রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Home Blog Page 17

জমিয়তকে ৪ আসনে ছাড়ের ঘোষণা বিএনপির

বিএনপির সঙ্গে আসন সমঝোতার মাধ্যমে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেবে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ। দলটিকে চারটি আসনে ছাড় দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি।

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) বেলা সোয়া ১২টার দিকে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ সময় জমিয়তের নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপি মহাসচিব জানান, সিলেট-৫ আসনে জমিয়তের সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক, নীলফামারী-১ আসনে মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল আফেন্দী, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

ফখরুল জানান, এসব আসনে বিএনপি কোনো প্রার্থী দেবে না। দলের সিদ্ধান্ত সবাইকে মানতে হবে। কেউ বিদ্রোহী প্রার্থী হলে দল তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।

তিনি আরও জানান, জমিয়ত নেতারা তাদের দলীয় প্রতীক খেজুর গাছ নিয়ে নির্বাচন করবেন।

লাখো মানুষের কাছে তিনি ছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু আমাদের কাছে তিনি ছিলেন ‘দাদু’ – জাইমা রহমান

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে এক আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন নাতনি জাইমা রহমান। মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) তিনি ফেসবুক পেজে তার দাদিকে (বেগম খালেদা জিয়াকে) নিয়ে স্মৃতিচারণ করে এ পোস্ট দেন।

পোস্টে জাইমা রহমান লেখেন, দাদুকে নিয়ে আমার সবচেয়ে প্রিয় স্মৃতিগুলোর একটি হলো পরিবারকে আগলে রাখা একজন অভিভাবক হিসেবে তিনি কতটা মমতাময়ী ছিলেন! আমার বয়স তখন এগারো। আমাদের স্কুলের ফুটবল টিম একটা টুর্নামেন্ট জিতেছিল, আর আমি মেডেল পেয়েছিলাম।

আম্মু আমাকে সরাসরি দাদুর অফিসে নিয়ে গিয়েছিলেন, আমি যেন নিজেই দাদুকে আমার বিজয়ের গল্পটা বলতে পারি; তাকে আমার বিজয়ের মেডেলটা দেখাতে পারি। আমি খুব উচ্ছ্বসিত হয়ে গোলকিপার হিসেবে কী-কী করেছি, সেটা বলছিলাম; আর স্পষ্ট টের পাচ্ছিলাম, দাদু প্রচন্ড মনোযোগ নিয়ে আমাকে শুনছেন। তিনি এতটাই গর্বিত হয়েছিলেন যে, পরে সেই গল্পটা তিনি অন্যদের কাছেও বলতেন।

তিনি লেখেন, আমি সব সময়ই জানতাম, আমার দাদুর কাঁধে একটা দেশের দায়িত্ব। তবুও আমার স্মৃতিতে দাদু হলেন পরিবারকে আগলে রাখা একজন মমতাময়ী অভিভাবক। লাখো মানুষের কাছে তিনি ছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু আমার আর আমার কাজিনদের কাছে তিনি ছিলেন ‘দাদু’।

আমাদের ‘দাদু’। তিনি সবসময় আমাদের খেয়াল রাখতেন, আমাদের জন্য সময় বের করতেন, আর যেসব মুহূর্ত আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল, সেগুলোতে আমাদের সাহস দিতেন, উজ্জীবিত করতেন।

এই ছোট-ছোট মুহূর্তগুলো থেকেই আমি নেতৃত্বের প্রথম শিক্ষা পাই। সেটি হলো, নম্রতা, আন্তরিকতা আর মন দিয়ে শোনার মানসিকতা।

বাংলাদেশের বাইরে কাটানো সতেরোটা বছর আমার জীবন অনেকভাবে বদলে দিয়েছে। কিন্তু আমি কখনোই আমার শিকড় ভুলে যাইনি। কারণ, আমাদের সত্তার যে ভিত্তি, আমাদের যে সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ; সেটিই আমাদেরকে মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে, পরিচয় বহন করে।

প্রবাসে থাকা দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রজন্মের অনেক বাংলাদেশির মতো আমিও নিজ দেশের বাইরে, ভিন্ন দেশে অনেকগুলো বছর কাটিয়েছি। লন্ডনের দিনগুলো আমাকে বাস্তববাদী করেছে, একটা বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি দিয়েছে। যদিও আমার হৃদয়-মন সব সময় বাংলাদেশেই ছিল।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মেয়ে জায়মা লেখেন, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা আমাকে শৃঙ্খলা ও বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান শিখিয়েছে। তবে মানুষের সঙ্গে কাজ করা আমাকে শিখিয়েছে আরও অনেক বেশি; শিখিয়েছে দায়িত্বশীল হতে, বিপদগ্রস্তের পাশে দাঁড়াতে। আইন পেশায় কাজ করার সময় কাছ থেকে দেখা মানুষগুলোর গল্প, আর সেই গল্পগুলোর যৌক্তিক এবং আইনগত সমাধান খোঁজার দায়িত্ব আমাকে আলোড়িত করে।

