বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Home Blog Page 641

মিরসরাইয়ের ওসমানপুরে ১০ম তাফসীরুল কুরআন মাহফিল বৃহস্পতিবার

মিরসরাই প্রতিনিধি
মিরসরাই উপজেলার ওসমানপুরে আল-মদিনা পাঠাগারের উদ্যোগে ১০ম তাফসীরুল কুরআন মাহফিল আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৯ নভেম্বর) বিকেল ২ টায় অনুষ্ঠিত হবে। আজমপুর বাজার প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিতব্য তাফসীরুল কুরআন মাহফিল ওসমানপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মফিজুল হক মাষ্টারের সভাপতিত্বে এতে আমন্ত্রিত ওলামায়ে কেরামরা হলো ঢাকার মিরপুর জামেয়া কাছেমুল উলুম মাদ্রাসার পরিচালক আল্লামা জুনায়েদ আল হাবীব, চট্টগ্রাম ওমরগণি কলেজের অধ্যাপক ড.আ.ফ.ম খালেদ হোসাইন, ঢাকা মারকাজুত ত্বাকওয়া ইসলামিক রিচার্স সেন্টারের মুহাদ্দিস আল্লামা মাহফুজুর রহমান (কুয়াকাটা), ফেনীর মহিপাল হোসাইনিয়া মাদ্রাসার মুহাদ্দিস আল্লামা আবুল কাশেম প্রমুখ। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বারইয়ারহাট শেফা ইনসান হাসপাতালের পরিচালক ডা.এ.এস.এম ফারুক।
আল-মদিনা পাঠাগারের সভাপতি রাহাদুল ইসলাম জানান, ঐতিহ্যের ধারাবহিকতায় দীর্ঘদিন যাবত এই তাফসীরুল কুরআন মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। বৃহস্পতিবার ১০ম তাফসীরুল কুরআন মাহফিল আয়োজনের জন্য ইতিমধ্যে প্রচারপ্রচারণাসহ অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে। আশা করছি সুষ্ঠ ও সুন্দরভাবে মাহফিল সম্পন্ন করতে সক্ষম হবো।
মিরসরাই উপজেলা কওমী মাদ্রাসা পরিষদের সভাপতি মাওলানা শহীদুল ইসলাম জানান, আল-মদিনা পাঠাগারের উদ্যোগে আয়োজিত তাফসীরুল কুরআন মাহফিল দীর্ঘ সময় ধরে সুষ্ঠ ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়ে আসছে। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিতব্য মাহফিলে আমরা ধারণা করছি ফেনী, সীতাকুন্ড ও মিরসরাইয়ের প্রায় ৫ হাজার আলেম ওলামাসহ সর্বস্তরের জনগণ অংশগ্রহণ করবেন।

 

মিরসরাই আসনে ইউপি সদস্য থেকে সংসদে যাওয়ার দৌড়ে বিএনপির আমিন চেয়ারম্যান!


নিজস্ব প্রতিবেদক
ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার (সদস্য) নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে জনপ্রতিনিধিত্ব শুরু। এরপর নির্বাচিত হন চেয়ারম্যান। তারপর উপজেলা চেয়ারম্যান। এবার একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে মনোনয়নলাভ করে সংসদে যাওয়ার দৌড়ে অবতীর্ণ হলেন নুরুল আমিন। যাকে সবাই নুরুল আমিন চেয়ারম্যান বলেই চেনেন।
মঙ্গলবার (২৭ নভেম্বর) বিএনপির মনোনয়ন বোর্ড চট্টগ্রাম-১ মিরসরাই আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে তাঁর হাতে দলীয় মনোনয়নপত্র তুলে দিয়েছে। অবশ্য এ অন্যন্য সংসদীয় আসনের মত তাঁর বিকল্প হিসেবে এফবিসিসিআই-এর সাবেক সহ-সভাপতি শিল্পপতি কামাল উদ্দিন আহম্মদ ও ইউসুফকে ঘোষণা করেছে দলটি।

