বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Home Blog Page 55

শেখ হাসিনার পদত্যাগপত্র নিয়ে রাষ্ট্রপতি মিথ্যাচার করেছেন

 

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগপত্র তার কাছে নেই বলে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন যে বক্তব্য দিয়েছেন তা মিথ্যাচার বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।

তার এ বক্তব্য শপথ ভঙ্গের শামিল এবং রাষ্ট্রপতি পদে থাকার যোগ্যতা আছে কি না- সেটা নিয়ে সরকার আলোচনা করবে বলেও জানিয়েছেন উপদেষ্টা।

সোমবার (২১ অক্টোবর) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি যে বলেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগপত্র পাননি। এটা হচ্ছে মিথ্যাচার এবং উনার শপথ লঙ্ঘনের শামিল। কারণ, উনি নিজেই ৫ আগস্ট রাত ১১টা ২০ মিনিটে পেছনে তিন বাহিনীর প্রধানকে নিয়ে জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে বলেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী উনার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন এবং উনি তা গ্রহণ করেছেন।’

 

আইন উপদেষ্টা বলেন, ‘এরপর সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী উপদেশমূলক এখতিয়ার প্রয়োগ করে উনার (রাষ্ট্রপতি) কাছ থেকে আপিল বিভাগের পক্ষ থেকে জানতে চাওয়া হয়- এই পরিস্থিতিতে করণীয় কি আছে? এটার পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন সুপ্রিম কোর্টের যিনি প্রধান বিচারপতি ছিলেন এবং অন্য সব বিচারপতিরা মিলে ১০৬ এর অধীনে একটা মতামত প্রদান করেন রাষ্ট্রপতির রেফারেন্সের ভিত্তিতে। সেটার প্রথম লাইনটি হচ্ছে, দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে যেহেতু প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন…। তারপর অন্যান্য কথা।’

‘এই রেফারেন্সটিতে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানসহ আপিল বিভাগের সব বিচারপতির স্বাক্ষর আছে’ বলেন আসিফ নজরুল।

‘এই যে প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন, রাষ্ট্রপতি সংসদ ভেঙে দিয়েছেন, এর পরিপ্রেক্ষিতে যে একটা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা যায়, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের এই মতামতের ভিত্তিতে একটা নোট আমরা মন্ত্রণালয় থেকে রাষ্ট্রপতির দপ্তরে প্রেরণ করি। ‌রাষ্ট্রপতি এই অভিমতটা দেখেছেন এবং গ্রহণ করেছেন। এরপর তিনি নিজেই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করেছেন।’

আসিফ নজরুল বলেন, একের পর এক কার্যাবলির মধ্য দিয়ে এটা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত উনি পুরো জাতির কাছে নিশ্চিত এবং পুনর্বার নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগপত্র দিয়েছেন এবং তিনি তা গ্রহণ করেছেন। এখন প্রায় আড়াই মাস পরে যদি উনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগপত্র দেননি, এটা এক ধরনের স্ববিরোধিতা হয়, ওনার শপথ লঙ্ঘন হয়। এ পদে থাকার আর ওনার যোগ্যতা আছে কি না, সে সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের সংবিধানে বলা হয়েছে আপনার যদি শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা না থাকে বা আপনি গুরুতর অসদাচরণ করেন, তখন রাষ্ট্রপতি হিসেবে আপনি থাকতে পারেন কি না সেটা নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ আমাদের সংবিধানে রয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এত কিছুর পর উনি (রাষ্ট্রপতি) এটা কীভাবে বলতে পারেন, সেটা আমাদের বোধগম্য নয়। তার স্ববিরোধী কথা বলার সুযোগ নেই। উনি যদি ওনার বক্তব্যে অটল থাকেন, তাহলে তার রাষ্ট্রপতি পদে থাকার যোগ্যতা আছে কি না সেটা, আমাদের উপদেষ্টামণ্ডলীর সভায় ভেবে দেখতে হবে।’

‘জাতির সামনে বলা কথা নিয়ে যদি বিতর্ক সৃষ্টি করেন, সেটা তো অসদাচরণের পর্যায়ে পড়ে। তখন এই প্রশ্ন আসে আপনার মানসিক সক্ষমতা আছে কি না রাষ্ট্রপতি পদে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে। এ প্রশ্নগুলো আসার সুযোগ তিনি তৈরি করে দিয়েছেন।’

 

এক প্রশ্নের জবাবে আইন উপদেষ্টা বলেন, আমরা বিভিন্ন জায়গায় দেখি পতিত ফ্যাসিস্ট শক্তিরা যখন মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার বিভিন্ন ধরনের উদ্যোগ-আয়োজন করছে, তখন হঠাৎ করে তিনি আড়াই মাস পর এমন কথা কেন বললেন সেটা নিয়ে সমাজে প্রশ্ন আসতে পারে, প্রশ্ন আসাটা স্বাভাবিক।’

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বলেছেন, তিনি শুনেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেছেন, কিন্তু তার কাছে এ-সংক্রান্ত কোনো দালিলিক প্রমাণ বা নথিপত্র নেই। মানবজমিন পত্রিকার প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরীকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন। সাক্ষাৎকারটি শনিবার পত্রিকার রাজনৈতিক ম্যাগাজিন সংস্করণ ‘জনতার চোখ’- এ প্রকাশিত হয়।