প্রত্যেক ক্লায়েন্ট, প্রতিটি মামলা, প্রতিটি মানুষের সমস্যা, কারও না কারও জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। যারা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, অবহেলার শিকার হয়েছেন, তাদের পাশে দাঁড়িয়ে সেই বিশ্বাস দিতে হয় যে, তাদের বিষয়টি দেখা হচ্ছে, শোনা হচ্ছে, সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। কারও জীবনের সবচেয়ে কঠিন দিনে তার পাশে দাঁড়ানোর অভিজ্ঞতা যে শিক্ষাটা দেয়, সেটা কোনো ক্লাসরুম দিতে পারে না। এই প্রতিটা ধাপ আমাকে ভাবতে শিখিয়েছে, মানুষ হিসেবে কেমন হতে চাই।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কথা সরণ করে তিনি লেখেন, আমি আমার দাদাকে কখনো দেখিনি। কিন্তু তার সততা আর দেশপ্রেমের কথা সব সময় শুনে এসেছি। ‘দাদু’ আর ‘আব্বু’ সেই আদর্শটাই বয়ে নিয়ে চলেছেন।

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের সময় এবং ৫ আগস্টের আগে-পরের সময়টাতে আমি যতটুকু পেরেছি, নেপথ্যে থেকে সাধ্যমতো ভূমিকা রাখার চেষ্টা করেছি। অধিকাংশ সময় বলেছি কম, বরং শুনেছি বেশি। ছোট-ছোট কাজের মাধ্যমে তাদের বোঝা একটু হালকা করার চেষ্টা করেছি।

দেশে ফেরার কথা জানিয়ে তিনি লেখেন, অনেকগুলো বছর পর দেশে ফিরছি। দেশে ফেরা মানে আবেগ আর অনুভূতির এক অনন্য সংমিশ্রণ। দেশে ফিরে ইনশাআল্লাহ, আমি ‘দাদু’র পাশে থাকতে চাই।

এই সময়টাতে আব্বুকে সর্বাত্মক সহায়তা করতে চাই। একজন দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে দেশের জন্য সর্বস্ব দিয়ে সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখতে চাই। নিজের চোখে, নিজের অভিজ্ঞতায় প্রিয় বাংলাদেশকে নতুন করে জানতে চাই; মানুষের সঙ্গে সামনাসামনি কথা বলতে চাই। যেভাবে এগুনো দরকার, আমি চাই বাংলাদেশ আবারও সেভাবে সামনে এগিয়ে যাক, গর্জে উঠুক।

তিনি আরও লেখেন, আমি জানি, আমার পরিবারকে ঘিরে দেশের জনগণের কৌতূহল রয়েছে, প্রত্যাশা রয়েছে। সেটি কখনো আশার, কখনো প্রশ্নের। সেই প্রত্যাশা পূরণের দায়ভারও রয়েছে। জনগণের সেই প্রত্যাশা পূরণের চাপ আমরা সবাই কোনো না কোনোভাবে অনুভব করি; পরিবারে, বন্ধুত্বে, সমাজে।

সংক্ষেপে, আমার নিজের ভাষায়, এই হলো আমার গল্প। আমাদের প্রত্যেকের জীবনে একটা নিজস্ব গল্প আছে। এই গল্পগুলোকে ধারণ করে, আমরা সবাই হয়তো একসঙ্গে বাকি পথটা হাঁটতে পারি।

পবিত্র শবে মেরাজ ১৬ জানুয়ারি

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশের আকাশে ১৪৪৭ হিজরি সনের পবিত্র রজব মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে সোমবার (আজ) থেকে পবিত্র রজব মাস গণনা শুরু হবে। সেই অনুযায়ী আগামী ১৬ জানুয়ারি (শুক্রবার) দিনগত রাতে সারাদেশে পবিত্র শবে মিরাজ উদযাপিত হবে। গতকাল রোববার সন্ধ্যায় রাজধানীর বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। শবে মেরাজের দিন বাংলাদেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে। তবে সরকারি প্রতিষ্ঠানে এ দিন ঐচ্ছিক ছুটি। তবে এবার শবে মেরাজ পড়েছে সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্রবারে।

