বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Home Blog Page 640

চট্টগ্রামের ১৬ আসনে ১৭৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা

 

নিউজ ডেস্ক..

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য পদে প্রার্থী হতে চট্টগ্রামের ১৬ আসনের বিপরীতে ১৭৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

বুধবার (২৮ নভেম্বর) মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন উৎসবমুখর পরিবেশে নগর সংশ্লিষ্ট ৬টি আসনের প্রার্থীরা বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং অফিসার মো. আবদুল মান্নানের কাছে এবং জেলার ১০টি আসনের প্রার্থীরা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার মো. ইলিয়াস হোসেনের কার্যালয়ে এসব মনোনয়নপত্র জমা দেন।

চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। বিএনপি থেকে মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন নুরুল আমিন চেয়ারম্যান। বিকল্প প্রার্থী হিসেবে মো. মনিরুল ইসলাম, কামাল উদ্দীন আহাম্মেদ, শাহীদুল ইসলাম চৌধুরী, মোঃ মোশারফ হোছাইনস রেজাউল করিম। অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে আরও ৬ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন।

চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে নৌকা প্রতীকে তরিকত ফেডারেশন থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারী। অন্যদিকে, বিএনপি থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন নুরী আরা সাফা, আজিম উল্লাহ বাহার, ছালাহ উদ্দীন, খুরশীদ জামিল চৌধুরী, গিয়াস কাদের চৌধুরী। এছাড়াও অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে আরও ৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন।

চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন মাহফুজুর রহমান মিতা। অন্যদিকে, বিএনপি থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন মোস্তফা কামাল পাশা। এছাড়াও অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে আরও ৬ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন।

চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন দিদারুল আলম দিদার। অন্যদিকে, বিএনপি থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন আসলাম চৌধুরী।

চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসনে লাঙ্গল প্রতীকে জাতীয় পার্টির ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। অন্যদিকে, বিএনপি থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা। এছাড়াও এ আসন থেকে বাংলদেশ কল্যাণ পার্টির সভাপতি মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিম মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ফজলে করিম চৌধুরী। অন্যদিকে, বিএনপি থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছেলে সামির কাদের চৌধুরী ও জসীম উদ্দীন সিকদার। এছাড়াও অন্যান্য দল থেকে আরও ১ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন।

চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনে আওয়ামী লীগ থেকে ড. হাসান মাহমুদ মনোনয়নপত্র জমা দেন। অন্যদিকে, বিএনপি থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, মুহাম্মদ শওকত আলী নুর, আবু আহমেদ হাসনাত ও কুতুব উদ্দিন বাহার। এছাড়াও অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে আরও ৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন।

চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী) আসনে নৌকা প্রতীকে জাসদের মইন উদ্দীন খান বাদল মনোনয়নপত্র জমা দেন। অন্যদিকে বিএনপি থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন এম মোরশেদ খান ও আবু সুফিয়ান।

চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী) আসনে আওয়ামী লীগ থেকে ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল মনোনয়নপত্র জমা দেন। অন্যদিকে বিএনপি থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন শামসুল আলম, ডা. শাহাদাত হোসেন ও আবুল হাশেম বক্কর।

চট্টগ্রাম-১০ (হালিশহর) আসনে আওয়ামী লীগ থেকে ডা. আফসারুল আমিন মনোনয়নপত্র জমা দেন। অন্যদিকে, বিএনপি থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন আবদুল্লাহ আল নোমান ও মোশারফ হোসেন দীপ্তি।

চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর) আসনে আওয়ামী লীগ থেকে এম এ লতিফ মনোনয়নপত্র জমা দেন। অন্যদিকে, বিএনপি থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে আওয়ামী লীগ থেকে সামশুল হক চৌধুরী মনোনয়নপত্র জমা দেন। অন্যদিকে, বিএনপি থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন এনামুল হক ও গাজী শাহজাহান জুয়েল। এছাড়াও অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে আরও ৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন।

চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা) আসনে আওয়ামী লীগ থেকে সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ মনোনয়নপত্র জমা দেন। অন্যদিকে, বিএনপি থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন সরওয়ার জামাল নিজাম ও মোস্তাফিজুর রহমান। এছাড়াও অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে আরও ৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন।

চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ) আসনে আওয়ামী লীগ থেকে নজরুল ইসলাম চৌধুরী মনোনয়নপত্র জমা দেন। অন্যদিকে, স্বতন্ত্র থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন এলডিপির সভাপতি ড. অলি আহমদ। এছাড়াও অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে আরও ১১ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন।

চট্টগ্রাম-১৫ (লোহাগাড়া) আসনে আওয়ামী লীগ থেকে আবু রেজা মু. নেজামুদ্দীন নদভী মনোনয়নপত্র জমা দেন। এছাড়াও অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে আরও ৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন।

চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনে আওয়ামী লীগ থেকে মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী মনোনয়নপত্র জমা দেন। অন্যদিকে, বিএনপি থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন জাফরুল ইসলাম চৌধুরী। এছাড়াও জাতীয় পার্টি থেকে লাঙ্গল প্রতীকে মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরীসহ অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে আরও ৮ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন।

জেলা নির্বাচনী কর্মকর্তা মো. মুনীর হোসাইন খান বাংলানিউজকে বলেন, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে চট্টগ্রামের ১৬ আসনে ১৭৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এরমধ্যে নগরের ৬ আসনে ৭৪ জন, এবং জেলার ১০ আসনে ১০১ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

তিনি জানান, পুনঃতফসীল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র বাছাই করা হবে ২ ডিসেম্বর। ৯ ডিসেম্বর প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। ৩০ ডিসেম্বর ভোট অনুষ্ঠিত হবে।

জেলখানায় অসুস্থ বিএনপি নেতাকর্মীদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে না : রিজভী

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, জেলখানায় আটক বিএনপি নেতাকর্মীদের অনেকে ভীষণ অসুস্থ হলেও তিলে তিলে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়ার জন্য তাদের কোনো চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়না।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, এভাবে চিকিৎসা না পাওয়ায় আওয়ামী শাসনামলে বিএনপির তৎকালীন ঢাকা বিভাগীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক এমপি নাসির উদ্দিন আহমেদ পিন্টুসহ বিএনপির অনেক নেতাকর্মীর জেলখানায় করুণ মৃত্যু হয়েছে।

তিনি বলেন,‘মাস তিনেক আগে গায়েবি মামলায় গ্রেফতার হয়ে কারান্তরীণ তেজগাঁও জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতা আব্দুল্লাহ আল তামিম গাজীপুর জেলে গতকাল মারা গেছেন। কারা কর্তৃপক্ষের অবহেলা ও সরকারের নির্যাতনেই তার মৃত্যু হয়েছে।’

রিজভী বলেন, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে জোর করে ক্ষমতা দখল করার পর এ বছর আরেকটি সে রকম নির্বাচন করতে আওয়ামী লীগের ভোটারবিহীন সরকার বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে কারান্তরীণ করার তৎপরতা চালাচ্ছে।

রিজভী অভিযোগ করেন,‘কয়েক দিন ধরে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের শাহজাহানপুরের বাসা সার্বক্ষণিক ঘিরে রেখেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। মির্জা আব্বাসের বাসায় ঢোকা ও বেরোনোর সময় নেতাকর্মীদের লাগাতার গ্রেফতার করা হচ্ছে।’

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন চট্টগ্রাম-১ মিরসরাই আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করিম

