মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Home Blog Page 111

মিরসরাই প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি নিজাম উদ্দিন স্বরণে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল

মিরসরাই প্রতিনিধি
‘মুহাম্মদ নিজাম উদ্দিন ছিলেন মফস্বল সাংবাদিকতার বাতিঘর। তার হাত ধরেই মিরসরাইয়ে হয়েছিলো সাংবাদিকতার গোড়াপত্তন। একজন মাওলানা হয়ে তিনি ভিন্ন ধারায় নিজের ক্যারিয়ার গড়ে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। মিরসরাই প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এই চারণ সাংবাদিক সংবাদপত্র জগতে ছড়িয়েছেন দ্যূতি। তার সম্পাদিত এ জনপদের প্রথম পত্রিকা মাসিক মীরসরাই’র মাধ্যমে একঝাঁক সংবাদকর্মী উঠে এসেছে। তারা এখন মিরসরাই, চট্টগ্রামের গন্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। মিরসরাই প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি নিজাম উদ্দিন স্মরণে আয়োজিত শোকসভা, দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে এসব কথা বলেন বক্তারা।
শুক্রবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে মিরসরাইয়ের আঞ্চলিক প্রকাশনা ‘চলমান মিরসরাই’ প্রয়াত সাংবাদিক নিজাম উদ্দিন স্মরণে এ দোয়া মাহফিল আয়োজন করে।
মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে বক্তব্য রাখেন মিরসরাই কলেজের অধ্যক্ষ নুরুল আফচার, মিরসরাই সমিতি ইউএইর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মাজহার উল্লাহ মিয়া, মিঠাছড়া ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার উপাধ্যক্ষ মাওলানা নিজামুল হক সাদেকী, ছুটি খাঁ জামে মসজিদের খতিব তৌহিদী, কমফোর্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. নিজাম উদ্দিন, এসএম মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাজহারুল হক, চিনকি আস্তানা জামে মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা দেলোয়ার হোসেন, কবি ও সাহিত্যিক সাইফুদ্দিন মির শাহীন, দৈনিক সমকালের মিরসরাই প্রতিনিধি বিপুল দাশ, চলমান মিরসরাই’র সম্পাদক এমএস হোসাইন, নির্বাহী সম্পাদক এম মাঈন উদ্দিন, বার্তা সম্পাদক রাজু কুমার দে, সাংবাদিক আবু সাঈদ ভূঁইয়া, আনোয়ারুল হক নিজামী, মোহাম্মদ ইউসুফ, আজিজ আজহার, ইমাম হোসেন, ফিরোজ মাহমুদ, আজমল হোসেন, সাদমান সময়, দিদারুল আলম, মো. তুষার, শিহাব উদ্দিন শিবলু, নুরুল আমিন রায়হান, ইকবাল হোসেন প্রমুখ।

 

গোটা জাতি জেগে উঠেছে: ফখরুল

 

 

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল আলমগীর বলেছেন, জাতি আজ সংকটে। কিন্তু বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নেতৃত্বে গোটা জাতি জেগে উঠেছে। আমরা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ইনশাআল্লাহ আমরা সেই লড়াই সংগ্রামে জয়ী হবো।

বৃহস্পতিবার (১৯ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

 

মির্জা ফখরুল বলেন, জনগণের নেতা জিয়াউর রহমান। যিনি জাতির ক্রান্তিলগ্নে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনি আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি ও বহুদলীয় গগণতন্ত্রের প্রবক্তা। আমরা তাকে শ্রদ্ধা জানাই। তার রুহের মাগফিরাত কামনা করছি।

 

তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান একজন ক্ষণজন্মা মানুষ। তিনি যুদ্ধের ঘোষণা দিয়ে নিজে নেতৃত্ব দিয়েছেন। পরে ৭ নভেম্বরও তিনি জাতির ক্রান্তিলগ্নে হাল ধরেছিলেন। হতাশাগ্রস্ত জাতিকে দিকনির্দেশনা দিয়েছিলেন। তিনি সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ায় বাংলাদেশের মানুষ নতুনভাবে উজ্জীবিত হয়ে নতুন স্বপ্ন দেখতে শুরু করে। তিনি একদলীয় শাসন থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্র উপহার দিয়েছিলেন। মুক্তবাজার অর্থনীতি উপহার দিয়েছেন। আজ আধুনিক বাংলাদেশের উন্নয়নের ভিত্তি রচনা করেছিলেন জিয়াউর রহমান।

 

বিএনপি মহাসচিব বলেন, জিয়াউর রহমান গোটা জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার মাধ্যমে দেশকে উন্নতি ও অগ্রগতির দিকে নিয়ে যেতে স্বপ্ন দেখেছিলেন। কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য যে, তাকে আমরা বেশিদিন পাইনি। বাংলাদেশের শত্রুদের হাতে তিনি শহীদ হয়েছেন। বর্তমানেও আমরা তার আদর্শ ও ১৯ দফাকে সামনে রেখে আমরা পথ চলছি।

 

এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, মির্জা আব্বাস, আব্দুল মঈন খান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান, জাহিদ হোসেন, আহমেদ আযম খান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির মো. আব্দুস সালাম, ঢাকা উত্তরের আমান উল্লাহ আমান, আবুল খায়ের ভুইয়া, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, কেন্দ্রীয় নেতা শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, আব্দুস সালাম আজাদ, মীর সরফত আলী সপু, মীর নেওয়াজ আলী নেওয়াজসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারাও ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

উন্নয়ন কখনো গণতন্ত্রের বিকল্প হতে পারে না: গয়েশ্বর

 

 

দেশে উন্নয়নের নামে অর্থ লুটপাট হয়েছে দাবি করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, উন্নয়ন কখনো গণতন্ত্রের বিকল্প হতে পারে না।

তিনি বলেন, দেশ থেকে ১০ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে। দেশটা দুর্নীতির স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে। দেশে কোনো আইনের শাসন নেই। দেশের মানুষ অভাব-অনটনে জড়সড়ো। এই অবস্থা থেকে দেশ ও দেশের মানুষকে মুক্ত করতে চাই।

বৃহস্পতিবার (১৯ জানুয়ারি) ঢাকা জেলা বিএনপির দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ উপজেলা শাখার উদ্যোগে দুস্থদের মধ্যে শীতবস্ত্র ও খাদ্য বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৮৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এ আয়োজন করা হয়।

এতে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ উপজেলা সভাপতি অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বিএনপি নেতা মোজাদ্দেদ আলী বাবু।

 

অনুষ্ঠানে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, চলমান গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মধ্য দিয়েই জনগণের মৌলিক অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া হবে।

জিয়াউর রহমানের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, তার নেতৃত্ব দেশে যেমন গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত ছিল, তেমনি বহির্বিশ্বে প্রশংসিত ছিল।

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ১৫ বছরের শাসনামল সম্পর্কে বলতে গিয়ে বিএনপির এ নেতা বলেন, একটি দেশকে খুশি করে ক্ষমতায় থাকা, ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে না দেওয়া, এই সরকারের আমলে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও কেউ ভোট দিতে পারে না। স্কুল-কলেজের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনেও কেউ ভোট দিতে পারে না। নামাজ পড়ুক আর না পড়ুক মসজিদ কমিটিতেও তাদের পছন্দমতো লোকদের দিয়ে কমিটি করা হয়।

তিনি বলেন, এই সরকার সবকিছু করায়ত্ত করে রেখেছে। দেশকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে। বিদ্যুৎ ও গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি করে সবকিছু মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে নিয়ে গেছে।

 