নুরুল আমিন ১৯৯৮ সালে উপজেলার ৫ নম্বর ওসমানপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। ২০০৩-২০১১ পর্যন্ত ওসমানপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৮-২০১২ পর্যন্ত ওসমানপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি ২০০৯ সালে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ও একই বছর কাউন্সিলের মাধ্যমে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০১০ সালে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপি’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি দীর্ঘদিন মিরসরাই উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।


উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ও উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গাজী নিজাম উদ্দিন বলেন, মিরসরাই বিএনপির দুর্দিনের কান্ডারী আমিন চেয়ারম্যান। উপজেলা বিএনপি যখন নেতৃত্বশূন্য হয়ে পড়ে ঠিক তখনই ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন তিনি। গত ১০ বছরে সকল আন্দোলন সংগ্রাম হামলা, মামলায় অগ্রভাগে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। নেতা-কর্মীদের সুখে, দুঃখে নিজেকে উজাড় করে দিয়েছেন। তিনি আরো বলেন, জনগনের ভোটে তিনি উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেও সরকারের প্রতিহিংসার কারণে মাত্র ৬ মাসের বেশি দায়িত্ব পালন করতে পারেন নি। দলের হাইকমান্ড বিগত সময়ে আন্দোলন সংগ্রামে কার অবদান ছিলো সে বিষয়টি বিবেচনা করে নুরুল আমিন চেয়ারম্যানকে মনোনয়ন দিয়েছে। আগামী ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচন সুষ্ঠু হলে ধানের শীষ প্রতিকে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবে ইনশাআল্লাহ।
বিকল্প প্রার্থী ঘোষণা প্রসঙ্গে নুরুল আমিন বলেন, ‘সরকার কখন কাকে জেলে ঢুকিয়ে দেয় তার কোন ঠিক নেই, তাই বিকল্প হিসেবে কামাল সাহেব ও মনিরুল ইসলাম ইউসুফকে রাখা হয়েছে।
বিএনপির মনোনীত প্রার্থী নুরুল আমিন আরো বলেন, ‘জীবনে কোন নির্বাচনে আমি পরাজিত হইনি। এবারও ইনশাল্লাহ হারবো না। ধানের শীষ প্রতীকের জয় সুনিশ্চিত করে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারামুক্ত করবো।’

নতুন মুখ প্রাধান্য দিয়ে চট্টগ্রামের ১৬টি আসনে চূড়ান্ত মনোনয়ন ঘোষণা করেছে বিএনপি।

 

