মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Home Blog Page 42

মিরসরাইয়ে এম.এ হায়দার প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয়ে মা সমাবেশ অনুষ্ঠিত

 

মিরসরাই প্রতিনিধি::

মিরসরাইয়ে এম.এ হায়দার প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয়ের মা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার ধুম ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ মোবারক ঘোনা (আবাসন প্রকল্প) এলাকায় অবস্থিত এম.এ হায়দার প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যায়ের আয়োজনে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমজাদ হোসেনের সভাপতিত্বে এবং সহকারী শিক্ষক আশ্রাফ উদ্দিনের সঞ্চালনায় মা সমাবেশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এম.এ হায়দার প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান আলী হায়দার টিপু।
প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাহেরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরুল হক। বিশেষ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মেহেরুন নেছা ফয়েজ উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র সহকারী শিক্ষক নুরুল কাদের হোসাইনী, এম.এ হায়দার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক এমদাদুল হক এবং শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন এম.এ হায়দার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী শিক্ষক অহিদুন্নবী রাসেল, নাহেরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ হাসান, দক্ষিণ মোবারকঘোনা আবাসন প্রকল্পের সভাপতি আব্দুল মোতালেব, সাধারণ সম্পাদক আবুল খায়ের।

মা সমাবেশে আগত অভিভাবক মায়েরা বিভিন্ন মতামত ব্যক্ত করে। উক্ত মা সমাবেশ অনুষ্ঠানে শিক্ষক-শিক্ষিকা, পরিচালনা কমিটির সদস্য, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

এম.এ হায়দার প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান আলী হায়দার টিপু বলেন, ২০১০ সালের ১৫ নভেম্বর মিরসরাইয়ের ধুম ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ মোবারকঘোনা এলাকায় পিছিয়ে পড়া, অজপাড়া গাঁয়ে শিক্ষার আলো ছড়াতো এবং আলোকিত মানুষ গড়তে, এই ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীকে একধাপ এগিয়ে নিতে প্রতিষ্ঠা করা হয় এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে এম.এ হায়দার প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয়ে ১২ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং প্রায় আড়াইশ শিক্ষার্থী রয়েছে।

 

মিরসরাইয়ে সোবাহানিয়া দরবার শরীফে ঐতিহাসিক আজিমুশ্শান ওয়াজ মাহফিল কাল

মিরসরাই প্রতিনিধি
চট্টগ্রামের মিরসরাই সোবাহানিয়া দরবার শরীফের ১১৫ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঐতিহাসিক আজিমুশ্শান ওয়াজ মাহফিল আগামীকাল বুধবার (১লা জানুয়ারী) বিকেল ৩টা থেকে সোবহানিয়া জামেয়া-ই-নাছেরীয়া ট্রাস্ট ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে।

বাংলাদেশ মাজলিসুল মুফাসিরীন এর সহ-সভাপতি ও সোবহানীয়া কমপ্লেক্সে, মিরসরাইয়ের পীর সাহেব (শাহ আল্লামা) আবদুল মোমেন নাছেরীর সভাপতিত্বে মাহফিলে প্রধান মেহমান হিসেবে উপস্থিত থাকবেন শহীদ আল্লামা দেলোয়ার হোসাইন সাঈদী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আলহাজ¦ শায়েখ শামীম বিন সাঈদী।

বিশেষ মেহমান হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, এস.এইচ এজেন্সি লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলহাজ¦ সৈয়দ আব্দুল আলীম, বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ,ধর্মীয় আলোচক ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ডেপুটি এটর্নি জেনারেল এডভোকেট সাইফুর রহমান, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (অবসরপ্রাপ্ত) আলহাজ¦ মো. রোকন উদ-দ্দৌলা, আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ^বিদ্যালয় বায়তুল মোয়াজ্জম জামে মসজিদের খতিব প্রফেসর ডঃ মো. সফিউদ্দিন মাদানী।

প্রধান মুফাসসির হিসেবে উপস্থিত থাকবে ইসলাহুল উম্মাহ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মাওলানা আবু হানীফ নেছারী।