গত ৫ আগস্ট ছাত্র আন্দোলন ও গণবিক্ষোভের মুখে দেশত্যাগ করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সংবিধানের ৫৭ (ক) ধারা অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিতে হবে। কিন্তু রাষ্ট্রপতি জানিয়েছেন, তার কাছে শেখ হাসিনার কোনো পদত্যাগপত্র বা সংশ্লিষ্ট কোনো প্রমাণ পৌঁছায়নি।রাষ্ট্রপতির ভাষ্যে, ‘আমি বহুবার পদত্যাগপত্র সংগ্রহের চেষ্টা করেছি, কিন্তু ব্যর্থ হয়েছি। হয়তো তার সময় হয়নি’।

শনিবার (১৯ অক্টোবর) মানবজমিন পত্রিকাটির রাজনৈতিক ম্যাগাজিন সংস্করণ ‘জনতার চোখ’ এ সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি বলেন, ৫ আগস্ট সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন থেকে বঙ্গভবনে ফোন আসে, যেখানে বলা হয়েছিল যে প্রধানমন্ত্রী প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য আসবেন। এরপরই বঙ্গভবনে প্রস্তুতি শুরু হয়। কিন্তু এক ঘণ্টার মধ্যে আরেকটি ফোন আসে যে তিনি (শেখ হাসিনা) আসছেন না

তিনি বলেন, ‘চারদিকে অস্থিরতার খবর। কী হতে যাচ্ছে জানি না। আমি তো গুজবের ওপর নির্ভর করে বসে থাকতে পারি না। তাই সামরিক সচিব জেনারেল আদিলকে বললাম খোঁজ নিতে। তার কাছেও কোনো খবর নেই। আমরা অপেক্ষা করছি। টেলিভিশনের স্ক্রলও দেখছি। কোথাও কোনো খবর নেই। এক পর্যায়ে শুনলাম, তিনি দেশ ছেড়ে চলে গেছেন। আমাকে কিছুই বলে গেলেন না।’

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার যখন বঙ্গভবনে এলেন তখন জানার চেষ্টা করেছি প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন কি না? একই জবাব। শুনেছি তিনি পদত্যাগ করেছেন। মনে হয় সে সময় পাননি জানানোর।’

তিনি বলেন, ‘সব কিছু যখন নিয়ন্ত্রণে এলো তখন একদিন মন্ত্রিপরিষদ সচিব এলেন পদত্যাগপত্রের কপি সংগ্রহ করতে। তাকে বললাম, আমিও খুঁজছি’।

মতিউর রহমান চৌধুরীর সঙ্গে আলাপের এক পর্যায়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, এ বিষয়ে আর বিতর্কের সুযোগ নেই। প্রধানমন্ত্রী চলে গেছেন এবং এটাই সত্য। তবুও এই প্রশ্নটি যাতে আর কখনও না ওঠে তা নিশ্চিত করতে আমি সুপ্রিম কোর্টের মতামত চেয়েছি।

রাষ্ট্রপতির পাঠানো রেফারেন্সের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ ৮ আগস্ট এ সম্পর্কে তাদের মতামত দেন। এতে বলা হয়, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সাংবিধানিক শূন্যতা দূর করতে এবং নির্বাহী কার্যক্রম সুন্দরভাবে পরিচালনার উদ্দেশ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা যেতে পারে। প্রেসিডেন্ট অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও উপদেষ্টামণ্ডলীকে শপথবাক্য পাঠ করাতে পারবেন বলে আপিল বিভাগ মতামত দেন।

তবে গত ৫ আগস্ট জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘প্রিয় দেশবাসী আসসালামু আলাইকুম, আপনারা জানেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন এবং আমি তা গ্রহণ করেছি।’

কী ঘটেছিল ৫ আগস্ট?
সরকারের পদত্যাগের দাবিতে চলমান অসহযোগ আন্দোলন সফল করতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের লংমার্চ টু ঢাকা ছিল সেদিন। এর আগে দুদিনের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে গড়ে ওঠা এই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। জুলাই মাসজুড়ে চলে এই আন্দোলন।একপর্যায়ে সরকার কোটা সংস্কার করে। তবে কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে বিপুল সংখ্যক মানুষের প্রাণহানি ও সহিংসতার জেরে এক দফা দাবি ওঠে শেখ হাসিনার পদত্যাগ। ৫ আগস্ট বেলা ১১টার পর থেকে ঢাকার পথে ঢল নামে মানুষের। কারফিউ ভঙ্গ করে বিভিন্ন স্থান থেকে আসতে শুরু করেন তারা। এক পর্যায়ে শাহবাগ, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারসহ গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট লোকে লোকারণ্য হয়ে ওঠে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে গণঅভ্যুত্থানের জেরে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা। সেদিন এএফপির খবরে বলা হয়েছিল, শেখ হাসিনা ও তার ছোট বোন শেখ রেহানা গণভবন থেকে নিরাপদ স্থানে চলে গেছেন। পরে জানা যায় তিনি ভারতে আছেন।

সূত্র জাগো নিউজ

বারইয়ারহাট ক্রিকেট ক্লাবের আহবায়ক কমিটি গঠন

 