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে গতকাল মঙ্গলবার দ্বিতীয় দিনে এসব আসনে ৩৫ জনকে দলীয় মনোনয়নপত্র বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে মাত্র ৮ জনের অতীতে নির্বাচন করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। অবশিষ্ট ২৭ জনই নতুন মুখ। এদের মধ্যে রয়েছেন দুইজন নারী প্রার্থীও। এরা হলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের কন্যা ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা ও উত্তর জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী এডভোকেট ফরিদা আকতার। এছাড়া প্রার্থীদের মধ্যে দুইজন চিকিৎসকও রয়েছেন। এরা হলেন মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন ও উত্তর জেলা বিএনপি নেতা ডা. খুরশীদ জামিল চৌধুরী।
বিএনপির ঘোষিত তালিকায় দলের কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী ও দলের চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা গোলাম আকবর খোন্দকারের নাম নেই। অথচ গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী ফটিকছড়ি, রাউজান ও রাঙ্গুনিয়া এ তিন আসনে মনোনয়ন চেয়েছিলেন। এর আগে তিনি ১৯৮৬ সালে তৃতীয় সংসদ নির্বাচনে রাঙ্গুনিয়া আসনে ও ১৯৯৬ সালের সপ্তম সংসদ নির্বাচনে রাউজান থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। অপরদিকে গোলাম আকবর খোন্দকার চেয়েছিলেন ফটিকছড়ি আসন থেকে। তিনি ১৯৯৬ সালে ষষ্ঠ সংসদ নির্বাচনে রাউজান থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এবার দুইজনই মনোনয়নবঞ্চিত হন। তবে গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর পরিবর্তে তাঁর পুত্র সামির কাদের চৌধুরী রাউজান আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন। সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী পরিবারের কেউ রাঙ্গুনিয়া আসন থেকে মনোনয়ন চাননি বলে বিএনপির একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।
বিএনপির ঘোষিত তালিকায় মিরসরাই, ফটিকছড়ি, হাটহাজারী, রাউজান ও রাঙ্গুনিয়া আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রাপ্ত সবাই নতুন মুখ। এছাড়া চট্টগ্রামের দুইটি আসনে একক প্রার্থী ঘোষণা করলেও অবশিষ্ট ১২ আসনে একাধিক প্রার্থীকে মনোনয়নপত্র বিতরণ করেছে দলটি। জোটকে ছেড়ে দেওয়া চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক) ও চট্টগ্রাম-১৫ (লোহাগাড়া-সাতকানিয়া আংশিক) এ দুইটি আসনে বিএনপি কোনো প্রার্থীকে মনোনয়নপত্র দেয়নি। এ দুইটি আসনে জামায়াত ও এলডিপির একক প্রার্থী রয়েছে। তবে চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী ও বায়েজিদ) আসনে জোটের বাইরে বিএনপি আরো তিনজনকে মনোনয়নপত্র দিয়েছে।
বিএনপির একটি সূত্র জানায়, কৌশলগত কারণে চট্টগ্রামের ১২টি আসনে একাধিক প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। মামলা, ঋণ খেলাপীসহ বিভিন্ন কারণে এসব আসনে দলের একাধিক প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। এজন্য দলে তেমন সমস্যা হবে না। প্রত্যাহারের শেষদিন পর্যন্ত মনোনয়ন পরিবর্তন ও প্রত্যাহারের সুযোগ রয়েছে।
এদিকে চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকু-) আসনে দলের যুগ্ম মহাসচিব ও উত্তর জেলা আহ্বায়ক মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী ছাড়াও তাঁর বড় ভাই উত্তর জেলা কৃষক দলের সভাপতি ইসহাক কাদের চৌধুরীও মনোনয়ন পেয়েছেন। এ দুইজনের বাইরে দলের মনোনয়ন পেয়েছেন সাবেক মন্ত্রী এল কে সিদ্দিকী’র ছোট ভাই এওয়াইবিআই সিদ্দিকী।
আসনওয়ারি বিএনপির মনোনয়নপ্রাপ্তরা হলেন,
চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) : বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা নুরুল আমিন।
চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) : চট্টগ্রাম পেশাজীবী সংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিভিল সার্জন এবং উত্তর জেলা বিএনপি নেতা ডা. খুরশীদ জামিল চৌধুরী, সাবেক পিজিআর প্রধান কর্নেল (অব.) মো. আজিম উল্লাহ বাহার ও উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ ছালাউদ্দিন।
চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) : সাবেক সংসদ সদস্য মোস্তফা কামাল পাশা ও উপজেলা বিএনপির সদস্য ও কাতারপ্রবাসী নুরুল মোস্তফা খোকন।
চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকু-) : দলের যুগ্ম মহাসচিব ও উত্তর জেলা আহ্বায়ক মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী, উত্তর জেলা কৃষক দলের সভাপতি ইসহাক কাদের চৌধুরী ও সাবেক মন্ত্রী এলকে সিদ্দিকী’র ছোট ভাই এওয়াইবিআই সিদ্দিকী।
চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী ও বায়েজিদ) : ২০ দলীয় জোটের শরিক বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মোহাম্মদ ইব্রাহিম বীর প্রতীক।
বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের যুগ্ম-সম্পাদক ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা এসএম ফজলুল হক।
চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) : দলের কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর পুত্র সামির কাদের চৌধুরী, বিএনপি নেতা মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন সিকদার ও উত্তর জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী এডভোকেট ফরিদা আকতার।
চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) : উপজেলা বিএনপির একাংশের সভাপতি অধ্যাপক কুতুব উদ্দিন বাহার, উপজেলা বিএনপি অপর অংশের আহ্বায়ক আলহাজ শওকত আলী নূর ও রাঙ্গুনিয়া উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান আবু আহমেদ হাসনাত।
চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও) : দলের ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম মোরশেদ খান, নগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ান ও বিএনপি নেতা আলহাজ এরশাদ উল্লাহ।
চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী-বাকলিয়া) : মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আলহাজ মো. শামসুল আলম ও নগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম।
চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং-পাহাড়তলী-হালিশহর-খুলশী) : দলের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান ও নগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দিপ্তী।
চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর, পতেঙ্গা, ডবলমুরিং, ইপিজেড ও সদরঘাট) : আসনে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) : দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এনামুল হক এনাম ও দক্ষিণ জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য গাজী মোহাম্মদ শাহজাহান জুয়েল।
চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) : সাবেক সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজাম ও বিএনপি নেতা মোস্তাফিজুর রহমান।
চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক) : এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীর বিক্রম।
চট্টগ্রাম-১৫ (লোহাগাড়া-সাতকানিয়া আংশিক) : সাবেক সংসদ সদস্য জামায়াতে আ ন ম শামসুল ইসলাম অথবা দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমীর জাফর সাদেক।
চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) : দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী আলহাজ জাফরুল ইসলাম চৌধুরী।