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় আরও বলেন, আমাদের আন্দোলন ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নয়, আমাদের আন্দোলন ক্ষমতার দখল নয়। আমাদের আন্দোলন হচ্ছে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করা, গণতন্ত্র, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করা। এজন্য আমরা চাই সুষ্ঠু নির্বাচন, যাতে জনগণ বিনা বাধায় ভোটকেন্দ্রে গিয়ে যাকে খুশি তাকে ভোট দেবে। আমরা আশা করি, আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে আমরা দেশের মানুষের মৌলিক অধিকার ফিরিয়ে দিতে সক্ষম হবো।

বারইয়ারহাটে ২০ শয্যা বিশিষ্ট আল-নূর হাসপাতাল উদ্বোধন

মিরসরাই প্রতিনিধি:
আধুনিক চিকিৎসা সেবার অঙ্গীকার নিয়ে মিরসরাইয়ের বারইয়ারহাট পৌরসভায় ২০ শয্যা বিশিষ্ট আল-নূর হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার (১৮ জানুয়ারি) সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন আল নূর ভবনে ফিতা কেটে হাসপাতালের উদ্বোধন করেন শিশু বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ডা. এসএ ফারুক।
মিরসরাই ডায়াগনস্টিক ও হাসপাতাল ওনার্স এসোসিয়েশানের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিনের উপস্থাপনায় ও সভাপতি কামাল উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মাতৃকা হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর ডা. জামশেদ আলম, দূর্গাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এসএম আবু সুফিয়ান বিপ্লব, আল-নূর হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নজরুল ইসলাম, প্রশাসনিক পরিচালক বদরুল আলম জোসেফ, অর্থ পরিচালক একরামুল হক, বারইয়ারহাট কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব নিজাম উদ্দিন আনছারী, আল-নূর ভবনের স্বত্তাধিকারী নুর মোহাম্মদ। অনুষ্ঠানে দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন বারইয়ারহাট কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সাবেক খতিব মাওলানা আবু তৈয়ব।

হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নজরুল ইসলাম জানান, ২টি অত্যাধুনিক অপারেশন থিয়েটার এর মাধ্যমে বিশেষজ্ঞ সার্জন দ্বারা ২৪ ঘন্টা অপারেশন, ভিডিও এ্যানডোসকপি, ভিডিও কলোনোসকপি, ৪-ডি আল্ট্রাসনোগ্রাফি, কালার ডপলার ইকোকার্ডিওগ্রাফি, ৫০০ এমএ ডিজিটাল এক্সরে সহ সব রকমের ডায়াগনস্টিক সুবিধা নিয়ে হাসপাতালে প্রতিদিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার চেম্বার করবেন।

 

মিরসরাইয়ে বিসমিল্লাহ এন্টারপ্রাইজের উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ

মিরসরাই প্রতিনিধি
মিরসরাই উপজেলার ১৩ নং মায়ানী ইউনিয়নে বিসমিল্লাহ এন্টারপ্রাইজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. দেলোয়ার হোসেনের পক্ষ থেকে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার ( ১৮ জানুয়ারি) উপজেলার পশ্চিম মায়ানী এলাকায় কম্বল বিতরণকালে এসময় উপস্থিত ছিলেন মিরসরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের অর্থ সম্পাদক ও আবুতোরাব বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আবুল হোসেন বাবুল ও মায়ানী ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের সদস্য মো. শহীদ মিয়া।

উল্লেখ্য, বিসমিল্লাহ এন্টারপ্রাইজের পক্ষ থেকে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সামাজিক, মানবিক, ধর্মীয় ও শিক্ষা উন্নয়ন মূলক কাজে বিভিন্ন সময়ে জনসচেতনতামূলক কর্মকান্ডে সহযোগিতা করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় তীব্র শীতে অসহায় মানুষের কথা চিন্তা করে এমন মহতি উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।

 

মিরসরাইয়ে ৪ পা বিশিষ্ট কন্যা শিশুর জন্ম

 