সভায় উপদেষ্টা জানান, সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, আবহাওয়া অধিদফতর, মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের আকাশে ১৪৪৭ হিজরির রজব মাসের চাঁদ দেখার সংবাদ পাওয়া গেছে। এজন্য সোমবার থেকে রজব মাস গণনা শুরু হবে। আগামী ১৬ জানুয়ারি পবিত্র শবে মেরাজ পালিত হবে। ‘শবে মেরাজ’ অর্থ ঊর্ধ্ব গমনের রাত। মুসলমানদের ধর্ম বিশ্বাস অনুযায়ী, ২৬ রজব দিবাগত রাতে ঊর্ধ্বাকাশে ভ্রমণ করে মহানবী হয়রত মোহাম্মদ (স.) আল্লাহ তা’য়ালার সাক্ষাৎ লাভ করেছিলেন। এ বছর সেই রাতটি পড়েছে আগামী ১৬ জানুয়ারি।

নতুন প্রধান বিচারপতি হচ্ছেন জুবায়ের রহমান চৌধুরী

 

অনলাইন ডেস্ক

 

নতুন প্রধান বিচারপতি হচ্ছেন জুবায়ের রহমান চৌধুরী বাংলাদেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি। বর্তমান প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ আগামী ২৭ ডিসেম্বর অবসরে যাচ্ছেন। সে অনুযায়ী ২৮ ডিসেম্বর নতুন প্রধান বিচারপতির শপথ গ্রহণের কথা রয়েছে। দেশের ২৬তম নতুন প্রধান বিচারপতি হচ্ছেন জুবায়ের রহমান চৌধুরী।

সোমবার (২২ ডিসেম্বর) এই ঘোষণা করা হয়েছে। যেকোনো সময় এ বিষয়ে গেজেট প্রকাশ হবে।এর আগে তিনি সাবেক প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ বিদেশ সফরে থাকায় তার ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

উল্লেখ্য, জুবায়ের রহমান চৌধুরী ১৯৮৫ সালে জজ কোর্টে এবং ১৯৮৭ সালে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট জুবায়ের রহমান চৌধুরী অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগে নিয়োগ পান। দুই বছর পর হাইকোর্ট বিভাগে তার নিয়োগ স্থায়ী হয়। ২০২৪ সালের ১২ আগস্ট রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন তাকে আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেন।

তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি অনার্স ও এলএলএম ডিগ্রি নেওয়ার পর যুক্তরাজ্যে আন্তর্জাতিক আইনের ওপর আরেকটি মাস্টার্স করেছেন।

চট্টগ্রাম-১ মিরসরাই আসনে মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেছেন নুরুল আমিন চেয়ারম্যান

 

আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসন থেকে মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করলেন মিরসরাইয়ের সাবেক চেয়ারম্যান চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক নুরুল আমিন চেয়ারম্যান।

সোমবার (২২ ডিসেম্বর) চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার নিকট থেকে মনোয়ননপত্র সংগ্রহ করেন নুরুল আমিন চেয়ারম্যান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মিরসরাই উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব সালাউদ্দিন সেলিম, উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য লায়ন আবু তাহের, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলমগীর, সাবেক যুগ্ম আহবায়ক নুরুল আবছার চেয়ারম্যান, বারইয়ারহাট পৌরসভা বিএনপির সাবেক আহবায়ক দিদারুল আলম মিয়াজী, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব গাজী নিজাম উদ্দিন, উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক সরওয়ার উদ্দিন সেলিম, সাবেক সহ-সভাপতি নুর হোসেন চেয়ারম্যান, সাবেক আহবায়ক মহিউদ্দিন, সাবেক সদস্য সচিব জাহিদ হুসাইন, বিএনপি নেতা শাহিনুল ইসলাম স্বপন, মাসুকুল আলম সোহান, গোলাম জাকারিয়া, নাজমুল হক সোহাগ, মঞ্জুরুল হক মঞ্জু, মাজহার চৌধুরী, ইয়াছিন মিজান,বিএনপি নেতা ইমাম হোসেন বাবলু, তৌহিদ উদ দৌজা, মিরসরাই উপজেলা যুবদলের আহবায়ক কামাল উদ্দিন, জোরারগঞ্জ থানা যুবদলের আহবায়ক সিরাজুল ইসলাম, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শাহ মো. ফোরকান উদ্দিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সরোয়ার হোসেন রুবেল, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান, মিরসরাই পৌরসভা ছাত্রদলের সদস্য সচিব ইনজামামুল হক ইমন প্রমুখ৷