সংবাদমাধ্যমে কথা বলতে পারবেন না রিটার্নিং কর্মকর্তারা

 

নিউজ ডেস্ক..

নির্বাচন কমিশন একাদশ জাতীয় নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটার্নিং কর্মকর্তাদেরকে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা না বলার নির্দেশনা দিয়েছে। চলতি মাসের ২২ তারিখে নির্বাচন কমিশনের উপ-সচিব আব্দুল হালিম খান এক চিঠিতে এ নির্দেশ দেন।

ওই চিঠিতে বলা হয়, কমিশনের সম্মতি ছাড়া কর্মকর্তারা কোনও ধরনের সংবাদ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। এমনকি তারা কর্মস্থল ত্যাগ, সরকারের কোনও উন্নয়ন, প্রশাসনিক ও নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে পারবেন না।

চিঠির আরও বলা হয়, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৭-এর দফা ১ ও ২ অনুসারে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন বিভাগীয় কমিশনার ঢাকা ও বিভাগীয় কমিশনার চট্টগ্রাম এবং সব জেলা প্রশাসককে ৮ নভেম্বর ২০১৮ রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগ করেছেন। নির্বাচনকালীন সময়ে রিটার্নিং অফিসারদের চাকরি নির্বাচন কমিশনে ন্যস্ত।

উল্লেখ্য, নির্দেশনার এ চিঠিটি মন্ত্রী পরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব, সব মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও সচিব, সব বিভাগীয় কমিশনার, সব জেলা প্রশাসক, সব আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা, সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার এবং জেলা নির্বাচন অফিসারদের কাছে পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