প্রধান ওয়ায়েজ হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, আন্তর্জাতিক মজলিসে তাহাফফুজে খতমে নবুওয়ত নায়েবে আমির, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহা-সচিব শাইখুল হাদীস আল্লামা মহিউদ্দিন রাব্বানী।
বিশেষ ওয়ায়েজ হিসেবে উপস্থিত থাকবে, চট্টগ্রাম সরকারি পলিটেকনিকেল জামে মসজিদের খতিব ও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মুফাসসিরে কোরআন অধ্যাপক মাওলানা বোরহান উদ্দিন, বারো আউলিয়া বাইতুল আমান জামে মসজিদের খতিব আলহাজ¦ মাওলানা আব্দুল হালিম হেলালী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মিরসরাই উপজেলার আমীর মাওলানা নুরুল কবির, সোবহানীয়া জামেয়া-ই-নাছেরীয়া ট্রাষ্টের পরিচালক পীরজাদা আবু তাহসিন নাছেরী।

 

মিরসরাইয়ে শেখের তালুক গোলাম রহমান নুরানী মাদ্রাসার উদ্বোধন

 

নিজস্ব প্রতিনিধি

মিরসরাই উপজেলার ১৫ নং ওয়াহেদপুর ইউনিয়নের শেখের তালুক গ্রামে শেখের তালুক গোলাম রহমান নুরানী মাদ্রাসার উদ্বোধন করা হয়েছে। মাদ্রাসার উদ্বোধনের পাশাপাশি বই বিতরণ অনুষ্ঠান মাদ্রাসা পরিচালনা পরিষদের সভাপতি নাজিম উদ্দিন সবুজের পরিচালনায় ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা সাইদুল ইসলামের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন দাতা পরিবারের সদস্য মিজানুর রহমান, পারভেজ রহমান জনি, ডোমখালী নুরুল উলুম ইদ্রিসিয়া মাদ্রাসার নূরানী বিভাগের প্রধান মাওলানা আমিরুজ্জামান, মাদ্রাসা পরিচালক সরোয়ার আলম রাসেল, শিক্ষানুরাগী হাফেজ মাওলানা আশরাফ উদ্দিন। শেখের তালুক জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির কোষাধ্যক্ষ আলহাজ্ব দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মসজিদ পরিচালনা কমিটির সাবেক সেক্রেটারি নূর নবী ভূঁইয়া, সাবেক সেক্রেটারি নুরুল আমিন, প্রবাসী ব্যবসায়ী আশরাফ উদ্দিন সুমন, বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক এসপি মতিন উল্ল্যাহ, উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য জামাল উল্লাহ, শাহ আলম, নুরুল গনি, বেলায়েত হোসেন, আজিম, রেজাউল করিম ওহিদসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

শিক্ষক হাফেজ জাবের উদ্দিনের পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্যদিয়ে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে বক্তারা শাজাহান মাহমুদ ফাউন্ডেশনের কার্যক্রমের প্রশংসা করেন এবং প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের ধারাবাহিকতার জন্য দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন। আলোচনা সভা শেষে শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন বই প্রদান ও শাহজাহান মাহমুদ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে স্কুল ব্যাগ বিতরণ করা হয়। এছাড়া হাফেজ মাওলানা আশরাফ উদ্দীন ও প্রবাসী ব্যবসায়ী আশরাফ উদ্দিন সুমনের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি নাজিম উদ্দিন সবুজের সমাপনী বক্তব্যের মধ্যদিয়ে আলোচনা পর্ব শেষে দেশ, জাতি ও প্রতিষ্ঠানের কল্যাণ কামনায় দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন ওয়াহেদপুর জামে মসজিদের খতিব সাইদুল ইসলাম।

হযরত শাহ সূফি মাওলানা নূর আহম্মদ (রঃ) দাখিল মাদরাসায় ফলাফল প্রকাশ

 