নিজস্ব প্রতিনিধি

মিরসরাই উপজেলার বারইয়ারহাট ক্রিকেট ক্লাব (বিসিসি) এর আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। সোমবার (২১ অক্টোবর) সকালে বারইয়ারহাটে এই কমিটি গঠন করা হয়। এতে মিনহাজ উদ্দিন টিটুকে আহবায়ক ও মোহন দে কে সদস্য সচিব করে ১১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠিত হয়।
বিসিসির প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করবেন বারইয়ারহাট পৌর বিএনপির আহবায়ক দিদারুল আলম মিয়াজী। এছাড়া মেজবাউল হক মানিক, গোলাম জাকারিয়া ও এডভোকেট শহীদুল ইসলামকে উপদেষ্টা নির্বাচিত করা হয়েছে।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলো আমান উল্ল্যা, মামুনুর রশীদ, শাহাদাৎ হোসেন, আব্দুল গোফরান জামশেদ, ইমাম হোসেন, শুভ দত্ত, আব্দুল্লাহ আল জুবায়ের, কামরুল ইসলাম, শাখাওয়াত হোসেন সাকিব।

এবিষয়ে নব গঠিত বিসিসি”র আহবায়ক কমিটির সদস্য সচিব মোহন দে বলেন, বিসিসি একটি সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়াপ্রেমী সংগঠন। খেলাধূলার মাধ্যমে যুব সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে সংগঠনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

 

সরকারহাট স্কুলের পুর্নমিলনী উৎসবের তথ্য ও সম্প্রচার উপ কমিটি গঠিত

 

মিরসরাই প্রতিনিধি
মিরসরাইয়ে সরকারহাট নজর আলী রূপজান উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী পুর্নমিলনী উৎসব ২০২৪ এর উদযাপন কমিটির প্রচার তথ্য ও সম্প্রচার উপ কমিটি গঠিত হয়েছে। শনিবার (১৯ অক্টোবর) পুর্নমিলনী কমিটির আহবায়ক স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়।

কমিটিতে ড.তাপস কুমার ভৌমিক আহবায়ক ও সাংবাদিক নেতা আজহার মাহমুদকে সদস্য সচিব করে ২১ সদস্যবিশিষ্ট তথ্য ও সম্প্রচার উপ কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, যুগ্ম আহবায়ক মো. এনায়েত উল্ল্যা, মো. হাসান ফেরদৌস, মোশেদ নোমান, যুগ্ম সদস্য সচিব মো. শাহাদাত হোসেন রিফাত, সদস্য পিন্টু কুমার পাল, সাজেদা আক্তার রুমা, বিপুল দাশ, বিপ্লব কান্তি নাথ, এ. এস. এম ইফতেখারুল আহাদ সিরাজী, দেব কুমার বড়–য়া, বিমল কান্তি দাশ, মোহাম্মদ মনজুর কাদের জিয়া, সঞ্জয় চৌধুরী, মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন, মোহাম্মদ আজগর চৌধুরী, ফজলে ওয়াহিদ আদর, শাহ মো. ফতেহ আলী চোধুরী, ডা. মফিজুর রহমান সাকিব ও সাফায়েত মেহেদী কে সদস্য করা হয়।

 

 

আ’লীগের রাজনীতি করার অধিকার নেই : অলি আহমদ

 

লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বলেছেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা উচিত। জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে দেশের ১৮ কোটি মানুষের বিরুদ্ধে তাদের যে ভূমিকা ছিল, এরপর তাদের রাজনীতি করার কোনো অধিকার নেই।

শনিবার (১৯ অক্টোবর) প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুসের সাথে সংলাপ শেষে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

 

অলি বলেন, ‘কেন আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা হবে না? আমরা আজ আবার বলেছি, আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা উচিত কারণ তারা ১৮ কোটি মানুষের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল। তাদের রাজনীতি করার কোনো অধিকার নেই।’

বিএনপি-জামায়াত সরকারের সময় যোগাযোগমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করা অলি আহমদ বলেন, ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে রাখতে পুলিশ ও প্রশাসনসহ সবকিছু ব্যবহার করেছে আওয়ামী লীগ।

তিনি বলেন, সেনাবাহিনী ও কিছু পুলিশ প্রতিবাদ চলাকালে গুলি চালাতে অস্বীকৃতি জানানোয় তারা টিকতে পারেনি।

তার মতে, এই আন্দোলনে ১৫০০ জনেরও বেশি মানুষের প্রাণ গেছে এবং বহু মানুষ আহত হয়েছে।

অলি বলেন, আজ তারা ২৩টি প্রস্তাব দিয়েছেন। এর মধ্যে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধির সমাধানের প্রস্তাবও দেয়া হয়েছে।

গত ৫ অক্টোবর বিএনপি, জামায়াত, সিপিবিসহ কয়েকটি দলের অংশগ্রহণে শুরু হওয়া চলতি পর্বে এটি দ্বিতীয় সংলাপ।

গণফোরাম, লিবারেল ডেমোক্রেটস পার্টি (এলডিপি) ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (আন্দালিব)সহ ১৫টি রাজনৈতিক দলকে আজকের সংলাপে অংশ নিতে আমন্ত্রণ আজানো হয়েছে।