চট্টগ্রাম-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নুরুল আমিন চেয়ারম্যান চট্টগ্রামে রিটার্রিং কার্যালয় থেকে ফরম সংগ্রহ করেছেন। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) বেলা ১২ টায় বিএনপি নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে ফরম সংগ্রহ করেন তিনি।

চট্টগ্রামে পোস্টাল ভোটে ৪৭ হাজারের বেশি প্রবাসী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোটাধিকার প্রয়োগে চট্টগ্রামের প্রবাসী বাংলাদেশিদের আগ্রহ বাড়ছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনে এখন পর্যন্ত মোট ৪৭ হাজার ৩৪৭ জন প্রবাসী ভোটার পোস্টাল ব্যালটের জন্য নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন।

রোববার (২১ ডিসেম্বর) দুপুর ১টা পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রবাসীরা নির্বাচন কমিশনের চালু করা পোস্টাল ভোট বিডি অ্যাপের মাধ্যমে এসব নিবন্ধন করেন বলে নিশ্চিত করেছে নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্ট সূত্র। নিবন্ধিত ভোটারদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ৪৪ হাজার ৭৮৬ জন এবং নারী ভোটার ২ হাজার ৫৬০ জন। এর মধ্যে যাচাই-বাছাই শেষে এখন পর্যন্ত ৩৮ হাজার ৭৬৯ জন ভোটারের আবেদন অনুমোদন দেওয়া হয়েছে এবং ৮ হাজার ৫৭৮ জন ভোটারের আবেদন যাচাই প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, আবেদন যাচাইয়ের কাজ চলমান রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও তথ্য সঠিক থাকলে বাকি আবেদনগুলোও দ্রুত সময়ের মধ্যে অনুমোদন দেওয়া হবে।

ইসির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনে পোস্টাল ভোটারের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এ আসনে নিবন্ধিত প্রবাসী ভোটার ৮ হাজার ৮০ জন, যার মধ্যে নারী ভোটার ১৪৪ জন এবং পুরুষ ভোটার ৭ হাজার ৯৩৬ জন।

এর পরেই রয়েছে চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসন, যেখানে পোস্টাল ভোটার নিবন্ধন করেছেন ৪ হাজার ৯০ জন প্রবাসী। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী ও নগরের অংশ) আসন, যেখানে নিবন্ধিত ভোটারের সংখ্যা ৩ হাজার ৫০৩ জন। চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনে ৩ হাজার ২৬২ জন, চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনে ৩ হাজার ২১৫ জন এবং চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনে ২ হাজার ৯৬৬ জন প্রবাসী ভোটার পোস্টাল ব্যালটের জন্য নিবন্ধন করেছেন।

এ ছাড়া চট্টগ্রাম-১০ (খুলশী হালিশহর) আসনে ২ হাজার ৭০৫ জন, চট্টগ্রাম-৮ (চান্দগাঁও বোয়ালখালী) আসনে ২ হাজার ৬৯৯ জন, চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনে ২ হাজার ৬৮৪ জন, চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ সাতকানিয়া আংশিক) আসনে ২ হাজার ৬৪৮ জন এবং চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনে ২ হাজার ৩৫৬ জন প্রবাসী ভোটারের নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে। চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর) আসনে ১ হাজার ৯১৪ জন, চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী বাকলিয়া) আসনে ১ হাজার ৭৬৫ জন এবং চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে ১ হাজার ৪০৪ জন প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন করেছেন।

সবচেয়ে কম পোস্টাল ভোটার রয়েছে চট্টগ্রাম-১৩ (কর্ণফুলী আনোয়ারা) আসনে, যেখানে নিবন্ধিত ভোটারের সংখ্যা ১ হাজার ২৬৭ জন। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, আগামী ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রবাসী ভোটাররা পোস্টাল ভোট বিডি অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন করতে পারবেন। পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে হলে প্রবাসী ভোটারকে অবশ্যই যে দেশ থেকে ভোট প্রদান করবেন, সেই দেশের কার্যকর মোবাইল নম্বর ব্যবহার করতে হবে।

নিবন্ধনের জন্য গুগল প্লে স্টোর অথবা অ্যাপ স্টোর থেকে পোস্টাল ভোট বিডি অ্যাপ ডাউনলোড করে প্রয়োজনীয় তথ্য ও কাগজপত্র আপলোড করতে হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

তারেক রহমানের পক্ষে মনোনয়ন সংগ্রহ

 

বগুড়া-৬ (সদর) আসনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতারা।

রোববার (২১ ডিসেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার তৌফিকুর রহমানের কাছ থেকে এই মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করা হয়।

এ সময় বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশাহ, সাধারণ সম্পাদক ও বগুড়া-৪ আসনের প্রার্থী মোশারফ করিম, বগুড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র একেএম মাহাবুবুর রহমান ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ভিপি সাইফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

মনোনয়ন উত্তোলন শেষে জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা গণমাধ্যমকে বলেন, তারেক রহমান ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরার পর যেকোনো সময় নিজ নির্বাচনী এলাকা বগুড়ায় আসবেন। তার নির্দেশে মনোনয়ন ফরম উত্তোলন করা হয়েছে।

বগুড়া-৬ (সদর) আসনে ৪ লাখ ৪৯ হাজার ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। দেশের বৃহত্তর বগুড়া পৌরসভা ও ১১ ইউনিয়ন নিয়ে এই আসনটি ।

মিঠানালা ইউনিয়ন ৭ ও ৯ নং ওয়ার্ডে নির্বাচনী প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

https://www.facebook.com/share/19rxhMC9KA/?mibextid=wwXIfr
https://www.facebook.com/profile.php?id=61584729110319

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে মিঠানালা ইউনিয়ন ৭ ও ৯ নং ওয়ার্ড মলিয়াইশ কেন্দ্রের নির্বাচনী প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে আগামী নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের মনোনীত প্রার্থীকে জয়ী করতে জোর টু ডোর ভোটারের কাছে যাওয়া গণসংযোগসহ নানান দিক নির্দেশনা মূলক বক্তব্য প্রদান করেন।

উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য মাসুদ রানা’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি শাহদাত মামুন। প্রধান অতিথি বক্তব্য দেন উত্তর জেলা সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক ও কেন্দ্রিয় ছাত্র দলের সাবেক সহ সভাপতি সরওয়ার উদ্দিন সেলিম।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ন আহবায়ক এস এম সালাউদ্দিন সেলিম, বিএনপি নেতা নুর নবী (মাইজ্জা সওদাগর), নকিব উদ্দিন, ইউনিয়িন ওলামা দলের সাধারন সম্পাদক কিবরিয়া চৌধুরী, জেলা সেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্ন সম্পাদক ফরহাদ উদ্দিন, জেলা সেচ্ছাসেবক দলের সাবেক প্রশিক্ষন বিষয়ক সম্পাদক নুর উদ্দিন সেলিম, উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য আলতাফ হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আতিকুল ইসলাম সোহাগ, রাইসুল ইসলাম তারেক, সাবেক ছাত্রনেতা আরিফ উদ্দিন, যুবদল নেতা নজরুল ইসলাম, আকরাম আলী, আরিফ হোসেন বাবলু, রেদওয়ান হোসেন, হসনুল হাসান রবিন, কামরুল হাসান ভুট্টু, বাহার মিয়া, শাহদাত হোসেন, উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক তরিকুল রহমান বাবু, উত্তর জেলা ছাত্রদলের সহ সভাপতি আমজাদ হোসেন জিহান সহ বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের অসংখ্য নেতৃবৃন্দ।

 

হাদির জানাজা আগামীকাল বেলা আড়াইটায়

হাদির জানাজা আগামীকাল বেলা আড়াইটায়

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদির নামাজে জানাজা আগামীকাল শনিবার বেলা আড়াইটায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হবে।

শহিদ ওসমান হাদির নামাজে জানাজায় অংশগ্রহণে আগ্রহীদের কোনো ধরনের ব্যাগ বা ভারি বস্তু বহন না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।

হাদি মারা গেছেন

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি আর নেই। গুলিবিদ্ধ হয়ে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টা দিকে তিনি মারা যান (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

সিঙ্গাপুরে ওসমান হাদির চিকিৎসা দেখভালের সঙ্গে যুক্ত থাকা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা আজ রাত ১০টার দিকে প্রথম আলোকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ইনকিলাব মঞ্চের ফেসবুক পেজেও ওসমান হাদির মৃত্যুর খবর জানানো হয়েছে।

এর আগে গতকাল বুধবার রাতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছিল, গুলিবিদ্ধ ওসমান হাদির শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। সেই ঘোষণার পর থেকে তাঁর জীবন নিয়ে মানুষের মধ্যে শঙ্কা বাড়তে থাকে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে দোয়া ও উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

আওয়ামী লীগ ও ভারত বিরোধী বক্তব্যের কারণে শরিফ ওসমান হাদি সাম্প্রতিক সময়ে আলোচিত ছিলেন।