মিরসরাই প্রতিনিধি

মিরসরাই উপজেলার বড়কমলদহ হযরত শাহ সূফি মাওলানা নূর আহম্মদ (রঃ) দাখিল মাদরাসায় ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার ( ৩০ ডিসেম্বর) বার্ষিক ফলাফল ঘোষণা করা হয়। মাদরাসা সুপার মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে ও সহকারী শিক্ষক নুরুল ইসলাম এর পরিচালনায় ফলাফল ঘোষণা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদরাসা কমপ্লেক্স পরিচালনা কমিটি সাধারণ সম্পাদক এস এম হারুন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদরাসা দাখিল শাখা পরিচালনা কমিটির সভাপতি
সভাপতি মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, ওরস পরিচালনা কমিটির সভাপতি এনামুল ভুঁইয়া, দাখিল শাখা পরিচালনা কমিটির সদস্য ইলিয়াস উদ্দিন মাসুদ, আবু তাহের সহ নেতৃবৃন্দ।

শহীদের রক্তের বিনিময়ে লেখা সংবিধান কবর দেয়ার কথা বললে কষ্ট লাগে : মির্জা আব্বাস

 

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, ‘শহীদের রক্তের বিনিময়ে লেখা সংবিধান, সেই সংবিধানকে যখন কবর দেয়ার কথা বলা হয়। তখন কিন্তু আমাদের কষ্ট লাগে।’

রোববার (২৯ ডিসেম্বর) রাজধানীর নয়াপল্টনে একটি কমিউনিটি সেন্টারে সাংবাদিকদের সাথে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় সভায় তিনি একথা বলেন।

মির্জা আব্বাস বলেন, ‘আমি বলতে বাধ্য, একাত্তর সালের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছি, সম্মুখ সারি থেকে যুদ্ধ করেছি। যুদ্ধে আমার কাছের অনেক বন্ধু-বান্ধব শহীদ হয়েছেন। শহীদের রক্তের বিনিময়ে লেখা সংবিধান, সেই সংবিধানকে যখন কবর দেয়ার কথা বলা হয় তখন কিন্তু আমাদের কষ্ট লাগে। ওই সংবিধানে যদি খারাপ কিছু থাকে নিশ্চয়ই সেটা বাতিলযোগ্য। তবে সংবিধান রাফ খাতা নয়, যে ছুঁড়ে ফেলবো। যদি নতুন কোনো সংবিধান লিখতে হয় তা-ও তো লিখতে হবে- আগের অমুক সালের সংবিধান বাতিল করে এই সংবিধান জারি করা হলো।’

‘সুতরাং এই সংবিধানকে সংশোধন করা যাবে। সংবিধান স্বাধীনতার পর থেকে চলে আসছে। এই সংবিধানকে যারা মিস ইউজ করেছে, যারা অপব্যবহার করেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেন। মাথাব্যথা হলে কি মাথা কেটে ফেলতে হয়? মাথাব্যথা হলে মাথা কেটে ফেলতে হয় না, ওষুধ খেতে হয়,’ বলেন তিনি।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বিএনপির শীর্ষস্থানীয় এই নেতা বলেন, ‘ভুল বুঝবে না। কবর দিয়ে দেবো, মেরে ফেলবো কেটে ফেলবো- কথাগুলো কিন্তু ফ্যাসিবাদের মুখের কথা। এ কথাগুলো কিন্তু ভালো কথা নয়। জাতি তাকিয়ে আছে তোমাদের দিকে, আমরাও তাকিয়ে আছি তোমাদের দিকে। তোমাদের মুখ থেকে এ ধরনের কথা আমরা আশা করি না।’