সংলাপের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে সংস্কার কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে রাজনৈতিক দলগুলোকে জানানো এবং তাদের পরামর্শ নেয়া।

এছাড়া রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের সাথে সংলাপে অংশ নেয় গণফোরামের নয় সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল।

গণফোরামের ইমেরিটাস সভাপতি ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি বিকেল ৩টার দিকে যমুনায় প্রবেশ করে।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও তার প্রধান মিত্র জাতীয় পার্টি (এরশাদ) ছাড়া প্রধান উপদেষ্টার সাথে চলমান সংলাপে অংশ নেয়ার সুযোগ ছিল প্রায় সব রাজনৈতিক দলের।

মিরসরাই উপজেলা কাজী সমিতির নতুন কমিটি গঠিত

মিরসরাই প্রতিনিধি :::

মিরসরাই উপজেলা বিবাহ ও তালাক রেজিস্ট্রারদের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৯ অক্টোবর) বিকালে খইয়াছড়া ইউনিয়ন কাজী অফিস মিলনায়তনে ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেন কাজী মাওলানা আবু বকর। এতে সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে করেরহাট ইউনিয়নের কাজী মো. মহিউদ্দিনকে সভাপতি এবং দুর্গাপুর ইউনিয়নের কাজী করিমুল হক চৌধুরী সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়েছে।

এসময় বিবাহ ও তালাক রেজিস্ট্রার সংগঠনের সদস্য কাজী ওমর ফারুক, কাজী আতাউর রহমান খান, কাজী জাকের হোসাইন, কাজী নাসির উদ্দিন আক্রমী, কাজী মফিজুর রহমান চৌধুরী, কাজী সিরাজ উদ্দিন ভূঁইয়া, কাজী কফিল উদ্দিন লতিফী, কাজী তমিজ উদ্দিন, কাজী শিহাব উদ্দিন, কাজী শাহাদাত হোসেন চৌধুরী মিনার বক্তব্য রাখেন। এছাড়াও উপজেলা, পৌরসভা ও বিভিন্ন ইউনিয়নের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বিবাহ ও তালাক রেজিস্ট্রারদের মিরসরাই উপজেলা শাখার ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে সদস্যদের গোপন ব্যালট পেপারের মাধ্যমে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচন হয়েছে। এতে করেরহাট ইউনিয়নের কাজী মহিউদ্দিন সভাপতি ও দূর্গাপুর ইউনিয়নের কাজী করিমুল হক চৌধুরী ফারুক সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। সংগঠনের বিধান অনুযায়ী সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নিজেদের মধ্যে পরামর্শ করে পরবর্তী আগামী ১ মাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করবে।

বক্তারা পেশাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সংগঠনের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন। পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় ও জেলা সংগঠনের সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে বিবাহ ও তালাক রেজিস্ট্রারদের স্বার্থ সুরক্ষার লক্ষ্যে সকলে ঐক্যবদ্ধ থেকে কাজ করার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন।

 

বারইয়ারহাটে ছাত্রদলের কর্মীসভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি ::::
মিরসরাইয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কর্মীসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৮ অক্টোবর) বিকালে বারইয়ারহাট পৌরসভা ও হিঙ্গুলী ইউনিয়ন শাখার উদ্যোগে কর্মীসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বারইয়ারহাট পৌর বিএনপির আহবায়ক দিদারুল আলম মিয়াজী।
বারইয়ারহাট পৌর ছাত্রদলের আহবায়ক এমরান হোসেনের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মোহন দে’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বারইয়ারহাট পৌরসভা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক নজরুল ইসলাম লিটন, হিঙ্গুলী ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক নাজমুল হক সোহাগ, সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া।
প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিরসরাই উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক মিনহাজ উদ্দিন টিটু। বিশেষ বক্তার বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের স্কুল বিষয়ক সম্পাদক মীর মামুন হোসেন, উত্তর জেলা ছাত্রদলের সদস্য আবদুল্লাহ আল জুবায়ের, বারইয়ারহাট কলেজ ছাত্রদলের আহবায়ক শরিফুল ইসলাম বাদশা, পৌরসভা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক আবদুল আজিজ, যুগ্ম আহবায়ক জিয়াউর রহমান মুন্না, জাহিদুল হাসান, মেহেদী হাসান, সিনিয়র সদস্য আবু তৈয়ব রিপন, দিদারুল আলম, মিরসরাই উপজেলা ছাত্রদল নেতা মো. পারভেজ, বারইয়ারহাট কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক ইমতিয়াজ উদ্দিন রিফাত, অপু সরকার, ইমাম হোসেন, শাহিনুর হাসান, সাহাব উদ্দিন, হিঙ্গুলী ইউনিয়ন ছাত্রদল নেতা শাফায়াত হোসেন সাকিব, মো. সাকিব, রায়হান মির্জা।

 

 

খালেদা জিয়ার গাড়ি বহরে হামলার ঘটনায় বিএনপি নেতা দিদার মিয়াজির মামলা দায়ের

নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার বারইয়ারহাট পৌরসভা এলাকায় বেগম খালেদা জিয়ার রোড মার্চের গাড়ি বহরে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনায় ৭ বছর পর মামলা করা হয়েছে।

