মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Home Blog Page 112

মিরসরাইয়ে ৬১৩জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দিয়েছে এস রহমান ট্রাস্ট

মিরসরাই প্রতিনিধি :::
মিরসরাইয়ে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিয়েছেন এস রহমান ট্রাস্ট। বৃহস্পতিবার (১২ জানুয়ারি) সকালে মহাজনহাট ফজলুর রহমান স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ট্রাস্টের উদ্যোগে ৬১৩ জন শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

ট্রাস্টের সদস্য ও এস রহমান আইডিয়াল স্কুলের সভাপতি সাবেদুর রহমান সুমুর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সাবেক মন্ত্রী, বাংলদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য, স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি।
মহাজনহাট ফজলুর রহমান স্কুল এন্ড কলেজের প্রভাষক আজমল হোসেনের সঞ্চালনায় প্রধান আলোচকের বক্তব্য রাখেন, আইটি বিশেষজ্ঞ ও উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মাহবুব রহমান রুহেল।

এইসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক একেএম জাহাঙ্গীর ভূঁইয়া, করেরহাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এনায়েত হোসেন নয়ন, জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম মাষ্টার, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের স্ত্রী আয়েশা সুলতানা, ছোট ছেলে আমিন রহমান রুমেল, মহাজনহাট ফজলুর রহমান স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ সোহরাব হোসেন, রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মো. নোমান, এস রহমান ট্রাস্টের সদস্য দারিউস রহমান, চট্টগ্রাম উত্তজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তানভীর হোসেন চৌধুরী তপু প্রমুখ।

জানা গেছে, মিরসরাইয়ের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বাবার নামে প্রতিষ্ঠিত এস রহমান ট্রাস্টের উদ্যোগে প্রতি বছর এসএসসি, এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। তারই ধারাবাহিকতায় ২০২২ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণদের এদিন সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।
এস রহমান ট্রাস্টের অধীনে প্রতিষ্ঠিত মহাজনহাট ফজলুর রহমান স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ সোহরাব হোসেন জানান, মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহ যোগাতে প্রতিবছর ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি’র পৃষ্ঠপোষকতায় এবারও সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। এবার উপজেলায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৬১৩ জন শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রেস্ট, সনদ ও ৫ হাজার টাকার প্রাইজবন্ড দেওয়া হয়েছে।

বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত গণবিরোধী ও অবিবেচনাপ্রসূত : মির্জা ফখরুল

 

বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বর্তমান সরকার জনগণের নির্বাচিত সরকার নয় বলেই জনগণের চরম দুর্দিনে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির এই অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির এই সিদ্ধান্ত গণবিরোধী এবং অবিবেচনাপ্রসূত।

 

তিনি বলেন, প্রতিমাসে দাম সমন্বয়ের নামে প্রকারান্তরে দফায় দফায় বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি করা হবে, যা জনগণের সাথে খুচরা চালাকি।

শুক্রবার (১৩ জানুয়ারি) বিএনপির ভারপ্রাপ্ত দফতর সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।

আবারো বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সরকারের ব্যর্থতা, দুর্নীতি, ভ্রান্ত নীতির ফলে দেশের অর্থনীতিতে এবং জনজীবনে তীব্র সংকট চলছে। চাল, ডাল, তেল, চিনিসহ সকল দ্রব্যমূল্যের চরম ঊর্ধ্বগতিতে জনজীবনে যখন নাভিশ্বাস উঠেছে, জনগণের জীবনযাত্রার ব্যয় যখন লাগামহীনভাবে ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে, যখন মানুষ কাজ হারিয়ে বেকার হচ্ছে, কর্মসংস্থান নেই বললেই চলে, তখন সরকারের এই তুঘলকি সিদ্ধান্ত ‘মরার উপর খাড়ার ঘা’।’

‘দুই মাস আগে পাইকারী পর্যায়ে মূল্যবৃদ্ধির পর এবার খুচরা তথা গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ফলে কৃষি সেচে, কল-কারখানায় উৎপাদনে ব্যয় বৃদ্ধিসহ জীবনযাত্রার ব্যয় এবং প্রতিটি জিনিসের মূল্য আরো বৃদ্ধি পাবে,’ মন্তব্য করেন তিনি।