জোরারগঞ্জে ইউনিয়ন ব্যাংক এর শাখা উদ্বোধন

মিরসরাই প্রতিনিধি

মিরসরাইয়ের জোরারগঞ্জ বাজারে ইউনিয়ন ব্যাংক লিঃ এর জোরারগঞ্জ শাখার শুভ উদ্বোধন হয়। প্রথমে দোয়া মোনাজাত ও পরে ফিতা কেটে উক্ত শাখার শুভ উদ্বোধন করা হয়। মঙ্গলবার ( ২৭ নভেম্বর ) সকাল ১১টায় এই উপলক্ষে এক সুধি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
ইউনিয়ন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওমর ফারুক এর সভাপতিত্বে ও জহির উদ্দিন এর সঞ্চালনায় উক্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির হিসেবে বক্তব্য রাখেন জোরারগঞ্জ টেক্সটাইল কলেজের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী ঈসমাইল মোল্লা, ব্যাংক এর উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাসান ইকবাল, জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি নিজাম উদ্দিন, স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মাষ্টার রেজাউল করিম, জোরারগঞ্জ বাজার কমিটির সাধারন সম্পাদক প্রসার কান্তি বড়ুয়া।

আরো বক্তব্য রাখেন ভাইস প্রেসিডেন্ট এরফানুল হক, সহকারি ভাইস প্রেসিডেন্ট মহিউদ্দিন শামীম, মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী প্রমুখ। আলোচনা শেষে দোয়া মোনাজাত করেন মাওলানা নূর খালেক নিজামী। সবশেষে ফিতা কেটে ইউনিয়ন ব্যাংক এর উক্ত শাখার উদ্বোধন করেন অতিথীবৃন্দ।


আলোচনায় বক্তব্যপ্রদানকালে অতিথীবৃন্দ বলেন মিরসরাই এর মতো সম্ভাবনায় অর্থনৈতিক অঞ্চলে আগামীদিনে এমন আধুনিক ব্যাংক এর যাত্রা শুরুর গুরুত্ব যথেষ্ট ইতিবাচক বলে মন্থব্য করেন। এছাড়া ইউনিয়ন ব্যাংক এর ইসলামিক বিভিন্ন প্রকল্প সম্পর্কে সকলে বহুমুখী ধারনা প্রদান করা হয়।

বিএনপির মনোনয়ন পেয়ে সাবেক সাংসদ জিন্নাহ’র বাসায় নুরুল আমিন

 

নিজস্ব প্রতিনিধি

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন হাতে পাওয়ার পর মিরসরাইয়ের সাবেক সাংসদ এম এ জিন্নাহ’র বাসায় গিয়ে তাঁর সাথে দেখা করেছেন নুরুল আমিন চেয়ারম্যান। এসময় উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মোঃ আলমগীর সহ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এসময় নুরুল আমিন জিন্নাহ’র কাছে দোয়া চেয়ে নির্বাচনে একসাথে কাজ করার জন্য সহযোগীতা কামনা করেন।

মিরসরাইয়ে ৫ টি গরু চুরি

 

মিরসরাই প্রতিনিধি

মিরসরাইয়ে রাতের আঁধারে ৫ টি গরু চুরি হয়েছে। উপজেলার ১৪ নম্বর হাইতকান্দি ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মুরাদপুর গ্রামে গতরাতে ২৬ নভেম্বর (সোমবার) এই চুরির ঘটনা ঘটে। চুরির শিকার গরুর মালিকরা হলো হাইতকান্দি গ্রামের ফকির বাড়ীর জয়নাল আবেদীন ও কোব্বাত আমিনের বাড়ীর জিয়া উদ্দিন। চোরের দল জয়নালের ৩ টি ও জিয়ার ২ টি গরু নিয়ে যায়। ৫ টি গরুর বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ২ লক্ষাধিক টাকা বলে ক্ষতিগ্রস্ত গরুর মালিকরা জানিয়েছেন।
গরুর মালিক জয়নাল আবেদীন ও জিয়া উদ্দিন জানান, দীর্ঘদিন যাবত গরু চুরির ঘটনা ঘটছে জেনে প্রায় রাতে গরু পাহারা দিই আমরা। কিন্তু গতরাত প্রায় দেড়টা পর্যন্তও গরু পাহারা দিয়ে ঘুমাতে যাই। রাত দেড়টার পর কোন একসময় গরুগুলো চুরি করে নিয়ে যায় চোরের দল।