মিরসরাইয়ে ৪ পা বিশিষ্ট কন্যা শিশুর জন্ম দিল নাছরিন আক্তার নামে এক গৃহবধূ। উপজেলার বারইয়ারহাট পৌরসভার শেফা ইনসান হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে মঙ্গলবার (১৭ জানুয়ারি) ভোররাতে এই ঘটনা ঘটে। ওই গৃহবধূ ফটিকছড়ি উপজেলার ভুজপুর থানার ১ নং বাগানবাজার ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের হাতির খেদা গ্রামের সাইদুল ইসলামের স্ত্রী।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাত ২ টার দিকে গৃহবধূ নাছরিন আক্তার (১৮) প্রসব বেদনা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় স্বাভাবিকভাবে মঙ্গলবার ভোর ৫ টার সময় হাসপাতালের প্রসূতি ও স্ত্রী রোগে অভিজ্ঞ ডা. মারিয়া কিবতিয়ার তত্বাবধানে ওই গৃহবধূ ৪ পা বিশিষ্ট কন্যা শিশুর জম্ম হয়। শিশুটির ৪ পায়ের মধ্যে ২ টি পা ক্লাব ফুট (মুগর পা) এবং বাকি ২ টি পা অস্বাভাবিক এবং মেরুদন্ড মেনিগোসিল। শিশুটির ওজন ২ কেজি ৮’শ গ্রাম। শিশুটির মা পুরোপুরি সুস্থ্য হলেও শিশুর হালকা শ্বাস কষ্ট রয়েছে।
ওই গৃহবধূর স্বামী সাইদুল ইসলাম বলেন, ‘২০২০ সালের ১১ মার্চ আমাদের একই গ্রামের হানিফ কোম্পানীর ছোট মেয়ে নাছরিন আক্তারের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হই। একই বছর বিবাহের ৯ মাসের সময় একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দেয় আমার স্ত্রী। কিন্তু সেই শিশুটি ডেলিভারীর সময় মারা যায়। এরপর ২ বছরের ব্যবধানে বারইয়ারহাট শেফা ইনসান এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে মঙ্গলবার (১৭ জানুয়ারি) ভোরে দ্বিতীয় শিশুর (কন্যা) জন্ম হয়। তবে স্বাভাবিকভাবে ৪ পা বিশিষ্ট শিশুটির জন্ম হয়। সন্তান জন্মগ্রহণের পর সবার মুখে হাসি ফুটে। কিন্তু আমার পরিবার ও আতœীয়স্বজন সবার মাঝে দুশ্চিন্তার চাপ এই অস্বাভাবিক কন্যা সন্তান নিয়ে।’
শেফা ইনসান হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের প্রসূতি ও স্ত্রী রোগে অভিজ্ঞ ডা. মারিয়া কিবতিয়া বলেন, ‘সোমবার রাত ২ টার দিকে গৃহবধূ নাছরিন আক্তার প্রসব বেদনা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় স্বাভাবিকভাবে মঙ্গলবার ভোর ৫ টার সময় ওই গৃহবধূর ৪ পা বিশিষ্ট কন্যা শিশুর জম্ম হয়।’
শেফা ইনসান হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের নবজাতক ও শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. এস এ ফারুক বলেন. ‘৪ পা বিশিষ্ট শিশুটির স্বাভাবিকভাবে জন্ম হয়। তবে তার ৪ পায়ের মধ্যে ২ টি পা ক্লাব ফুট (মুগর পা) এবং বাকি ২ টি পা অস্বাভাবিক এবং মেরুদন্ড মেনিগোসিল। শিশুটির ওজন ২ কেজি ৮’শ গ্রাম। শিশুটির মা পুরোপুরি সুস্থ্য হলেও শিশুর হালকা শ্বাস কষ্ট রয়েছে।

মিরসরাইয়ে বিএনপির মিছিল ও সমাবেশ

মিরসরাই প্রতিনিধি
নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনসহ ১০ দফা দাবি ও বিদ্যুতের মূল্য কমানোর দাবীতে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে মিছিল ও সমাবেশ করেছে বিএনপি। দলের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে মিরসরাই উপজেলা, পৌর ও বারইয়ারহাট পৌর বিএনপির উদ্যোগে সোমবার (১৬ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার নয়দুয়ারিয়া এলাকায় এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

উপজেলা বিএনপির আহবায়ক শাহীদুল ইসলাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক নুরুল আমিন, যুগ্ম আহবায়ক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান নুরুল আমিন, মিরসরাই উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব গাজী নিজাম উদ্দিন, বারইয়ারহাট পৌর বিএনপির আহবায়ক দিদারুল আলম মিয়াজী, মিরসরাই পৌর বিএনপির আহবায়ক মহিউদ্দিন, বারইয়াহাট পৌর বিএনপির সদস্য সচিব নিজাম উদ্দিন কমিশনার সহ বিএনপি ও সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ।

 

মিরসরাইয়ে শহীদ রওশন-জামান নূরানী মাদ্রাসার উদ্বোধন

মিরসরাই প্রতিনিধি
মিরসরাইয়ে শহীদ রওশন-জামান নূরানী মাদ্রাসার উদ্বোধন করা হয়েছে। রবিবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার ৫ নং ওচমানপুর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের পাতাকোট গ্রামে সহীহ আক্বিদা ও সুন্নাহভিত্তিক দ্বীনি ও আধুনিক আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির উদ্বোধন করা হয় ফিতা কেটে ও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্যদিয়ে। উদ্বোধন উপলক্ষে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মাওলানা মোহাম্মদ ইলিয়াছের সঞ্চালনায় এসময় উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ডা. এস এ ফারুক, বারইয়ারহাট কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সাবেক খতিব মাওলানা আবু তৈয়ব, বর্তমান খতিব মাওলানা নিজাম উদ্দিন আনছারী, গোলকেরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মাওলানা মুক্তার আহম্মদ, বাংলাদেশ ইমাম সমিতি মিরসরাই উপজেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাওলানা গিয়াস উদ্দিন, ওচমানপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুস সাত্তার, ডা. আহম্মদ সোবহান, শহীদ রওশন-জামান নূরানী মাদ্রাসার সহকারী প্রধান শিক্ষক মাওলানা আবুল হাশেম, মাওলানা ওমর ফারুক, মাওলানা আব্দুর রহমান, মাওলানা আব্দুল আলিম, মেজবাউল আলম টিটু কোম্পানী, ফরিদুল আলম স্বপন কোম্পানী প্রমুখ। ফিতা কেটে এবং কোরআন তেলাওয়াতের পাশাপাশি জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্যদিয়ে প্রতিষ্ঠানটির শুভসূচনা করা হয়। সবশেষে বারইয়ারহাট কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সাবেক খতিব মাওলানা আবু তৈয়বের দোয়া ও মোনজাতের মাধ্যমে উদ্বোধনী কার্য্যক্রম শেষ হয়। প্লে, নার্সারী, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর প্রায় অর্ধশত শিক্ষার্থী নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির পাঠদান কার্য্যক্রম চালু করা হয়।
মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ডা. এস এ ফারুক বলেন, সহীহ আক্বিদা ও সুন্নাহভিত্তিক দ্বীনি ও আধুনিক আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান একটি শিক্ষিত সমাজ গঠনে অনন্য ভূমিকা পালন করতে পারে। আমাদের সন্তানদের আধুনিক ও দ্বীনি শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। পর্যায়ক্রমে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিধি আরো বাড়ানো হবে। আমি চাই আমাদের সমাজ হোক সুশিক্ষায় শিক্ষিত এবং নিরক্ষরমুক্ত।

 

 

সরকারের চোখ এখন মানুষের পকেটের দিকে: ডা. শাহাদাত

 

সরকারের চোখ এখন মানুষের পকেটের দিকে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন।

