মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Home Blog Page 47

চট্টগ্রামে চিন্ময় সমর্থকদের হামলায় আইনজীবী নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রামে বাংলাদেশ সনাতন জাগরণ জোটের মুখপাত্র অধ্যক্ষ চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর মুক্তির দাবিতে ইসকন সমর্থকদের হামলায় সাইফুল ইসলাম আলিফ নামে এক আইনজীবী নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রাম আদালত ভবনের সামনের সড়কে এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ অ্যাডভোকেট এনামুল। তিনি বলেন, ‘নিহত অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম চট্টগ্রাম আদালতের আইনজীবী ছিলেন।’

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) হুমায়ুন করীর বলেন, ‘বিক্ষোভকারীদের হামলায় এক আইনজীবী নিহতের খবর পেয়েছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের সঙ্গে ছয় প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন রয়েছে। পরিস্থিতি এখন শান্ত।’

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী কায়েছ উদ্দিন দিদার জাগো নিউজকে বলেন, ‘অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম রঙ্গন কমিউনিটি সেন্টারের গলির মুখে ছিলেন। সেখান থেকে চিন্ময় সমর্থকরা তাকে ধরে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে।’

সিনিয়র আইনজীবী নুরুল মোস্তফা সোহেল বলেন, ‘মসজিদে হামলার খবর পেয়ে আলিফ ঘটনাস্থলে গিয়েছিল। সেখান থেকে ধরে নিয়ে গিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।’

এর আগে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিন না মঞ্জুর করায় তার বহন করা প্রিজনভ্যানটি আদালত প্রাঙ্গণে আড়াই ঘণ্টা আটকে রাখেন তার সমর্থকরা। এক পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ সময় চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের সমর্থকরা বিভিন্ন স্থাপনা ও আইনজীবীদের গাড়িতে হামলা শুরু করে।

ছত্রভঙ্গ হয়ে ইসকন সদস্যরা আদালতের কেন্দ্রীয় মসজিদের জানালার কাচ ভাঙচুরের অভিযোগ করেন মুসল্লিরা। এছাড়া আইনজীবীদের পাঁচটি প্রাইভেটকার ও ১০টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। পরে নগরের লালদিঘী ও কোতোয়ালি এলাকায় তাদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও মুসল্লিদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

চট্টগ্রাম কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফজলুল কাদের চৌধুরী বলেন, ‘রাস্তা ফাঁকা করতে পুলিশ টিয়ারগ্যাস ছুড়লে ইসকন কর্মীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে বিভিন্ন ভবনে ও গাড়িতে হামলা শুরু করে।’

মিরসরাইয়ে বাড়ির উঠান থেকে মোটরসাইকেল চুরি

 

মিরসরাই প্রতিনিধি::
মিরসরাইয়ে বাজাজ কোম্পানীর এন-১৬০ মডেলের একটি মোটরসাইকেল বাড়ির উঠান থেকে চুরি হয়েছে। শনিবার (২৩ নভেম্বর) দিবাগত রাতে উপজেলার জোরারগঞ্জ থানা এলাকার মুন্সিগ্রামের একটি বাড়ি থেকে মোটরসাইকেলটি চুরি হয়।
এই ঘটনায় মোটরসাইকেলের মালিক বাদি হয়ে জোরারগঞ্জ থানায় পুলিশের কাছে সধারণ ডায়রি (নং-২৫৬৭) করেছেন।
মোটরসাইকেলের মালিক এরাদুল হক ভূঁইয়া জানান, গত ৩ মাস আগে মোটরসাইকেলটি ক্রয় করেন। যাহার ইঞ্জিন নং ৬৭০৬১, চেচিস নং ০০৪৬০। গাড়ির কালার লাল রং ছিলো। প্রতিদিনের ন্যায় গাড়িটি তালা লাগিয়ে বাড়ির সামনে রাখা হয়। রাতে চুরি হয়ে যায়। কিস্তিসহ গাড়িটির দাম ২ লাখ ১০ হাজার টাকা। মোটরসাইকেলের মালিক এরাদুল হক ভূঁইয়া বলেন,‘গাড়ি চুরি হওয়ার পরে একটি নাম্বার থেকে ফোন দিয়ে ৩০ হাজার টাকা দাবি করে। পরে ১৫ হাজার পাঠায়। এরপর থেকে ফোন দেওয়া নাম্বারটি বন্ধ রয়েছে।
এবিষয়ে জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এটিএম শিফাতুল মাজদার জানান, মোটরসাইকেল চুরির একটি অভিযোগ পেয়েছি। আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