মির্জা আব্বাস বলেন, ‘জাতির কাছে প্রশ্ন জাগে, আমারও জাগে, আওয়ামী লীগকে আবার ফিরে আসার রাস্তা করে দিচ্ছি না তো? এই যে আজকে বৈষম্যমূলক কথাবার্তা বলা হচ্ছে, এই কিছুক্ষণ আগে আমাদের ছেলে-মেয়েরা যারা নাকি আন্দোলনের স্ফুলিঙ্গ হিসেবে কাজ করেছে ৫ আগস্ট, এককভাবে তারা এই আন্দোলনকে নিজেদের করে নিতে চায়। কিন্তু আপনারা দেখেছেন, আমরাও জানি, আমরাও দেখেছি, যখন বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলন নিভু নিভু তখন কিন্তু প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সামনে এগিয়ে আসে, সাধারণ মানুষ সামনে এগিয়ে আসে, আমরা এগিয়ে যাই। আমাদের বিএনপির রাজনৈতিক কর্মীই ৪৬২ জন মারা গেছে এর মধ্যে। নিশ্চয় নেতৃত্বে একজন থাকবে, পিছনে হাজারো লোক থাকবে কিন্তু এককভাবে কেউ কারো দাবি করা ঠিক না। এতে কিন্তু জনমনে বিভেদ সৃষ্টি হবে।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘কিছু লোক বাহির থেকে সরকার গঠন করে ফেলেছেন মনে হয় এরকম। তারা আবার বলেনও, এদের সাথে কথাবার্তা হয়। তাদের কথাবার্তার বোঝা যায় যে ঝাঁঝ, আজকে আমাদের ছাত্রভাইদের কথাবার্তার যে ঝাঁঝ একই রকম। আমরা তাহলে একাত্তর সালে কি করলাম? আমার প্রশ্ন এই জায়গায়, একাত্তর সালে জাতি কী করলো? আমরা কী অন্যায় করেছিলাম? আমি জানি, একটা পক্ষ বলবে, হ্যাঁ, ওইদিন পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশকে স্বাধীন করে অন্যায় করেছেন। বলতে পারেন, স্বাধীনতা আছে। কিন্তু আমরা কী অন্যায় করেছিলাম যুদ্ধ করে? এই দেশকে স্বাধীন করে?’

আমাদের ভালো প্রতিবেশী নেই মন্তব্য করে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘মাথায় রাখতে হবে, আমাদের দেশের পাশে যারা আছে তারা আমাদের স্থির থাকতে দিতে চায় না। আমাদের মনে রাখতে হবে আমরা ওদের সুযোগ দিতে চাই না, সুযোগ দিবো না। আজকে বাংলাদেশ নিয়ে কত কথা বলতেছে, কেউ চট্টগ্রাম নিয়ে যায়, কেউ লালমনিরহাট নিয়ে যায়, কেউ দিনাজপুর নিয়ে যায়, হরিলুটের মাল বাংলাদেশ! না, সম্ভব না।’

‘এই যে আগুন, আনসার বিদ্রোহ এসমস্ত বিষয়গুলো এমনি এমনি হচ্ছে না, কেউ না কেউ উস্কানি দিচ্ছে। তারা সচিবালয়েই বসে আছে। তারা আজকে উপদেষ্টাবৃন্দদের সহযোগী হয়ে আছেন। সবাইকে কিন্তু আমরা চিনি,’ বলেন তিনি।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রেস কনফারেন্সের দিকে ইঙ্গিত করে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘অহঙ্কার আল্লাহ তায়ালা পছন্দ করেন না, হাসিনা অহঙ্কার করেছিল, পতন হয়ে গেছে। অহঙ্কারী কথাবার্তা বলতো, পতন হয়ে গেছে কিন্তু। সুতরাং এমন কথা না বলাই ভালো। এমন কথা না বলাই ভালো যা আল্লাহ পছন্দ করেন না, দেশের মানুষ পছন্দ করেন না। জাতির ভিতরে দয়া করে আপনারা বিভক্তি আনবেন না। এত কষ্টের অর্জন, হাসিনার পতন সেই কষ্টের অর্জনকে দয়া করে কয়েকজন লোকের ইশারায় কথা বলে, বালখিল্যতা করে জাতিকে বিভক্ত করবেন না, এটা আমার অনুরোধ।’

তিনি আরো বলেন, ‘বিএনপি কখনো ক্ষমতা যাওয়ার কথা বলে না, সে কথা ভাবে না। আমাদের দল ভোটাধিকারের কথা বলে। নির্বাচন, দেশের মানুষের অধিকারের জন্য আমরা জীবন দিয়েছি, জেল খেটেছি। নির্বাচন হলে বিএনপি ক্ষমতায় আসবে, এটা বিএনপি বা আমরা ভাবি না। এ কথা ভাবে সাধারণ মানুষ।’

অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘দুদিন আগেও পতিত স্বৈরাচারের দোসরকে সচিবালয়ে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এভাবে আপনারা কি সংস্কার করবেন? জাতির মনে প্রশ্ন জাগে, আমার মনেও প্রশ্ন জাগে।’

তিনি বলেন, ‘দেশের সংবাদপত্র আগেও স্বাধীন ছিল, বরাবরই স্বাধীন। কিন্তু সাংবাদিকদের স্বাধীনতা নেই, মালিকপক্ষ যা বলে তাদেরকে তাই করতে হয়। এর বাইরে কিছু করার নেই।’

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম, যুগ্ম-মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক সালাহ উদ্দিন আহমেদ, সহ-সমাজকল্যাণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু, সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিন প্রমুখ।

সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকা ছাড়া দেশের কল্যান সম্ভব না-আলাউদ্দিন সিকদার

 

মিরসরাই প্রতিনিধি:

চট্টগ্রাম উত্তর জেলা জামায়াতের আমীর আলা উদ্দিন সিকদার বলেছেন, সবাই ঐক্যবদ্ধ ছাড়া দেশের কল্যান সম্ভব হবে না। তাই সকলকে এক হয়ে কাজ করতে হবে। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন দুঃসময় ও সুসময় দুটির মাধ্যমে বান্দাদের পরীক্ষা আদায় করেন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী গত ১৬ থেকে ১৭ বছর দুঃসময় পার করেছে। ২৪ এর স্বৈরাচার বিরোধী ছাত্র জানতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে জামায়াতে ইসলামী এখন সুসময়ে প্রবেশ করেছে। এটি মহাল আল্লাহর দেয়া অশেষ নিয়ামত। এমন নিয়ামতের পরিবেশকে কাজে লাগিয়ে আল্লাহর ইকামতের দিনের দাওয়াত আল্লাহর বান্দাদের কাছে পৌঁছে দিতে হবে ‌। অন্যথায় মহান আল্লাহর নিকট দায়িত্ব অবহেলার কৈফিয়ত দিতে হবে।

রবিবার ( ২৯ ডিসেম্বর) বিকেলে মিরসরাই উপচেলার বারইয়ারহাট শাহ আমানত হোটেলের কনফারেন্স হলে ২নং হিংগুলী ইউনিয়ন জামায়াতের আয়োজনে পেশাজীবী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হিঙ্গুলী ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মোহাম্মদ আবু তৈয়বের সভাপতিত্বে ও ইউনিয়ন পেশাজীবি পরিচালক মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জোরারগঞ্জ থানা জামায়াতে ইসলামী সেক্রেটারী মাঈন উদ্দিন, সহকারী সেক্রেটারি আনোয়ার হোসেন, জোরারগঞ্জ থানা পেশাজীবী বিভাগের পরিচালক ওমর ফারুক, সমাজ কল্যাণ বিভাগের জসিম উদ্দিন, ধুম ইউনিয়ন জামায়তের আমীর মুসলিম উদ্দিন, বিশিষ্ট আইজীবি এডভোকেট আশরাফ উদ্দিন, হিঙ্গুলী ইউনিয়ন জামায়াতের সহকারি সেক্রেটারি হাফেজ বেলাল হোসাইন।
সম্মেলনে শুরুতেই জোরারগঞ্জ থানা ও হিঙ্গুলী ইউনিয়ন পেশাজীবী বিভাগের কমিটি ঘোষণা করা হয়। ২০২৫-২৬ সেশনে জামায়াতের শুরা সদস্য মোঃ ওমর ফারুককে সভাপতি ও প্রফেসর ফারুক হায়দার মিলনকে সেক্রেটারি ১০ সদস্য বিশিষ্ট ২ বছরের কমিটি ঘোষণা করা হয়। কমিটি ঘোষণা করেন প্রধান অতিথি চট্টগ্রাম উত্তর জেলা জামায়াতের আমির আলাউদ্দিন সিকদার। এছাড়া সংগঠনের রোকন সদস্য মিজানুর রহমানকে পরিচালক, আলমগীর হোসেনকে সভাপতি ও ডাক্তার মাজহারুল আলমকে সেক্রেটারি করে ১৬ সদস্যের ২নং হিঙ্গুলী ইউনিয়ন পেশাজীবি বিভাগের কমিটি ঘোষণা করেন ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর আবু তৈয়ব।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলা উদ্দিন সিকদার আরো বলেন, ৪ দলীয় ঐক্যজোট সরকারের আমলে জামায়াতের ২ জন নেতা মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। কিন্তু এমন কোন মিডিয়া কিংবা সংস্থা বলতে পারবেনা জামাতের নেতারা কোন প্রকার দূর্নীতি করেছে। সততা ও স্বচ্ছতার উদাহরণ শুধু মাত্র জামায়াতের কাছেই রয়েছে এই দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে। কারণ জামায়াত ইসলাম আল্লাহর আইন ও রাসুলের জীবন আদর্শ কায়েমের রাজনীতি করে। তাই এই দেশকে দূর্নীতি মুক্ত একটি সফল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার স্বার্থে জামায়াতে ইসলামী সরকার গঠন করা জরুরি।