 

ঢাকায় আলোকচিত্র প্রদর্শনীতে প্রথম হয়েছে মিরসরাইয়ের ফটোগ্রাফার ইব্রাহীম নিশানের স্থির চিত্র

 

রাহাত আব্দুল্লাহ

ঢাকার মিরপুর সেনানিবাসে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ প্রপেশনাল কর্তৃক স্কুল,কলেজ, ইউনিভার্সিটি ছাত্রদের নিয়ে আয়োজিত আলোকচিত্র প্রদর্শনীতে প্রথম হওয়ার গৌরব অর্জন করেন মীরসরাইয়ের ইছাখালী ইউনিয়নের সন্তান মোঃ ইব্রাহীম নিশান।সে ৬নং ইছাখালী ৭নং ওয়াড়ের মেম্বার রফিকুজ্জামান (সাহাব উদ্দিন) এর ছোট ছেলে।

নিজেদের ঘরে বাবা মায়ের একটি অসাধারন মুহুর্তের ছবি প্রদর্শনীর মাধ্যমে সে নিজেকে সবার উপরে তুলে নিয়ে যায়।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বিজ্ঞ বিচারক মন্ডলীদের বিচারে তার এই ছবিটি প্রথম হয়।
ছবিটকে প্রথম হিসেবে বিবেচনা করেন লেপ্টেনেন্ট কর্নেল, মোঃ লুতফুর রহমান বক্সি।

এই অর্জনের জন্য ইব্রাহীম নিশান করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বন্ধু মহলসহ,বিভিন্ন সেচ্ছেসেবী এবং রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ

মিরসরাইয়ে বিএনপির মনোনয়ন ফরম হাতে পেলেন আমিন চেয়ারম্যান

নিজস্ব প্রতিনিধি
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন ফরম হাতে পেয়েছেন মিরসরাই উপজেলা পরিষষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক নুরুল আমিন। মঙ্গলবার (২৭ নভেম্বর) দুপুরে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তাঁর হাতে এই মনোনয়ন ফরম তুলে দেন। এছাড়া ডামি প্রার্থী হিসেবে ব্যবসায়ী কামাল আহম্মেদ প্রকাশ চেম্বার কামালের হাতেও ফরম দেয়া হয়েছে।

আমাকে ধ্বংস করলে করুক, লড়াই চালিয়ে যাব : ড. কামাল

 

নিউজ ডেস্ক..
জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, ‘ওরা আমাকে ধ্বংস করবে, করুক। আমি লড়াইয়ে নেমেছি, এ লড়াই চালিয়ে যাব।’

আজ মঙ্গলবার বেলা সোয়া ১১ টার দিকে ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনের বেইলি রোডের নিজ বাসায় বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে একথা জানান।

বিএনপির সাথে মনোনয়ন প্রসঙ্গে ড. কামাল হোসেন বলেন, আসন বণ্টন নিয়ে বিএনপির সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।

ড. কামাল হোসেন আর বলেন, ‘আমরা এখন সবাই মনোনয়নপত্র জমা দেব। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময় ফাইনাল করা হবে কারা চূড়ান্ত মনোনয়ন পাচ্ছেন।’

ড. কামাল আরো বলেন, ‘আমরা গণফোরাম ৩০-৪০টি আসন চেয়েছি। তার মধ্যে ঢাকাতে দুটি আসন থাকতে হবে।’ তবে কোন দুটি আসন এখনো নিশ্চিত করেনি।

দলীয়ভাবে মনোনয়ন জমা দেওয়া হচ্ছে, পরবর্তীতে আলোচনা সাপেক্ষে জোটগত প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে বলেও জানান ড. কামাল।

আগামীকাল বুধবার ঐক্যফ্রণ্টের ইশতেহার চূড়ান্ত করা হতে পারে বলে জানা গেছে।