বিবৃতিতে তিনি আরো বলেন, ‘বিদ্যুৎ সেক্টরে সীমাহীন দুর্নীতি ও অনিয়মের মাশুল দিতে হচ্ছে জনগণকে। কুইক রেন্টাল, বিদ্যুৎ উৎপাদন না করেই বসিয়ে রেখে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের ক্ষমতাসীনদের মদতপুষ্ট মালিকদেরকে ক্যাপাসিটি চার্জের নামে জনগণের টাকায় লাভবান করা হচ্ছে। দুর্নীতি, অপচয়, অব্যবস্থাপনার জন্য বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় এখন জনগণের পকেট কাটা হচ্ছে।’

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিবৃতিতে অবিলম্বে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির সরকারি গণবিরোধী সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানিয়ে বলেন, ইতোমধ্যে ১১ জানুয়ারি গণ অবস্থান কর্মসূচি থেকে ১০ দফা দাবিসহ বিদ্যুতের দাম কমানোর দাবিতে বিএনপিসহ আন্দোলনরত রাজনৈতিক দল ও জোট আগামী ১৬ জানুয়ারি দেশব্যাপী মহানগর এবং উপজেলা পর্যায়ে সমাবেশ ও মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

তিনি জনসাধারণ এবং বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের প্রতি আগামী ১৬ জানুয়ারি প্রতিবাদ সমাবেশ ও মিছিলে যোগ দিয়ে সরকারের এই গণবিরোধী সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানানোর আহ্বান জানান।

 

খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ৫ শতাংশ বাড়লো

 

দেশে প্রথমবারের মতো নির্বাহী আদেশে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে সরকার। খুচরা পর্যায়ে এ দাম বৃদ্ধির পরিমাণ ৫ শতাংশ।

 

বৃহস্পতিবার (১২ জানুয়ারি) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার।

চলতি জানুয়ারি থেকেই নতুন দাম কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়, আবাসিক গ্রাহকদের মধ্যে শূন্য থেকে ৫০ ইউনিট ব্যবহারকারী লাইফলাইন গ্রাহকদের বিদ্যুতের দাম ইউনিট প্রতি ৩ টাকা ৭৫ পয়সা থেকে বেড়ে ৩ টাকা ৯৪ পয়সা, শূন্য থেকে ৭৫ ইউনিট ব্যবহারকারীর বিদ্যুতের দাম ৪ টাকা ১৯ পয়সা থেকে বেড়ে ৪ টাকা ৪০ পয়সা, ৭৬ থেকে ২০০ ইউনিট ব্যবহারকারীদের ৫ টাকা ৭২ পয়সা থেকে বেড়ে ৬ টাকা ১ পয়সা, ২০১ থেকে ৩০০ ইউনিট ব্যবহারকারীদের ৬ টাকা থেকে বেড়ে ৬ টাকা ৩০ পয়সা, ৩০১ থেকে ৪০০ ইউনিটের জন্য ৬ টাকা ৩৪ পয়সা থেকে বেড়ে ৬ টাকা ৬৬ পয়সা, ৪০১ থেকে ৬০০ ইউনিটের জন্য ৯ টাকা ৯৪ পয়সা থেকে বেড়ে ১০ টাকা ৪৫ পয়সা এবং ৬০০ ইউনিটের ওপরে বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী আবাসিক গ্রাহকদের বিদ্যুৎ বিল ১১ টাকা ৪৯ পয়সা থেকে বেড়ে ১২ টাকা ৩ পয়সা করা হয়েছে।

সংশোধিত বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) অধ্যাদেশের ক্ষমতাবলে সরকার প্রথমবারের মতো নির্বাহী আদেশে বিদ্যুতের দাম বাড়ালো।