মিরসরাই প্রতিনিধি

আসন্ন একাদশ সংসদ নির্বাচনে সংসদীয় আসন চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনে ইনসানিয়াত বিপ্লব, বাংলাদেশ সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করিম মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। বুধবার (২৮ নভেম্বর) চট্টগ্রাম জেলা রিটানিং কর্মকর্তার কাছে নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে তিনি মনোনয়নপত্র জমা দেন।

রেজাউল করিম বলেন, আমি নির্বাচিত হলে অবহেলিত মানুষদের শিক্ষা, চিকিৎসা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি সন্ত্রাস ও মাদকের বিরুদ্ধে কাজ করবো। সন্ত্রাস-সহিংসতার অবসান ঘটিয়ে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য পরিবেশ সৃষ্টি, সব ধর্মের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও অবাধে ধর্ম পালনের পরিবেশ নিশ্চিত করা ও শিক্ষার উন্নয়নে সক্রিয় ভূমিকা পালনসহ এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে পদক্ষেপ গ্রহণের একগুচ্ছ পরিকল্পনা রয়েছে আমার। আমার বিশ্বাস মিরসরাইবাসী দল-মত নির্বিশেষে আমাকে ভোট দিয়ে জয়ী করবে ইনশাআল্লাহ।

রেজাউল করিমের বাড়ি মিরসরাই উপজেলার বারইয়ারহাট পৌরসভার মেহেদীনগর এলাকায়।

গুম, খুন ও গ্রেফতার আতঙ্ক নিয়ে ভোটের মাঠে বিএনপি

 

নিউজ ডেস্ক..

গ্রেফতার-মামলা-হামলার আতঙ্ক নিয়ে নির্বাচনের মাঠে নেমেছে বিএনপি। গতকাল বুধবার সারা দেশে দলের প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। বেশ কিছু আসনে সশরীরে হাজির হয়ে প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দিতে পারেননি। কিছু কিছু জায়গায় হামলার ঘটনাও ঘটেছে।

বিএনপির নীতিনির্ধারকেরা জানিয়েছেন, কোনো ধরনের ঝামেলায় না জড়িয়ে শান্তিপূর্ণভাবে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। মনোনয়ন শান্তিপূর্ণভাবে দাখিল করা হয়েছে। তারপরেও বেশ কয়েকটি স্থানে তাদের প্রার্থীরা হামলার মুখে পড়েছেন।

জানা গেছে, সব আসনেই বিএনপি একাধিক প্রার্থীকে মনোনয়ন চিঠি দিয়েছে। এ জন্য একক প্রার্থী চূড়ান্ত করতে অর্থাৎ প্রতীক বরাদ্দের চিঠি কে পাবেন, তা নিয়ে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম-স্থায়ী কমিটির সদস্যরা ফের বৈঠকে বসবেন কয়েক দিনের মধ্যে।
মনোনয়নের চিঠি পেয়ে দেশের প্রধান দুই দলের প্রার্থীরা এলাকায় গেছেন। মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার আগে পরে ভোটারদের সাথে কুশলবিনিময় করছেন। নিজ বাড়িতে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে বৈঠক করছেন। নির্বাচনী ছক আঁকছেন।

মনোনয়ন দাখিল করে বিএনপি অভিযোগ করেছে, নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নেই। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই। কয়েকটি জায়গায় সরকারি দলের প্রার্থীদের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছে দলটি। বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের ঢাকা-৯ আসনে মনোনয়ন ফরম জমা নেয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি।

