচনা করেছি আমরা, খেলা এখনও শুরু করিনি। বিএনপির সরকার পতনের আন্দোলন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি সবই ভুয়া। মির্জা ফখরুল লাল কার্ড দেখাতে গিয়ে শূন্য হাতে ফিরলো। সরকার পতন, ৫৪ দল, ২৭ ও ১০ দফা, তত্ত্বাবধায়ক সরকার সবই ভুয়া। বিএনপির হাঁকডাক, মশার কয়েল, সাতদিন আগ থেকে সমাবেশের প্রস্তুতি, সবই ব্যর্থ।

 

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম ও সুজিত রায় নন্দী। সঞ্চালনা করেন প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক চৌধুরী সাইফুন্নবী সাগর এবং দপ্তর সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন রিয়াজ।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেন, বিএনপি জনগণকে বারবার ধোঁকা দিয়েছে। তাদের আর জনগণ বিশ্বাস করে না। নির্বাচন বানচালের ব্যর্থ চেষ্টা করে কোনো লাভ হবে না। আগামী নির্বাচনে জনগণ আবারও আওয়ামী লীগকে জয়যুক্ত করে একাত্তরের ঘাতকদের বিতাড়িত করবে। আমাদের একটাই লক্ষ্য, সরকার ও বিরোধী দল দুটি থাকবে মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তি।

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, বিএনপির লক্ষ্য দেশকে অস্থিতিশীল করে ক্ষমতা দখল করা। তারা কখনই জনগণের ভোটের সমর্থন আর পাবে না। তাই আবারও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। বিএনপির আন্দোলনের খেলা ১০ ডিসেম্বরের পরই শেষ হয়ে গেছে। এখন নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করছে।

 

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম বলেন, বিএনপির আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে পদযাত্রা শুরু করেছে। কিন্তু মানুষ তাদের সঙ্গে নেই। তারা নির্বাচনেও ব্যর্থ হবে।

সমাবেশে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নুরুল আমিন রুহুল, মিজবাউর রহমান ভুইয়া রতন, শরফুদ্দিন আহমেদ সেন্টু ও হেদায়েতুল ইসলাম স্বপন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন আহমেদ মহি, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম আশরাফ তালুকদার ও গোলাম সরোয়ার কবির প্রমুখ।

৯০৪ ভোটে হারলেন হিরো আলম

 

বগুড়া-৪ (কাহালু –নন্দীগ্রাম) আসনের উপনির্বাচনে বহুল আালোচিত আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলম মাত্র ৯০৪ ভোটে পরাজিত হয়েছেন। এই আসনে জাসদ (ইনু) প্রার্থী এ কে এম রেজাউল করিম তানসেন মশাল প্রতীকে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। আওয়ামী লীগের প্রার্থী রাগেবুল আহসান রিপু নৌকা প্রতীকে এগিয়ে রয়েছেন।

বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত ফলাফলে কাহালু ও নন্দীগ্রাম উপজেলার মোট ১১২টি ভোট কেন্দ্রের ফলাফলে মশাল প্রতীকে তানসেন পেয়েছেন ২০ হাজার ৩০৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী বহুল আালোচিত আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলম একতারা প্রতীকে পেয়েছেন ১৯ হাজার ৪০৪ ভোট। রাত সাড়ে ৭টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন পূর্ণাঙ্গ ফলাফল ঘোষণা করেনি।

অন্যদিকে বগুড়া-৬ (সদর) আসনের মোট ১৪৩ কেন্দ্রের মধ্যে ৮৪ কেন্দ্রের ফলাফলে আওয়ামী লীগের প্রার্থী রাগেবুল আহসান রিপু নৌকা প্রতীকে ২৬ হাজার ২৯৬ ভোট পেয়ে এগিয়ে ছিলেন। তার পরেই স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল মান্নান আকন্দ ট্রাক মার্কায় ১২ হাজার ৬৯৪ ভোট পেয়েছেন। রাত সাড়ে ৭টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন পূর্ণাঙ্গ ফলাফল ঘোষণা করেনি।

 

মিরসরাইয়ে মারুফ মডেল প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয়ের ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরষ্কার বিতরণ

মিরসরাই প্রতিনিধি
মিরসরাইয়ে মারুফ মডেল প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয়ে তিনদিনব্যাপী বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরষ্কার বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার থেকে শুরু হওয়া অনুষ্ঠান বুধবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮ টায় ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরষ্কার বিতরণের মধ্যদিয়ে সমাপ্তি ঘটে। সমাপনী দিন বুধবার (১ ফেব্রæয়ারি) বিকাল ৩ টায় কোরআন তেলাওয়াত, গীতা পাঠ, জাতীয় সংগীতের মধ্যদিয়ে শুরু হয় আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। এসময় বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জিয়া উদ্দিন বাবলুর সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাজিম উদ্দিন। মিরসরাই পৌরসভার মেয়র গিয়াস উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মিরসরাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফেরদৌস হোসেন আরিফ, মিরসরাই পৌরসভা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাফর উদ্দিন, মিরসরাই পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জহির উদ্দিন, ৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আল ফায়হাত সংগ্রাম, মিরসরাই পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, ৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি জয়নাল আবেদীন, মারুফ ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দীন মীর শাহীন, অভিভাবক সদস্য মফিজুল ইসলাম, নাছির উদ্দিন, সুমন্ত দাশ প্রমুখ। সমাপনী দিনে আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা ক্রীড়া ও সাংস্কৃৃতিক প্রতিযোগিতায় ৭৮ টি ইভেন্টে অংশগ্রহনকারী বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরষ্কার তুলে দেন। এছাড়া ২০২২ সালে এসএসসি পরীক্ষায় কৃতকার্য হওয়া ২৯ জন শিক্ষার্থী, ৪ জন শ্রেষ্ঠ মেধাবী শিক্ষার্থী, ৩২ তম এশিয়া প্যাসিফিক এবং ১১ তম জাতীয় স্কাউট জাম্বুরী বাংলাদেশে সাফল্যসহ রাষ্ট্রপতি এ্যাওয়ার্ড অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। প্রতিযোগিতার মধ্যে ছিল দৌড়, মোরগের লড়াই, দীর্ঘ লাফ, কুজকাওয়াজ, ডিসপ্লে, মার্বেল চামুচ, মিউজিক্যাল চেয়ার, ফিলোপাসিং, স্মৃতি শক্তি পরীক্ষা, ঝুড়িতে বল নিক্ষেপ, চকলেট প্রতিযোগিতা, সুন্দর ড্রেসপরা, বিস্কুট দৌড়, স্থির স্কিপিং, কেরাত প্রতিযোগিতা, গীতা প্রতিযোগিতা, দেশাত্ববোধক গান, ছড়া ও কবিতা আবৃত্তি, হামদ, নাত, জাতীয় সংগীত প্রতিযোগিতা, লোক সংগীত, উপস্থিত বক্তব্য, দলীয় অভিনয়, রবীন্দ্র সংগীত, নজরুল সংগীত, গানের তালে নৃত্য।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাজিম উদ্দিন জানান, শিক্ষার্থীদের ক্রীড়াও সাংস্কৃতিক চর্চায় সুপ্ত বিকাশের লক্ষ্যে এটি বাৎসরিক ধারাবাহিক কার্যক্রম। মিরসরাই উপজেলায় একমাত্র আমাদের প্রতিষ্ঠান বৃহৎ পরিসরে তিনদিনব্যাপী ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান স্কুল প্রতিষ্ঠার পর থেকে ধারাবাহিকভাবে করা হচ্ছে।

আওয়ামী লীগ জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে: শাহাদাত হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, সারাদেশের জনগণ জেগে উঠেছে। অবৈধ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু হয়ে গেছে। আওয়ামী লীগ এখন সম্পূর্ণভাবে রাজনৈতিক ঐতিহ্য হারিয়ে ফেলেছে। জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে দলটি।

তিনি বলেন, তাদের এখন পুলিশ ও আমলাদের ওপর নির্ভর করে রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকতে হচ্ছে। এ সরকারকে সরিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য সবদল একমত হয়েছে। তারা ১০ দফা কর্মসূচির মাধ্যমে এ আন্দোলন সফল করবে। তাই অবিলম্বে সরকারকে পদত্যাগ ও সংসদ বিলুপ্ত করতে হবে। নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে।

 

মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেলে চট্টগ্রাম মহানগরীর বিএনপির দলীয় কার্যালয় নাসিমন ভবনের মাঠে অনুষ্ঠিত এক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। আগামী শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) কেন্দ্রীয় বিএনপি ঘোষিত চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে এ প্রস্তুতি সভার আয়োজন করে চট্টগ্রাম মহানগর কৃষকদল।

ডা. শাহাদাত বলেন, নির্বাচনী ব্যবস্থা ধ্বংস করে বর্তমান সরকার মানুষকে জিম্মি করে দেশে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও দ্রব্যমূল্যের অসহনীয় দামে অতিষ্ঠ জনজীবন। সরকারের প্রতি মানুষের আস্থা নেই। আমাদের গণতন্ত্র নেই, আইনের শাসন নেই, সার্বভৌমত্ব নেই। দেশের মানুষ বুঝতে পেড়েছে। আওয়ামী লীগকে আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না।

 

চট্টগ্রাম মহানগর কৃষকদলের আহ্বায়ক মো. আলমগীরের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব কামাল পাশা নিজামীর পরিচালনায় প্রস্তুতি সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব আবুল হাশেম বক্কর। এসময় চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আবদুল মান্নান, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. কামরুল ইসলাম, কোতোয়ালি থানা বিএনপির সভাপতি মনজুর রহমান চৌধুরী, কেন্দ্রীয় কৃষকদলের বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল হাসান পলাশ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বদিউল আলম বদরুল, চট্টগ্রাম মহানগর কৃষকদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নাজিমুল হক নাজু, সাবের আহমদ টারজান, সরওয়ার উদ্দিন সোহেল, মো. জসিম উদ্দিন, মো. ছিদ্দিক মিয়া, রাসেদুজ্জামান খোকন, ওহিদুল আলম কাকন, মো. জাহাঙ্গীর ও মনিরুজ্জমান বাবুল প্রমুখ।

 

আমিরাতে মিরসরাই সমিতির ৭ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপনে বক্তারা- ‘অর্থনৈতিক অঞ্চলের কারণে মিরসরাই হবে তৃতীয় বৃহত্তম শহর’

 

মিরসরাই প্রতিনিধি

সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৭ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করেছে মিরসরাই সমিতি। মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে শারজাহ বাংলাদেশ সমিতির বঙ্গবন্ধু হল রুমে এই উপলক্ষে আলোচনা সভা, মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা ও মেজবানের আয়োজন করে সংগঠনটি।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন এসবিজি ইকোনমিক জোনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মাহবুব উর রহমান রুহেল। উদ্বোধক ছিলেন- চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ সদস্য প্রদীপ রঞ্জণ চক্রবর্তী। সভাপতিত্ব করেন মিরসরাই সমিতির সভাপতি এম এ তাহের ভূঁইয়া।

সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ আজমের সঞ্চালনায় এসময় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মিরসরাই উপজেলা চেয়ারম্যান সমিতির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল করিম চৌধুরী হুমায়ুন, সমিতির প্রধান পৃষ্ঠপোষক মোহাম্মদ জিয়া উদ্দিন, মিরসরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য নুরুল গনি, মঘাদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি তোফায়েল উল্ল্যা চৌধুরী নাজমুল, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক এমরান হোসেন সোহেল, বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ক্লাব ইউএই’র সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান জনি প্রমুখ।

প্রধান অতিথি মাহবুব উর রহমান রুহেল বলেন, ‘অর্থনৈতিক অঞ্চলের কারণে মিরসরাইয়ে আগামী দশ বছরের মধ্যে ত্রিশ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হবে। বর্তমানে নাগরিক আছেন পাঁচ লাখের মতো। অন্যরা দেশ-বিদেশ থেকে কর্মের সন্ধানে এখানে (মিরসরাই) আসবেন। যার প্রেক্ষিতে মিরসরাই হবে একটি সুপরিকল্পিত নগরী। হতে হবে একটি স্মার্ট সিটি। বলা যায়, ঢাকা ও চট্টগ্রামের পর দেশের তৃতীয় বৃহত্তর শহর হবে মিরসরাই।’

এসময় তিনি কভিড পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ ও খাদ্য নিরাপত্তার উপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রধান অতিথি বলেন, ‘করোনা পরবর্তী সময় প্রায় সব দেশেই চাপে পড়েছে। যেকারণে সবার আগে খাদ্য নিরাপত্তার কথা চিন্তা করতে হবে। আমাদের খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে হবে। কৃষি জমি অনাবাদি রাখা যাবে না। সাধ্যমতো চাষাবাদ করতে হবে।’

প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠানে দেশটির দুবাই, আবুধাবি, আল আইন, শারজাহ, আজমান, রাস আল খাইমাহসহ অন্যান্য প্রদেশ থেকে প্রায় ১৫’শ মিরসরাই প্রবাসী এতে অংশগ্রহণ করেন।