 

স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে ‘ইগনাইট মিরসরাই’র ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

 

মিরসরাই প্রতিনিধি

সামাজিকে সংগঠন ‘ইগনাইট মিরসরাই’ কর্তৃক ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও ঔষধ বিতরণ ও ফ্রি ব্লাড গ্রুপ নির্ণয় কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) উপজেলার খাজুরিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে উক্ত অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

সংগঠনের সহ-সভাপতি মোঃ শহিদ উল্যাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ওয়াদেপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক সালাহ উদ্দিন সেলিম।

সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা অ্যাডভোকেট নাজমুল হাসান ও সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মহিউদ্দিনের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ১৫ নং ওয়াদেপুর ইউনিয়নের জামায়াতে আমীর মাওলানা সিরাজুল ইসলাম।

সমাজ সেবক ও অবসারপ্রাপ্ত সেনা সদস্য ফখরুদ্দীন নিজামীর পৃষ্ঠপোষকতায় উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ১৫ নং ওয়াদেপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মোঃ তোবারক হোসেন, ব্যবসায়ী ইউনূছ নবী মিনার, ইস্টার্ণ ব্যাংকের রিলেশানশীপ ম্যানেজার রেজাউল হান্নান চৌধুরী, মার্কেন্টাইল ইন্সুরেন্স লিঃ এর সহকারী ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মীর হোসেন, ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসির প্রেন্সিপাল অফিসার মোঃ নাজিম উদ্দিন, মিরসরাই প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম. মাঈন উদ্দিন, সমাজ সেবক ও রাজনীতিবিদ শফিকুল মাওলা প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে রোগীদের সচেতনামূলক ব্ক্তব্য প্রদান ও সেবাদান করেন মেডিসিন ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ মোঃ নাজমুল ইসলাম রিয়াদ এবং মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃ নুর তমিজ ভুঁইয়া রিয়াদ। এছাড়াও মিরসরাই সেবা হাসপাতাল কর্তৃক রোগীদের ফ্রি ব্লাড গ্রুপ নির্ণয়ে সহায়তা করা হয়।

ইগনাইট মিরসরাই প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক আকবর হোসেনের সার্বিক পরিচালনায় অনুষ্ঠানে ইগনাইট মিরসরাইয়ের কার্যকরী কমিটি ও ১৫ নং ওয়াদেপুর ইউনিয়নের সদস্যগণ ছাড়াও বিভিন্ন ইউনিয়নের সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন। ক্যাম্পে আগত রোগীরা বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় এই সেবা পেয়ে আয়োজক ও পৃষ্টপোষকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মহিউদ্দিন বলেন, ইগনাইট মিরসরাই মূলত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ নিয়ে কাজ করে। কিন্তু সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে আমরা গরীব ও অসহায় রোগীদের সেবা প্রদানের জন্য এই মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করছি। উপজেলার ১৬ টি ইউনিয়নে আমরা এই কর্মযজ্ঞ অব্যাহত রাখবো।

সমাজ সেবক ফখরুদ্দীন নিজামী বলেন, মানুষের মাঝে স্বাস্থ্য সচেতনতা সৃষ্টির জন্য এই মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও ওয়াহেদপুরের মানুষের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জনবান্ধব নানা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

 

ঢাকাস্থ মিরসরাই জাতীয়তাবাদী ফোরামের সদস্য সংগ্রহ অভিযান

 

মিরসরাই প্রতিনিধি

ঢাকাস্থ মিরসরাই জাতীয়তাবাদী ফোরামের সদস্য সংগ্রহ অভিযান শুরু হয়েছে। শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) সাভার, আশুলিয়া, বাইপাইস, ধামরাই ও নবীনগরে অবস্থানরত ফোরামের নেতাকর্মী ও সমর্থকগনের নিয়ে সকাল ১০ ঘটিকার সময় স্টীফটেক ইন্টারন্যাশনাল,বাইপাইল বাস স্ট্যান্ড, (এস এ পরিবহনের নিকটে)ডিইপিজেড রোড় আলোচনা সভা ও সদস্য সংগ্রহ অভিযান অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ঢাকাস্থ মিরসরাই জাতীয়তাবাদী ফোরামের প্রধান উপদেষ্টা আ,ক,ম জান্নাতুল করিম খোকন,আহবায়ক মো:আইয়ুব খান, যুগ্ম আহবায়ক আনোয়ার হোসেন , সদস্য সচিব এডভোকেট মো: মুজাহিদুল ইসলাম।
এতে অত্র জোনের প্রধান সমন্বয়ক মো: নুরুন্নবী সভাপতিত্ব করেন।
আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন মো: মঈন উদ্দিন, আলমগীর হোসেন, সিরাজুল ইসলাম সহ আরো অনেকে।
এতে অত্র জোনে সদস্য সংগ্রহ অভিযান পরিচালনা করা হয় এবং সদস্য সংগ্রহ অভিযান গতিশীল করার আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে।

 

সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক সাহেরখালী উপশাখায় গ্রাহক সমাবেশ

মিরসরাই প্রতিনিধি
সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি মিরসরাই উপজেলার সাহেরখালী উপশাখায় গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) দুপুরে ভোরের বাজারে ব্যাংক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত গ্রাহক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি বড়দারোগাহাট শাখার ব্যবস্থাপক মো. মাজহারুল হক। ব্যাংকের সাহেরখালী উপশাখার ইনচার্জ মো. জসীম উদ্দিনের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন সাহেরখালী হাবিবিয়া গনিয়া দাখিল মাদরাসা সুপার মাওলানা আনোয়ার উল্ল্যাহ আল মামুন, ব্যাংকের বড়দারোগাহাট শাখার সহকারী ব্যবস্থাপক আশরাফুল আলম, ভোরের বাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. মাসুদুর রহমান। সমাবেশে বাজারের ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক, সামাজিক সহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

 

 

মিরসরাইয়ে শহীদ মুজাহিদ স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

 

মিরসরাই প্রতিনিধি

মিরসরাইয়ে শহীদ মুজাহিদ স্মৃতি আন্তঃওয়ার্ড ফুটবল টুর্নামেন্টে উদ্বোধন হয়েছে। বুধবার ( ২৫ ডিসেম্বর) সকালে মিরসরাই সদর ইউনিয়ন ছাত্র ও যুব সমাজের উদ্যোগে ১ম আসরের খেলায় উদ্বোধন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিঠাছরা বাজার পরিচালনা কমিটির আহবায়ক কামাল উদ্দিন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিরসরাই সদর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর হাফেজ মাওলানা ওমর ফারুক। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা নোমান ফারক, মিঠাছরা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জামশেদ আলম, মারুফ প্রাথিমক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন, মজহারুল চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক রেজাউল করিম। উদ্বোধনী খেলায় মিঠাছরা উচ্চ বিদ্যালয়কে ২-০ গোলের ব্যবধানে পরিজত করে মজহারুল হক চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয় ফুটবল একাদশ।