৩০০ আসনে প্রায় ৮০০ প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি। মনোনীত প্রার্থী তালিকা বিশাল হওয়া প্রসঙ্গে দলের সিনিয়র এক নেতা জানান, গত ১২ বছরে বিএনপি নেতাদের প্রায় প্রত্যেকের নামে একাধিক মামলা হয়েছে। মামলায় অনেকের সাজাও হয়েছে। কেউ কেউ এখনো কারাগারে রয়েছেন। আবার নির্বাচন সামনে রেখে সরকার আদালতকে ব্যবহার করছে, অনেক নেতার নামে থাকা মামলাগুলোর শুনানি পিছিয়ে জামিন বাতিল করা হচ্ছে। ফলে নির্বাচনের আগে কোনো প্রার্থীর সাজা হলে বা কেউ কারাগার থেকে মুক্ত না হতে পারলে, সেখানে বিকল্প প্রার্থীকে শেষ পর্যন্ত মনোনয়ন দেয়া হবে। এ ছাড়া কারও প্রার্থিতা ঋণখেলাপির কারণে বাদ পড়ে যেতে পারে। এসব বিবেচনায় নিয়ে এক আসনে একাধিক প্রার্থীকে প্রাথমিকভাবে দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয়েছে।

নেতারা আরো বলেছেন, প্রার্থী তালিকা বড় হওয়ার আরেকটি কারণ মন রক্ষা করা। এক যুগ ধরে ক্ষমতার বাইরে থাকা বিএনপির অসংখ্য নেতা আছেন যারা এই সময়ে দলের জন্য অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছেন, কিন্তু সংসদ সদস্য হওয়ার মতো যোগ্য হয়ে উঠতে পারেননি। আবার অনেকে দলীয় কাজে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা না থাকলেও এমপি হওয়ার মতো যোগ্য। তাই মনোনয়নপত্র দাখিলের আগে প্রত্যাশী বহু নেতাকে দলীয় মনোনয়নের চিঠি দিয়ে খুশি রাখা হয়েছে। তবে চূড়ান্ত পর্যায়ে সবচেয়ে যোগ্য নেতাই পাবেন ধানের শীষ প্রতীক।

গতকাল বেশ কয়েকটি স্থানে বিএনপির প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিতে গিয়ে বাধার মুখে পড়েছেন। শরীয়তপুর-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের এপিএস মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপুর ওপর গোসাইরহাট উপজেলা আওয়ামী লীগের নামধারী সন্ত্রাসীরা হামলা করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। হামলায় বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে। এ বিষয়ে মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু বলেন, গোসাইরহাট উপজেলা থেকে ভেদরগঞ্জ উপজেলায় মনোনয়নপত্র জমা দিতে যাওয়ার সময় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শাজাহান সিকদারের নেতৃত্বে আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করে ১৫টি মোটরসাইকেল ছিনতাই করা হয়।

কিশোরগঞ্জ-৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী শরিফুল আলম বলেন, প্রতিনিধির মাধ্যমে তিনি মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তিনি জানান, এলাকায় বিএনপির নেতাকর্মীরা গ্রেফতার আতঙ্কে রয়েছেন। নির্বাচন কমিশনে আমি লিখিতভাবে এলাকার ভীতিকর পরিস্থিতির কথা জানিয়ে চিঠি দিয়েছি। কিন্তু অবস্থার কোনো পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছি না।

সিরাজগঞ্জ-৫ আসনে মনোনয়ন জমা দিতে গিয়ে হামলার মুখে পড়েছেন বিএনপির প্রার্থী রাকিবুল করিম খান পাপ্পু। বেলকুচি উপজেলার সামনে ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতারা এই হামলা চালায় বলে অভিযোগ করেছেন পাপ্পুর সাথে থাকা ছাত্রদল নেতা আরিফ সরকার।
পাপ্পু বলেন, আমরা এক ধরনের আতঙ্ক নিয়ে নির্বাচনের মাঠে নেমেছি। যদি সুষ্ঠু ভোট হয় তাহলে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত।

নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন মাহমুদুর রহমান সুমন। তিনি বলেন, এলাকায় ধানের শীষের পক্ষে গণজোয়ার উঠেছে, যা ক্ষমতাসীনরা মেনে নিতে পারছে না। আর এ কারণেই মামলা-হামলা দিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে তারা।

নোয়াখালী-২ আসনে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন কাজী মো: মফিজুর রহমান। তিনি বলেন, দল চূড়ান্ত মনোনয়ন দিলে তিনি বিজয়ী হবেন। তবে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে। মামলা-গ্রেফতার তো আছেই।