দেশে ফ্যাসিবাদের জনক শেখ মুজিবুর রহমান: মির্জা ফখরুল

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আওয়ামী লীগ কখনোই গণতান্ত্রিক দল ছিল না। তারা ফ্যাসিবাদী দল। ১৯৭২-১৯৭৫ সালে ফ্যাসিবাদের জন্ম দেন শেখ মুজিব। এ দেশে ফ্যাসিবাদের জনক শেখ মুজিবুর রহমান।

শনিবার (২৩ নভেম্বর) সকালে চুয়াডাঙ্গা টাউন ফুটবল ময়দানে বিএনপির এক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, গত ১৬ বছরে কোথাও কুপিয়ে-গুলি করে হত্যা করে বিএনপি নেতাকর্মীদের গুম করেছে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা। পুলিশকে ব্যবহার করেও তারা হত্যা করেছে। গায়েবি মামলা দেওয়া হয়েছে। পুলিশকে যেভাবে ব্যবহার করা হয়েছে সেটি কোনো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সম্ভব নয়।

ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, জনরোষে স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ পালিয়ে গেছে। তাই এখন এসব থেকে আল্লাহর রহমতে বেরিয়ে এসেছে বাংলাদেশ।

জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহমুদ হাসান খানের সভাপতিত্বে ও জেলা বিএনপির সদস্যসচিব শরীফুজ্জামান শরীফের সঞ্চালনায় সম্মেলনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ভার্চুয়ালি বক্তব্য দেন।

এসময় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, নিতাই রায় চৌধুরী, ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জয়ন্ত কুমার কুণ্ডু, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আজিজুল বারী হেলাল, জেলা বিএনপির সদস্যসচিব শরীফুজ্জামান শরীফ, মেহেরপুর জেলা বিএনপির সভাপতি মাসুদ অরুণ ও সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেন, কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ মেহেদী আহমেদ বক্তব্য রাখেন।

সম্মেলনে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ওয়াহেদুজ্জামান, জেলা বিএনপির সদস্য খন্দকার আবদুল জব্বার, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক এম এ তালহা, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ জাহান খান, সাধারণ সম্পাদক মোমিন মালিতা, জাসাস চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সেলিমুল হাবীব, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রশিদ, জেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি কামরুজ্জামান বাবলু, জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী রউফুন নাহার, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি এম জেনারেল ইসলাম ও জেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক তবারক আলী উপস্থিত ছিলেন।

মিরসরাইয়ের ওচমানপুরে জামায়াতের যুব সমাবেশ অনুষ্ঠিত

 

মিরসরাই প্রতিনিধি
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মিরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ থানা শাখার ৫ নং ওসমান পুর ইউনিয়ন শাখার যুব বিভাগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার ( ২৩ নভেম্বর) বিকালে ড্রীম হোম কমিউনিটি সেন্টার মোশাররফ হোসেনের পরিচালনায় ও ওচমানপুর ইউনিয়নজামায়াতের সভাপতি ইকবাল হোসাইন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সমাবেশে
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম উত্তর জেলার আমীর আলা উদ্দিন শিকদার।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুব সভাপতি আনোয়ার ছিদ্দিক চৌধুরী, জোরারগঞ্জ থানা আমীর সাবেক কাউন্সিলর মাওলানা নুরুল হুদা হামিদী, থানা জামায়াতের সেক্রেটারি মাঈন উদ্দিন, বাইতুল মাল সম্পাদক আবদুল গফুর, শুরা ও কর্ম পরিষদ সদস্য মোহাম্মদ ফারুক, ৬ নং ইউনিয়ন সভাপতি মাওলানা জসিম উদ্দিন, হাফেজ ইসমাইল,নুরুল আলম,আবদুল মোতালেব এমদাদুল হক, অহিদুন্নবী রাসেল প্রমুখ।

আলোচনা সভা শেষে মোশারফ হোসেনকে সভাপতি ও ইমাম হোসেনেকে সাধারণ সম্পাদক করে ২০২৪-২০২৫ সালের জন্য ওচমানপুর ইউনিয়ন যুব বিভাগ কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্যরা হলো বায়তুল মাল সম্পাদক ইউসুফ করিম, প্রচার সম্পাদক মোঃ মোজাম্মেল হোসেন রায়হান, যুব ও সমাজকল্যান সম্পাদক মোঃ ইউসুফ, শিক্ষা ও সংস্কৃতি সম্পাদক আব্দুর রহিম মাছুম, ক্রীড়া সম্পাদক আজি হোসেন রিয়াদ ও অফিস সম্পাদক মোঃ নাজমুল হোসাইন।

 

বারইয়ারহাটে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সুধী ও কর্মী সমাবেশ

মিরসরাই প্রতিনিধি
মিরসরাইয়ে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সুধী ও কর্মী সমাবেশ সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে উপজেলার বারইয়ারহাট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় হলরুমে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন ২ নং হিঙ্গুলী ইউনিয়ন শাখা আয়োজিত সমাবেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন হিঙ্গুলী ইউনিয়ন শাখার সাধারন সম্পাদক মোশাররফ হোসেনের সঞ্চালনায় উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন হিঙ্গুলী ইউনিয়ন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি রেদোয়ানুল হক। সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জোরারগঞ্জ থানা জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক মাঈন উদ্দিন। এসময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জোরারগঞ্জ থানা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি আবু তাহের, হিঙ্গুলী ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি নুর নবী, হিঙ্গুলী ইউনিয়ন জামায়াতের সাবেক আমীর নুরুল আলম, হিঙ্গুলী ইউনিয়ন ছাত্র শিবিরের সভাপতি মুশফিকুর রহমান, জোরারগঞ্জ থানা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বায়তুল মাল সম্পাদক মাসুদ করিম, করেরহাট ইউনিয়ন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মোস্তফা জিহাদী, সেক্রেটারী আবুল কাশেম প্রমুখ। এনামুল হকের কোরআন তেলাওয়াতের মধ্যদিয়ে শুরু হয় সমাবেশ। এসময় ইসলামী সংগীত পরিবেশন করেন মোকতার হোসেন জিয়া।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জোরারগঞ্জ থানা জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক মাঈন উদ্দিন বলেন, শ্রমিকরা নানাভাবে তাদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। শ্রমিকদের দাবী ও ইসলামের দৃষ্টিতে শ্রমিকের অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন। শ্রমিক নেতারা ঐক্যবদ্ধ হলে শ্রমিকদের দুর্দশা লাঘব করা যাবে। মেহনতি শ্রমিকদের জন্য শ্রমিক নেতৃবৃন্দ ঐক্যবদ্ধ হতেই হবে। শ্রমিকদের অধিকার আদায়ে কোন ছাড় দেওয়া যাবে না। শ্রমিকদের মানবিক মর্যাদা ও পূর্ণ অধিকার আদায়ে আমরা সদা সজাগ থাকব।

 

মিরসরাইয়ে অদম্যের ‘আইডল’ অন্বেষণে অংশ নিলো ৬৮ শিক্ষার্থী

মিরসরাই প্রতিনিধি
মিরসরাইয়ে ‘অদম্য সেরাদের সেরা’ আইডল অন্বেষণ ৬ষ্ঠ আসরের প্রতিযোগিতার লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৩ নভেম্বর) সকালে সামাজিক ও যুব সংগঠন অদম্য যুব সংঘের আয়োজনে উপজেলার মিঠাছরা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩৭টি মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বর্ষসেরা ৬৮জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।
পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন প্রধান অতিথি মিরসরাই উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মো: নুরুল আমিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন সংগঠনের পৃষ্ঠপোষক নারী উদ্যোক্তা রুহি মোস্তফা, চট্টগ্রাম বন্দরের সাবেক প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী খায়রুল মোস্তফা, শিক্ষানুরাগী দিদারুল আলম মিয়াজি।
পরীক্ষা কমিটির আহবায়ক ও সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি মঞ্জুর আলম ভূঁইয়া জানান, ১০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষায় উর্ত্তীণ শিক্ষার্থীরা মৌখিক পরীক্ষায় ডাক পাবেন। দুটো পরীক্ষার নম্বর সমন্বয় করে উপজেলায় মাধ্যমিকের আইডল ঘোষণা করা হবে। বিজয়ীরা প্রতিবারের ন্যায় আর্থিক চেক, শিক্ষা উপকরণ সহ নানা ধরণের পুরস্কার পাবেন।
কেন্দ্রে প্রধান পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দায়িত্ব পালন করেন মিঠাছড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জামসেদ আলম। সার্বিক তত্ত্বাবধান করেন অদম্য যুব সংঘের পরিচালক এনামুল হক সোহাগ ও সভাপতি নিয়াজ মুহাম্মদ সাজেদ। পরিদর্শক ছিলেন সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হোসেন এবং শিক্ষা ও চিকিৎসা বিষয়ক সম্পাদক মাইনুল হোসেন।
এসময় অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন নুরুল করিম, নিশান, আবিদ, তারিফ, শাহেদুল, এআর রহমান, তামিম, আরমান প্রমুখ।

 

মিরসরাইয়ে ৩৫তম উদয়ন মেধাবৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ১৫০০ শিক্ষার্থী

 

মিরসরাই প্রতিনিধি

মিরসরাইয়ের ঐতিহ্যবাহী স্বর্ণপদক প্রাপ্ত স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন উদয়ন ক্লাবের আয়োজনে ৩৫তম উদয়ন মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার  (২৩ নভেম্বর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলার করেরহাট ইউনিয়নের করেরহাট কামিনী মজুমদার উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষায় দ্বিতীয় শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১৫০০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। করেরহাট কামিনী মজুমদার উচ্চ বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রের ১৮টি হলরুমে ৬০ জন হল পর্যবেক্ষকের তত্ত্বাবধানে বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শন করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রশান্ত চক্রবর্তী,  জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এটিএম সিফাতুল মাজদার, উপজেলা সহকারী সমাজসেবা কর্মকর্তা শাহাব উদ্দিন সহ রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ।

পরীক্ষায় সংগঠনের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, সংগঠনের সদস্য মোহাম্মদ আলমগীর আহবায়ক ও সদস্য টিটু নাগ পরীক্ষার সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

উদয়ন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাকসুদ আলম শাহীন জানান, মিরসরাই উপজেলার করেরহাট ইউনিয়নের উদয়ন ক্লাব নামের সংগঠনটি ১৯৮৮ সাল থেকে মেধাবৃত্তি পরীক্ষার আয়োজন করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় ৩৫ তম উদয়ন মেধাবৃত্তি পরীক্ষা ২০২৪ সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে৷

প্রসঙ্গত, ১৯৯৯ সালে সংগঠনটি স্বর্ণপদক অর্জন করে এবং ২০০১ সালে জেলাভিত্তিক শ্রেষ্ঠ স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন নির্বাচিত হয়।

 

মিরসরাইয়ে ১১৫ জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দিল শান্তিনীড়

 

মিরসরাই প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের স্বেচ্ছাসেবী সমাজ উন্নয়ন সংস্থা শান্তিনীড়ের ১৫তম শিক্ষোন্নয়ন বৃত্তির সনদ ও পুরষ্কার বিতরণ শুক্রবার (২২ নভেম্বর) বিকালে মিরসরাই বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়।

সংস্থার সভাপতি নিজাম উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের সিনিয়র সভাপতি মুহাম্মদ দিদারুল আলম এবং দুস্থ ও ত্রাণ সম্পাদক আবু সায়েদ যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, মিরসরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহফুজা জেরিন।

সংগঠনের সহ-সভাপতি শেখ কামরুল হাসান নিজামী পলাশের কোরআন তিলওয়াত ও শিক্ষক সুমি মজুমদারের গীতা পাঠের পর বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মিরসরাই কলেজের অধ্যক্ষ নুরুল আফছার, সাবেক কাষ্টমস্ এন্ড ভ্যাট কমিশনারেট বিভাগীয় কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম চৌধুরী, উপ পরিচালক সমাজসেবা কার্যালয় রাঙ্গামাটি জসিম উদ্দিন, শান্তিনীড় পৃষ্ঠপোষক টেকনাফ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন, শান্তিনীড় উপদেষ্ঠা মির্জা জসীম উদ্দিন, সাংবাদিক মাহবুবুর রহমান পলাশ, বিপুল দাশ, মিরসরাই প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম মাঈন উদ্দিন, দুর্বার প্রগতি সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হাসান সাইফ উদ্দিন, আদর্শ বন্ধু ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি দীন মোহাম্মদ, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মৃদুল দাশ, শিক্ষা সম্পাদক নুর-এ-জাহেদ প্রমুখ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, লায়নস ক্লাব অব চট্টগ্রাম মিরসরাইয়ের সাবেক সভাপতি লায়ন মাঈন উদ্দিন, ইউনাইটেড ট্রাষ্টের ফেনী জেলা কোঅর্ডিনেটর ফয়সাল ভূঁইয়া, সংগঠনের সাবেক সভাপতি ইয়াছিন আরাফাত সোহাগ, যুগ্ম সম্পাদক মেহেদী হাসান চৌধুরী, শিক্ষক হেদায়ত উল্লাহ চৌধুরী, হোসাইন সবুজ, আল হেরা সংস্থার সভাপতি হেলাল উদ্দিন, পৃষ্ঠপোষক সদস্য শাখাওয়াত হোসেন, প্রজন্ম মিরসরাই পরিচালক মঞ্জুর ইসলাম রায়হান, ওমর ফারুক, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হিতকরীর সভাপতি জহির উদ্দিন রনি, সম্পাদক নুরেছাপা, অদম্য যুব সংঘের সভাপতি নিয়াজ মোহাম্মদ সাজিদ, ইউসাম সভাপতি আল মুরাদসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এসময় ১৫তম শান্তিনীড় শিক্ষোন্নয়ন বৃত্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ মিরসরাই, সীতাকুন্ড ও ছাগলনাইয়া উপজেলার ১ম থেকে ১০ম শ্রেণির ১১৫ জন মেধাবী শিক্ষার্থীর হাতে প্লাটিনাম, গোল্ড, সিলভার ও ব্রোঞ্জ চার ক্যাটাগরিতে সনদ, ক্রেষ্ট, নগদ প্রাইজ বন্ড তুলে দেন অতিথিরা। এছাড়াও শান্তিনীড়ের প্রতি বছরের ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালে সংগঠনের দুস্থ ও ত্রাণ সম্পাদক আবু সায়েদকে শ্রেষ্ঠ সংগঠক ক্রেস্ট প্রদান করা হয় এবং নবাগত পৃষ্ঠপোষক সাইফুল ইসলামকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

এসময় সংগঠনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন, যুগ্ম সম্পাদক রাজু কুমার দে, সাংগঠনিক সম্পাদক রায়হান চৌধুরী, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক আবু বক্কর রিশাত, সাবেক কার্যনিবাহী সদস্য আলমগীর ভূঁইয়া, ইসমাঈল হোসেন খোকন, মেহেদী, আবদুল আজিজ, আবু সাবের নিজামী ফাওয়াজ, নুর সালমান লিমন, মাসুম সোহান, মাহমুদুল হাসান জাবেদ, মাসুদ রানা,নাজমুল, তানিম, সানী, রাহি, মর্তুজা প্রমুখ।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ০১ ডিসেম্বর একযোগে ৬টি কেন্দ্রে ১৫তম শান্তিনীড় শিক্ষোন্নয়ন বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। মিরসরাই, সীতাকুন্ড ও ছাগলনাইয়া উপজেলার ২৭৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১ম থেকে ১০ম শ্রেণির সর্বমোট ২০৯১ জন ছাত্র-ছাত্রী উক্ত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল।
২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে অন্যান্য চলমান সামাজিক কার্যক্রমের পাশাপাশি ২০০৭ সাল থেকে শান্তিনীড় শিক্ষোন্নয়ন বৃত্তি কার্যক্রম টানা ১৫ বছর অত্যন্ত দক্ষতা ও সফলতার সহিত সম্পন্ন হয়ে আসছে।

 

মিরসরাই সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৩ শিক্ষক কর্মচারীকে অব্যাহতির সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বিক্ষোভ

 

মিরসরাই প্রতিনিধি::
মিরসরাই সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের নন এমপিও ভূক্ত ১৩ শিক্ষক কর্মচারীকে জোরপূর্বক অব্যাহতির সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) দুপুর ২টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে বিদ্যালয় গেইটে প্রায় দুই ঘন্টা ধরে ওই বিক্ষোভ করে অবিলম্বে অতিথি শিক্ষকদের অব্যাহতি দেয়ার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবী জানান। আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের দাবি মানা না হলে আগামী রোববার থেকে বিদ্যালয়ের সকল ক্লাস বর্জন ও বার্ষিক পরীক্ষায় কোন শিক্ষার্থী অংশ গ্রহন না করার ঘোষণা দেয় তারা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মিরসরাই সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে নন এমপিও ভূক্ত ৯ শিক্ষক ও ৪ জন কর্মচারী দীর্ঘ দুই যুগ ধরে কর্মরত রয়েছেন। তাদের কারো কারো দৈনিক সম্মানী পড়ে ১০০ থেকে ১৮০ টাকা। চলতি বছরের শুরু দিকে নন এমপিও শিক্ষক কর্মচারীরা তাদের সম্মানী বাড়ানো দাবি তুললে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সাথে তাদের দ্বন্দ্ব শুরু হয়। বিদ্যালয়ের আর্থিক সংকট ও সরকারি নিয়মকানুনের অজুহাত তুলে চলতি মাসের শুরুর দিকে অতিথি শিক্ষক কর্মচারীদের ডিসেম্বর মাসে বিদ্যালয় থেকে অব্যাহতি দেয়ার বিষয় মৌখিক ভাবে জানিয়ে দেন প্রধান শিক্ষক মহিউদ্দিন। কিন্তু বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অতিথি শিক্ষকদের অব্যাহতির সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারছে না।

বিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থী জানান, তারা কোন শিক্ষকের অব্যাহতি চান না। অতিথি শিক্ষকদের অব্যাহতি দিলে বিদ্যালয়ে শিক্ষক থাকবেন মাত্র ১০ জন। ওই ১০ জন শিক্ষক বিদ্যালয়ের সাড়ে ৭’শ শিক্ষার্থীকে কিভাবে পাঠদান করবেন। মূলত অতিথি শিক্ষকরা সম্মানী বাড়ানোর দাবি তোলায় তাদের অব্যাহতি দিয়ে নতুন বছর এলে নতুন অতিথি শিক্ষক নেয়ার পায়তারা করছেন প্রধান শিক্ষক।

শিক্ষার্থীরা দাবি করেন, অতিথি শিক্ষকদের পক্ষে কথা বলায় বিদ্যালয়ের দুই জন শিক্ষক তাদেরকে কোন অজুহাত ছাড়াই বেত দিয়ে পিটায়। বিদ্যালয় থেকে টি. সি. দিয়ে বের করে হুমকী দেয় এবং লাল কালিতে শিক্ষার্থীদের নামের তালিকা করছে।