তিনি বলেছেন, সরকার মানুষের পকেট মারছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়ে মানুষকে নিঃস্ব করে দিয়েছে। গত এক বছরের মধ্যে বিদ্যুতের দাম কয়েকবার বাড়ানো হয়েছে। গত বৃহস্পতিবারও এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনকে পাশ কাটিয়ে সরকারের নির্বাহী আদেশে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে। জনবিরোধী সরকারের জনগণের জন্য কোনো দায়িত্ব নেই বলেই তারা এই কাজগুলো করতে পারে। কারণ তাদের তো জবাবদিহি করতে হয় না।

শনিবার (১৪ জানুয়ারি) বিকেলে নগরীর নাসিমন ভবনে দলীয় কার্যালয়ের মাঠে আয়োজিত এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে সোমবার (১৬ জানুয়ারি) কেন্দ্রীয় বিএনপি ঘোষিত বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি এ প্রস্তুতি সভার আয়োজন করে।

ডা. শাহাদাত বলেন, দ্রব্যমূল্য অস্বাভাবিক বৃদ্ধিতে মানুষের এমনিতেই নাভিশ্বাস উঠেছে। এই বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির কারণে জিনিসপত্রের দাম আরও বেড়ে যাবে। এতে মানুষের জীবন যাত্রায় ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

তিনি বলেন, নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি যখন জনজীবনে চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি করছে সেই সময় বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি মানুষের জীবনে মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা হিসেবে আঘাত করলো। এই মূল্যবৃদ্ধির ফলে মানুষের দৈনন্দিন জীবনের ব্যয় বাড়বে। প্রতিটি দ্রব্যের মূল্য আরও বেড়ে যাবে। কোনো মতেই জনগণের পক্ষে এই ব্যয় বহন করা সম্ভব হবে না। এই ধরনের মূল্যবৃদ্ধি গণবিরোধী উদ্যোগ।

এসময় অবিলম্বে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বাতিল করে পূর্বের মূল্যে ফিরে যাওয়ার দাবি জানান তিনি।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. কামরুল ইসলামের পরিচালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির শ্রম সম্পাদক এ এম নাজিম উদ্দিন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব আবুল হাশেম বক্কর, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ আজিজ, যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, এস এম সাইফুল আলম, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, ইসকান্দর মির্জা, আবদুল মান্নান, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হাজী মো. আলী, আনোয়ার হোসেন লিপু প্রমুখ।

বাবার মৃত্যুতে ছাত্রদল নেতাকে প্যারোলে মুক্তি না দেওয়ায় নিন্দা

 

 

ছাত্রদল সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ ও সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল
বাবা মারা যাওয়ার পরও ছাত্রদল নেতাকে প্যারোলে মুক্তি না দেওয়ায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। সংগঠনটির সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ ও সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল এক বিবৃতিতে এ ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

এর আগে শনিবার (১৪ জানুয়ারি) ভোরে মারা যান ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও স্যার সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের সাবেক সভাপতি মো. আব্দুর রহিম রনির বাবা মহসিন মোল্লা। বাবার জানাজায় অংশ নিতে কারাবন্দি আব্দুর রহিম রনি প্যারোলে মুক্তির আবেদন জানান। তবে তাকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়নি।

বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন। একই সঙ্গে তারা শোকসন্তপ্ত পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনের প্রতি শোক ও সমবেদনা জানান।

পাশাপাশি নেতৃবৃন্দ বলেন, আব্দুর রহিম রনি ফ্যাসিস্ট সরকারের কারাগারে অন্যায়ভাবে বন্দি। তিনি যথাযথ আইন অনুযায়ী মৃত বাবার দাফনের জন্য প্যারোলের আবেদন করেন। এরপরও প্রশাসন আব্দুর রহিম রনিকে তার বাবার দাফনসহ শেষ বিদায়ে অংশ নিতে না দেওয়ার মাধ্যমে চরম মানবাধিকার বিরোধী চরিত্রের পুনরাবৃত্তি করেছে।

এ সময় ছাত্রদল সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক প্রশাসন ও রাষ্ট্রের এ ধরনের আচরণের তীব্র ধিক্কার ও প্রতিবাদ জানান।