রিজভীর অভিযোগ

এদিকে গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করেছেন ঢাকা-৭ আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী মোশাররফ হোসেন খোকন মনোনয়নপত্র দাখিল করে বাসার উদ্দেশে রওনা হওয়ার পর থেকে তার কোনো হদিস পাওয়া যাচ্ছে না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীই তাকে গ্রেফতার করেছে। গত দুই দিন ধরে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের শাহজাহানপুরের বাসা সার্বক্ষণিক ঘিরে রেখেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গত কয়েকদিন ধরে মির্জা আব্বাসের বাসায় প্রবেশ ও বেরুনোর সময় দুই দিনে ১৯ জন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

তিনি বলেন, শরীয়তপুর-৩ আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু নেতাকর্মীদের নিয়ে মনোনয়নপত্র দাখিলের উদ্দেশে ভেদরগঞ্জ উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের দিকে রওনা হলে অপুর গাড়িবহরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও বিএনপি নেতাকর্মীদের আহত করা হয়।

এ ছাড়া মহানগর বিএনপি নেতা হাজী আদিল, নাজিবুল্লাহ, তারেক মাহমুদ, শহীদুল্লাহ, সোহেল, আরিফ ও কামাল, হবিসহ আরো অনেককে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনে ১১ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা


মিরসরাই প্রতিনিধি
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনের জন্য ১১জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। বুধবার (২৮ নভেম্বর) সহকারী রির্টানিং কর্মকর্তা ও রির্টানিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন প্রার্থীরা।


বুধবার সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রির্টানিং কর্মকর্তার কার্যালসূত্রে জানা যায়, মিরসরাই আসনে মনোনয় জমা দেওয়ার শেষ দিন মনোনয়ন জমা দেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রার্থী নুরুল আমিন চেয়ারম্যান। বিকল্প প্রার্থী কামাল উদ্দিন আহাম্মেদ, মোঃ মনিরুল ইসলাম, বিএনপির স্বতন্ত্র শহীদুল ইসলাম চৌধুরী, ইসালামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ আব্দুল মন্নান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মোঃ সামসুদ্দীন, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের শেখ জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী, গণ ফেরামের প্রার্থী নুর উদ্দিন আহমেদ, স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করিম, মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন।
মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় আওয়ামীলীগ ও বিএনপির দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

উপজেলা চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগ করে মনোনয়নপত্র জমা দেন নুরুল আমিন

মিরসরাই প্রতিনিধি
আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসন থেকে নির্বাচন করার লক্ষ্যে উপজেলা চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মিরসরাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান (সাময়িক বরখাস্তকৃত) ও মিরসরাই উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন।
ঊুধবার (২৮ নভেম্বর) তিনি চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ইলিয়াছ হোসেনের হাতে পদত্যাগপত্রটি তুলে দিয়ে তারপরও মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এছাড়া স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়েও পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১ মিরসরাই আসন থেকে বিএনপি তাকে দলীয় মনোনয়ন দিয়েছেন। পাশাপাশি কোন কারণে তার মনোনয়ন বাতিল হলে বিকল্প প্রার্থী হিসেবে চট্টগ্রাম চেম্বারের সাবেক সভাপতি কামাল উদ্দিন আহাম্মেদ ও বড়তাকিয়া গ্রুপের চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম ইউসুফকে রাখা হয়েছে।

চট্টগ্রাম-১ আসনে বিএনপির মনোনয়নপত্র জমা দিলেন নুরুল আমিন

মিরসরাই প্রতিনিধি
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১ মিরসরাই আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী নুরুল আমিন চেয়ারম্যান মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। বুধবার (২৮ নভেম্বর) দুপুরে নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন তিনি। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মিরসরাই উপজেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক গাজী নিজাম উদ্দিন, বারইয়ারহাট পৌরসভা বিএনপির আহবায়ক দিদারুল আলম মিয়াজী, ১২ নম্বর খৈয়াছড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুজ্জামান, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক শাহীনুল ইসলাম স্বপন, ১৩ নম্বর মায়ানী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মুছা মিয়া, হিঙ্গুলী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম,