বারইয়ারহাট পৌর বিএনপির আহবায়ক দিদারুল আলম মিয়াজি সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এবং তার ছেলে সাবেক এমপি রুহেল সহ ৯২ জনের বিরুদ্ধে জোরারগঞ্জ থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলার এজাহার নামীয় আসামি আরিফ উদ্দিন নাঈম কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

জানা গেছে, ২০১৭ সালের ২৮ অক্টোবর কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগস খালেদা জিয়া কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে যাওয়ার পথে চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার বারইয়ারহাট পৌরসভা এলাকায় দপায় দপায় গাড়ি বহরে হামলা ও ভাংচুর চালানো হয়েছিলো । একইদিন ঘটনার সুত্র ধরে বারইয়ারহাট পৌরসভা বিএনপির আহবায়ক দিদারুল আলম মিয়াজির বাড়িতে হামলা বাজারের বিএনপি সমর্থিত ব্যবসায়ীদের দোকানে তালা লাগিয়ে দিয়ে বাজারে তান্ডব চালায় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীরা ।

শনিবার (১৯ অক্টোবর) জোরারগঞ্জ থানায় এজাহার নামীয় ৪২জন সহ অজ্ঞাত ৪০/৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে। মামলা নং ১২।

মামলার অপর অসামীরা হলেন, সাবেক মেয়র রেজাউল করিম খোকন, পৌরসভা আওয়ামীলীগের সভাপতি মীর আলম মাসুক, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ কে এম জাহাঙ্গীর ভূঁইয়া, সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এনায়েত হোসেন নয়ন, করেরহাট ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান গিয়াস উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক কামরুল ইসলাম, সোনা মিয়া চেয়ারম্যান, সাবেক মেয়র ভিপি নিজাম উদ্দিন, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল ভুঁইয়া, উত্তরজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি নাছির উদ্দীন দিদার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি শাখাওয়াত উল্লাহ রিপনসহ মোট এজাহার নামীয় ৪২ জনকে এ মামলায় আসামি করা হয়েছে।

মামলার বাদি বারইয়ারহাট পৌর বিএনপি’র আহবায়ক দিদারুল আলম মিয়াজি এজাহারে উল্লেখ করেন মামলার আসামিরা ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় সাধারণ জনগণের উপর অন্যায়-অত্যাচার, নির্যাতন-নিপীড়ণ চালিয়ে জোরারগঞ্জ এবং মিরসরাই উপজেলায় একছত্র আধিপত্য বিস্তার করে। তাদের ভয়ে সাধারণ মানুষ কথা বলতে পারতো না।

২০১৭ সালের ২৮ অক্টোবর সাবেক তিন বারের প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপির) চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার পূর্ব নির্ধারিত কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্প সফরে গাড়ি বহর বারইয়ারহাট পৌঁছামাত্র প্রধান আসামি ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এবং তার পুত্র মাহবুব উর রহমান রুহেল এর নির্দেশে অপরাপর আসামীরা মিলে বেগম খালেদা জিয়ার রোড মার্চের সফর বানচাল করার উদ্দেশ্যে গতিরোধ করে লোহার রড, রাম দা, কিরিচি, লাঠিসোঠা সহ দেশীয় অস্ত্রসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হামলা চালায়।

বেগম খালেদা জিয়ার রোড মার্চের গাড়ি বহরে কে স্বাগত জানানোর জন্য মিরসরাই উপজেলার বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন এলাকার অনুমান ১০০/১২০জন দলীয় নেতাকর্মী জোরারগঞ্জ থানাধীন বারইয়ারহাট পৌরসভার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন খান সিটি সেন্টার ও রোজিনা হোটেল এর সামনে এবং বারইয়ারহাট ট্রাফিক মোড় পাকা রাস্তার উপর অবস্থানকালে তাদের উপর হামলা করে মারাত্মক জখম করে।

প্রধান এবং দ্বিতীয় নাম্বার আসামীর হুকুমে ৩নং, ৪নং ও ৫নং বিবাদীর নেতৃত্বে উল্লেখিত সকল বিবাদীগণ সহ অজ্ঞাতনামা ৪০/৫০ জন আসামীরা উত্তেজিতভাবে অকথ্যভাষায় গালমন্দ করে বলতে থাকেন বিএনপির বংশ ধ্বংস করে দেওয়ার জন্য নির্দেশ আছে বলতে বলতে ঘটনাস্থলে ত্রাস সৃষ্টি করে।

বাদি আরো উল্লেখ করেন, একপর্যায়ে ৬নং-২০নং বিবাদী তাহাদের হাতে থাকা লাঠিসোঠা দিয়া আমাকে এবং উপস্থিত নেতাকর্মীদের হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাথারী হামলা করে মারাত্মক জখম করে। ২১-৪২নং বিবাদীগণ তাহাদের হাতে থাকা লোহার রড, দা কিরিচ ইত্যাদি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে বহনকৃত ৫ থেকে ৭টি গাড়ীর সামনের ও পিছনের গ্লাস ভাংচুর করে প্রায় আড়াই লাখ টাকার ক্ষতিসাধন করে।

মামলার বাদি দিদারুল আলম মিয়াজি জানান, একপর্যায়ে আমরা প্রাণ রক্ষার্থে ঘটনাস্থল হইতে পিছু হটলে লাঠি-সোটা, দা, চেনী অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে আমার বসতবাড়ীতে হামলা এবং ভাংচুর চালায় আসামীরা। ঘরে বৃদ্ধ নারী ও শিশুরাও রেহাই পায়নি তাদের হামলা থেকে।

এছাড়াও আসামীরা বারইয়ারহাট বাজারে বিএনপি সমর্থিত ব্যবসায়ীদের দোকান-পাটে ভাংচুর ও তালা লাগিয়ে দেয়। তৎসময়ে উক্ত ঘটনা দেশব্যাপি বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ পরিদর্শক আজিজুল হাকিম জানান, বাদির আবেদনের প্রেক্ষিতে মামলা রুজু করা হয়েছে। মামলার একজন আসামি গ্রেফতার হয়েছে

জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এটিএম শিফাতুল মাজদার জানান, বারইয়ারহাট পৌরসভার দিদারুল আলম মিয়াজি মামলার বাদি। মামলা রুজু হওয়ার পর একজনকে গ্রেফতার করেছে। বাকি আসামিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।

তীব্র তাপদাহ উপেক্ষা করে চশমা প্রতীকে সুলতান জসীমের গনসংযোগ

 

মিরসরাই প্রতিনিধি

প্রচন্ড তাপদাহ উপেক্ষা করে ব্যাপক গনসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন মিরসরাই উপজেলার করেরহাট ইউনিয়ন পরিষদ উপ-নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান গিয়াস উদ্দিন জসীম।
মাদক, সন্ত্রাসমুক্ত স্মার্ট করেরহাট বির্নিমান ও সার্বিক উন্নয়নের লক্ষে চশমা প্রতীক নিয়ে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত। এছাড়া দলীয় নেতা-কর্মী ও মুক্তিযোদ্ধারা আলাদাভাবে গনসংযোগ করছেন। আগামী ২৭ জুলাই শনিবার ইভিএম এর মাধ্যমে ইউনিয়নটিতে উপ-নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। তাঁর সাথে প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন আরো দুজন।

জানা গেছে, সুলতান গিয়াস উদ্দিন জসীম দীর্ঘ ৩০ বছর ধরেব্যক্তিগত উদ্যোগে করেরহাট ইউনিয়নে বাস্তবায়ন করেছেন বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড। ইউনিয়নের বদ্দ ভবানীতে ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন উচ্চ বিদ্যালয় নির্মাণ, ছত্তরুয়া আব্দুল বারেক জামে মসজিদ নির্মাণ, জিলতলী জামে মসজিদের অজুখানা নির্মাণ, দক্ষিণ গেড়ামাড়া জামে মসজিদের অজুখানা নির্মাণ, করেরহাট শ্রী শ্রী কালী মন্দির এর মূল গেইট নির্মাণ, ছত্তরুয়া পাল পাড়া শ্রী শ্রী কালী মন্দির এর ভবন নির্মাণ, দক্ষিণ অলিনগর সংযোগ সড়ক দ্বীপের টিলা রাস্তার উপর কালভার্ট নির্মাণ, গেড়ামাড়া গুচ্ছগ্রাম সড়কের কালভার্ট নির্মাণ, পশ্চিমজোয়ার রশিদিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গেইট ও সীমানা প্রাচীর নির্মাণ, মাঠে মাটি ভরাট, গেড়ামাড়া গুচ্ছগ্রাম সড়কের কালভার্ট নির্মাণ, দক্ষিণ অলিনগর মরইগ্যা টিলা সড়কের কালভার্ট নির্মাণ, দক্ষিণ অলিনগর সংযোগ সড়কের কালভার্ট নির্মাণ, বায়তুন মামুর জামে মসজিদ সড়কের কালভার্ট নির্মাণ করেন তিনি।

রাজনীতির পাশাপাশি দায়িত্ব পালন করছেন বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানেরও। তিনি পশ্চিম জোয়ার রশিদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি, স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংস্থা উদয়ন ক্লাব ও অভিযান ক্লাবের উপদেষ্টা এবং মিরসরাই এসোসিয়েশন চট্টগ্রামের পৃষ্ঠপোষক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন।

মোহাম্মদ সুলতান গিয়াস উদ্দিন জসিম বলেন, আমি ছাত্র জীবন থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। একটানা চারবার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছি। রাজনৈতিক কারণে জিয়া, এরশাদ, খালেদা জিয়া বিরোধী আন্দোলনে প্রথম সারিতে নেতৃত্ব প্রদান করে বহুবার হামলা-মামলার স্বীকার হয়েছি। কখনো সংগঠনের সাথে বেঈমানী করিনি। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন ও মিরসরাইয়ের সংসদ সদস্য আইটি বিশেষজ্ঞ মাহবুব রহমান রুহেলের দলীয় প্রতিটি নির্দেশনা পালন করেছি। জনপ্রতিনিধি না হয়েও আমার ব্যক্তিগত অর্থায়নে করেরহাট ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে উন্নয়ন কর্মকান্ড করেছি। আগামী ২৭ জুলাই ভোটে নির্বাচিত হলে করেরহাট ইউনিয়নকে মাদক, সন্ত্রাসমুক্ত স্মার্ট ইউনিয়নে রূপান্তরের কাজ করবো। সড়ক নির্মাণের ফলে ভেঙ্গে ফেলা করেরহাট বাজারকে নতুন জায়গায় স্থানান্তর করে নতুন শেট নির্মাণ করবো। বয়স্ক, বিধবা ভাতা, ভিজিডি কার্ড বাড়ানো সহ অসহায়-অস্বচ্ছল হতদরিদ্রদের উন্নয়নের জন্য বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করবো। গ্রামীণ সড়ক তথা যোগাযোগ খাতে উন্নয়নের পাশাপাশি করেরহাটকে মাদক ও চোরাচালানমুক্ত করবো।

করেরহাট ইউনিয়নে মোট ভোটার ৩০ হাজার ৬৪ জন। যার মধ্যে পুরুষ ভোটার ১৬ হাজার ৭২ জন, মহিলা ভোটার ১৩ হাজার ৯৯১ জন, হিজড়া ভোটার ১ জন। ১৪৮ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের ইউনিয়নটি ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত।
গত ৮ মে অনুষ্ঠিত হওয়া মিরসরাই উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিতে চেয়ারম্যান এনায়েত হোসেন নয়ন পদত্যাগ করায় এই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদ শুন্য ঘোষণা করে উপ-নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়।

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল বিএনপি নেতা কামরুলের, রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া

নিজস্ব প্রতিবেদক
মিরসরাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় কামরুল আলম (৪৮) নামে বিএনপি নেতা নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (১২ জুলাই) সকাল সাড়ে ৮টায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের খৈয়াছড়া ইউনিয়নের বড়তাকিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। কামরুল আলম উপজেলার মঘাদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক ও একই ইউনিয়নের কাজীর তালুক গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সকালে চট্টগ্রামমুখী অংশে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বেপরোয়া গতির এশিয়া পরিবহনের একটি বাস সামনে থাকা কার্ভাডভ্যানকে ধাক্কা দেয়। এ সময় বাস ও কার্ভাডভ্যান মহসড়কের পাশের জমিতে উল্টে পড়ে যায়। কার্ভাডভ্যানের চাপায় সামনে থাকা পথচারী কামরুল ঘটনাস্থলে মারা যান। কামরুলের মৃত্যুতে মিরসরাইয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

মঘাদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব মো. আলা উদ্দিন বলেন, আহ্বায়ক কামরুল গ্রামের বাড়ি যাওয়ার জন্য সকালে ঢাকা থেকে আসেন। দুইশ কিলোমিটার পাঁড়ি দিয়ে এসে বড়তাকিয়া এলাকায় বাড়ি যাওয়ার জন্য মহাসড়ক পার হওয়ার সময় বেপরোয়া গতির একটি বাস সামনে থাকা কাভার্ডভ্যানের পেছনে ধাক্কা দিলে কার্ভাডভ্যানটি কামরুলকে ধাক্কা দেয়। এ সময় ঘটনাস্থলে তিনি মারা যান।

তিনি আরো বলেন, একইদিন বাদে আসার জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে। জানাযায় বিএনপির জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সর্বস্তরের নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন। তিনি মিরসরাই কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদকেরও দায়িত্বে ছিলেন। ঘাতক গাড়ি চালকদের শাস্তি দাবি জানান তিনি।

কামরুলের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির আহবায়ক গোলাম আকবর খোন্দকার, যুগ্ম আহবায়ক নুরুল আমিন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান নুরুল আমিন, আব্দুল আউয়াল চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক শাহীদুল ইসলাম চৌধুরী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর, সদস্য সচিব গাজী নিজাম উদ্দিন, যুগ্ম আহবায়ক সালাহ উদ্দিন সেলিম, বারইয়ারহাট পৌর বিএনপির আহবায়ক দিদারুল আলম মিয়াজী।
কুমিরা হাইওয়ে পুলিশের উপ-পরিদর্শক আলমগীর হোসেন বলেন, দুর্ঘটনা কবলিত বাস ও কাভার্ডভ্যান উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার পর চালকরা পালিয়ে গেছে। লাশ স্বজনরা বাড়িতে নিয়ে গেছে। বাসের যাত্রীরা তেমন আহত হয়নি বলে জানান তিনি। এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

 

Kod bonusowych spinów Vavada na rok 2026



Kod bonusowych spinów Vavada w 2026 roku



W 2026 roku, maksymalizacja korzystnych ofert w sieci będzie kluczowa dla graczy. Istnieje wiele możliwości, które warto mieć na uwadze. Gracze, którzy śledzą oferty i promocje związane z zakładami, mogą znacząco zwiększyć swoje szanse na wygraną. Regularne sprawdzanie akcji promocyjnych czasami wystarczy, aby nie przegapić wartościowych ofert.

Jedną z najbardziej korzystnych możliwości w tym okresie są różnorodne promocje oraz oferty, które przyciągają nowych graczy. Warto zaznajomić się z linkiem do vavada kody promocyjne, który oferuje dostęp do najnowszych informacji na temat aktualnych promocji. Korzystanie z takich zasobów pozwala na pełne wykorzystanie dostępnych szans.

W 2026 roku warto również zwracać uwagę na programy lojalnościowe, które mogą przynieść dodatkowe korzyści. Gracze, którzy regularnie uczestniczą w grach, mają szansę na otrzymanie ekskluzywnych ofert, co z pewnością wpływa na ogólną atrakcyjność platformy i możliwości osiągnięcia wyższych wygranych.

Gdzie znaleźć aktualne kody bonusowe Vavada?

Najlepszym miejscem do poszukiwań aktualnych promocji jest oficjalna strona internetowa platformy. Użytkownicy często znajdą dedykowaną sekcję z ofertami, która jest na bieżąco aktualizowana.

Fora i społeczności graczy

Wielu graczy dzieli się swoimi odkryciami na forach tematycznych oraz portalach społecznościowych. Warto dołączyć do grup związanych z tematyką gier, aby nie przegapić atrakcyjnych ofert.

Warto również obserwować blogi i strony specjalistyczne, które często publikują aktualne informacje dotyczące promocji i rabatów.

Newslettery i subskrypcje

Rejestracja do newslettera na stronie platformy to sposób na otrzymywanie ekskluzywnych ofert prosto na swojego maila. Wiele serwisów wysyła zniżki tylko do subskrybentów.

Niektóre z promocji mogą być ograniczone czasowo, dlatego warto być na bieżąco z wiadomościami, aby nie stracić szansy na skorzystanie z atrakcyjnych ofert.

Warto również korzystać z aplikacji mobilnych, które mogą dodatkowo informować o nowych promocjach oraz ofertach specjalnych, co ułatwia śledzenie aktualnych propozycji.

Jak używać kodów bonusowych do uzyskania darmowych spinów?

Rejestracja konta na platformie gier online to pierwszy krok. Proces rejestracji zazwyczaj wymaga podania podstawowych danych osobowych oraz stworzenia unikalnego loginu i hasła. Upewnij się, że korzystasz z aktualnych promocji, które mogą oferować dodatkowe korzyści po założeniu konta.

Wprowadzenie kodu przy rejestracji

Podczas zakupu lub weryfikacji konta będziesz miał możliwość wpisania unikalnego kodu. Zazwyczaj znajduje się on w sekcji promocji na stronie. Po wpisaniu tego kodu, platforma rozpozna, że chcesz skorzystać z określonej oferty, co spowoduje przyznanie Ci darmowych obrotów. Sprawdź, czy jest wymóg minimalnej wpłaty. Wiele promocji jest związanych z pierwszą wpłatą.

Odsłona promocji i warunki

Nie zapomnij zaznajomić się z dokładnymi warunkami związanymi z promocją. Ważne jest, aby wiedzieć, jakie gry kwalifikują się do wykorzystania darmowych obrotów. Zazwyczaj określone tytuły slotów są preferowane i mogą przynieść lepsze wyniki. Upewnij się także, czy są ograniczenia czasowe, w których musisz wykorzystać przyznane obroty.

Aktywacja promocji nie kończy się na wprowadzeniu kodu. W różnych platformach mogą występować wymogi dotyczące obrotów, co oznacza, że musisz wygenerować określoną kwotę zakładów, zanim będziesz mógł wypłacić wygrane po użyciu darmowych jednorazowych obrotów. Zapoznaj się z wszelkimi regulacjami, aby uniknąć nieprzyjemnych niespodzianek.

Możliwość korzystania z promocyjnych kręgów daje szansę na wygraną bez większego ryzyka. Wiele platform oferuje różnorodne oferty, a wykorzystanie kodów w odpowiednich momentach może znacznie wzbogacić Twoje doświadczenia w grach hazardowych. Śledź regularnie informacje na stronie, aby być na bieżąco z nowymi promocjami i kodami, które mogą wpłynąć na Twoją grę.

Najczęstsze pytania dotyczące kodów bonusowych Vavada w 2026 roku

Czy promocje są dostępne dla nowych graczy? Tak, nowi użytkownicy mogą korzystać z atrakcyjnych ofert powitalnych, które często obejmują dodatkowe środki na pierwsze wpłaty. Sprawdź szczegóły na stronie, aby uzyskać maksymalne korzyści.

Jakie wymagania należy spełnić?

  • Rejestracja konta jest obowiązkowa.
  • Konieczne jest dokonanie określonej minimalnej wpłaty.
  • Sprawdź warunki obrotu, aby móc wypłacić wygrane.

Czy można łączyć różne oferty? Zwykle, oferty są ograniczone do jednego na konto. Zawsze warto zapoznać się z regulaminem, ponieważ zdarzają się wyjątki, które mogą pozwolić na korzystanie z kilku promocji jednocześnie.

Jakie są najpopularniejsze metody aktywacji promocji?

  1. Bezpośrednie wprowadzenie specjalnego kodu podczas rejestracji.
  2. Akceptacja oferty w momencie dokonywania wpłaty.
  3. Obserwowanie profilu na social mediach, gdzie mogą być ogłaszane unikalne promocje.

Jak długo trwa ważność aktywacji? Zazwyczaj, promocje mają określony czas ważności, często od kilku dni do kilku tygodni. Zdecydowanie zaleca się regularne sprawdzanie dat ważności oraz warunków korzystania z ofert, aby uniknąć utraty potencjalnych korzyści.