বিশেষ ক্ষেত্রে বিইআরসি ছাড়াই ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেল, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম নির্ধারণ, পুনর্নির্ধারণ ও সমন্বয়ে সরকারকে ক্ষমতা দেয়া হয়েছে ‘বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২২’-এ। গত ১ ডিসেম্বর অধ্যাদেশটি জারি করা হয়। অধ্যাদেশটিকে এখন আইনে পরিণত করার প্রক্রিয়া চলছে।

সর্বশেষ ২০২০ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি সব পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়। সেসময় পাইকারিতে দাম ৮ দশমিক ৪ শতাংশ বাড়ানোর পাশাপাশি সাধারণ গ্রাহক বা খুচরা পর্যায়ে ৫ দশমিক ৩ শতাংশ বাড়ানো হয়।

মিরসরাই প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি নিজাম উদ্দিন আর নেই

মিরসরাই প্রতিনিধি
মিরসরাই প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, মাসিক মীরসরাই ও সাপ্তাহিক বন্দরনগরীর সম্পাদক ও প্রকাশক মুহাম্মদ নিজাম উদ্দিন (৬৫) ইন্তেকাল করেছেন ( ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নাইলাইহি রাজিউন)। বুধবার (১১ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টায় ভারতের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা গেছেন। তিনি লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে সেখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন। মুহাম্মদ নিজাম উদ্দিন মিরসরাই পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ড নাজিরপাড়া গ্রামের মরহুম মোজফ্ফর আহম্মদের বড় ছেলে। উনার মৃত্যুতে মিরসরাইয়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

মিরসরাই প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. নুরুল আলম বলেন, নিজাম ভাই এভাবে আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে এতো তাড়াতাড়ি না ফেরার দেশে চলে যাবেন ভাবতে পারছিনা। মিরসরাইয়ের সাংবাদিকরা একজন অভিবাবক হারিয়েছে। তিনি আমাদের ছায়া দিয়ে আগলে রেখেছিলেন। উনার শুন্যতা পূরণ হওয়ার মতো না। তিনি আরো বলেন, ভারতে বিভিন্ন প্রক্রিয়া শেষে শুক্রবার ( ১৩ জানুয়ারি) উনার মরদেহ দেশে নিয়ে আসা হবে বলে পারিবারিকভাবে জানা গেছে।

মুহাম্মদ নিজাম উদ্দিন মৃত্যুকালে মা, স্ত্রী, এক ছেলে এক মেয়ে সহ অসংখ্য গুনগ্রাহী, আত্মীয়-স্বজন রেখে গেছেন।

 

 

দেশ আজ কারাগারে পরিণত হয়েছে : ফরহাদ

 

জাতীয়তাবাদী সমমনা ১১ দলীয় জোটের সমন্বয়ক এনপিপির চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ বলেছেন, গোটা দেশ আজ কারাগারে পরিণত হয়েছে। জনগণ আজ মুক্তভাবে বাতাস নিতে পারছে না। বর্তমান সরকার গণতন্ত্রকে চার দেয়ালের মাঝে আবদ্ধ করে রেখেছে। দেশবাসী এই গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধারের জন্য চূড়ান্ত আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। আর এ আন্দোলনে দেশের সকল গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল একাত্মা প্রকাশ করেছে।

 

বুধবার রাজধানীর বিজয়নগরে বিএনপি ঘোষিত ১০ দফা বাস্তবায়নের দাবিতে গণঅবস্থান কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন।

ফরহাদ বলেন, সরকারের নগ্ন হস্তক্ষেপে বিচার বিভাগ আজ ধ্বংসের পথে। সরকারি দলের লুটের কারণে ব্যাংক দেউলিয়ার পথে। হাজার কোটি টাকা পাচার করে বিদেশে করা হচ্ছে সাম্রাজ্য। আর দেশের মানুষ দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি পেট ভরে ভাত খেতে পারছে না।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রের প্রতিটি সেক্টর আজ আওয়ামী সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি। এদের হাত থেকে এ দেশকে মুক্ত করতে না পারলে দেশের অর্থনীতি, সহবস্থান এবং বাকস্বাধীনতা ফিরিয়ে আনা যাবে না।

সমাবেশ শেষে ফরিদুজ্জামান ফরহাদ আগামী ১৬ জানুয়ারি সারাদেশে ১০ দফাসহ বিদ্যুতের দাম কমাতে বিক্ষোভ মিছিলের ঘোষণা দেন।

এসময় আরো বক্তব্য রাখেন জাগপার খন্দকার লুৎফর রহমান, এসএম শাহাদাত, ডিএল‘র সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি, ন্যাপ ভাসানীর অ্যাডভোকেট আজহারুল ইসলাম, এনপিপির মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, ফরিদ উদ্দিন, বিকল্প ধারা বাংলাদেশের অধ্যাপক ড. নুরুল আমিন বেপারী, শাহ আহমেদ বাদল, গণদলের এটিএম গোলাম মাওলা চৌধুরী, সাম্যবাদী দলের কমরেড নুরুল ইসলাম, বাংলাদেশ ন্যাপের এমএন শাওন সাদেকী ও ইঞ্জিনিয়ার আবদুল বারিকসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

বারইয়ারহাটে তিন ফার্মেসীকে জরিমানা

মিরসরাই প্রতিনিধি
মিরসরাই উপজেলার বারইয়ারহাট পৌর বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে তিনটি ফার্মেসীকে জরিমানা করা হয়েছে। লাইসেন্স দৃশ্যমান না রাখা, অনুমতি বিহীন ঔষধ সামগ্রী বিক্রয় ও অনুমোদনহীন আমদানিকৃত ঔষধ এবং শিশুখাদ্য বিক্রয়ের দায়ে প্রতিষ্ঠানগুলোকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। জরিমানাকৃত প্রতিষ্ঠান হলো মেসার্স জোবেদা ফার্মেসি, রহমানিয়া ফার্মেসি ও আরাফ ফার্মেসি।

বুধবার (১১ জানুয়ারী) অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মিজানুর রহমান। এসময় চট্টগ্রাম ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর এর সহকারী পরিচালক সাখাওয়াত হোসেন রাজু উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মিজানুর রহমান জানান, দৃশ্যমান লাইসেন্স না রাখা, অনুমোদনহীন, মেয়াদোত্তীর্ণ, বিক্রয়ের অনুমতি বিহীন ঔষধ সামগ্রী এবং শিশু খাদ্য বিক্রিয়ের দায়ে তিনটি ফার্মেসীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

এছাড়াও অন্যান্য ফার্মেসীগুলোকে সতর্ক করা হয়েছে এবং জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

 

মিরসরাইয়ের পশ্চিম মায়ানী দারুসসুন্নাহ মাদ্রাসায় পাঠ্যবই, কুরআন ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

 

মিরসরাই প্রতিনিধি

মিরসরাই উপজেলার পশ্চিম মায়ানী দিঘীর পাড়া দারুসসুন্নাহ মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মাঝে বিসমিল্লাহ এন্টারপ্রাইজের সৌজন্যে বিনামূল্যে পাঠ্যবই, শিক্ষা উপকরণ ও কোরআন শরিফ বিতরণ করা হয়েছে। আবুতোরাব বিসমিল্লাহ
এন্টারপ্রাইজের সৌজন্যে বিনামূল্যে পাঠ্যবই, শিক্ষা উপকরণ ও কোরআন শরিফ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিসমিল্লাহ এন্টারপ্রাইজ এর পরিচালক, মিরসরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক আবুল হোসেন বাবুল। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ শোয়াইব, মহিন উদ্দিন সহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

 

৩২ দিনের মাথায় কারামুক্ত ফখরুল-আব্বাস

 

পুলিশের ওপর হামলার পরিকল্পনা ও উসকানি দেওয়ার অভিযোগে পল্টন থানার মামলায় গ্রেফতারের ৩২ দিনের মাথায় কারামুক্তি পেয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।

সোমবার (৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৫টা ৫০ মিনিটে তারা ঢাকার কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্ত হয়েছেন।

 