মিরসরাই উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ন আহবায়ক মফিজ উদ্দিন আহম্মেদ, বিএনপি নেতা মফিজ উদ্দিন মিয়াজী, নাজমুল হক সোহাগ, বারইয়ারহাট পৌরসভা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল মান্নান বাবুল, নজরুল ইসলাম লিটন, কামরান সরোয়ার্দী, নুরুল আবছার, আজিজুল হক মেম্বার,আলী নেওয়াজ, মিয়া সওদাগর, জহির উদ্দিন বাবলু, আবুল হোসেন আর্মি, ইয়াছিন মিজান,মহিউদ্দিন ড্রাইভার,বেলায়েত হোসেন মেম্বার,মোশারফ হোসেন লাভলু চৌধুরী,

শেখ ফরিদ,মহসিন স¯্রাট,মোস্তফা চৌধুরী,মোসলেহ উদ্দিন চৌধুরী হাসান,আসাদুদৌহা, মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু,নুরুল আলম মেম্বার, মোশারফ হোসেন মেম্বার, কফিল উদ্দিন চৌধুরী সোহাগ, রেজাউর হক রেজা, রেজাউল করিম, এডভোকেট সিরাজ, এডভোকেট এরফান, এডভোকট ফেরদৌস, এডভোকেট আনোয়ার, রেজাউল করিম, ইমাম হোসেন বাবলু, আবিদ হোসেন মানিক, মহিউদ্দিন মেম্বার, কামাল উদ্দিন পাশা, দিদারুল আলম মিলন, গোলাম মাওলা বাবলু, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক ইফতেখার মাহমুদ জিপসন, কামাল উদ্দিন,বেলাল উদ্দিন, দিলশাদ,জিয়া উদ্দিন ফরহাদ, মিরসরাই পৌরসভা বিএনপি নেতা রবিউল হোসেন রবি, মোঃ আলমগীর, জাহিদ হুসাইন, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক শাহ মোঃ ফোরকান উদ্দিন চৌধুরী, রফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া, মোজাম্মেল হোসেন, কামাল উদ্দিন, ওমর ফারুক, উপজেলা ছাত্রদল সভাপতি আনোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সেলিম উদ্দিন, মিনহাজ উদ্দিন টিটু, মোহন দে,সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।
মনোনয়নপত্র জমাদানের পরবর্তী মুহুর্তে নুরুল আমিন জানান, দীর্ঘদিন ধরে মিরসরাইয়ের নেতাকর্মীদের নিয়ে ঐক্যবদ্ধ ছিলাম, আওয়ামীলীগের দুঃশাসনের সময় অনেক নির্যাতন সহ্য করেছি। দল আমাকে মনোনয়ন দিয়েছেন, দলের সকল নেতাকর্মীদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। আমি আশা করছি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড যদি থাকে মিরসরাই আসন আমি দলকে উপহার দিতে সক্ষম হবো।

মিরসরাইয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন

::মিরসরাই প্রতিনিধি::

মিরসরাই আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন তাঁর মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। বুধবার জমা দেয়ার শেষ দিন বেলা সাড়ে ১২টার দিকে দলের কয়েকজন নেতাকে সঙ্গে নিয়ে মিরসরাই উপজেলা সহকারী রিটানিং অফিসারের কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি তাঁর মনোনয়নপত্র জমা দেন।
বুধবার বেলা আড়াইটার নাগাদ মিরসরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ রুহুল আমিন জানান, বুধবার মনোনয়নপত্র জমা দানের শেষ দিন। এদিন আওয়ামী লীগ প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এবং ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন প্রার্থী মীর শামসুদ্দীন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। শুনেছি আরও কয়েকজন প্রার্থী জেলা রিটানিং অফিসারের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
মিরসরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ আতাউর রহমান জানান, আমরা আমাদের দলের প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের সাথে গিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি। মনোনয়নপত্র জমা দানের আগে আমাদের নেতা স্থানীয় মান্দারবাড়ীয় এলাকায় মাওলানা অলি আহম্মদের মাজার জিয়ারত করেন।