শিক্ষার্থী আন্দোলনের নেতৃত্বে থাকা ৮ম ও ৯ম শ্রেনীর শিক্ষার্থী আলাউদ্দিন, শ্রীকান্ত, সাখাওয়াত হোসেন শুভ, মাহিন, যুবরাজ ও নোহেল দাবি করেন, দীর্ঘদিন অতিথি শিক্ষকরা বিদ্যালয়ের পিছনে শ্রম দিয়ে গেছেন। যে সম্মানী তাদের দেয়া হয় তা বর্তমান যুগে মানায় না। তারা সম্মানী বাড়ানো দাবি করায় মূলত তাদেরকে অব্যাহতির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তারা কোন শিক্ষকের অব্যাহতি চান না। অব্যাহতির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা না হলে আগামী রোববার থেকে বিদ্যালয়ে কোন ক্লাস হবে না এবং বার্ষিক পরীক্ষায় কোন শিক্ষার্থী অংশ গ্রহন করবে না এবং প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয় থেকে পদত্যাগ না করা পর্যন্ত তাদের আন্দোলন শান্তিপূর্ণ ভাবে চালিয়ে যাবেন।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ও দাবির বিষয়ে মিরসরাই সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মহিউদ্দিন জানান, অতিথি শিক্ষকদের আর্থিক বিষয় ও সরকারি নিয়মকানুনের কারণে ডিসেম্বরের পর যার যার সুবিধা মতো জায়গায় চেষ্টা করতে মৌখিক ভাবে জানানো হয়েছে। কিন্তু এখনি অব্যাহতির কথা তাদের বলা হয়নি। তাদের অব্যহতি দিলে শিক্ষক সংকট হবে কিনা এ প্রশ্নে তিনি জানান, নতুন বছর এলে বিদ্যালয়ের অভিভাবক সভায় তা নিয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। শিক্ষার্থীদের অতিথি শিক্ষকদের কেউ কেউ উত্তেজিত করছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

 

সেনাকুঞ্জে খালেদা জিয়া

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

সশস্ত্র বাহিনী দিবসের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সেনাকুঞ্জে পৌঁছেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘ অর্ধযুগ পর সশরীরে কোনো কর্মসূচিতে যোগ দিলেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। সর্বশেষ ২০১৮ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি সিলেট সফর করেছিলেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে তিনি সেনাকুঞ্জে পৌঁছান। এর আগে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে গুলশানের বাসভবন ফিরোজা থেকে তার গাড়িবহর সেনাকুঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা করে।

খালেদা জিয়ার গাড়িতে সঙ্গে ছিলেন তার কনিষ্ঠ পুত্র প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান সিঁথি এবং গৃহকর্মী ফাতেমা। বহরে অন্য গাড়িতে ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল, বিএনপি চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস ও একান্ত সচিব আব্দুস সাত্তার।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, গত মঙ্গলবার রাতে সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ (সিজিএস) লে. জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লে. জেনারেল এএসএম কামরুল আহসান সস্ত্রীক সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এই আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দেন।

খালেদা জিয়া সবশেষ ২০১২ সালে সশস্ত্র বাহিনীর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। তখন তিনি বিরোধীদলীয় নেতা ছিলেন। এরপর আর কখনো তাকে সেনাকুঞ্জের এ আয়োজনে দেখা যায়নি। ২০১৮ সালে দুর্নীতি মামলায় কারাগারে যাওয়ার পর তাকে আর আমন্ত্রণও জানানো হয়নি।

সেনানিবাসের এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলটির মোট ২৬ জন নেতাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

একসময় দেশের দুই বড় রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতা হিসেবে শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়া দুজনেই এ অনুষ্ঠানে যোগ দিতেন। রাজনীতির মাঠে বৈরিতা থাকলেও এ অনুষ্ঠান ঘিরে বছরে অন্তত একবার তাদের মুখোমুখি সাক্ষাতের সম্ভাবনা তৈরি হতো। তবে ২০১২ সালে দুই নেত্রীই অনুষ্ঠানে যোগ দিলেও তাদের মধ্যে কথা হয়নি।

আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর ২০০৯ সালে সেনাকুঞ্জের অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়াকে একসঙ্গে দেখা গিয়েছিল। গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয় এবং শেখ হাসিনা ভারতে চলে যান। ফলে অনেক বছর পর আওয়ামী লীগ সভাপতিকে এবার সশস্ত্র বাহিনী দিবসের অনুষ্ঠানে দেখা যাবে না।

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সদস্যরা সম্মিলিতভাবে দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সমন্বিত আক্রমণের সূচনা করে। দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে প্রতিবছর দিনটি ‘সশস্ত্র বাহিনী দিবস’ হিসেবে পালন করে আসছে বাংলাদেশ।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিকেল ৪টায় সেনাকুঞ্জে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রধান অতিথি থাকবেন।