আসামিপক্ষের আইনজীবী জাকির হোসেন জুয়েল বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, হাইকোর্টের দেওয়া জামিন আদেশ আজ সিএমএম আদালতের জুডিসিয়াল মুন্সিখানায় এলে আমরা জামিননামা দাখিল করি। এ জামিননামা কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার পৌঁছালে তা যাচাই-বাছাই করে তাদের কারামুক্তি দেওয়া হয়।

 

গত ৮ জানুয়ারি প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ ফখরুল-আব্বাসকে ছয় মাসের জামিন দিয়ে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ বহাল রাখেন।

একই সঙ্গে হাইকোর্টে জামিন প্রশ্নে জারি করা রুল আগামী ৩০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে বলা হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের করা জামিন বাতিলের আবেদনটিও নিষ্পত্তি করে দেন আদালত।

এর আগে গত ৩ জানুয়ারি হাইকোর্টের বিচারপতি মো. সেলিম ও বিচারপতি মো. রিয়াজ উদ্দিন খানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ মির্জা ফখরুল ও মির্জা আব্বাসকে ছয় মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর করে আদেশ দেন। একই সঙ্গে কেন তাদের স্থায়ী জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে চার সপ্তাহের রুলও জারি করেন আদালত।

 

এরপর আসামিদের জামিন স্থগিত চেয়ে গত বুধবার (৪ জানুয়ারি) সকালে আপিল বিভাগে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। ওইদিনই আবেদনের শুনানি নিয়ে চেম্বার বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন বিষয়টি শুনানির জন্য আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন। আর আপিল বিভাগে শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত আসামিপক্ষকে নিম্ন আদালতে জামিননামা দাখিল না করতে বলা হয়।

গত ৮ ডিসেম্বর দিনগত রাতে নিজ বাসা থেকে ফখরুল ও আব্বাসকে আটক করে ডিবি পুলিশ। পরদিন ৯ ডিসেম্বর পুলিশের ওপর হামলার পরিকল্পনা ও উসকানি দেওয়ার অভিযোগে পল্টন থানায় করা মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে তোলা হয়। এসময় মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক তরিকুল ইসলাম। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জামিন আবেদন করেন।

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জসিম জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে ফখরুল-আব্বাসকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। সেদিন থেকে কারাগারেই রয়েছেন তারা।

 

গত ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশের স্থান নির্ধারণ নিয়ে উৎকণ্ঠা-উত্তেজনার মধ্যে ৭ ডিসেম্বর নয়াপল্টনে জমায়েত হওয়া দলটির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। এতে একজনের মৃত্যু ও শতাধিক লোক আহত হন।

বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে হাতবোমা ছোড়া হয়েছে অভিযোগ করে কার্যালয়ের ভেতরে অভিযান চালায় পুলিশ। গ্রেফতার করা হয় কেন্দ্রীয় কয়েকজন নেতাসহ কয়েকশ নেতাকর্মীকে।

পরদিন অর্থাৎ ৮ ডিসেম্বর রাতে মির্জা ফখরুল ও মির্জা আব্বাসকে নিজ বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়। ৯ ডিসেম্বর পুলিশের ওপর হামলা ও উসকানি দেওয়ার মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। তাদের পক্ষে জামিন আবেদন করা হলেও নিম্ন আদালত কয়েক দফায় তা নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মিরসরাইয়ে ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের জন্মদিন উপলক্ষে ছাত্রলীগের উদ্যোগে রচনা প্রতিযোগীতা

মিরসরাই প্রতিনিধি :::
সাবেক মন্ত্রী, বাংলদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য, স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপির ৮০ তম জন্মদিন উপলক্ষে রচনা প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৯ জানুয়ারি) মিরসরাই উপজেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে ১৮ টি কেন্দ্রে প্রায় ২০০০ হাজার শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।

উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ে পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন, উপজেলা চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহফুজা জেরিন, চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (মিরসরাই সার্কেল) ইফতেখার হাসান, মিরসরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কবির হোসেন, ইছাখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুরুল মোস্তফা, খৈয়াছড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাহফুজুল হক জুনু, মিরসরাই প্রেস ক্লাবের সভাপতি নুরুল আলম, সিনিয়র সাংবাদিক বিপুল দাশ, ওয়াহেদপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ফরিদুল হাসান টিপু, উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি আশরাফুল কামাল মিটু, উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক মাসুদ করিম রানা, যুগ্ম আহবায়ক একরামুল হক সোহেল, জাফর ইকবাল নাহিদ, আরিফুর রহমান, রচনা প্রতিযোগিতার প্রধান সমন্বয়ক মো. মহসিন সহ উপজেলা, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি-সম্পাদকরা উপস্থিত ছিলেন।

উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তানভীর হোসেন চৌধুরী তপু বলেন, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি মিরসরাই নয় তথা চট্টগ্রামের উন্নয়নের জন্য আজীবন কাজ করে গেছেন। উনার নামের উপর এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। যা সত্যি প্রশংসার দাবিদার।
উপজেলা চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন বলেন, আমাদের প্রিয় নেতা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের আগামী ১২ জানুয়ারি ৮০ তম জন্মদিন। এই বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদ মিরসরাই সহ চট্টগ্রামের উন্নয়নে উনার অবদানের কথা বলে শেষ করা যাবে না। উনার ৮০ তম জন্মদিন উপলক্ষে মিরসরাই উপজেলা ছাত্রলীগ রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে তা সত্যি প্রশংসনীয়। এছাড়া এই বীর মুক্তিযোদ্ধা সাবেক মন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে উপজেলার বিভিন্ন এলকায় প্রতিবন্ধিদের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ, সেলাই মেশিন বিতরণ ও রাজনৈতিক জীবন নিয়ে ডকুমেন্টরি সহ বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে।

মিরসরাইয়ে এপিএসের কার্যালয় উদ্বোধন

মিরসরাই প্রতিনিধি
মিরসরাইয়ে এ.পি.এস.এর (অল প্রফেশনাল সার্ভিসেস) কার্যালয় উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার ( ৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় মিরসরাই পৌর সদরের কলেজ রোড়ে, পৌরসভার মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় ফিতা কেটে কার্যালয়ের অনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন মিরসরাই পৌরসভার মেয়র মো. গিয়াস উদ্দিন। এসময় উপস্থিত ছিলেন মিরসরাই কলেজের অধ্যক্ষ নুরুল আবছার, উপাধ্যক্ষ নাছির উদ্দিন, প্রতিষ্ঠানের উপদেষ্টা নিজামপুর সরকারি কলেজের রসায়ন বিভাগের সহকারি অধ্যাপক হায়দার হাসান মাহমুদ, কেডিএস গার্মেন্টস ডিভিশনের সাবেক সিএফও কামরুল হাসান এফসিএ, ট্যাক্স এন্ড কোম্পানি ল এডভাইজার মো. মনজুর কাদের চৌধুরী, প্রতিষ্ঠানের পরিচালক জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক সহকারি পরিচালক মো. নুরুল হুদা, এম এ হাশেম চৌধুরী, মো. নুর উদ্দিন জাহেদ, এডভোকেট সাহাদাত হোসেন, মো. নাজমুল হাসান, মিরসরাই ডায়াবেটিস সেন্টারের পরিচালক ডাঃ আহমেদ মঈনুল ইসলাম, নিজামপুর সরকারি কলেজের অধ্যাপক জসিম উদ্দিন, মিরসরাই সরকারী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মহিউদ্দিন, সাহেরখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসান মাহফুজ সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, ব্যবসায়ী, পেশাজীবি ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, এপিএস জায়গা-জমি সংক্রান্ত মানুষকে লিগ্যাল/আইনি সেবা, কর্পোরেট আয়কর ও ভ্যাট ও সংক্রান্ত, কর্পোরেট একাউন্টস এন্ড অডিট, কর্পোরেট কোম্পানী গঠন ও কর্পোরেট লাইসেন্স সংক্রান্ত সকল ধরনের সেবা প্রদান করবেন।