সাদেক হোসেন খোকার ১০ বছরের কারাদণ্ড

 

নিউজ ডেস্ক
বনানী সুপার মার্কেটের কার পার্কিং ইজারা নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকাসহ চার আসামিকে ১০ বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

আজ বুধবার ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ মিজানুর রহমান খান এ রায় ঘোষণা করেন।

সাদেক হোসেন খোকাকে কারাদণ্ডের পাশাপাশি ২০ লাখ টাকা এবং অপর তিন আসামিকে ১০ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

মামলার সকল আসামি পলাতক রয়েছেন। আসামিদের বিরুদ্ধে জরিমানার টাকা আদায়ের জন্য লেভি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

বারইয়ারহাটে চট্টগ্রামের প্রথম ব্র্যাক ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং চালু হচ্ছে আগামীকাল বৃহস্পতিবার

 

নিজস্ব প্রতিনিধি

মিরসরাই উপজেলার ব্যবসায়িক প্রাণকেন্দ্র বারইয়ারহাটে চট্টগ্রাম জেলার প্রথম ব্র্যাক ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং চালু হচ্ছে আগামী বৃহস্পতিবার (২৯ নভেম্বর)। বারইয়ারহাট পৌরসভার কামার গলির ট্রাফিক মোড় সংলগ্ন হাজী ছালে আহমদ মার্কেটের ২য় তলায় উক্ত এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা চালু হচ্ছে। ব্র্যাক ব্যাংকের বারইয়ারহাট শাখার এজেন্ট ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন সোহেল জানান, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে আধুনিক ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দিতে এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা চালু করেছে ব্র্যাক ব্যাংক। গত ৩০ অক্টোবর ব্র্যাক ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের যাত্রা শুরু হয়। ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান ফজলে হাসান আবেদ আনুষ্ঠানিকভাবে এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা উদ্বোধন করেন। এজেন্ট ব্যাংকিং অন্যান্য ব্যাংকিং সেবার চেয়ে সাশ্রয়ী এবং এই সেবাটি সপ্তাহে সাত দিন ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে। দেশের প্রান্তিক অঞ্চলে থাকা দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে ব্যাংকিং সেবার আওতায় নিয়ে আসবে এ সেবা। এর মাধ্যমে ব্র্যাক ব্যাংক ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবার যাত্রা শুরু করল।

তিনি আরো জানান, চট্টগ্রামের প্রবেশদ্বার বারইয়ারহাটে ব্র্যাক ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং চালু হলে গ্রাহকরা অ্যাকাউন্ট খোলা, নগদ টাকা জমা এবং উত্তোলন, ডিপিএস, এফডিআর, ফান্ড ট্রান্সফার, বৈদেশিক রেমিটেন্স, বিদ্যুৎ বিল ও বীমা প্রিমিয়াম, ঋণ গ্রহণ এবং পরিশোধ, সরকারি ভাতা গ্রহণ, ডেবিট কার্ড এবং চেক বই গ্রহণ, স্কুলের বেতন প্রদানসহ অন্যান্য সেবা নিতে পারবেন।

আগামী বৃহস্পতিবার থেকে স্বল্প পরিসরে কিছু সেবা নিয়ে উক্ত এজেন্ট আউটলেটটি চালু হচ্ছে। শীঘ্রই পূর্ণাঙ্গ ও কিছু ইউনিক সেবা নিয়ে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করবে ব্র্যাক ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং।